এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

ইমাম ও খতীব সাহেবদের "ভাই" বলা একটি অনুচিত সম্বোধন

 ইমাম ও খতীব সাহেবদের "ভাই" বলা

একটি অনুচিত সম্বোধন


আমাদের সমাজে একটি প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। মসজিদের ইমাম সাহেব খুতবা দিচ্ছেন, দরস দিচ্ছেন, ফতওয়া দিচ্ছেন — আর মুসল্লিরা তাঁকে ডাকছেন "ভাই" বলে। বিষয়টি শুনতে সাধারণ মনে হলেও এর মধ্যে একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও দ্বীনি সমস্যা লুকিয়ে আছে।


আলেমের মর্যাদা কুরআনের দৃষ্টিতে

আল্লাহ তাআলা সুরা ফাতিরে ইরশাদ করেছেন —


> **إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ**

"আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে যথাযথভাবে ভয় করেন।"

এই আয়াত আলেমদের একটি বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। যাঁরা আল্লাহর ভয়ে সবচেয়ে এগিয়ে, তাঁদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো "ভাই ভাই" সম্পর্কের ভাষায় কথা বলা এই মর্যাদার অবমাননা।


সুরা মুজাদালায় আল্লাহ বলেছেন —

> **يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ**

"যারা ইমান এনেছে এবং যাদের ইলম দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করেন।"

আল্লাহ নিজে যাঁদের মর্যাদা উঁচু করেছেন, আমরা সম্বোধনের মাধ্যমে সেই মর্যাদা নামিয়ে আনব — এটি কি সঙ্গত?


#হাদিসের শিক্ষা

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন —

> **لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا**

"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।" (আবু দাউদ)

ইমাম ও খতিব সাহেব শুধু বয়সে বড় নন — ইলম, দ্বীনি দায়িত্ব ও আধ্যাত্মিক মর্যাদায়ও তিনি সমাজের উঁচু স্তরে। তাঁকে "ভাই" বলা এই হাদিসের শিক্ষার পরিপন্থী।


#সালাফের আদর্শ

সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এমন আদবের সাথে বসতেন যেন মাথায় পাখি বসে আছে — নড়াচড়া করতেও ভয় পেতেন। তাবেঈরা আলেমদের সামনে এতটাই বিনম্র থাকতেন যে ইমাম মালিক রহ.-এর দরসে উচ্চস্বরে কথা বলা অসম্ভব ছিল।


ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর ছাত্র ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন — উস্তাদের সামনে পা ছড়িয়ে বসা তাঁর পক্ষে কখনো সম্ভব হয়নি।

এই ছিল আদবের সংস্কৃতি। আর আজ আমরা সেই আসনে বসা মানুষটিকে "ভাই" বলে ডাকছি।


#ভাই" বলার সমস্যা কোথায়?

প্রথমত, এটি শ্রেণিবিন্যাস মুছে দেয়। সমাজে শিক্ষক ও ছাত্র, আলেম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক স্তরভেদ আছে। "ভাই" বলা এই স্তরভেদকে অস্বীকার করে।

দ্বিতীয়ত, এটি ইমামের কথার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। যাকে "ভাই" মনে করি, তার ফতওয়া বা নসিহত কতটা মনে গেঁথে থাকে? কিন্তু যাকে সম্মানের আসনে রাখি, তাঁর একটি কথাও হৃদয়ে স্থায়ী ছাপ ফেলে।

তৃতীয়ত, এটি পশ্চিমা সাম্যবাদী মানসিকতার অনুকরণ। পশ্চিমে সবাই সমান — শিক্ষককেও নামে ডাকো, বড়কেও "বন্ধু" বলো। এই মানসিকতা আমাদের দ্বীনি সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক।


#সঠিক সম্বোধন কী হওয়া উচিত?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইমাম ও খতিব সাহেবকে সম্বোধন করতে হবে —

"হুজুর", "মাওলানা সাহেব", "শায়খ", "ইমাম সাহেব" খতিব মহোদয় ,ওস্তাদ — মুহতারাম । ইত্যাদি এই শব্দগুলো আদব ও সম্মানের ভাষা। এগুলো শুধু শব্দ নয়, একটি সভ্যতার প্রতিফলন।

আদব হলো ইলমের আগের সিঁড়ি। ইমাম মালিক রহ. বলতেন —

> **تَعَلَّمُوا الأَدَبَ قَبْلَ أَنْ تَتَعَلَّمُوا العِلْمَ**

"ইলম শেখার আগে আদব শেখো।"

যে সমাজে আলেমের সম্মান নেই, সে সমাজে ইলমের আলোও ম্লান হয়ে যায়। ইমাম ও খতিব সাহেবকে যথাযথ সম্মানের সাথে সম্বোধন করা শুধু ব্যক্তির প্রতি সৌজন্য নয় — এটি দ্বীনের প্রতি, ইলমের প্রতি এবং আল্লাহর নির্দেশের প্রতি সম্মানের প্রকাশ।

 ইমাম ও আলেমদের সম্মান — কুরআন, হাদিস ও ওলামাদের বক্তব্যের আলোকে


#প্রথম অধ্যায় — কুরআনের দলিল

**দলিল ১**

> **لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا**

"তোমরা রাসুলকে ডাকাকে তোমাদের পরস্পর ডাকার মতো করো না।"

**(সুরা নূর: ৬৩)**

ইমাম কুরতুবি রহ. এই আয়াতের তাফসিরে লিখেছেন — রাসুলকে সাধারণ মানুষের মতো নাম ধরে ডাকা হারাম। তাঁকে "ইয়া রাসুলাল্লাহ" বা "ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ" বলতে হবে। এই আদব শুধু নবীর জন্য নয়, নবীর ওয়ারিস আলেমদের প্রতিও এই মানসিকতা থাকা উচিত।

**(তাফসিরে কুরতুবি: ১২/৩২১)**


**দলিল ২**

> **يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ**

"হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না।"

**(সুরা হুজুরাত: ২)**

ইমাম ইবন কাসির রহ. বলেন — এই আয়াত থেকে শিক্ষা হলো আলেম ও বুযুর্গদের সামনে উচ্চস্বরে কথা বলা, তাদের কথার উপর নিজের কথা প্রাধান্য দেওয়া অনুচিত।

**(তাফসিরে ইবন কাসির: ৭/৩৬৪)**

**দলিল ৩**

> **يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ**

"যারা ইমান এনেছে এবং যাদের ইলম দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করেন।"

**(সুরা মুজাদালা: ১১)**

আল্লামা আলুসি রহ. বলেন — এই আয়াতে আলেমদের জন্য বিশেষ দরজার উল্লেখ আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁদের মর্যাদার স্বীকৃতি। বান্দার উচিত আল্লাহ যাকে যে মর্যাদা দিয়েছেন তাকে সেই মর্যাদায় রাখা।

**(রুহুল মাআনি: ২৮/২১)**


**দলিল ৪**

> **إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ**

"আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে যথাযথভাবে ভয় করেন।"

**(সুরা ফাতির: ২৮)**

ইমাম ইবন রজব হাম্বলি রহ. বলেন — এই আয়াত প্রমাণ করে আলেমরা আল্লাহর সবচেয়ে কাছের বান্দা। তাদের সম্মান করা আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করার অন্তর্ভুক্ত।

**(ফাদলু ইলমিস সালাফ: পৃ. ৪৩)**


# দ্বিতীয় অধ্যায় — হাদিসের দলিল

**হাদিস ১**

> **الْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ**

"আলেমরা নবীদের উত্তরাধিকারী।"

**(আবু দাউদ: ৩৬৪১, তিরমিযি: ২৬৮২ — সহিহ)**

ইমাম মুনাবি রহ. বলেন — নবীর ওয়ারিস হওয়ার অর্থ হলো নবীর ইলম, দ্বীন ও মর্যাদার ধারক হওয়া। যে ব্যক্তি নবীর ওয়ারিসকে সম্মান করে না, সে নবীর ইলমকেই অসম্মান করে।

**(ফায়যুল কাদির: ৪/৩৮৫)**

**হাদিস ২**

> **لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا وَيَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيَعْرِفْ لِعَالِمِنَا حَقَّهُ**

"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না, ছোটদের স্নেহ করে না এবং আলেমদের হক চেনে না — সে আমাদের দলভুক্ত নয়।"

**(মুসনাদে আহমাদ: ৭১৫৭, সহিহ লি গায়রিহি)**

ইমাম আহমাদ রহ. এই হাদিস বর্ণনা করার পর বলেন — আলেমের হক চেনা মানে তার ইলমের কারণে তাকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া, তার সামনে বিনম্র থাকা এবং তার সাথে সাধারণ মানুষের মতো আচরণ না করা।

**হাদিস ৩**

> **إِنَّ مِنْ إِجْلَالِ اللهِ إِكْرَامَ ذِي الشَّيْبَةِ الْمُسْلِمِ، وَحَامِلِ الْقُرْآنِ غَيْرِ الْغَالِي فِيهِ وَالْجَافِي عَنْهُ، وَإِكْرَامَ ذِي السُّلْطَانِ الْمُقْسِطِ**

"আল্লাহকে সম্মান করার অংশ হলো বৃদ্ধ মুসলিমকে, কুরআনের ধারককে এবং ন্যায়পরায়ণ শাসককে সম্মান করা।"

**(আবু দাউদ: ৪৮৪৩ — হাসান)**

ইমাম খাত্তাবি রহ. বলেন — "হামিলুল কুরআন" অর্থ শুধু হাফেয নয়, বরং যিনি কুরআনের ইলম ও আমল বহন করেন অর্থাৎ আলেম। তাঁকে সম্মান করা আল্লাহকে সম্মান করার অংশ।

**(মাআলিমুস সুনান: ৪/১১৫)**

**হাদিস ৪**

> **أَكْرِمُوا الْعُلَمَاءَ فَإِنَّهُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ، فَمَنْ أَكْرَمَهُمْ فَقَدْ أَكْرَمَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ**

"আলেমদের সম্মান করো। কারণ তারা নবীদের উত্তরাধিকারী। যে তাদের সম্মান করল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে সম্মান করল।"

**(কানযুল উম্মাল: ২৮৬৮৭)**


## তৃতীয় অধ্যায় — ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য

**ইমাম শাফেয়ি রহ. (মৃ. ২০৪ হি.)**

> **مَنْ أَهَانَ العُلَمَاءَ فَقَدْ أَهَانَ الشَّرِيعَةَ، وَمَنْ أَهَانَ الشَّرِيعَةَ فَقَدْ أَهَانَ اللهَ**

"যে আলেমদের অপমান করল সে শরিয়তকে অপমান করল। আর যে শরিয়তকে অপমান করল সে আল্লাহকেই অপমান করল।"

**(মানাকিবুশ শাফেয়ি, বায়হাকি: ২/১৫৪)**

**ইমাম মালিক রহ. (মৃ. ১৭৯ হি.)**

তাঁর দরসে কেউ উচ্চস্বরে কথা বললে তিনি বলতেন —

> **هَذَا مَجْلِسُ العِلْمِ، لَا يُرْفَعُ فِيهِ الصَّوْتُ**

"এটি ইলমের মজলিস, এখানে কণ্ঠ উঁচু করা যায় না।"

**(তারতিবুল মাদারিক: ১/১৩৮)**

**ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল রহ. (মৃ. ২৪১ হি.)**

তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ বলেন — আমি কখনো বাবার সামনে পা ছড়িয়ে বসিনি, কোনো প্রশ্ন করার আগে অনুমতি নিতাম। তিনি ছিলেন আমার পিতা — তবুও আলেম হিসেবে তাঁর আদব আলাদাভাবে রক্ষা করতাম।

**(মানাকিবুল ইমাম আহমাদ, ইবন জাওযি: পৃ. ৩২১)**

**ইমাম নববি রহ. (মৃ. ৬৭৬ হি.)**

> **يَنْبَغِي لِلْمُتَعَلِّمِ أَنْ يَتَوَاضَعَ لِشَيْخِهِ وَيُعَظِّمَهُ، وَأَنْ يَعْلَمَ أَنَّ تَعْظِيمَهُ تَعْظِيمٌ لِلْعِلْمِ**

"ছাত্রের উচিত উস্তাদের সামনে বিনম্র থাকা এবং তাঁকে সম্মান করা। জেনে রাখো — উস্তাদকে সম্মান করা ইলমকেই সম্মান করা।"

**(আল-মাজমু শরহুল মুহাযযাব: ১/৩৭)**

**আল্লামা ইবন আবিদিন শামি রহ. (মৃ. ১২৫২ হি.)**

> **تَعْظِيمُ أَهْلِ الْعِلْمِ وَاجِبٌ شَرْعًا، وَإِهَانَتُهُمْ مِنَ الْكَبَائِرِ**

"আলেমদের সম্মান করা শরঈভাবে ওয়াজিব। আর তাদের অপমান করা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।"

**(রদ্দুল মুহতার: ১/৪৫)**

**হযরত থানভি রহ. (মৃ. ১৩৬২ হি.)**

 আলেমদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো ব্যবহার করা দ্বীনের অবমাননার আলামত। যে জাতি আলেমদের কদর করে না, সে জাতির দ্বীনি অবনতি অনিবার্য।

**(মালফুযাতে থানভি: ৩/২১৭)**

**মুফতি রশিদ আহমাদ লুধিয়ানভি রহ.**

আহসানুল ফাতাওয়ায় তিনি লিখেছেন — আলেমকে তাচ্ছিল্য করা, তাঁর সম্মানহানি করা, তাঁকে সাধারণ মানুষের কাতারে নামিয়ে আনা — এসব কাজ ঈমানের দুর্বলতার লক্ষণ এবং কিছু ক্ষেত্রে কুফরের নিকটবর্তী।

**(আহসানুল ফাতাওয়া: ১/৫৩)**


#চতুর্থ অধ্যায় — সালাফের আমলি নমুনা

ইমাম শাফেয়ি রহ. বলেন — আমি ইমাম মালিকের সামনে পাতার শব্দ না হয় এ জন্য অত্যন্ত আস্তে কিতাবের পাতা উল্টাতাম, যাতে তাঁর মনোযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়।

ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন — ইমাম আবু হানিফার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো আমার পক্ষে কখনো সম্ভব হয়নি, যদিও তাঁর বাড়ি ছিল অনেক দূরে।

আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. হযরত যায়িদ ইবন সাবিতের উটের লাগাম ধরে হাঁটতেন এবং বলতেন — "এভাবেই আমাদের আলেমদের সম্মান করতে বলা হয়েছে।"


#সারসংক্ষেপ

কুরআন, হাদিস এবং ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য একটিই কথা বলে — আলেম ও ইমামদের সাধারণ মানুষের কাতারে রাখা শরঈ দৃষ্টিতে অনুচিত, বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে গুনাহ। "ভাই" বলে সম্বোধন করা শুধু ভাষার সমস্যা নয় — এটি আলেমের মর্যাদা সম্পর্কে ভুল ধারণার প্রকাশ।


আল্লাহ তাআলা আমাদের আলেমদের যথাযথ সম্মান করার তাওফিক দান করুন। আমিন।©

https://www.facebook.com/junaid.ahmad.367631


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার --- বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু --- পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের দেশে নাম লেখালো বাংলাদেশ।


দেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই --- বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে শব্দটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো ---বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


জলবায়ু অভিবাসীদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই শিক্ষার্থীর দেহাবশেষ দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে --- সংসদে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা সংযুক্ত আরব আমিরাতের।


এবং জাকার্তায় সিঙ্গাপুরকে তিন-এক গোলে হারিয়ে নারী এশিয়ান গেমস বাছাইয়ের ফাইনালে বাংলাদেশ নারী হকি দল।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


দেশের জনগণ বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায় - যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে - যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে - শার্শায় ঐতিহাসিক উলসীখাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে বললেন তারেক রহমান।


দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে - সংসদে বললেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


মাদক ও জুয়া নির্মূলে আগামী বৃহস্পতিবারের পর দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে - জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।


আগামী সপ্তাহ থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে - বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী।


ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধে বিশ্বের সকল দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে - যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


ইরান শান্তি পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট - পুনরায় হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে জাতিসংঘের আহ্বান।


সিলেটে আজ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে শ্রীলংকা নারী দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের জনগণ বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায় --- যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে --- যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে --- শার্শায় ঐতিহাসিক উলসীখাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে বললেন তারেক রহমান।


দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে --- সংসদে বললেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


মাদক ও জুয়া নির্মূলে আগামী বৃহস্পতিবারের পর দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে --- জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।


আগামী সপ্তাহ থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে --- বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী।


ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধে বিশ্বের সকল দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে --- যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলো ইরান।


এবং চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ছয় উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করলো বাংলাদেশ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জনসভায় অংশগ্রহণ করতে আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


একনেকে সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণসহ ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন - প্রকল্প ব্যয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার - সংসদে জানালেন তারেক রহমান।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার রোধে মূলধারার গণমাধ্যমকে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর।


 ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে রাশিয়ার পথে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী - লেবাননে যুদ্ধ বিরতির মধ্যে ইসরাইলি হামলায় ১৪ জন নিহত।


চট্টগ্রামে আজ প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সফররত নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

সূরা লাহাব: কুরআনের এক জীবন্ত ভবিষ্যদ্বাণী! ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সূরা লাহাব: কুরআনের এক জীবন্ত ভবিষ্যদ্বাণী!


কুরআনের ১১১ নং সূরা হলো সূরা আল-লাহাব (তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাব)। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা সরাসরি রাসূল ﷺ–এর চাচা আবু লাহাব–এর পরিণতি ঘোষণা করে দেন—


“ধ্বংস হোক আবু লাহাবের দুই হাত, আর সে নিজেও ধ্বংস হোক।

তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে তা তার কোনো কাজে আসবে না।

সে অচিরেই দগ্ধ হবে প্রজ্বলিত আগুনে।”

(সূরা লাহাব ১১১:১–৩)


এই আয়াতগুলো কোনো সাধারণ ব্যক্তিকে নয়, বরং জীবিত অবস্থায় থাকা এক প্রভাবশালী মানুষকে উদ্দেশ্য করে নাজিল হয়েছিল। এখানেই এই সূরার তাৎপর্য ও অলৌকিকতা সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট হয়।


সূরা লাহাব কখন নাজিল হয়েছিল.?


ইতিহাসবিদ ও মুফাসসিরদের মতে,

সূরা লাহাব নাজিল হয় নবুয়তের একেবারে শুরুর দিকে, অর্থাৎ—নবুয়তের প্রথম বা দ্বিতীয় বছর

আনুমানিক ৬১৩ খ্রিস্টাব্দে,এই সময় আবু লাহাব সম্পূর্ণ জীবিত ছিলেন, সমাজে প্রভাবশালী ছিলেন এবং চাইলে প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করার সুযোগ তার সামনে খোলা ছিল।


আবু লাহাব কত বছর পরে মারা যায়..?


আবু লাহাব মারা যায়—২ হিজরি সনে,বদর যুদ্ধের কিছুদিন পরে,আনুমানিক ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে।

অর্থাৎ—সূরা লাহাব নাজিল হওয়ার প্রায় ১০–১১ বছর পরে আবু লাহাব মারা যায়।


এই দীর্ঘ সময়জুড়ে সে একবারও ঈমান আনেনি, বরং মৃত্যু পর্যন্ত ইসলাম ও রাসূল ﷺ–এর বিরোধিতা করে গেছে।


কেন এই ঘটনা কুরআনের সত্যতার শক্ত প্রমাণ

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি উঠে আসে—

কুরআন স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছিল যে আবু লাহাব জাহান্নামে যাবে,যদি আবু লাহাব লোক দেখানো হলেও একদিনের জন্য ঈমান আনত, তাহলে কুরআনের এই ঘোষণা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেত,

ইসলাম বিরোধীরা এটাকে বড় অস্ত্র বানাতে পারত।


কিন্তু বাস্তবে কী হলো?


আবু লাহাব কখনো ঈমান আনেনি,

বরং মৃত্যু পর্যন্ত কুফরেই অটল থেকেছে,

এবং অপমানজনক অবস্থায় মারা গেছে।

এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়,কারণ মানুষ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান করতে পারে না,কিন্তু একজন শত্রু জীবিত থাকাকালীন তার শেষ পরিণতি নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা—মানুষের পক্ষে অসম্ভব।


মানুষের লেখার সাথে কুরআনের পার্থক্য!


যদি কুরআন মানুষের লেখা হতো, তাহলে—

এমন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা কখনোই করা হতো না,

কারণ এক ব্যক্তির সিদ্ধান্তেই পুরো বক্তব্য মিথ্যা হয়ে যেতে পারত।


কিন্তু কুরআন এই ঘোষণা করেছে নির্ভয়ে, এবং ইতিহাস তা শতভাগ সত্য প্রমাণ করেছে।


সূরা লাহাব প্রমাণ করে—

কুরআন কোনো সাধারণ গ্রন্থ নয়,

এটি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত সংবাদ দেয়,

এবং আল্লাহর পক্ষ থেকেই নাজিল হয়েছে।

আবু লাহাব সূরা নাজিল হওয়ার প্রায় ১০–১১ বছর পর মারা গিয়েও ঈমান আনেনি—এটাই কুরআনের সত্যতার এক জীবন্ত সাক্ষ্য।


#foryoupageシ   #foryouシ

প্রজেক্ট ফাইল অটোমেশন করার জন্য ২০টি গুরুত্বপূর্ণ Excel ফর্মুলা:👇

 ⛔প্রজেক্ট ফাইল অটোমেশন করার জন্য ২০টি গুরুত্বপূর্ণ Excel ফর্মুলা:👇


1. SUM

Formula: =SUM(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট রেঞ্জের সব সংখ্যা যোগ করে।


2. AVERAGE

Formula: =AVERAGE(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: গড় মান বের করে।


3. COUNT

Formula: =COUNT(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: শুধুমাত্র সংখ্যাসূচক সেল গণনা করে।


4. COUNTA

Formula: =COUNTA(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: খালি ছাড়া সব সেল গণনা করে।


5. IF

Formula: =IF(A1>50,"Pass","Fail")

Argument: (logical_test, value_if_true, value_if_false)

ব্যাখ্যা: শর্ত অনুযায়ী ফলাফল দেয়।


6. SUMIF

Formula: =SUMIF(A1:A10,">50")

Argument: (range, criteria, [sum_range])

ব্যাখ্যা: শর্ত অনুযায়ী যোগফল করে।


7. COUNTIF

Formula: =COUNTIF(A1:A10,"Yes")

Argument: (range, criteria)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট শর্তে সেল গণনা করে।


8. VLOOKUP

Formula: =VLOOKUP(A2,A:B,2,FALSE)

Argument: (lookup_value, table_array, col_index_num, [range_lookup])

ব্যাখ্যা: টেবিল থেকে ডাটা খুঁজে আনে (vertical)।


9. HLOOKUP

Formula: =HLOOKUP(A1,B1:E2,2,FALSE)

Argument: (lookup_value, table_array, row_index_num, [range_lookup])

ব্যাখ্যা: হরাইজন্টালভাবে ডাটা খোঁজে।


10. XLOOKUP

Formula: =XLOOKUP(A2,A:A,B:B)

Argument: (lookup_value, lookup_array, return_array)

ব্যাখ্যা: আধুনিক ও শক্তিশালী lookup ফাংশন।


11. INDEX

Formula: =INDEX(A1:B10,2,2)

Argument: (array, row_num, column_num)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট অবস্থানের ডাটা রিটার্ন করে।


12. MATCH

Formula: =MATCH("Apple",A1:A10,0)

Argument: (lookup_value, lookup_array, [match_type])

ব্যাখ্যা: ডাটার পজিশন বের করে।


13. LEFT

Formula: =LEFT(A1,4)

Argument: (text, [num_chars])

ব্যাখ্যা: বাম দিক থেকে নির্দিষ্ট অক্ষর নেয়।


14. RIGHT

Formula: =RIGHT(A1,3)

Argument: (text, [num_chars])

ব্যাখ্যা: ডান দিক থেকে অক্ষর নেয়।


15. MID

Formula: =MID(A1,2,3)

Argument: (text, start_num, num_chars)

ব্যাখ্যা: মাঝখান থেকে অক্ষর নেয়।


16. LEN

Formula: =LEN(A1)

Argument: (text)

ব্যাখ্যা: টেক্সটের মোট দৈর্ঘ্য গণনা করে।


17. TRIM

Formula: =TRIM(A1)

Argument: (text)

ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত স্পেস সরায়।


18. CONCAT

Formula: =CONCAT(A1,B1)

Argument: (text1, text2, ...)

ব্যাখ্যা: একাধিক টেক্সট একত্র করে।


19. ROUND

Formula: =ROUND(A1,2)

Argument: (number, num_digits)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট দশমিক পর্যন্ত সংখ্যা রাউন্ড করে।


20. TODAY

Formula: =TODAY()

Argument: ()

ব্যাখ্যা: আজকের তারিখ দেখায়।


#exceltips #excelformullas #excelbasic #SkillDevelopment  #everyone

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।  তারিখ: ২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। 

তারিখ: ২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


একনেকে সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণসহ ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন - প্রকল্প ব্যয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।


পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার - সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।


উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জনসভায় অংশগ্রহণ করতে আগামীকাল যশোর জেলা সফর করবেন তারেক রহমান।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার রোধে মূলধারার গণমাধ্যমকে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর।


ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট সৃষ্টি হচ্ছে -মন্তব্য জাতিসংঘের।


বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি আগামীকাল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানব সম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর - বিয়াম ফাউন্ডেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা নস্যাতের যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সমাজ গঠনে আইসিটি খাতের সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরী - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাকিস্তান ত্যাগের পরপরই শান্তি আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদলের পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।


চীনে এশিয়ান বিচ গেমস কাবাডি ইভেন্টে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল - গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে নেপালের মুখোমুখি হচ্ছে আজ।

লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—

লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—

১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?


২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?


‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের চারপাশের লোমও কাটতে হবে?


৪। পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে লজ্জাস্থানের লোম কাটতে পারবে?


৫। কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?


🔲 নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়, নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)


🔲 স্বামী তার স্ত্রী’র এবং স্ত্রী তার স্বামীর-


নাভির নিচের লোম কেটে দিতে পারবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অবাঞ্চিত লোম কেটে দিতে পারবে।


তবে নিজ হাত দিয়ে অবাঞ্চিত লোম পরিস্কারের সামর্থ থাকা সত্বেও একে অপরের সাহায্য না নেওয়া উত্তম।


স্বামী স্ত্রীর মাঝেও লজ্জা শীলতা থাকা আবশ্যক। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মাঝে লজ্জা না থাকলে সংসারে সুখ হয় না।


যদিও স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার করে দেওয়া জায়েয। তবে ইহা আদব তথা শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ।


ইবন কুদামা আল মাকদেসী (রহ.) বলেন,


 وَيُبَاحُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْ الزَّوْجَيْنِ النَّظَرُ إلَى جَمِيعِ بَدَنِ صَاحِبِهِ ، وَلَمْسُهُ ، حَتَّى الْفَرْجِ … ؛ وَلِأَنَّ الْفَرْجَ يَحِلُّ لَهُ الِاسْتِمْتَاعُ بِهِ ، فَجَازَ النَّظَرُ إلَيْهِ وَلَمْسُهُ ، كَبَقِيَّةِ الْبَدَنِ 


 স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সমস্ত দেহের দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষেত্রেও বৈধ। কেননা, যৌনাঙ্গে মিলন হালাল। সুতরাং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত তা দেখা ও স্পর্শ করাও জায়েয। (আল মুগনী ৭/৭৭)।


🔲 অন্ডকোষ ও মলদ্বারের-


চারপাশের লোমও কাটতে হবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


মুত্র থলির নিচে নিম্নাঙ্গের যে হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। (পেটের নীচে লজ্জাস্থানের উপরে ত্রিভুজ অঞ্চলের শুরুতে যে ভাঁজ থাকে) এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং মলদ্বার- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে পুরোটাই অবাঞ্ছিত পশম থেকে মুক্ত করতে হবে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২]


পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে।


যদি নাপাকি লেগে না থাকে, সন্দেহমুক্তভাবে পরিষ্কার রাখা সর্বদা সম্ভব হয়, তাহলে সমস্যা নেই।


তবে কেটে ফেলা উত্তম, কেটে ফেলবেন, এটা অধিকাংশ মত।(বিস্তারিত পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে ইংশাআল্লাহ্)।


☞ আর নাভীর নিচের লোম, অন্ডকোষ, পায়ুপথ তথা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা-দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)


🔲 পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে-


নাভির নিচের লোম কাটতে পারবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব।—(কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)


ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না।


فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة


যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭)


❑ মেশিন দিয়ে লজ্জাস্থানের লোম কাটার মূলনীতি হলো—


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


☞ ছাটা না ক্লিন?


☞ লোম ক্লিন করা সুন্নাত। 


☞ তাই মেসিন দিয়ে তো কাটা হয়/ছাটা হয়, ক্লিন হয় না। 


☞ আর যদি একেবারে ন্যানো হয় তাহলে করা যেতে পারে।


তবে একবারে ক্লিন করাই উত্তম, সুন্নাহ।


▪️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—


وعن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الفطرة خمس: الختان، والاستحداد، وقص الشارب، وتقليم الأظفار، ونتف الإبط)) متفق عليه.


রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ফিতরাত তথা স্বভাবগত সুন্নত পাচঁটি।


১) খৎনা করা। ২) খুর দ্বারা নাভীর নীচ পরিস্কার করা। ৩) মুছ কাট। ৪) নক কাটা। ৫) বগলের চুলকে উপড়িয়ে ফেলা। (মিশকাতুল মাসাবিহ-৪৪২০)


▪️মুল্লা আলী ক্বারী (রঃ) উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,


(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.


ইস্তেহদাদ অর্থ হলো– নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।


ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন। তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ। যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে, তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) সবার জানা থাকা উচিৎ যে, জুনুবী অবস্থায় নাভীর চুলকে কাটা যাবে না।


🔲 কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি সপ্তাহে একবার কাটা সুন্নত। কমপক্ষে ৪০ দিনের ভিতরে একবার হলেও কাটতে হবে বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস (রাযি.) বলেন,


وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً


অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:৩০-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:৩০-০৪-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার - জাতীয় সংস...