এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।

 ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।

১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। এক দুই হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করবেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব, মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দু'আ কবুল হবে। 


২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দু'আ পাওয়া যায়। 


৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে, ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়। 


৪) ছোট কাজ হোক, তবুও তা বাসমালাহ (বিসমিল্লাহ) পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷ 


৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন। 


৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার, পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদ মুক্তির উসিলা। 


৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল, সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন। 


৮) টাকা-পয়সা, সম্পদ, ঘরের আসবাব, জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়, মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷ 


৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন, সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে। 


১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন, আল্লাহকে আগে বলবেন; পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দু'আর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে। 


১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই, তুমি দাও নাই, কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দু'আ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন। 


এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।


#Hajj #Zilhajj #Sunnah #IslamicReminder #DhulHijjah #কোরবানি #জিলহজ্জ

মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ

~

কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধারণাগুলোর একটি হলো, কোনও বস্তু একই সময়ে একাধিক অবস্থায় বা অবস্থানে থাকতে পারে। এতদিন এই বিচিত্র আচরণ মূলত ইলেকট্রন, পরমাণু বা অতি ক্ষুদ্র অণুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সম্প্রতি ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় (University of Vienna) এবং ডুইসবার্গ-এসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Duisburg-Essen) গবেষকরা এক অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছেন। তারা প্রমাণ করেছেন, হাজার-হাজার পরমাণু দিয়ে গঠিত তুলনামূলক 'ভারী' ধাতব কণাও একই সময়ে একাধিক স্থানে থাকার মতো কোয়ান্টাম আচরণ প্রদর্শন করতে পারে।


এই গবেষণায় সোডিয়াম পরমাণু দিয়ে তৈরি বিশেষ ন্যানোকণা ব্যবহার করা হয়েছে, যার প্রতিটিতে ছিল প্রায় ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ পরমাণু। কণাগুলোর আকার ছিল প্রায় ৮ ন্যানোমিটার; যা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ট্রানজিস্টরগুলোর কাছাকাছি। এত বড় আকৃতির কোনও বস্তুও যে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার নিয়ম মেনে তরঙ্গের মতো আচরণ করতে পারে, সেটিই এই পরীক্ষার সবচেয়ে বৈপ্লবিক দিক। বিজ্ঞানীরা অতিবেগুনি লেজার ব্যবহার করে এই কণাগুলোকে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যান, যেখানে তারা একই সঙ্গে একাধিক পথে অগ্রসর হয়। পরবর্তীকালে এই পথগুলো পুনরায় মিলিত হয়ে একটি 'ইন্টারফেরেন্স প্যাটার্ন' বা ব্যতিচার নকশা তৈরি করে, যা কোয়ান্টাম সুপারপজিশনের এক অকাট্য প্রমাণ।


পরীক্ষার সময় এই কণাগুলো কোনও নির্দিষ্ট বিন্দুতে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তাদের অস্তিত্ব কয়েকটি সম্ভাব্য স্থানে ছড়িয়ে ছিল। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় একে 'শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল' পরিস্থিতি বলা হয়; যেখানে কোনও বস্তু পর্যবেক্ষণ করার আগ পর্যন্ত একই সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকতে পারে। গবেষকদের এই সাফল্য ইঙ্গিত দেয়, কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অদ্ভুত নিয়মগুলো শুধু ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণুর জন্যে নয়, বরং আমাদের দৃশ্যমান জগতের কাছাকাছি আকারের বস্তুর ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে।


এই পরীক্ষার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর 'ম্যাক্রোস্কোপিসিটি' (Macroscopicity) মান। গবেষকদের দাবি অনুযায়ী, তাদের এই পরীক্ষার ফলাফল আগের যে-কোনও অনুরূপ পরীক্ষার তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি শক্তিশালীভাবে কোয়ান্টাম তত্ত্বের সত্যতা যাচাই করেছে। এর ফলে একটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজা সহজ হবে—কোয়ান্টাম জগতের সীমানা ঠিক কোথায় শেষ হয় এবং আমাদের পরিচিত 'স্বাভাবিক' জগতের শুরু কোথায়?


তাত্ত্বিক আলোচনার বাইরেও এই গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতি সূক্ষ্ম বল, বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র বা চৌম্বকীয় প্রভাব পরিমাপ করা সম্ভব। ভবিষ্যতে আরও বড় কণা নিয়ে এমন পরীক্ষা সফল হলে তা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং অতিসংবেদনশীল সেন্সর তৈরিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।


०००

মুস্তাকিম গিয়াস

মে ১১, ২০২৬


📚 Journal References:

Sebastian Pedalino et al.

Probing quantum mechanics with nanoparticle matter-wave interferometry.

Nature, 2026; 649 (8098): 866

DOI: 10.1038/s41586-025-09917-9

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর - ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে একযোগে কাজ করার আহ্বান।


সাইবার অপরাধ, অনলাইন গুজব ও ভুল তথ্য মোকাবিলায় বিশেষায়িত সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।


ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়কের উপরে বা পাশে কোনো গরুর হাট বসবে না - সাফ জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।


ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল স্থাপন করছে - বললেন  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ - আশা প্রকাশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর। 


গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না মর্মে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ।


চীনে ইরানের তেল চালানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের।


মিরপুরে সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আজ শেষ দিনে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং আবার শুরু করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ১১-০৫-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম

রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর--- ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে একযোগে কাজ করার আহ্বান।

সাইবার অপরাধ, অনলাইন গুজব ও ভুল তথ্য মোকাবিলায় বিশেষায়িত সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

ঈদুল আযহা কেন্দ্র করে মহাসড়কের উপরে বা পাশে কোনো গরুর হাট বসবে না --- সাফ জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল স্থাপন করছে ------ বললেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ ---আশা প্রকাশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর।

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না মর্মে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ।

চীন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট --- ইরান ইস্যুতে শি জিনপিংকে চাপ প্রয়োগ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প‘।

 এবং মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে আজ বৃষ্টিবিঘ্নিত চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১১-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:১১-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে - পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


পুলিশকে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়তে যৌক্তিক দাবি পূরণ করা হবে - আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।


অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর জোর দিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।


তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর।


ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে আজ থেকে সারাদেশে পণ্য বিক্রি শুরু করছে টিসিবি।


যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাব ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ - বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।


মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আজ চতুর্থ দিনে বিনা উইকেটে সাত রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং আবার শুরু করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ  তারিখ ১০-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ 

তারিখ ১০-০৫-২০২৬


আজকের শিরোনাম: 


জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে - পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


পুলিশকে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়তে যৌক্তিক দাবি পূরণ করা হবে - আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।


অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর জোর দিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।


তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর।


ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে আগামীকাল থেকে সারাদেশে পণ্য বিক্রি শুরু করবে টিসিবি।


উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে গাড়ি বোমা হামলা ও অতর্কিত আক্রমণে ২১ পুলিশ নিহত।


মিরপুরে টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৪ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১০-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:১০-০৫-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


স্মার্ট কার তৈরি করায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুণের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী - সৃজনশীল যে কোন উদ্যোগে সহযোগিতা করার আশ্বাস।


আজ থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ - চারদিনব্যাপী কর্মসূচীর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ - বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী। 


পরিবর্তিত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বিটিভি’র জন্য মানসম্মত অনুষ্ঠান নির্মানের পরামর্শ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ৩৯ জন নিহত।


মিরপুরে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে এক উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে আজ তৃতীয় দিনে ব্যাটিং শুরু করবে পাকিস্তান।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৯-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:০৯-০৫-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


মাদক দ্রব্যের পাচার ও অপব্যবহার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত।


মানবতাবিরোধী কোন অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষাসহ নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানালো বাংলাদেশ।


নানা আয়োজনে দেশে উদযাপিত হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫-তম জন্মবার্ষিকী।


২৬ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলো রাষ্ট্রায়াত্ত তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’।


যুদ্ধ বিরতি সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৩১ জন।


মিরপুরে সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৪ উইকেট ৩০১ রান নিয়ে আজ দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ।

ট্যাম্পন (অ্যালপ্লিকেটর ছাড়া) ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

 ট্যাম্পন (অ্যালপ্লিকেটর ছাড়া) ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

​১. হাত পরিষ্কার করা: ট্যাম্পন ধরার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিতে হবে। এটি ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে জরুরি।

২. আরামদায়ক অবস্থান: ছবিতে যেমন দেখা যাচ্ছে, টয়লেট সিটে বসে বা এক পা কোনো উঁচু জায়গায় (যেমন পানের টব বা টুল) রেখে দাঁড়ালে ট্যাম্পন প্রবেশ করানো সহজ হয়। এতে যোনিপথের পেশিগুলো শিথিল থাকে।

৩. আনলক করা: ট্যাম্পনের প্লাস্টিক র‍্যাপার খুলে ফেলুন এবং নিচের সুতোটি ভালো করে টেনে দেখে নিন তা শক্তভাবে লাগানো আছে কি না।

৪. প্রবেশ করানো: তর্জনী (Index finger) দিয়ে ট্যাম্পনের নিচের অংশে চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে যোনিপথের দিকে ঠেলুন। যোনিপথ সোজা নয়, বরং কিছুটা কোমর বা শিরদাঁড়ার দিকে বাঁকানো থাকে, তাই সেদিকে লক্ষ্য রেখে প্রবেশ করান।

৫. সঠিক গভীরতা: ট্যাম্পনটি ততক্ষণ ভেতরে ঠেলুন যতক্ষণ না আপনার আঙুলের দ্বিতীয় গিট পর্যন্ত ভেতরে যায়। যদি ট্যাম্পনটি বসানোর পর আপনি সেটি অনুভব করতে পারেন বা অস্বস্তি হয়, বুঝবেন এটি পর্যাপ্ত ভেতরে যায়নি। সঠিকভাবে সেট হলে আপনি বুঝতেই পারবেন না যে ভেতরে কিছু আছে।

​জরুরি কিছু তথ্য

​পরিবর্তন করার সময়: একটি ট্যাম্পন ৪ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি রাখা উচিত নয়। দীর্ঘক্ষণ রাখলে Toxic Shock Syndrome (TSS) হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

​নিরাপত্তা: ট্যাম্পন কখনও জরায়ুর ভেতরে হারিয়ে যায় না। এর সুতো বাইরে থাকে যা দিয়ে সহজেই এটি টেনে বের করা যায়।

​পরিচ্ছন্নতা: খোলার পর ট্যাম্পনটি টিস্যুতে পেঁচিয়ে ডাস্টবিনে ফেলুন। কখনও টয়লেটে ফ্লাশ করবেন না।

​কেন ট্যাম্পন সুবিধাজনক?

​প্যাড ব্যবহারের চেয়ে ট্যাম্পন অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক হতে পারে, বিশেষ করে খেলাধুলা বা সাঁতার কাটার সময়। এটি কোনো আর্দ্রতা বা র‍্যাশ তৈরি করে না এবং পোশাকের ওপর দিয়ে বোঝা যায় না।

​পিরিয়ড নিয়ে লজ্জা নয়, বরং সঠিক স্বাস্থ্যবিধি জানাই আসল সুস্থতা।


#সংগ্রহীত_পোস্ট_ও_ছবি 

​#MenstrualHealth #PeriodSafety #TamponTips #WomenHygiene #HealthAwareness #পিরিয়ড_স্বাস্থ্য #পিরিয়ড_ট্যাব_ভাঙুন

পরাজিত পাকিস্তান"  বাংলাদেশের জনগণ এর জন্য" আর ও যা যা তৈরি করে দিয়ে গেছে 

 পরাজিত পাকিস্তান" 

বাংলাদেশের জনগণ এর জন্য"

আর ও যা যা তৈরি করে দিয়ে গেছে " 


তার দ্বিতীয় অংশ তুলে ধরলাম " 


আসা করি " 


মৌদির বীজ দের জ্বলবে।


ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে? বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান? ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল। ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। 

◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩) 

◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬) 

◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০) 

◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮) 

◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১) 

▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। ◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল 

◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল ◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল ◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা। ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে 

◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯) 

◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯) 

◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২) 

◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে। 

▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। 

◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮) 

◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২) 

◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬) 

◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮) 

◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০) উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷ 

▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। 

◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮) 

◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩) 

◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩) 

◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫) উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। 

▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)" 

▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"। 

◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। 

◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল। ★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা! 


নোট" ৭১ এর পর থেকে আজ পর্যণ্ত " 

পরাজিত পাকিস্তান এর হাতে বাংলাদেশের জনগণ কে লাশ হতে হয়নি" 

অথচ সেই ৭১ এর পর আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের জনগণ কে" হিংস্র ভরতের বুলেট লাশ হতে হচ্ছে " সরকারি ক্ষমতায় যে শুয়ারের বাচ্চা রা থাকুন না কেনো" কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া নেই " এবং কথিত অবাঞ্ছিত সুশীল মাদারবোর্ড কুকুরের বাচ্চা রা চুপচাপ থাকে। কত টা দুর্ভাগা জাতি আমরা। এখনো ভরতের আগ্রাসনের মধ্যে আটকে রইলাম " শুধু মাএ" মুনাফেক শুয়ারের বাচ্চা গুলো ক্ষমতার চেয়ারে থাকার কারণে।


সংগৃহীত 

লাইক কমেন্ট শেয়ার করে সবাইকে জানান এবং ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন

হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ

 🛑হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ🛑 ♦️Lycopodium - ডান পাশে হার্নিয়া ।  - গ্যাস, অম্বল, পেট ফোলা ।  - ক্ষুধা কম আবার না খেতে পারলে শরীর কাঁ...