এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৭-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৭-০৩-২০২৬

আজকের শিরোনাম:


যথাযথ মর্যাদায় দেশব্যাপী স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত --- সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা।

 


জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই-পাস্ট অনুষ্ঠিত --- যোগ দিলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

 


স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বাংলাদেশকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা --- পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার।

 


দেশের ক্রীড়া জগতকে পেশাদার রূপ দিতে এবং নতুন নতুন খেলোয়াড় তৈরি করতে  ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। 

 


রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে ইতিহাসের শিক্ষাকে পাথেয় করে পথ চলতে  হবে --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

 


ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা স্থগিতের মেয়াদ আরও ১০ দিন বৃদ্ধি করলেন ট্রাম্প।

 


এবং মালদ্বীপে সাফ অনুর্ধ্ব- ২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে দিনের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক মালদ্বীপ – নেপালের ও দ্বিতীয়টিতে ভুটান – শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে আজ।

আলসার রোগে হোমিওপ্যাথির শক্তিশালী সমাধান | কারণ, লক্ষণ, ৩০টি ঔষধ ও সম্পূর্ণ গাইড 🩺

 🍁🔥🩺 আলসার রোগে হোমিওপ্যাথির শক্তিশালী সমাধান | কারণ, লক্ষণ, ৩০টি ঔষধ ও সম্পূর্ণ গাইড 🩺🔥


🌿 🔴 আলসার কি?

পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষত তৈরি হওয়াকে আলসার বলা হয়। এটি সাধারণত অ্যাসিডিটি, ইনফেকশন বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে।


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚠️ 🔹 আলসারের ৫টি প্রধান কারণ:

▪ অতিরিক্ত ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার  

▪ দীর্ঘদিন খালি পেটে থাকা  

▪ Helicobacter pylori সংক্রমণ  

▪ অতিরিক্ত ব্যথানাশক (NSAID) সেবন  

▪ মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা  


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🏡 🔹 ১০টি ঘরোয়া টিপস:

▪ অল্প অল্প করে বারবার খাবার খান  

▪ ঠান্ডা দুধ পান করুন  

▪ কলা ও পেঁপে খান  

▪ অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলুন  

▪ ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করুন  

▪ স্ট্রেস কমান  

▪ মসৃণ ও সহজপাচ্য খাবার খান  

▪ পর্যাপ্ত পানি পান করুন  

▪ টক ও ভাজাপোড়া কমান  

▪ নিয়মিত ঘুম নিশ্চিত করুন  


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

💊 🔹 ৩০টি হোমিও ঔষধ ও লক্ষণ:


1️⃣ 🔸 Ars Alb → জ্বালাপোড়া ব্যথা, ঠান্ডা পানি খেতে চায়, দুর্বলতা  

2️⃣ 🔸 Nux Vomica → অতিরিক্ত মশলাদার খাবারে সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ, কোষ্ঠকাঠিন্য  

3️⃣ 🔸 Robinia → টক ঢেকুর, তীব্র অ্যাসিডিটি, রাতে বাড়ে  

4️⃣ 🔸 Lycopodium → গ্যাস, বিকেলে সমস্যা বাড়ে, অল্পে পেট ভরা  

5️⃣ 🔸 Carbo Veg → ফাঁপা ভাব, বাত জমে, অক্সিজেনের অভাব অনুভব  

6️⃣ 🔸 Phosphorus → জ্বালা, ঠান্ডা পানিতে আরাম, রক্তক্ষরণ প্রবণতা  

7️⃣ 🔸 Kali Bich → পুরু শ্লেষ্মা, খালি পেটে ব্যথা, বমি  

8️⃣ 🔸 Merc Sol → মুখে দুর্গন্ধ, লালা ঝরা, জিহ্বা সাদা  

9️⃣ 🔸 Pulsatilla → তৈলাক্ত খাবারে সমস্যা, তৃষ্ণা কম, কোমল স্বভাব  

🔟 🔸 Sulphur → সকালে খালি পেটে জ্বালা, গরমে কষ্ট, দাঁড়িয়ে থাকতে চায়  


11️⃣ 🔸 Nat Mur → টক ঢেকুর, দুঃখে চুপ থাকে, মাথাব্যথা  

12️⃣ 🔸 Ignatia → মানসিক আঘাত, গলায় কিছু আটকে থাকা অনুভূতি  

13️⃣ 🔸 China → দুর্বলতা, গ্যাস, রক্তস্বল্পতা  

14️⃣ 🔸 Sepia → হরমোনাল সমস্যা, ক্লান্তি, উদাসীনতা  

15️⃣ 🔸 Calc Carb → হজম দুর্বল, ঠান্ডা সহ্য করে না, স্থূলতা  

16️⃣ 🔸 Silicea → দীর্ঘস্থায়ী আলসার, পুঁজ, দুর্বলতা  

17️⃣ 🔸 Hepar Sulph → স্পর্শে ব্যথা, সংবেদনশীলতা বেশি  

18️⃣ 🔸 Graphites → চামড়ার সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য  

19️⃣ 🔸 Ant Crud → অতিরিক্ত খাওয়ার পর সমস্যা, জিহ্বা সাদা  

20️⃣ 🔸 Bismuth → খাওয়ার পর ব্যথা, বমি করলে আরাম  


21️⃣ 🔸 Hydrastis → দুর্বল হজম, পেট ভারী, ক্ষুধামন্দা  

22️⃣ 🔸 Argent Nit → উদ্বেগে সমস্যা বাড়ে, ঢেকুর  

23️⃣ 🔸 Belladonna → হঠাৎ ব্যথা, জ্বালা, লালচে ভাব  

24️⃣ 🔸 Chamomilla → অসহিষ্ণুতা, ব্যথায় অস্থিরতা  

25️⃣ 🔸 Colocynth → চাপ দিলে আরাম, মোচড়ানো ব্যথা  

26️⃣ 🔸 Mag Phos → গরমে আরাম, খিঁচুনি ব্যথা  

27️⃣ 🔸 Ferrum Phos → প্রাথমিক প্রদাহ, দুর্বলতা  

28️⃣ 🔸 Aconite → হঠাৎ শুরু, ভয়, উদ্বেগ  

29️⃣ 🔸 Kreosote → জ্বালাপোড়া, দুর্গন্ধ, ক্ষয়  

30️⃣ 🔸 Aloe Soc → পাতলা পায়খানা, গ্যাস, অস্থিরতা  


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🧾 🔹 কেস টেকিং (রোগীর বিবরণ):

👤 বয়স: ৩৫ বছর  

📌 অভিযোগ: দীর্ঘদিন অ্যাসিডিটি, খালি পেটে জ্বালা, টক ঢেকুর  

🍽️ খাদ্যাভ্যাস: অনিয়মিত, ঝাল-মশলা বেশি  

😓 মানসিক অবস্থা: দুশ্চিন্তা ও রাগ  

💤 ঘুম: কম  


🔍 বিশ্লেষণ: প্রধান লক্ষণ—অ্যাসিডিটি, খালি পেটে জ্বালা, খিটখিটে মেজাজ


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎯 🔹 নির্বাচিত ঔষধ:

👉 💊 Nux Vomica


⚡ কেন?

✔ অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস  

✔ অতিরিক্ত মশলা গ্রহণ  

✔ রাগী ও সংবেদনশীল স্বভাব  


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

💉 🔹 ডোজ:

👉 Nux Vomica 30  

▪ দিনে ২ বার (সকাল-রাত)  

▪ ৫-৭ দিন পর্যবেক্ষণ  

▪ প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে পরিবর্তন  


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 🔔 গুরুত্বপূর্ণ নোট:

✔ নিজে নিজে দীর্ঘদিন ওষুধ খাবেন না  

✔ উপসর্গ অনুযায়ী ঔষধ পরিবর্তন জরুরি  

✔ গুরুতর ক্ষেত্রে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন  


🌿 সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন 🌿

🚫 Respect Original Creation

কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে। 

 নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

গরিবের টাকা মাইরা খেয়ে আাসলাম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রাস্তার পাশে ভ্যানে পেঁপে বিক্রি করছে। রিক্সা থামিয়ে একটা পেঁপে নিলাম। ক্যামিকেল খেয়ে পেঁপেগুলো একদম তরতাজা হয়ে আছে। কিছুই করার নেই। ক্যামিকেল এখন আমাদের জীবনঙ্গীই হয়ে গেছে। ক্যামিকেল ছাড়া কোন ফলমুল  শাক সবজি কিছুই নেই। ১৫০ টাকা দাম আসলো ওজনে৷ আমি ২০০ টাকার একটা নোট দিলাম। 


পাশের ভ্যানে দেখি লেবু। এক হালি ৩০ টাকা। লেবুর ভ্যানের পাশে একটা লোক। সে আমাকে এক হালি লেবু পলিথিনে ভরে দিতে সাহায্য করলো। আমি তাকে পাশের ভ্যানের লেবু বিক্রেতা ভেবে ৩০ টাকা দিলাম। সে আবার টাকাটা পেপে ওয়ালাকে দিয়ে দিলো। তারপর বুঝলাম, পেপেওয়ালা আর লেবুওয়ালা একই মালিক। 


সে আমাকে এখন ফেরত দিবে মুলত ৫০ টাকা। কারণ, লেবুর দাম আমি আলাদা ৩০ টাকা দিয়েছি, পাশের লোকের হাত দিয়ে। কিন্তু পেপেওয়ালা আমাকে ফেরত দিলো ২০ টাকা। আবার রিক্সাওয়ালার কাছ থেকে ৩০ টাকা নিয়ে সেটাও আমাকে ফেরত দিলো। মোট ফেরত দিলো ৫০ টাকা। এই পর্যন্ত সব ঠিক আছে। ৫০ টাকা পাব। পেয়ে গেছি।


কিন্তু ভেজালটা লাগলো যখন আবার পেপেওয়ালা আমার কাছে লেবুর ৩০ টাকা চাইলো। আমি তাকে বললাম, "লেবুর দাম তো দিলাম ই আলাদা ৩০ টাকা। আবার কি চান? পেপেওয়ালা বলে, সেই ৩০ টাকা তো আপনাকে দিয়েই দিলাম। এখন লেবুর দাম দেন?"


আমি বললাম " লেবুর ৩০ টাকা তো দিলামই এই লোকের হাতে। আপনি ২০০ টাকা থেকে পেঁপের দাম ১৫০ রেখে আমাকে ৫০ টাকা ফেরত দিলেন। ব্যাস! হইলোইতো! 


পেপেওয়ালা বলছে " না.. না! আমি তো তার হাত থেকে লেবুর ৩০ টাকা নিয়ে আবার আপনাকে দিয়েই দিসি!"


এ কেমন মুসিবত! আমি তাকে বললাম," ভাই! আপনি ৫০ টাকা দিসেন। কাহিনী শেষ।" পেপেওয়ালা বলছে, "আমার ৩০ টাকা দিতাইন্না?" লেবু পলিথিনে ভরে দেনে ওয়ালা লোকটা বললো, "আসলেই তো! ৩০ টাকা দিয়ালাইন। তাইলেই তো হয়।" কিরে!! দুই দিকে দেখি দুই বেক্কেল রুই কাতলা ভেষে উঠেছে।


পেপেওয়ালাকে বললাম, "এই নেন ৫০ টাকা। আমার ২০০ টাকা ফেরত দেন। সে দিলো। এবার পলিথিন হেল্পার লোকটাকে  বললাম, "আপনি ৩০ টাকা আমাকে ফেরত দেন।" হেল্পার বলে "আমি কই থেকে দিব? টাকা তো হেইলারে দিয়ালছি!" আমি বললাম, "হেইলার তে লইয়া দেইন তাইলে।" রিক্সাওয়ালা পেপেওয়ালার কাছ থেকে ৩০ টাকা নিয়ে আমাকে দিল। 


আমি বললাম, "এবার প্রথম থেকে আসেন। এই নেন ২০০ টাকা। পেপের দাম ১৫০ রাখেন৷ ৫০ টাকা ফেরত দেন। পেপেওয়ালা ২০ টাকা দিয়ে বললো, ৩০ টাকা লেবুর টাকা কেলা দিবো? ৩০ টাকা লেবুর টাকা দেইন?"


আমি এবার বললাম, "আপনি আমাকে ফেরত দিসেন কতো? পেপেওয়ালা জানালো, ২০ টাকা। দেয়ার কথা কতো? ৫০ টাকা। তাহলে বাকী কত পাই আপনার কাছে? ৩০ টাকা। লেবুর টাকা দিতাইন্না? এবার মেজাজটা এত্ত খারাপ হচ্ছিল।


তারপরেও ধৈর্য্য নিয়ে বললাম ভাই, এই নেন লেবুর ৩০ টাকা। হইসে? এবার আমার পেপের ৫০ টাকা ফেরত দিন। লোকটা ৫০ টাকা ফেরত দিলো। আমি বললাম, এবার হইসে? মিলসে আপনার হিসাব।? পেপেওয়ালা বললো, মিলসে! কিন্তু লেবুর টাকা কই?


রোদের মধ্যে রিক্সায় বসে এত কথা বলে ক্লান্ত হয়ে গেছি। মেজাজ ধরে রাখতে পারছি না আর। বললাম "মুরু/ * ক্ষসু*র পুত! তরে ব্যাবসা দিতে কে বলসে? যা সর এখান থেকে!" রিক্সাওয়ালে রিক্সা টান দিতে বললাম। রিক্সাওয়ালা রিক্সা টান দিলো। 


পেছন থেকে পেপেওয়ালা কাম লেবুওয়ালা চিল্লাচ্ছে "খালি গরিবের লগেই পারবাইন মাই/রা খাইতে!"

পরিবার_সঞ্চয়পত্র বা Family Savings certificate এর খুঁটিনাটি নিয়ে।

 আজকে কথা বলব 

#পরিবার_সঞ্চয়পত্র বা Family Savings certificate এর খুঁটিনাটি নিয়ে। পেজটি ফলো দিয়ে রাখতে পারেন এবং পোস্টটি শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন যাতে পরে সহজেই খুঁজে পান। কমেন্টস করতে ভুলবেন না। 


✅সঞ্চয়পত্রের নাম: পরিবার সঞ্চয়পত্র

✅মেয়াদ : ৫ বছর (এটা ফিক্সড)

✅লিমিট: ৪৫ লাখ পর্যন্ত এই সঞ্চয়পত্র করতে পারবেন।


🌈 #এক_লাখ টাকায় কত পাবো: ১ মাস পরপর ৯৪৪ টাকা আপনার সেভিংস একাউন্টে জমা হবে। আপনি যখন খুশি তুলে নিবেন।

🌈#পাঁচ_লাখ ৫ লাখ টাকায় কত পাবো: প্রতি মাসে ৪৭২০ টাকা পাবেন ১ মাস পর পর।

🌈#সাত_লাখ_৫০ হাজার উপরে ইনভেস্ট করলে টাকার পরিমাণ কিছু কমবে। সে হিসেবে প্রতি লাখে ৮৮৫ টাকা করে পাবেন। 

🌈#দশ_লাখ টাকায় কত পাবো: ৮৮৫০ টাকা

🌈#বিশ_লাখ টাকায় পাবো: ১৭৭০০ টাকা 

🌈#ত্রিশ_লাখ টাকায় পাবো: ২৬৫৫০ টাকা। 

🌈#পঁয়তাল্লিশ_লাখ টাকার কত পাবো: ৩৯৮২৫ টাকা। 

🌈#৭_লাখ_৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি লাখে ৯৪৪ টাকা পাওয়া যাবে ১ মাস পর পর। আর ৭.৫০ লাখ থেকে ৪৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ৮৮৫ টাকা পাওয়া যাবে ১ মাস পর পর। 

✓উপরে মুনাফা সব ট্যাক্স কাটার পর।আর কোন চার্জ কাটবে না।


✅কীভাবে এই সঞ্চয়পত্র খুলবো? কি কি কাগজপত্র লাগবে:


 ✍️১. #প্রথমে আপনাকে যেকোন ব্যাংকে একটা সেভিংস একাউন্ট ওপেন করতে হবে।

✍️২. এরপর সেই একাউন্টের MICR চেক সংগ্রহ করতে হবে। কারণ সঞ্চয়পত্র করতে চেক লাগবে।

✍️৩. এই সঞ্চয়পত্রের আলাদা ফর্ম আছে। এটা ফিলাপ করতে হবে। ফর্মে নমিনির দুইটা সিংগ্নেচার লাগে। ফর্ম আপনি অনলাইনে , ব্যাংকের যেকোন শাখায়, পোস্ট অফিসে, সঞ্চয় ব্যুরো তে পাবেন। 

✍️৪. গ্রাহকের দুই কপি ছবি, নমিনির ২ কপি ছবি। 

✍️৫. গ্রাহকের nid, নমিনির nid।

✍️৬. ১০ লাখের উপরে হলে ইনকাম ট্যাক্স এর স্লিপ।

✓#কোথায় সঞ্চয়পত্র খোলা যায়: বাংলাদেশের সকল ব্যাংক, পোস্ট অফিসের শাখা গুলো, সঞ্চয় অধিদপ্তরের সঞ্চয় ব্যুরো তে সঞ্চয়পত্র খুলতে পারবেন।

✓বাংলাদেশ ব্যাংকে খোলা যাবে: বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র সম্পর্কিত সকল কার্যক্রম বন্ধ আছে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকে খোলা যাবে না।


🔥কিছু কমন প্রশ্ন: 

✅মেয়াদ কি বাড়ানো যায়: না, মেয়াদ বাড়ানো বা কমানো যায় না। এটা ফিক্সড।

✅আগের টাকার সাথে যোগ করা যায়?: জি না,  ধরেন আপনার ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে, আরও ২ লাখ এর সাথে যোগ করতে চাচ্ছেন। তাহলে পারবেন না। আলাদা ভাবে আবার আরেকটা ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র করতে হবে। 

✅রিনিউ সিস্টেম আছে: জি এটা চাইলে রিনিউ করা যাবে। মেয়াদ শেষ হবার এক সপ্তাহ আগে গিয়ে রিনিউ করবেন। মূল টাকা একাউন্টে চলে আসলে আর রিনিউ করার সুযোগ নেই।

রিনিউ এর পোস্ট আমার পেইজে আছে। দেখে নিয়েন। 

✅টাকা কত মাস পর আসবে: যেদিন সঞ্চয়পত্র একটিভ হবে সেদিন থেকে ঠিক এক মাস পরেই টাকা ঢুকবে। এভাবে ১ মাস পর পর সেভিংস একাউন্টে অটো টাকা ঢুকে যাবে। 

✅কারা করতে পারবেন: এটা শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য। তবে যেসকল ছেলেদের বয়স ৬৫ বছরের বেশি তারাও এটা ওপেন করতে পারবে। প্রতিবন্ধীরাও এই সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে পারবেন।

✅সঞ্চয়পত্র করতে অবশ্যই NID লাগবে। জন্মনিবন্ধন দিয়ে এটা ক্রয় করা যায় না।

✅১৮ বছরের নিচে হলে জন্মনিবন্ধন দিয়ে নমিনি দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে তার পক্ষে একজন প্রত্যয়নকারী/জামিনদাতা দিতে হয়। 

✅এই প্রত্যয়নকারীর এক কপি ছবি, nid কপি লাগবে। ফর্মের নির্ধারিত স্থানে সাক্ষর লাগবে। মোবাইল নম্বরও লাগবে তার। এটা তার নামেই রেজিস্ট্রি হতে হবে।

✅গ্রাহক মারা গেলে কি হবে: গ্রাহক মারা গেলে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রই নমিনির নামে চলমান করা যায়। অর্থাৎ নমিনি আবেদন করলে মুনাফার টাকা এবং মূল টাকা নমিনের একাউন্টে যাবে।


সঞ্চয়পত্র ডেস্ক থেকে

সাব্বির আহমেদ মিশু 

ঢাকা, বাংলাদেশ


পোস্ট ভালো লাগলে #শেয়ার করে রেখে দিন। অথবা শেয়ার করে WhatsApp বা মেসেঞ্জার এ সেইভ করে রাখুন। যাতে পরবর্তীতে সহজেই খুঁজে পান। 

কমেন্টস করে জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা। কোন জিজ্ঞাসা থাকলেও করতে পারেন। 

#sabbir_ahmed_mishu 

#সঞ্চয়পত্র

#family_savings_certificate 

#পরিবার_সঞ্চয়পত্র

সম্পূর্ণ কবিতা) কলমে: ফয়সাল বিন আশিক

 একটা নাম থুইয়ে দিও

(সম্পূর্ণ কবিতা)

কলমে: ফয়সাল বিন আশিক


তুমার কাছে আমি কিছুই চাই ন্যা , বাপ। 

তুমি খালি আমার একটা নাম থুইয়ে দিও।

তুমি খালি আমার নতুন একখান নাম থুইয়ে দিও। 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ ছাওয়ালেক একটা হুন্ডোই কিনে দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?? 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ বছরে একবার ইশকুলির বন্ধুগরে সাথে পিকনিকে যাইবের ট্যাহা দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?


তুমি রাগ কইরে তুমার মাক যায়া যিতা যিতা কও, 

সিতাও আমারও কানে আসে:

"ছাওয়ালের শখ আল্লাদ পূরণ হরবের পারে না, 

 ওক বাপ হইবের কইছে কিডা?"


তুমার হয়তো মনে হয়, 

কত খারাপ কপাল তুমার; আমার ঘরে জন্ম লিছেও। 


সংসারডা ম্যালা টাইনে টুইনে চালাইনের পরে তুমার একটা মাত্র পিরাইভেটের ট্যাহা সময় যহন গড়িমসি হরি, ঠিক মতো দিবের পারি ন্যা, তহন তুমার হয়তো লজ্জা পাওয়া লাগে বন্ধুগরে সামনে।


ইশকুলির কাগজে, পরিচয়পত্রে, সাট্টিফিট আর ভোটার তালিকেয় বাপ জায়গায় এই অভাবগ্রস্থ, ঋণগ্রস্থ মানুষটার নাম লেখতি তুমার হয়তো ম্যালা গাদি কষ্টই লাগবি, বাজান। 


কিন্তু তুমিও কি বড় হয়া আমার মতই বাপ হইবে, বাপ?

আমি না অয় ব্যর্থ মানুষ; আমাক সিবা হরার জন্যি না হইক, 

তুমার নিজির ছাওয়ালের গর্বিত বাপ হওয়ার জন্যি হলিও তুমি ইট্টু বড় মানুষ হইও, বাপ।


আমার ছাওয়াল হিসেবে পরিচয় দিতি তোমার লজ্জা হরলিও, 

তুমার বাপ হিসেবে আমি জানি ইট্টু পরিচয় দিবের পারি সেই ব্যবস্থাডা তুমি হইরো, বাপ। 


তুমি কামলার ছাওয়াল, 

তুমার মা কামলার বউ, 

তোমার নানার আমি কামলা জামাই। 


ডাক্তারেক ডাক্তার কলি ডাক্তার লজ্জা হরে না,

মাস্টারেক মাস্টার কলি লজ্জা হরে না মাস্টার, 


কিন্তু কামলাক কামলা কলি কত বড় একটা লজ্জার ঢেঁকি কইলজে নামের গমেক পাড়া দিয়ে দিয়ে পিষে পিষে ছাতু বানায়, সিতা তুমি বুঝলে লয়, বাপ।


আমি কিছু চাই নে তুমার কাছে, বাপ। 

তুমি খালি আমাক একটা নাম থুইয়ে দিও। 

নাম খালি বাপই দেয় না ব্যাটাক, 

ছাওয়ালও বাপের নাম থুইবের পারে। 

তুমি খালি নতুন একটা নাম দিও আমাক। 


তুমি আমার নাম থুইও অফিসারের বাপ/

তুমি আমার নাম থুইও মাস্টারের বাপ,

আমাক দেখলি যাতে মানুষ কয়, উই দ্যাখ, আমারে অমোকের বাপ হাইটে যাচ্ছে। 😭


আমার জন্মের দিন আমি নাকি খুব কাঁদিছিল্যাম। 

তুমার দাদা সেদিন আমার একটা নাম রাহিছিল। 

কিন্তু যেদিন থেনে বাইছে লিছি কামলার কাম, 

যেদিন থেনে পাইট দেই মানুষের জমিত, 

সেদিন থেনে সেই নামডা কনে যে হারা গেল? 

আর খুইজে পাইলেম না। 


তুমি আমাক ভাল দেইহে একটা নাম দিলি,  

 আমি লেব। 

নতুন সেই নামডা পায়া কাঁধের ছিড়া গামছাডা দিয়ে 

ভিজা দুইডে চোখ মুইছে ফেলাতি ফেলাতি, বুহির ছাতিডা উসার হইরে ফুলোয়্যা ফেলাতি আমার ম্যালা ইচ্ছ্যা হরে, বাপ। 

আমার খুব ইচ্ছ্যা হরে৷ 


***************

এই ধরণের কবিতার নাম দিয়েছি "ধারা"। কাব্যিক স্টাইলে গল্পের সরলতায় অতি অলংকার এড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভাষায় তাদের জীবনের ধারা বর্ণনা করাই এই ধরণের কবিতার উদ্দেশ্য। ধারা কবিতাকে কবিতা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও কবির কোনো আফসোস নেই৷ ধারা কবিতাটি বাংলাদেশের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত। 

*****************


কিছু আঞ্চলিক শব্দার্থ: 


১. থুইয়ে দিও = রেখে দিও

২. হুন্ডো: মোটর বাইক

৩. ছাওয়াল= ছেলে 

৪. ট্যাহা = টাকা 

৫. হরি= করি 

৬. বন্ধুগরে= বন্ধুদের 

৭. যিতা যিতা = যা যা 

৮. সিতা= তা 

৯. কিডা

১০. লিছেও= 

১১. ম্যালা/ গাদি/ ম্যালা গাদি= অনেক 

১২. সাট্টিফিট= সার্টিফিকেট 

১৩. সিবা= সেবা 

১৪. ইট্টু= একটু 

১৫. কামলা = ক্ষেতের দিনমজুর 

১৬. কলি= বললে 

১৭. হরে না = করে না

১৮. রাহিছিল= রেখেছিল

১৯. পাইট= ক্ষেতে দিনমজুরের চুক্তিভিত্তিক ও সময়ভিত্তিক কাজ 

২০. বুহির= বুকের 

২১. দেইহে: দেখে 

২২. পাবনা অঞ্চলে আর্টিকেল হিসেবে " টি/ টা" এর স্থলে "ডে/ডা" ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। যেমন দুইটি> দুইডে, বুকটা= বুকডা, ছাতিটি= ছাতিডা।

২৩। উসার = প্রশস্ত


আমার কবিতায় মাঝে মাঝেই শব্দগুলো পাবেন৷ 

অর্থ জানা থাকলে কবিতার অর্থ বুঝতে সহজ হবে। 


আপনাকে বলছি, এতক্ষন মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনার ধৈর্যের প্রশংসা করছি।  

কষ্ট করে ফলো করে সাথে থাকছেন তো?? 


#faisalbinasik #Dhara #EktaNamThuiyeDio #kobitaএকটা নাম থুইয়ে দিও

(সম্পূর্ণ কবিতা)

কলমে: ফয়সাল বিন আশিক


তুমার কাছে আমি কিছুই চাই ন্যা , বাপ। 

তুমি খালি আমার একটা নাম থুইয়ে দিও।

তুমি খালি আমার নতুন একখান নাম থুইয়ে দিও। 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ ছাওয়ালেক একটা হুন্ডোই কিনে দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?? 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ বছরে একবার ইশকুলির বন্ধুগরে সাথে পিকনিকে যাইবের ট্যাহা দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?


তুমি রাগ কইরে তুমার মাক যায়া যিতা যিতা কও, 

সিতাও আমারও কানে আসে:

"ছাওয়ালের শখ আল্লাদ পূরণ হরবের পারে না, 

 ওক বাপ হইবের কইছে কিডা?"


তুমার হয়তো মনে হয়, 

কত খারাপ কপাল তুমার; আমার ঘরে জন্ম লিছেও। 


সংসারডা ম্যালা টাইনে টুইনে চালাইনের পরে তুমার একটা মাত্র পিরাইভেটের ট্যাহা সময় যহন গড়িমসি হরি, ঠিক মতো দিবের পারি ন্যা, তহন তুমার হয়তো লজ্জা পাওয়া লাগে বন্ধুগরে সামনে।


ইশকুলির কাগজে, পরিচয়পত্রে, সাট্টিফিট আর ভোটার তালিকেয় বাপ জায়গায় এই অভাবগ্রস্থ, ঋণগ্রস্থ মানুষটার নাম লেখতি তুমার হয়তো ম্যালা গাদি কষ্টই লাগবি, বাজান। 


কিন্তু তুমিও কি বড় হয়া আমার মতই বাপ হইবে, বাপ?

আমি না অয় ব্যর্থ মানুষ; আমাক সিবা হরার জন্যি না হইক, 

তুমার নিজির ছাওয়ালের গর্বিত বাপ হওয়ার জন্যি হলিও তুমি ইট্টু বড় মানুষ হইও, বাপ।


আমার ছাওয়াল হিসেবে পরিচয় দিতি তোমার লজ্জা হরলিও, 

তুমার বাপ হিসেবে আমি জানি ইট্টু পরিচয় দিবের পারি সেই ব্যবস্থাডা তুমি হইরো, বাপ। 


তুমি কামলার ছাওয়াল, 

তুমার মা কামলার বউ, 

তোমার নানার আমি কামলা জামাই। 


ডাক্তারেক ডাক্তার কলি ডাক্তার লজ্জা হরে না,

মাস্টারেক মাস্টার কলি লজ্জা হরে না মাস্টার, 


কিন্তু কামলাক কামলা কলি কত বড় একটা লজ্জার ঢেঁকি কইলজে নামের গমেক পাড়া দিয়ে দিয়ে পিষে পিষে ছাতু বানায়, সিতা তুমি বুঝলে লয়, বাপ।


আমি কিছু চাই নে তুমার কাছে, বাপ। 

তুমি খালি আমাক একটা নাম থুইয়ে দিও। 

নাম খালি বাপই দেয় না ব্যাটাক, 

ছাওয়ালও বাপের নাম থুইবের পারে। 

তুমি খালি নতুন একটা নাম দিও আমাক। 


তুমি আমার নাম থুইও অফিসারের বাপ/

তুমি আমার নাম থুইও মাস্টারের বাপ,

আমাক দেখলি যাতে মানুষ কয়, উই দ্যাখ, আমারে অমোকের বাপ হাইটে যাচ্ছে। 😭


আমার জন্মের দিন আমি নাকি খুব কাঁদিছিল্যাম। 

তুমার দাদা সেদিন আমার একটা নাম রাহিছিল। 

কিন্তু যেদিন থেনে বাইছে লিছি কামলার কাম, 

যেদিন থেনে পাইট দেই মানুষের জমিত, 

সেদিন থেনে সেই নামডা কনে যে হারা গেল? 

আর খুইজে পাইলেম না। 


তুমি আমাক ভাল দেইহে একটা নাম দিলি,  

 আমি লেব। 

নতুন সেই নামডা পায়া কাঁধের ছিড়া গামছাডা দিয়ে 

ভিজা দুইডে চোখ মুইছে ফেলাতি ফেলাতি, বুহির ছাতিডা উসার হইরে ফুলোয়্যা ফেলাতি আমার ম্যালা ইচ্ছ্যা হরে, বাপ। 

আমার খুব ইচ্ছ্যা হরে৷ 


***************

এই ধরণের কবিতার নাম দিয়েছি "ধারা"। কাব্যিক স্টাইলে গল্পের সরলতায় অতি অলংকার এড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভাষায় তাদের জীবনের ধারা বর্ণনা করাই এই ধরণের কবিতার উদ্দেশ্য। ধারা কবিতাকে কবিতা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও কবির কোনো আফসোস নেই৷ ধারা কবিতাটি বাংলাদেশের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত। 

*****************


কিছু আঞ্চলিক শব্দার্থ: 


১. থুইয়ে দিও = রেখে দিও

২. হুন্ডো: মোটর বাইক

৩. ছাওয়াল= ছেলে 

৪. ট্যাহা = টাকা 

৫. হরি= করি 

৬. বন্ধুগরে= বন্ধুদের 

৭. যিতা যিতা = যা যা 

৮. সিতা= তা 

৯. কিডা

১০. লিছেও= 

১১. ম্যালা/ গাদি/ ম্যালা গাদি= অনেক 

১২. সাট্টিফিট= সার্টিফিকেট 

১৩. সিবা= সেবা 

১৪. ইট্টু= একটু 

১৫. কামলা = ক্ষেতের দিনমজুর 

১৬. কলি= বললে 

১৭. হরে না = করে না

১৮. রাহিছিল= রেখেছিল

১৯. পাইট= ক্ষেতে দিনমজুরের চুক্তিভিত্তিক ও সময়ভিত্তিক কাজ 

২০. বুহির= বুকের 

২১. দেইহে: দেখে 

২২. পাবনা অঞ্চলে আর্টিকেল হিসেবে " টি/ টা" এর স্থলে "ডে/ডা" ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। যেমন দুইটি> দুইডে, বুকটা= বুকডা, ছাতিটি= ছাতিডা।

২৩। উসার = প্রশস্ত


আমার কবিতায় মাঝে মাঝেই শব্দগুলো পাবেন৷ 

অর্থ জানা থাকলে কবিতার অর্থ বুঝতে সহজ হবে। 


আপনাকে বলছি, এতক্ষন মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনার ধৈর্যের প্রশংসা করছি।  

কষ্ট করে ফলো করে সাথে থাকছেন তো?? 


#faisalbinasik #Dhara #EktaNamThuiyeDio #kobitaএকটা নাম থুইয়ে দিও

(সম্পূর্ণ কবিতা)

কলমে: ফয়সাল বিন আশিক


তুমার কাছে আমি কিছুই চাই ন্যা , বাপ। 

তুমি খালি আমার একটা নাম থুইয়ে দিও।

তুমি খালি আমার নতুন একখান নাম থুইয়ে দিও। 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ ছাওয়ালেক একটা হুন্ডোই কিনে দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?? 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ বছরে একবার ইশকুলির বন্ধুগরে সাথে পিকনিকে যাইবের ট্যাহা দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?


তুমি রাগ কইরে তুমার মাক যায়া যিতা যিতা কও, 

সিতাও আমারও কানে আসে:

"ছাওয়ালের শখ আল্লাদ পূরণ হরবের পারে না, 

 ওক বাপ হইবের কইছে কিডা?"


তুমার হয়তো মনে হয়, 

কত খারাপ কপাল তুমার; আমার ঘরে জন্ম লিছেও। 


সংসারডা ম্যালা টাইনে টুইনে চালাইনের পরে তুমার একটা মাত্র পিরাইভেটের ট্যাহা সময় যহন গড়িমসি হরি, ঠিক মতো দিবের পারি ন্যা, তহন তুমার হয়তো লজ্জা পাওয়া লাগে বন্ধুগরে সামনে।


ইশকুলির কাগজে, পরিচয়পত্রে, সাট্টিফিট আর ভোটার তালিকেয় বাপ জায়গায় এই অভাবগ্রস্থ, ঋণগ্রস্থ মানুষটার নাম লেখতি তুমার হয়তো ম্যালা গাদি কষ্টই লাগবি, বাজান। 


কিন্তু তুমিও কি বড় হয়া আমার মতই বাপ হইবে, বাপ?

আমি না অয় ব্যর্থ মানুষ; আমাক সিবা হরার জন্যি না হইক, 

তুমার নিজির ছাওয়ালের গর্বিত বাপ হওয়ার জন্যি হলিও তুমি ইট্টু বড় মানুষ হইও, বাপ।


আমার ছাওয়াল হিসেবে পরিচয় দিতি তোমার লজ্জা হরলিও, 

তুমার বাপ হিসেবে আমি জানি ইট্টু পরিচয় দিবের পারি সেই ব্যবস্থাডা তুমি হইরো, বাপ। 


তুমি কামলার ছাওয়াল, 

তুমার মা কামলার বউ, 

তোমার নানার আমি কামলা জামাই। 


ডাক্তারেক ডাক্তার কলি ডাক্তার লজ্জা হরে না,

মাস্টারেক মাস্টার কলি লজ্জা হরে না মাস্টার, 


কিন্তু কামলাক কামলা কলি কত বড় একটা লজ্জার ঢেঁকি কইলজে নামের গমেক পাড়া দিয়ে দিয়ে পিষে পিষে ছাতু বানায়, সিতা তুমি বুঝলে লয়, বাপ।


আমি কিছু চাই নে তুমার কাছে, বাপ। 

তুমি খালি আমাক একটা নাম থুইয়ে দিও। 

নাম খালি বাপই দেয় না ব্যাটাক, 

ছাওয়ালও বাপের নাম থুইবের পারে। 

তুমি খালি নতুন একটা নাম দিও আমাক। 


তুমি আমার নাম থুইও অফিসারের বাপ/

তুমি আমার নাম থুইও মাস্টারের বাপ,

আমাক দেখলি যাতে মানুষ কয়, উই দ্যাখ, আমারে অমোকের বাপ হাইটে যাচ্ছে। 😭


আমার জন্মের দিন আমি নাকি খুব কাঁদিছিল্যাম। 

তুমার দাদা সেদিন আমার একটা নাম রাহিছিল। 

কিন্তু যেদিন থেনে বাইছে লিছি কামলার কাম, 

যেদিন থেনে পাইট দেই মানুষের জমিত, 

সেদিন থেনে সেই নামডা কনে যে হারা গেল? 

আর খুইজে পাইলেম না। 


তুমি আমাক ভাল দেইহে একটা নাম দিলি,  

 আমি লেব। 

নতুন সেই নামডা পায়া কাঁধের ছিড়া গামছাডা দিয়ে 

ভিজা দুইডে চোখ মুইছে ফেলাতি ফেলাতি, বুহির ছাতিডা উসার হইরে ফুলোয়্যা ফেলাতি আমার ম্যালা ইচ্ছ্যা হরে, বাপ। 

আমার খুব ইচ্ছ্যা হরে৷ 


***************

এই ধরণের কবিতার নাম দিয়েছি "ধারা"। কাব্যিক স্টাইলে গল্পের সরলতায় অতি অলংকার এড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভাষায় তাদের জীবনের ধারা বর্ণনা করাই এই ধরণের কবিতার উদ্দেশ্য। ধারা কবিতাকে কবিতা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও কবির কোনো আফসোস নেই৷ ধারা কবিতাটি বাংলাদেশের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত। 

*****************


কিছু আঞ্চলিক শব্দার্থ: 


১. থুইয়ে দিও = রেখে দিও

২. হুন্ডো: মোটর বাইক

৩. ছাওয়াল= ছেলে 

৪. ট্যাহা = টাকা 

৫. হরি= করি 

৬. বন্ধুগরে= বন্ধুদের 

৭. যিতা যিতা = যা যা 

৮. সিতা= তা 

৯. কিডা

১০. লিছেও= 

১১. ম্যালা/ গাদি/ ম্যালা গাদি= অনেক 

১২. সাট্টিফিট= সার্টিফিকেট 

১৩. সিবা= সেবা 

১৪. ইট্টু= একটু 

১৫. কামলা = ক্ষেতের দিনমজুর 

১৬. কলি= বললে 

১৭. হরে না = করে না

১৮. রাহিছিল= রেখেছিল

১৯. পাইট= ক্ষেতে দিনমজুরের চুক্তিভিত্তিক ও সময়ভিত্তিক কাজ 

২০. বুহির= বুকের 

২১. দেইহে: দেখে 

২২. পাবনা অঞ্চলে আর্টিকেল হিসেবে " টি/ টা" এর স্থলে "ডে/ডা" ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। যেমন দুইটি> দুইডে, বুকটা= বুকডা, ছাতিটি= ছাতিডা।

২৩। উসার = প্রশস্ত


আমার কবিতায় মাঝে মাঝেই শব্দগুলো পাবেন৷ 

অর্থ জানা থাকলে কবিতার অর্থ বুঝতে সহজ হবে। 


আপনাকে বলছি, এতক্ষন মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনার ধৈর্যের প্রশংসা করছি।  

কষ্ট করে ফলো করে সাথে থাকছেন তো?? 


#faisalbinasik #Dhara #EktaNamThuiyeDio #kobitaএকটা নাম থুইয়ে দিও

(সম্পূর্ণ কবিতা)

কলমে: ফয়সাল বিন আশিক


তুমার কাছে আমি কিছুই চাই ন্যা , বাপ। 

তুমি খালি আমার একটা নাম থুইয়ে দিও।

তুমি খালি আমার নতুন একখান নাম থুইয়ে দিও। 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ ছাওয়ালেক একটা হুন্ডোই কিনে দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?? 


তুমার হয়তো মনে হয়, 

যে বাপ বছরে একবার ইশকুলির বন্ধুগরে সাথে পিকনিকে যাইবের ট্যাহা দিবের পারে না, 

সে আবার কিসির বাপ?


তুমি রাগ কইরে তুমার মাক যায়া যিতা যিতা কও, 

সিতাও আমারও কানে আসে:

"ছাওয়ালের শখ আল্লাদ পূরণ হরবের পারে না, 

 ওক বাপ হইবের কইছে কিডা?"


তুমার হয়তো মনে হয়, 

কত খারাপ কপাল তুমার; আমার ঘরে জন্ম লিছেও। 


সংসারডা ম্যালা টাইনে টুইনে চালাইনের পরে তুমার একটা মাত্র পিরাইভেটের ট্যাহা সময় যহন গড়িমসি হরি, ঠিক মতো দিবের পারি ন্যা, তহন তুমার হয়তো লজ্জা পাওয়া লাগে বন্ধুগরে সামনে।


ইশকুলির কাগজে, পরিচয়পত্রে, সাট্টিফিট আর ভোটার তালিকেয় বাপ জায়গায় এই অভাবগ্রস্থ, ঋণগ্রস্থ মানুষটার নাম লেখতি তুমার হয়তো ম্যালা গাদি কষ্টই লাগবি, বাজান। 


কিন্তু তুমিও কি বড় হয়া আমার মতই বাপ হইবে, বাপ?

আমি না অয় ব্যর্থ মানুষ; আমাক সিবা হরার জন্যি না হইক, 

তুমার নিজির ছাওয়ালের গর্বিত বাপ হওয়ার জন্যি হলিও তুমি ইট্টু বড় মানুষ হইও, বাপ।


আমার ছাওয়াল হিসেবে পরিচয় দিতি তোমার লজ্জা হরলিও, 

তুমার বাপ হিসেবে আমি জানি ইট্টু পরিচয় দিবের পারি সেই ব্যবস্থাডা তুমি হইরো, বাপ। 


তুমি কামলার ছাওয়াল, 

তুমার মা কামলার বউ, 

তোমার নানার আমি কামলা জামাই। 


ডাক্তারেক ডাক্তার কলি ডাক্তার লজ্জা হরে না,

মাস্টারেক মাস্টার কলি লজ্জা হরে না মাস্টার, 


কিন্তু কামলাক কামলা কলি কত বড় একটা লজ্জার ঢেঁকি কইলজে নামের গমেক পাড়া দিয়ে দিয়ে পিষে পিষে ছাতু বানায়, সিতা তুমি বুঝলে লয়, বাপ।


আমি কিছু চাই নে তুমার কাছে, বাপ। 

তুমি খালি আমাক একটা নাম থুইয়ে দিও। 

নাম খালি বাপই দেয় না ব্যাটাক, 

ছাওয়ালও বাপের নাম থুইবের পারে। 

তুমি খালি নতুন একটা নাম দিও আমাক। 


তুমি আমার নাম থুইও অফিসারের বাপ/

তুমি আমার নাম থুইও মাস্টারের বাপ,

আমাক দেখলি যাতে মানুষ কয়, উই দ্যাখ, আমারে অমোকের বাপ হাইটে যাচ্ছে। 😭


আমার জন্মের দিন আমি নাকি খুব কাঁদিছিল্যাম। 

তুমার দাদা সেদিন আমার একটা নাম রাহিছিল। 

কিন্তু যেদিন থেনে বাইছে লিছি কামলার কাম, 

যেদিন থেনে পাইট দেই মানুষের জমিত, 

সেদিন থেনে সেই নামডা কনে যে হারা গেল? 

আর খুইজে পাইলেম না। 


তুমি আমাক ভাল দেইহে একটা নাম দিলি,  

 আমি লেব। 

নতুন সেই নামডা পায়া কাঁধের ছিড়া গামছাডা দিয়ে 

ভিজা দুইডে চোখ মুইছে ফেলাতি ফেলাতি, বুহির ছাতিডা উসার হইরে ফুলোয়্যা ফেলাতি আমার ম্যালা ইচ্ছ্যা হরে, বাপ। 

আমার খুব ইচ্ছ্যা হরে৷ 


***************

এই ধরণের কবিতার নাম দিয়েছি "ধারা"। কাব্যিক স্টাইলে গল্পের সরলতায় অতি অলংকার এড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভাষায় তাদের জীবনের ধারা বর্ণনা করাই এই ধরণের কবিতার উদ্দেশ্য। ধারা কবিতাকে কবিতা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও কবির কোনো আফসোস নেই৷ ধারা কবিতাটি বাংলাদেশের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত। 

*****************


কিছু আঞ্চলিক শব্দার্থ: 


১. থুইয়ে দিও = রেখে দিও

২. হুন্ডো: মোটর বাইক

৩. ছাওয়াল= ছেলে 

৪. ট্যাহা = টাকা 

৫. হরি= করি 

৬. বন্ধুগরে= বন্ধুদের 

৭. যিতা যিতা = যা যা 

৮. সিতা= তা 

৯. কিডা

১০. লিছেও= 

১১. ম্যালা/ গাদি/ ম্যালা গাদি= অনেক 

১২. সাট্টিফিট= সার্টিফিকেট 

১৩. সিবা= সেবা 

১৪. ইট্টু= একটু 

১৫. কামলা = ক্ষেতের দিনমজুর 

১৬. কলি= বললে 

১৭. হরে না = করে না

১৮. রাহিছিল= রেখেছিল

১৯. পাইট= ক্ষেতে দিনমজুরের চুক্তিভিত্তিক ও সময়ভিত্তিক কাজ 

২০. বুহির= বুকের 

২১. দেইহে: দেখে 

২২. পাবনা অঞ্চলে আর্টিকেল হিসেবে " টি/ টা" এর স্থলে "ডে/ডা" ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। যেমন দুইটি> দুইডে, বুকটা= বুকডা, ছাতিটি= ছাতিডা।

২৩। উসার = প্রশস্ত


আমার কবিতায় মাঝে মাঝেই শব্দগুলো পাবেন৷ 

অর্থ জানা থাকলে কবিতার অর্থ বুঝতে সহজ হবে। 


আপনাকে বলছি, এতক্ষন মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনার ধৈর্যের প্রশংসা করছি।  

কষ্ট করে ফলো করে সাথে থাকছেন তো?? 


#faisalbinasik #Dhara #EktaNamThuiyeDio #kobita5

৩০ লাখ টাকা — কোথায় ইনভেস্ট করবো

 💰 আমার কাছে ৩০ লাখ টাকা — কোথায় ইনভেস্ট করবো?

সঞ্চয়পত্র, জমি নাকি স্বর্ণ? 🤔

অনেকেই এই প্রশ্নটা করেন। তাই আমি ডাটা দেখে একটা সহজ তুলনা করে দিলাম 👇


📊 ১. সঞ্চয়পত্র (Savings Certificate)

বাংলাদেশে জনপ্রিয় অপশন, নিরাপদ।


📈 রিটার্ন:

>গড় সুদ: ১০% – ১১.৫% (tax-adjusted কিছুটা কম বেশি)

>৫ বছরে ৩০ লাখ হবে→ প্রায় ৪৫–৪৮ লাখ এর মত।

>যদি পরিবার সঞ্চয়পত্র হয় তাহলে ৫ বছরে পাবেন (৩০+ ১৫৯৩০০০)= ৪৫,৯৩,০০০/=  

>যদি ৩ মাস ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র হয় তাহলে ৫ বছরে পাবেন (৩০+ ১৫৮৮৮০০)= ৪৫,৮৮,৮০০/=

👍 সুবিধা:

একদম নিরাপদ (government-backed)

নিয়মিত আয় (মাসিক/ত্রৈমাসিক)


👎 অসুবিধা:

মেয়াদের আগেই ভেঙে ফেললে লাভ কমে যাবে।

ইনফ্লেশন ধরলে প্রকৃত লাভ কম।

বড় অঙ্কে সীমাবদ্ধতা আছে।


🏞️ ২. জমি (Real Estate - Land)

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় “ধনী হওয়ার 😀 মাধ্যম।


📈 রিটার্ন:

✓লোকেশনভেদে ৮% – ২০%+ yearly (লোকেশন ভালো হলে)

✓ভালো জায়গায় (ঢাকা পাশে) ৫ বছরে:

৩০ লাখ → ৫০–৭৫ লাখ+ পর্যন্ত হতে পারে। 


👍 সুবিধা:

✓দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি লাভের সম্ভাবনা

✓সম্পদের মূল্য কমে না (rare cases ছাড়া)


👎 অসুবিধা:

✓লিকুইডিটি কম (তাড়াতাড়ি বিক্রি কঠিন)

✓কিন্তু কিনতে গেলে ঝামেলা + রিস্ক আছে

✓ঝামেলা: দলিল, দখল, প্রতারণা risk

✓ভুল জায়গায় কিনলে লাভ কম। 

✓সঞ্চয়পত্রের মত মাসে মাসে টাকা পাবেন না। ✓বড় অংকের রিটার্ন পেতে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হবে। 


🪙 ৩. স্বর্ণ (Gold)

সেফ হেভেন অ্যাসেট।


📈 রিটার্ন:

✓গড়: ৬% – ১০% yearly

✓৫ বছরে ৩০ লাখ → ৪০–৪৮ লাখ


👍 সুবিধা:

✓সহজে কেনা-বেচা যায়। 

✓ক্রাইসিসে দাম বাড়ে। 


👎 অসুবিধা:

✓দীর্ঘমেয়াদে জমির মতো growth না

✓জুয়েলারিতে মেকিং চার্জ লস

✓লাভ টা দাম বাড়ার কমার উপর নির্ভর তাই লাভের হিসাবটা বুঝা মুশকিল। 

✓তবে আগের ৫ বছরের সাথে তুলনা করলে আবার আপনি লাভটা আন্দাজ করতে পারবেন। 


📊 ৫ বছরে ৩০ লাখ টাকার তুলনা — সহজভাবে দেখুন 👇

💰 সঞ্চয়পত্র

➡️ হবে: ৪৫–৪৮ লাখ

➡️ রিস্ক: খুব কম ✅

➡️ লিকুইডিটি: মাঝারি


🏞️ জমি

➡️ হবে: ৫০–৭৫+ লাখ

➡️ রিস্ক: মাঝারি ⚠️

➡️ লিকুইডিটি: কম


🪙 স্বর্ণ

➡️ হবে: ৪০–৪৮ লাখ

➡️ রিস্ক: কম 👍

➡️ লিকুইডিটি: বেশি 🔥


🎯 আমার স্ট্র্যাটেজি (স্মার্ট কম্বিনেশন)


সব টাকা এক জায়গায় দেবেন না। ৩০ লাখ হলে:

🏞️ জমি → ১৫–১৮ লাখ (50-60%)

📊 সঞ্চয়পত্র → ৮–১০ লাখ (30%)

🪙 স্বর্ণ → ৩–৫ লাখ (10-15%)


👉 এতে আপনি পাবেন:

Growth + Safety + Liquidity একসাথে


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

✅জমি কিনলে: ঢাকা/উপশহর (future development area) দেখুন

✅স্বর্ণ কিনলে: বার (24k) নিন, জুয়েলারি নয়

✅সঞ্চয়পত্র: tax slab বুঝে কিনুন।


✅ ফাইনাল কথা:

👉 যদি আপনি ধৈর্য ধরতে পারেন+ Risk নিতেপারলে→ জমি best

👉 যদি ঝামেলা না চান +নিশ্চিন্তে থাকতে চান→ সঞ্চয়পত্র best

👉 যদি flexibility চান+জরুরী প্রয়োজনে সহজ টাকা চাইলে → স্বর্ণ best


📌 আপনি হলে কোনটা বেছে নিতেন? কমেন্টে জানান 👇

#InvestmentBD

#সঞ্চয়পত্র

#SmartInvestment

#বাংলাদেশ_ইনভেস্টমেন্ট

#টাকা_ইনভেস্ট

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায় প্রচলিত নয়।

 ২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়

প্রচলিত নয়।

ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা

ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়

ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত

ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র

ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ

ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী

ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য

ক্র = ক + র; যেমন- চক্র

ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি

ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ

ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ

ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু

ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী

ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য

ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য

ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স

খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য

খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান

গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ

গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ

গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য

গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী

গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন

গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র, অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়

গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী

গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম

গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য

গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম

গ্র্য = গ + র + য; যেমন-ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট

গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি

ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন

ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য

ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ

ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক

ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি

ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য

ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা

ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ

ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ

ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি

ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ

ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য

ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি

ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়

চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা

চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা

চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস

চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়

চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা

চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী

চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য

জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক

জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল

জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা

জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান

জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর

জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য

জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র

ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল

ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা

ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ

ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা

ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম

ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা

ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল

ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য

ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা

ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান

ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য

ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ

ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য

ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য:অত্যন্ত বিরল)

ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা

ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ

ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য

ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল

ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য

ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র

ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ

ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ

ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর

ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়

ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য

ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট

ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর

ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব

ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত

ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ

ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন

ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব

ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা

ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য

ত্য = ত + য; যেমন- সত্য

ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ

ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য

ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা

ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব

থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী

থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য

থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম

দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন

দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য


Samir Kumar Bardhan

হরমুজ প্রণালী” নয়

 📝ইরানীদের তথ্য বিকৃতি—

আসল নাম “খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ প্রণালী”, “হরমুজ প্রণালী” নয়


খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও হরমুজের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্বযুদ্ধ


ইরাক বিজয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে পারস্য বাহিনীর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় “যাতুস-সালাসিল” (শৃঙ্খল যুদ্ধ)-এ, হিজরি ১২ সালে (৬৩৩ খ্রিস্টাব্দ)। সে সময়ের যুদ্ধ প্রথা অনুযায়ী, দুই পক্ষের প্রধান সেনাপতিরা প্রথমে একক দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন।


মুসলিম বাহিনীর পক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু), আর পারস্য বাহিনীর পক্ষ থেকে এগিয়ে আসে তাদের সেনাপতি হরমুজ।


দুই সেনাপতি একে অপরের নিকটে আসেন, এমনকি তারা মুসলিম সারির তুলনায় পারস্য বাহিনীর কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছে যান। এরপর হরমুজ তার ঘোড়া থেকে নেমে খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-কে ইশারা করে বলে—যদি তুমি প্রকৃত বীর হও, তবে নেমে মাটিতে যুদ্ধ করো।


চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-ও ঘোড়া থেকে নেমে পড়েন। উভয়েই নিজেদের ঘোড়া নিজ নিজ বাহিনীর দিকে ফিরিয়ে দেন।


দুই বাহিনী তখন উত্তেজনায় দৃশ্যটি পর্যবেক্ষণ করছিল:

দুই পক্ষের সর্বোচ্চ সেনাপতির সরাসরি দ্বন্দ্ব—যা ইতিহাসে খুবই বিরল ঘটনা। যুদ্ধটি হচ্ছিল পায়ে হেঁটে, যার মানে ছিল—বেঁচে ফেরা কঠিন এবং একজনের মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত।


কিন্তু হরমুজ আগে থেকেই একটি প্রতারণার পরিকল্পনা করে রেখেছিল। সে তার পাঁচজন শক্তিশালী অশ্বারোহীকে প্রস্তুত রেখেছিল, যাতে দ্বন্দ্ব শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তারা খালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।


যুদ্ধ শুরু হতেই, হরমুজ সংকেত দেয়—আর পাঁচজন অশ্বারোহী দ্রুত খালিদের দিকে ধেয়ে আসে, উদ্দেশ্য ছিল প্রতারণার মাধ্যমে তাকে হত্যা করা।


সেই মুহূর্তে খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পারেন; মুসলিম সৈন্যরা তার থেকে দূরে, আর এই অশ্বারোহীরা দ্রুত পৌঁছে যাবে।


কিন্তু আল্লাহর সাহায্য নিকটেই ছিল। 

আল-কা’কা’ ইবন উমার আত-তামীমী দূর থেকে ঘটনাটি লক্ষ্য করেন এবং সাথে সাথে বুঝতে পারেন এটি একটি বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি তীরের মতো ছুটে যান যুদ্ধক্ষেত্রে। সঠিক সময়ে পৌঁছে তিনি প্রথম অশ্বারোহীকে হত্যা করেন, এরপর দ্রুত দ্বিতীয়জনকেও পরাস্ত করেন। এদিকে মুসলিম বাহিনীর আরও কয়েকজন যোদ্ধা এসে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি একাধিক দ্বন্দ্বযুদ্ধে রূপ নেয়।

অন্যদিকে, খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আবার হরমুজের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন। অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হরমুজকে হত্যা করেন।

তাদের সেনাপতির মৃত্যুতে পারস্য বাহিনী ভেঙে পড়ে; তারা আরবদেরকে তুচ্ছ ভাবত, কিন্তু এই ঘটনায় তারা ভীত ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) তাদের পুনরুদ্ধারের সুযোগ না দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ আক্রমণের নির্দেশ দেন।

সেনাপতির মৃত্যু ও শৃঙ্খলার ভাঙনের কারণে পারস্য বাহিনী বেশি সময় টিকতে পারেনি। মুসলিম বাহিনী তাদের সারি ভেঙে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।

এই যুদ্ধের বিজয়ী ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি:

“সাইফুল্লাহ আল-মাসলুল” — খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু)

সূত্র:

•ইমাম ত্বাবারী,তারিখুল উমাম ওয়াল মুলুক

•ইবনুল আসীর— আল-কামিল ফিত তারিখ

•ইবন কাসীর, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া


আর নিয়ম অনুযায়ী বিজয়ীর নামেই কোনো কিছুর নামকরণ করা হয়। কিন্তু ইরানীরা, 

    * বিশ্বাসঘাতক 

    * আর্য রক্তের পূজারী 

    * কাফিরদের নিয়ে গর্বকারী

    * মাজুসী জাতীয়তাবাদী - 

    * সাহাবী বিদ্বেষী।

    * আরবদের প্রতি শত্রুতা পোষণকারী

    

 তাই তারা খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের নাম না দিয়ে প্রণালীর নামকরণ করে হরমুজ প্রণালী। এরা নির্লজ্জ, বেহায়া, বজ্জাত। 

সুতরাং আসুন, আমরা আমাদের ইতিহাস স্মরণ করি, আমরা এ প্রণালীকে “খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ প্রণালী” হিসাবে আখ্যায়িত করি।


✍️ Professor Dr. Abubakar Muhammad Zakaria 𝐇𝐚𝐟𝐢𝐳𝐚𝐡𝐮𝐥𝐥𝐚𝐡.

প্রকৃতির অমূল্য উপহার হেলেঞ্চা শাক! "

 "প্রকৃতির অমূল্য উপহার হেলেঞ্চা শাক! "

১. 🩸 রক্ত পরিষ্কার করে

হেলেঞ্চা শাক রক্তকে বিষমুক্ত করে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।


২. 🫀 লিভার সুস্থ রাখে

এই শাক লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং লিভারকে ডিটক্স করে। জন্ডিস ও লিভারের সমস্যায় বিশেষভাবে উপকারী।


৩. 🌡️ জ্বর ও সর্দি-কাশিতে উপকারী

হেলেঞ্চা শাকের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ জ্বর কমাতে এবং সর্দি-কাশি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।


৪. 💪 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

এতে থাকা ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে।


৫. 🧠 স্নায়ুতন্ত্র শান্ত রাখে

হেলেঞ্চা শাক স্নায়বিক দুর্বলতা, মাথাব্যথা ও অনিদ্রা দূর করতে সহায়তা করে। মানসিক চাপ কমাতেও কার্যকর।


৬. 🩺 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

এই শাক রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে।


৭. 🦴 হাড় ও দাঁত মজবুত করে

হেলেঞ্চায় থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতকে শক্তিশালী করে এবং অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে।


৮. 🌿 কিডনি পরিষ্কার রাখে

এটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং কিডনি থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।


৯. 🔥 হজমশক্তি উন্নত করে

হেলেঞ্চা শাক পেটের গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম দূর করে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


১০. 👁️ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন A চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।


🍽️ হেলেঞ্চা শাক খাওয়ার নিয়ম:

🔸 ভর্তা করে — রসুন ও পেঁয়াজ দিয়ে ভর্তা করে ভাতের সাথে খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।


🔸 শাক হিসেবে রান্না — হালকা তেলে রসুন ফোড়ন দিয়ে রান্না করে খান।


🔸 রস করে — কাঁচা হেলেঞ্চার রস সকালে খালি পেটে ১-২ চামচ খেলে লিভার ও রক্ত পরিষ্কারে দ্রুত কাজ করে।


🔸 স্যুপ হিসেবে — অন্য সবজির সাথে মিশিয়ে স্যুপ বানিয়ে খেতে পারেন।


🔸 পরিমাণ — সপ্তাহে ৩-৪ দিন খাওয়া আদর্শ।

🔸 সময় — দুপুর বা রাতের খাবারের সাথে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়।


 #দেশীশাক #শাকসবজি #প্রাকৃতিকচিকিৎসা #ভেষজগুণ #সুস্বাস্থ্য #বাংলাদেশ #স্বাস্থ্যটিপস #ঘরোয়াচিকিৎসা #রোগমুক্তি 

#HelenchaShak #WaterSpinach #BengaliGreens #NaturalHealing #HealthyEating #AyurvedaLife #LiverHealth #BloodPurifier #BangladeshiFood

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৬-০১-২০২৬ খ্রি:।

 ২৬/০৩/২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৬-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


যথাযথ মর্যাদায় আজ উদযাপিত হচ্ছে ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস --- সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ।

 


 


স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই-পাস্ট অনুষ্ঠিত --- যোগ দিলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

 


 


স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বাংলাদেশকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা --- পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার।


একাত্তরের ২৫শে মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনে গণহত্যার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয় --- বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

 


 


পদ্মানদীতে যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ ‍উদ্ধার।

 


 


হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা পাবে বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশ --- জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


 


নেপালে গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী দলের শপথ গ্রহণ।

 


এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে তিন-শূণ্য গোলে সবুজ দলের জয় --- প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার বিতরণ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ৩১-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ৩১-০৩-২০২৬ আজকের শিরোনাম: বেতন কাঠামোর আওতায় ক্রীড়াবিদদের ভাতা, সম্মাননা ও ক্রীড়া কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন --- রাজনৈ...