রিলিজ ১০ নভেম্বর......
হালকা শীতের রাত। শহরের একটি ডাস্টবিনে হঠাৎ এক নবজাতক পাওয়া যায়। দায়িত্বরত ওসি আলমগীর ঘটনাস্থলে এসে বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। নাম পরিচয়হীন বাচ্চাটাকে নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে। সন্তানহীন অনেক দম্পতি বাচ্চাটাকে দত্তক নিতে আদালতে আবেদন করে। সঠিক হাতে নবজাতককে তুলে দেয়ার দায়ভার পড়ে ওসি আলমগীরের উপর।
এই গল্প নিয়েই সঞ্জয় সমদ্দার নির্মাণ করেছেন চরকি অরিজিনাল সিনেমা ‘দাগ'। মুহাম্মদ আবু রাজীনের গল্প এবং কল্লোল কবিরের চিত্রনাট্যে ও সংলাপে নির্মিত এই সিনেমাটি বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।
দাগ’র গল্প কেমন ছিল জানতে চাইলে মোশাররফ করিম বলেন, দাগ আমরা কেউ রাখতে চাই না। আমরা সবাই দাগ মুছে ফেলতে চাই। আমরা হয়ত অনেক দূর এগিয়েছি, অনেক ধরনের দাগ মুছে ফেলছি। কিন্তু এখনো এমন কিছু দাগ আছে যেগুলো আমরা মুছে ফেলতে পারতাম কিন্তু মুছিনি। সেই মুছতে না পারা দাগগুলোর গল্পই হলো দাগ।
কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, গল্পটা দর্শক খুব ভিন্নভাবে দেখতে পাবে। সেই সাথে আমাকেও ভিন্ন এক চরিত্রে আবিষ্কার করবে। নির্মাতাকে ধন্যবাদ এমন একটা গল্পের সঙ্গে রাখার জন্য। সেই সাথে ধন্যবাদ এই কাজের সঙ্গে জড়িত সকলকে।
গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে আইশা খানকে। চরিত্রে প্রয়োজনে নিজেকে কতটা সময় দিতে হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্মাতার নির্দেশনায় নিজেকে চালানোর মানসিক প্রস্তুতি নেয়া ছাড়া আর কোনো বিশেষ প্রস্তুতি নেয়নি। সঞ্জয় সমদ্দার যা যা বলেছিলেন, শুট চলা সময়ে যা যা বলতেন সেগুলোই মনোযোগ দিয়ে শুনে, সময় নিয়ে প্রস্তুত হয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম।
চরিত্রটা কতখানি চ্যালেঞ্জিং ছিল জানিয়ে আইশা আরও বলেন, ইরা চরিত্রটিকে নিয়ে চলাটাই বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আমার কাছে। ওর অনুভূতি, ওর মনের অবস্থার সাথে ব্যক্তি আয়শাকে ভুলে থাকার চেষ্টা করেছিলাম শুটিংয়ের সময়।
অভিনেত্রী নিশাত প্রিয়ম বলেন, খুব অসাধারণ একটা গল্প নিয়ে বানানো হয়েছে দাগ। আমি দর্শক হিসেবে আসলে এই ধরনের গল্পই দেখতে চাই। সেই সাথে মোশাররফ ভাইয়ের সাথে কাজ করাটাও খুব ভালো লাগার। সেটে যদি কিছু বুঝতে না পারি সংলাপ কীভাবে দিব, কেমন এক্সপ্রেশন দিব ভাইকে জিজ্ঞেস করলেই সব খুব সহজ করে দেন আমাদেরকে। পরিচালক, চিত্রগ্রাহক সর্বোপরি পুরো টিমের সাথে কাজ করে খুব আনন্দ পেয়েছি।
কপি
পেস্ট
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন