স্কুলের ২ শিক্ষিকার কারনে আমার একমাত্র ছেলে রাফিদের ডান কানের শ্রবন শক্তি হারাল। এই ঘটনার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই।
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের মহম্মদপুর আইডিয়াল নুরানী কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসা (প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ সৈয়দ রহমতুল্লাহ নিজে সপ্তম শ্রেনী পাশ) এই প্রতিষ্ঠানটি ও স্বল্প শিক্ষিত একেবারেই নিম্ন বেতনে অযোগ্য শিক্ষক -শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালনা করে।
মহম্মদপুর আইডিয়াল নুরানী কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিল মহম্মদপুর সদরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে, সেখানে আমার ছেলে রাফিদের জুতার কালার সাদা না হওয়ায় তাকে খুব জোরে কান টেনে কান মলে ঐ মাদ্রাসার শিক্ষিকা মোছাঃ সুফিয়া খাতুন, স্বামীঃ আনিচুুর রহমান গ্রাম -ধোয়াইল উপজেলা মহম্মদপুর জেলা মাগুরা ( ফুল মিয়া মেম্বর এর ভাই) এতে তার ডান কান ফুলে লাল হয়ে যায়, প্রচন্ড ব্যাথা শুরু হয়, রাফিদ ডান কানে কম শুনতে পাচ্ছিল, এর পর তাকে মাগুরায় কানের ডাঃ মোঃ শাহজাদ সেলিম কে দেখাই তার চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নতি না হওয়ার কানের শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করলে পরীক্ষায় আসে তার কানের রিসিভার অর্থাৎ কান থেকে যে রিসিভারের শিরাটা ব্রেনে গেছে ঐ শিরটা কানে জোরে টান দেওয়ার কারনে ঐরগটা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন থেকে সে ডান কানে ৫০ % শুনত যেটাকে বলে ((Mild Degree of Conductive Type Hearing Loss) তারপর ঢাকায় এনে কয়েকজন ই,এন,টি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ও পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা চালাতে থাকি।
তার পর ছেলেকে ঐ মাদ্রাসা থেকে এনে মহম্মদপুর উপজেলার বড়রিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করি এই বছর আনুমানিক গত ২ মাস আগে তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসে ভাগ অংক করতে উওর ভুল হওয়ায় বড়রিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লিপি খাতুন স্বামীঃ শিক্ষক হারুন গ্রামঃ মৌসা, মহম্মদপুর, মাগুরা আবার রাফিদ কে ডান কান মলে ফলে আবার কান ফুলে প্রচন্ড ব্যাথা শুরু হলে ডাঃ রবিউল ইসলাম কাছে নিয়ে গেলে পুনরায় হেয়ারিং টেস্ট দিলে পরীক্ষায় তার ডান কানে সে কিছুই শুনতে পারছে না যেটাকে বলে (Profound Degree of Mixed Type Hearing Loss)বলে। ঐ স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা লিপি খাতুন একজন বদমেজাজি মহিলা, তার বিরুদ্ধে স্কুলে অনেক ছাত্র, ছাত্রী কে মারপিটের অভিযোগ রয়েছে।
তারপর ছেলে রাফিদ কে আবার ঢাকায় এনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ই,এন,টি হাসপাতাল তেজগাও ঢাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল, সাহিকের বিশেষায়িত নাক,কান,গলা হাসপাতাল মহাখালী সহ কয়েকজন প্রফেসর ডাক্তার দেখাই সব ডাক্তার ও টেষ্টের রিপোর্টে সে ডান কানে শোনেনা, সব ডাক্তার রা বলল তার কানের নার্ভ সিস্টেম ও ককলিয়ার ড্যামেজ হয়ে গেছে এর আর কোন চিকিৎসা নেই। জাতীয় নাক,কান,গলা তেজগাও ঢাকা, হাসপাতালে ডাক্তারদের গঠনকৃত বোর্ডে একই কথা বললেন ডাক্তার সাহেবরা।
এই দুই মহিলা শিক্ষিকার কারনে আমার ফুটফুটে ছেলেটার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংগ হারাল। এই সব মহিলারা পারিবারিক অশান্তি তে ভোগে আর সেই রাগ এসে খাটায় স্কুলের কোমলমতি শিশুদের উপর।
ধিক্কার জানাই এই হীন মানসিকতার শিক্ষিকাদের।
স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা বিষয়টি খেয়াল রাখবেন বর্তমান আইনে স্কুলে ছাত্র, ছাত্রীদের শাস্তি দেওয়া যাবেনা, তারপরেও অনেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় ফেলে। যার হারায় সে বোঝে। এই দায় কে নেবে?
অবিভাবকেরা আপনারা স্কুল পড়ুয়া ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের দিকে খেয়াল রাখবেন যাতে এরকম দুর্ঘটনা কারও শিশুর জীবনে না ঘটে।
আপনারা সবাই আমার একমাএ ছেলের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ পাক যেন একটি কান দিয়ে লেখা পড়া ও বাকি জীবনটা সুন্দর ভাবে চালিয়ে যেতে পারে।
কপি
1 টি মন্তব্য:
Omanobik
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন