এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২

পোস্টটি সকলের জন্য অবধারিত

 পোস্টটি সকলের জন্য অবধারিত !!


লেখাটি না পড়ে চোখ ফিরানো গেলোনা! 



ভাবছেন আপনি মারা গেলে মানুষ আপনাকে মনে রাখবে ?  আপনার অভাব অনেকেই ফিল করবে ? 


ভুল ভাবছেন!


মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আপনজনদের কান্নার শব্দ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। 


অন্তিম বিদায় দিতে আসা লোকদের মধ্যে কেউ কেউ ফোনে কারোর সঙ্গে বকবক করতে ব্যস্ত থাকবে; কেউ ফেসবুক, কেউ whatsapp-এ মশগুল থাকবে। আবার দূরে জটলা পাকিয়ে কিছু লোক সংসার, ব্যবসা, খেলা, রাজনীতি –এইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে থাকবে। আত্মীয়স্বজনকে খাওয়াতে আর তাদের দেখাশোনা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে পুরো পরিবার। 


কিছু পুরুষ চা খেতে উশখুশ করবে। ব্যবস্থা নেই দেখে বাইরের দোকানে চলে যাবে। 


কোনো আত্মীয় বা বন্ধু আপনার ছেলে বা মেয়ের কাছে ফোন করে জানাবে যে ইমার্জেন্সি কারণে সে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে পারবে না। 


পরের দিন রাতে খাওয়ার পর কিছু আত্মীয়ের সংখ্যা কমে যাবে, কিছু লোক আবার রান্নায় লবন কম ছিল–এই নিয়ে বিরক্ত হবে। 


ভীড় ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকবে। 

পরবর্তী কয়েক দিন আপনার ফোনে কিছু কল আসতে পারে আপনি মারা গেছেন এটা না জানার কারণে। 

আপনার অফিস, আপনার ব্যবসা-আপনার পরিবর্তে  কাউকে রাতারাতি খুঁজে নেবে।  


# সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই আপনার ছেলে, মেয়ে নিজের নিজের পড়াশোনার জগতে, কর্মক্ষেত্রে বা নিজের নিজের বাসস্থানে চলে যাবে। 

# মাস শেষ হতে না হতেই আপনার জীবনসঙ্গী কোনো কমেডি শো দেখে আবার হাসতে থাকবে।

 সবার জীবন আবার স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। আপনাকে এই পৃথিবীর মানুষজন আশ্চর্য গতিতে ভুলে যাবে। 

# আপনার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী বেশ আয়োজন করে পালন করা হতে পারে।

# পলক ফেলা মাত্রই একটা বছর চলে যাবে--

আর আপনার সম্পর্কে কথা বলার, আলোচনা করার কেউ থাকবে না। 

# আপনি চিরকালের জন্য মুছে গেলেন। সবার মন থেকে এমনকি আপনজন দের মন থেকেও। 


সবাই যখন আপনাকে দ্রুত ভোলার কম্পিটিশনে  লড়ছে, আপনি উন্মাদের মতো তাহলে কিসের জন্য এতো দৌড়চ্ছেন? 


কেন এতো চিন্তা করছেন দিন-রাত? 

আপনি কি এসব করতেই পৃথিবীতে এসেছিলেন? এটাই কি ছিল আপনার নাতিদীর্ঘ জীবনের আসল লক্ষ্য? 

আপনি কি আপনার একমাত্র জীবনে পরিবার, পরিজন, আত্মীয়, বন্ধুদের সুখের জন্য, তাদের সন্তুষ্ট করতেই জন্ম নিয়েছিলেন? 

বিশ্বাস করুন, কারোর জন্য কোনোদিন কিছু থেমে থাকে না। কিচ্ছু না। আপনি না থাকলেও সব স্বাভাবিক চলবে। কোনো ব্যথাই চিরকালীন নয়। কেউ মনেও রাখে না। জীবন একবারই আসে। তাই প্রাণভরে বাঁচুন।  আর সম্ভব হলে এই জীবনে যদি কোন পরম উদ্দেশ্য থাকে তাহলে সেই পরম উদ্দেশ্যের যতটা কাছে পৌঁছনো সম্ভব, তার চেষ্টা করুন! 


এটাই জীবন! ব্যস, এইটুকুই জীবন!

কপি
পেস্ট 

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...