এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

বিষবৃক্ষ

 বিষবৃক্ষ


> বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্রের চতুর্থ বাংলা উপন্যাস। ১৮৭২ সাল থেকে ১৮৭৩ সাল পর্যন্ত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় মোট বারোটি পর্যায়ে বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালে। 

> এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল সামসময়িক বাঙালি হিন্দু সমাজের দুটি প্রধান সমস্যা – বিধবাবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রথা। এই উপন্যাসের নায়িকা বিধবা কুন্দনন্দিনীর চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের কনিষ্ঠা কন্যার ছায়া অবলম্বনে রচিত বলে ধারণা করা যায়। 

> ১৮৯১ সালে থেকে উপন্যাসটির হিন্দুস্তানি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৮৮৪ সালে মিরিয়ম এস. নাইট The Poison Tree নামে এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন। ১৮৯৪ সালে বিষবৃক্ষ উপন্যাসের সুইডিশ অনুবাদ প্রকাশিত হয়। অমৃতলাল বসু এই উপন্যাসের নাট্যরূপ দিয়েছিলেন।

## কাহিনি সংক্ষেপ:

* গোবিন্দপুরের জমিদার নগেন্দ্রনাথ দত্ত কলকাতা যাত্রার পথে অনাথা বালিকা কুন্দনন্দিনীর সন্ধান পান। কুন্দকে তিনি কলকাতায় তাঁর ভগিনী কমলমণির কাছে রেখে এসেছিলেন। কিন্তু পরে স্ত্রী সূর্যমুখীর একান্ত অনুরোধে তাঁকে গোবিন্দপুরে নিয়ে আসেন। সূর্যমুখীর দূরসম্পর্কীয় ভাই তারাচরণের সঙ্গে কুন্দের বিবাহ হয়। 

* কিন্তু বিবাহের কিছুকাল পরেই তারাচরণের মৃত্যু হলে কুন্দ বিধবা হয়। এরপর নগেন্দ্রনাথ কুন্দের রূপলাবণ্য দর্শনে তার প্রতি আকৃষ্ট হন, কুন্দও নগেন্দ্রের প্রতি অনুরক্তা হয়ে পড়েন। সূর্যমুখী বিষয়টি অনুধাবন করেন। 

* অন্যদিকে দেবীপুরের দুশ্চরিত্র জমিদার দেবেন্দ্রও তারাচরণের গৃহে কুন্দকে দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হন। হরিদাসী বৈষ্ণবীর ভেক ধরে নগেন্দ্রর বাড়িতে এসে তিনি কুন্দকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যান। হীরা দাসী এই ব্যাপারে অনুসন্ধান করে সূর্যমুখীকে হরিদাসীর প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত করে। 

* এদিকে সূর্যমুখী কমলমণিকে চিঠিতে নগেন্দ্রনাথের কুন্দর প্রতি অনুরাগের কথা জানালে, কমলমণি কুন্দকে কলকাতায় নিয়ে আসতে চায়। কুন্দ আত্মহত্যা করতে গিয়েও ব্যর্থ হয়। হরিদাসী বৈষ্ণবীর ঘটনায় সূর্যমুখী কর্তৃক অপমানিতা হয়ে কুন্দ গৃহত্যাগ করেন। তার অদর্শনে নগেন্দ্র অস্থির এবং সূর্যমুখীর প্রতি রুষ্ট হন। 

* তিনি গৃহত্যাগের সংকল্প করেন। এমতাবস্থায় কুন্দ ফিরে এলে সূর্যমুখী নিজের উদ্যোগে স্বামীর সঙ্গে কুন্দের বিবাহ দেন। তারপর নিজে গৃহত্যাগ করেন। নগেন্দ্রনাথ তাঁকে খুঁজতে সব জায়গায় লোক পাঠান, তিনি নিজেও বেরিয়ে পড়েন। এদিকে ঘুরতে ঘুরতে সূর্যমুখী রোগাক্রান্ত হন। শেষে এক ব্রহ্মচারীর শুশ্রুষায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। 

* ব্রহ্মচারীই নগেন্দ্রনাথকে সংবাদ পাঠান। পরে উভয়ের পুনর্মিলন ঘটে। নগেন্দ্রনাথ গৃহে ফিরে কুন্দর সঙ্গে দেখা না করায় কুন্দ বিষপান করে। পরদিন সকালে সূর্যমুখী যখন কুন্দকে দেখতে আসেন, তখন তার অন্তিম সময় আসন্ন। শেষে নগেন্দ্রনাথের পায়ে মাথা রেখে কুন্দ ইহলোক ত্যাগ করে।



কোন মন্তব্য নেই:

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...