বাংলাদেশের ১ কোটি পুরুষ আছে, যারা একাধিক বিবাহ করে আদালত ও ইনসাফের সাথে রাখতে পারেন।
এবং ১০ লাখ পুরুষ আছে যারা চার বিবাহ করে চার স্ত্রীর মাঝে আদালত করতে সক্ষম।
অথচ: বিবাহ কঠিন হওয়ার কারনে তারা বিবাহ না করে জিনায় লিপ্ত হচ্ছে। কারন সমাজ ও একশ্রেনীর আলেমরা তাদেরকে আদালত ও ইনসাফের ভয় দেখিয়ে একাধিক বিবাহ করতে দেয়না, কিন্তু জিনা করতে দেয়।
অথচ আদালত ও ইনসাফ করা একেবারে সহজ।
সমাজের অধিকাংশ বড় স্ত্রীরা জানে তার স্বামী চরিত্রহীন, স্বামী পতিতালয়ে যায়, পরকিয়া করে, স্ত্রীর পাশে শুয়ে পর্নগ্রাফি দেখে, স্ত্রীর অসুস্থকালিন সময়ে স্বামী মাস্টার্ব্যশন করে, স্ত্রীও তাতে সহযোগিতা করে। কিন্তু সেই পুরুষ বা স্বামী যখন আরেকটা বিবাহ করে তখন এই স্ত্রী পরিবার ও সমাজের মানুষ গুলো তাকে চরিত্রহীন বলে।
অথচ যারা একজন স্ত্রী নিয়ে থাকে, এবং অসংখ্য গার্লফ্রেন্ড নামক পতিতা, ও পেশাদার পতিতা ব্যবহার করে তাদেরকে এই সমাজ হিরো বলে।
ইসলামে কোন গার্লফ্রেন্ড বয় ফ্রেন্ড নেই। এটা পশ্চিমা কালচার। ইসলামে শুধুমাত্র স্বামী স্ত্রী ও বাদী ব্যবহার বৈধ। বাংলাদেশের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা কোন ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা নয়, এটা পুরাপুরী গণতান্ত্রিক কুফুরী সমাজ ব্যবস্থা, এটা পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থা।
আমাদের সমাজে যে যত বেশি জিনা করে বুক ফুলিয়ে চলে, তার তত বেশি সুনাম, সে ততবড় সেলিব্রিটি।
আফসোস!
যে সমস্ত ফ্যমিলী গুলো দীনদার ও আলেম পরিবার নামে পরিচিত, তাদের পরিবারের দাম্পত্য লাইফ ও চলে পশ্চিমা সভ্যতার আদর্শে। তাদের পরিবারেও জিনা ভ্যবিচার করাকে তেমন কোন অপরাধ মনে করা হয়না। এই পরিবার গুলোতেও এখন দেরিতে বিবাহ দেওয়ার কারনে ছেলে-মেয়েগুলো গোপনে গুনায় জড়িত হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদের বাবা-মা, রাও তাদের ছেলে-মেয়েদের কে পশ্চিমাদের মত ক্যরিয়ার গড়তে ও স্টাবলিশ করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত করে রেখেছে।
এদিকে স্টাবলিশ হতে হতে সন্তানের জীবন যৌবন সব নষ্ট করে ফেলছে।
আলহামদুলিল্লাহ আমার বড় ছেলেকে ১৮ বছর বয়সে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি, এবং মেয়ে ১৩+ বয়সে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি। এবং নিয়ত করেছি ছোট ছেলে যেদিন বালেগ হবে সেদিনই তাকে বিবাহ দিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ ।
একদিন ও যেন তার জিনা করার প্রয়োজন না হয় সেই ব্যবস্থা করে দেবো ইনশাআল্লাহ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন