শোনা যায়, ওঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান পুরস্কার সত্যজিৎ রায়ের ডায়েরিতে লেখা নিজের নাম, উনি এঁর সাথে কাজ করতে চেয়েছিলেন, সত্যাসত্য পরের কথা, কিন্তু অসম্ভব ছিলো না! ব্যতিক্রমী, সব দিক থেকেই; খুব প্রিয়, সে "ক্রান্তিবীর", "প্রহার", "তিরঙ্গা" র দিন থেকেই(নামের সাথে সিনেমাগুলো সমার্থক হয়ে গেছে না?। "পরিন্দা"র আন্না ঠাণ্ডা মাথায় এক ভাইকে আরেক ভাইয়ের "খবর" নিতে বলে, আবার আগুন দেখলে দিশাহারা হয়ে যায়! অনেক পথ পেরিয়ে "ওয়েলকাম", "ওয়েলকাম ব্যাক" এর স্থূল কমেডির উদয় শেট্টি( কন্ট্রোল উদয়, কন্ট্রোল, আর ভগওয়ান কা দিয়া সবকুছ হ্যায়..... সবার জানা, তাই তো?)... যাকগে, স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম "অন্ধা যুদ্ধ", "থোড়া সা রুমানী হো যায়ে", "তৃষাগ্নি", বা কিছুদিন আগেই "নটসম্রাট" দেখে, কিংবদন্তী ডঃ শ্রীরাম লাগুর স্থানে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করা সহজ ছিলোনা। যুবসমাজের অতৃপ্তি, অন্তহীন ঘষামাজার পরে ব্যর্থতার গ্লানি, "অঙ্কুশ"–এর চেয়ে তীব্র ছাপ কি ফেলেছিলো অন্যকিছু?
হাসিটাই তো অদ্ভুত, কতো যে মিমিক্রি শুনেছি!! মাথা চুলকে সংলাপ বলা, এটাই বা কি তাহলে? নাহহ্, তাহলে কি "খামোশি" করতে পারতেন নাকি? হতো নাকি "পাঠশালা", "গুলাম–এ–মুস্তাফা"? আর খলনায়ক? একদম আলাদা মানদণ্ড সৃষ্টি করেছেন; "অঙ্গার", "পরিন্দা", "অগ্নিসাক্ষী", "অপহরণ", বা "আজ কি আওয়াজ", তা ছবিগুলো দেখলেই বুঝবেন।
পাগলের মতো ভালো লাগে "দেউল", "রাজনীতি", বা সেই কবেকার "গিধ", বা "মাফিচা সাক্ষীদার", কারণ যে ছবিই করেন, ১০০% ঢেলে দেন!
আবার "ট্যাক্সি নং ৯২১১", ওরে বাবা!! শুধুমাত্র এঁর জন্যই বারবার দেখা যায়, দেখিও!! ধারাবাহিক ভাবে ভালো, খাঁটি অভিনয় খুব বেশি দেখা যায়না তো.... তাই বোধহয় অবলীলায় জাঁকজমক ছেড়ে দেশ গাঁয়ের বাড়িতে চলে যেতে পারেন, চাষাবাদ নিয়ে ভাবতে আর যে কৃষকদের পরিবার, যাদের লোক চরমতম পরিস্থিতিতে পড়ে আত্মহত্যা করতে পরে ধ্বংসের মুখে পড়ে তাদের পাশে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে। বুলি দিয়ে না, কাজ করে।
তথ্যসূত্র - অভীক গুইঁ
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন