এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গল্প_১৪ই_ফেব্রুয়ারি, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 --১৪ ফেব্রুয়ারিতে তোমার শরীর চাই আমার কান্তা। 


--সম্পর্কের '৩' মাস হলো তাতেই এই কথা বলছো। কেমন Boyfriend তুমি হ‍্যা।


--আমি রোমান্টিক বয়ফ্রেন্ড তোমার বুঝছো। 


কান্তা: প্লিজজ হাসিব বিয়ের পরে যা ইচ্ছে তাই করিও।  সবে মাত্র আমাদের সম্পর্ক শুরু হলো। 


হাসিব : জানতাম এই কথাই বলবা। 


কান্তা : এমন করেনা সোনা আমার। আমি তো শুধুমাত্র তোমারি।


হাসিব : তাহলে আমি যা চাইতেছি দিয়ে দাও। 


কান্তা : আচ্ছা আমি ভেবে দেখি। 


হাসিব : ভেবে দেখা দেখির সময় নেই। আমি চাইতেছি তোমার দিতেই হবে। 


কান্তা : আমার সঙ্গে এই সব করার পরে যদি সম্পর্ক না রাখো তখন কি হবে। 


হাসিব : এইইই বিশ্বাস আমার প্রতি তোমার। 


কান্তা : বিশ্বাস না কররে কি ভালোবাসতাম বলো। 


হাসিব : তাহলে ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে চলোনা জান ডেটে যাই প্লিজজজ প্লিজজজ। 


" boyfriend এর এমন রিকুয়েস্টে শেষ পযর্ন্ত কান্তা রাজি হয় ডেটে যাওয়ার জন্যে?


কান্তা : ঠিক আছে আমি রাজি। কিন্তু আমাদের বিয়েটা কবে হবে শুনি। 


হাসিব : সময় হোক বিয়ে করবো। 


কান্তা : আচ্ছা জান। 


হাসিব : রেডি থাকিও কিন্তু ১৪ তারিখে। 


কান্তা : হুমম।


--এর পরে সেই ১৪ তারিখে কান্তা তার নিজের শরীর টা  boyfriend হাসিবের হাতে তুলে দেয়। যা হাসিব পাগলের মতো ভোগ করতে থাকে? 


হাসিব : উফফফ জান তুমি সেই একটা জিনিস। 


কুন্তা : যাহহ দুষ্টু একটা। আমার লজ্জা করে। 


হাসিব : ওরে আমার লজ্জাবতি girlfriend?


কান্তা : হুম। 


"এর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি হাসিব ও কান্তা দুজনেই বেশ রোমান্স করে ঘুরে বেড়ায়। 


"এর ঠিক ৪মাস পরে কান্তা হঠাৎ করেই একদিন মাথা ঘুড়ে পরে যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডাক্তার দেখানো হলে ডাক্তার বলে।


ডাক্তার : আপনাদের মেয়ে গর্ভবতী। 


--কিন্তু ডাক্তার আমাদের মেয়ের তো এখন পযর্ন্ত বিয়েই হয়নি তাহলে গর্ভবতী কিভাবে হয়। 


ডাক্তার : সেটা আপনাদের মেয়েকেই জিঙ্গেস করুন? 


"এই কথা শুনে কান্তার বাবা কান্তাকে জিঙ্গেস করে"


--এই সব কি কান্তা। ডাক্তার যা বলতেছে সব কি সত্যিই নাকি মিথ্যা। 


কান্তা : বাবা সব সত্যি। আমি একটি ছেলেকে ভালোবাসি আর ওর সঙ্গেই আমি...? 


কথাটি শেষ হতে না হতেই কান্তার গালে ঠাসসস ঠাসস করে থাপ্পড় পরে যায়। 


--ঠাসসস! ঠাসস! এই জন্যে তোকে পরাশুনা করাচ্ছি। এখন সমাজে মুখ দেখাবো কিভাবে আমি।


"কথাটি বলেই কান্তাকে রুমের ভিতরে বন্ধ করে বাহিরে চলে আসে। আর এই ফাকে কান্তা boyfriend কে ফোন দেয়। 


কান্তা : হ‍্যালো......হাসিব আমি প্রেগনেন্ট তোমার বাচ্ছা আমার পেটে। কিছু  একটা করো। 


হাসিব : কিইই বলো এই সব। রুম ডেটের পর তুমি ওষুধ খাওনাই। 


কান্তা : নাহ। 


হাসিব : ভালো খুব ভালো। 


কান্তা : চলো আমরা পালিয়ে যাই। 


হাসিব : আমার পক্ষে সম্ভব না। এছারা আমার পরাশুনা এখনো শেষ হয়নি। 


কান্তা : তাহলে আমার কি হবে এখন। 


হাসিব : আমি জানিনা। 


কান্তা : জানোনা মানে। তোমার সন্তান আমার পেটে এখন বলতেছো জানো না। 


হাসিব : আমি তোমাকে পেটে সন্তান নিতে বলছি নাকি। ফোন রাখো আমাকে ডিস্টাপ করবে না।   


কান্তা : প্লিজজজ এমন করিওনা। তুমি এমন করলে আমার মৃত্যু ছারা পথ থাকবেনা। 


হাসিব : যা ইচ্ছে হয় করো। 


--এই বলে হাসিব ফোনটি কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখে। এই দিকে কান্তা ফোন দিতে দিতে পাগল হয়ে যায় কিন্তু হাসিবের ফোনে আর কল ডুকেনা। 


"শেষ মেশ কোন উপায় না পেয়ে কান্তা গলায় ওরনা টাঙ্গিয়ে  আত্মহত্যা করে। 


এই কান্তার মতো পাগলামি কখনোই করবেন না।  সমস্যা হয়েছে পরিবারের কাছে সব খুলে বলুন অবশ্যই সমাধান বের হবে।


এই হলো ১৪ ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা বিনিময়ে একটি অসুন্দর সুন্দর দৃশ্য। 


#গল্প_১৪ই_ফেব্রুয়ারি


মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে এখনি নীল লেখায় চাপ দিয়ে আমার আইডি ফলো করে রাখুন : বগুড়া ট্রিওয়াল্ড নার্সারি  👈

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...