এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

গল্পের নাম: “চুরির রহস্য”

 গল্পের নাম: “চুরির রহস্য”


এক গ্রামে ছিল তিনজন বিখ্যাত প্রাণী—কাক, বিড়াল, আর শিয়াল। তারা ছিল খুব পরিচিত, কিন্তু তাদের স্বভাব ছিল একেবারে ভিন্ন।


কাক ছিল সন্দেহপ্রবণ, সব কিছুতে নাক গলাতো।


বিড়াল ছিল চুপচাপ, কিন্তু অনেক চালাক।


আর শিয়াল ছিল গ্রামের সবার চোখে “চতুর ধুরন্ধর”।


একদিন গ্রামের সবচেয়ে ধনী কৃষকের ঘরে চুরি হয়। চুরি হয় একটি চকচকে রুপার হাঁড়ি, যার ভেতরে ছিল মূল্যবান বীজ। পুরো গ্রাম থমকে যায়।


কৃষক চিৎকার করে বলে, “আমার সব সম্পদ শেষ! কে নিল হাঁড়ি?”


গ্রামবাসী সন্দেহ করে কাক, বিড়াল আর শিয়াল—তিনজনই। কারণ, ঘটনার রাতে তাদের সবাইকে কৃষকের বাড়ির আশপাশে দেখা গিয়েছিল।


তদন্ত শুরু হয়। তিনজনকে ডাকা হলো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।


কাক বলল, “আমি জানালার পাশে বসে রাতের খাবার খাচ্ছিলাম। আমি শুধু দেখেছি শিয়াল অনেকক্ষণ ঘুরছিল।”

শিয়াল বলল, “আমি তো হাঁড়ি খুঁজতেই সাহায্য করতে এসেছিলাম!”

বিড়াল চুপচাপ বসে থাকে, কিছুই বলে না।


পরদিন কাক গিয়ে দেখে—বিড়ালের লেজে ধুলার আভাস, আর তার থাবায় রুপার চিহ্ন।

সে চিৎকার করে বলে, “বুঝেছি! বিড়ালই চোর!”


গ্রামের সবাই যখন বিড়ালকে ধরতে যাবে, বিড়াল হঠাৎ বলে, “আমার ঘর খুঁজে দেখো।”


সত্যি, বিড়ালের ঘরে হাঁড়ি নেই। তখন বিড়াল কাককে জিজ্ঞাসা করে,

“তুমি কবে থেকে রুপার গন্ধ চিনতে পারো?”


কাক চুপ মারে।


ঠিক তখন শিয়ালের গাছের গোড়ার নিচে কাদা দেখা যায়—আর সেখানেই পোঁতা ছিল রুপার হাঁড়ি!

শিয়াল আসলে কাককে ফাঁসাতে চেয়েছিল, আর কাক সন্দেহে পড়ে বিড়ালকে দোষ দিচ্ছিল।


শেষে:

শিয়ালকে গ্রামছাড়া করা হয়।

কাক শেখে—সব সময় সন্দেহ করা ঠিক নয়।

বিড়াল বলে, “চুপ থাকাই অনেক সময় বড় উত্তর।”


শিক্ষণীয় বার্তা:

অতিরিক্ত সন্দেহ, মিথ্যা কথা, আর চতুরতার শেষ পরিণতি ভালো হয় না। সত্য ধরা পড়ে—যতই চালাকি করা হোক না কেন।

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...