বলেন দেখি, ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক আসলে কীসের ব্যবসা করে?
ধরেন, ইউটিউব। ওরা ভিডিও বানায়?
- না।
তো কী করে?
উত্তর হলো, ওরা ভিডিও রাখার জন্য একটা ওয়েবসাইট রেখে দিয়েছে। সেখানে আপনি-আমি ভিডিও আপলোড দিই। সবাই দেখে। এটাই ওদের বিজনেস।
এবার বলেন, ভিডিওগুলো কোথায় থাকে?
- ওয়েবসাইটে?
- না। তাহলে কোথায় থাকে?
- সহজ করে বলি, ধরেন আপনার অফিসের পাঁচটা কম্পিউটার। একটাতে কিছু তথ্য রেখে, বাকিগুলোতে একটা লোকাল কানেকশন দিয়ে দিলেন। হয়ে গেল, সবগুলো কম্পিউটার থেকে এবার আপনি ঐ তথ্য দেখতে পাবেন।
ইউটিউব, ফেসবুক ঠিক এই কাজটাই করে। আপনার - আমার আপলোড করা সকল তথ্য, ছবি, ভিডিও ওরা এরকম কোন কম্পিউটার মেমোরিতে রেখে দেয়। এরপর এটা ওয়েবে লিংক করে দেয়। আপনার অফিসের পাঁচটা কম্পিউটারের মতো এখানে কোটি কোটি মোবাইল -কম্পিউটার কানেক্টেড হয়। এরপর সবাই নিজ নিজ মোবাইল -কম্পিউটার থেকে তথ্য -ছবি-ভিডিও দেখে, কাজ করে। এটাই সবকিছু।
তাহলে ইউটিউব -ফেসবুক মূলত একটা বা কয়েকটি বড় মেমোরি কার্ড 🙂
আসলেই তাই। কোটি কোটি ট্রিলিয়ন গিগাবাইট বা জিবির মেমোরি কার্ড। সাথে কিছু সিস্টেম বা প্রটোকল বা নিয়ম।
নিচের ছবিটি বিশ্বের প্রথম দিকের মেমোরি কার্ড। ১৯৫৬ সালে আইবিএম এটি তৈরি করে। এর ধারণক্ষমতা ছিল ৫ মেগাবাইট বা ৫ এমবি (এখন আপনি পকেটে নিয়ে ঘুরেন ৫ টেরাবাইট বা আরো বেশি 😄)
যাইহোক, এই মেমোরিকার্ড তথ্য প্রযুক্তির এক মহা উদ্ভাবন। স্টোরেজ করার ক্ষমতা ই প্রযুক্তিকে করেছে আকর্ষণীয়, সহজলভ্য।
হ্যাপি লার্নিং 🙂
#jonayedhossain #Bangladesh
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন