এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

গল্প অভিশপ্ত পরী পর্ব __১৫  #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প অভিশপ্ত পরী

পর্ব __১৫ 

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


আজ একটু পর তোমার আমার বিয়ে হবে। 


মায়ামনির কথায় বিষয়টা কেমন স্বপ্ন স্বপ্ন মনে হচ্ছিলো। একটা পরীর সাথে আমার বিয়ে তাও যেমন তেমন পরী না পরীর রানির সাথে। 


মায়ামনির কথায় আমি ওর প্রসাদটা ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। কত সুন্দর করে সাজিয়েছে সব জায়গা। আমাদের বিয়ে উপলক্ষে ও অনেক জ্বীন পরীকেও দাওয়াত করছে। 


আমি বেশ কিছুক্ষন আশপাশটা ঘুরে দেখে আবার প্রসাদে ফিরলাম। প্রসাদে ফিরে দেখলাম মায়ামনিকে খুব সুন্দর করে সাজানো হইছে ওর দিকে তাকাতেই যেনো চোখ সরাতে পারছিনা। 


এদিকে আমাকে দেখে মায়ামনি আমার কাছে এসে আমাকে সুন্দর একটা পোশাক দিয়ে বললো যাও এটা পড়ে নাও। এটা আমার নিজ হাতে বানানো রেশমি কাপড়ের একটা সুন্দর পোশাক। 


মায়ামনির কথায় ওর দেয়া পোশাকটা নিয়ে একটা ঘরে গেলাম আর সেটা পরে ফেললাম। আসলেই সেই পোশাকটা অনেক নরম ও সুন্দর ছিলো। 


আমি সুন্দর পোশাকটা পরার পর মায়ামনির সামনে আসি। তখন মায়ামনি আমাকে নিয়ে যায় বিশেষ একটা জায়গায় যেখানে আমাদের বিয়ে হবে। 


আমরা সেই জায়গায় যাওয়ার পর আমাদের বিয়ে হবে। এমন সময় একটা পরী আহ*ত অবস্থায় সেখানে এসে মায়ামনিকে বললেন। 


 রানী মা সাবধান হয়ে যায় বিপদ আসছে। 

সেই পরীর কথায় মায়ামনি আমাকে বললেন নিশাদ উঠো ঘরের ভিতরে যাও তারাতারি। 


ওর কথায় আমি কিছু বুঝতে না পেরে ওকে জিজ্ঞেস করবো কি হইছে ঠিক তখনি সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। অভি*শপ্ত পরী ও মায়ামনিকে ভালোবাসা সেই জ্বীন। ওরা দুজনে তাহলে একসাথে হইছে। 


ওরা সেখানে এসে অভি*শপ্ত পরী বললো। 

কিহহ বিয়ের আয়োজন। হা হা হা এরকম একটা বিয়ের আয়োজন আমিও করছিলাম কিন্তু সেটা তুই হতে দিসনি মায়ামনি৷ আজ আমিও তোর আর ওর বিয়ে হতে দিবোনা৷ 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় সেই জ্বীন ও বললো, আমি তোমাকে অন্য কারো হতে দিবোনা তুমি সুধু আমার হবে। আমার সাথেই তোমার বিয়ে হবে মায়ামনি। 


ওঁদের দুজনের কথা শুনে মায়ামনি রেগে গিয়ে বললেন। 

তোদের এতবড় সাহস আমার রাজ্যে আমার প্রসাদে এসে আমাকেই হুমকি দিচ্ছিস। এই বন্ধি করো এঁদের দুজনকে আজ এঁদের অনেক বড় শাস্তি দিবো। 


মায়ামনির আদেশে দুজন পরী অভি*শপ্ত পরীর দিকে এগিয়ে যেতে মহূর্তে অভি*শপ্ত পরী ওঁদের আঘাত করে আহ*ত করে ফেললেন। 


এটা দেখে আরো কয়েকটা পরী এগিয়ে যাওয়ায় তাঁদেরকে ও আঘাত করে আহ*ত করলেন অভি*শপ্ত পরী। 


এটা দেখে মায়ামনি নিজেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন অভি*শপ্ত পরীর উপর কিন্তু এতেও কোন লাভ হলোনা মায়ামনি অভিশপ্ত পরীর সাথে পেরে উঠলোনা। উল্টো অনেক আহ*ত হয়ে পড়ে রইলো সেখানে। 


এমন অবস্থায় অভি*শপ্ত পরী বললেন। 

নিজেকে খুব শক্তিশালি ভাবিস তাইনা মায়ামনি।


তুই সেদিন আমাকে অনেক মে*রেছিলি৷ আমি গ্রামের সবার মাঝে রোগ ছড়িয়েছিলাম বলে তুই সবাইকে আবার সুস্থ করছিলি৷ আমি তোর কাছে আঘাত পাবার পর নিজেকে আরো শক্তিশালী করতে আমার নিজের ছেলেকে আমি শয়তা*নের নামে বলি দিয়েছি।  আমার ছেলেকে বলি দিয়ে আমি অনেক সাধনা করে নিজেকে করেছি অনেক শক্তিশালী। মায়ামনি এখন তুই কেনো তোর মত আরো দুজন আসলেও আমার সাথে পারবেনা৷ আমি তোর সামনেই কাল এই ছেলেকে বিয়ে করবো। তুই পারলে যা ইচ্ছে করিস। 


কথাটা বলে অভি*শপ্ত পরী আমার কাছে আসলেন আর আমাকে ধরলেন। আমি তখন নিজেকে ছাড়ানোর অনেক চেষ্টা করছিলাম কিন্তু পারিনি। আমি মায়ামনিকে চিৎ*কার করে ডাকছিলাম। মায়ামনি ও আমাকে ছাড়তে চায়নি, ওদিকে সেই জ্বীনটা মায়ামনিকে ধরে রেখেছিলো। 


অভি*শপ্ত পরী তখন মায়ামনির চোখের সামনে আমাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে চলে গেলো। 


কি থেকে কি হয়ে গেলো। ভেবেছিলাম অভি*শপ্ত পরী আর কখনও আসবেনা৷ কিন্তু মায়ামনির ভালোবাসা জ্বীনটা আর পরী যে এক হবে এটা ভাবতে পারিনি। অভি*শপ্ত পরী এখন অনেক শক্তিশালী ওর সাথে মায়ামনি ও পারছেনা তাহলে কি সত্যি সত্যি অভি*শপ্ত পরী আমাকে বিয়ে করবে।  


অভি*শপ্ত পরী আমাকে ধরে নিয়ে আসার পর। ওদিকে আমার মা বাবা আমাকে রাতে বাড়িতে ফিরতে না দেখে সকালে ঈমাম সাহেবের কাছে যান। 


ঈমাম সাহেবের কাছে যাওয়ার পর ওনাকে সব খুলে বলে। সব শুনে ঈমাম সাহেবের একটু সন্দেহ হয়। পরে ওনি মা বাবাকে নিয়ে ওনার যে বন্ধু। হুজুর ওনার কাছে যান। 


হুজুরের কাছে যাবার পর  হুজুরকে সব ঘটনা খুলে বলে। সব শুনে হুজুর কিছুক্ষন সময় নেন আর ওনার সাথে থাকা দুজন জ্বীনকে দিয়ে খবর নিয়ে জানতে পারেন আমার ও মায়ামনি পরীর বিষয়। 


হুজুর সব তথ্য নিয়ে মা বাবাকে বলে, কথাটা শুনে হয়তো অবাক হবেন। আপনার ছেলে আছে পরীদের রাজ্যে। একটা পরীকে ও ভালোবাসে আর ওকে সে বিয়ে করবে। 


হুজুরের কথায় মা বাবা তো পুরাই অবাক হয়ে যান। আমি পরীদের রাজ্যে আছি শুনে ওনারা হুজুরকে বলেন আমাকে যেনো ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 


মা বাবার অনুরোধে হুজুর বলেন ওকে ঐ পরীর রানী ইচ্ছে করে ফিরিয়ে না আনলে ওকে নিয়ে আসা যাবেনা। আমার সাথে থাকা জ্বীনেরা বলছে আপনার ছেলে নিশাদ এখন বিপদে আছে, অভি*শপ্ত পরীর কবলে পড়ছে আপনার ছেলে। 


এই কথা শুনে মা তো কান্না করতে থাকে। এদিকে বাবা হুজুরকে বলেন। হুজুর আপনার কাছে অনুরোধ করি আমার ছেলেটাকে ফিরিয়ে আনুন ওকে সাহায্য করুন৷ 


বাবার অনুরোধে হুজুর মা বাবাকে শান্ত করে বলে ঠিক আছে আমি আমার দিক থেকে যথেষ্ট চেষ্টা করবো আপনার ছেলেকে সাহায্য করে ফিরিয়ে আনার। আপনারা চিন্তা করবেন না। পরীর রানী থাকতে নিশাদের ক্ষতি অন্য কেউ সহজে করতে পারবেনা। আপনারা বাড়ি যান আমি আজকে রাতে আপনার ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার ব্যাবস্তা করবো। 


হুজুরের কথায় মা বাবা চিন্তায় চিন্তায় বাড়িতে ফিরে আসে। 

এদিকে আমি অভি*শপ্ত পরীর কাছে বন্ধি। 


আমাকে বন্ধি করে রাখায় আমি পরীকে বলি। 

আপনি কি চান আমার কাছে। আপনি তো এখন অনেকটা শক্তিশালী হইছেন এখন আমার ও মায়ামনির জিবন থেকে চলে যান। 


আমার কথায় অভি*শপ্ত পরী বলে চলে যাবো। 

না আমার এখনো অনেক কাজ বাকি। আমাকে তোরা অনেক অপমান করছিস। আঘাত করছিস। আমি কাউকে ছাড়বোনা। আগে তোর আর মায়ামনির বিচার হবে তারপর আমি আবারে গ্রামের মানুষের পিছনে লাগবো। 


আমি অনেক শক্তিশালী হইছি ঠিকি কিন্তু এখনো বুড়ো রয়ে গেছি। আমি তোকে বিয়ে করলে। আর তোর র*ক্ত আমার শরীলে লাগলে আমি ফিরে পাবো আমার রুপ হয়ে যাবো যুবতী। 


ওর কথায় আমি বললাম না আমিতো ইচ্ছে করে আপনাকে বিয়ে করবোনা। 


 বিয়ে করবিনা। আমাকে বিয়ে না করলে সব হাড়াবি। তোর ভালোবাসা মায়ামনিকে মে*রে ফেলবো সাথে তোর মা বাবা ও গ্রামবাসী সবাইকে। এখন তোর মা বাবা সহ গ্রামবাসীর মধ্যে রোগ ছড়াতে তো পারবোনা কিন্তু তুই আমাকে ইচ্ছে করে বিয়ে না করলে সবাইকে ভয় দেখিয়ে মা*রবো। আস্তে আস্তে পুরু গ্রাম শেষ করে দিবো। এখন বল তুই রাজি কিনা। 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় মাথা ঘুরতে লাগলো। 

সবাইকে বাঁচাতে আমি উপায় না পেয়ে ওকে বিয়ে করতে রাজি হলাম। 


তারপর _______


পরের পর্ব হবে শেষ পর্ব।

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...