এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

বৃত্ত পরিচিতিঃ,,,,,,,

 বৃত্ত পরিচিতিঃ


◾ বৃত্তঃ একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে সর্বদা সমন দূরত্ব বজায় রেখে অন্য একটি বিন্দু তার চারদিকে একবার ঘুরে ওই বিন্দুতে মিলিত হয় এবং যে ক্ষেত্র তৈরি করে বা উৎপন্ন করে তাকে বলে বৃত্ত বলে। চিত্রে O কেন্দ্রবিশিষ্ট ACDBE একটি বৃত্ত। 


◾কেন্দ্রঃ যে বিন্দুকে কেন্দ্র করে একটি বৃত্ত আঁকা হয় তাকে ঐ বৃত্তের কেন্দ্র বলে। চিত্রে O হলো বৃত্তটির কেন্দ্র।


◾পরিধিঃ একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে সমান দূরত্ব বজায় রেখে কোন বিন্দুর চলার পথকে পরিধি বলে । চিত্রে ACDBE হলো বৃত্তের পরিধি।


   ▪️বৃত্তের পরিধি = 2πr একক।

   ▪️বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr² বর্গএকক। 


◾চাপঃ বৃত্তের পরিধির যে কোন অংশকে চাপ বলে। চিত্রে BE হলো বৃত্তের চাপ।


◾জ্যাঃ পরিধির যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলে। চিত্রে CD হলো বৃত্তের জ্যা।


◾ব্যাসঃ বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যাকে ব্যাস বলে। চিত্রে AB হলো বৃত্তটির ব্যাস। 


   ▪️বৃত্তের ব্যাসই বৃহত্তম জ্যা।

   ▪️বৃত্তের ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ। 

   ▪️ব্যাস= ( ২×ব্যাসার্ধ ) একক


◾ব্যাসার্ধঃ একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলে। চিত্রে OA = OB = OE হলো বৃত্তটির ব্যাসার্ধ।


    ▪️ব্যাসার্ধ ব্যাসের অর্ধেক। 

    ▪️একই বৃত্তের ব্যাসার্ধ গুলো পরস্পর সমান।

 

◾স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরল রেখা যদি একটি ও কেবল একটি ছেদ বিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলে। চিত্রে FG হলো বৃত্তটির স্পর্শক।

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...