সতর্ক থাকুন
📌বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র পরিসরে আমরা কয়েকটি কাজ করতে পারি। যেমনঃ
✅নিজেদের অনাবাদী জমি চাষের উপযোগী করে সেখানে ফসল ও অন্যন্য বীজ রোপন করা।
✅সম্ভব হলে আগে থেকেই শুকনো খাবার, চাল, ডাল, পিয়াজ ইত্যাদি ও বিভিন্ন বীজ সংরক্ষণ করে রাখা।
✅প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সংগ্রহ ও প্রাথমিকভাবে গাছগাছড়ার চিকিৎসা শিখে রাখা।
✅বাড়ির আশপাশের পতিত জমিতে শাক-সবজি, আলু-মরিচ, পেঁপে-লাউ ইত্যাদির চারা লাগানো।
✅সামর্থ্য অনুযায়ী গরু-ছাগল-মহিষ পালনের ব্যবস্থা করা।
✅তবে ছাগল পালনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে আগামীর দিন গুলোর জন্য। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ছাগল পালন করতে হবে।
✅বাড়ির পাশে পুকুর কেটে মাছ চাষ করা। ওয়াসা বা মটরচালিত পানিব্যবস্থার ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে কুয়ো, টিপাকল বা নলকূপ বসানো। পানি ফুটিয়ে পান করা।
✅বিদ্যুৎ এর জন্য আপনারা সৌরচালিত বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারেন। বা এটাকে জীবন থেকে বাদ দিতে পারাই সর্বোত্তম ইনশাআল্লাহ ।
✅টর্চ লাইট, ব্যাটারি, কেরোসিন তেল, বাতি, মোম, হারিকেন ইত্যাদিও রাখা দরকার।
✅বর্তমানের ক্যাশ টাকা, না ব্যাংকে রাখা নিরাপদ আর না ঘরে রাখা। এগুলোকে সম্পদে রুপান্তর করা তথা স্বর্ণ হিসেবে কিনে রাখা।
✅বিশ্বে সম্ভবত শীঘ্রই ডলারব্যবস্থা বাতিল হতে পারে। আর এটা হলে পুরো বিশ্বে যে কী হবে, তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ডলার ও ক্যাশ টাকার পরিবর্তে তা সোনা-রোপায় রুপান্তর করা অনেক অনেক সুবিধাজনক উপায় এবং মহাযুদ্ধের আগে আপনাকে অবশ্যই এটা করতেই হবে।
🔴এগুলো তো দুর্ভিক্ষকালীন ভালো থাকার জন্য জাগতিক কিছু হিসাব-কিতাব। কিন্তু এ সময়ে সবচেয়ে কঠিন হবে, মানুষের ঈমান রক্ষা করা। সময়টা হবে খুবই করুণ ও নাজুক। একদিকে জীবনের তাগিদ, আরেকদিকে ইমানের দাবি।
খুব কম লোকই তখন নিজেদের ইমান হিফাজত করতে সক্ষম হবে।
দুর্ভিক্ষে মারা গেলে তো বেশির চেয়ে বেশি দুনিয়া বরবাদ হবে। কিন্তু ঈমান হারালে দুনিয়া-আখিরাত সবই বরবাদ হয়ে যাবে। তাই ঈমান বাঁচানোর জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন। সামনের দিনগুলোতে আর কোনো আরামের ঘুম নাই।
একদিকে শান্ত হবে তো অন্যদিকে ফিৎনা উত্তাল হয়ে উঠবে।
এখন থেকে শুরু করে ইমাম মাহদী পর্যন্ত পৃথিবীতে অস্থিরতা বিরাজ করবে। মহামারী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা, যুদ্ধ, রক্তপাত, দুর্ভিক্ষ, আসমানী আযাব, সহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
⭕বিধায়, সবাই কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে একতাবদ্ধ হউন, উপযুক্ত ইলম অর্জনের পাশাপাশি ইবাদতে মনোযোগী হোন, বেশি বেশি জিকির করুন। শারীরিক মানসিক আর্থিক সহ সবরকম প্রস্তুতির এখনই সময়, বাকি বিশ্বে মালহামা ঘটতে থাকলেও আমার-আপনার উপর হি-ন্দ হতে চলেছে, যেখানে অংশগ্রহণ আমাদের উপর ফরজ, মরতে তো হবেই ভাই, পালিয়ে পিঠে আঘাত খেয়ে মুনাফিকির মৃত্যু কেন যেখানে বুকের রক্ত বহিয়ে শ্রেষ্ঠ শাহাদাতের মর্যাদা অর্জনের সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে? এটা তখনই পাবেন যখন আপনি এর যোগ্য হবেন, নেক নিয়তে চাওয়ার পাশাপাশি কর্মে নিজেকে প্রস্তুত রাখবেন, বিধায় স্টেপ নিন, আর কত ঘুমাবেন?
#save_repost।
✍️সোলো ইবদুল
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন