এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া (Anemia): হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ~

 🎍রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া (Anemia): হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ~



🍂 অ্যানিমিয়ার ৫টি প্রধান কারণ:


১. আয়রনের ঘাটতি: সবচেয়ে সাধারণ, রক্তক্ষরণ, অপুষ্টি, গর্ভাবস্থা

২.ভিটামিনের ঘাটতি: ভিটামিন B12, ফলিক অ্যাসিড (মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া)

৩.রক্তক্ষরণ: মাসিক, পেপটিক আলসার, পাইলস, ক্যান্সার

৪.অস্থি মজ্জার সমস্যা: অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, লিউকেমিয়া

৫.বংশগত রোগ: থ্যালাসেমিয়া, সিকেল সেল, G6PD ঘাটতি


🍁 অ্যানিমিয়ার ৫টি করণীয় (প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা):


১. আয়রন সমৃদ্ধ খাবার: পালংশাক, মাছ, মাংস, ডাল, শুকনো ফল

২.ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার: লেবু, আমলকি, ক্যাপসিকাম (আয়রন শোষণে সাহায্য)

৩.পর্যাপ্ত বিশ্রাম: শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি কমানো

৪.নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা: হিমোগ্লোবিন, আয়রন লেভেল, ভিটামিন B12 চেক

৫.অন্তর্নিহিত কারণ চিকিৎসা: পাইলস, আলসার, মাসিকের সমস্যা দূর করা


---


🍒 অ্যানিমিয়ার ১০টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও তাদের প্রধান লক্ষণ:


১. Ferrum Metallicum:


· আয়রন ঘাটতি অ্যানিমিয়া, কিন্তু মুখ ফ্যাকাশে না (সাময়িক লাল)

· হালকা পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট, হৃদস্পন্দন

· রোগ অস্বীকার করে, দুর্বলতা লুকাতে চায়

· ঠোঁট ও মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে, কিন্তু কান লাল


২. China Officinalis (Cinchona):


· রক্তক্ষরণ পরবর্তী অ্যানিমিয়া (প্রসব, অপারেশন, আঘাত)

· গ্যাস, ব্লোটিং, পেট ফাঁপা

· অতিরিক্ত সংবেদনশীল, সামান্য স্পর্শে কষ্ট

· দুর্বলতা কিন্তু মানসিকভাবে সতর্ক


3. Natrum Muriaticum:


· দীর্ঘস্থায়ী, ধীরে ধীরে তৈরি অ্যানিমিয়া

· শোক/দুঃখ থেকে, আবেগ压抑 করে রাখে

· লবণ খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা

· মাথাব্যথা যা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত


4. Pulsatilla:


· মাসিক অনিয়ম থেকে অ্যানিমিয়া

· কান্নাকাটি, স্নেহ-আদর চায়

· তৃষ্ণাহীনতা, ঘরের বাইরে আরাম

· হালকা রক্ত, মাসিক দেরিতে


5. Calcarea Carbonica:


· স্থূল, ফর্সা, ঘামযুক্ত শিশু/মহিলার অ্যানিমিয়া

· দুধ/ডিম সহ্য হয় না

· মাথায় ঠাণ্ডা ঘাম (বিশেষত ঘুমের সময়)

· অম্লতা, হজমের গোলমাল


6. Alfalfa:


· পুষ্টির ঘাটতি, ওজন বৃদ্ধি করতে অক্ষম

· শক্তি বৃদ্ধিকারক, খাদ্য পরিপূরক

· রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি, ক্ষুধা বৃদ্ধি

· মূল টিংচারে ব্যবহার করা হয়


7. Arsenicum Album:


· অতিরিক্ত দুর্বলতা কিন্তু অস্থির

· পরিপাটি পাগল, সবকিছু নিখুঁত চায়

· মধ্যরাতে খারাপ, গরম পানীয়তে ভালো

· মৃত্যুভয়, অতিরিক্ত উদ্বেগ


8. Phosphorus:


· দ্রুত রক্তক্ষরণ থেকে অ্যানিমিয়া

· উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত কিন্তু দ্রুত ক্লান্ত

· ঠাণ্ডা পানির তৃষ্ণা, গরম পানি বমি

· রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না


9. Helonias Dioica:


· মহিলাদের অ্যানিমিয়া, বিশেষত প্রসব পরবর্তী

· শ্রোণী অঞ্চলে ভর/দুর্বলতা

· বিষণ্নতা, কিছু করতে অনিচ্ছা

· শর্করা খাওয়ার ইচ্ছা


10. Kali Phosphoricum:


· স্নায়বিক দুর্বলতা থেকে অ্যানিমিয়া

· মস্তিষ্কের ক্লান্তি, পড়াশোনা করতে অক্ষম

· সামান্য পরিশ্রমে হৃদস্পন্দন

· রক্তাল্পতা সাথে স্নায়বিক অবসাদ


---


🌟 বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ১টি ওষুধের বিস্তারিত আলোচনা:


ওষুধের নাম: Ferrum Metallicum (ফেরাম মেটালিকাম)


🌿 উৎস: শুদ্ধ আয়রন (লোহা) থেকে প্রস্তুত


🧠 প্রধান নির্দেশক লক্ষণ:


· অ্যানিমিয়া কিন্তু মুখ ফ্যাকাশে নয় - সাময়িক লালচে ভাব

· দুর্বলতা লুকানোর চেষ্টা করে, অসুস্থতা অস্বীকার করে

· হালকা পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট ও হৃদস্পন্দন

· নিজেকে ধরে রাখার প্রবণতা, অহংকারী


🩺 অ্যানিমিয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

১.রক্তাল্পতার সাথে রক্তপ্রবাহের অস্বাভাবিকতা: মুখ ফ্যাকাশে না হয়ে লাল

2.হৃদয় ও ফুসফুসের লক্ষণ: সামান্য চলাফেরায় শ্বাসকষ্ট

3.হজমের সমস্যা: খাবার সহ্য হয় না, বমি বমি ভাব

4.মাসিক: বেশি রক্তক্ষরণ, উজ্জ্বল লাল রক্ত


🩸 সহযোগী লক্ষণ:


· মাথাব্যথা যা হাঁটলে বেড়ে যায়, শুয়ে থাকলে কমে

· কানের সমস্যা: শ্রবণশক্তি হ্রাস, কানে শব্দ

· জ্বর: বিকেলে জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা

· পেটের সমস্যা: খাবার পর পেট ফাঁপা


⚡ মডালিটি:


· খারাপ: রাতে, হাঁটলে, ঠাণ্ডায়, মাসিকের সময়

· ভালো: ধীরে চললে, শুয়ে থাকলে, হালকা নড়াচড়ায়


💊 শক্তি ও মাত্রা:


· নিম্ন শক্তি: ৬X, ৩০শ - রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য

· উচ্চ শক্তি: ২০০শ, ১এম - কনস্টিটিউশনাল চিকিৎসার জন্য

· মাত্রা: দিনে ২-৩ বার, খাবারের আগে


⚠️ সতর্কতা:

১.রক্ত পরীক্ষা নিয়মিত করান

2.অন্তর্নিহিত কারণ (পাইলস, আলসার) চিকিৎসা করুন

3.উচ্চ শক্তি দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না

4.ক্লিনিক্যালি মনিটরিং প্রয়োজন


✅ সারসংক্ষেপ:

Ferrum Metallicum হলোআয়রন ঘাটতি অ্যানিমিয়ার একটি প্রধান ওষুধ, বিশেষত যখন রোগী দুর্বলতা লুকাতে চায় এবং মুখ ফ্যাকাশে না হয়ে বরং লালচে দেখা যায়। এটি রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি ও দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে।


---


অ্যানিমিয়ার প্রকারভেদ অনুযায়ী ওষুধ:


আয়রন ঘাটতি অ্যানিমিয়া:


· Ferrum Met (ফ্যাকাশে না হওয়া)

· Ferrum Phos (রক্তক্ষরণসহ)

· Natrum Mur (দীর্ঘস্থায়ী)


মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া:


· Acidium Phosphoricum (স্নায়বিক দুর্বলতা)

· Kali Phos (মস্তিষ্কের ক্লান্তি)

· Alumina (কনস্টিপেশনসহ)


হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া:


· Arsenicum Album (তীব্র দুর্বলতা)

· China (রক্তক্ষরণ পরবর্তী)

· Phosphorus (দ্রুত রক্তক্ষরণ)


অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া:


· Aurum Met (হতাশা/আত্মহত্যার প্রবণতা)

· Carcinosin (ক্যান্সার প্রবণতা)

· Thuja (ভ্যাকসিনেশনের পর)


---


পুষ্টি পরিপূরক হিসেবে হোমিওপ্যাথি:


টিস্যু সল্ট (বায়োকেমিক):


1. Ferrum Phos 6X: প্রাথমিক অ্যানিমিয়া, রক্তস্বল্পতা

2. Calcarea Phos 6X: রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি, হাড়ের স্বাস্থ্য

3. Natrum Mur 6X: তরল ভারসাম্য, লবণ বিপাক

4. Kali Phos 6X: স্নায়বিক স্বাস্থ্য, লোহিত রক্তকণিকা


মাদার টিংচার:


· Alfalfa Q: ক্ষুধা বৃদ্ধি, পুষ্টি শোষণ

· Cinchona Q: রক্তক্ষরণ পরবর্তী দুর্বলতা


---


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:


কখন বিশেষজ্ঞ দেখাবেন:


1. হিমোগ্লোবিন ৭gm/dl এর নিচে

2. অবিরাম রক্তক্ষরণ (মল/প্রস্রাবে রক্ত)

3. হঠাৎ তীব্র দুর্বলতা, বুক ধড়ফড়

4. গর্ভাবস্থায় গুরুতর অ্যানিমিয়া

5. শিশুদের রক্তস্বল্পতা


ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী:


· গর্ভবতী মহিলা

· কিশোরী মেয়ে (মাসিক শুরু)

· দীর্ঘস্থায়ী রোগী (কিডনি, ক্যান্সার)

· বৃদ্ধ ব্যক্তি


---


আয়ুর্বেদিক/প্রাকৃতিক পরিপূরক:


1. পালংশাক রস: আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড

2. তিল-গুড়: ক্যালসিয়াম ও আয়রন

3. বিটরুট: রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি

4. আমলকি: ভিটামিন সি (আয়রন শোষণে সাহায্য)

5. খেজুর: প্রাকৃতিক আয়রন ও শক্তি


সুস্থ ও সবল থাকুন।


---


🚫 Respect Original Creation

কপি করলে কপিরাইটের ঝুঁকি থাকে।

নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।


🩺 Dr. Md. Forhad Hossain

D.H.M.S(B.H.B), Dhaka

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic Medicine

Helpline:01955507911

এপিস মেলিফিকার সংক্ষিপ্ত রূপ

 🛑এপিস মেলিফিকার সংক্ষিপ্ত রূপ


🛑


🔷মানসিক লক্ষণ (MENTAL):


▪️ঈর্ষা, রাগ ও বিরক্তি থেকে রোগের উৎপত্তি।

▪️জিহ্বা তীক্ষ্ণ, কথাবার্তা ও হুল ফোঁটানো।

▪️অস্থিরতা, অকারণ ব্যস্ততা, তাড়াহুড়ো স্বভাব,বসে থাকতে পারে না।

▪️কারণ ছাড়াই কান্না করে।

▪️খিটখিটে, অসন্তুষ্ট, হতাশ।

▪️পাখি, সুচ, মৃত্যু—এগুলোর ভয় পায়।

▪️মৃত্যুর পূর্বাভাসের অনুভূতি (Presentiment of death)।(acon,arg-n)।


🔷শারীরিক লক্ষণ (PHYSICAL):


▪️কিডনির ডিসফাংশনের কারণে হাত পায়ে পানি জমে ফোলা (ড্রপসিকাল এডিমা)।

▪️জয়েন্টে ফোলা ও প্রদাহ, বিশেষ করে গোড়ালিতে।

▪️ঠোঁট, হাত ও পা ফোলা,

বিশেষ করে চোখের চারপাশে ও নিচে।


▪️ব্যথা হয় জ্বালাপোড়া ও সুচফোঁটার মতো (মৌমাছির হুল ফোটার মতো)।

▪️(Awkwardness) জিনিসপত্র সহজে হাত থেকে পড়ে যায়।

 ▪️Erysipelas ধরনের প্রদাহ (লাল, ফোলা, জ্বালাযুক্ত ত্বক)।


🔷চর্ম ও অন্যান্য লক্ষণ:

  ▪️Urticaria (আমবাত/চাকা ওঠা)—মুখ, হাত-পা, পিঠে।

▪️ঠান্ডা প্রয়োগে উপশম।

▪️গরমে বৃদ্ধি। 

 ▪️উত্তাপ,ঘাম, রাত ও ব্যায়ামে বৃদ্ধি।


★★গরম ও জ্বালা থাকা সত্বেও এদের  পানির পিপাসা থাকে না।


▪️থেমে থেমে জ্বর, বিকাল ৩টার দিকে কাঁপুনি, সাথে তৃষ্ণাহীন।

▪️মলদ্বার শিথিল, খোলা থাকার অনুভূতি।


🔷অন্যান্য:

▪️মূত্রথলির প্রদাহ (Cystitis)—জ্বালাপোড়াসহ।

 ▪️ Quincke’s angioneurotic oedema (হঠাৎ মুখ/ঠোঁট/চোখ ফুলে যাওয়া)।

 ▪️ অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া।


🔷Complementaries :Natrum Mur.

🔷Inimical: Rhus-tox.

মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণঃ-

 মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণঃ-

👉মায়াজম কি? 

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধান মতে, মায়াজম হল রোগের মূল কারণ এবং জীবাণু গুলো হল উত্তেজক কারণ। যে সকল প্রাকৃতিক অদৃশ্য কারণসমূহ হইতে রোগ উৎপত্তি হয়, সে সকল কারণ সমূহকে মায়াজম বলে।


🎗️মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন,

“যাবতীয় রোগ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়।” মায়াজম শব্দের অর্থ উপবিষ, কলুষ, পুতিবাষ্প, ম্যালেরিয়ার বিষ প্রভৃতি। যাবতীয় রোগের কারণই হল এই মায়াজম। তরুণ পীড়া তরুণ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে এবং চিররোগ চির মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়। ইহা প্রাকৃতিক রোগ সৃষ্টিকারী দানব।

হ্যানিম্যান বলেছেন, 

চিররোগ সৃষ্টির মূল কারণ হইল তিনটি চিররোগবীজ। ইহাদের মধ্যে সোরা হইল আদি রোগ বীজ। সকল রোগের মূল কারণ হইল সোরা। এমনকি প্রমেহ এবং উপদংশ নামক আদি রোগবীজের উৎপত্তি ও সোরা হতে; এজন্য সোরাকে আদি রোগবীজ বলা হয়। হ্যানিম্যান️ বলেছেন,

বংশ পরস্পরের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানব দেহের মধ্যে এই সোরা মায়াজম কল্পনাতীতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন অসংখ্য প্রকারের বিকৃতি, ক্ষত, বিশৃঙ্খলা ও যন্ত্রণার প্রতিমূর্তি রুপে অন্ত পীড়ায় সৃষ্টি করে থাকে।

সুতরাং মায়াজম হচ্ছে এক ধরনের গতিময় দূষণ মাধ্যম যাহা জীব দেহের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গে একবার প্রবিষ্ট হলে জীবনীশক্তির উপর প্রভুত্ব করে, ব্যক্তিকে সার্বিকভাবে এমনিধারায় দূষিত করে যার পিছনে একটি স্থায়ী রোগজ অবস্থা স্থাপন করে যাহা সম্পূর্ণ রুপে মায়াজম বিরোধী প্রতিকারক দ্বারা দূরীভূত না হলে রোগীর সারাজীবন ব্যাপী বিরাজ করবে এবং বংশপরস্পরায় প্রবাহমান থাকে।

  

★মায়াজম ৪ প্রকার।


⏺️সোরা মায়াজম

⏺️সিফিলিস মায়াজম

⏺️সাইকোসিস মায়াজম

⏺️টিউবারকুলার মায়াজম


★সোরার রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️সর্বদা ভীতিপূর্ণ, পরিপূর্ণ, অবসাদগ্রস্ত, শ্রমবিমুখ।

⏺️মেজাজ খিটখিটে সামান্য মতের অমিল হলে ক্ষিপ্ত হয়।

⏺️স্বার্থপরতা কিন্তু নাটকীয় উদারতা দেখায়।  

⏺️অস্বাভাবিক ক্ষুধা, খেলে আবার ক্ষুধা লেগে যায়।

⏺️অসম্ভব চুলকানি, চুলকানোর পর জ্বালা।

⏺️হাত পায়ের তলা জ্বলে।

⏺️দেহের বর্জ নির্গমন পথগুলি লাল বর্ণের।

⏺️যে কোন স্রাব নির্গমনে আরাম বোধ।

⏺️দাঁতে, মাড়ীতে ময়লা জমে।

⏺️কেবলই শুয়ে থাকতে চায়।

⏺️নোংরামি পছন্দ।

⏺️স্নয়ুকেন্দ্রে প্রবল বিস্তার করে কিন্তু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে না।

⏺️যে কোন সময় রোগাক্রমন বা বৃদ্ধি ।

⏺️চোখে নানা রং দেখে ও দৃষ্টিভ্রম হয়।


★সিফিলিসের রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️আত্নহত্যা করার ইচ্ছা।

⏺️নৈরাশ্য, হঠকারিতা, মূর্খতা, বিতৃষ্ণা।

⏺️স্মরণশক্তি ও ধারণশক্তি হ্রাস।

⏺️মানসিক জড়তায় কথা কম বলে।

⏺️মাংসে অরুচি কিন্তু দুগ্ধ খাইবার ইচ্ছা।

⏺️অগ্নিকান্ড, হত্যাকান্ডের স্বপ্ন দেখে।

⏺️সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত বৃদ্ধি।

⏺️জিহ্বা মোটা ও দাঁতের ছাঁপযুক্ত।

⏺️চুলকানীবিহীন চর্মরোগ।

⏺️বিকলঙ্গতা।

⏺️অস্থির ক্ষয়প্রাপ্তি।

⏺️স্রাবের প্রচুরতা, দুর্গন্ধতা এবং স্রাব নিসরনে রোগ বৃদ্ধি।

⏺️দুষ্টজাতীয় ফোঁড়া।

⏺️অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা অসহ্য।


★টিউবারকুলিনাম রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও রোগী একই লক্ষণ ঘুরে ফিরে আসে।

⏺️একই সময়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।

⏺️যে খাবারে বৃদ্ধি সেই খাবারেই আকাঙ্খা।

⏺️বিনা কারণে ঠান্ডা-সর্দ্দি লাগে।

⏺️যথেষ্ট পানাহার সত্বেও দুর্বলতা, শুষ্কতা শীর্ণতা প্রাপ্ত হয়।

⏺️কুকুর ভীতি বিদ্যমান।

⏺️উদাসীনতা ও চিন্তাশূন্যতা।

⏺️ক্রোধপরায়ণ, অসন্তুষ্ট, চঞ্চল, পরিবর্তনশীল মেজাজ।

⏺️কামোত্ততার জন্য যে কোন উপায়ে শুক্রক্ষয় করে।

⏺️বার বার চিকিৎসক বদল করে ।

⏺️জাঁকজমকের সাথে কাজ শুরু করলেও তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

⏺️অনবরত ঘুরে বেড়ানো স্বভাব।

⏺️নিদ্রায় চিৎকার করে কথা বলে ।


★সাইকোসিস রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️ডাক্তারের কাছে লক্ষণ বলতে গিয়ে দেখে আশেপাশে কেউ আছে কিনা।

⏺️ডাক্তার ঔষধ দিয়েছে! সে আবার খোঁজাখুঁজি করে। কারণ ডাক্তার লক্ষণ গুলো পুরাপুররি শুনল কিনা। আবার জিজ্ঞাস করে কোন ঔষধ কিসের জন্য দিয়েছে।

⏺️পড়ালেখা করতে গেলেও সন্দেহ । একলাইন লেখে তো বারবার কাটাকাটি করে। চিন্তা করে এই শব্দের বদলে ঐশব্দ যোগ করি।

⏺️ঘর থেকে বের হবে দেখবে সব ঠিকঠাক মত আছে তো?

⏺️হিসাব করতে যাবে ব্যবসা অথবা চাকুরিতে সেখানেও সমস্যা, সন্দেহ আর ভূলে যাওয়া।

⏺️মনেও সন্দেহ! রাতে এই বুঝি কেউ পিঁছনে পিঁছনে আসছে; আশেপাশে কেউ আছে।

⏺️বাজার করতে যাবে সেখানেও সমস্যা এই বুঝি দোকানদার আমাকে ঠকিয়ে বেশি নিল।  আমি বাজার করেছি কেউ দেখে ফললো না তো।

⏺️এই ডাক্তার আমার রোগ বুঝবে কি বুঝবেনা, আমার রোগ সারাবে কি সারাবে না সন্দেহ। আরো ২-৩ জন ডাক্তার একাত্রিত হলে ভাল হতো।  

⏺️মনটি রোগের উপর পড়ে থাকে । সব সময় রোগের কথা বলে ।

⏺️রোগ সূর্যোদয় হতে সূর্যান্ত পর্যন্ত বৃদ্ধি ।

⏺️আঁচিল, টিউমার মাংস বৃদ্ধি, অন্ডকোষ প্রদাহ এর নিদর্শক।

⏺️অস্বাভাবিক গঠন। যেমন- হাত পায়ের আঙ্গুল বেশী বা কম।

⏺️ঝড়-বৃষ্টির পূর্বে বা সময় ঘনঘন মূত্র ত্যাগ।

হোমিওপ্যাথিক_মেডিসিন_লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium clavatum) 

 #আমি_হোমিওপ্যাথিক_মেডিসিন_লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium clavatum)


#বলছি।

🌿 আমার জন্ম:

আমি জন্মেছি এক প্রাচীন বনজ উদ্ভিদ থেকে—Club Moss।

আমি দেখতে নরম, কিন্তু ভেতরে প্রচণ্ড অহং ও দুর্বলতার দ্বন্দ্ব নিয়ে বাঁচি।

বাহিরে শক্ত, ভিতরে ভঙ্গুর—এই আমি।

🧪 আমি Proved:

আমাকে প্রুভিং করেছেন—হ্যানিম্যান ও তাঁর পরবর্তী গবেষকরা।

💠 আমার মায়াজম:

আমি প্রধানত Psoric + Sycotic প্রকৃতির।

লিভার, পরিপাক, আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব—এই আমার মূল ক্ষেত্র।

👩‍⚕️ আমি যেসব রোগে ব্যবহৃত হই

হজমের সমস্যা, গ্যাস, অম্লতা, লিভার রোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, ইউরিক অ্যাসিড, গাউট, কিডনি স্টোন, যৌন দুর্বলতা, প্রোস্টেট সমস্যা, শিশুদের বিকাশজনিত সমস্যা, মানসিক ভয়, আত্মবিশ্বাসের অভাব, একজিমা, চর্মরোগ, মাথাব্যথা—বিশেষত ডানদিকে।

এখন শুনুন—

আমার জীবনের গল্প,

যাতে একবার পড়লেই আমাকে ভুলতে না পারেন।

👶 আমার শিশুকাল

💥 ছোটবেলায় আমি ছিলাম দুর্বল, পেটফাঁপা শিশু।

💥 একটু দুধ খেলেই— পেট ফুলে ঢোল হয়ে যেত।

💥 সন্ধ্যার দিকে আমি বেশি কান্নাকাটি করতাম।

💥 খিদে থাকলেও— দুই-এক লোকমা খেলেই পেট ভরে যেত।

💥 আমার মা বলত— “বাচ্চাটার পা চিকন, কিন্তু মাথা বড়…”

👉 তখনই বোঝা যায়—

Lycopodium child: big head, weak digestion

👧 স্কুলজীবন—ভয়ের শুরু

💥 পড়াশোনায় আমি খারাপ ছিলাম না,

কিন্তু প্রশ্ন করলে ভয় পেতাম।

💥 ক্লাসে হাত তুলতে সাহস হতো না।

💥 পরীক্ষার আগে— পেট খারাপ, গ্যাস, ডায়রিয়া।

💥 শিক্ষকের সামনে দাঁড়ালে— মাথা খালি হয়ে যেত।

👉 Fear of failure—আমার ছায়াসঙ্গী।

👦 কৈশোর—অহং বনাম আত্মবিশ্বাস

💥 এই সময়ে আমার ভেতরে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

💥 ছোটদের সামনে আমি খুব রূঢ় ও কর্তৃত্বপরায়ণ।

💥 কিন্তু বড়দের সামনে— আমি ভীষণ সংকুচিত।

💥 বাইরে থেকে আত্মবিশ্বাসী দেখালেও— ভেতরে ভেতরে আমি ভয় পেতাম— “আমি পারব তো?”

👉 Coward at heart, dictator at home

এই বাক্যটি আমার জন্যই লেখা।

👨 যৌবন—আমার আসল যুদ্ধ

💥 অফিস বা ব্যবসায়— আমি দায়িত্ব নিতে চাই।

💥 কিন্তু সিদ্ধান্তের সময়— ভেতরে কাঁপুনি শুরু হয়।

💥 সকালে একটু ভালো থাকি, কিন্তু বিকেল ৪–৮টার মধ্যে— সব সমস্যা বেড়ে যায়।

💥 গ্যাস, বুকজ্বালা, ডান পেটে ভারী ভাব।

💥 খাওয়ার পর— পেট ফুলে যায়, ঢেঁকুরে স্বস্তি।

👉 4–8 PM aggravation

এটাই আমার সময়।

🧠 মানসিক চিত্র—আমার আসল পরিচয়

💥 আমি প্রশংসা ভালোবাসি।

💥 সম্মান না পেলে— ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি।

💥 রাগ করি, কিন্তু পরে অনুশোচনা হয়।

💥 নতুন কাজ শুরু করতে ভয়, কিন্তু শুরু হয়ে গেলে— আমি ছাড়ি না।

👩‍🦰 নারীদের ক্ষেত্রে আমি

💥 দেরিতে পিরিয়ড, বা অনিয়মিত ঋতুস্রাব।

💥 পিরিয়ডের আগে— পেট ফাঁপা, মুড খারাপ।

💥 ডান ওভারি সমস্যা।

💥 গর্ভাবস্থায়— গ্যাস, বুকজ্বালা, আত্মবিশ্বাসের অভাব।

👨 পুরুষদের ক্ষেত্রে আমি

💥 যৌন আকাঙ্ক্ষা আছে, কিন্তু ক্ষমতা নিয়ে ভয়।

💥 Erectile weakness— বিশেষত মানসিক কারণে।

💥 প্রোস্টেট enlargement।

💥 ইউরিক অ্যাসিড, গাউট।

🧓 বার্ধক্যে আমি

💥 লিভার দুর্বল, হজম শক্তি কম।

💥 কোষ্ঠকাঠিন্য— মল অসম্পূর্ণ বের হয়।

💥 স্মৃতিশক্তি দুর্বল।

💥 আত্মসম্মানবোধ প্রবল, কিন্তু শরীর দুর্বল।

⭐ আমার প্রধান চেনার লক্ষণ (Keynotes)

⭐ 1. আত্মবিশ্বাসের অভাব + অহং

⭐ 2. ৪–৮ PM–এ উপসর্গ বৃদ্ধি

⭐ 3. ডানদিকে বেশি কাজ

⭐ 4. অল্প খেলেই পেট ভরে যায়

⭐ 5. গ্যাসে পেট ফুলে যায়

⭐ 6. ঢেঁকুরে উপশম

⭐ 7. Fear of failure

⭐ 8. Dictatorial at home

⬆️ আমার বৃদ্ধি (Aggravation)

বিকেল ৪–৮টা

খাওয়ার পর

মানসিক চাপ

নতুন কাজ শুরুতে

ঠান্ডা খাবার

⬇️ আমার উপশম (Amelioration)

গরম খাবার

ঢেঁকুরে

খোলা বাতাসে

আত্মবিশ্বাস পেলে

সকালে

🔄 আমার সম্পূরক

Sulphur

Graphites

❎ আমার ক্রিয়ানাশক

Camphora

Pulsatilla (কিছু ক্ষেত্রে)

⬅️ আমার পরে যাদের ব্যবহার ভালো

Sulphur

Carbo veg

➡️ আমার পূর্বে যারা ভালো চলে

Nux vomica

China

🔥 আমার স্থিতিকাল

৩০–৬০ দিন

(গভীর ক্রনিক কেসে ধীরে কিন্তু গভীর কাজ)


এরকম পরবর্তী পোস্ট চাইলে Next লিখুন

দাবার প্রথম দশটি চাল খেলার ১৭০ অক্টিলিয়ন ভিন্ন উপায় রয়েছে…

 দাবার প্রথম দশটি চাল খেলার ১৭০ অক্টিলিয়ন ভিন্ন উপায় রয়েছে…







দাবার কৌশলগত গভীরতা মানব মস্তিষ্কের পক্ষে কখনোই সম্পূর্ণভাবে মানচিত্রে আঁকা সম্ভব নয়।

প্রতিটি দাবা খেলা শুরু হয় একেবারেই সরল মনে হওয়া একটি সিদ্ধান্ত দিয়ে: সাদা ঘুঁটির জন্য মাত্র ২০টি সম্ভাব্য উদ্বোধনী চাল রয়েছে। কিন্তু এই সরলতা প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মিলিয়ে যায়। উভয় খেলোয়াড় তাদের প্রথম চাল দেওয়ার পরই বোর্ডটি ৪০০টি ভিন্ন অবস্থায় থাকতে পারে। আর দু’পক্ষ মাত্র দুইবার করে চাল দেওয়ার মধ্যেই এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯৭,৭৪২টি সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে, 

যা 'রাজকীয় খেলা'-কে সংজ্ঞায়িত করা নিরবচ্ছিন্ন জ্যামিতিক বৃদ্ধির স্পষ্ট উদাহরণ এবং বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারগুলোকেও চ্যালেঞ্জ করে।


খেলা যখন দশম চালে পৌঁছে, তখন এই জটিলতার প্রকৃত ব্যাপ্তি প্রায় বোধগম্যতার বাইরে চলে যায়। এই পর্যায়ে সম্ভাব্য অবস্থানের সংখ্যা দাঁড়ায় বিস্ময়কর ১৭০ অক্টিলিয়নে-এতটাই বিশাল যে এটি বোঝায় কেন দাবা এখনো গণিতবিদ ও গ্র্যান্ডমাস্টারদের জন্য এক অন্তহীন গবেষণাক্ষেত্র। এই সূচকীয় বিস্তার নিশ্চিত করে যে মাত্র ৬৪টি ঘরের মধ্যেই কৌশলগত সম্ভাবনার এক বিশাল মহাবিশ্ব লুকিয়ে আছে, যা মানবসভ্যতা এখনও সম্পূর্ণভাবে অন্বেষণ করতে পারেনি। এর ফলেই প্রায় প্রতিটি খেলা বিশ্বের ইতিহাসে অনন্য হয়ে থাকে।


@highlight 

#science #Amezing

ভারতীয় টাকার ইতিহাস,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতীয় টাকার ইতিহাস


বেশ প্রাচীন, যা মৌর্য যুগের মুদ্রা থেকে শুরু করে শের শাহ সুরির 'রুপিয়া' (রূপ্য থেকে), মুঘলদের 'মোহর', ব্রিটিশ আমলের রানী ভিক্টোরিয়ার প্রতিকৃতিযুক্ত নোট, এবং সবশেষে ভারতের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ₹ চিহ্নযুক্ত মুদ্রার প্রচলন পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি ধীরে ধীরে একটি সুসংহত ব্যবস্থা হিসেবে বিবর্তিত হয়েছে, যেখানে কাগজের নোট এবং ধাতব মুদ্রা উভয়ই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা ভারতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়। 


প্রাচীন ও মধ্যযুগ


প্রাচীন যুগ: মৌর্য সাম্রাজ্যে সোনা, রূপা ও সীসার মোহর প্রচলিত ছিল।


শের শাহ সুরি (১৬ শতক): তিনিই প্রথম 'রুপিয়া' নামে একটি चांदीর মুদ্রা চালু করেন, যা সংস্কৃত 'রূপ্য' থেকে এসেছে এবং এটিই আধুনিক রুপির ভিত্তি, বলেছেন News18।


মুঘল আমল: মুঘল শাসকরা রুপিয়া, দামী ও মোহর (সোনা, রূপা ও তামার মুদ্রা) চালু করেন এবং মুদ্রায় ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি ব্যবহার শুরু হয়, বলেছেন Vedantu। 

ব্রিটিশ আমল


প্রথম কাগজের নোট (১৮শ শতক): 'ব্যাঙ্ক অফ হিন্দোস্তান'-এর মতো ব্যাংকগুলো প্রথম কাগজের নোট ছাপানো শুরু করে, বলেছেন Anandabazar Patrika।


সরকারি নোট (১৮৬১): 'পেপার কারেন্সি অ্যাক্ট, ১৮৬১' অনুযায়ী ভারত সরকার নোট ছাপানোর একচেটিয়া ক্ষমতা পায় এবং রানী ভিক্টোরিয়ার ছবিযুক্ত নোট চালু হয়, বলেছেন Mintage World।


মুদ্রার বিবর্তন: ১৯২৩ সাল থেকে জর্জ V-এর প্রতিকৃতিযুক্ত নোট এবং পরে অন্যান্য রাজকীয় প্রতিকৃতি নোটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে, বলেছেন Mintage World। 

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়


রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভূমিকা: ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) গঠিত হওয়ার পর থেকে তারাই নোট ইস্যু করে।


নতুন প্রতীক (২০১০): ২০১০ সালে '₹' প্রতীকটি গৃহীত হয়, যা দেবনাগরী 'র' এবং ল্যাটিন 'R' থেকে অনুপ্রাণিত, বলেছেন PiliApp।


আধুনিক নোট: বর্তমানে RBI মহাত্মা গান্ধী সিরিজের নোটসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত নোট প্রচলন করে, যা দেশের সংস্কৃতি ও উন্নয়নের প্রতীক, বলেছেন Mintage World। 


মূল বৈশিষ্ট্য


১০ পয়সা = ১ রুপি: ভারতীয় মুদ্রা ১০০ পয়সায় বিভক্ত।


#টাকা #মুদ্রা #অর্থনীতি #ইতিহাস #বাংলা

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ৩১-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ৩১-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* রাজধানীতে মানিক মিয়া এভিনিউ জুড়ে আজ বেলা দুইটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা---পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন---জানাজায় অংশ নেবেন পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি

 


* বিএনপি চেয়ারপার্সনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের শোক--গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপোষহীন ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে অভিমত প্রকাশ


*বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ থেকে তিনদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক–আজ সাধারণ ছুটি---বিএনপির সাতদিনব্যাপী কর্মসূচি

 


* জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে দেশবাসীকে শান্ত ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

 


* ‘পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে’ নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ালো নির্বাচন কমিশন।

 


* তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকির কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারী ইরানের

 


* এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বোর্ডের আওতাধীন সকল ম্যাচ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ৩০-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


চির বিদায় নিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া --- সারাদেশে শোকের ছায়া।


রাজধানীতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আগামীকাল বেলা দুইটায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা --- পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন --- জানাজায় অংশ নেবেন ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি।


বিএনপি চেয়ারপার্সনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের শোক --- গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপোষহীন ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে অভিমত প্রকাশ।


বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল থেকে তিনদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক – আগামীকাল সাধারণ ছুটি --- সাতদিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।


দেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া --- ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


‘পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে’ নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ালো নির্বাচন কমিশন।


ইয়েমেনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা --- সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা চুক্তি বাতিল।


এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বোর্ডের আওতাধীন সকল ম্যাচ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ।

মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত  লক্ষন সমূহঃ ১ম পর্যায় (৫০টি)

 হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত  লক্ষন সমূহঃ ১ম পর্যায় (৫০টি)


১. এসিড ফসঃ (১) অবসাদ বা অবসন্নতা। (২) দুধের মত সাদা প্রস্রাব বা ঘনঘন প্রস্রাব। (৩) উদরাময়ে উপশম এবং মলত্যাগকালে প্রচুর বায়ুনিঃসরন। (৪) উদাসভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্নভাব।


২. এগনাস কাস্টঃ (১) স্নায়ুদৌর্বল্য অকালবার্ধক্য (২) প্রষ্টেটগ্রন্থিরস নির্গমন (৩) লিউকোরিয়া ও জরায়ুর শিথিলতা। (৪) বাতকমের্র গন্ধ ঠিক মূত্রের গন্ধের মত।


৩. একোনাইট ন্যাপঃ (১) আকস্মকিতা ও ভীষনতা। (২) অস্থরিতা ও মৃত্যুভয়। (৩) জ্বালা ও পিপাসা। (৪) প্রচন্ড শীত/গরমের প্রকোপ।


৪. এসিড নাইট্রিকঃ (১) স্রাবে দূর্গন্ধ, বিশেষত: প্রস্রাবে। (২) শ্লৈষ্মিক ঝিলি­ ও চর্মের সন্ধি স্থলে ক্ষত ফেটে যাওয়া। (৩) কাঁটা ফোটার মত ব্যাথা। (৪) আরোহনে উপশম, দুধে বৃদ্ধি।


৫ . এলিয়াম সেপাঃ (১) নাক থেকে ক্ষতকর স্রাব (শ্লষ্মো)। (২) পেটে বায়ু সঞ্চার। (৩) জুতার ঘোসায় ফোস্কা, অস্ত্রোপচাররে পর স্নায়ুশূল (এসডি ফস)। (৪) নাকে পলপিাস।


৬. এপিস মেলঃ (১) মুত্রকষ্ট ও মুত্র স্বল্পতা। (২) জ্বালা ও ফোলা। (৩) গরমকাতর ও র্স্পশকাতর। (৪) হুল ফোটানাে ব্যাথা।


৭. এরালয়িা আরঃ (১) শুইলইে শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, উপুড় হইয়া বসয়িা থাকে। (২) নশ্বিাস টানয়িা লাইবার সময় অত্যন্ত কষ্ট, ফলেবিরা সময় সহজ। (৩) নিদ্রায় ঘাম, প্রথম নিদ্রার পর হঠাৎ নিদ্রাভঙ্গ হয়ে কাশি, শুইলে কাশি বৃদ্ধি। (৪) শ্বতেপ্রদর- স্রাব চটচটে ও হাজাকর।


৮. আর্নিকা মন্টঃ (১) বেদনা,আঘাত ও রোগজনিত। (২) অস্থরিতা ও র্স্পশকাতরতা। (৩) বিছানা শক্ত মনে হয় কন্তি অন্যান্য কষ্ট ম্বন্ধে বলে সে ভাল আছ। (৪) আতঙ্ক ও সজ্ঞানে প্রলাপ।


৯. আর্সেনিক এল্বঃ (১) অস্থরিতা,মৃত্যুভয় ও নিদারুণ দুর্বলতা। (২) মধ্য দিবা বা মধ্য রাতে বৃদ্ধি। (৩) পিপাসা প্রবল কন্তিু ক্ষনে ক্ষনে অল্প পানি পান,পানি পান মাত্রই বমি। (৪) জ্বালা ও  দুর্গন্ধ।


১০. ব্যাসিলিনামঃ (১) বংশগত ক্ষয়দোষ এবং উপযুক্ত ঔষধরে  ব্যর্থতা। (২) রোগ ও রোগীর পরর্বিতনীলতা। (৩) অল্পে ঠাণ্ডা লাগা এবং গ্রন্থরি বৃদ্ধি। (৪) দুর্বলতা ও বাচালতা।

 ১১. বেলেডোনাঃ (১) আরক্তমিকা ও উক্তাপ। (২) র্স্পশকাতরতা জ্বালা। (৩) আকস্মকিতা ও ভীষনতা। (৪) ব্যথা হঠাৎ আসে, হঠাৎ যায়।


১২. ব্রাইয়োনিয়া (১) নড়াচড়ায় বৃদ্ধি, চুপ থাকিলে উপশম। (২) শ্লষ্মৈকি ঝিল্লির শুষ্কতা। (৩) আক্রান্ত বা বেদনার স্থান চেপে ধরলে উপশম। (৪) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, গরমে উপশম। (৫) ক্রুদ্ধ ভাব বা ক্রুদ্ধ হবার কারনে অসুস্থতা।


১৩. ক্যালকেরিয়া কার্বঃ (১) শ্লষ্মো প্রবনতা,দেহের স্থুলতা ও শিথিলতা। (২) ভ্রান্ত ধারনা ও ভীরুতা। (৩) অল্পতইে ঘাম,মাথার ঘামে বালিশ ভিজে যায়। (৪) দুধ অসহ্য, ডমি খাবার প্রবল ইচ্ছা।


১৪ . কার্সিনোসিনঃ (১) আত্মহত্যার ইচ্ছা, ভয়, খিটখিটে-বদরাগী, খুঁতখুঁতে স্বভাব। (২) ক্যান্সার, ক্যান্সারের পূর্বাবস্থায় অপুষ্টি সহ দূরারোগ্য যে কোন অসুস্থাবস্থা। (৩) দুর্গন্ধস্রাব, রক্তস্রাব, যন্ত্রণা। (৪) অনিদ্রার ইতিহাস, পেটে অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চয় ।


১৫. কার্বভেজঃ (১) সাস্থ্যহানির অতীত কাহিনী। (২) ঠান্ডা অবস্থায় ঘাম ও বাতাসরে জন্য ব্যাকুলতা। (৩) পেটে গ্যাস ও উদগারে উপশম। (৪) জ্বালা ও রক্তস্রাব।


১৬. কস্টিকামঃ (১) একাঙ্গীন পক্ষাঘাত বশিষেতঃ ডান অংগরে বাত বা পক্ষাঘাত। (২) আশঙ্কা ও শীতকাতরতা। (৩) নিদ্রাকালে অস্থরিতা। (৪) না দাঁড়াইলে মলত্যাগে অসুবধিা।


১৭. চায়না অফঃ (১) অতিরিক্ত ভদে, স্তন্যদান, র্বীযক্ষয় বা রক্তক্ষয়জনতি অসুস্থতা। (২) শোথ ও পটেফাঁপা। (৩) নয়িমতি/নির্দিষ্ট সময়ে রোগক্রমন। (৪) রক্তস্রাব প্রবনতা ও রক্তস্রাবরে সহিত আক্ষেপ।


১৮. সিমিসিফিউগা/অ্যাকটিয়া আরঃ (১) ঋতুস্রাবের সাথে ব্যথা। (২) পর্যায়ক্রমে শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ। (৩) জরায়ুর দোষে শ্বাসকষ্ট, প্রসবকালীন পীড়া। (৪) সেলাই বা টাইপিং কাজ করে ঘাড়ে পিঠে ব্যথা, ব্যথা ঠান্ডায় ও সঞ্চালনে বৃদ্ধি।


১৯. গ্রাফাইটিসঃ (১) স্থুলতা ও কোষ্ঠবদ্ধতা। (২) ফাটা র্চম ও চটচটে রস। (৩) শঙ্কা ও সর্তকতা। (৪) মাছ, গোষত, সংগীত ও সংগমে অনচ্ছিা।


২০. হিপার সালফ (১) র্স্পশকাতরতা ও শীর্তাততা। (২) ক্ষপ্রিতা ও হঠকারতিা। (৩) টক,ঝাল প্রভূতি উপখাদ্য খাবার ইচ্ছা। (৪) কাঁটা ফোটার মত ব্যাথা।


২১. ল্যাকেসিসঃ (১) নিদ্রায় বৃদ্ধি। (২) ঈর্ষা, র্স্পশকাতরতা ও বাচালতা। (৩) বাম অঙ্গ রোগাক্রমন বা প্রথমে বাম পরে ডান অঙ্গে। (৪) নর্গিমনে নিবৃত্তি।


২২. লিডাম পালঃ (১) ঠান্ডা পানিতে উপশম। (২) নিচের দিকে রোগাক্রমন বা প্রথমে নিচের দিকি পরে উপরের দিকে। (৩) শোথ। (৪) স্নায়ু কেন্দ্রে আঘাত।


২৩. লাইকোপডয়িামঃ (১) অপরাহ্ন ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বৃদ্ধি। (২) ডান অঙ্গে রোগাক্রমন বা প্রথমে ডান পরে বাম অঙ্গে রোগাক্রমন। (৩) গরম খাইবার ইচ্ছা ও বায়ুর প্রকোপ। (৪) কৃপনতা, ভীরুতা ও নিঃসঙ্গ প্রয়িতা


২৪. মডোরিনামঃ (১) বংশগত প্রমেহদোষ ও উপযুক্ত ঔষধরে ব্যর্থতা। (২) জ্বালা,ব্যাথা,র্স্পশকাতরতা। (৩) ব্যাস্ততা ও ক্রন্দনশীলতা। (৪) স্নায়বকি দুর্বলতা, স্মৃতশিক্তরি দুর্বলতাও মৃত্যুভয়।


২৫. মার্কসলঃ (১) রাত্রে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, গরমে বৃদ্ধি। (২) অতরিক্ত ঘাম, অতরিক্তি লালা, অতরিক্ত পিপাসা। (৩) দুর্গন্ধ ও ডান পাশ চাপে শুইতে অসুবধিা। (৪) জিব্বা পুরু ও দাঁতের ছাপ যুক্ত।


২৬. নাক্সভমঃ (১) অতরিক্ত মানসিক পরিশ্রম বা অতরিক্ত ইন্দ্রয়িসবো কিংবা অতরিক্ত রাত্রি জাগরনজনতি অসুস্থতা। (২) বার বার মলত্যাগের ব্যাথা প্রয়াস। (৩) জদি বা মনের দৃঢ়তা,ঈর্ষা ও হঠকারিতা। (৪) শীতকাতরতা,র্স্পশকাতরতা ও পরস্কিার পরিচ্ছন্নতা।


২৭. ফাইটোলাক্কাঃ (১) স্তন ও স্তন্য। (২) র্স্পশকাতরতা ও অস্তরিতা। (৩) দাতে দাঁত বা মাড়িতে মাড়ি চেপে ধরার ইচ্ছা। (৪) রাতে বৃদ্ধি ও শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি।


২৮. পালসেটিলাঃ (১) পরিবর্তনশীলতা। (২) নম্রতা ও ক্রন্দনশীলতা। (৩) তৃষ্ণাহীনতা। (৪) গরমে বৃদ্ধি ও গা র্সবদা গরম।


২৯. সোরিনামঃ (১) ধাতুগত বা বংশগত সোরাদোষ ও উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। (২) উদ্বে,আতঙ্ক ও নরৈাশ্য। (৩) প্রবল ক্ষুধা ও অত্যাধিক দুর্গন্ধ। (৪)  ও শীর্তাততা।


৩০. রাসটক্সঃ (১) বর্ষায় ও বিশ্রামে বৃদ্ধি। (২) অঙ্গ প্রত্যঙ্গে কামড়ানি ও দুর্বলতা অস্থিরতা। (৩) জহিবার অগ্রভাগে ত্রিকোন লাল বর্ণ ও জ্বরের শীত অবস্থায় কাশি। (৪) অস্থিরতায় ও উত্তাপে উপশম।


৩১. রুটা জিঃ (১) সন্ধি স্থানরে অস্থচ্যিুতি বা সন্ধিস্থান মচকাইয়া যাওয়া। (২) কটি ব্যাথা বা মলদ্বারের শিথিলতা। (৩) স্ত্রী জননন্দ্রিয়ে চুলকানির সহিত বাম স্তনে ব্যাথা। (৪) চক্ষু জ্বালা ও দৃষ্টি বর্পিযায়।


৩২. সিনেসিও অরিঃ (১) ঋতুস্রাবের পরিবর্তে রক্তকাশ। (২) রক্তস্রাবজনিত শোথ। (৩) রজঃরোধ, রজঃরোধ জনিত রক্তস্রাব, ঋতুপরবর্তী জরায়ুর শিথিলতা এবং তজ্জন্য অনিদ্রা। (৪) মূত্রপাথরী, ডান কিডনীতে ব্যথা ও যন্ত্রণাদায়ক রক্তমূত্র।


৩৩. সিপিয়াঃ (১) বিষন্নতা,ক্রন্দনশীলতা ও উদাসীনতা। (২) অতরিক্ত রক্তক্ষয় বা গর্ভধারণ জনিত জরায়ুর শিথিলতা। (৩) উদরে শূন্যবোধ,মলদ্বারে  পূর্ণবোধ। (৪) পরিশ্রমে উপশম ও গোসলে অনচ্ছিা।


৩৪. স্ট্যাফিসেগ্রিয়া (১) কামভাবরে প্রাবাল্য এবং তার কূফল।(২) অতিরিক্ত ক্রোধ ও তার কূফল। (৩) সঙ্গম বা সহবাসজনতি মূত্রকষ্ট বা শ্বাসকষ্ট। (৪) চোখে আঞ্জনি ও দাঁতে পোকা।


৩৫. সালফারঃ (১) অপরস্কিার ও অপরছ্ন্নিতা। (২) সকালে মলত্যাগ ও মধ্যাহ্নে ক্ষুধা। (৩) গোসলে অনচ্ছিা,দুধে অরুচি। (৪) ব্রক্ষতালু,হাতের তালুও পায়ের তলায় উত্তাপ বা জ্বালা।


৩৬. সিফিলিনামঃ (১) বংশগত উপদংশ বা উপযুক্ত ঔষধরে ব্যর্থতা। (২) রাতে বৃদ্ধি,অনিদ্রা ও অক্ষুধা। (৩) খর্বতা ও পক্ষাঘাত। (৪) ক্ষত ও দুর্গন্ধ।


৩৭. থুজা অক্সিঃ (১) আঁচিল, অর্বুদ ও রক্তহীনতা। (২) ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, বর্ষায় বৃদ্ধি এবং রাত্রি তিনটায় বৃদ্ধি। (৩) বদ্ধমূল ধারণা ও স্বপ্নবহুল নিদ্রা। (৪) টিকা ও বসন্ত।


৩৮. টিউবারকুলিনামঃ (১) সবিরাম জ্বর। (২) ক্ষীণদহে, রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা। (৩) উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত যক্ষ্মাসম্ভব অবস্থার প্রবণতা ও সহজইে রোগাক্রমন । (৪) রাত্রিকালে কষ্টদায়ক ও সদাস্থায়ী চিন্তা।


৩৯. ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ (১) গ্রন্থির বৃদ্ধি, গ্রন্থপ্রিদাহ, অস্থক্ষিত- ক্ষত পাকিয়া পুঁজযুক্ত হয়। (২) রক্তস্রাবী অর্শ, মুখ দিয়ে রক্ত ওঠা, চোখে ছানি ও নাকে দুর্গন্ধ। (৩) মস্তিষ্কে, স্তন বা জরায়ুর টিউমার। (৪) শীতকাতর, গরমে ও সঞ্চালনে উপশম।


৪০. ক্যালকেরিয়া ফসঃ (১) ক্রোফুলা বা ধাতুগত দুর্বলতা ও উদারাময়। (২) মানসকি পরিবর্তনশীল। (৩) ঋতুকালে মুখমন্ডলে উদ্ভদে। (৪) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, রোগের কথা মনে পড়লিইে বৃদ্ধি।


৪১. ক্যালকেরিয়া সালফঃ (১) ফোড়া, ক্ষত ইত্যাদি যে কোন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হলুদ র্বণের গাঢ় পূঁজ। (২) বকৈালীন জ্বর- শীত প্রথমে পদদ্বয়ে অনুভূত, হাত-পা জ্বালা ও ঘাম। (৩) প্রাতকালীন উদরাময় বা কোষ্ঠব্ধতা। (৪) মানসকি পরিবর্তনশীলতা।


৪২. ফেরাম ফসঃ (১) প্রদাহ ও জ্বরের প্রথমাবস্থা (একোনাইট, বেলেডোনা)। (২) রক্তশুণ্যতা ও দুর্বলতা (হ্যামামলেসি)। (৩) মূত্রথলীর তরুণ প্রদাহ, রক্ত প্রস্রাব, ব্যাথাহীন উদরাময় বা আমাশয় তৎসহ বমি। (৪) বাম ওভারীতে স্নায়ুবকি বেদনা ও বাধক বেদনা।


৪৩. ক্যালি ফসঃ (১) ক্রোফুলা বা ধাতুগত দুর্বলতা ও উদারাময়। (২) মানসকি পরিবর্তনশীল। (৩) ঋতুকালে মুখমন্ডলে উদ্ভেদ। (৪) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, রোগের কথা মনে পড়লিইে বৃদ্ধি।


৪৪. ক্যালি মিউরঃ (১) প্রদাহের দ্বিতীয় অবস্থা। (২) চর্বি ও মসলাযুক্ত আহারে অর্জীণ। (৩) ঋতুস্রাব অনিয়মিত। (৪) কাধরে সন্ধিতে বেদনা, চর্মপীড়া আরোগ্য হয়ে মৃগী ও টিকার কুফল।


৪৫. ক্যালি সালফঃ (১) প্রদাহরে তৃতীয় অবস্থা। (২) সকল স্রাব হলদে, ঋতু বলিম্বতি ও কম। (৩) হাম, বসন্ত প্রভৃতি পীড়ায় ঘর্মহীন চর্ম, রুক্ষ ও খসখসে। (৪) হাত-পা ও চক্ষুর জ্বালা, বিকাল ৪/৫টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বৃদ্ধি।


৪৬. ম্যাগ ফসঃ (১) স্নায়ুশূল বা শূলব্যাথা। (২) ব্যাথার সহিত আক্ষেপ। (৩) ব্যাথা চাপে উপশম। (৪) ঠাণ্ডায় যন্ত্রণা বৃদ্ধি,উত্তাপ প্রয়োগে উপশম। 


৪৭. ন্যাট্রাম মিউরঃ (১) বর্মিষ,বিষন্ন ভাব,সান্তনায় বৃদ্ধি। (২) রৌদ্রে বৃদ্ধি এবং মীতল স্থানে উপশম। (৩) তক্তি ও লবণপ্রয়িতা। (৪) প্রকাশ্য স্থানে প্রস্রাব করতে লজ্জাবোধ।


৪৮. ন্যাট্রাম ফসঃ (১) বচিরণ, বেমনান্তে ও ঝড়-বৃষ্টরি দিনে বৃদ্ধি। (২) অম্লপীড়া ও আহারের পর পেটবেদনা। (৩) শিশুদের উদরাময় ও দুগ্ধ বমন। (৪) ম্রমিরি লক্ষণ ও যুবকদরে স্বপ্নদোষ।


৪৯. ন্যাট্রাম সালফঃ (১) জল,জলাভূমি ও জলীয় খাদ্যে বৃদ্ধি। (২) বরিক্ত, বষিন্নভাব ও আত্মহত্যার ইচ্ছা। (৩) প্রাত:কালীন মলত্যাগ এবং মলত্যাগকালে প্রচুর বায়ু নিঃসরন। (৪) নখ পচিয়া যাওয়া।


৫০. সাইলিসিয়াঃ (১) দৃঢ়তার অভাব ও শীর্তাততা। (২) মাথায় এবং পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম। (৩) উত্তাপে উপশম ও অমাবস্যায়ও র্পূণিমায় বৃদ্ধি। (৪) টিকাজনিত কূফল।

শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases)

৫৩০..শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases)


শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases) বলতে শীতকালে ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা ও গরম পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে যে ত্বকের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়—সেগুলোকেই বোঝায়। 

ক.শীতকালে চর্মরোগের কারণ-

বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়া

ত্বকের প্রাকৃতিক তেল (Sebum) কমে যাওয়া

অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল

রোদে কম যাওয়া → ভিটামিন D-এর ঘাটতি

শীতের কাপড়ের ঘর্ষণ ও অ্যালার্জি

ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, একজিমা/অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস


 সাধারণ লক্ষণ-

ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও টানটান লাগা

চুলকানি, জ্বালা

ফাটল (বিশেষ করে হাত-পা, গোড়ালি)

লালচে দাগ, র‍্যাশ

কখনো রক্তপাত বা ব্যথা

১. শুষ্ক ত্বক (Xerosis)

ত্বক সাদা ছোপ ছোপ, খসখসে

চুলকানি, সূক্ষ্ম ফাটল

            ঝুঁকি বেশি: বয়স্ক, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড রোগী

২. ত্বক ফাটা (Cracked Skin/ Heel Crack)

গোড়ালি/আঙুলে গভীর ফাটল

হাঁটার সময় ব্যথা, রক্ত পড়া

          কারণ: অতিরিক্ত শুষ্কতা, খোলা স্যান্ডেল, পানি-ডিটারজেন্টের সংস্পর্শ

৩. শীতকালীন একজিমা (Winter Eczema)

তীব্র চুলকানি

লাল, খসখসে প্যাচ

কখনো পানি পড়া/খোসা

           বিশেষ: শীতে আগের একজিমা বেড়ে যায়

   ৪.চিলব্লেইন (Chilblains)

আঙুল/পায়ের আঙুলে লাল-নীল ফোলা

চুলকানি ও জ্বালা

উষ্ণতায় ব্যথা বাড়ে

            কারণ: ঠান্ডায় রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা

 ৫.সোরিয়াসিস (Psoriasis–শীতে বাড়ে)

সাদা খোসাযুক্ত মোটা লাল দাগ

কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক বেশি আক্রান্ত


 ৬. শীতকালীন অ্যালার্জিক র‍্যাশ/ চুলকানি

হালকা লালচে ফুসকুড়ি

রাতে চুলকানি বেশি

উলের কাপড়ে বাড়তে পারে

প্রতিরোধ ও দৈনন্দিন যত্ন-

কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময় গোসল

গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার

উলের নিচে কটন কাপড়

পর্যাপ্ত পানি পান

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ক্রিম

রাতে পা ধুয়ে ঘন ময়েশ্চারাইজার + মোজা

 কখন ডাক্তার দেখাবেন-


ত্বক ফেটে রক্ত/পুঁজ হলে

চুলকানি সহ্যহীন হলে

ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত সাড়তে দেরি হলে

একজিমা/সোরিয়াসিস হঠাৎ বেড়ে গেলে


##শীতকালে চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ- 

1.Petroleum

 ত্বক অত্যধিক শুষ্ক

শীতে চামড়া ফেটে রক্ত পড়া

হাত-পা, ঠোঁট, গোড়ালি ফাটা

শীতে রোগ বাড়ে, গরমে কমে


2.Graphites

শুষ্ক একজিমা

চামড়া ফেটে আঠালো স্রাব বের হয়

কান, চোখের পেছনে, হাত-পা ফাটা

মোটা, ঠাণ্ডা স্বভাবের রোগী


3.Sulphur

শুষ্ক, লালচে, জ্বালাযুক্ত চুলকানি

 গরমে বাড়ে, ঠাণ্ডায় কমে

 বারবার চর্মরোগ ফিরে আসে

গোসল সহ্য হয় না


4.Natrum muriaticum

শীতকালে চামড়া রুক্ষ ও ফাটা

ঠোঁট ফাটা, মুখে ফুসকুড়ি

মানসিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে চর্মরোগ


5.Calcarea carbonica

শীতে চামড়া শুষ্ক ও ফাটা

ঘাম বেশি, ঠাণ্ডা সহ্য হয় না

 শিশু ও মোটা শরীরের রোগী


6.Arsenicum album

শুষ্ক চামড়া, জ্বালাপোড়া

 চুলকানি রাতে বাড়ে

 ঠাণ্ডায় কষ্ট বাড়ে, গরমে আরাম

 উদ্বেগ ও অস্থিরতা থাকে

7.Rhus toxicodendron

শীত ও ভেজা আবহাওয়ায় চর্মরোগ

 তীব্র চুলকানি

গরমে আরাম

 নড়াচড়ায় উপকার


8.Mezereum

চামড়া ফেটে শক্ত খোসা

 খোসার নিচে পুঁজ

শীতে রোগ বেড়ে যায়

 মাথা ও মুখে বেশি সমস্যা

9.Psorinum

শীতে চুলকানি ভয়াবহ

ময়লা দেখায় এমন চামড়া

গরম পোশাকে অস্বস্তি

পুরনো, জটিল চর্মরোগ

10. Borax

 ঠোঁট ও মুখের কোণে ফাটা

 শিশুদের শীতকালীন চর্মসমস্যা

 মুখের ভিতরে ঘা

11.Dulcamara 

শীত, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর ফুসকুড়ি, লালচে র‍্যাশ

ভেজা কাপড় বা ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বৃদ্ধি

একজিমা, চুলকানিযুক্ত দানা

শীতকালীন একজিমা, আর্দ্র ঠান্ডায় ত্বক খারাপ হলে

12.Rumex crispus

শীতল বাতাসে তীব্র চুলকানি

ঠান্ডা লাগলে ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়ে যায়

রাতে চুলকানি বাড়ে

শুকনো, খসখসে চামড়া

শীতকালে ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বেড়ে গেলে

13.Sepia

ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, ফেটে যায়

বাদামী বা হলদে দাগ

চুলকানি কম হলেও জ্বালাপোড়া

দীর্ঘদিনের একজিমা বা ক্রনিক স্কিন ডিজিজ

 দীর্ঘস্থায়ী শীতকালীন চর্মশুষ্কতা ও একজিমায়


14.Natrum sulphuricum 

স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

একজিমা বা র‍্যাশে হলুদ নিঃসরণ

বর্ষা ও শীতের সংযোগকালে সমস্যা বাড়ে

ত্বক ভারী ও আঠালো অনুভূত

আর্দ্র শীতে বাড়ে এমন একজিমা

15.Kali bromatum

চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি ও ব্রণ সদৃশ দানা

রাতের বেলা চুলকানি বেড়ে যায়

ত্বকে গভীর দানা, দাগ পড়ে যায়

স্নায়বিক উত্তেজনার সাথে চর্মরোগ

শীতে ব্রণ-জাতীয় চর্মরোগ ও তীব্র চুলকানি

16.Nitric acid 

ত্বকে গভীর ফাটল, ফেটে রক্ত পড়ে

ফাটলে তীব্র ব্যথা (কাঁটার মতো)

ঠোঁট, হাত-পা, গোড়ালিতে ফাটল

শুষ্ক ও শক্ত চামড়া

শীতে হাত-পা ফাটা, রক্তপাত হলে৫৩০..শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases)

শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases) বলতে শীতকালে ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা ও গরম পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে যে ত্বকের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়—সেগুলোকেই বোঝায়। 

ক.শীতকালে চর্মরোগের কারণ-

বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়া

ত্বকের প্রাকৃতিক তেল (Sebum) কমে যাওয়া

অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল

রোদে কম যাওয়া → ভিটামিন D-এর ঘাটতি

শীতের কাপড়ের ঘর্ষণ ও অ্যালার্জি

ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, একজিমা/অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস


 সাধারণ লক্ষণ-

ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও টানটান লাগা

চুলকানি, জ্বালা

ফাটল (বিশেষ করে হাত-পা, গোড়ালি)

লালচে দাগ, র‍্যাশ

কখনো রক্তপাত বা ব্যথা

১. শুষ্ক ত্বক (Xerosis)

ত্বক সাদা ছোপ ছোপ, খসখসে

চুলকানি, সূক্ষ্ম ফাটল

            ঝুঁকি বেশি: বয়স্ক, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড রোগী

২. ত্বক ফাটা (Cracked Skin/ Heel Crack)

গোড়ালি/আঙুলে গভীর ফাটল

হাঁটার সময় ব্যথা, রক্ত পড়া

          কারণ: অতিরিক্ত শুষ্কতা, খোলা স্যান্ডেল, পানি-ডিটারজেন্টের সংস্পর্শ

৩. শীতকালীন একজিমা (Winter Eczema)

তীব্র চুলকানি

লাল, খসখসে প্যাচ

কখনো পানি পড়া/খোসা

           বিশেষ: শীতে আগের একজিমা বেড়ে যায়

   ৪.চিলব্লেইন (Chilblains)

আঙুল/পায়ের আঙুলে লাল-নীল ফোলা

চুলকানি ও জ্বালা

উষ্ণতায় ব্যথা বাড়ে

            কারণ: ঠান্ডায় রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা

 ৫.সোরিয়াসিস (Psoriasis–শীতে বাড়ে)

সাদা খোসাযুক্ত মোটা লাল দাগ

কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক বেশি আক্রান্ত


 ৬. শীতকালীন অ্যালার্জিক র‍্যাশ/ চুলকানি

হালকা লালচে ফুসকুড়ি

রাতে চুলকানি বেশি

উলের কাপড়ে বাড়তে পারে

প্রতিরোধ ও দৈনন্দিন যত্ন-

কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময় গোসল

গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার

উলের নিচে কটন কাপড়

পর্যাপ্ত পানি পান

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ক্রিম

রাতে পা ধুয়ে ঘন ময়েশ্চারাইজার + মোজা

 কখন ডাক্তার দেখাবেন-


ত্বক ফেটে রক্ত/পুঁজ হলে

চুলকানি সহ্যহীন হলে

ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত সাড়তে দেরি হলে

একজিমা/সোরিয়াসিস হঠাৎ বেড়ে গেলে


##শীতকালে চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ- 

1.Petroleum

 ত্বক অত্যধিক শুষ্ক

শীতে চামড়া ফেটে রক্ত পড়া

হাত-পা, ঠোঁট, গোড়ালি ফাটা

শীতে রোগ বাড়ে, গরমে কমে


2.Graphites

শুষ্ক একজিমা

চামড়া ফেটে আঠালো স্রাব বের হয়

কান, চোখের পেছনে, হাত-পা ফাটা

মোটা, ঠাণ্ডা স্বভাবের রোগী


3.Sulphur

শুষ্ক, লালচে, জ্বালাযুক্ত চুলকানি

 গরমে বাড়ে, ঠাণ্ডায় কমে

 বারবার চর্মরোগ ফিরে আসে

গোসল সহ্য হয় না


4.Natrum muriaticum

শীতকালে চামড়া রুক্ষ ও ফাটা

ঠোঁট ফাটা, মুখে ফুসকুড়ি

মানসিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে চর্মরোগ


5.Calcarea carbonica

শীতে চামড়া শুষ্ক ও ফাটা

ঘাম বেশি, ঠাণ্ডা সহ্য হয় না

 শিশু ও মোটা শরীরের রোগী


6.Arsenicum album

শুষ্ক চামড়া, জ্বালাপোড়া

 চুলকানি রাতে বাড়ে

 ঠাণ্ডায় কষ্ট বাড়ে, গরমে আরাম

 উদ্বেগ ও অস্থিরতা থাকে

7.Rhus toxicodendron

শীত ও ভেজা আবহাওয়ায় চর্মরোগ

 তীব্র চুলকানি

গরমে আরাম

 নড়াচড়ায় উপকার


8.Mezereum

চামড়া ফেটে শক্ত খোসা

 খোসার নিচে পুঁজ

শীতে রোগ বেড়ে যায়

 মাথা ও মুখে বেশি সমস্যা

9.Psorinum

শীতে চুলকানি ভয়াবহ

ময়লা দেখায় এমন চামড়া

গরম পোশাকে অস্বস্তি

পুরনো, জটিল চর্মরোগ

10. Borax

 ঠোঁট ও মুখের কোণে ফাটা

 শিশুদের শীতকালীন চর্মসমস্যা

 মুখের ভিতরে ঘা

11.Dulcamara 

শীত, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর ফুসকুড়ি, লালচে র‍্যাশ

ভেজা কাপড় বা ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বৃদ্ধি

একজিমা, চুলকানিযুক্ত দানা

শীতকালীন একজিমা, আর্দ্র ঠান্ডায় ত্বক খারাপ হলে

12.Rumex crispus

শীতল বাতাসে তীব্র চুলকানি

ঠান্ডা লাগলে ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়ে যায়

রাতে চুলকানি বাড়ে

শুকনো, খসখসে চামড়া

শীতকালে ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বেড়ে গেলে

13.Sepia

ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, ফেটে যায়

বাদামী বা হলদে দাগ

চুলকানি কম হলেও জ্বালাপোড়া

দীর্ঘদিনের একজিমা বা ক্রনিক স্কিন ডিজিজ

 দীর্ঘস্থায়ী শীতকালীন চর্মশুষ্কতা ও একজিমায়


14.Natrum sulphuricum 

স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

একজিমা বা র‍্যাশে হলুদ নিঃসরণ

বর্ষা ও শীতের সংযোগকালে সমস্যা বাড়ে

ত্বক ভারী ও আঠালো অনুভূত

আর্দ্র শীতে বাড়ে এমন একজিমা

15.Kali bromatum

চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি ও ব্রণ সদৃশ দানা

রাতের বেলা চুলকানি বেড়ে যায়

ত্বকে গভীর দানা, দাগ পড়ে যায়

স্নায়বিক উত্তেজনার সাথে চর্মরোগ

শীতে ব্রণ-জাতীয় চর্মরোগ ও তীব্র চুলকানি

16.Nitric acid 

ত্বকে গভীর ফাটল, ফেটে রক্ত পড়ে

ফাটলে তীব্র ব্যথা (কাঁটার মতো)

ঠোঁট, হাত-পা, গোড়ালিতে ফাটল

শুষ্ক ও শক্ত চামড়া

শীতে হাত-পা ফাটা, রক্তপাত হলে

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৯-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৯-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেড়যুগ পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার আহ্বান।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স --- ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব ও সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ওয়াশিংটনের সহায়তার কথা পুনর্ব্যক্ত।


শেষ হলো আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা।


সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত থাকতে বিজিবি সদস্যদের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় --- মন্তব্য করলেন ধর্ম উপদেষ্টা।


বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের জন্য সাহায্য কমিয়ে জাতিসংঘ মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে ২০০ কোটি ডলার দেওয়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের।


এবং সিলেটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চট্টগ্রাম র‌য়্যালসকে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স --- অপর ম্যাচে এখন মোকাবেলা করছে নোয়াখালীর বিরুদ্ধে রাজশাহী।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।

বেগম খালেদা জিয়া সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন --- জানালেন চিকিৎসকরা।  

ভোটার হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন আট দলীয় নির্বাচনী জোটে যোগ দিল এনসিপি ও এলডিপি।

অর্ন্তবর্তী সরকারের মেয়াদেই ওসমান হাদী হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা --- ভারতের মেঘালয়ে এই হত্যাকান্ডের দুই সহায়তাকারী গ্রেফতার। 

দেশের ২৬-তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।  

মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত।

এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আগামীকাল চট্টগ্রাম রয়্যালস - রংপুর রাইডারর্সের এবং নোয়াখালি এক্সপ্রেস - রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মোকাবেলা করবে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২৮-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২৮-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* দেশে ফেরার দিনটি হৃদয়ে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে, দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

* নির্বাচন কমিশনে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডির কার্যক্রম সম্পন্ন করলেন তারেক রহমান ।  

 

* আজ নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করা হবে তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার নথি, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা---জানিয়েছে ইসি

 

* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান হাদি ও বনানীতে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

 

* অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালেই ওসমান হাদি হত্যার বিচার হবে, খুনিদের ভারতে পাওয়া গেলে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নতুন দিল্লীর---জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

 

* দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আজ শপথ নেবেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

 

* মিয়ানমারে আজ অনুষ্ঠিত হবে প্রথম পর্বের সাধারণ নির্বাচন

 

* এবং গতকাল সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা ক্যাপিটালস ও সিলেট টাইটান্স-এর নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭-১২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নির্বাচন কমিশনে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডির কার্যক্রম সম্পন্ন করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান 

 আগামীকাল নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করা হবে তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার নথি, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা --- জানিয়েছে ইসি 

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান হাদি ও বনানীতে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান 

 সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় প্রেস কমিশন অধ্যাদেশ ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ প্রণয়নে কাজ করছে সরকার --- জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা 

কক্সবাজার বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাটে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে অগ্নিকাণ্ডে নিহত এক, প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৯৪ যাত্রী --- পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন 

 উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ --- দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ 

কয়েক সপ্তাহের সংঘর্ষের পর পুনরায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া 

এবং সিলেটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে পাঁচ উইকেটে হারালো ঢাকা ক্যাপিটালস

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৭-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৭-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

..................................................


* দীর্ঘ ১৮ বছর পর বাবা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান 


* সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন  তারেক রহমান 


* বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভোটার হতে আইনগত কোন বাধা নেই --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন 


* তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে --- বললেন বিএনপি মহাসচিব 


* সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মানবিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে কাজ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী --- বলেছেন দলের আমির  


* চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে  চারজন নিহত--- দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদান ঘোষণা সরকারের 


* ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ পাচারের দায়ে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে আরও ১৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে দেশটির আদালত


* এবং আজ সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা ক্যাপিটালস - রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের এবং সিলেট টাইটান্স - নোয়াখালী এক্সপ্রেসের মোকাবেলা করবে

হাত-পা অবশ? ঝিনঝিন? শিরশির?

 ✋🦶 হাত-পা অবশ? ঝিনঝিন? শিরশির?

রইলো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সমূহ ডোজ সহ 

⚠️ অবহেলা নয়—এটি স্নায়ুর সতর্ক সংকেত!

হঠাৎ বা ধীরে ধীরে হাত-পা, আঙুল, মুখ বা শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যাওয়া, ঝিনঝিন করা বা অনুভূতি কমে যাওয়া—এসব সমস্যার পিছনে থাকতে পারে স্নায়ু দুর্বলতা, ডায়াবেটিস বা রক্ত সঞ্চালনের গোলযোগ।

🌿 হোমিওপ্যাথিতে এর কার্যকর ও নিরাপদ সমাধান সম্ভব।

🔍 অবশ হওয়ার প্রধান কারণ

👉 স্নায়ু দুর্বলতা / স্নায়ু চাপে পড়া

👉 সার্ভাইক্যাল ও লাম্বার স্পন্ডাইলোসিস

👉 ডায়াবেটিস জনিত স্নায়ু সমস্যা

👉 ভিটামিন B₁₂-এর অভাব

👉 ঠান্ডা লাগা ও রক্ত চলাচল কমে যাওয়া

👉 দীর্ঘক্ষণ এক ভঙ্গিতে বসে থাকা

👉 মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

🚨 সাধারণ উপসর্গ

✔ হাত-পা অবশ হয়ে আসে

✔ ঝিনঝিন / সুচ ফোটার মতো অনুভূতি

✔ সকালে ঘুম থেকে উঠে বেশি

✔ হাঁটলে বা কাজ করলে বাড়ে

✔ জ্বালা, দুর্বলতা, টান ধরা

🌿 হোমিওপ্যাথিক কার্যকর ওষুধ (লক্ষণ অনুযায়ী)

🔹 Kali Phosphoricum – স্নায়ু দুর্বলতা, মানসিক চাপ

🔹 Hypericum Perforatum – স্নায়ু আঘাতের পর অবশতা

🔹 Causticum – ডান দিকে অবশ, জ্বালা ও দুর্বলতা

🔹 Phosphorus – রক্ত সঞ্চালন কম, ঠান্ডা হাত-পা

🔹 Arnica Montana – আঘাত বা চাপের পর অবশ ভাব

🔹 Plumbum Metallicum – দীর্ঘদিনের অবশতা ও স্নায়ু সংকোচন

💊 বয়সভিত্তিক সাধারণ ডোজ নির্দেশনা

⚠️ ডোজ রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভরশীল—চিকিৎসকের পরামর্শই চূড়ান্ত।

👶 শিশু (৫–১২ বছর)

➡️ 30 potency – ২ ফোঁটা / ২টি বড়ি

➡️ দিনে ১–২ বার

🧑 কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক (১৩–৬০ বছর)

➡️ 30 potency – ৪ ফোঁটা / ৪টি বড়ি

➡️ দিনে ২ বার

➡️ দীর্ঘদিনের ক্ষেত্রে 200 potency সপ্তাহে ১ দিন (চিকিৎসকের পরামর্শে)

👴 বয়স্ক (৬০ বছরের ঊর্ধ্বে)

➡️ 30 potency – ২–৩ ফোঁটা / ২–৩টি বড়ি

➡️ দিনে ১–২ বার

🧂 টিস্যু সল্ট (যেমন Kali Phos 6X/12X)

➡️ সব বয়সে: ৪টি ট্যাবলেট

➡️ দিনে ২–৩ বার

🌼 স্নায়ু সমস্যায় বিশ্বস্ত ঠিকানা 🌼

🏥 রাধারানী হোমিও হল

📍 বেতাই তেল পাম্প সংলগ্ন, দক্ষিণ দিকে

👨‍⚕️ চিকিৎসক: অপূর্ব বিশ্বাস

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক

🔹 এখানে চিকিৎসা করা হয়—

✔ হাত-পা অবশ ও ঝিনঝিন সমস্যা

✔ স্নায়ু ব্যথা ও দুর্বলতা

✔ ডায়াবেটিস জনিত স্নায়ু জটিলতা

✔ দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল রোগ

📞 সঠিক চিকিৎসায় ফিরে পান স্বাভাবিক অনুভূতি

✨ অবহেলা নয়—আজই চিকিৎসা নিন

🙏 রাধারানী হোমিও হল – বিশ্বাসের নাম

বি দ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন উচিৎ নয়।

প্রতিবেদনটি শুধু মাত্র নবীন হোমিও চিকিৎসক বন্ধুদের জন্য।

#নতুনহোমিওচিকিৎসক 

#রাধারানীহোমিওহল 

#হোমিওশিক্ষা 

#ClinicalHomeopathy 

#হাতপাঝিন্ঝিমঅবশ

ছন্দে বর্নে হোমিওপ্যাথি এ টু জেড:    🍁

 🎍ছন্দে বর্নে হোমিওপ্যাথি এ টু জেড:    🍁



A – Arsenicum album

উদ্বেগ, দুর্বলতা ও মৃত্যুভয়ে;

শুষ্ক কাশিতে এর ব্যবহার চমৎকারী।


B – Bryonia

নিউমোনিয়ার সমস্যা হলে,

ব্রায়োনিয়া প্রয়োগ মোক্ষম।


C – Calendula

ক্ষত বা রক্তপাত হলে,

ক্যালেন্ডুলা আরাম আনে।


D – Damiana

শুক্রাণুর সংখ্যা কম হলে,

ডামিয়ানা সাহায্য করে।


E – Echinacea

রক্ত বিশুদ্ধ করে, রোগপ্রতিরোধ বাড়ায়;

চুলকানি ও ইনফেকশনে ভালো কাজ পায়।


F – Ferrum phosphoricum

জ্বর ও ব্যথায় কষ্ট পেলে,

ফেরাম ফস নিয়মিত দেয় সাহস।


G – Glonoinum

মাথাব্যথা ও মানসিক চাপে,

গ্লোনোইন রক্তচাপ কমায়।


H – Hydrastis

হজমে দুর্বলতা বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে,

হাইড্রাস্টিস উপকারী।


I – Ignatia

শোক বা মানসিক আঘাত সহ্য করতে,

ইগ্নেশিয়া ভালো সমর্থন।


J – Jaborandi

চুল পড়া বা টাক পড়ার সমস্যায়,

জাবোরান্ডি নতুন চুল গজাতে সহায়ক।


K – Kali phosphoricum

মানসিক চাপ ও ঘুমের অসুখে,

কেলি ফস সুখদায়ক।


L – Lac caninum

গলাব্যথা, ডিপথেরিয়া বা বাতব্যথায়,

ল্যাক ক্যান উপশম আনে।


M – Mercurius solubilis

ঠাণ্ডা-গরমে সমস্যা বা আমজাতীয় রোগে,

মার্ক সল ভালো ফল দেয়।


N – Nux vomica

গ্যাস, অম্ল বা প্রেমের মানসিক পীড়নে,

নাক্স ভমিকা শ্রেষ্ঠ সহায়।


O – Opium

তীব্র ব্যথা বা অনিদ্রা যখন কাবু করে,

ওপিয়াম তখন মনে পড়ে।


P – Pulsatilla

বদহজম, অম্বল বা পেটের গোলযোগে,

পালসাটিলা প্রশান্তি আনে।


Q – Quassia

লিভারের দুর্বলতা ও হজমশক্তি কমে গেলে,

কোয়াসিয়া নিয়মিত সাহায্য করে।


R – Rhus toxicodendron

জয়েন্ট, পেশি বা আর্থ্রাইটিসের ব্যথায়,

রাস টক্স নিয়মিত দিতে হয়।


S – Silicea

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে,

সাইলিসিয়া কাজে লাগে।


T – Titanium

দীর্ঘ ক্লান্তি, মানসিক চাপ বা পুরুষের দুর্বলতায়,

টাইটেনিয়াম শক্তি যোগায়।


U – Urtica urens

জ্বালাপোড়া বা ফোস্কা পড়লে,

আর্টিকা ইউরেন্স ব্যবহার করুন।


V – Vesicaria

মূত্রনালীর সংক্রমণে,

ভেসিকেরিয়া আরাম দেয়।


W – Wyethia

শুষ্ক কাশি বা বাতের ব্যথায়,

ওয়ায়েথিয়া উপকারী।


X – Xanthoxylum

সায়াটিকা, টিউমার বা ঋতুকষ্টে,

জ্যানথোক্সিলাম দ্রুত কাজ করে।


Y – Yohimbinum

যৌন অক্ষমতা বা ধ্বজভঙ্গে,

ইয়োহিম্বিনাম কার্যকরী।


Z – Zincum metallicum

শ্বেতপ্রদর, একজিমা, জন্ডিস বা অর্শে,

জিঙ্কাম মেট ধীরে ধীরে মুক্তি আনে।


---


📌 মনে রাখুন:

এই তথ্য সাধারণ জ্ঞানের জন্য।

চিকিৎসার প্রয়োগের আগে সর্বদা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


💫 ডাঃ মোঃ ফোরহাদ হোসেন

D.H.M.S (B.H.😎, ঢাকা

পরামর্শদাতা: হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন


🍁 জ্ঞান ভাগ করলে বাড়ে – সঠিক প্রয়োগে সুস্থতা পাবেন।

🚫 Respect Original Creation

কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে। 

 নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911


অ্যান্টিবায়োটিক ও হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি~

 🎍অ্যান্টিবায়োটিক ও হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি~



অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন一ঔষধ যা রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে ধ্বংস করে বা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করে। এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় এগুলোর আবিষ্কার অগ্রগতির গতি বাড়ালেও, এদের অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে যা সাধারণত লোকজনের অজানা।


অ্যান্টিবায়োটিকের দ্রুত কার্যকারিতার কারণে অনেক সময় ডাক্তাররা প্রয়োজনের অতিরিক্ত এটি ব্যবহার করেন, যা উচিত নয়। অন্যদিকে হোমিওপ্যাথিতে আলাদা "অ্যান্টিবায়োটিক গ্রুপ" না থাকলেও কিছু হোমিও ওষুধ সঠিক লক্ষণ মিলিয়ে দিলে যেকোনো শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়ে দ্রুত ও ভালো ফল দিতে পারে।


কিছু হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার (যেগুলো সংক্রমণের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে):


· Aconitum napellus

· Arsenicum album

· Belladonna

· Bryonia alba

· Hepar sulphuris

· Mercurius solubilis

· Pyrogenium

· এবং অন্যান্য।


এলোপ্যাথিক অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সক্ষম, ভাইরাস নয়; আর এগুলো প্রয়োগের আগে অনেক সময় কালচার টেস্ট করতে হয়। পাশাপাশি এগুলোর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে, যা শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, স্নায়ুতন্ত্র, মস্তিষ্ক বা অস্থিমজ্জার ক্ষতি করতে পারে।


হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সঠিক লক্ষণে দিলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক—সব ধরণের সংক্রমণেই কার্যকর হতে পারে, এবং এগুলো সাধারণত উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে ক্ষতি করে না বা তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে না।


উদাহরণ:


· Aconitum napellus: হঠাৎ তীব্রভাবে শুরু হওয়া রোগ, ভয় ও অস্থিরতা থাকলে।

· Bryonia alba: গলা শুকনো, নড়াচড়ায় কষ্ট বেড়ে গেলে, পানি বেশি পান করতে ইচ্ছা করলে।

· Belladonna: জ্বর, লালভাব, জ্বালাপোড়া বা প্রলাপ বকতে থাকলে।


হোমিওপ্যাথিতে সঠিক লক্ষণের মিল হলে অল্প সময়ের মধ্যেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব, যেখানে উচ্চক্ষমতার অ্যান্টিবায়োটিকেরও কয়েক দিন লেগে যেতে পারে।


⚠️ বিজ্ঞপ্তি:শেয়ার করে রেখে দিন।

এই পোস্টের সমস্ত লেখা, ছবি,ও আইডিয়া © Dr.Forhad Hossain fb page–এর স্বত্বাধিকারভুক্ত।

অনুমতি ছাড়া কপি, রি-আপলোড, স্ক্রিনশট, বা পুনঃপ্রকাশ করলে

তা কপিরাইট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।

এমন কার্যকলাপের ক্ষেত্রে ফেসবুক ও মেটা টিমে রিপোর্ট করা হবে

এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

🔒 Respect Original Creation | 


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

হাঁপানির হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🛑হাঁপানির হোমিওপ্যাথিক ওষুধ 🛑



⛔Arsenicum Album– রাতের দিকে শ্বাসকষ্ট,বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট রাত ১ টা ও ৩ টায় আরম্ভ হয়।স্বর ভেঙে যায় কষ্টকর শুষ্ক কাশি থাকে কাশলে উপশমবোধ হয় না । গয়ার ওঠে না  সেই সঙ্গে   দুর্বলতা, অস্থিরতা , গা জ্বালা ও প্রচুর পানির পিপাসা থাকে। অল্প অল্প পরিমাণ পানি পান করে এবং শুইলে দম আটকায় যাওয়ার ভয়ে রোগী শুইতে পারে না। 


⛔Antimonium Tart– যে সকল ভগ্ন স্বাস্থ্য ও দুর্বল, বৃদ্ধ ব্যক্তিরা বৎসর ধরিয়া সর্দি -কাশিতে ভুগিতেছে এবং শীতকালে একটু বেশি ঠান্ডা লাগলেই বুকে সর্দি জমে ঘড় ঘড় শব্দ হতে থাকে, গয়ার ওঠে না। উঠলেও সামান্য গাঢ় সাদা গয়ার উঠে শ্বাসকষ্ট উপস্থিত হয়, বিছানায় শুইতে পারে না কারণ শুইলেই শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি হয় এবং বাতাস করতে বলে তাদের পক্ষে এন্টিম টার্ট উপকারি।


⛔Ipecacuanha – কাশি ও শ্বাসকষ্ট একসাথে,এবং সর্বক্ষেত্রে বমি বমি ভাব থাকে।  জিহ্বা  ক্লিন অর্থাৎ পরিষ্কার থাকে  । 


⛔Spongia – শুকনো হাঁপ ধরা কাশি, গলায় শুকনো ভাব । শুষ্ক, ঠনঠনে ঘঙঘঙে বাশির মতো বা সাঁই সাঁই  ঘেউ ঘেউ শব্দের সাথে কাশি থাকবে। শ্বাসকষ্টের সাথে তার মনে হবে, ল্যারিংসে গোঁজ বা অন্য কিছু আটকে আছে এবং দম আটকানো একটা ভাব থাকবে। 


⛔Blatta Orientalis – ধুলাবালিতে হাঁপানি বাড়ে, মোটা লোকদের ক্ষেত্রে  উপযোগী । Mother tincture বেশ কাজে আসে।


 ⛔ NuxVomica – হাঁপানি, ঠান্ডা বা হজমের গোলমালে বাড়ে।হাঁপানির টান খুব সকালে বাড়ে। 


★★মেডোরিনাম,থুজা,ন্যাট্রাম সালফ,টিউবারকুলিনাম,লাইকোপোডিয়াম চমৎকার মেডিসিন। 

★★আপনারা পূর্ণাঙ্গ রোগী লিপি করে চিকিৎসা করবেন। রোগীর ধাতুগত চিকিৎসা না করলে এ রোগ আরোগ্য হবার সম্ভাবনা নেই।

লাইকেন প্লানাস এর হোমিও ঔষধফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔷লাইকেন প্লানাস এর হোমিও ঔষ


ধ 🔷


🎱★১. Arsenicum Album*

- তীব্র চুলকানি

- রাতের দিকে,দিন ও রাতের মধ্যভাগে 

সমস্যা বেড়ে যায়।

- ক্ষতে জ্বালাপোড়া করে।

-উত্তাপে আরাম।

- রোগী দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও পরিপাটি।

-পানির পিপাসা বেশি। ঘন ঘন বারবার পানি পান করে। 


---

🎱★২. Sulphur*

- দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ।

- চুলকানি গরমে বাড়ে,গোসলে বাড়ে

এমনকি সকাল ১১টায় উপসর্গ বেড়ে যায়।

- শরীর নোংরা ও অগোছালো প্রকৃতির রোগী।

-গোসল করতে চায় না।

---

🎱★৩. Graphites*

- মোটা, শুকনো, খসখসে ত্বক।

- ক্ষতের জায়গায় তরল আঠালো পদার্থ বের হয়।

- স্থূলকায় ও কোষ্ঠকাঠিন্যযুক্ত রোগী।

-মিষ্টি, লবণ,সংগীত, সঙ্গম অপছন্দ। 

-গান শুনে কান্না করে এমন রোগীদের চর্ম রোগে প্রয়োজন। 


---

🎱★৪. Merc Sol

- ক্ষত থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হয়।

- রাতের দিকে,ঘামে  উপসর্গ বাড়ে।

- অতিরিক্ত লালা ও মুখে দুর্গন্ধ।

-জিহ্বা থলথলে, দাঁতের ছাঁপ যুক্ত। 


---🎱★৫. Lycopodium*

- ক্ষত শুকিয়ে গিয়ে নতুন ক্ষত তৈরি হয়।

- বুড়ো বয়সে বা কিডনি/লিভার দুর্বল হলে উপযুক্ত।

- বিকেলে উপসর্গ বাড়ে।বিকেল চারটা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত। 

-প্রচন্ড গ্যাসের সমস্যা। 

-রোগী শীতকাতর,রাগী স্বভাবের। ডিকটেটোরিয়াল, স্বার্থপর, লোভী, কৃপণ।


---

🎱★৬. Natrum Mur*

- মানসিক কষ্ট বা দুঃখজনিত কারণ থাকতে পারে।

-ক্ষত চুলকানোর পর রক্ত বের হয়। 

-চুলকানোর পর সাদা ও পাতলা রস বের হয়। 

-গরম কাতর রোগী, ঠান্ডা চায়। 

-লবণ ও তিতা খাবার ভালোবাসে।


🔻পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং এর ভিত্তিতে চর্ম রোগের অন্যান্য মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে ।

থাইরয়েডের হোমিও ঔষধ লক্ষণ অনুসারে

 ♦️থাইরয়েডের হোমিও ঔষধ লক্ষণ অনুসারে


♦️


🔻 Calcarea Carbonica

- দিন দিন মোটা হয়ে যায় অর্থাৎ (Tendency to Obesity)

-ঘাড়গলা ফুলে যায় এবং নানান ধরনের

 স্কিন ট্যাগ বের হয়। 

- ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না । 

- ঘাম বেশি, বিশেষ করে মাথায় । ঘুমানোর সময় বেশি ঘামে। 

- ভয় ও দুশ্চিন্তা বেশি । নানান ধরনের ভয় যেমন পাগল হয়ে যাওয়ার ভয়, ইঁদুরের ভয়, হাই প্লেসের ভয় ইত্যাদি। 


 🔺 Sepia

-চিকন চিকান, পুরুষালি চেহারা। 

- বিষণ্ণতা, বিরক্তি । মুখে মেস্তা এবং নানান ধরনের দাগ।  মাসিক অনিয়ম । 

- গলার সামনে চেপে ধরার মতো অনুভূতি।

-স্বামী সন্তান-সংসার সবকিছুর প্রতি উদাসীনতা। 

-জগত সংসার কোন কিছুই তার কাছে ভালো লাগে না। 

-সহবাসের প্রতি বিরক্তি।


  🔺 Graphites

- ত্বক শুষ্ক, ফাটা।গরমকালে ত্বক বেশি ফাটা  থাকে।

মোটাসোটা রোগী । চুল পড়ে  যায়।

- কোষ্ঠকাঠিন্য । 

- নানান ধরনের চর্ম রোগে ভোগে। 


🔺   Iodium

- দিনদিন ওজন কমে  যায়।

প্রচন্ড ক্ষুধা। খায়দায় বেশি কিন্তু গায়ে লাগেনা। 

- অতিরিক্ত উত্তেজনা ও অস্থিরতা । 

- দুর্বলতা, ঘাম এবং প্রচন্ড গরমকাতর।গরম একেবারেই সহ্য করতে পারে না। শীতকালে ভালো থাকে। 


🔻Lachesis

- ঘাড়ে বা গলায় ফোলা  

- গলায় চাপ সহ্য করতে পারে না । গলায় কোন বস্ত্র, নেকলেস কোন কিছুই রাখতে পারে না। 

- কাপড় চোপড় ঢিলা ঢালা পরে। 

-প্রচন্ড গরম কাতর।সকল প্রকার ঠান্ডা পছন্দ করে। 

-বাচাল প্রকৃতির। সন্দেহপ্রবণ। হিংসাপরায়ণ। 


🔻Spongia Tosta

- গলার গ্রন্থি ফোলা  

- গলায় শুকনো, ঘষা-ঘষা ভাব  

- শ্বাসকষ্টসহ কাশি।


🔻Bryonia Alb 

- গলায় প্রচন্ড ব্যথা হয়। 

-সামান্য নড়াচড়াতেও ব্যথা বাড়ে। 

-শুকনো কাশি থাকে,হাত দিয়ে  বুক চেপে ধরে। 

-রোগী গরমকাতর,প্রচন্ড পানির পিপাসা। দীর্ঘক্ষণ পরপর অনেকখানি করে পানি পান করে। 

-রোগীর রাগ বেশি, খিটখিটে মেজাজ। 

-পায়খানা কষা, পোড়া ইটের ঝামার মতো। 

-


---🔻✅General Remedy: Thyroidinum

- থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে  

- উভয় অবস্থায় ব্যবহারযোগ্য (লক্ষণ অনুযায়ী) । 

★★পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে। ধন্যবাদ।

হোমিওপ্যাথি অটিজমে মূলত supportive treatment হিসেবে কাজ করে।

 অটিজম (Autism Spectrum Disorder) কোনো “হঠাৎ সেরে যাওয়ার” রোগ নয়। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি কন্ডিশন।

তবে সঠিক ব্যবস্থাপনায় অনেক শিশুর আচরণ, মনোযোগ, ভাষা শেখার ক্ষমতা ও দৈনন্দিন কার্যক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব।

,

হোমিওপ্যাথি অটিজমে মূলত supportive treatment হিসেবে কাজ করে।


হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ফেইসবুক থেকে নেওয়া 
যেমন—

★ অতিরিক্ত রাগ ও জেদ কমানো

★ হাইপারঅ্যাক্টিভিটি নিয়ন্ত্রণ

★ ঘুম ও হজমের সমস্যা কমানো

★ভয়, সেনসিটিভিটি ও অস্থিরতা হ্রাস


হোমিওপ্যাথিতে অটিজমকে আলাদা রোগ না ধরে শিশুর সামগ্রিক লক্ষণ দেখে রেমেডি নির্বাচন করা হয়। নিচে কিছু commonly used remedies ও তাদের keynotes দেওয়া হলো---


🔹 Baryta carbonica

কথা বলতে দেরি

মানসিক বিকাশ ধীর

অপরিচিত ভয়, শিশুসুলভ আচরণ

🔹 Stramonium

চরম ভয়, অন্ধকারে ভয়

আক্রমণাত্মক আচরণ

হঠাৎ রাগ, screaming

🔹 Carcinosin

খুব সংবেদনশীল

perfectionism / suppressed emotions

strong family history (cancer, TB, diabetes)

🔹 Tuberculinum

restless

routine সহ্য করতে পারে না

mood দ্রুত বদলায়

🔹 Natrum muriaticum

social withdrawal

কথা কম, একা থাকতে চায়

আবেগ চেপে রাখে

🔹 Medorrhinum

hyperactivity

sleep reversal

impulsive behaviour


প্রতিটি শিশুই আলাদা—তাই অটিজমে individualised treatment সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

অঙ্গভিত্তিক আঁচিলের হোমিও ঔষধঃ---

 🌻👉 অঙ্গভিত্তিক আঁচিলের হোমিও ঔষধঃ---


🎯 মুখে আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,

কস্টিকাম,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🎯 জিহ্বায় আঁচিল -অরাম মিউর ন্যাট।

🎯 হাতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম, নাইট্রিক অ্যাসিড, রাস টক্স। 

🎯 মুখের কোনে আঁচিল-কন্ডুরাঙ্গো।

🎯 চোখের পাতায় আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,ডালকামারা,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🎯 চোখের নিচে আঁচিল -সালফার।

🎯 নাকে আঁচিল -থুজা, কস্টিকাম।

🎯 দাড়িতে, থুতনিতে আঁচিল-লাইকোপোডিয়াম। 

🎯 ঘাড়ে আঁচিল -ক্যালকেরিয়াকার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড। 

🎯 বাহুতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,কস্টিকাম, নাইট্রিক এসিড, সালফার। 

🎯 নখের ধারে আঁচিল -কস্টিকাম। 

🎯 ভ্রুতে আঁচিল -কস্টিকাম,থুজা,নাইট্রিক এসিড।

🎯 হাতের তালুতে আঁচিল -নেট্রাম মিউর, এনাকার্ডিয়াম। 

🎯 আঙ্গুলে অসংখ্য আঁচিল -নেট্রাম মিউর, ক্যালকেরিয়া কার্ব, কস্টিকাম,ল্যাকেসিস, নাইট্রিক এসিড, থুজা, সালফার। 

🎯 বৃদ্ধাঙ্গুলে আঁচিল -ল্যাকেসিস,নেট্রাম মিউর।

🎯 লিঙ্গ ত্বকে, লিঙ্গ মুখে, ভিতরে আঁচিল -সিনাবেরিস,ইউক্যালিপ্টাস,নাইট্রিক অ্যাসিড, অ্যাসিড  ফস, থুজা,মেডোরিনাম।

🎯 মলদ্বারে, পেটে ও উরুতে আঁচিল -নেট্রাম সালফ,নাইট্রিক এসিড,থুজা।

🎯 ক্রনিক বা পুরাতন আঁচিল -কষ্টিকাম, নেট্রাম মিওর সালফার, থুজা।

 🎯 শক্ত বা কঠিন আঁচিল -এন্টিম ক্রুড, নাইট্রিক এসিড, গ্রাফাইটিস, থুজা, সালফার, ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর।

🎯 বৃহদাকার আঁচিল -কস্টিকাম, নাইট্টিক এসিড,সিপিয়া,থুজা।

🎯 ক্ষুদ্রাকার আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড, থুজা, ল্যাকেসিস, রাস টক্স, সালফার,সার্সাপ্যারিলা।

🎯 প্রদাহিত আঁচিল -এমন কার্ব,নাইট্রিক এসিড,কস্টিকাম।

🎯 রক্তস্রাব প্রবণ আঁচিল -নাইট্রিক এসিড।

🎯 ক্ষুদ্রাকার, ডুমুরের মতো নিরেট, সূচালো আঁচিল -কস্টিকাম।

🎯 বৃহৎ দানাযুক্ত, ডুমুরের মতো বা ফুলকপির মত, রক্তবর্ণ আঁচিল -থুজা,নাইট্রিক এসিড।


⚠️তবে রুগীতে মেডিসিন প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ রোগীলীপির  প্রয়োজন।


🎀 গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। 


🎀 প্রয়োজনে যোগাযোগঃ

     ইভা হোমিও হল।

    মোবাঃ০১৭২৬৬৯৯২৩৩

#fbviralpost2025シ #highlightseveryone #fbhomeo #foryoupageシ #homeopathy #Dr #treatment

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

উকুনে-বুড়ির কথা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

 উকুনে-বুড়ির কথা

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী


এক যে ছিল উকুনে-বুড়ি, তার মাথায় বড্ড ভয়ানক উকুন ছিল। সে যখন তার বুড়োকে ভাত খেতে দিতে যেত তখন ঝরঝর করে সেই উকুন বুড়োর পাতে পড়ত। তাইতে সে একদিন রেগে গিয়ে, ঠাঁই করে বুড়িকে ঠেঙার বাড়ি মারলে। তখন বুড়ি ভাতের হাঁড়ি আছড়ে গুঁড়ো করে রাগের ভরে সেই যে নদীর ধার দিয়ে চলে গেল, আর তাকে বুড়ো ডেকে ফিরাতে পারলে না। নদীর ধারে এক বক বসে ছিল, সে উকুনে-বুড়িকে দেখে বললে, 'উকুনে-বুড়ি, কোথা যাস?'

উকুনে-বুড়ি বললে—

স্বামী মারলে, রাগে তাই

ঘর-গেরস্তি, ফেলে যাই।

বক বললে, 'তোর স্বামী মারলে কেন? কি হয়েছে?'

উকুনে-বুড়ি বললে, 'আমার মাথা থেকে তার পাতে উকুন পড়েছিল।'

বক বললে, 'কেন উকুন তো বেশ লাগে! তার জন্যে মারলে কেন? তুই আমার বাড়ি চল। শুনেছি তুই খুব ভালো রাঁধিস।' তাইতে উকুন-বুড়ি বকের বাড়িতে রাঁধুনি হল। তার রান্না বকের বেশ ভালো লাগত, আর পাতে উকুন পড়লে তো সে খুব খুশিই হত।

তখন, একদিন হয়েছে কী—বক এনেছে একটা মস্ত শোল মাছ। এনে সে উকুন-বুড়িকে বললে, 'উকুন-বুড়ি, মাছটা বেশ করে রাঁধ।'

বলে সে আবার নদীর ধারে চলে গেল। উকুনে-বুড়ি মাছ রাঁধতে লাগল। রাঁধতে-রাঁধতে বেচারা মাথা ঘুরে কখন কড়ার মধ্যে পড়ে গিয়েছে কেউ জানতে পারেনি।

বক এসে দেখলে, উকুনে-বুড়ি পুড়ে মরে আছে। দেখে তার এমনি দুঃখ হল যে, সে নদীর ধারে গিয়ে মুখ ভার করে বসে রইল, সাতদিন কিছু খেল না।

নদী বললে, 'ভালোরে ভালো, সাতদিন ধরে এমন করে বসে আছে, খায়-দায়নি!

এর হল কি? হ্যাঁ ভাই বক, তোর হয়েছে কি ভাই?' বক বললে, 'আরে ভাই, সে কথা বলে কি হবে? আমার যা হবার তা হয়েছে।'

নদী বললে, 'ভাই, আমাকে বলতে হবে।'

বক বললে, 'যদি বলি, তবে কিন্তু তোর সব জল ফেনা হয়ে যাবে।'

নদী বললে, 'হয় হবে, তুই বল।'

তখন বক বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল।

অমনি ফ্যান-ফ্যান করে দেখতে-দেখতে নদীর জল ফেনিয়ে সাদা হয়ে গেল।

সেই নদীতে এক হাতি রোজ জল খেতে আসে। সেদিন সে জল খেতে এসে দেখে, একি কাণ্ড হয়ে আছে।

হাতি বললে, 'নদী, তোর একি হল? তোর জল কী করে ফেনা হয়ে গেল? 

নদী বললে, 'তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোর লেজটি খসে পড়ে যাবে।'

হাতি বললে, 'যায় যাবে, তুই বল।' তখন নদী বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল।

অমনি ধপাস করে হাতির লেজটা খসে পড়ে গেল!

তারপর হাতি গাছতলা দিয়ে যাচ্ছে, গাছ তাকে দেখে বললে, 'বাঃ রে, তোর একি হল? লেজ কোথায় গেল?'

হাতি বললে, 'তা যদি বলি,, তবে কিন্তু তোর পাতাগুলি সব এক্ষুনি ঝরে পড়বে।' 

গাছ বললে, 'পড়ে পড়ুক, তুই বল।' 

তখন হাতি বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল,

হাতির লেজ খসে পড়ল। 

অমনি ঝর-ঝর করে গাছের সব পাতাগুলি ঝরে পড়ে গেল। সেই গাছে এক ঘুঘুর বাসা ছিল সে তখন খাবার খুঁজতে গিয়েছিল। ফিরে এসে দেখে, ওমা একি হয়েছে। 

ঘুঘু বললে, 'গাছ, তোর একি হল? তোর পাতা সব কোথায় গেল?'

গাছ বললে, 'তা 'তা যদি বলি, বলি, তবে কিন্তু তোর চোখ কানা হয়ে যাবে।'

ঘুঘু বললে, 'যায় যাবে, তুই বল।' তখন গাছ বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,

বক সাতদিন উপোস রইল,

নদীর জল ফেনিয়ে গেল,

হাতির লেজ খসে পড়ল,

গাছের পাতা ঝরে পড়ল।

অমনি টস্ করে ঘুঘুর একটা চোখ কানা হয়ে গেল।

কানা চোখ নিয়ে ঘুঘু মাঠে চরতে গিয়েছে, তখন রাজার বাড়ির রাখাল তাকে দেখে বললে, 'সে কি রে ঘুঘু, তোর চোখ কী হল?'

ঘুঘু বললে, 'তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোমার হাতে তোমার লাঠিটা আটকে যাবে।'

রাখাল বললে, 'যায় যাবে, তুই বল।' তখন ঘুঘু বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,

বক সাতদিন উপোস রইল,

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল,

ঘুঘুর চোখ কানা হল।

অমনি চটাস করে রাখালের লাঠি তার হাতে আটকে গেল। সে কত হাত ঝাড়লে, কিছুতেই তাকে ফেলতে পারলে না। যখন গোরু নিয়ে সে রাজার বাড়িতে ফিরে এসেছে, তখনো সে হাত ঝাড়ছে।

রাজার বাড়ির দাসী ভাঙা কুলোয় করে ছাই ফেলতে যাচ্ছিল। সে রাখালকে দেখে বললে, 'দূর হতভাগা! অমনি করে হাত ঝাড়ছিস কেন? কী হয়েছে তোর হাতে?' রাখাল বললে, 'সে কথা যদি বলি, তবে কিন্তু আর ঐ কুলোখানা তোমার হাত থেকে নামাতে পারবে না, সেখানা তোমার হাতেই আটকে থাকবে।' 

দাসী বললে, 'ঈস! আচ্ছা থাকবে থাকবে, তুই বল।' তখন রাখাল বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে গেল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল।

অমনি দাসী 'ওমা! এ কি গো। কী হবে গো!' বলে কাঁদতে লাগল। সে অনেক করেও কুলো হাত থেকে নামাতে পারলে না। শেষে রাখাল-ছোকরাকে গাল দিতে দিতে ঘরে গেল। ঘরে গিয়ে দাসী হাত থেকে আর কুলো নামাচ্ছে না। রানী তখন থালা হাতে করে রাজার জন্যে ভাত বাড়ছিলেন। দাসীকে দেখে তিনি হেসে বললেন, 'দাসী তোর হয়েছে কী? কুলোটা হাত থেকে নামাচ্ছিসনে কেন?'

দাসী বললে, 'তা যদি বলি রানীমা, তবে কিন্তু ঐ থালাখানা আর আপনার হাত থেকে নামাতে পারবেন না, ওখানা আপনার হাতে আটকে যাবে।'

রানী বললেন, 'বটে! আচ্ছা বল দেখি কেমন আটকায়।'

তখন দাসী বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল, 

দাসীর হাতে কুলো আটকাল।

অমনি রানীর হাতে থালাখানি আটকে গেল, কিছুতইে তিনি আর তা নামাতে পারলেন না। তখন আর কি করেন? আর একখানা থালায় করে রাজামশাইয়ের জন্যে ভাত বেড়ে নিয়ে চললেন।

রাজামশাই তাঁকে দেখেই বললেন, 'রানী, ঐ থালাখানা হাতে করে রেখেছ যে?' 

রানী বললেন, 'তা যদি বলি, তবে কিন্তু আর তুমি এখান থেকে উঠে যেতে পারবে না, তুমি ঐ পিঁড়িতে আটকে থাকবে।'

শুনে রাজা হো-হো করে হাসলেন, তারপর বললেন, 'আচ্ছা তাই হোক, তুমি বল।' তখন রানী বললেন—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল, 

দাসীর হাতে কুলো আটকাল,

রানীর হাতে থালা আটকাল।

বলতে-বলতেই তো রাজামশাই পিঁড়িতে খুব ভালোমতোই আটকে গেলেন। কত টানাটানি করলেন, কিছুতেই উঠতে পারলেন না। চাকরদের ডাকলেন, তারাও কিছু করতে পারল না। তখন সেই পিঁড়িসুদ্ধ তাঁকে চারজনে ধরাধরি করে এনে সভায় বসিয়ে দিলে!

তা দেখে সভার লোকদের তো ভারি মুশকিলই হল। তাদের ভয়ানক হাসি পাচ্ছে। তারা হাসি থামাতে পারছে না, হাসতেও পারছে না, পাছে রাজামশাই রাগ করেন।

কেউ ভয়ে জিগগেস করতেও পারছে না রাজামশাইয়ের কি হয়েছে।

তখন রাজামশাই নিজেই বললেন, 'তোমরা বুঝি জানতে চাচ্ছ, আমি পিঁড়িতে কী

করে আটকে গেলাম।'

তারা হাত জোড় করে বললে, হ্যাঁ, মহারাজ।'

রাজা বললেন, 'তা যদি বলি, তবে তোমরাও যে যার জায়গায় আটকে যাবে।'

তারা বললে, 'মহারাজ যদি আটকালেন, তবে আমরা আর বাকি থাকি কেন?'

তখন রাজা বললেন—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল, 

দাসীর হাতে কুলো আটকাল, 

রানীর হাতে থালা আটকাল, 

পিঁড়িতে রাজা আটকাল।

বলতেই আর তারা যাবে কোথায়। এমনি করে তারা তক্তাপোশে আটকে গেল যে, আর তাদের উঠবার সাধ্য নেই।

ভাগ্যিস সেই দেশে এক খুব বুদ্ধিমান নাপিত ছিল, নইলে মুশকিল হয়েছিল আর কী। নাপিত এসে বললে, 'শিগগির ছুতোর ডাক।'

তখন ছুতোর এসে পিঁড়ি কেটে রাজামশাইকে ছাড়ালে, আর তক্তাপোশ কেটে সভার লোকদের ছাড়ালে। একটু একটু কাঠ তবু সকলের গায়ে লেগে ছিল, সেটুকু চেঁচে তুলে দিল। রানীর হাতের থালা, দাসীর হাতের কুলো আর রাখালের হাতের লাঠিও কেটে ফেলে দেওয়া হল।

Fatty liver★এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

 ⛔Fatty liver★এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ⛔


1.★Chelidonium Majus– লিভারের ডান পাশে ব্যথা, ত্বক হলুদাভ।  লিভারের ভিতর দিয়ে পিঠ পর্যন্ত সুচ ফোটানোর মত ব্যথা বোধ হয়। জিব্বায় হলদে ময়লা থাকে এবং জিহ্বায় দাঁতের দাগ পড়ে। দুধ খেতে পছন্দ করে বিশেষ করে গরম দুধ। 


2. ★Carduus Marianus– লিভারের ফ্যাটি অবস্থা, হজমে সমস্যা । লিভারের স্থানে টাটানি ও ব্যথা উৎপন্ন হয়। লিভার স্থানে চাপ দিলে ব্যথা অনুভব হয়। মুখের স্বাদ তিতা, গা বমি বমি করে, উদগার উঠে। সাথে পায়খানা কষা। 


3.★ Lycopodium – পেট ফোলা, ডান দিকে গ্যাস। মিষ্টি এবং গরম খাবার প্রচন্ড পছন্দ।  রাগী এবং প্রতিবাদ করা স্বভাবের। কৃপণ খুব হিসাব করে চলে। 


4. ★Phosphorus – লিভার দুর্বলতা, ক্ষুধামান্দ্য । শীতকাতর এবং ঠান্ডা খাবার খুব পছন্দ করে। ঠান্ডা  পানি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর বমি করে দেয়। প্রচন্ড সহানুভূতিশীল, প্রাণীর প্রতি খুব দয়া মায়া। 


5. ★Nux Vomica – মদ্যপান, অনিয়মিত খাওয়া, হজমে সমস্যা।রাত জাগা, মানসিক পরিশ্রম করা। সেডেন্টারি লাইফ লিড করা। প্রচন্ড বদ রাগী গালিগালাজ করে। 

6. ★Cholesterinum

-রোগীর লিভার অত্যন্ত বড়। লিভারে রক্ত সঞ্চয় হয়। প্রাথমিক অবস্থায় তেমন কোন ব্যথা থাকে না। দ্বিতীয় অবস্থায় জ্বালা জনক ব্যথা হয়। 

-হাঁটার সময় ব্যাথার কারণে রোগী পেটে হাত দিয়ে চেপে ধরে।এটা লিভার ক্যান্সারেও ব্যবহার করা হয়। 


7.★Merc sol

-এটা লিভার প্রদাহের উৎকৃষ্ট ঔষধ। লিভার বড় ও শক্ত হয়ে ব্যথা হয়। 

-রোগী ডানপাশ চেপে শুতে পারেনা। 

-জিহ্বা আর্দ্র, থলথলে , দাঁতের ছাপ যুক্ত। 

-নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মুখে লালা জমে। প্রচুর পানির পিপাসা। 


8.★Bryonia alb

-রোগীর লিভার স্থানে সূচ ফোঁটানো ব্যথা,ফোলা,জ্বালা,টাটানি ব্যথা।

-পেট চাপলে বা নিঃশ্বাস নিলেও ব্যথার বৃদ্ধি। মুখে তিতা স্বাদ। 

-ডান স্ক্যাপুলার নিচে ব্যাথা।রোগীর মল অত্যন্ত শক্ত, পোড়া  ইটের ঝামার মত কঠিন। 

-পানির পিপাসা প্রচুর, অনেকক্ষণ পর পর ঘটি ভরে পানি পান করে। 


★ ★এছাড়া লক্ষণ ভিত্তিক যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

এই ৪টি দোয়া পড়ো! ইনশা'আল্লাহ্ তোমার চেহারার নূর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। nur islam ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এই ৪টি দোয়া পড়ো! ইনশা'আল্লাহ্ তোমার চেহারার নূর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

নূর (আধ্যাত্মিক আলো) ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কিছু দো'আ:🤲


(1)নূরের দো'আ

নিয়মিত পড়বে, বিশেষ করে নামাজের পরঃ

আরবি:

اللهم اجعل في قلبي نورا، وفي لساني نورا، وفي بصري نورا، وفي سمعي نورا، ومن فوقي نورا، ومن تحتي نورا، وعن يميني نورا، وعن شمالي نورا ومن أمامي نورا، ومن خلفي نورا، واجعل لي نورا


উচ্চারণ (বাংলায়):

আল্লাহুম্মাজ'আল ফি ক্বালবি নূরান, ওয়া ফি লিসানি নূরান, ওয়া ফি বসরি নূরান, ওয়া ফি সাম'ই নূরান, ওয়া মিন ফাওক্কি নূরান, ওয়া মিন তাহতি নূরান, ওয়া 'আন ইয়ামিনী নূরান, ওয়া 'আন শিমালী নূরান, ওয়া মিন আমামী নূরান, ওয়া মিন খালফী নূরান, ওয়াজ'আল লি নূরান।


অর্থ:

"হে আল্লাহ! আমার হৃদয়ে আলো দাও, আমার জিহ্বায় আলো দাও, আমার চোখে আলো দাও, আমার কানে আলো দাও, আমার ওপর আলো দাও, আমার নিচে আলো দাও, আমার ডানে আলো দাও, আমার বামে আলো দাও, আমার সামনে আলো দাও, আমার পেছনে আলো দাও এবং আমার জন্য আলো দাও।" (সহিহ মুসলিম: 763)📚


(2) ভেতর ও বাহিরের সৌন্দর্যের দো'আ

আরবি:

اللهم كما حسنت خلقي فحسن خلقي

উচ্চারণ (বাংলায়):

আল্লাহুম্মা কামা হাস্সানতা খালক্বী ফাহাস্সিন খুলুক্বী।


অর্থ:

"হে আল্লাহ! যেমন তুমি আমার রূপ সুন্দর করেছো, তেমনি আমার চরিত্রও সুন্দর করে দাও।"

(সুনান আবু দাউদ: 4022)📚


সৌন্দর্য ও আকর্ষণের জন্য কুরআনের আয়াত

সূরা ইউসুফ (১২:৪):


إذ قَالَ يُوسُفُ لِأَبِيهِ يَأْبَتِ إِنِّي رَأَيْتُ أَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ رَأَيْتُهُمْ لِي سَجِدِينَ


সূরা ইউসুফ নিয়মিত পড়া, বিশেষ করে ৪ নম্বর আয়াত, সৌন্দর্য ও আকর্ষণ বৃদ্ধি করে।


(4) দীপ্তি ও উজ্জ্বলতার সাধারণ দো'আ


আরবি:

اللهم نور وجهي بنورك يوم تبيض وجوه وتسود وجوه


উচ্চারণ (বাংলায়):

আল্লাহুম্মা নাওয়ির ওয়াজহী বিনূরিক ইয়াওমা তাবইয়াদ্দু উজুহু ওয়া তাসওয়াদ্দু উজুহ।


অর্থ:

"হে আল্লাহ! সেই দিনে আমার মুখ তোমার আলো দিয়ে উজ্জ্বল করে দাও, যেদিন কিছু মুখ উজ্জ্বল হবে আর কিছু মুখ কালো হয়ে যাবে।"


🌺নূর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির অতিরিক্ত আমল:

তাহাজ্জুদ: রাতের শেষ ভাগে নামাজ পড়লে মুখে নূর আসে।

দরূদ শরীফ: রাসূল এর উপর দরূদ পাঠ করলে ভেতর-বাহিরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

ওযু: সর্বদা ওযুর অবস্থায় থাকলে মুখে নূর আসে।


আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া ও আখেরাতে নূর ও সৌন্দর্য দান করুন!

কমেন্টে "আমীন" লিখো


ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!


#islamicpost #islamic #dua #viral

বিজ্ঞানের মজার মজার অবাক করা তথ্যকোষ,,,, নুসরাত nusrat ফেইসবুক থেকে নেওয়া 😳

 #বিজ্ঞানের মজার মজার অবাক করা তথ্যকোষ,,,,😳


🔘দুনিয়ার সব পিপড়ার 🐜মোট ওজন, সব মানুষের মোট ওজনের চেয়ে বেশী।😂😱😱


🔘পেঙ্গুইন একটি পাথর উপহার দিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেয়😊। এরা সাধারনত এক সঙ্গীতেই জীবন কাটিয়ে দেয়।😱😱


🔘কোনদিন দাড়ি না কাটলে বা না  ছাটলে সেটা বুড়ো বয়সে ৩ ফুট লম্বা হয়।😜


🔘চেঙ্গিস খানের বংশবিস্তার এমন বিশাল ছিল যে গড় হিসাবে আমাদের প্রতি ২০০ জনের মধ্যে একজন তার আত্মীয়।😂😂😂


🔘কম্পিউটার প্রিন্টার এর কালির দাম পেট্রোল এর প্রায় এক হাজার গুন বেশী।😱


🔘মশার দাত আছে। যদিও মশা কামড়ায় না। হুল ফোটায়।


🔘স্ট্রবেরী (Strawberry) ফল যার বীজ ফলের বাইরে থাকে ।😱


 🔘ফুটবল খেলোয়াড় একটি ম্যাচে গড়ে ১২ কি মি দৌড়ায়।😂😱


🔘মাথা না ঘুরিয়েই পেছনে দেখতে পায় – খরগোশ ও টিয়া পাখি।😱😱


🔘মুল টাইটানিক জাহাজটি বানাতে খরচ হয়েছিল ৭০ লক্ষ ডলার😊। ওদিকে টাইটানিক সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০ কোটি ডলার।😜😱


🔘রেগে গেলে জলহস্তির ঘামের রঙ লাল হয়ে যায়।😱


🔘পেয়াজ ছোলার সময় চুইং গাম চিবালে চোখ জ্বলবে না।😉 (try it)


🔘তাইওয়ানের একটি কোম্পানী গম দিয়ে খাবার থালা (প্লেট) বানায়। অর্থাৎ আপনি খাবার খাওয়ার পরে প্লেটও খেয়ে ফেলতে পারবেন।😜😂


🔘জিরাফ পানি ছাড়া উটের চেয়ে বেশীদিন চলতে পারে।


🔘বাইরের ধুলা বালি ঘরে না আসলে, আপনার ঘরের বেশীর ভাগ ধুলা বা ময়লা আসে আপনার মৃত চামড়া (কোষ) থেকে।😱


🔘বিশ্বের সবচেয়ে বেশী বিমান আছে যে বাহিনীর কাছে তা হল আমেরিকার বিমান বাহিনী। এর পরের অবস্থানে রয়েছে আমেরিকার নৌ-বাহিনী। হ্যা, নৌ- বাহিনী।


🔘স্টারফিশ এক মাত্র প্রানী যে তার পাকস্থলী উলটে দিতে পারে।😱😱


🔘ইসরাইলের ডাকটিকিটের পেছনে যে আঠা থাকে সেটা “কশার” সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। কশার = ইহুদী ধর্মের হালাল😱


🔘আমেরিকার ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরী ভবনটি প্রতি বছর এক ইঞ্চি করে মাটিতে দেবে যাচ্ছে। এর কারন হল লক্ষ বইয়ের ওজন। ইঞ্জিনিয়ারেরা ভবনটি বানানোর সময় বইয়ের ওজনের কথা চিন্তা করেনি।😱😱


🔘মৃত্যদন্ড কার্যকর করার ইলেকট্রিক চেয়ার আবিস্কার করেছিলেন একজন ডেন্টিস্ট মানে দাঁতের ডাক্তার😱


🔘একজন ৭৫ বছর বয়সের মানুষ স্বাভাবিকভাবে মোট ২৩ বছর ঘুমিয়েছে ।😱


🔘তিমি মাছের জিহ্বার ওজন একটি হাতির চেয়ে বেশী।😂😱


🔘যেটাকে ইংরেজিতে “ফ্রেঞ্চ কিস” বলে - সেই একই জিনিস ফ্রান্সে “ইংলিশ কিস” নামে পরিচিত। কেউই নিজের ঘাড়ে দোষ নিবে না।😜😭


🔘প্রতি তিন সেকেন্ডে বিশ্ব ৯ টি শিশু জন্মায়। ওদিকে প্রতি তিন সেকেন্ডে মারা যায় ৪ জন। অর্থাৎ, প্রতি তিন সেকেন্ডে বিশ্বের জনসংখা বাড়ে ৫ জন। তার মানে, আপনি এই দুটি লাইন পড়ার ভেতরেই বিশ্বের জনসংখা ৫-৭ জন বেড়ে গেছে।😂😱😱


🔘পৃথিবী যদিও নিজ অক্ষে ঘন্টায় ১০০০ মাইল বেগে ঘোরে, কিন্তু অবিশ্বাস্য গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলে, ঘন্টায় প্রায় ৬৭০০০ মাইল বেগে😱


🔘শিশু বয়সে মানুষের শরীরে ৩০০ হাড় থাকে, বড় হলে কিছু হাড় জোড়া লেগে হাড়ের সংখা হয় ২০৬।


🔘একটি সাধারন পেন্সিল দিয়ে ৫ কিলো মিটারেরও বেশী লেখা যায়।😳


🔘মানুষের শরীরের চার ভাগের এক ভাগ হাড় থাকে দুই পায়ের পাতায়।😳


🔘শব্দের চেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন প্রথম আবিস্কার – চাবুক।


🔘কোকা কোলার রঙ আসলে সবুজ। এটাকে বাড়তি রঙ মিশিয়ে কালো করা হয়।


🔘আফ্রিকার মাতামী উপজাতীর মধ্যে মানুষের মাথার খুলি দিয়ে ফুটবল খেলার প্রচলন আছে।😳


🔘মানুষের উরুর হাড় কংক্রিটের চেয়েও শক্ত।😳


🔘তেলাপোকার মাথা কেটে ফেললেও এটা কয়েকদিন বাঁচে। এর পরে না খেতে পেরে মারা যায়।😭


🔘চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেওয়া যায় না। খবরদার, চেস্টাও করবেন না। চোখ খুলে বেরিয়ে যেতে পারে।😂


🔘১৩৮৬ সালে ফ্রান্সে , একটি শিশুকে হত্যা করার অপরাধে একটি শুকরকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।😭


🔘প্রত্নতত্ববিদেরা ৯০০০ বছর পুরাতন চুইংগাম খুঁজে পেয়েছেন।😜


🔘বিজ্ঞানীরা অনুসরন করে দেখতে পায় যে, প্রজাপ্রতি ৫০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরে যেতে পারে।😱


🔘এক পাউন্ড মধু উৎপন্ন করার জন্য একটি মৌমাছিকে ২০ লক্ষ ফুলের🌹 কাছে যেতে হয়।😱😱


🔘প্রাচীন জাপানে একমাত্র অন্ধ ব্যক্তিরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ম্যাসাজ করার অনুমতি পেত।


🔘আঙ্গুলের ছাপের মতন জিহ্বার ছাপও প্রত্যেকের আলাদা।


🔘আপনার পুর্বের ২৫ পুরুষ পর্যন্ত আত্মীয় হিসাব করলে আপনার মোট আত্মীয়র সংখা তিন কোটি ছাড়িয়ে যাবে।👈😂😂😂


🔘আধুনিক মহাশুন্যযানে চড়ে বিশ্বের সবচেয়ে কাছের তারাতে যেতে লাগবে ৭০ হাজার বছর।😁😱😱


🔘উল্কাপাতের ফলে সব ডাইনোসার মারা গেল😭। অথচ সেই আমলের প্রানী কুমির, কচ্ছপ বেঁচে রইল।😒


🔘মধু একমাত্র খাবার, যেটা পঁচে না।😌


🔘এস্কিমোদের (বরফের অঞ্চলের অধিবাসী) ভাষাতে “বরফ” শব্দটির শতাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। কিন্তু ওদের ভাষাতে – “হ্যালো” বলার মতন কোন শব্দ নেই।

  


🔘আইনেস্টাইন কখনো মোজা পড়তেন না।👢


🔘মানুষ ঘুমের ভেতর সারা জীবনে একবার হলেও হেঁটে থাকে।


🔘উটপাখির চোখ তার মাথার ঘিলুর চেয়ে বড়।😱


🔘সিগারেট লাইটার আবিস্কার হয়েছে দিয়াশলাই এর আগে।


🔘বিশ্বের সবচেয়ে বড় চাকুরীদাতা হচ্ছে ভারতীয় রেলওয়ে যেখানে ১৬ লক্ষ লোক কাজ করে।😱😱


🔘জন্মানোর পরে শিশুরা রঙ দেখতে পায় না। এর পরে আস্তে আস্তে রঙ দেখা শেখে। চেনে আরো পরে।😱


🔘গ্রীক জাতীয় সঙ্গীত ১৫৮ লাইন।😂


🔘১৫ শতাব্দীর আগের, লেখাতে কোন দাড়ি, কমা ইত্যাদি থাকত না।😱


🔘বিশ্বের সবচেয়ে বড় বীজ় হচ্ছে – নারিকেল।😜


🔘আপেলের বীজে সায়নাইড (সবচেয়ে মারাত্মক বিষ) রয়েছে।😬😭


🔘সারা বিশ্ব একবার ঘুরে আসতে পারে এমন লম্বা মাকড়শার জালের ওজন হবে মাত্র এক পাউন্ড।😱😱


🔘চীন দেশের সবাই যদি একবার, একসাথে ৩/৪ ফুট উপর থেকে মাটিতে লাফ দিয়ে পড়ে তাহলে পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে সরে যাবে।😂😂


🔘সবচেয়ে ছোট যুদ্ধ হয় ১৮৯৬ সালে ব্রিটেন ও জাঞ্জিবার এর মধ্যে – মাত্র ৩৮ মিনিট।😱


🔘নিজেই নিজেকে সুরসুরি দেওয়া যায় না – এটা চেস্টা করতে পারেন।😜


🔘মানুষের ফুসফুস প্যাঁচানো বা কোকড়ানো। এটাকে ছড়িয়ে মাদুরের মতন বিছিয়ে দিলে এটি প্রায় একটি টেনিস কোর্টের সমান বড় হবে।😱


🔘কুকুরের শ্রবণ শক্তি অসাধারণ। আমরা যেই শব্দটা ১০ ফুট দূর থেকে শুনতে পাই সেই শব্দটা কুকুর ১০০ ফিট দূর থেকেও শোনে।😱


🔘সবচেয়ে বেশী মানুষের মৃত্যু ঘটায় যে প্রানী – মশা ।😭😭


🔘বিশ্বের সব মানুষকে যদি (অনুপাত ঠিক রেখে) ১০০ জনে নামিয়ে আনতে পারেন। তাহলে এর মধ্যে ৫৭ জন এশিয়ান, ২১ জন ইউরোপিয়ান, ১৪ জন আমেরিকান ও ৮ জন আফ্রিকান পাবেন। আর নিজের কম্পিউটার আছে এমন লোক পাবেন মাত্র ১ জন।😊


🔘হাতি পায়ের আঙ্গুলের উপরে ভর করে হাঁটে কারণ তাদের পাতার পেছনের অংশটিতে কোন হাড় নেই, শুধুই চর্বি।😱


🔘জন্মের পর থেকেই আমাদের চোখের আকার একই আছে। কিন্তু নাক ও কান বড় হচ্ছে, বেড়েই চলছে।😱


🔘শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী মাংশপেশী – জিহবা।👅


🔘সাদা ভাল্লুকের লোম সাদা নয় বরং স্বচ্ছ। আলোর প্রতিফলনের জন্য এটাকে আমরা সাদা দেখি।😱


🔘নীল তিমির রক্তের নালী এত মোটা যে এর মধ্যে দিয়ে একজন মানুষ সাঁতার কাটতে পারে।😂😂


🔘যারা বাম হাতে কাজ করে অভ্যস্ত তারা একটি বোতলের মুখ পেঁচিয়ে সহজে খুলতে পারে।😌


🔘কী-বোর্ডের উপরের লাইনেই সব অক্ষর রয়েছে, এমন সবচেয়ে বড় ইংরেজী শব্দ Typewriter।😌


🔘শিশুদের হাঁটুতে বাটি/ টুপি থাকে না। এটা গজায় ২ বছর বয়সের পরে।


🔘আধুনিক মহাশুন্যযানে চড়ে বিশ্বের সবচেয়ে কাছের তারাতে যেতে লাগবে ৭০ হাজার বছর।😱😱


🔘উটের চোখের পাতা তিনটি।✨


🔘টাকা আসলে এক ধরনের তুলা দিয়ে তৈরি,,,,কাগজ নয়।


🔘পাকস্থলীর ভেতরে, প্রতি ১৫ দিনে, নতুন আবরণ তৈরি হয়। তা না হলে পাকস্থলী নিজেই নিজেকে হজম করে ফেলত। হজম করার কিছু না পেলে পাকস্থলী নিজেকেই হজম করা শুরু করে।😂


🔘হাঁসের ডাকের প্রতিধ্বনি (echo) হয় না।😌


🔘চকলেট কুকুরের শরীরের জন্য এত ক্ষতিকর যে এটা একটি কুকুরকে মেরেও ফেলতে পারে।😭


🔘মানুষের মতন কুকুর বেড়ালও ডান-হাতি বা বাম-হাতি হয়।😊


🔘নকল চার্লী চ্যাপলিন সাজার প্রতিযোগীতায় গোপনে অংশ নিয়ে চার্লী চ্যাপলিন নিজেই ৩য় স্থান অধিকার করেন।


🔘লাইব্রেরী থেকে সবচেয়ে বেশী চুরি হওয়ার রেকর্ড করেছে যে বইটি - Guinness Book of Records।😂😂


🔘গুহা থেকে বের হবার সময় বাদুড় সব সময় বায়ে যায়। কখনো ডানে নয়।😱


🔘ব্রিটিশ পার্লামেণ্টে স্পিকার এর কথা বলার অনুমতি নেই।😂


🔘ডিনামাইট তৈরির একটি উপাদান – বাদাম। লিপস্টিক তৈরির একটি উপাদান – মাছের আঁশ।😱


🔘বাঘের শুধু লোমই নয়, চামড়াও ডোরা কাটা।😱😱


🔘গরম পানি, ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে বরফ হয়।😱


🔘উটের দুধ জমে দই হয় না।


🔘মানুষের ব্রেনের ৮০% ই পানি।😱


🔘হাতের নখ, পায়ের নখের চেয়ে ৪ গুন দ্রুত বাড়ে।😱


🔘ডলফিন একই সাথে ঘুমাতে ও সাঁতার কাটতে পারে।😱😱


🔘গ্যালিভার্স ট্রাভেল (লিলিপুটের গল্প) গল্পে, মঙ্গল গ্রহের দুটি উপগ্রহ, এর আকার, দুরত্ব ইত্যাদি বিষয়ে সঠিক বর্ননা রয়েছে। লেখক জনাথন সুইফট এই সঠিক বর্ননা করেন উপগ্রহ দুটি আবিস্কার হবার প্রায় ১০০ বছর আগে।😱😎


🔘একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে ২ থেকে ৯ পাউন্ড পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়া থাকে।😂😱😱


🔘দুনিয়ার সব সমুদ্রে মোট যত গ্লাস পানি আছে – তার চেয়ে বেশী সংখক পরমানু আছে এক গ্লাস পানিতে।😂😱😱


🔘মানুষ প্রাচীন কাল থেকে ঘোড়ায় চড়লেও – পা দানি আবিস্কার করতে হাজার বছরের বেশী সময় লেগেছে।😱


🔘আপনার শরীরের পুরাতন কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্মায়। এভাবে প্রতি সাত বছর পরে শরীরের পুরাতন কোন কোষই আর অবশিষ্ট থাকে না। সবই নতুন কোষ। এর মানে, যুক্তিগত ভাবে, ৭ বছর আগের আপনি আর এই আপনি এক নন।😱😱


🔘গঠন প্রনালী ও কার্য প্রনালীর দিক দিয়ে বিচার করলে গাছ মানুষের ফুসুফুসের ঠিক বিপরীত ।😱


🔘ছাগলের চোখের মনি আয়তকার (চারকোনা)।😱


#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দী...