🛑এপিস মেলিফিকার সংক্ষিপ্ত রূপ
![]() |
🛑
🔷মানসিক লক্ষণ (MENTAL):
▪️ঈর্ষা, রাগ ও বিরক্তি থেকে রোগের উৎপত্তি।
▪️জিহ্বা তীক্ষ্ণ, কথাবার্তা ও হুল ফোঁটানো।
▪️অস্থিরতা, অকারণ ব্যস্ততা, তাড়াহুড়ো স্বভাব,বসে থাকতে পারে না।
▪️কারণ ছাড়াই কান্না করে।
▪️খিটখিটে, অসন্তুষ্ট, হতাশ।
▪️পাখি, সুচ, মৃত্যু—এগুলোর ভয় পায়।
▪️মৃত্যুর পূর্বাভাসের অনুভূতি (Presentiment of death)।(acon,arg-n)।
🔷শারীরিক লক্ষণ (PHYSICAL):
▪️কিডনির ডিসফাংশনের কারণে হাত পায়ে পানি জমে ফোলা (ড্রপসিকাল এডিমা)।
▪️জয়েন্টে ফোলা ও প্রদাহ, বিশেষ করে গোড়ালিতে।
▪️ঠোঁট, হাত ও পা ফোলা,
বিশেষ করে চোখের চারপাশে ও নিচে।
▪️ব্যথা হয় জ্বালাপোড়া ও সুচফোঁটার মতো (মৌমাছির হুল ফোটার মতো)।
▪️(Awkwardness) জিনিসপত্র সহজে হাত থেকে পড়ে যায়।
▪️Erysipelas ধরনের প্রদাহ (লাল, ফোলা, জ্বালাযুক্ত ত্বক)।
🔷চর্ম ও অন্যান্য লক্ষণ:
▪️Urticaria (আমবাত/চাকা ওঠা)—মুখ, হাত-পা, পিঠে।
▪️ঠান্ডা প্রয়োগে উপশম।
▪️গরমে বৃদ্ধি।
▪️উত্তাপ,ঘাম, রাত ও ব্যায়ামে বৃদ্ধি।
★★গরম ও জ্বালা থাকা সত্বেও এদের পানির পিপাসা থাকে না।
▪️থেমে থেমে জ্বর, বিকাল ৩টার দিকে কাঁপুনি, সাথে তৃষ্ণাহীন।
▪️মলদ্বার শিথিল, খোলা থাকার অনুভূতি।
🔷অন্যান্য:
▪️মূত্রথলির প্রদাহ (Cystitis)—জ্বালাপোড়াসহ।
▪️ Quincke’s angioneurotic oedema (হঠাৎ মুখ/ঠোঁট/চোখ ফুলে যাওয়া)।
▪️ অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া।
🔷Complementaries :Natrum Mur.
🔷Inimical: Rhus-tox.

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন