🟨 চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হতে যাচ্ছে
👉 নতুন প্রণীত ‘মূল্যায়ন পদ্ধতি, ২০২৬’- এর খসড়া অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
👉 প্রথমবারের মতো প্রতিটি বিষয়ে বাধ্যতামূলক মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা যুক্ত করা হয়েছে।
👉 পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে পাসের জন্য ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে পাস নম্বর ৩৩ শতাংশ করা হয়েছে।
👉 শিক্ষার্থীকে প্রতি প্রান্তিকে মোট ৮৫ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিতি থাকতে হবে।
👉 প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ৫০ নম্বর থাকবে ধারাবাহিক মূল্যায়নে (সারা বছরের পারফরমেন্স) এবং বাকি ৫০ নম্বর থাকবে সামষ্টিক মূল্যায়নে (লিখিত ও মৌখিক)। এই দুই শ্রেণির অন্যান্য বিষয়ে (চার বিষয়) ৫০ নম্বরের মধ্যে ২৫ নম্বর ধারাবাহিক ও ২৫ নম্বর সামষ্টিক মূল্যায়নে বরাদ্দ করা হয়েছে।
👉 তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বিজ্ঞান ও ধর্ম শিক্ষা বিষয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৩০ নম্বর থাকবে ধারাবাহিক মূল্যায়নে। আর ৭০ নম্বর থাকবে সামষ্টিক মূল্যায়নে। এই ৭০ নম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলকভাবে মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে হবে। এছাড়া শিল্পকলা এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ে ৫০ নম্বরের মধ্যে ধারাবাহিক ১৫ এবং সামষ্টিক মূল্যায়নে ৩৫ নম্বর রাখা হয়েছে।
👉 ফলাফল প্রকাশ করা হবে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ এবং ‘ঘ’-এই চারটি গ্রেডে। অর্থাৎ অতি উত্তম, উত্তম, সন্তোষজনক, সহায়তা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে যারা শূন্য থেকে ৩৯ নম্বর পাবে-তাদের গ্রেড হবে ‘ঘ’।
✍️ আনিসুর রহমান।
🇧🇩 বাংলাদেশ শিক্ষাক্রম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন