🔻Parkinson’s disease এর হোমিও ঔষধ 🔻
🔷এ রোগের চিকিৎসা করতে হলে প্রথমত কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। তারপর রোগের লক্ষণ নিতে হবে । পারিবারিক ইতিহাস নিতে হবে। এরপর রোগীর টোটালিটি অফ সিমটম দ্বারা চিকিৎসা করতে হবে।
🔴 Agaricus Muscarius
- হাত-পা কাঁপে, অস্বাভাবিক নড়াচড়া
- মুখ বা শরীর হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে।
- ঠান্ডা আবহাওয়ায় উপসর্গ বাড়ে
- হাসি বা কথা বলায় অসামঞ্জস্য
🔴Causticum:
-সমস্যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। অঙ্গসমূহের শীতলতা, আড়ষ্টতা। জিহ্বার পক্ষাঘাত। ডান সাইডে বেশি সমস্যা। মানসিক দুঃখ কষ্ট থেকে রোগের উৎপত্তি।
এর সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকবে। রোগী অন্যায় মেনে নিতে পারে না। সিমপ্যাথেটিক।
🔴 Gelsemium
- দুর্বলতা, ঝিমঝিম ভাব
- ধীর গতিতে কথা বলা ও চলাফেরা
- হাত কাঁপা, মাথা ভার ।
- উদ্বেগ বা মানসিক চাপে উপসর্গ বাড়ে।
---
🔴Zincum Metallicum*
- পা বা শরীরে অনবরত ঝাঁকুনি
- চুপচাপ বসে থাকতে পারে না । সবসময় পা দুলাতে থাকে।
- মানসিক উত্তেজনা বা ক্লান্তি বাড়ালে উপসর্গ বেড়ে যায় ।
- স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়।
🔴Mercurius Solubilis*
- কাঁপুনি, দুর্বলতা, জিভ কাঁপা
- কথা জড়ানো
- অতিরিক্ত ঘাম
- কাঁপুনি সহ হাতের কৌশল নষ্ট হয়ে যায়।
-রোগী উভয় কাতর। জিহ্বা আর্দ্র, থলথলে,দাঁতের ছাপ যুক্ত। মুখে দুর্গন্ধ। অদম্য পানির পিপাসা।
---
🔴 Phosphorus*
- দুর্বলতা, স্মৃতি লোপ
- কথা বলতে গেলে কষ্ট হয়
- চোখে আলো কমে যাওয়া
- কোমল প্রকৃতির রোগীদের জন্য উপযুক্ত।
-রোগ ঠান্ডা খাবার ঠান্ডা পানিও পছন্দ করে। নানান জাতের ভয় থাকে। একা থাকতে পারে না। বজ্রপাতের ভয়।
---
🔴 Lathyrus Sativus*
- পা দুর্বল, ভারসাম্য রাখতে সমস্যা হয়।
-চোখ বন্ধ করে দাঁড়ালে মাথা ঘোরে।
- প্যারালাইসিসের মতো উপসর্গ
-রোগী বেশিক্ষণ পা ঝুলাইয়া বসে থাকলে তার পা ফুলে নীল হয়ে যায় এবং ঠান্ডা থাকে। রাত্রে গরমও জ্বালা করে।
-হাঁটার সময় সামনের দিকে বুক এবং পিছন দিকে নিতম্ব হেলাইয়া চলে।
★🔷এছাড়া-Arsenic alb,Alumina,Natrum mur,Ignatia,Lachesis,Lac can,Lycopodium, Pulsatilla,Argent nit,Aurum met,Sep,Tub
ইত্যাদি মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন