এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভালো ফল পেতে আমের মুকুলে স্প্রে করার সঠিক নিয়ম ও বিশেষ যত্ন ( জৈবসহ):

 ভালো ফল পেতে আমের মুকুলে স্প্রে করার সঠিক নিয়ম ও বিশেষ যত্ন ( জৈবসহ):

আজকে আপনাদের জানাব

১. কয়বার স্প্রে করতে হবে

২. ফল ঝরা রোধে করণীয়

৩. জৈব পদ্ধতিতে হপার পোকা ও ফল ছিদ্র কারী মাছি পোকা দমন

৪. কখন সেচ দিবেন


চলুন জেনে নেই-


✅প্রথমবার স্প্রেঃ ( জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগে)

✔️সাইপারমেথ্রিন অথবা ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মিলি / লিটার পানিতে

অথবা

✔ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

✔ একদিন পর সালফার অথবা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


তবে মুকুল আসার আগে স্প্রে করা জরুরি নয়। ঘন কুয়াশা অবস্থায় আগাম ব্যবস্থা হিসেবে এটি করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


⏹️মুকুল আসার পরে-


✅২য়বার স্প্রেঃ (মুকুল ৪-৬ ইঞ্চি হওয়ার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে)

✔️হপার পোকা দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

✔️একদিন পর অ্যানথ্রাকনোজ রোগ দমনে ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন ইন্ডোফিল / ডায়থেন এম ৪৬/নেমিস্পোর /এগ্রিজেব ৮০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


জৈব পদ্ধতিঃ গাছে হপার পোকা দমনে মুকুল আসার পর পর আঠালো হলুদ ও নীল ফাদ লাগিয়ে দিতে পারেন।


ভালো ফলন পেতে

২য়বার স্প্রে করার ২-৩ দিন পরে সলুবর বোরন লিটারে ১.৫ গ্রাম হারে এবং চিলেটেড জিংক লিটারে ০.২৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


⛔সতর্কতাঃ ফুল ফোটার পর কোন স্প্রে করা যাবে না। স্প্রে করার সময় গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।


✅তৃতীয়বার স্প্রেঃ (ফল মটরদানা আকৃতির হলে)

উপরের ২য়বার স্প্রে করার নিয়মে ইমিডাক্লোপ্রিড, ম্যানকোজেব অথবা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করবেন।


ফল ঝরা রোধে

প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে ফল মটরদানা অবস্থায় একবার এবং মার্বেল আকৃতির হলে দ্বিতীয়বার স্প্রে করতে হবে।


জৈব পদ্ধতিতে মাছি পোকা দমনেঃ

ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ফল মার্বেল অবস্থা থেকে ম্যাজিক ফাঁদ অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ফল ব্যাগিং করে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


(ম্যাজিক ফাঁদ, জোনাট্র্যাক, ব্যাগ কিংবা হলুদ ও নীল কার্ড e-Krishi Clinic shop এ পাবেন)


সেচ প্রদান

ফলন্ত গাছে মুকুল আসার ৩ মাস আগে থেকে সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।

আমের মুকুল ফোটার শেষ পর্যায়ে কমপক্ষে একবার এবং ফল মটর দানা হলে একবার সেচ দিতে হবে।


তবে মুকুল অবস্থায় সেচ দেওয়া নিয়ে মতভেদ আছে। ফুল ফোটার আগে সেচ দেওয়া যাবে না।


কলম করা গাছের বয়স ৪ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙ্গে দেওয়া ভালো। এতে আম গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় ও দীর্ঘ দিন ফল দেয়। তবে গাছের বৃদ্ধি খুব ভালো হলে ৩ বছরের পর থেকে মুকুল রাখতে কেউ কেউ পরামর্শ দেন।


গাছের গোড়া আগাছা মুক্ত ও পরিষ্কার রাখতে হবে। মনে রাখবেন এসব আগাছায় পোকা বাসা বাঁধে।


© মো. মমিন সরকার, সহ-প্রতিষ্ঠাতা, ই-কৃষি ক্লিনিক


এছাড়া ফসলের চিকিৎসা ও কৃষি পরামর্শ পেতে ই-কৃষি ক্লিনিক পেইজে মেসেজ করুন। নিয়মিত আপডেট পেতে পেইজ ফলো করুন।


#আমচাষ #আমের_মুকুল #মুকুল_পরিচর্যা #হপার_পোকা #ফল_ঝরা #মাছি_পোকা #জৈব_পদ্ধতি #বালাইনাশক  #কৃষি_পরামর্শ #ekrishiclinic

কোন মন্তব্য নেই:

হ্যাশট্যাগ: একটি ছোট চিহ্নের বিশাল গল্প

 হ্যাশট্যাগ: একটি ছোট চিহ্নের বিশাল গল্প আপনি যদি আজকের ডিজিটাল দুনিয়ায় একটু চোখ বোলান, তাহলে দেখবেন টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউব, ...