সাবুদানাতে প্রাকৃতিকভাবে কিছু পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রন থাকে, যা হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে। তাই জেনে নিন উপকারী এই খাবারটির জাদুর সম্পর্কে 👇👇
পুষ্টিগুণ: ১০০ গ্রাম সাবুদানায় প্রায় ২০-৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। ২ চামচ (প্রায় ২৫-৩০ গ্রাম) সাবুদানায় ক্যালসিয়ামের পরিমাণ খুব সামান্য।
সঠিক প্রভাব: হাড়ের ক্ষ য় রোধে সাবুদানা তখনই জাদুকরী কাজ করে, যখন এটি দু ধের সাথে মিশিয়ে খাওয়া হয়। দু ধ এবং সাবুদানার সংমিশ্রণ শরীরে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের অভাব দ্রুত পূরণ করে এবং অস্টিওপ রোসিস (হাড় ক্ষ য়) বা হাড়ের দুর্বলতা কমাতে সহায়তা করে।
সাবুদানার অন্যান্য উপকারিতা👇👇
১. তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়: সাবুদানা কার্বোহাইড্রেটের চমৎকার উৎস। শরীর দুর্বল লাগলে বা ক্লান্ত থাকলে এটি দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে দেয়।
২. হজমে সহায়তা করে: এটি সহজপাচ্য এবং পেটের জন্য খুব হালকা। গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় এটি বেশ উপকারী।
৩. ওজন বাড়াতে সহায়ক: যারা খুব রোগা বা স্বাস্থ্য বাড়াতে চান, তাদের জন্য দু:ধ-সাবু একটি আদর্শ খাবার।
৪. শরীর ঠান্ডা রাখে: সাবুদানার শরীর ঠান্ডা করার গুণ রয়েছে, যা পেটের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
২ চামচ সাবুদানা খাওয়ার নিয়ম👇👇
হাড়ের সুরক্ষায় প্রতিদিন বা সপ্তাহে কয়েক দিন এই নিয়মে সাবুদানা খেতে পারেন:
উপকরণ:
সাবুদানা: ২ চামচ (বড় দানা হলে ভালো)
দু'ধ: ১ গ্লাস
মিষ্টির জন্য: সামান্য গুড়, মধু বা কিশমিশ (চিনি এড়িয়ে চলাই ভালো❌)
বাদাম: কাঠবাদাম বা কাজু (ঐচ্ছিক, ক্যালসিয়ামের জন্য ভালো)
🥣প্রস্তুত প্রণালী:
১. ভিজিয়ে রাখা: প্রথমে ২ চামচ সাবুদানা ভালো করে ধুয়ে অন্তত ৪-৫ ঘণ্টা বা সারারাত পর্যাপ্ত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে সাবুদানা ফুলে উঠবে এবং হজমে সহজ হবে।
২. রান্না করা: একটি পাত্রে দু'ধ গরম করুন। দু'ধ ফু/টে উঠলে ভেজানো সাবুদানা দিয়ে দিন।
৩. ঘন করা: মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না সাবুদানা স্বচ্ছ (কাঁচের মতো) হয়ে যায়।
৪. পরিবেশন: চুলা থেকে নামিয়ে সামান্য ঠান্ডা হলে মধু বা গুড় এবং বাদাম কুচি মিশিয়ে খেয়ে নিন।
টিপস: হাড়ের জোর বাড়াতে সকালের নাস্তায় বা বিকেলে এই "দু'ধ-সাবু" খাওয়া সবচেয়ে বেশি কার্যকর 🥣🥣🥣✅
✍️ Informative Channel
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন