এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

অবশেষে নহাটা বাজারের দুলাল কসাইয়ের সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত হলো,

 অবশেষে নহাটা বাজারের দুলাল কসাইয়ের সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত হলো, সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে তার, অসুস্থ গরু জবাই করার জন্য এবং সেই অসুস্থ গরুর গোশত জনসাধারণের মাঝে বিক্রি করে খাওয়ানোর জন্য এবং নিউজ সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের হেনস্থা ও অপমান করার শাস্তি ও জরিমানা। 


ভূমিকাঃ

গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১২.০০ ঘটিকার সময় শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের জনৈক বাশার মীরের নিকট থেকে কসাই দুলাল মিয়া একটি গাভী ক্রয় করে এবং জবাই করে নহাটা বাজারে এনে মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে সাধারন জনগনের মাঝে গোস্ত বিক্রি করে, গাভীটি অসুস্থ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পচন ধরে ছিলো বলে জনাব ফারুক আহমেদ, সভাপতি মাগুরা সংবাদিক ইউনিয়ন লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। উক্ত বিষয়ে তদন্তের জন্য সরকারি ভাবে তারিখঃ ১৭/০২/২০২৬ ইং এর মাধ্যমে ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়। উক্ত বোর্ডের সদস্য ছিলেন


০১। ডাঃ কাজী মোঃ আবু আহসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মহম্মদপুর, মাগুরা

০২। অচিন্ত্য সাহা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত), সিভিল সার্জন অফিস, মাগুরা,

০৩। ডাঃ জাকারিয়া ইসলাম, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মহম্মদপুর, মাগুরা

-সদস্য, -সদস্য সচিব। কার্যবিবরণীঃ - সভাপতি।


সরকারি কর্মকর্তা মাগুরা মহোদয়ের স্মারক এর মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক গত ২২/০২/২০২৬ ইং তারিখে সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় আমরা উপরোল্লিখিত তদন্ত বোর্ডের ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি নহাটা বাজারে অবস্থিত কসাই দুলাল শেখের মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে যাই এবং সেখানে গিয়ে প্রথমে কসাই দুলাল শেখের সাথে কথা বলি।


দুলাল শেখ জানান যে, গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখ শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের জনৈক বাশার মীরের নিকট থেকে তিনি একটি গভী গরু ক্রয় করেন জবাই করে নহাটা বাজারে এনে মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে বিক্রয় করেন। তিনি আরো জানান গরুটি পা ভাঙ্গা ছিলো। পা ভাঙ্গা থাকায় গরুটি ক্রয় করে নহাটা নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি বিধায় বিক্রেতার বাড়িতেই গরুটি জবাই করে গোশত নহাটা বাজারে আনা হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান যে, গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে তিনি দোকানে উপস্থিত ছিলেন। তখন কতিপয় সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার গোশতের দোকানে আসে এবং তার সাথে অসুস্থ গরু জবাই নিয়ে বাক বিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে সাংবাদিকগন দুলাল মিয়ার সহিত মোবাইলে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থ দাবী করেন। দুলাল মিয়া সাংবাদিকগণকে নহাটা বাজারে আসতে বলেন এবং সাংবাদিকগণ নহাটা বাজারে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বাজার থেকে কতিপয় ব্যক্তি সাংবাদিকগণকে মারতে উদ্যত হয়। মোঃ এনামুল হক পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সাংবাদিক গণকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন। রোগাক্রান্ত গরু জবাই সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগকারী সাংবাদিক প্রায়শই তার কাছে অর্থ দাবী করতেন এবং এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বর্ণিত সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার নিকট ১০০০০/- (দশ) হাজার টাকা দাবী করেছেন, টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করার কারণে তারা এই কাজ করেছেন।


প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যঃ

কসাই দুলাল মিয়ার সহিত কথা বার্তার সময় সেখানে আনুমানিক ৪০/৫০ জন লোক উপস্থিত হয়। উপস্থিত লোকেরা প্রত্যেকেই অসুস্থ গরু বা রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে। গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে কতিপয় সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার গোশতের দোকানে আসে এবং তার সাথে অসুস্থ গরু জবাই নিয়ে অবৈধভাবে টাকা দাবী করেন এবং বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকগণ পুরনায় নহাটা বাজারে আসলে দুলাল শেখ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বাজার থেকে কতিপয় ব্যক্তি সাংবাদিকগণকে মারতে উদ্যত হয়। মোঃ এনামুল হক পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সাংবাদিকগণকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন।


পরবর্তীতে আমরা তদন্ত বোর্ডের ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট কমিটি শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামে যাই এবং গরুর মালিক আবুল বাশার মীরের সাথে কথা বলি।


জিজ্ঞাসাবাদে আবুল বাশার মীর জানান যে, ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখের ৩/৪ দিন আগে গরুটি গোয়াল ঘর থেকে বের করার সময় পা পিছলে গোয়ল ঘরের ভিতরে পড়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও গরুটি তুলতে পারেননি তিনি। পরে তিনি নালিয়া বাজারে পশু ডাঃ এর পরামর্শ নেন। পশু ডাঃ জানান যে, গরুটির পায়ের হাড়/কটি ভেঙ্গে গিয়েছে। চিকিৎসায় গরুটি সুস্থ করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে তিনি গরু বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন এবং কসাইয়ের কাছে ৬০০০০ টাকায় গরুটি বিক্রয় করেন। পা ভাঙ্গা থাকায় গরুটি কসাই তার বাড়ীতেই জবাই করেন এবং গোশত নিয়ে যান। আবুল বাশার মীর এর প্রতিবেশীদের সাথে কথাবার্তা বলে জানা যায়, গরুটির পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে যায়। ২/৩ দিন গরুটি পা ভাঙ্গা অবস্থায় গোয়ালে ছিলো তবে অন্য কোন অসুস্থতা বা পচন ধরা ছিলো না। পরবর্তীতে গরুটি বাশার মীর কসাইয়ের কাছে বিক্রয় করে দেন।


পরবর্তীতে নালিয়া বাজারের পশু চিকিৎসক মোঃ আল-আমিনের সাথে কথা বলি। আল-আমিন জানান, গত মাস খানিক আগে বাশার মীর তাকে গরু অসুস্থতার কথা জানালে তিনি গরুটি দেখতে যান। তিনি গরুটি দেখে জানান যে, গরুটির পায়ের হাড়/কটি ভেঙ্গে গিয়েছে। তাছাড়া গরুটির অন্য কোন অসুস্থতা ছিলো না বা পচন ধরা ছিলো না।


সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক মতামতঃ

১। আবুল বাশার মীর গরুটি ৬০০০০/- টাকায় কসাই দুলাল মিয়ার কাছে বিক্রয় করেন।


২। গরুটি পা ভাঙ্গা ছিলো তবে অন্য কোন অসুস্থতা বা পচন ধরা ছিলো না।


৩। গরুটি পা ভাঙ্গা থাকার কারনে কসাই বাশার মীরের বাড়ীতেই গরুটি জবাই করা হয়।


৪। গরু বা পশু জীবিত অবস্থায় সুস্থ কি না সেটা প্রত্যয়নের দায়িত্ব প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের জবাইয়ের পরে গোশত ভালো অথবা নষ্ট সেটা প্রত্যয়নের দায়িত্ব স্বাস্থ্য বিভাগে কর্তব্যরত স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের।


ডাঃ জাকারিয়া ইসলাম মেডিকেল অফিসার

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহম্মদপুর, মাগুরা ও সদস্য সচিব, তদন্ত বোর্ড অচিন্ত্য সাহা

জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারঃ), সিভিল সার্জন অফিস মাগুরা ও সদস্য, তদন্ত বোর্ড ডাঃ কাজী মোঃ আবু আহসান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মহম্মদপুর, মাগুরা ও সভাপতি, তদন্ত বোর্ড।


Basic News 24

News Editor, Faruk Ahamed

ফেইসবুক থেকে কপি করা 

কোন মন্তব্য নেই:

SHORTWAVE - শর্টওয়েভ পর্ব - ১

 SHORTWAVE - শর্টওয়েভ পর্ব - ১ নমস্কার কেমন আছেন সবাই?, আশা করি ভালো আছেন। আমার আগের পোস্ট এর রেশ টেনে বলছি, যারা বলছেন শর্টওয়েভ এ শোনার ম...