এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গা*জম হয় সহজ লাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া ?

 কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গা*জম হয়?


যৌন জীবনে একই রুটিন আরেক দিনে বোরিং হতে পারে! গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ দম্পতি বছরের পর বছর একই অবস্থাতেই আটকে থাকেন, কারণ নতুন কিছু করতে গেলে একটু অসুবিধা লাগে। একই পজিশনে বারবার মজে থাকা মানে প্লেটের একরকম খাবার খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে যাওয়া। তাই মাঝে মাঝে একটু নয়া অ্যাংগেল, নতুন তিকমিকে মায়ের রান্নার রেসিপির মতো রইল, জীবনবদলের ঝাঁঝ। কিছুটা লোমন-সঙ্গীতের তালে মিলে একটু ভঙ্গিমা বদলানো মানেই যৌন স্বাস্থ্যের জন্য এক বা দুই পয়েন্ট প্লাস, সম্পর্কেও আসে সতেজতা।


বিভিন্ন পজিশনে সেক্সের উপকারিতার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে মনোযোগ আর উত্তেজনা। একই পজিশনে আটকে থাকলে সম্পর্ক উন্মত্ততা হারায়, কিন্তু কিছু নাড়াচাড়া করলে মনের মধ্যে আগুন জ্বলে ওঠে। নতুন পজিশনে ট্রাই করলে শরীরের নতুন অংশ জুড়ে উৎকণ্ঠা ছড়াতে থাকে, মনের মাঝে চলছে নতুন গেম! এই নিয়ম মেনে চললে সুখী দম্পতিরা স্পষ্ট অনুভব করে, রুটিন ছিন্ন হলে সেক্স লাইফ হয় অনেক বেশি স্পাইসি এবং ফ্রেশ। তাই বলতেই হাসির উদ্রেক হবে – নয় বছর পর বিবাহিত জুটির মধ্যে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সেক্স লাইফকে ছেড়ে দিন, গান-বাজনা, পজিশন বদলানো – সব মিলিয়ে মহিলারা পুরুষদের তুলনায় ২০% বেশি সম্ভাবনায় অর্গাজম পান!


নারীদের অর্গাজমের জন্য সেরা পজিশন

যতই বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা চিৎকার করুক, তথাপি মহিলাদের অর্গাজম নিয়ে অনেকেই কনফিউজড। তবে ডাক্তারদের মতে, কিছু পজিশনে নারীদের ত্বরিত সত্তা পাওয়া যায়। সাধারণত, পেছন থেকে অনুপ্রবেশ (ডগি স্টাইল) অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক: পেছন থেকে কামড়ালে মহিলা নিজে নিজের গা ফুলিয়ে রাখতে পারে, এবং এই অবস্থায় কোমর একটু ভিন্ন ভাবে বাঁকিয়ে রাখলে G-বিন্দুতে স্পর্শ সহজ হয়।


হিপের নিচে বালিশ রেখে রাখুন একটু উঁচু করে – দেখি পুরুষের পেনিস আর গা দুইজনের মধ্যার অতিক্রান্ত পথে কতদূর এসে ঠেকে! অন্যদিকে মহিলা উপরে (কউগার বা reverse cowgirl) পজিশনে থাকলে বৌদি নিজে তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তার মানে, পছন্দ মত যেকোন অ্যাংগেলে মুভ করে নিজের ক্লিটোরিস ও ভেতরের দিকে স্পন্দন বাড়িয়ে তোলার সুযোগ চলে আসে। আর কথা বাদ দিয়ে এক্সপ্লোর করতে করতে এতি আপনার মনের অভ্রান্ত যোগসূত্র গড়ে তুলুন, কারণ মহিলাদের মাত্র ৩৫% খালি পেনেট্রেটিভ সেক্সেই তৎক্ষণাত অর্গাজম পায় – বাকি ৮০% মেয়েদের জন্য clit স্টিমুলেশন বা উত্তেজনার সংমিশ্রণ জরুরি।


 


ক্লিটোরিস তো থাকেই, আর একটি উপায় হল অর্গাজমের ‘গোল্ডেন ট্রিও’: হালকা ঠোঁটের আছাঁছাঁ, ওরাল সেক্সের চুম্বন আর ভালো কিচিং। তবে সোজাসাপ্টা বলতে, শরীর খুলে দিয়ে একে অপরকে খুঁড়তে হবে ভালো করে। পজিশন পাল্টালে শরীরের অন্য কোনো অংশও খাঁটিয়ে মিলে যায়, যা পুরনো পজিশনের একঘেয়েমি ভেঙে নতুন আনন্দ এনে দেয়। তাই যখন মন চায় তাড়াতাড়ি মেয়ে orgasম করতে, তখন হয়তো আপনার উল্টো পেছন থেকে চাপুন (ডগি) বা মেয়েকে উপরে বসিয়ে দিন, আর হাত দিয়ে খানিকটা ক্লিটোরাল সঙ্গতিতে থাকতে হবে।


দ্রুত গর্ভধারণের জন্য সঠিক পজিশন

গর্ভধারণের নেপথ্যে অনেক গল্প-কিস্সা রয়েছে, তবে বৈজ্ঞানিক হিসাবে কোনো সুনির্দিষ্ট “ম্যাজিক পজিশন” নেই। ব্রিটিশ দাদার মত প্রচলিত কিংবদন্তি যেমন যৌনান্তে ভিড়িয়ে গুটিকয়েক ঘন্টা শুয়ে থাকতে বলে, সেটা এখনও প্রমাণ হয়নি। এ ব্যাপারে গবেষণা বলছে, মিশনারি বা ডগি-স্টাইলে গভীর অনুপ্রবেশ হতে পারে, কিন্তু এর সাথে সরাসরি গর্ভধারণের হার বাড়ার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আপসাক থিওরি নামক একটি তত্ত্ব আছে, যেখানে ধরা হয় নারীর অর্গাজমের সময় সিস্টেমিক সংকোচন স্রোতকে গর্ভনালিকে টেনে নিয়ে যায়। মানে, যৌন সঙ্গমে যদি মহিলাদের সঙ্গেও সময়মতো অর্গাজম হয়, তাহলে আদতে শুক্রাণুগুলোকে একটু সাহায্য হতে পারে – গবেষণায় দেখা গেছে, যদি নারী অর্গাজম পান যৌথ মিলনের আগেই বা একই সময়ে, তাহলে স্রোত অনেকক্ষণ ধরে থাকে।


তবে আসল কথা: “সময়” মাস্ট! যেকোন পজিশনে সেক্স করুন, যদি সেটা আপনার মেসাজ ভাল হয় এবং আপনি সঠিক সময়ে ফার্টাইল উইন্ডোর মধ্যে মিলন করেন। অর্থাৎ মাসিকের ৩-৫ দিন আগে বা ওপডিউলেশনের দিন তখনই প্রকৃত প্রজননশক্তি কাজ করে। বালিশের উপরে ২ মিনিট শুয়ে কিচি-কিচি করার চেয়ে, ওই “ক্ষতিকালে” নিয়ম করে লেবার করুন – ফলাফলে সন্তুষ্টি পাবেন নিশ্চিত!


ছোট পেনিসের জন্য বিশেষ পজিশন

ভাইবোনেদের বলি, পেনিস সাইজ কোনো ব্যাপার না যতদূর পর্যন্ত আপনি সঙ্গির সাথে খোলা মন নিয়ে চান! কিন্তু কিছু পজিশন সত্যি কাজে আসে পেনিস ছোট হলে। প্রাথমিক পরামর্শগুলো নিম্নরূপ:


ডগি স্টাইল (উল্টো): গতানুগতিক হিসেবে এটি অন্যতম জনপ্রিয়। এতে পেছন থেকে গভীর অনুপ্রবেশ পাওয়া যায় এবং ছোট পেনিসও ভালো ভাবে স্পর্শ করতে পারে। গবেষকরা বলছেন, ডগি-স্টাইলে পেছন থেকে লাথি মেরে ঢুকলে পেনিস উপরের দিকের মানে অনুপ্রবেশের দিকটা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ হয়। সঙ্গীর কোমরে বা পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পেছনের অ্যাঙ্গেল আর নিবিড় করতে পারেন।


উল্টো কউগার (মহিলা উপরে): মেয়েটা উপরে বসলে সে নিজেই স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে নিতে পারে। অর্থাৎ পছন্দ মত থোড়া তীব্র করে ঘুরে ঘুরে ঢুকতে পারে, যদিও পেনিস ছোটটাও অধিক আকর্ষণীয় খুঁটে দিতে পারে। এছাড়া কব্জি পজিশনেও আপনি আঙ্গুল বা হ্যান্ডফিডার দিয়ে একটু কিচ্ছু সঙ্গীকে কাজে সাহায্য করতে পারেন।


মিশনারি (পিলো সহ): ক্লাসিক মিশনারি পজিশনে যদি একটু বোরিং মনে হয়, তাহলে মহিলার নিতম্বের নিচে একটি বালিশ রাখুন – এতে হিপ একটু উপরে উঠে যাবে, এবং অনুপ্রবেশ আরও গভীর হবে। এই টিপস খুব ভিন্ন অভিজ্ঞতা আনতে পারে: গবেষণা বলছে, হিপের নিচে ১৫-২০ ডিগ্রি এঙ্গেল দিলে G-বিন্দুতে স্পর্শ করতে সুবিধা হয়।


স্পুনিং (প্রতিবাহিত আসন): বডি আসনে আরও intimate কিছু করতে চাইলে, পাশাপাশিভাবে শুয়ে ধূমপানভরা গল্প করতে পারেন। এতে পরস্পরের শরীরের গা জোড়া লাগবে আর গভীর অনুপ্রবেশ সম্ভব হবে না, তবে ছোট পেনিসের ক্ষেত্রেও অকপটে মিলনের হ্যান্ডেল পাওয়া যায়।


এই পজিশনগুলো ট্রাই করে দেখবেন সঙ্গীর মুখের হাসিতেও বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসতে পারে। আর পাশপাশি যদি একটু হালকা ঝাঁকুনি আনতে চান, পেছন বা কোমরের নিচে ব্যাস বালিশ ঢুকিয়ে বেশি গভীরতার প্ল্যান করে ফেলুন – গবেষকদের পরামর্শ মতে পিলো দিয়ে হিপ তুলে রাখা “খুবই কার্যকর”!


বয়সে বা ফিজিক্যাল দুর্বলতার জন্য উপযোগী পজিশন

বয়েস যেমন বাড়ে, শরীরের চামচে চর্বি জমতে থাকে, তেমনই যৌন চর্চায়ও একটু শান্তিপূর্ণ পজিশন দরকার। যৌন চিকিৎসকেরা বলে, বয়স্ক জোড়াদের জন্য পিঠে শুয়ে কোমর উঁচু করে রাখা স্বস্তির কারণ – এতে যৌনাঙ্গগুলো সহজে একে অপরকে স্পর্শ করতে পারে। একটা উদাহরণ: বাবু-দিদি দুজনে পাশাপাশি শুয়ে হাত জড়িয়ে ধরে, এবং পেছন দিকে কোমরে ছোট বালিশ বা লাঙ্গল রেখে দিলে, ঢোকার এঙ্গেল আর সারা শরীরেই চাপ লাগে না।


আরেকটি উপযোগী পজিশন হলো সহায়িত ডগি স্টাইল। এ ক্ষেত্রে যিনি ঢুকবেন, তিনি অল্পস্বল্প হাঁটু খুলে সামনে গিয়ে আর পিছনের পায়ের ভাগে হাত রেখে সামান্য সামলে নিন; এভাবে পেট তুলে থেকে পেছন দিতে থাকুন। এতে শরীর দুইজনের ওপর চাপ কমে যায়। এছাড়া বুকে বালিশ বা কুশন দিয়ে সামান্য শিথিল হওয়ার চেষ্ঠা করতে পারেন। এক কথায়, “মাঝি পাওয়ার জন্য নয়, মধুর স্মৃতির জন্য ওই বালিশ” – কারন আপনার যৌনাঙ্গ ঠিক যেমন একটি গাড়ি, সুপারস্পোর্ট মেশিন নয় আর লেকচার হলে ঘুমের সরীসৃপ।


অনেক ক্ষেত্রে পাশের দিকে শোয়া (স্পুনিং) বয়স্ক দম্পতিদের জন্য আরামদায়ক হয়। এতে বেশি গতি লাগানোর দরকার পড়ে না, কম পেশীকশরীরের চাপ দিয়ে মাতাল মুহূর্ত কাটে। পাশাপাশি, স্পুনিংয়ে চোখের দেখা, চুম্বন, আলতো আলতো আদায়ের ব্যাপারটা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি “বয়স্কতার স্বাদ” নেয়া ভালো লাগার প্রথম পদক্ষেপ হল, নিজেকে আরামদায়ক একটি পজিশন দিন।


নোট: যদি কোমর বা হাঁটুতে অধিক ব্যথা থাকে, তাহলে উচ্চমাত্রার wedge pillow-এর কথা মাথায় রাখতে পারেন। গবেষকরা বলছেন, বালিশের আঙুল চোখের মত প্রয়োজন—শরীরকে সঠিকভাবে সমর্থন দিলে ব্যথা দূর হয়। Sex Style Pillow-র মতো wedge pillow আজকাল বাজারে পেয়েঝায়, যা ভাল করে শরীরকে cradle করে দেয় এবং কোমর-কাঁধের শরীর ভঙ্গিমা ঠিক রাখে।


উপসংহার

যৌন জীবনের নিউরনের খেলা হোক বা ডল ফিলিং—গুরুত্ব শুধু সঠিক পজিশনেই নয়, বরং তা উপভোগ করতে একে অপরকে আনন্দ দেওয়াতেও। বিভিন্ন পজিশনের মাঝে experiment করতে সাহস করুন, হাসতে ভয় পাবেন না। যারা “বিয়ে হয়ে গেছে, কাজ হয়ে গেছে” ভাবেন, তাদের জন্য বলে রাখি – যৌন স্বাস্থ্যের টিকা আর গোম্বুজ আরবি বা কোন চব্বিশ ঘণ্টার কাজ না! একে সচেতনতা আর সচেতন পদক্ষেপ হিসেবে নিন। যেমন Sex Style Pillow wedge pillow বাধ্যই পকেটে জায় (মূলত আমাদের সারিবদ্ধ মনের জন্য, এবং বালিশের দরকারিও আছে, তাই বানিয়েছে), আরাম নিয়ে স্পাইসি সেক্স করে relation কে পুলকিতে ফেলে দিন।


পরিশেষে, পাঠক হয়ে যদি এখনও মনে হয়, এই সব টিপস রপ্ত করে আপনি এখনো ওই অভীষ্ট ‘good sex style’ পেতে পারেন না, তাহলে একটা কথা বলি—মজা পেতে অন্যদিকে মন সরে যাক, আবার ভেবে দেখুন। আর কারো গলায় বাঁধবেন না, সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন না, কোনো জিনিসই একবারে নিপুণ পারদর্শী করে না। একসঙ্গে চেষ্টা করুন, প্রতিবার নতুন কিছু আর একটু নিন, হাসিতে ভরা জার্নির জন্য সঙ্গীকে নাড়ুন। নতুন দম্পতিদের জন্য বলবো – ভয়ের কিছু নেই, Sex Style Pillow-এর wedge pillow আসলে একটি ছোট্ট গোপন বন্ধু মাত্র, যেন নতুন পজিশন করতে হলে কাঁধ ঠেস দিয়ে পিছনের দিকে ঠেলে দেবে। আর পুরনো দম্পতিদের জন্য – চারিদিকে রুটিনের চাকা, কিন্তু বিছানার নিচে তাজা আমের মিষ্টি, মশলা, আরও মধু আর কিছু। মনের খেল্লা বাদ দিয়ে নতুন কৌশল ঘষুন, সম্পর্কের মধ্যে বয়লার ফাটলে প্রেমের রঙে নাচান।,,,,

সহজ লাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কোন মন্তব্য নেই:

কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গা*জম হয় সহজ লাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া ?

 কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গা*জম হয়? যৌন জীবনে একই রুটিন আরেক দিনে বোরিং হতে পারে! গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ দম্পতি বছরের পর বছর একই অব...