এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২

মসজিদ আল হারামের ইমাম সাহেবের আহবান,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 اَلسَّــــــلاَمْ عَلَيْـــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہ 

💘🌍 সকল মুসলিমকে সালাফী আকিদা ও মানহাজ গ্রহণ করার আহবান জানিয়েছেন‼️‼️


💘🇸🇦শায়খ ড.আব্দুর রহমান আস-সুদাইস হাফিঃ

কাবার ইমাম🕋💘


মানহাজ মানে কি❓

সালাফী মানহাজ কি❓

জানতে হলে পড়তে হবে।


➖➖➖➖➖


মানহাজ مَنْهَج অর্থ পথ, পন্থা, পদ্ধতি, প্রণালী, রাস্তা, প্রোগ্রাম, কার্যক্রম, পাঠক্রম, সিলেবাস, কারিকুলাম।

সালেহীন صَالِحِين শব্দটি বহুবচন, এর একবচন হল صَالِح সোলেহ যার অর্থ সৎলোক, ভাল মানুষ, যোগ্য লোক, নেকলোক।

.

সুতরাং সলফে সালেহীন অর্থ হল অতীতের বা পূর্ববর্তী নেকলোকগণ বা সৎবান্দাগণ।

সুতরাং সলফে সোলেহীনের মানহাজ মানে হল, পূর্ববর্তী সৎলোকগণ যে পথ, পন্থা, পদ্ধতি, নীতি অনুসরণ করেছিল তাই হল সালাফে সালেহীনের মানহাজ। যাকে সংক্ষেপে সালাফ মানহাজ বলা হয়। আর যারা এই সব পূর্ববর্তী নেকলোক বা সৎলোকদের অনুসরণ করে থাকে তাদেরকে সালাফী বলা হয়।

.

>>> কুরআনের আয়াতে سَلَف (সালাফ) অর্থ অতীত, বিগত <<<

فَجَعَلْنَاهُمْ سَلَفًا وَمَثَلا لِلآخِرِينَ

অতঃপর পরবর্তীদের জন্য আমি তাদেরকে করে রাখলাম অতীত ইতিহাস ও দৃষ্টান্ত। 

📗 যুখরুফ, ৪৩/৫৬


>>> সালাফ শব্দের মাদ্বি এর রূপ سَلَفَ (সালাফা) যার অর্থ অতীত হওয়া, বিগত হওয়া <<<

قُلْ لِلَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ يَنْتَهُوا يُغْفَرْ لَهُمْ مَا قَدْ سَلَفَ وَإِنْ يَعُودُوا فَقَدْ مَضَتْ سُنَّةُ الأوَّلِينَ


যারা কুফরী করেছে তুমি তাদেরকে বলে দাও, যদি তারা বিরত হয় তাহলে অতীতে যা অপরাধ হয়েছে তা তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হবে আর যদি তারা পুনরাবৃত্তি করে তাহলে পূর্ববর্তীদের (ক্ষেত্রে আল্লাহর) রীতি তো গত হয়েছে। 

📗আনফাল, ৮/৩৮


عَفَا اللَّهُ عَمَّا سَلَفَ وَمَنْ عَادَ فَيَنْتَقِمُ اللَّهُ مِنْهُ وَاللَّهُ عَزِيزٌ ذُو انْتِقَامٍ

অতীতে যা হয়ে গেছে তা আল্লাহ ক্ষমা করেছেন, আর যে ব্যক্তি পুনরায় করবে আল্লাহ তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন আর আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী। 

📗আল-মায়িদাহ, ৫/৯৫


فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ وَمَنْ عَادَ فَأُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ 

সুতরাং যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার ফলে বিরত হল, অতীতে যা হয়ে গেছে তা তারই জন্য, আর তার বিষয় আল্লাহর উপর নির্ভরশীল আর যারা পুনরাবৃত্তি করবে তারাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। 

📗আল-বাকারাহ, ২/২৭৫


وَلا تَنْكِحُوا مَا نَكَحَ آبَاؤُكُمْ مِنَ النِّسَاءِ إِلا مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَمَقْتًا وَسَاءَ سَبِيلا

আর তোমরা বিবাহ করো না নারীদের মধ্য থেকে যাদেরকে বিবাহ করেছে তোমাদের পিতৃপুরুষগণ তবে যা বিগত হয়েছে (তা ক্ষমা করা হল) নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল, অরুচিকর এবং নিকৃষ্ট পথ। 

📗 আন-নিসা, ৪/২২


إِلا مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ غَفُورًا رَحِيمًا

তবে অতীতে যা হয়ে গেছে (তা ভিন্ন), নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 

📗আন-নিসা, ৪/২৩


>>> সালাফ শব্দের বহুবচন أَسْلَف (আসলাফ) যার অর্থ অতীত, বিগত, পূর্বে <<<

هُنَالِكَ تَبْلُو كُلُّ نَفْسٍ مَا أَسْلَفَتْ وَرُدُّوا إِلَى اللَّهِ مَوْلاهُمُ الْحَقِّ وَضَلَّ عَنْهُمْ مَا كَانُوا يَفْتَرُونَ

সেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি অতীতে যা করেছে তা যাচাই করে নিতে পারবে এবং তাদেরকে তাদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে আর তারা যা মিথ্যা রচনা করতো তা তাদের থেকে হারিয়ে যাবে। 

📗ইউনুস, ১০/৩০


كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا أَسْلَفْتُمْ فِي الأيَّامِ الْخَالِيَةِ

(তাদেরকে বলা হবে,) ‘তোমরা তৃপ্তি সহকারে খাও ও পান কর, অতীত দিনে তোমরা যা অগ্রে প্রেরণ করেছিলে তার বিনিময়ে। 

📗 আল-হাক্কাহ, ৬৯/২৪


সালাফে সালেহীন কারা❓

 سَلَفِ الصَّالِحِين 

সালাফে সালেহীন বলতে বুঝায় প্রথম তিন স্বর্ণযুগের লোকদেরকে, তথা; সাহাবায়ে কিরাম, তাবেয়ীন ও তাবে তাবেয়ীন এবং আমাদের সম্মানিত হেদায়াতপ্রাপ্ত ইমামগণ। সুতরাং পরবর্তীতে তাদের অনুসরণকারী এবং তাঁদের পথ অবলম্বনকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে তাঁদের প্রতি সম্বোধন করতঃ সালাফী বলা হয়।

.

.

"সালাফ ও সালাফী পরিচিতি"


 সালাফ পরিচিতি

===============

সালাফ (السلف) শব্দটি আরবী। মূল বর্ণ হচ্ছে 'সীন'(س), 'লাম' (ل) ও 'ফা' (ف)।


'সালাফ' শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে: অতীত, বিগত, পূর্ববর্তী, অগ্রজ, পূর্বসূরি ইত্যাদি।


ভাষাবিদ ইবনু মানযূর রাহি. বলেন, 

والسلف أيضا من تقدمك من آبائك وذوي قرابتك الذين هم فوقك في السن والفضل، ولهذا سمي الصدر الأول من التابعين السلف الصالح.


'সালাফ' হচ্ছে, আপনার অগ্রজ বাপদাদা ও আত্মীয়স্বজন; যারা বয়স ও মর্যাদায় আপনার ওপরে। এ কারণে তাবেয়ীদের প্রথম যুগকে 'সালফে সালেহ' বলা হয়। 

📚 (লিসানুল আরব, ৯/১৫৯)


এই অর্থে রাসূল স. স্বীয় কন্যা ফাতিমাহ যাহরা রাযি.-কে বলেন, 

فإنه نعم السلف أنا لك.

আমি তোমার উত্তম সালাফ বা অগ্রজ। 

(📚সহীহ মুসলিম, ২৪৫০)


'সালাফ'-এর পারিভাষিক অর্থ:

============================


 কালশানী রাহি. বলেন, 

السلف الصالح وهو الصدر الأول الراسخون في العلم، المهتدون بهدي النبي صلى اللّٰه عليه وسلم، الحافظون لسنته؛ اختارهم اللّٰه تعالى لصحبة نبيه، وانتخبهم لإقامة دينه، ورضيهم أئمة الأمة، وجاهدوا في سبيل اللّٰه حق جهاده، وأفرغوا في نصح الأمة ونفعها، وبذلوا في مرضاة اللّٰه أنفسهم.

'সালফে সালেহ' হল প্রথম যুগ। তারা ছিলেন গভীর জ্ঞানের অধিকারী, নবী স. এর পদাঙ্কানুসারী ও তাঁর সুন্নাতের রক্ষক। আল্লাহ্‌ তাঁদেরকে তাঁর নবী স.-এর সাহচর্যের জন্য বেছে নিয়েছেন এবং তাঁর দ্বীন কায়েমের জন্য চয়ন করেছেন। তাঁদের প্রতি মুসলিম ইমামগণ সন্তুষ্ট। তাঁরাই আল্লাহর রাস্তায় সত্যিকারার্থে জিহাদ করেছেন, উম্মাহর হিতাকাঙ্খিতায় ও কল্যাণের উদ্দেশ্য সব বিলিয়ে দিয়েছেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে নিজেদেরকে সঁপে দিয়েছেন।

📚 ( তাহরীরুল মাকালাহ মিন শারহির রিসালাহ, ৩৬)


 ইমাম গাযালী রাহি. 'সালাফ'-এর পরিচয় এভাবে দেন:

أعني مذهب الصحابة والتابعين.

সাহাবী ও তাবেয়ীদের মতাদর্শ। 

(ইলজামুল আওয়াম আন ঈলমিল কালাম, ৬২)


 ইমাম বায়জূরী রাহি. বলেন, 

والمراد بمن سلف من تقدم من الأنبياء والصحابة والتابعين وتابعيهم.

'সালাফ' দ্বারা উদ্দেশ্য অগ্রজ নবীগণ, সাহাবীগণ, তাবেয়ীগণ ও তাবা-তাবেয়ীগণ। 

📚 (শারহু জাওহারাতুত তাওহীদ, ১১১)


 হাফিজ ইবনু হাজার আসকালানী রাহি. বলেন, 

من الصحابة ومن بعدهم.

'সালাফ' হলেন, সাহাবী ও তাঁদের পরবর্তীগণ।

 (ফাতহুল বারী, ৬/৬৬)


 আল্লামা ক্বাযী ইয়ায রাহি. বলেন, 

بين السلف اختلاف كبير في كتابة العلم من الصحابة والتابعين.

'সালাফ' তথা সাহাবী ও তাবেয়ীগণের মধ্যে ঈলম (হাদীস) লেখার ব্যাপারে চরম মতপার্থক্য রয়েছে। 

(ইকমালুল মু'আল্লিম, ৮/৫৫৩)


 ইমাম নবাবী রাহি. বলেন,

تكنى جماعات من أفاضل سلف الأمة من الصحابة والتابعين فمن بعدهم بأبي فلانة.....

উম্মাহর সম্মানিত সালাফ তথা সাহাবী, তাবেয়ী ও তাদের পরবর্তীদের একদল লোকের উপনাম 'আবূ ফুলানা' বা অমুক (মেয়ে)-এর পিতা। 

(আল-আযকার, ৪০০)


 আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহি. বলেন, 

حينما نقول نحن و السلف فإنما نقصد به خير طائفة وجدت على وجه الأرض بعد الرسل والأنبياء، وهم صحابة رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه وسلم، الذين كانوا القرن الأول، ثم التابعون الذين جاءوا في القرن الثاني، ثم أتباع التابعين الذين جاءوا في القرن الثالث، أهل القرون الثلاثة هم الذين يطلق عليهم السلف، وهم خير أمة.

যখন আমরা 'সালাফ' শব্দ ব্যবহার করবো তখন তার দ্বারা উদ্দেশ্য নিবো, নবী-রাসূলগণের পরে ভূপৃষ্ঠের সর্বশ্রেষ্ঠ দল। তাঁরা হলেন, প্রথম যুগের সাহাবীগণ, দ্বিতীয় যুগের তাবেয়ীগণ এবং তৃতীয় যুগের তাবা-তাবেয়ীগণ। তাঁরা তিন উত্তম যুগের লোক। তাঁদেরকে বুঝাতে 'সালাফ' শব্দ ব্যবহার করা হয়। তাঁরা উম্মাহর সর্বশ্রেষ্ঠ লোক।

 (আল-মানহাজুস সালাফী ঈনদাশ শাইখ নাসিরুদ্দিন আলবানী, ১৪)


 আল্লামা সালেহ উসাইমিন রাহি. বলেন,

السلف معناه المتقدمون فكل متقدم على غيره فهو سلف له ولكن إذا أطلق لفظ السلف فالمراد به القرون الثلاثة المفضلة الصحابة والتابعون وتابعوهم.

'সালাফ' অর্থ অগ্রজ। যে যার অগ্রজ সে তার সালাফ। তবে 'সালাফ' শব্দ প্রয়োগ করা হলে তার দ্বারা উদ্দেশ্য হল, উত্তম তিন যুগ: সাহাবী, তাবেয়ী ও তাবা-তাবেয়ীগণ। 

(ফাতওয়া নূর আলাদ দারব, ক্যাসেট নং, ১৭৫)


 শাইখ মুহাম্মাদ আমান জামী বলেন,

عندما تطلق كلمة السلف؛ إنما نعني بها من الناحية الاصطلاحية: أصحاب رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه وسلم.....التابعون لهم.....تابعي التابعين.

'সালাফ' শব্দ ব্যবহার করা হলে আমরা তার দ্বারা উদ্দেশ্য নিবো পারিভাষিক অর্থের 'সালাফ'। তারা হলেন, সাহাবী.... তাবেয়ী.... ও তাবা-তাবেয়ীগণ।

 (আস-সিফাতুল ইলাহিয়াহ ফী যাওয়িল কিতাব ওয়াস সুন্নাহ, ৫৭)


উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝা গেল, পারিভাষিক অর্থে 'সালাফ' বলতে বুঝায়- 


সাহাবী, তাবেয়ী ও তাবা-তাবেয়ীগণকে।


.


� সালাফি পরিচিতি:

==================

জীবনের সর্বক্ষেত্রে যারা সালাফদের মতাদর্শ গ্রহণ করে তাদেরকে 'সালাফী' বলা হয়। তারা মানহাজ, আক্বীদাহ, ফিকহ, রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে সালাফদের নীতি ও মানহাজের ওপরে চলে। তারা তাদের নীতি ও মানহাজচ্যুত হয় না।।


 আল্লামা সাম'আনী রাহি. বলেন, 

السلفي: بفتح السين واللام وفي آخرها فاء، هذه النسبة إلى السلف، وانتحال مذهبهم.

'সালাফী' বলা হয় 'সালাফ'-এর দিকে সম্পৃক্ত করে। আর তা হল,  সালাফদের মতাদর্শকে গ্রহণ করা। 

(আল-আনসাব, ৩/৩৭৩)


  হাফেয যাহাবী রাহি. বলনে,

السلفي: بفتحين، وهو من كان على مذهب السلف.

'সালাফী' বলতে বুঝায়, যে ব্যক্তি সালাফদের মতাদর্শের ওপরে রয়েছে। 

( সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, ৬/২১)


 আল্লামা সালেহ উসাইমিন রাহি. বলেন,

ومن كان بعدهم وسار على منهاجهم فإنه مثلهم على طريقة السلف وإن كان متأخراً عنهم في الزمن لأن السلفية تطلق على المنهاج الذي سلكه السلف الصالح رضي الله عنهم كما قال النبي عليه الصلاة والسلام (إني أمتي ستفترق على ثلاثة وسبعين فرقة كلها في النار إلا واحدة وهي الجماعة) وفي لفظ (من كان على مثل ما أنا عليه وأصحابي) وبناء على ذلك تكون السلفية هنا مقيدة بالمعنى فكل من كان على منهاج الصحابة والتابعين وتابعيهم بإحسان فهو سلفي وإن كان في عصرنا هذا وهو القرن الرابع عشر بعد الهجرة.

পরবর্তী যুগে যারা সালাফদের মানহাজে/পদ্ধতিতে চলবে তারাও তাদের মতো সালাফদের পথে রয়েছে। যদিও তারা পরবর্তী যুগের লোক। কেননা 'সালাফী' একটি মানহাজ/পদ্ধতির নাম যার ওপরে সালফে সালেহীনগণ ছিলেন। 

যেমন, নবী স. বলেছেন, "আমার উম্মাত অচিরেই ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। একটি দল ব্যতীত সব দলই জাহান্নামি। আর সে দল হল, জামা'আত"। অন্য বর্ণনায় এসেছে, "সে দল ব্যতীত যারা আমার ও আমার  সাহাবীদের মানহাজের/পদ্ধতির ওপরে রয়েছে"। 

তাই 'সালাফী' একটি নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহার হয়। আর তা হল: যারা সাহাবী, তাবেয়ী ও তাবা-তাবেয়ীদের মানহাজের ওপরে রয়েছে। যদিও তারা আমাদের হিজরী ১৪শো শতাব্দীর লোক হয়। 

(ফাতওয়া নূর আলাদ দারব, ক্যাসেট নং, ১৭৫)


 

 শাইখ মুহাম্মাদ আমান জামী বলেন, 

ويتضح مما تقدم أن مدلول السلفية أصبح اصطلاحا، يطلق على طريقة الرعيل الأول، ومن يقتدون بهم في تلقي العلم، وطريقة فهمه، وبطبيعة الدعوة إليه؛ فلم يعد محصورا بدور تاريخي معين، بل يجب أن يفهم على أنه مدلول مستمر استمرار الحياة، وضرورة انحصار الفرقة الناجية في علماء الحديث والسنة، وهم أصحاب هذا المنهج، وهي لا تزال باقية إلى يوم القيامة أخذا من قوله صلى اللّٰه عليه وسلم ((لا تزال طائفة من أمتي منصورين على الحق، لا يضرهم من خذلهم)).


পূর্বের আলোচনা থেকে প্রতিভাত হল যে, 'সালাফী' একটি পরিভাষা; যা প্রথম যুগকে বুঝাতে ব্যবহার করা হয়। এবং তাদের বুঝাতেও ব্যবহার করা হয়, যারা তাঁদের মানহাজে জ্ঞানার্জন করে, তাঁদের পদ্ধতিতে (কুর'আন ও সুন্নাহ) বুঝে এবং তাঁদের তরীকায় দাওয়াত দেয়। এটা কোন যুগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং তা স্থায়ীভাবে চলমান। মুক্তিপ্রাপ্ত দলকে হাদীস ও সুন্নাহর আলেমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা অপরিহার্য। আর তারাই হলেন, 'সালাফী' মানহাজের অনুসারী। এ দল কিয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকবে। কেননা রাসূল স. বলেছেন, 

"আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা হক্বের ওপরে বিজয়ী থাকবে। যারা তাদের বিরোধিতা করবে ও অপদস্থ করতে চাইবে তারা তাদের ক্ষতি করতে পারবে না।

 (আস-সিফাতুল ইলাহিয়াহ ফী যাওয়িল কিতাব ওয়াস সুন্নাহ, ৬৪)


.#DeenDailybd

আবু সাইদ মেসবাহ।। 

বেলনা কুঠি বাড়ী।। 

কেরানী গঞ্জ।। ঢাকা।। 

অনুগ্রহ করে "ইনশাআল্লাহ" পোস্টটি লাইক/কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুল বেন না।। জাজাকাল্লাহ খাইরান।। ওয়া জিদ্দান।।

কপি
পেস্ট 

পৃথিবীতে সবচেয়ে মিথ্যা বলাহয় ধর্ম গ্রন্থ ছুয়ে,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 “পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে।আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে,যেটা পানশালায়।” 

এই বিখ্যাত উক্তি করেছেন কবি মির্জা গালিব।


মির্জা গালিব ভারতবর্ষে মোঘল-সম্রাজ্যের শেষ ও ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকের একজন উর্দু এবং ফার্সি ভাষার কবি । সাহিত্যে তার অনন্য অবদানের জন্য তাকে দাবির-উল-মালিক ও নাজিম-উদ-দৌলা উপাধি দেওয়া হয়।  তার সময়কালে ভারতবর্ষে মোঘল সাম্রাজ্য তার ঔজ্জ্বল্য হারায় এবং শেষে ১৮৫৭ সালের সিপাহীবিদ্রোহ এর মধ্য দিয়ে ব্রিটিশরা পুরোপুরিভাবে মোঘলদের ক্ষমতাচ্যুত করে সিংহাসন দখল করে, তিনি তার লেখায় এ ঘটনা বর্ণনা করেছেন। মহাবিদ্রোহের সময়কার তার লেখা সেই দিনলিপির নাম দাস্তাম্বু। তিনি জীবনকালে বেশ কয়েকটি গজল রচনা করেছিলেন যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জন বিভিন্ন আঙ্গিকে বিভিন্নভাবে বর্ণনা করেছেন ও গেয়েছেন। তাকে মোঘল সম্রাজ্যের সর্বশেষ কবি হিসেবে ও দক্ষিণ এশিয়ায় তাকে উর্দু ভাষার সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলে মনে করা হয়। আজ শুধু ভারত বা পাকিস্তানে নয় সারা বিশ্বেই গালিবের জনপ্রিয়তা রয়েছে। 


গালিব কখনো তার জীবিকার জন্য কাজ করেননি। সারা জীবনই তিনি হয় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অথবা ধার কর্য করে নতুবা কোনো বন্ধু উদারতায় জীবন যাপন করেন। তার খ্যাতি আসে তার মৃত্যুর পর। তিনি তার নিজের সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি বেঁচে থাকতে তার গুণকে কেউ স্বীকৃতি না দিলেও, পরবর্তী প্রজন্ম তাকে স্বীকৃতি দিবে। ইতিহাস এর সত্যতা প্রমাণ করেছে। উর্দূ কবিদের মধ্যে তাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি লেখা হয়েছে।


#তথ্যসূত্রঃ #উইকিপিডিয়া


রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন দাজ্জালের আবির্ভাবের তিন বছর পূর্বে দুরভিক্ষ দেখাদিবে,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রাসূল (সাঃ) বলেন, দাজ্জালের আবির্ভাবের তিন বছর পূর্বে দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে, তখন মানুষ চরমভাবে অন্নকষ্ট ভোগ করবে। প্রথম বছর আল্লাহ তা‘আলা আসমানকে তিন ভাগের এক ভাগ বৃষ্টি আটকে রাখার নির্দেশ দিবেন এবং যমীনকে নির্দেশ দিলে তা এক-তৃতীয়াংশ ফসল কম উৎপাদন করবে। এরপর তিনি আসমানকে দ্বিতীয় বছর একই নির্দেশ দিলে তা দু’-তৃতীয়াংশ কম বৃষ্টি বর্ষণ করবে এবং যমীনকে হুকুম দিলে তাও দুই-তৃতীয়াংশ কম ফসল উৎপন্ন করবে। এরপর আল্লাহ তা‘আলা আকাশকে তৃতীয় বছরে একই নির্দেশ দিলে তা সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টিপাত বন্ধ করে দিবে। ফলে এক ফোঁটা বৃষ্টিও বর্ষিত হবে না। আর তিনি যমীনকে নির্দেশ দিলে তা শস্য উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখবে। ফলে যমীনে কোন ঘাস জন্মাবে না, কোন সবজি অবশিষ্ট থাকবে না, বরং তা ধ্বংস হয়ে যাবে, তবে আল্লাহ যা চাইবেন। জিজ্ঞেস করা হ’ল, এ সময় লোকেরা কিরূপে বেঁচে থাকবে? তিনি বলেন, যারা তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাকবীর (আল্লাহু আকবার), তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) ও তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) বলতে থাকবে এগুলো তাদের খাদ্যনালিতে প্রবাহিত করা হবে।


[ইবনু মাজাহ হা/৪০৭৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৭৮৭৫; কিছ্ছাতুল মাসীহিদ-দাজ্জাল ৪৫,৩৭,৩৮; ইছাম মূসা হাদী, সহীহ আশরাতিস সা‘আত ১/১৩১]

কপি
পোস্ট 

কেয়ামতের আলামত,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কিয়ামতের আলামতঃ

কেয়ামত  অতি নিকটেই। কেয়ামতের আলামত অনেকটাই প্রকাশ হয়ে গেছে আল্লাহুম্মাগফীরলি। 

সামনের বছর ২০২৩ সালে কিছু হতে যাচ্ছে,  কেও বলেতেছে অনেক দূ′র্ভিক্ষ আসবে আবার বলা হচ্ছে ২০২৩ সালে কোন শ্রেষ্ঠযুগ আলেম উনার আগমন ঘটবে। সেই আলেম নাকি কেও বলতেছে সেই আলেম নাকি ইমাম মাহদী হতে পারে। জানি না অদৃশ্যর খবর এক মাত্র আল্লাহ তা'য়ালাই জানেন। আর হুজুর সাঃ বলেছেন সতাব্দীর শেষ বছর কোন আশ্চর্য ঘটনা ঘটবে আর হুজুর সাঃ এর যুগ থেকে প্রত্যেক সতাব্দীতে এই পর্যন্ত কিছু ঘটেও আসছে। এ দ্বারা বুঝা যায় যে ২০২৩ সালে কিছু হতে যাচ্ছে এমন কি যু′দ্ধ ও শুরু হতে পারে। 


এ সময়ে ঈমান টিকিয়ে রাখা অনেক কঠিন আল্লাহ সবাইকে ঈমানের উপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন!

[আমিন]

কপি
পেস্ট 

গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিসুলার রেলওয়ে ম্যাপ ১৯১১

 যেই ছবিটা দেখতেসেন সেইটা গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ের ১৯১১ সালের ম্যাপ। 


লাল দাগ দেয়া যে লাইনগুলা আছে, সেগুলা ওপেন ডাবল লাইন, অর্থাৎ মেইন রেললাইন। ট্রান্সপোর্টেশন নিয়া আপনার যদি খুব বেসিক আইডিয়াও থাকে, তাইলেও আপনি বুঝবেন যে এই রেলওয়ে ম্যাপ কোনো সেন্স মেইক করেনা। এই লাইনগুলা ভারতের এক অংশের সাথে অন্য অংশকে এফেক্টিভলি কানেক্ট করেনা। যেমন ধরেন উত্তর পশ্চিম ভারতের সাথে ভারতের অন্য কোনো অংশেরই কোনো সংযোগ নাই।


একটু লক্ষ্য করলে আপনি আরেকটা জিনিসও খেয়াল করবেন, এই লাল লাইনগুলা বেসিকালি ভারতের প্রত্যেকটা মেজর পোর্টঃ কোলকাতা, বোম্বে এবং মাদ্রাসের সাথে কানেক্টেড। কেন? 


ভারতে উপনিবেশবাদের পক্ষে কেউ কথা বললে সবার আগেই রেলওয়েকে টাইনা আনতে পছন্দ করেন। ব্রিটিশরা নাকি আমাদের রেললাইন দিয়ে গেছেন, নাইলে এই উপমহাদেশে রেললাইনই নাকি হইত না। কিন্তু ব্রিটিশরা এত ইনকম্পেটেন্টলি কেন রেললাইন বানাইলো? 


কারণ এই রেললাইন ভারতবর্ষের কোনো মানুষের সুবিধার জন্য বানানো হয় নাই, এই রেলওয়ে বানানো হইসে এই সাবকন্টিনেন্ট থেকে সম্পদ চুরি করার জন্য।


যেই মাইনর লাইনগুলা কালো লাইন দিয়ে রিপ্রেজেন্ট করা হচ্ছে, সেইগুলাও কিন্তু ভারতের ইন্টারকানেক্টিভিটি বাড়াচ্ছে না, বরং বিভিন্ন জায়গাকে মেইন লাইনের সাথে যুক্ত করছে মাত্র। এই পুরা জিনিসটা বানানো হয়েছিলো যাতে ভারতবর্ষের প্রতিটা কোণা থেকে সম্পদ আহরণ করে পোর্টের মাধ্যমে জাহাজে তুলে ব্রিটেনে পাঠানো যায়। 


কোহিনূর হীরা বা অন্য কোনো রত্নের চুরির চাইতেও ব্রিটিশদের সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে একটা আস্ত উপমহাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে শুধুমাত্র শোষণের জন্য অ্যাপ্রোপ্রিয়েট করা। ভারতবর্ষকে বিশ্ব অর্থনীতির পাওয়ারহাউজ থেকে একটা দারিদ্র্য জর্জরিত ভূমিতে পরিণত করা কোনো কম কথা না। আমাদের এখনকার ঋণের লিগেসি, পরনির্ভরতার লিগেসি, অর্থনৈতিক দুর্বলতার লিগেসি, সবই সেই ব্রিটিশদের থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। 


কলোনিয়ালিজম প্রত্যেকটা উপনিবেশের আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করে। এবং আপনি যখন একটা সিস্টেম বানান শুধুমাত্র সম্পদ আহরণ করার জন্য, সেই সিস্টেমটাকে পুরাপুরি না পরিবর্তন করলে তাকে মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা যায় না। 


ব্রিটেনের প্রত্যেকটা উপনিবেশে স্বাধীনতার পর যারাই ক্ষমতায় আসছে, তারা মূলত এই শোষণের সিস্টেমকেই ব্যবহার করে গেছেন। এই কারণে এই সব দেশের ডেমোক্রেসি নড়বড়ে, প্রচুর মানুষ না খেয়ে থাকা সত্ত্বেও একটা ক্রমবর্ধমান অতিধনী মাইনরিটি এক্সিস্ট করে। 


উইলিয়াম ফকনার একটা কথা কইসিলেন, "অতীত কখনো মইরা যায় না, অতীত আসলে অতীত-ই না"। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ এই সাবকন্টিনেন্টে অন্তত কখনোই অতীত হইতে পারেনা। আমাদের শোষণের স্ট্রাকচার একই আছে, হাত বদল হইসে মাত্র।


@Jawad


মূল পোস্ট - তুহিন ঘোষ

কপি
পোস্ট 

দীর্ঘ ১০ মাস বেকার থেকে কোনো সেলিব্রিটিকে ফোন করিনি,,,,,,,, ফেইসবুকের হানিফ সংকেত থেকে কপি করে

দীর্ঘ ১০ মাসের বেকার জীবনে আমি কোনো সেলিব্রিটিকে [ so called] ফোন করিনি..।

তারাও অনেকেই করেননি। স্বার্থের সম্পর্ক ফুরালে যা হয়! তবে এক অর্থে ভালো হয়েছে। অনেক মুােশধারীদের চিনে নিয়েছি সহজে, খুব অল্প দিনে।

 সংকেত দা আমার বড় ভাই। তিনি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব.. বিখ্যাতজন। আমার কাছে তিনি অভিভাবক। প্রাণের বড় ভাই। এই বেকার জীবনে তিনি ফোন করে খবর নিয়েছেন, আমার গুটিকতক ভালোবাসার মানুষদের সাথে তিনি সর্বাগ্রে।

সেই বেকারত্বের বিষন্ন বিকেলে দাদার ফোন


- কিরে , কী কাজ কর্ম করছিস?

- কিছু না, গান বাঁধি আর কাজের খোঁজ করি। 


এরপর হঠাৎ ফোন করে বললেন, এটিএন বাংলায় যাবি.. একটি সাপ্তাহিক প্রোগ্রাম উপস্থাপনা করবি। সব বলে এসেছি। [ আমি কিন্তু তাকে কিছুই বলিনি ! ].. বললাম ,

- আমি তো উপস্থাপনার কিছুই বুঝি না..।

তুই পারবি, শুরু কর। টাকা পয়সা ভালো দেবে। 


এরপর বিকল্প আয়ের সংযোগ। এটিএন বাংলায় ‘টক চার্ট’ নামের অনুষ্ঠানটিতে আমি উপস্থাপনা শুরু করি, মূলত আমার বেকারত্ব ঘোঁচানোর তাগিদে। তখন আমি মিরপুর সাড়ে দশে থাকি।


কম দামে ভালো বাসা। আমার বিবাহ বিচ্ছেদের পর, কঠিন টানাপোড়েনের জীবন। মামলা মোকদ্দমা... আমার দিগ্বিদিক অবস্থা ! অসহনীয় দিন-রাত। তার ক’দিন বাদেই বাবার আকষ্মিক মৃত্যু। আমি প্রায় অথৈ সাগরে ! এসব আমার একান্ত ব্যক্তিগত বেদনা। যে বেদনার অনেকখানি জানেন আমার বড় ভাই ‘হানিফ সংকেত’।

প্রায় প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে..মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামের পেছনে সংকেত দা’র অফিসে যাই। তার কাছে যেতাম মূলত জীবনের শক্তি নিতে। কোনো কোনো বেলা দুপুরের খাবার খেয়ে বের হতাম। ..এরকম অনেক স্মৃতি । এখনও কোনো কোনো বিষয়ে মেজাজ মর্জি খারাপ থাকলে বড় ভাইকে ফোন দিই। হুদাই। কোনো কারণ নাই..সেই সব ফোনের। কোণো অফিসিয়াল প্রয়োজনে না..


এরকম একাধিক বিশেষ কিছু কারণে এই লোকটির প্রতি আমি মোহনষ্ট করতে পারি না।

এছাড়া ইদানিং কালের বাঘা বাঘা মিডিয়া ব্যক্তিত্বগণ নিজেদের জন্মদিন উৎসবের অতি বাড়াবাড়ি এমন এক বেহায়া পর্যায়ে নিয়ে যান, যেন এই দিনটি ছাড়া নিজেকে বিজ্ঞাপিত করার কোনো সময় তিনি জীবদ্দশায় পাবেন না! 


অথচ জন্মদিন আল্লাহ প্রদত্ত একটি পূণ্যের দিন- এই দিনটির প্রতি সেই ব্যক্তির কোনো কৃতিত্ব নেই- কোনো অর্জন নেই! তাই এদিন নিয়ে বাড়াবাড়ির প্রয়োজনীয়তা আমার কাছে হাস্যকর লাগে [ একান্ত ব্যক্তিগত মত ]


অথচ দেখি কোনো কোনো বাঘাব্যক্তিত্ব নিজের জন্মদিনের ঢোল পেটাতে পেটাতে অন্যদের অস্থির করে ফেলেন।

হানিফ সংকেত - এখানেও ব্যতিক্রম। কোনো বাড়াবাড়ি নাই। চুপচাপ। এইজন্য এই মানুষটার প্রতি আমি মোহবিষ্ট হয়ে থাকি। আশেপাশের অনেক মেকী হাসি দেবার মানুষ আমাদের সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে.. সংকেত দার সাথে আমার সম্পর্কে কোনো মুখোশের ঢাকনা নেই । 


নিরেট-স্বচ্ছ-স্বার্থহীন-নির্ভেজাল।

কোনোদিন জীবনে আমি অনৈতিক অপরচুনিটি খুঁজিনি। এই মানুষটির কাছেও না। 

প্রাণের বড় ভাইটির সাথে আমার আড্ডার তুলনায় ছবি কম। এই ছবিটি বছর কয়েক আগে একটি ফটোশুটে তুলেছিলাম। ছবি তুলতে তুলতে বলেছিলেন সংকেত দা-

হ’ তুইলা রাখ। আমি মরলে.. এই ছবিটার সাথে বড় বড় স্মৃতিকথা লিখবি।


মরার পর কেন লিখবো ..দাদা। 


কৃতজ্ঞতার উচ্চারণ সবসময় সমস্বরেই করি, করতে হয়। 

আপনি বেঁচে থাকুন বড় ভাই। অনেকবছর। অনেক ব-ছ-র। 


যত বছর বাঁচলে এই সমাজের ভন্ডামির নোংরা আবর্জনা গুলো পরিস্কার করা যায়। 


আপনাকে দরকার। খু উ উ উ ব ..দরকার। 

জন্মদিনের শুভকামনা বড়ভাই।


Hanif Sanket 

কপি
পেস্ট

জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা কেটেযাবে ৭০ বছর,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা, তাতে কেটে যাবে ৭০ বছর, 

জান্নাতি বাতাসে গাছের পাতার সাথে মিলিয়ে অপূর্ব এক বাজনা সৃষ্টি করবে,

আর জান্নাতের হুরদের সাথে সুর মিলাবে সুরের মুর্ছনায় গোটা জান্নাত মুখরিত হয়ে যাবে,

আল্লাহ্ তখন জান্নাতবাসীদের কাছে জানতে চাইবেন,,

----"কেমন লাগলো?

----"সকলেই জবাব দিবে, খুব ভালো,

----"আল্লাহ্ বলবেন," এর চেয়েও ভালো শোনো।


জান্নাতবাসী বলবে

"হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কি,

তখন আল্লাহ্ হযরত দাউদ (আঃ) কে ডাক দিয়ে বলবেন,

---- "হে দাউদ এবার তুমি শুনাও"

দাউদ (আঃ) বলবেন,

----"হে আল্লাহ্ আমার কন্ঠ তো দুনিয়াতে ছিল যবুর শরীফে,

আল্লাহ্ বলবেন,

----তোমার কন্ঠ ফিরিয়ে দিলাম কোরআন মাজিদ শোনাও।


❣️হযরত দাউদ (আঃ) কোরআনের " একটি সুরা শোনাবেন! জান্নাতবাসী মুগ্ধ হয়ে যাবে।

আল্লাহ্ আবার বলবেন,---"কেমন লাগলো?

"জান্নাতিরা বলবে,--- মারহাবা, খুব ভালো লাগলো।

আল্লাহ্ বলবেন, এর চেয়ে ভালো শোনো,

জান্নাত বাসীরা, বলবে "হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কি হতে পারে, আল্লাহ্ পাক রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কে বলবেন,

----হে আমার প্রিয় হাবিব এবার আপনি ওদের শোনান!


💚রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কোরআনের হৃদয় "সুরা ইয়াসিন" তেলাওয়াত করবেন। পুরো জান্নাত আনন্দে মুখরিত হয়ে যাবে আর ধ্বনি তুলবে,"

আল্লাহু আকবার "

আল্লাহ্ আবারও জানতে চাইবেন, কেমন লাগলো?জান্নাতবাসীরা বলবেন, আল্লাহ্ সবকিছু থেকে এটাই বেশি ভালো লাগলো!


❤️আল্লাহ্ বলবেন,"এর চেয়েও ভালো আছে, "জান্নাতবাসী অবাক হয়ে বলবে, আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কিছু আছে,

আল্লাহ্ জবাব দিবেন,

"এর চেয়ে ভালো যা তা হলো তোমাদের রব! আল্লাহ্ বলবেন, "রিজওয়ান (একজন ফেরেস্তা) পর্দা সরিয়ে দাও, আজ আমার বান্দা আমার দীদার করবে, আমাকে দেখবে,

"আল্লাহু আকবার"! পর্দা সরে যাবে ও সবাই আল্লাহর দীদার লাভ করবে আল্লাহকে দেখার পরে বান্দা অস্থীর হয়ে যাবে তখন ----শেষে আল্লাহ পাক সুরা আর রহমান পাঠ করবেন তখন মানুষের অবস্থা কি যে হবে আল্লাহ ভাল জানেন। 


জান্নাতের হুর কি,

শরাব কি,

নহর কি, 

ফল কি, 

সব কিছুকে মূল্যহীন মনে হবে

বান্দা বলবে, "আল্লাহ্ কিছুই চাইনা,

শুধু তোমার দীদার চাই!তোমাকে দেখতে চাই,


--ফ্রেন্ড রিকোয়স্ট দিয়ে সাথে থাকুন,ইনশাআল্লাহ আপনার লচ" হবে না বরং আপনার লাভ হবে,কারণ আমার আইডিতে ইসলামিক পোস্ট করা হয়'অনেক কিছু জানতে পারবেন।

আল্লাহ্ আমাদের কে জান্নাতে কবুল করুন


আমিন 

কপি
পেস্ট 

সৌদি প্রবাসী রুবিনার গল্প ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

সৌদি প্রবাসী রুবিনা। দেশে রেখে যাওয়া অসুস্থ বাচ্চার অপারেশন করাতে বৃহস্পতিবার সকাল ঢাকায় পৌঁছান। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে পার্কিং এরিয়ায় ঢুকতেই..


- বইন কই যাবা?

- জয়পুর হাট

- আরে কও কি বইন! আমার বাড়ি দিনাজপুরের হিলি! আমিও ঐ দিক যামু

- এয়ারপোর্টে কেনো আসছেন?

- একমাত্র বইনকে এট্টু আগে দুবাইতে পাঠাইয়া দিলাম। পরানডা ছিঁড়া যাইতাছে বইন :(


কাছাকাছি এলাকার অপরিচিত তাজুলকে পেয়ে রুবিনা মনে জোর পেলেন। একসাথে বাসে উঠে গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। পথিমধ্যে ভাই-বোন অনেক সুখ-দুঃখের গল্পও করলেন। স্বামীর সাথে ডিভোর্স, একমাত্র বাচ্চার মায়া ছেড়ে বাচ্চার ভবিষ্যত গড়তেই বিদেশ গমন, আরও কতকি!


ফার্মগেটে বাস পরিবর্তন। রুবিনার ক্ষুধা পেয়েছে। ভাই তাজুল চট করে পাউরুটি আর পানি কিনে নিয়ে আসলেন। রুবিনা টাকা দিতে চাইলে তাজুল দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, "তুমি সত্যই আমার বোন হলে আজ এমন করে টাকা দিতে চাইতে না। আসলে পর কখনো আপন হয় না :("


বাস গাবতলীর পথে। রুবিনা পাউরুটি খেয়ে বোতলের মুখে পানি খেতে গিয়ে একটু পানি মুখ বেয়ে পড়ছিলো। ভাই তাজুল নিজের রুমাল বের করে সযত্নে পানি মুছে দিলেন।


রুবিনা বুঝতে পারছে, রুমালের ছোঁয়ায় তার সেন্স কমে আসছে, চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। ভাই সাহেব রুবিনার ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে সবগুলো টাকা পকেটে ঢুকাচ্ছেন। রুবিনা চেয়ে চেয়ে দেখছেন, কিন্তু কিছুই বলতে পারছেন না। রুমালের জাদুতে হ্যাং হয়ে স্ট্যাচু বনে গেছেন।


তাজুল টাকা মোবাইলসহ দামী জিনিষপত্র নিয়ে ভাইয়ের আদরে রুবিনার মাথায় হাত বুলিয়ে নেমে পড়লেন। মিনিট পাঁচেক পর রুবিনার হাতমুখ সচল হলেও কান্না ছাড়া কোনও গতি নেই।


বাচ্চার হার্নিয়ার অপারেশন করতে আনা সবগুলো টাকা উধাও। বাস ভাড়া দেয়ার টাকাও নেই। পাশের এক ভদ্রলোক এক'শ টাকা দিয়ে সাহায্য করলেন।


রুবিনা ঘুরে দাঁড়ালেন। বাস থেকে নেমে ভ্যানিটি ব্যাগ ঘেটে ঢাকায় শম্পার বাসার ঠিকানা লেখা কাগজটা বের করলেন। শম্পা তার সাথে সৌদিতে কাজ করে। সাত আট দিন আগে দেশে আসছে।


শম্পার বাসা থেকে রুবিনা পরপর তিনদিন এয়ারপোর্ট এলাকায় চিরুনি অভিযানে আসেন। আজ চতুর্থ দিন তিনি সফল, ভাই তাজুল তার চোখ এড়াতে পারেননি।


ঠিক একই জায়গায় আজ তাজুল আরেক বিদেশ ফেরত পুরুষ যাত্রিকে বলছিলেন, "একটু আগে ছোট ভাইটারে বিদেশ পাঠাইলাম :( পরানডা.."


'পরানডা ছিঁড়ার' আগেই বাঘিনীর মত ক্ষীপ্র বেগে রুবিনা তার কলার ধরে উত্তম মধ্যম দেয়া শুরু করেন। এরপর...

কপি

পেস্ট 

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২৩/১০/২০২২

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২৩-১০-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং পুনরায় কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


* নিত্য পণ্যের মূল্য, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। 


* ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় ছয়টি এমআরটি লাইন নির্মাণ করা হবে - জানালেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী । 


* ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবেলার সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে - বললেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। 


* আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যেই ভোলা গ্যাস ক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে প্রায় আট কোটি ঘনফুট গ্যাস। 


* রক্ষণশীল দলের পরবর্তী নেতা ও প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীতা নিশ্চিত করেছেন সাবেক ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। 


* এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে ভারত ও শ্রীলংকার নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ।

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২

অষ্টম শ্রেণির পড়াশোনা,, বিষয়ে বাংলা প্রথম পত্র,,, গল্পঃ পড়ে পাওয়া,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 


নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং তৎসংলগ্ন প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
গৃহকর্মী হাবুর মায়ের আর্তচিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে যায় আসিফের। আধো ঘুমে দৌড়ে এসে মায়ের পাশে দাঁড়ালো। হাবুর মা বলছে গতকাল মেয়ের বিয়ের বাজার সদাই করে ফেরার পথে সিএনজিতে বাজারের ব্যাগ রেখে নেমে পড়ে।

বাজারের ব্যাগে সোনার গহনার বাক্স ও টাকার থলে ছিল। সেদিন বিকেলে হাবুর মা এসে খবর দেয় টেক্সি ড্রাইভার নিজে এসে সব ফেরত দিয়ে গেছে।
ক. হারানো বিজ্ঞপ্তি বাদল লিখেছিল কেন?
খ. ‘ও বড় হলে উকিল হবে’ - বিধু সম্পর্কে সকলের এমন ভাবনার কারণ বুঝিয়ে লিখ।
গ. উদ্দীপকে হাবুর মায়ের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ্যণীয় ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভার ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা যেন একই সূত্রে গাঁথা - মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর:
ক. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের ছয় কিশোর বন্ধুদের মাঝে বাদলের হাতের লিখা সুন্দর ছিল। তাই হারানো বিজ্ঞপ্তি বাদল লিখেছিল।
খ. বিধুর উপস্থিত বুদ্ধি, দুরদর্শীতা ও বিচার ক্ষমতা দেখে সবাই ভাবত বিধু বড় হলে উকিল হবে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে ছয় বন্ধুদের একটি কিশোর দলের অন্যতম প্রধান চরিত্র বিধু ও সমবয়সী বন্ধুদের তুলনায় একটু বেশি পরিপক্ক, তবে দূরদৃষ্টি ও বিবেচনাবোধ সবাইকে বিস্মিত করে। দুপুরেরর বিকট গরমে ক্ষীণ গুড় গুড় মেঘের ডাক শুনে ও বলে দিতে পারে কালবৈশাখী ঝড় হবে। অন্য সবাই বিশ্বাস করেনি কিছুক্ষণের মধ্যেই এর সত্যতা প্রমাণিত হল।

এছাড়া পড়ে পাওয়া বাক্সের প্রকৃত মালিক খুঁজে পেতে কাগজে লিখে তা গাছে লাগিয়ে দেয়া, বাক্সটির মিথ্যা মালিক সেজে লোক এলে তাদের যাচাই বাছাই করে ফিরিয়ে দেয়া সর্বোপরি প্রকৃত মালিককে বাক্স ফিরিয়ে দেয়ার সময় প্রাপ্তি রসিদ লিখে রাখা ইত্যাদি বিষয় দেখে সবাই বুঝতে পারে সে বড় হয়ে উকিল হবে।
বিঃদ্রঃ [গ এবং ঘ নং প্রশ্নের উত্তর শিক্ষার্থীরা উদ্দীপক ও বইয়ের সাথে মিলিয়ে নিজের মত করে উপস্থাপন করবে যেখানে তার সৃজনশীলতার পরিচয় মিলবে। এখানে একটি নমুনা উত্তর দেয়া হল]
গ. উদ্দীপকের হাবুর মায়ের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স হারানো কাপালি চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
জস্টিমাসে নির্বিষখোলার হাট থেকে পটল বেঁচে ফিরছিল কাপালি। ছোট মেয়ের বিয়ে দিবে বলে গয়না গড়িয়ে আনছিলেন। প্রায় আড়াই শ’ টাকার গয়না আর পটল বেচার পঞ্চাশ টাকা একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্সে ভরে ফিরছিলেন গরুর গাড়ি করে। কখন কোথায় যে বাক্সটি পড়ে গেল কাপালি টের করতে পারেনি। সেই টাকা হারিয়ে কাপালি কষ্টে পড়ে গেল।
উদ্দীপকে গৃহকর্মী হাবুর মা মেয়ের বিয়ের বাজার সদাই করতে গিয়ে টেক্সিতে রেখে নেমে পড়ে। বাজারের ব্যাগে সোনার গহনার বাক্স এবং টাকার থলে ছিল। মেয়ের বিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে সে গৃহকর্ত্রীর বাড়ি এসে চীৎকার করে কাঁদতে লাগল।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাপালি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। উদ্দীপকে হাবুর মা তার মেয়ের বিয়ের গহনা, বাজার সদাই, নগদ টাকা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। এই দিক দিয়ে উভয়ের সাদৃশ্য লক্ষণীয়।
ঘ. উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভার ও ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা সততা, নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। সুতরাং তারা উভয়ই চারিত্রিকভাবে একই সূত্রে গাঁথা।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের লেখক ও তার বন্ধু বাদল ঝড় বৃষ্টির সন্ধ্যায় নদীর ধার দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। বাদল হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। কিসের সাথে হোঁচট খেল তা দেখতে গিয়ে ওরা দেখল একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স। প্রথমে ভেবেছিল ওটাতে যে টাকা আছে তা দিয়ে ওরা সন্দেশ খাবে।

এটা কাউকে জানানো যাবে না। জানালে ভাগ দিতে হবে। যখন ওরা তালা ভাঙতে চাইল তখন তাদের মনে হল এটির মালিকের মনের অবস্থা। টাকা হারিয়ে মালিক কতই না কষ্টে আছে। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল তালা ভাঙবে না এবং এর মালিককে ফেরত দিবে। ওরা ছিল ছয় বন্ধু। এই ছয় বন্ধু মিলে বাদলদের নাটমন্দিরের কোণে একটি গুপ্ত মিটিং করলো। এই ছয় কিশোরদের মাঝে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছিল বিধু।

বিধুর মাথায় বুদ্ধি এল কি করে এর প্রকৃত মালিক খুঁজে বের করা যায়। ওরা ঘুড়ির মাপের কিছু কাগজ কেটে তাতে হারানো বিজ্ঞপ্তি লিখে নদীর ধারের গাছগুলোতে বেলের আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিল। লোভে পড়ে দুজন বাক্স নিতে এসেছিল কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারেনি বলে কিশোর দল তাদের তাড়িয়ে দিল। যখন প্রকৃত মালিক খুর্ঁজে পেল তখন তার হাতে বাক্সটি তুলে দিল।

উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভার বাজারের ব্যাগের মালিকের কথা ভেবেই গতদিন যেখানে নামিয়ে দিয়েছিল সেখানে গিয়ে পৌঁছে দেয়। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছিল প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করতে। উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভারের সততা ও নৈতিকতার কারণে হাবুর মায়ের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। উপরের আলোচনা থেকে আমরা সহজেই বলতে পারি ওরা উভয়ই সততা ও নৈতিকতার সূত্রে গাঁথা।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে --- জানালেন শিক...