এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়

★জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি?


জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কাজগুলো সঠিকভাবে করলে হারিয়ে যাওয়া দলিল সহজে পাওয়া যাবে। অনেক সময় অসাবধানতা বা দূর্ঘটানাজনিত কারনে মূল্যবান দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়। যেমনঃ- কোন দুর্ঘটনায় বা আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারনে বা বন্যার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মূল্যবান কাগজ বা দলিল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ঠিক এই সময় হারানো কাগজ ফিরে পাবার জন্য বা কাগজের নকল সংগ্রহ করার জন্য পুলিশের সাহায্য নেয়া যাবে।


আমরা জানি কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে গেলে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি করতে হয়। জিডি করার পর পুলিশ অভিযোগকারীকে জিডির একটা কপি এবং কপির সাথে একটি নম্বর প্রদান করবেন। সেটিকে আপনার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এরপর পুলিশ হারিয়ে যাওয়া কাগজ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বা নকল বা নতুন কাগজপত্র বা দলিল প্রদান করার জন্য অনুমতি প্রদান করবেন।


জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়

উদাহরণঃ-


ধরূণ আপনার বাবা আজিজ পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা জমি ভোগদখল করাকালে ২ বছর পূর্বে মারা যান।আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুর পর এক পুত্র আব্দুল হক প্রামানিক ও এক কন্যা সেলিনা বেগম ওয়ারিশ থাকেন। আপনার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান, এসএ এবং আরএস খতিয়ান এবং আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামের দলিলগুলোর ফটোকপি থাকলেও মূল কাগজপত্র খুঁজে পান নাই ।


 মূল কপি কি প্রকারে সংগ্রহ করবেন সে বিষয়টা তুলে ধরা হলোঃ-


আপনি আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুকালে রেখে যাওয়া ঐ সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান ও এসএ এবং আরএস খতিয়ানের জাবেদা নকল ভোলা কলেক্টরেট অফিস (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) রেকর্ড রুম হতে নির্দিষ্ট জাবেদা নকলের ফরমে আবেদন করে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামীয় দলিল ভোলা জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। আপনি দলিলের ফটোকপি দেখে দলিলের নম্বর অনুসারে জাবেদা নকলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।


জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় আর ও মাধ্যম

দলিলের নকল (Certified Copy) প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ-


রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ১ নং (স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিলের) ও ২ নং (রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করা দলিলের) রেজিস্টার বহি ও ১ নং রেজিস্টার বহি সম্পর্কিত সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারে এবং উক্ত আইনের ৬২ ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে উক্ত দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রহন করতে পারে।


রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(২) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিল সম্পাদনকারী বা তার এজেন্ট এবং সম্পাদনকারীর মৃত্যুর পর যে কোন আবেদনকারী ৩ নং নিবন্ধিত উইলের রেজিস্টার ৩ নং লিপিবদ্ধ বিষয়ের (অর্থাৎ উইল বা অছিয়ত দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি) এবং ৩ নং বহি সম্পর্কিত সূচিপত্রের নকল গ্রহন করতে পারে।


রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৩) ধারা মতে, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিলের সম্পাদনকারী বা দাবীদার ব্যক্তি বা তার এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি ৪ নং বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের নকল গ্রহন করতে পারে।


রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৪) ধারা মতে, ৩ নং ও ৪ নং বহিতে লিখিত বিষয়ের তল্লাশি, সাব-রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে করা যাবে।


জমির দলিল জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়

কিভাবে দলিল তল্লাশ করবেন?


যদি মূল দলিল থাকে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্টার উল্টোদিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত নম্বর পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছ, তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হয় । এভাবে খুব সহজে সহজেই রেজিস্ট্রি অফিসে থেকে দলিলের নকল উঠানো যায়/পাওয়া যায়।


মূল দলিল না থাকলে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি শেষ হলে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লিখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতা বা অন্য কোন পক্ষের নাম দিয়ে, আর একটি তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।


দলিলের নকল প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলিঃ

রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদে সূচিবহি তল্লাশ ও দলিলের নকলের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী লিপিবদ্ধ আছে।

এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে সকল ক্ষেত্রে তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য কোন ফিস পরিশোধযোগ্য নহে, সে সকল ক্ষেত্র ব্যতিত, সকল ক্ষেত্রে নকলের জন্য আবেদন দাখিল করিবার পূর্বে (৩৬ নং ফরম অনুযায়ী) তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করিতে হইবে। এরপর ৩৭ নং ফরমে নকলের জন্য আবেদন করিতে হইবে।


তথ্য সংগ্রহ ।। 

কপি
পেস্ট

স্যামসাং মোবাইলের আপডেট সমুহ,,,

 Android 13-based One UI 5.0 Update Release Roadmap for all eligible Galaxy devices 😁


November 2022

Galaxy S22 (November 2022)

Galaxy S22+ (November 2022)

Galaxy S22 Ultra (November 2022)


December 2022

Galaxy A33 5G (December 2022)

Galaxy A51 (December 2022)

Galaxy A53 5G (December 2022)

Galaxy A71 (December 2022)

Galaxy A71 5G (December 2022)

Galaxy A73 5G (December 2022)

Galaxy Z Flip (December 2022)

Galaxy Z Flip3 5G (December 2022)

Galaxy Z Flip4 (December 2022)

Galaxy Z Fold2 5G/LTE (December 2022)

Galaxy Z Fold3 5G (December 2022)

Galaxy Z Fold4 (December 2022)

Galaxy XCover Pro (December 2022)

Galaxy S10 Lite (December 2022)

Galaxy S20 FE (December 2022)

Galaxy S20 FE 5G (December 2022)

Galaxy S20 (December 2022)

Galaxy S20 Ultra (December 2022)

Galaxy S21 FE 5G (December 2022)

Galaxy S21 5G (December 2022)

Galaxy S21 + 5G (December 2022)

Galaxy S21 Ultra 5G (December 2022)

Galaxy Note10 Lite (December 2022)

Galaxy Note20 (December 2022)

Galaxy Note20 5G (December 2022)

Galaxy Note20 Ultra (December 2022)

Galaxy Note20 Ultra 5G (December 2022)

Galaxy Tab S6 Lite (December 2022)

Galaxy Note20 Ultra (December 2022)

Galaxy Note20 Ultra 5G (December 2022)

Galaxy Tab S6 Lite (December 2022)

Galaxy Tab S7+ (December 2022)

Galaxy Tab S8 (December 2022)

Galaxy Tab S8 5G (December 2022)

Galaxy Tab S8+ 5G (December 2022)

Galaxy Tab S8 Ultra (December 2022)

Galaxy Tab S8 Ultra 5G (December 2022)


January 2023

Galaxy A13 5G (January 2023)

Galaxy A32 (January 2023)

Galaxy A32 5G (January 2023)

Galaxy A32 5G (January 2023)

Galaxy A52 (January 2023)

Galaxy A52 5G (January 2023)

Galaxy A52s 5G (January 2023)

Galaxy A72 (January 2023)

Galaxy M33 5G (January 2023)

Galaxy M52 5G (January 2023)

Galaxy M53 5G (January 2023)

Galaxy M62 (January 2023)

Galaxy Tab Active3 (January 2023)

Galaxy Tab S7 FE (January 2023)

Galaxy Tab S7 FE 5G (January 2023)


February 2023 

Galaxy A12 (February 2023)

Galaxy A22 (February 2023)

Galaxy A22 5G (February 2023)

Galaxy A23 (February 2023)

Galaxy A23 5G (February 2023)

Galaxy M12 (February 2023)

Galaxy M13 (February 2023)

Galaxy M22 (February 2023)

Galaxy M23 5G (February 2023)

Galaxy M32 (February 2023)

Galaxy Tab A7 Lite (February 2023)

Galaxy Tab A8 (February 2023)


March 2023

Galaxy A03 (March 2023)

Galaxy A04s (March 2023)

Galaxy A13 (March 2023)

Galaxy A13 LTE (March 2023)


April 2023

Galaxy A04 (April 2023)


Sources- sammyfans

এক বছরের নামাজের হিসাব,,,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে

 আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি...

ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন    = ৭৩০ রাকাআত

যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন    = ১৪৬০ রাকাআত

আসর- ৪x ৩৬৫ দিন     = ১৪৬০ রাকাআত

মাগরিব- ৩ x ৩৬৫ দিন  = ১০৯৫ রাকাআত

এশা- ৪x ৩৬৫ দিন        = ১৪৬০ রাকাআত

                           মােট  = ৬২০৫ রাকাআত

                           সুন্নাত এবং নফল সালাত তাে বাদই দিলাম !!

                           ১ বছরে (৩৬৫ x ৫) = ১৮২৫ ওয়াক্ত সালাত।

                           অর্থাৎ বছরে ১৮২৫ বার আপনাকে আযানের মাধ্যমে 

                           ডাক দেয়া হয়।

                           আপনি কয়বার সাড়া দিয়েছিলেন ?     

                           আপনার মনে কি একটুও অনুশােচনা হওয়ার কথা না ?

                           কি ভেবেছেন আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না?

                           এখানে শুধু ১ বছরের একটু ধারণা তুলে ধরা হল, 

                           আল্লাহ্'র কাছে পুরাে জীবনের হিসাব কিভাবে দিবেন. ?

                           কি অবস্থা হবে সেদিন ?

                           আসুন!!

                           আজ থেকেই ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা শুরু করি।

                           আল্লাহর ডাকে সাড়া দেই।আল্লাহ্ কে ডাকি। 

                           আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন।

                           মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত 

                           নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুক.....🤲🤲আমিন🤲🤲

নাটক সাকিন সারিসুরি,,,, মোশাররফ করিম অফিসিয়াল ফেসবুক ফানপেইজ থেকে নেওয়া

 ♦বাংলা নাটক এর গুরু হয়ে থাকবে আজীবন♦


সাকিন সারিসুরি,

   প্রযোজনা ও পরিচালনায় - সালাউদ্দিন লাভলু

                       রচনা - বৃন্দাবন দাস

একটি ২০০৯/১০ সালের ড্রামা সিরিয়াল/স্যোপ। মোট ১০২ পর্বের একটি চমৎকার ধারাবাহিক। 

একটা প্রানবন্ত সৃষ্টি ও বিচিত্রধর্মী চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনা। নাটকটি মূলত কয়েকটি ঘটনা নিয়ে রচিত ও পরিচালিত। প্রথমেই এর চরিত্র গুলো একটু দেখিয়ে নি,,,,,

সাধন দাস- সিঁধ কাঁটা ঘরচোর

জংসন - ডাকাত

মঘা সরদার - পকেট মার

রুইতন - মোবাইল চোর

রঞ্জু - ট্রেইনে চুরি করে

হাসু - পকেট মার

গোলাম, রিগ্যান,গুরুদাস - ঘরচোর

শেফালী - মঘা সরদারের একমাত্র মেয়ে

কাকলী - রুইতনের কিছু কাজের ভাগিদার 

বাসন্তী - গুরুদাসের স্ত্রী 

নিভারাণী - গুরুদাসের কাকাতো ভাই সাধন দাসের ছেলে মৃত হরিদাসের স্ত্রী

রবিদাস - মৃত হরিদাসের সন্তান

হেনা - রুইতনের বোন

এই যে উপরের পেশাদার লোকজনের পরিচয় দিলাম এই লোকগুলোর মধ্যে কিন্তু একেকজন একেক ধর্মের কিন্তু পেশা সবাই ওই একই। আর সারিসুরি গ্রাম জুড়ে এদের বসবাস। তাই এটা চোরেদের গাঁ নামেও খ্যাত। এখানেই মজাটা এরা সবাই খারাপ কাজ করে পরেও এরা কিন্তু সুন্দরভাবে ওই গাঁয়ে থাকে এবং এরা লিমিট আনলিমিট বোঝে। এরা কারো ক্ষতি করে নিজেদের পেট চালায় না। তাদের যতদিনের উপায় দরকার ততটুক চুরি ডাকাতি করে গাঁয়ে তাদের রশদ নিয়ে ফেরে।


জাপান ডাক্তার - অন্য গাঁয়ের কোনো ডিগ্রিবিহীন মুখে মুখে মান্য ডাক্তার  

পার্শ্ব চরিত্রে- সোনালী, প্রেমানন্দ (গুরুদাসের শালা-শালী), বিলকিস, মোজাম্মেল (রুইতনের দুলাভাই ও বেয়াই)

এছাড়া রয়েছে,

সাহেব মন্ডল - অন্য গাঁয়ের প্রচন্ড বদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারী ডাকাত সর্দার

হান্নান, মান্নান - সম্পর্কে খালাতো ভাই এবং মন্ডলের ডানহাত বাঁমহাম

রওশন - মন্ডলের ভাইজতে

কস্তুরি - মন্ডলের মেয়ে 

কোহিনূর বেগম - রওশনের মা


এটা একটা এমন সৃষ্টি এটা দেখা শুরু করলে আপনি নিজেই সশরীরে প্রথম পর্ব থেকেই ওই গ্রামে প্রবেশ করবেন,ওইখানের ঘটনাগুলার প্রত্যক্ষদর্শী হবেন। চরিত্র গুলো চিনবেন,চরিত্র গুলোর চরিত্র সম্বন্ধে জানবেন, জেনে চরিত্র গুলো ভালোবাসবেন,ঘৃণা করবেন,সাপোর্ট করবেন,গালি দিবেন, উপদেশ দিবেন। এককথায় আপনি ওটাতে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন।

কোনো স্পয়লার না কিন্তু কিছু চরিত্রের কথা একটু বলবো। ওই যে রুইতন মোবাইল চোরা। সে হচ্ছে প্রকৃত একজন সাহসী,নীতিবান চরিত্র। সে খারাপ কাজ করে কিন্তু অন্যায় করেও না সয়ও না। সে নিজের প্রতি দারুণ বিশ্বাসী। তার পাশে তার প্রতি কাজে যদি তার গ্রামবাসীরা তার পাশে নাথেকেও পেছনে হলেও থাকতো তাহলে হয়তো তার পরিনতি অমন হতো না। পুরো নাটক শেষে আপনি তাকে না শ্রদ্ধা করে না ভালোবেসে পারবেন না।

আরেক চরিত্র যার সম্পর্কে বলবো সে হলো ওই গোলাম চোর। শ্লা এতোওওওওও খারাপ। তাকে বিভীষণ বললেও বিভীষণের অপমান হয়। সে প্রচন্ড স্বার্থপর এবং দালাল এবং মির্জাফর প্রকৃতির খাইস্ঠা ছেলে। নিজের জন্য সে সব করতে পারে বেঈমান,লোভী,কুচতুর ছাওয়াল।

আরেক চরিত্র যার ওপর ভিষণ রাগ হয়েছে আমার। জাপান ডাক্তার। তার কোনো ডিগ্রি নেই নির্দিষ্ট। নিজেকে ডাক্তার বলে দাবি করে আর সারিসুরি গাঁয়ের মানুষও তাকে ওভাবে মানে। টেলিস্কোপ দিয়ে বুক পরীক্ষা, হাতের নাঁড়ি দেখা,প্রেসার মেপে হোমিওপ্যাথি ঔষধ দিতে তার হাত একটু ভালোই। তবে সে গাঁয়ে আসা যাওয়ার ফাঁকে গাঁয়ের ওই মঘা সরদারের বিটিকে ভালো পেয়ে ফেলে। কিন্তু আমার রাগের কারন হচ্ছে  ওই ডাক্তার নিজেকে ডাক্তার ডাক্তার দাবি করে কথায় কথায় গাঁয়ের মানুষকে সুযোগে খোঁচা ত দেয় ই এবং সে তা ডাক্তারি পেশা/বিদ্যা নিয়ে এতোই মশগুল যে তার ভালোবাসার কথাটা মেয়ের বাপকে পর্যন্ত বলতে তার মানে বাঁধলো। অবশেষে মেয়ে নিখোঁজ ই হলো। সেজন্য তার পুরো দোষ এই ডাক্তারের। পরে সে আরেক মেয়ের জন্য যাকে সে দেখে নাই চিনে না জানে না তার নাম শুনেই ভালোবেসে ফেলে। তার ঠিকানা জানার জন্য জনে জনে কত অপমান,কতকি পাগলামি কত রঙ্গ করলো বাপু। আসলেই পাগল সময়ে যদি সে মানের মানটা ওপরে না রেখে একটু চেষ্টা করতো তাহলে হয়তো ওই মেয়ে আর নিজের অসহায় বাপ ফেলে যেতো না ডাক্তারও সুখী হতো। ভিষণ বাজে লেগেছে এটা।


কপি

কপি
পেস্ট

ভুলে ও এই নয় ৯ ধরনের জমি কিনবেন না,,,,ফজলুর রহমান রাফাহ

 ❎ এই ৯ ধরনের জমি ক্রয় থেকে সাবধান থাকবেন!


বর্তমানে জমির দাম অনেক বেশি এবং দিন দিন তা হু হু করে বাড়ছে। অনেকেই স্বপ্ন লালন করেন নিজের একটি জমি হবে। কিন্তু আবাসযোগ্য ভালো জমির পরিমান অনেক কম এবং পাওয়াও কঠিন।

এজন্য বিভিন্ন প্রতারক চক্র ” ভালো জমি” বিক্রির লোভ দেখান। সহজ সরল মানুষ একটি ভালো জমির মালিক হবার জন্য দ্রুত টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি করে নেন।  কিন্তু দখল করতে গিয়ে দেখেন জমিটি ঝামেলাপূর্ণ। এজন্য জমি কেনার আগে জানা উচিত কোন জমি গুলো একদমই কেনা উচিত নয়। 

একটা ভালো জমি যেমন আপনার সারা জীবনের একটা সম্বল হতে পারে।  ঠিক তেমনি, ভুল জমি ক্রয় আপনার সারা জীবনের কান্নার কারন হতে পারে। 

আসুন জেনে নেই,  কোন জমি গুলো ভুলেও কেনা উচিৎ নয়-


১.খাস জমি 


জমি কেনার সময় খোজ নিয়ে দেখবে যেন সেটি খাস জমি না হয়। যে জমিগুলো সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলোকে খাস জমি বলা হয়।

অনেক সময় অনেক প্রতারক জাল  দলিল তৈরি  করে “খাস জমি” বিক্রি করা হয়।

আইনে বলা আছে, কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে ও সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে সেইগুলোই খাস জমি। সরকার এ জমিগুলো বন্দোবস্ত দিতে পারেন। সাধারণত ভূমি হীন ব্যক্তিরা সরকারী ভাবে খাস জমি পায়।

এজন্য জমি কিনার পূর্বে  ভুমি অফিসে খোজ নিয়ে দেখুন যে জমিটি খাস জমি কিনা?


২. অর্পিত সম্পত্তি


অনেক হিন্দু নাগরিক তাদের জমি-জমা পরিত্যাগ করে  ভারতে চলে গেছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব লাভ করে বসবাস করেছেন। তাদের অনেকের ভূমি অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি (Vested and non-Resident Property) হিসেবে সরকারের তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে ।

এসকল জমি সরকার ছাড়া অন্য কেও ক্রয় বিক্রয় করতে পারে না।  এজন্য, যেকোন জমি ক্রয়ের আগে খোজ নিন এগুলো সরকারের তালিকা ভুক্ত অর্পিত জমি কিনা?


৩.অধিগ্রহণকৃত জমি বা এরূপ সম্ভাবনার জমি


রাষ্ট্র বা সরকার দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেলপথ, সড়ক বা সেতুর প্রবেশ পথ বা এ জাতীয় অন্য কিছুর জন্য  জনগনের কোন ভূমি যদি দখল করে নেয় তাকে বলে “অধিগ্রহণ”। সরকার দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কারো জমি অধিগ্রহণ করতে পারে।

অনেকেই সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি প্রতারণা করে বিক্রি করে। এজন্য, জমি ক্রয়ের পূর্বে ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনে নিন জমিটি সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি কিনা বা ভবিষ্যতে অধিগ্রহণ করার সম্ভবনা আছে কিনা।


৪. যাতায়াতের রাস্তা নেই এরূপ জমি


যে জমিটি ক্রয় করবেন সেটির মৌজা ম্যাপ যাচাই করে বা  সশরীরে উপস্থিত হয়ে খোজ নিন যে জমিটিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা।  যে জমিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই এমন জমি ভুলেও কিনবেন না। 


৪.ইতোমধ্যে অন্যত্র বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ কিনা


অনেক বিক্রেতা একই জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেন। ফলে, আসল বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় করার পরও জমির প্রকৃত মালিক হওয়া যায় না। 

এজন্য জমি ক্রয় এর পূর্বে খোজ নিন বিক্রেতা পূর্বে অন্য কারো কাছে জমিটি বিক্রি করেছে কিনা বা বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি করেছে কিনা।

সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে খোজ নিন এর পূর্বে জমি হস্তান্তর জনিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা।

আরো পড়ুন – জমি কেনার ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস।


৫ বন্ধকীকৃত জমি


অনেক সময় জমি বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে বন্ধক বা মর্টগেজ থাকে। এমন জমি কখনই ক্রয় করবেন না। কারন বন্ধক কৃত জমি ক্রয় – বিক্রয় সম্পূর্ণ বে- আইনী।


৬.কোন আদালতে মামলায় আবদ্ধ জমি


অনেক সময় একই জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলে। মামলা চলছে বা মামলা এখন নিষ্পত্তি হয় নি, এমন জমি কেনা উচিৎ  নয়।


৭. বিরোধপূর্ণ জমি।


অনেক সময় ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিক হলে  ঠিক মত ওয়ারিশ সনদ বা বন্টননামা করা হয় না। এসব জমি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ চলে। 

এসকল বিরোধ পূর্ন জমি কেনা কোনভাবেই উচিৎ নয়।

কৃষি জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেকর্ডীয় মালিকানায় অংশীদারগণ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। সুতরাং অংশীদারদের সম্মতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে


৮. দখলহীন জমি


যেকোন জমির মালিকানার জন্য প্রয়োজন দলিল ও দখল। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ।  এজন্য যিনি জমি বিক্রি করছেন জমিটি তার দখলে আছে কিনা জেনে নিন। 

যদি দখলে না থাকে তবে এমন জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।  দখলহীন মালিকদের জমি ক্রয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে জমি দখলের জন্য ঝগড়া, দাঙ্গা ফ্যাসাদ এবং মামলা মোকদ্দমায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


৯. নাবালকের নামে জমি


জমি যদি নাবালকের নামে থাকে, তবে সে জমি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক ছাড়া বিক্রি করা যায় না। সাধারনত ১৮ বছরের নিচে ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়।

 এজন্য, অনেকেই এমন জমি কিনে যা ওয়ারিশ সুত্রে কোন নাবালকের অংশ আছে।  কিন্তু, নাবালক বড় হয়ে মামলা করলে  জমিটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এজন্য, এ ধরনের জমি কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন।


তথ্য সংগ্রহ

কপি

পেস্ট

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১ /০৩ বৃহস্পতিবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ০৩-১১-২০২২ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং চার জাতীয় নেতার মর্মান্তিক হত্যাকান্ড স্মরণে দেশে আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ‘জেল হত্যা দিবস’ । 


দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি  প্রধানমন্ত্রীর আহবান।


কোভিড নাইনটিন ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় সরকার প্রস্তত  - জাতীয় সংসদে জানালেন শেখ হাসিনা ।


বিএনপি’র রাজনীতি হচ্ছে মুচলেকা দিয়ে পালানোর রাজনীতি - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের ।


বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজি করছে বিএনপি - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


দক্ষিণ আফ্রিকায় শান্তি আলোচনার পর ইথিওপিয় সরকার ও তাইগ্রেয়ান বাহিনী স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মত ।


এবং সিডনিতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।

জ্বীন ও শয়তান আসবেনা,,,, এমবি জাকির হোসেন,,,, দোয়া ও আমল ফেইসবুক থেকে

 "জ্বীন ও শয়তান আসবে না" 

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

'বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, 

---------------------------------------------- 

আবূ আইউব আনসারী (রাঃ) বলেনঃ 

‘আমার ধনাগার হতে জিনেরা খেজুর চুরি করে নিয়ে যেতো। 

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এজন্য অভিযোগ পেশ করি। 

তিঁনি বলেন, 

"যখন তুমি তাকে দেখবে তখন بِسْمِاللهِاَجِيْبِيْرَسُوْلَاللهَ পাঠ করবে।" 

যখন সে এলো তখন আমি এটি পাঠ করে তাকে ধরে ফেললাম। 

সে বললোঃ 

আমি আর আসবো না। সুতরাং আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। 

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হলে তিনি আমাকে বললেনঃ 

‘তোমার বন্দী কি করেছিলো? 

আমি বললামঃ 

তাকে আমি ধরে ফেলেছিলাম, সে আর না আসার অঙ্গীকার করায় তাকে ছেড়ে দিয়েছি। 

তিঁনি বললেনঃ 

সে আবার আসবে। 

আমি তাকে এভাবে দু’তিন বার ধরে ফেলে অঙ্গীকার নিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেই। 

আমি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট বর্ণনা করি। 

তিঁনি বারবারই বলেন, 

সে আবার আসবে। 

শেষবার আমি তাকে বলিঃ 

এবার আমি তোমাকে ছাড়বো না। 

সে বললোঃ 

‘আমাকে ছেড়ে দিন, 

আমি আপনাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিচ্ছি যে, কোন জ্বিন ও শয়তান আপনার কাছে আসতেই পারবে না। 

আমি বললামঃ 

আচ্ছা, বলে দাও। 

সে বললো, এটা ‘আয়াতুল কুরসী।’ 

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এটা বর্ণনা করি। 

তিঁনি বললেন, সে মিথ্যাবাদী হলেও এটা সে সত্যই বলেছে।’ 

-

(সহীহ ইবনু হিব্বান -২/৭৯/৭৮১, মুসতাদরাকে হাকিম -১/৫৬২, মুসনাদ আহমাদ -৫/৪২২, আল মাজমা‘উয যাওয়ায়িদ- ১০/১১৭, ১১৮, হাদীসটি সহীহ) 

ইমাম তিরমিযী (রহিঃ)-ও এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। 

-----------------[ইবনে কাসির রহিঃ]--------------

কপি

পেস্ট 

ইসলামে মজলিসে ফজিলত,,, দোয়া ও আমল ফেইসবুকে থেকে

"ইলমের মজলিসের ফজিলত"

"""""""""'"""""""""""""""'"""""""""""""""""""""""""""""

'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

----------------------------------------------

আল্লাহর রাসুল (সাঃ) দেখলেন, 

"মসজিদে দুটি দল বসে আছে, একটি দল ইসলামি জ্ঞান চর্চায় ব্যস্ত, 

এবং অপর দলটি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা ও মুনাজাতে ব্যস্ত আছে। 

আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বললেন : 

উভয় দলই আমার পছন্দের, কিন্তু জ্ঞানচর্চাকারী দলটি প্রার্থনায়রত দলটি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। 

আর আমি মহান আল্লাহর পক্ষ হতে, মানুষকে শিক্ষা দানের লক্ষ্যে (শিক্ষক হিসাবে) প্রেরিত হয়েছি। 

অত:পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) জ্ঞানচর্চাকারী দলটিতে যেয়ে বসলেন।" 

-

[বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ১, পৃষ্ঠা ২০৬] 

[বর্ণনায় কিছু বেশী করে হাদীসটি তাম্বীহুল গাফিলীন কিতাবেও উল্লেখ করা হয়েছে ]

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

এখানে 'তাম্বীহুল গাফিলীন' কিতাব থেকে একটি ঘটনা ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সীরিন (রহিঃ) এর নিজ জবানীতে, বর্ণনা দেয়া হলো। 

-

ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সীরিন (রহিঃ) বলেন- 

"আমি একদিন বসরার মসজিদে গেলাম, 

তখন আসওয়াদ ইবনে সা'রী (রাঃ) মানুষকে ওয়াজ, নসিহত করছিলেন। 

মসজিদের লোকেরা তার চার পাশে সমবেত হয়েছে দেখলাম।

তাঁর পিছনে একদল ফকিহ (ফিকাহ বা ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ) মসজিদের আরেক কোনায় বসে ফিকাহ আইন নিয়ে আলোচনা করছেন। 

---- 

আমি দু'দলের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দু'রাকাত নামাজ আদায় করলাম। 

নামাজ শেষ হলে আমি মনে মনে ভাবলাম যে, আমি যদি ইবনে সা'রী (রাঃ) এর নিকট বসি, 

তাহলে তাদের দু'আ যখন কবুল হবে ও তাদের প্রতি রহমত নাজিল হবে তখন আমার প্রতিও রহমত বর্ষিত হবে। 

-

আবার মনে মনে ভাবলাম- 

'আমি যদি ফিকাহর মজলিসে বসি। তাহলে হয়তো তাঁদের কাছ থেকে, 

এমন একটি কথা শুনতে পাব যা ইতিপূর্বে শুনি নাই, এবং সে মোতাবেক আমল করতে পারবো।' 

-

এই নিয়ে আমি নিজের মনে চিন্তা করতে করতে কারো সাথে না বসেই সেখান থেকে চলে গেলাম।

সেদিন রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম, এক ব্যক্তি আমার নিকট এসে বললো- 

"হে ইবনে সীরিন (রহিঃ) 

তুমি যদি সেই মজলিসে বসতে, 

যেখানে ফিকাহর আলোচনা চলছিল, 

তাহলে তুমি জিবরাইল (আলাইহিস সালাম) কে তাদের সাথে বসা অবস্থায় দেখতে পেতে।" 

______[মুকাম্মাল তাম্বীহুল গাফিলীন]_____ 

কপি
পেস্ট

বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২

বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বান্চল

 "ভুরুঙ্গামারী" একটি হারিয়ে যাওয়া রেলপথের গল্প।

_____________________________________________


১৮৮৭-৮৮ সালে ব্রিটিশ শাসন আমলে ইংরেজরা তাদের সৈন্য ও রসদ নিয়ে চলাচলের জন্য লালমনিরহাট থেকে ভারতের মনিপুরী রাজ্যে যাওয়ার জন্য গোলকগঞ্জ হয়ে গোয়াহাটি পযন্ত একটি মিটার গেজ রেলপথ নির্মান করেন। 


লালমনিহাট থেকে মোগলহাট, গীতালদহ, আবুতারা, বামনহাট, ভুরুঙ্গামারি, পাটেশ্বরী, সোনাতলা এবং গোলকগঞ্জ এই কয়টি রেলওয়ে স্টেশন ছিল, গোলকগঞ্জ ছিল জংসন স্টেশন। ৪৮ পরবর্তী দেশ ভাগের পর ভারত পাকিস্তান নামে আলাদা দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয় তখন এই পথটির মোগলহাটের পর গীতালদহ,আবুতারা বামনহাট অংশ ভারতের সিমানায় পড়ে এরপর আবার বাংলাদেশের সিমানায় ভুরুঙ্গামারি ও পাটেশ্বরী নামে স্টেশন পার হয়ে ভারতের সিমানায় সোনাতলা ও গোলকগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন পড়ে,১৯৬৫ সাল পযন্ত এই পথটিতে ট্টেন চলাচল করত, মোগলহাটে ধরলা নদীর উপর রেলওয়ে ব্রীজ টির বন্যায় দুপাশে মাটি সরে গেলে এ পথের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তখন মোগলহাট পযন্ত ট্রেন চলাচল করত,১৯৯৬ সাল থেকে লোকসানের অজুহাতে এ পথের ট্রেন চলাচল পুরোপুরী বন্ধ হয়ে যায়।ভারত তাদের সিমানা দিয়ে নতুন করে রেলপথ চালু করলেও অযত্নে আর আবহেলায় পরে আছে ভুরুঙ্গামারি।


কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদর থেকে ৫-৬কিঃ মিঃ পূর্ব দিকে পাইকেরছড়া ইউনিয়নে হারিয়ে যাওয়া এই রেলপথের একটি স্মৃতি চিহ্ন এখনও আছে। সেটি সোনাহাট রেলওয়ে ব্রীজ। ব্রিজটি প্রায় ১২০০ ফুট লম্বা। 


১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা এই ব্রিজের একটি অংশ ভেঙ্গে দেয় পাকিস্তানী সৈন্য চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে। পরবর্তীকালে তা প্রেসিডেন্ট এরশাদ সরকারের আমলে কচাকাটার কৃতি সন্তান জাতীয় পার্টির সাংসদ মরহুম আ,খ,ম, শহীদুল ইসলাম বাচ্চুর সময়ে তা আবারও মেরামত করা হয়। এই ব্রিজটি দুধকুমর নদীর উপর নির্মিত। বর্তমানে এটি সাধারন ব্রিজের মতোই ব্যবহৃত হচ্ছে সে এলাকার মানুষ প্রতিদিন এখান দিয়ে যাতায়াত করছেন।


এই ব্রীজ এবং ভুরুঙ্গামারী রেলওয়ে স্টেশন আমাদের রেলওয়ের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য সময় পেলে অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন এখান থেকে।

(বাংলাদেশ রেলওয়ে ইতিহাস ও ঐতিহ্য থেকে) ।

কপি
পেস্ট 

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০২

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(০২-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি  প্রধানমন্ত্রীর আহবান। 


* * কোভিড নাইনটিন ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রস্তত  - জাতীয় সংসদে জানালেন শেখ হাসিনা।


* আগামীকাল দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে জেল হত্যা দিবস। 


* বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে মুচলেকা দিয়ে পালানোর রাজনীতি - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


* বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজী করছে বিএনপি - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া একে অন্যের উপক‚লীয় জলসীমায় বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার মধ্য দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি। 


* এবং আজ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশকে ৫ রানে হারিয়েছে ভারত ।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...