এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২

নাটক সাকিন সারিসুরি,,,, মোশাররফ করিম অফিসিয়াল ফেসবুক ফানপেইজ থেকে নেওয়া

 ♦বাংলা নাটক এর গুরু হয়ে থাকবে আজীবন♦


সাকিন সারিসুরি,

   প্রযোজনা ও পরিচালনায় - সালাউদ্দিন লাভলু

                       রচনা - বৃন্দাবন দাস

একটি ২০০৯/১০ সালের ড্রামা সিরিয়াল/স্যোপ। মোট ১০২ পর্বের একটি চমৎকার ধারাবাহিক। 

একটা প্রানবন্ত সৃষ্টি ও বিচিত্রধর্মী চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনা। নাটকটি মূলত কয়েকটি ঘটনা নিয়ে রচিত ও পরিচালিত। প্রথমেই এর চরিত্র গুলো একটু দেখিয়ে নি,,,,,

সাধন দাস- সিঁধ কাঁটা ঘরচোর

জংসন - ডাকাত

মঘা সরদার - পকেট মার

রুইতন - মোবাইল চোর

রঞ্জু - ট্রেইনে চুরি করে

হাসু - পকেট মার

গোলাম, রিগ্যান,গুরুদাস - ঘরচোর

শেফালী - মঘা সরদারের একমাত্র মেয়ে

কাকলী - রুইতনের কিছু কাজের ভাগিদার 

বাসন্তী - গুরুদাসের স্ত্রী 

নিভারাণী - গুরুদাসের কাকাতো ভাই সাধন দাসের ছেলে মৃত হরিদাসের স্ত্রী

রবিদাস - মৃত হরিদাসের সন্তান

হেনা - রুইতনের বোন

এই যে উপরের পেশাদার লোকজনের পরিচয় দিলাম এই লোকগুলোর মধ্যে কিন্তু একেকজন একেক ধর্মের কিন্তু পেশা সবাই ওই একই। আর সারিসুরি গ্রাম জুড়ে এদের বসবাস। তাই এটা চোরেদের গাঁ নামেও খ্যাত। এখানেই মজাটা এরা সবাই খারাপ কাজ করে পরেও এরা কিন্তু সুন্দরভাবে ওই গাঁয়ে থাকে এবং এরা লিমিট আনলিমিট বোঝে। এরা কারো ক্ষতি করে নিজেদের পেট চালায় না। তাদের যতদিনের উপায় দরকার ততটুক চুরি ডাকাতি করে গাঁয়ে তাদের রশদ নিয়ে ফেরে।


জাপান ডাক্তার - অন্য গাঁয়ের কোনো ডিগ্রিবিহীন মুখে মুখে মান্য ডাক্তার  

পার্শ্ব চরিত্রে- সোনালী, প্রেমানন্দ (গুরুদাসের শালা-শালী), বিলকিস, মোজাম্মেল (রুইতনের দুলাভাই ও বেয়াই)

এছাড়া রয়েছে,

সাহেব মন্ডল - অন্য গাঁয়ের প্রচন্ড বদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারী ডাকাত সর্দার

হান্নান, মান্নান - সম্পর্কে খালাতো ভাই এবং মন্ডলের ডানহাত বাঁমহাম

রওশন - মন্ডলের ভাইজতে

কস্তুরি - মন্ডলের মেয়ে 

কোহিনূর বেগম - রওশনের মা


এটা একটা এমন সৃষ্টি এটা দেখা শুরু করলে আপনি নিজেই সশরীরে প্রথম পর্ব থেকেই ওই গ্রামে প্রবেশ করবেন,ওইখানের ঘটনাগুলার প্রত্যক্ষদর্শী হবেন। চরিত্র গুলো চিনবেন,চরিত্র গুলোর চরিত্র সম্বন্ধে জানবেন, জেনে চরিত্র গুলো ভালোবাসবেন,ঘৃণা করবেন,সাপোর্ট করবেন,গালি দিবেন, উপদেশ দিবেন। এককথায় আপনি ওটাতে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন।

কোনো স্পয়লার না কিন্তু কিছু চরিত্রের কথা একটু বলবো। ওই যে রুইতন মোবাইল চোরা। সে হচ্ছে প্রকৃত একজন সাহসী,নীতিবান চরিত্র। সে খারাপ কাজ করে কিন্তু অন্যায় করেও না সয়ও না। সে নিজের প্রতি দারুণ বিশ্বাসী। তার পাশে তার প্রতি কাজে যদি তার গ্রামবাসীরা তার পাশে নাথেকেও পেছনে হলেও থাকতো তাহলে হয়তো তার পরিনতি অমন হতো না। পুরো নাটক শেষে আপনি তাকে না শ্রদ্ধা করে না ভালোবেসে পারবেন না।

আরেক চরিত্র যার সম্পর্কে বলবো সে হলো ওই গোলাম চোর। শ্লা এতোওওওওও খারাপ। তাকে বিভীষণ বললেও বিভীষণের অপমান হয়। সে প্রচন্ড স্বার্থপর এবং দালাল এবং মির্জাফর প্রকৃতির খাইস্ঠা ছেলে। নিজের জন্য সে সব করতে পারে বেঈমান,লোভী,কুচতুর ছাওয়াল।

আরেক চরিত্র যার ওপর ভিষণ রাগ হয়েছে আমার। জাপান ডাক্তার। তার কোনো ডিগ্রি নেই নির্দিষ্ট। নিজেকে ডাক্তার বলে দাবি করে আর সারিসুরি গাঁয়ের মানুষও তাকে ওভাবে মানে। টেলিস্কোপ দিয়ে বুক পরীক্ষা, হাতের নাঁড়ি দেখা,প্রেসার মেপে হোমিওপ্যাথি ঔষধ দিতে তার হাত একটু ভালোই। তবে সে গাঁয়ে আসা যাওয়ার ফাঁকে গাঁয়ের ওই মঘা সরদারের বিটিকে ভালো পেয়ে ফেলে। কিন্তু আমার রাগের কারন হচ্ছে  ওই ডাক্তার নিজেকে ডাক্তার ডাক্তার দাবি করে কথায় কথায় গাঁয়ের মানুষকে সুযোগে খোঁচা ত দেয় ই এবং সে তা ডাক্তারি পেশা/বিদ্যা নিয়ে এতোই মশগুল যে তার ভালোবাসার কথাটা মেয়ের বাপকে পর্যন্ত বলতে তার মানে বাঁধলো। অবশেষে মেয়ে নিখোঁজ ই হলো। সেজন্য তার পুরো দোষ এই ডাক্তারের। পরে সে আরেক মেয়ের জন্য যাকে সে দেখে নাই চিনে না জানে না তার নাম শুনেই ভালোবেসে ফেলে। তার ঠিকানা জানার জন্য জনে জনে কত অপমান,কতকি পাগলামি কত রঙ্গ করলো বাপু। আসলেই পাগল সময়ে যদি সে মানের মানটা ওপরে না রেখে একটু চেষ্টা করতো তাহলে হয়তো ওই মেয়ে আর নিজের অসহায় বাপ ফেলে যেতো না ডাক্তারও সুখী হতো। ভিষণ বাজে লেগেছে এটা।


কপি

কপি
পেস্ট

কোন মন্তব্য নেই:

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...