এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২
২০২২-২০২৩ কর বর্ষের আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র,,,,,,,, সন্চয় পত্র ফেইসবুক
২০২২-২০২৩ কর বর্ষের আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
আয়কর রিটার্ন অফিসে দাখিল করার পূর্বে আপনার দেওয়া তথ্য-উপাত্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী এ্যাসেসমেন্ট করে নির্ভুলভাবে আপনার আয়কর রিটার্নটি প্রস্তুত করতে হয়। আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে আপনার যেসকল কাগজপত্র/ডকুমেন্টস প্রয়োজন হবে, তার সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত বিবরণী নিচে দেওয়া হলো।
ব্যক্তিগত তথ্য:
১. ই-টিন সার্টিফিকেটের ফটোকপি।
২. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
৩. এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪। পূর্বে রিটার্ন দাখিল করে থাকলে গত বছরের(২০২১-২০২২) আয়কর রিটার্নের কপি।
চাকুরিজীবী হলে:
১. বেতন বিবরনী/সেলারি সার্টিফিকেট(অফিস কর্তৃক), ১জুলাই-২০২১ থেকে ৩০জুন-২০২২ পর্যন্ত।
২. ব্যাংক বিবরনী/ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ০১জুলাই-২০২১ থেকে ৩০জুন-২০২২ পর্যন্ত।
৩. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট।
৪. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট(যদি থাকে)।
গৃহ-সম্পত্তি থেকে আয় থাকলেঃ
১. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ।
২. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র।
৩. বাড়ী ভাড়া ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী, ১জুলাই-২০২১ থেকে ৩০জুন-২০২২ পর্যন্ত।
৪. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা পরিশোধের প্রমাণপত্র।
ব্যাবসায়ী হলেঃ
১. ট্রেড লাইসেন্স, প্রথম পাতা থেকে সর্বশেষ রিনিউ করা পাতা পর্যন্ত ফটোকপি। এক পাতার ট্রেড লাইসেন্স হলে তার ফটোকপি।
২। ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করে থাকলে নবায়ন করার সময় ৩,০০০/- উৎসে কর কেটে রাখে। সেইটার চালানের কপি।
৩. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরণী।
৪. সম্পদ ও দ্বায় বিবরণী।
৫. ব্যাংক বিবরণী/ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ০১জুলাই-২০২১ থেকে ৩০জুন-২০২২ পর্যন্ত। নিজ নামে ও প্রতিষ্ঠানের নামে একাধিক একাউন্ট থাকলে প্রতিটার।
৫। পার্টনারশীপ বিজনেস হলে পার্টনারশীপ ডিড এর ফটোকপি এবং প্রতিষ্ঠানের ই-টিন।
বিনিয়োগের তথ্য:
১. ডিপিএস স্টেটমেন্ট(যদি থাকে)।
২. জীবন বীমার প্রিমিয়াম, অর্থাৎ ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট(যদি থাকে)।
৩. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ(যদি থাকে)।
৪. সঞ্চয়পত্রের ইস্যুপত্র এবং সার্টিফিকেট(যদি থাকে)।
৫. এফডিআর স্টেটমেন্ট(যদি থাকে)।
সম্পদ ও দায় বিবরণী:
১. নিজ নামে রেজিষ্ট্রিকৃত জমি, বাড়ি, ফ্লাট, এপার্টমেন্ট থাকলে দলিলের কপি।
২. নিজ নামে রেজিষ্ট্রিকৃত গাড়ি থাকলে রেজিষ্ট্রেশান পেপার ও ট্যাক্স টোকেন এর ফটোকপি।
৩. নিজ নামে বা নিজের প্রতিষ্ঠানের নামে লোন থাকলে "লোন স্যাংশান লেটার" এবং "লোন সার্টিফিকেট", ১জুলাই-২০২১ থেকে ৩০জুন-২০২২ পর্যন্ত।
৪. অন্য কোনো ঋন থাকলে, বা অন্য কোনো অর্থনৈতিক ইস্যু থাকলে তার তথ্য ও সাপোর্টিং পেপার্স।
জরিমানা ছাড়া আয়কর রিটার্ন দাখিল করার শেষ তারিখ ৩০নভেম্বর-২০২২ পর্যন্ত। ১জুলাই-২০২২ থেকেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করার সময় শুরু হয়েছে। শেষ সময়ে অফিস, এক্সপার্ট বা আয়কর আইনজীবীরা অনেক বেশি ব্যাস্ত হয়ে পড়ে। তাই তখন ভুল-ত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ঝামেলা এড়াতে এবং নির্ভুলভাবে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে এখনই আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে আপনার আইনজীবীকে সরবরাহ করুন।
ধন্যবাদ,
মোহাম্মদ মাহাতাব আইয়ুব
এলএল.বি(অনার্স); এলএল.এম; আইটিপি
অ্যাডভোকেট ও আয়কর আইনজীবী
চট্টগাম জেলা বার এসোসিয়েশান এবং
চট্টগাম ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশান।
চেম্বারঃ রুম নং - ৫৩০, আইনজীবী এনেক্স বিল্ডিং - ১
কোর্ট হিল, চট্টগ্রাম ।
মোবাইলঃ
01974 500 500,
01671 005 005(Whats App)
কপি
E-mail: Mahatab.ayub@gmail.com
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন!,,,,, মোঃ অলিউর রহমান ফেইসবুক থেকে কপি করা
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন!
Adv Md Oliur Rahman
Croydon, UK
আমি জানি বাংলাদেশের কোন মা-বাবা সন্তানদের বিপক্ষে আইন পর্যন্ত যেতে চাইবে না।অনেক victim মা-বাবা আমার চারপাশে নীরব কষ্ট সহ্য করে বসে আছে। সন্তান খোঁজ নেয় না কিংবা ভরণপোষণ দেয় না। আমি চাই সমাজের সকল অসহায় মা-বাবা আইনটিকে কাজে লাগাক।
পরিস্থিতি যদি এমন হয় যে কোনো সন্তান পিতা-মাতাকে বাধ্য করে বৃদ্ধাশ্রম বা অন্য কোথাও বসবাস করতে, অথবা কোনো সন্তান যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করেন, তাহলে কি কোনো প্রতিকার নেই? অবশ্যই আছে। এ ক্ষেত্রে তারা ভরণপোষণের জন্য আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন।‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩’ নামের এ আইনটি বাংলাদেশে কার্যকর আছে।
কে কাকে ভরণপোষণ করবে?
আইনে ভরণপোষণ প্রদানে সন্তান বলতে শুধু পুত্রকেই বোঝায়নি বরং কন্যাকেও বুঝিয়েছে। অর্থাৎ পিতা-মাতার ভরণপোষণের দায়িত্ব শুধু ছেলের একার নয় বরং মেয়েকেও নিতে হবে। ভরণপোষণ শুধু কোনো বিশেষ সন্তান নেবে তা নয় বরং সবাইকে নিতে হবে। তবে একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তাদের পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করবে। কোনো সন্তান পিতা-মাতাকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো বৃদ্ধাশ্রম বা অন্য কোথাও একত্রে বা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবে না।
কী পরিমাণ ভরণপোষণ দিতে হবে?
পিতা-মাতা যদি সন্তানের সঙ্গে বসবাস না করেন তবে তাদের প্রত্যেক সন্তান নিজ নিজ উপার্জন থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে।
অপরাধের শাস্তি কী?
আইনটি সন্তানদের বিভিন্ন দায়িত্ব দেয়ার পাশাপাশি অপরাধ, দণ্ড ও বিচারব্যবস্থা কেমন হবে সে বিষয়েও বিধান দিয়েছে। যেমন: কেউ যদি এই বিধানাবলি লঙ্ঘন করে তবে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা অর্থ্দণ্ড হতে পারে। অনাদায়ে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারে আদালত। এছাড়া কোনো সন্তানের স্ত্রী বা স্বামী কিংবা পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় যদি পিতা-মাতা ভরণপোষণ প্রদানে বাধা দেয় বা অসহযোগিতা করে তবে তার সাজাও উপরে উল্লিখিত দণ্ডের মতোই হবে।
অপরাধের ধরন কী?
আইনে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তা আমলযোগ্য। এই আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলায় জামিনও পাওয়া যেতে পারে। মামলায় আপস-মীমাংসারও সুযোগ রয়েছে।
অভিযোগ কোথায় করতে হবে?
অপরাধের অভিযোগ দায়ের ও বিচার হবে প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। তবে অপরাধের লিখিত অভিযোগ পিতা-মাতাকেই দায়ের করতে হবে। অন্যথায় আদালত তা গ্রহণ করবেন না। পিতা-মাতার অবর্তমানে কে লিখিত অভিযোগ করার অধিকারী সে বিষয়ে আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়নি।
কপি
পেস্ট
ইঞ্জিন ওয়েল ফিল্টার কি খুবই গুরুত্বপূর্ন,,,,,,,,,,
ইঞ্জিন ওয়েল ফিল্টার কি খুবই গুরুত্বপূর্ন? প্রতিবার পরিবর্তন করা কেন জরুরি?
জ্বি বস, আপনার ইঞ্জিনে ওয়েলকে ছাঁকার জন্য ইঞ্জিন ওয়েল ফিল্টার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ইঞ্জিনের ভিতরে গিয়ার বক্স, চেইন ও স্প্রোকেট চলন্ত অবস্থায় ঘর্ষনের কারনে ও অন্যান্য কারনে ইঞ্জিন ওয়েলে নানারকম ময়লা মিশ্রিত হয়। মিশ্রিত ময়লাকে ছেকে পুনরায় ক্লিন ইঞ্জিন ওয়েল ইঞ্জিনে প্রবেশ করার কাজ করে ইঞ্জিন ওয়েল ফিল্টার।
একটি ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করার সময় আমাদের উচিত তার সাথে ওয়েল ফিল্টারটাও পরিবর্তন করা।
ওয়েল ফিল্টার পরিবর্তন না করলে বিষয়টা এমন যে আপনি একটি পরিষ্কার ইঞ্জিন ওয়েলে ময়লা ওয়েল ফিল্টার ফেলে ইঞ্জিন ওয়েলটি ব্যবহার এর আগেই ময়লা করে ফেললেন।
ছবিতে খেয়াল করলে দেখবেন ফিল্টারের খাজে কি পরিমান ময়লা পুরাতন ব্যবহৃত ইঞ্জিন ওয়েল থেকে এই ফিল্টারে আটকে গেছে। নতুন পরিষ্কার ইঞ্জিন ওয়েল এই ময়লা ওয়েল ফিল্টার ময়লা ছেঁকে দেওয়ার বদলে উল্টা ময়লা মিশিয়ে দিবে।
এই ময়লা ওয়েল ফিল্টারের কোন ক্ষমতা নেই ইঞ্জিন ওয়েলের ময়লা পরিষ্কার করার।
সামান্য কিছু টাকা সেইভ করতে যেয়ে আমরা প্রতিনিয়ত কেবল ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করতেছি কিন্তু ওয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করছি না।
দিনশেষে এতে বাইকের-
>ইঞ্জিন বেশি গরম হচ্ছে।
>বেশি গরম হওয়ার কারনে ইঞ্জিন ওয়েলের আঠালো পিচ্ছিলভাব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
>ইঞ্জিনের পারফর্মেন্স কমে যাবে।
>পরিষ্কার ইঞ্জিন ওয়েল সহজেই ময়লা হচ্ছে, ময়লা না ছাঁকার কারনে ইঞ্জিনের ভিতরে
অন্যান্য ক্ষয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েই যাচ্ছে।
সুজুকি বাইকের স্মুথ পারফর্মেন্স পাওয়ার জন্য আমরা বাইকের PM পার্টস(ব্রেক প্যাড/সু, চেইন কিট, ইঞ্জিন ওয়েল, ওয়েল ফিল্টার, এয়ার ফিল্টার, ক্লাচ ক্যাবল, থ্রটোল ক্যাবল,(ইঞ্জিন ওয়েল)ড্রেইন নাট ওয়াসার,) নিয়মিত এবং নিয়মানুযায়ী পরিবর্তন করবো। কপি
BANHLADESH ON RECORD
রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজ। এই কলেজের ইতিহাসে ১ম নারী শিক্ষার্থী ছিলেন সতী ঘোষ।
তার নিজের ভাষায় সেই সময়ের কলেজের ও তখনকার পরিবেশের বিবরন।
ত্রিশের দশকে রংপুর কারমাইকেল কলেজ: স্মৃতিচারণ
বাংলাদেশে রংপুর শহরের কারমাইকেল কলেজের ছাত্রী ছিলাম আমি ১৯৩২- ১৯৩৪ এ। ঐ কলেজে আমাকেই প্রথম মহিলা ছাত্রী নেওয়া হয়েছিল, তার আগে মেয়েদের নেওয়া হত না।আমার পরেই সব ক্লাসেই মেয়েদের ভর্তি করা শুরু হয়। আমি ইংরাজীতে অনার্স নিয়ে বি এ পড়তাম এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকেই বি এ পাশ করেছিলাম।
প্রথমেই কলেজের বাড়ীর কথাটা বলি। ইসলামি শিল্প রীতিতে তৈরি বিরাট লম্বা ধরণের একতলা বাড়ী। ছাতের ওপরে একটা খুব জোরালো বাতি জ্বলত, হাজার দুহাজার – কত ওয়াট হবে জানিনা, স্টেশন থেকে দেখা যেত। রংপুর শহরে ঢুকতে স্টেশন থেকে কলেজের প্রাঙ্গণের পাশ দিয়ে যেতে হত। বিরাট মাঠের মধ্যে কলেজের বাড়ী, বিঘে বিঘে জমি, যেন তেপান্তরের মাঠ, মাঠের চারিদিকে দূরে দূরে অধ্যাপকদের ছোট ছোট বাড়ী, ছোট বড় মিলিয়ে ৩/৪ খানা ঘর, বারান্দা দেওয়া।দুটো হস্টেল ছিল, একটা বিজ্ঞানের ছাত্রদের, একটা কলা বিভাগের ছাত্রদের।
আমাদের সময়ে কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন ডক্টর ডি এন মল্লিক, কেম্ব্রিজের র্যাংলার। প্রেসিডেন্সি কলেজের অঙ্কের অধ্যাপক ছিলেন, অবসর নিয়ে রংপুর কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ হয়ে আসেন। ভদ্রলোক ব্রাহ্ম ছিলেন। খুব হাসিখুশী, ফুর্ত্তিবাজ, ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গেও ব্যবহার খুবই ভাল ছিল। পক্ককেশ বৃদ্ধ – মাথার সব চুলই সাদা, কিন্তু ফর্সা গায়ের রং আর বুুদ্ধিপ্রদীপ্ত চেহারা, চলা-ফেরা বৃদ্ধের মত মোটেই ছিলনা, খুব খাটতে পারতেন। ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কাজ করতেন, বাড়ী এত কাছে, তবু টিফিনের সময় বাড়ী যেতেন না, শুধু এক গ্লাশ লেবুর জল খেতেন, ওঁর ঘর পেরিয়ে আমি অনার্স ক্লাস করতে যেতাম। দেখলেই হেসে হেসে বলতেন – “সাহিত্য পড়ে আর কি করবে? অঙ্ক কর, অঙ্কই জীবনে কাজে লাগবে।”
অধ্যাপকদের মধ্যে ইংরাজী অনার্স পড়াতেন – অমূল্যধন মুখোপাধ্যায় এম এ, পিআরএস। এঁদের মধ্যে অমূল্যবাবু কলকাতার আশুতোষ কলেজে চাকুরী নিয়ে আসেন, প্রিয়রঞ্জন সেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরাজীর লেকচারার হন, সুধাংশুবাবু ইংলণ্ডের লীডস ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি পাশ করে কলকাতা রিপন কলেজে ইংরাজী অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
আমার বাবা ড. নগেন্দ্রমোহন গুপ্ত , রংপুর ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি প্রথম বাঙালি ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়ন শাস্ত্রে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। ডক্টর মেঘনাদ সাহা আমার বাবার কাছে জার্মান ভাষা শিখেছিলেন। আমার বাবার পিএইচডির বিষয় রসায়ন হলেও বটানিও একটা বিষয় ছিল। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে আই এ , আই এস সি পরীক্ষার একটা বিষয় বটানির জন্য বটানি বিভাগ খোলান, এবং নিজে সেই বিভাগে বটানি পড়াতেন। আমার ভগ্নীপতি জিতেন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত কারমাইকেল কলেজ থেকে বি এ পাশ করে এম এ তে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে কারমাইকেল কলেজেই অঙ্কের অধ্যাপক নিযুক্ত হন। রংপুর কারমাইকেল কলেজের ছাত্রদের মধ্যে নাট্যকার তুলসী লাহিড়ীর নাম করা যেতে পারে। পরে তিনি বি এ পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় প্রথম হয়ে “বঙ্কিম মেডেল” পেয়েছিলেন। আর একজন কারমাইকেল কলেজের ছাত্র – রংপুরের তাজহাটের রাজপুরোহিতের ছেলে রবীন্দ্রনাথ মৈত্র “মানময়ী গার্লস স্কুল” লিখে যশস্বী হয়েছিলেন।
কলেজের একটা পত্রিকা ছিল। খুব ভালো ভালো লেখা বেরোত। একজন মেধাবী ছাত্র, গিরিজাপ্রসন্ন রায়চৌধুরী – জমিদারের ছেলে। সংস্কৃত অনার্সে কারমাইকেল কলেজ থেকেই প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। আমার বাবার কাছে জার্মান পড়তে আসতেন। বি এ পাশ করবার পরই মেনেনজাইটিস রোগে তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। গিরিজাপ্রসন্ন রবীন্দ্রনাথের “মদনভষ্মের পর” – এর সংস্কৃত পদ্যে অপূর্ব অনুবাদ করেছিলেন, দু-চার লাইন এখনো মনে আছে – কলেজ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। এখনো মাঝে মাঝে ভাবি, কলেজ-পত্রিকাগুলো রেখে দিলে পারতাম – রংপুরের স্মৃতি।
সম্পাদকের নোট: ড. সতী ঘোষ (গুপ্ত) ( ১৯১৩-১৯৯২) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলা বৈষ্ণব সাহিত্য নিয়ে পিএইচডি করেন। পূর্ববঙ্গে তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। দার্জিলিংয়ের মহারাণী গার্লস স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে ১৯৩০ সালে বেথুন কলেজে ভর্তি হন। সেখানে অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। ১৯৩২-৩৪ এ রংপুর কারমাইকেল কলেজে ইংরাজীতে বিএ পড়েন।এরপর ১৯৩৬ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সনে এম এ পাশ করেন। পরের বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক ভূপেন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনের আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে অধ্যাপক সুকুমার সেনের অধীনে গবেষণা করেন
ছবিতে : সতী ঘোষ, কলেজ থেকে সুন্দরবনে পিকনিকে গিয়ে তোলা একটি ছবি, সবার সামনে বসা সতীঘোষ।
সূত্র : Bangladesh on records
বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা
রাতে খাবার টেবিলে বসে খেয়াল করলাম
বৃষ্টি খেতে আসে নি। পাশে বসে থাকা মা
কে বললাম,
-- মা, বৃষ্টি খেতে আসলো না?
মা মুখটা গোমড়া করে বললো,
- তোমার নবাবজাদি বউ কেন খেতে আসলো
না আমি কি জানি..
তোর মামাতো বোন তোর ২ বছর পর বিয়ে করে
সন্তানের মা হয়ে গেছে অথচ তুই ভালোবেসে
কোন মেয়েকে বিয়ে করলি যে ৪ বছরেও তকে
একটা সন্তান দিতে পারলো না...
মার কথা শুনে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো।
খাবার রেখেই উঠে পড়লাম। আমার উঠে পড়া
দেখে মা রাগে বলতে লাগলো,
- তর বউয়ের নামে তো তোকে কিছু বলাই যায়
না। কিছু বললেই রেগে যাস। ভালোবেসে
বিয়ে করে বউয়ের গোলাম হয়ে গেছিস। মার
কষ্ট তো বুঝিস না। আমরও তো ইচ্ছে করে নাতি
নাতনি মুখ দেখতে...
রুমে এসে দেখি বৃষ্টি শুয়ে আছে। সত্যি বলতে
আজকাল আমিও বৃষ্টির প্রতি হাঁপিয়ে উঠেছি৷
আমার অফিসের সকল কগিলরা আমার পরে
বিয়ে করে বাবা হয়ে যাচ্ছে অথচ আমি বাবা
হতে পারছি না।মাঝে মাঝে কগিলরা আমায়
নিয়ে হাসি তামাশা করে। ভার্সিটিতে পড়ার
সময় ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দর মেয়েটা ছিলো
বৃষ্টি । অনেক কষ্টে ওর সাথে প্রেম
করেছিলাম তারপর আমার পরিবারের অমতে
ওকে বিয়ে করেছিলাম। মা চেয়েছিলো আমি
আমার মামাতো বোনকে বিয়ে করি। তাই মা
বৃষ্টিকে খুব একটা পছন্দ করে না...
বিছানায় শুয়ে আছি। হঠাৎ বৃষ্টি আমায়
জড়িয়ে ধরে বললো,
~ অন্তিম একটা কথা বললে রাগ করবে?
আমি বুঝতে পারছিলাম বৃষ্টি কি বলবে।
তারপরও বললাম,
-- কি কথা?
~চল না আমরা একটা বার ডাক্তারের কাছে
যাই। গিয়ে দেখি ডাক্তার কি বলে।
আমি বৃষ্টিকে আমার কাছ থেকে সরিয়ে
বললাম,
-- তোমায় আমি আগেও বলেছি আর এখনো
বলছি আমি ডাক্তারের কাছে যাবো না।
ডাক্তারের কাছে গিয়ে নিজেদের প্রাইভেট
কথাবার্তা বলতে পারবো না। তুমি জানো এই
সব ডাক্তারের কাছে গেলে কি কি নোংরা
নোংরা প্রশ্ন করে?
আমার কথা শুনে বৃষ্টি অবাক হয়ে বললো,
~ অন্তিম , তুমি এই যুগে এই সব কি কথা বলছো।
তোমার চিন্তা ভাবনা এত পুরোনো কেন?
বৃষ্টির কথা শুনে মেজাজ আরো খারাপ হয়ে
গেলো। আমি চিৎকার করে বললাম,
-- তুমি কেমন মেয়ে যে এত বছরেও আমায়
একটা সন্তান দিতে পারো নি। তোমায় বিয়ে
না করে যদি মার পছন্দের মেয়েকে বিয়ে
করতাম তাহলে এতদিনে আমি ঠিকি বাবা হয়ে
যেতাম।
আমি জানি বৃষ্টি এখন সারারাত কান্না
করবে। তাই আমিই রুম থেকে বের হয়ে
গেলাম...
পরদিন অফিসে বসে কাজ করছি। এমন সময়
বৃষ্টি ফোন দিয়ে বললো,
~ অন্তিম আমি পপুলার ক্লিনিকে বসে আছি।
তুমি প্লিজ একটা বার আসো।
আমি কিছু না বলে ফোনটা কেটে দিলাম। আর
মনে মনে একটা সিদ্ধান্ত নিলাম, আর না
অনেক সহ্য করেছি...
ডিভোর্স লেটারটা দেখে বৃষ্টি আমার পায়ে
ধরে বললো,
~অন্তিম প্লিজ, আমি এটা সহ্য করতে পারবো
না। তোমায় ছেড়ে থাকার কথা আমি চিন্তাও
করতে পারি না। তুমি অন্য একটা মেয়েকে
বিয়ে করো আমার আপত্তি নেই। আমি দরকার
পড়লে কাজের মেয়ের মত এই বাসায় পড়ে
থাকবো। তারপরও প্লিজ আমায় ডিভোর্স দিও
না...
আমি বৃষ্টির কথা শুনিনি। ওকে ঠিকি ডিভোর্স
দিয়ে দেই।
এর মাঝে ৬ টা বছর পার হয়ে গেলো। আমি
প্রায়সময় বিকালে শিশুপার্কে এসে বসে
থাকি। ছোট ছোট বাচ্চাদের খেলাধুলা
দেখতে খুব ভালো লাগে। হঠাৎ খেয়াল করলাম
জাফরান রঙের শাড়ি পড়া কেউ একজন আমার
দিকে আসছে। ভালো করে তাকিয়ে দেখি
বৃষ্টি । এত বছর পর বৃষ্টির সাথে আমার দেখা।
বৃষ্টি আমার পাশে বসতে বসতে বললো,
~দাড়িগোঁফে তোমায় যে বাদরের মত লাগে
আগে জানতাম না তো।
আমি মাথাটা নিচু করে বললাম,
-- মানুষের বয়স দিন দিন বাড়ে অথচ তোমার
দেখছি বয়স কমছে। এত সুন্দর হলে কিভাবে?
ফেরেন লাভলী ক্রিম ৩ বেলা মুখে লাগাও
আর ১ বেলা খাও না কি?
আমার কথা শুনে বৃষ্টি হাসতে হাসতে বললো,
~ তোমার দুষ্টামি করে কথা বলার স্বভাবটা
এখনো যায় নি। তুমি জানো ভার্সিটিতে
তোমার এই দুষ্টমিষ্টি কথার জন্য তোমার
প্রেমে পড়েছিলাম। যদিও বিয়ের ১ বছর পর
থেকে কখনো আমার সাথে ভালো করে
হাসিমুখে কথা বলো নি। যায় হোক এইখানে
বসে আছো কেন?
আমি কিছুটা সময় নিরব থেকে বললাম,
-- তোমায় ডিভোর্স দেওয়ার পর মার পছন্দের
একটা মেয়েকে বিয়ে করলাম। বিয়ের ২
বছরের পর যখন সন্তান হচ্ছিলো না তখন আমার
স্ত্রীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার পরিক্ষা করে বললো সমস্যাটা
আমার। তবে নিয়মিত ঔষধ খেলে সমস্যার
সমাধান হবে। তবে এতে অনেক সময়ের
প্রয়োজন। কিন্তু আমার স্ত্রী এটা মানতে
পারে নি। তার সন্তান দরকার কারণ তার পরে
যে মেয়েদের বিয়ে হয়েছে তারা মা হয়ে
গেছে। তাই সে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে
গেছে...
এমন সময় দেখলাম খুব মিষ্টি একটা বাচ্চা
মেয়ে দৌড়ে বৃষ্টির কোলে আসলো। আর
বাচ্চাটার পেছন পেছন একটা লোক হাঁপাতে
হাঁপাতে আসলো। বাচ্চা মেয়েটা তখন
বৃষ্টিকে বললো,
-আম্মু আমি ফাস্ট হয়েছি। আব্বু আমার সাথে
পারে নি।
লোকটি তখন আমাকে দেখে অবাক হয়ে
বললো,
- আরে অন্তিম সাহেব কেমন আছেন আপনি?
আপনার কথা বৃষ্টির মুখে অনেক শুনেছি।
(ADD)
আপনায় অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্যই আমি
বৃষ্টির মত একজনকে স্ত্রী হিসাবে পেয়েছি।
আপনি বৃষ্টিকে ডিভোর্স না দিলে আমি
কখনোই ওকে স্ত্রী হিসাবে পেতাম না। তাই
ভাই আমি আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ।
বৃষ্টি চলে যাচ্ছে। ওর নিজের শাড়ির আঁচল
দিয়ে লোকটার মুখের ঘাম মুছতে মুছতে বলছে,
এই বয়সে আমার মেয়ের সাথে দৌড়া দৌড়ি
করে হাত পা ভাঙার শখ হচ্ছে তাই না.
আজ এই লোকটার জায়গাতে আমার থাকার
কথা ছিলো। কিন্তু আমার একটা ভুলের কারণে
আমার পুরো জীবনটা নষ্ট হয়ে গেলো...
জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। আজ যাকে
আমরা অবহেলা করে অন্যজনকে নিয়ে সুখী
হওয়ার কথা ভাবছি কয়েকদিন পর দেখা যাবে
সেই অবহেলিত মানুষটি তোমার চেয়ে হাজার
গুণ বেশি সুখে আছে। আর তার সেই সুখে
থাকাটাই হবে তোমার কষ্টের সবচেয়ে বড়
কারণ..
সংগৃহীত
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৭ সোমবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ০৭-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম:
জাতীয় সংসদের ২০-তম অধিবেশন সমাপ্ত -আমদানীকৃত পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশবাসীর প্রতি সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবান।
আজ সারাদেশে নব-নির্মিত একশো সেতুর উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা।
আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহে বাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে- জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।
বিএনপি নেতারা যাই বলুন না কেন নির্বাচনে যাওয়ার জন্য তারা উদগ্রীব হয়ে আছেন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।
তাঞ্জানিয়ার লেক ভিক্টোরিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জন ।
এবং ঢাকায় সাফ অনুর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে আজ ভূটানের মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ।
আজব প্রাণী ফেইসবুক থেকে নেওয়া
"ছেলেরাতো শারিরীক চাহিদা মেটানোর জন্যই বিয়ে করে।"
আয়ুশীর কথা শুনে তন্ময়ের কপালে ভাজ চলে এলো।যেনো সে এমন কথা জীবনেও শোনে নি।আজ আয়ুশীকে দেখতে এসেছে ছেলে পক্ষ।তাই ওদের একটু আলাদা কথা বলতে দেওয়া হয়েছে।কিন্তু আলাদ কথা বলতে এসে আয়ুশীর মুখে এমন কথা যেনো তন্ময়ের কোনো ভাবেই কাম্য ছিলো না।তন্ময় গলায় কৌতূহল ভাবটা ঢেলে দিয়ে বলল
"এমন কেনো মনে হলো আপনার?"
"যেকোনো একটা যুক্তিসঙ্গত কারণ বলুন ছেলেদের বিয়ে করার তাহলেই এমন মনে করবো না।"
"সারাজীবন পাশে পাবার জন্য একজন স্থায়ী সঙ্গীর নিশ্চয়তা,বিপদে আপদে পাশে পাবার নিশ্চিয়তা,বিষন্নতা কাটানোর মাধ্যম আর যদি শারীরিক বিষয়ের কথা বলেন তবে শুধু ছেলেরা নয় মেয়েরাও এইজন্যই বিয়েটা করে।"
"কখনোই না।মেয়েরা এজন্য বিয়েটা করে না।ওদের জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়।"
"ও এতক্ষণে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম যে আপনাকে আপনার বাবা মা বিয়ের জন্য জোর করছে তাই তো?"
"হুম ব্লাকমেইল করছে।"
"কিভাবে ব্লাকমেইল করছে?"
"কয়দিন পর ওনারা মারা যাবে তারপর আমার কি হবে।বিয়ে না হলে আমার রাস্তা ভিক্ষার থালা নিয়ে নামতে হবে।আচ্ছা এতোই যদি চিন্তা হয় আমার জন্য তবে আমার ছোট বোনটার জন্য কেনো হয় না?ওনারা তো কয়দিন পর মারাই যাবে তাহলে ওকে ও বিয়ে দিয়ে দেওয়া হোক।"
তন্ময় হাসতে হাসতে বলল
"অনেক রেগে আছেন বোধ হয় বাবা মার উপর।"
"হ্যাঁ ভিষণ রেগে আছি।"
"তো কি করা যায়?"
"কি আর করবেন খুব সিম্পল। গিয়ে বলবেন আপনি বিয়েটা করবেন না।"
"এটা বললে কি হবে?"
"কি হবে মানে?আমাকে আর বিয়েটা করতে হবে না।"
"আচ্ছা বেশ বুঝলাম কিন্তু আমি নাহয় না করে দিলাম কিন্তু এরপর যে আসবে সে তো মানা না ও করতে পারে।তাহলে আমি কেনো মানা করবো?"
"এরপর যে আসবে তাকে তখন দেখে নেবে কিন্তু আপনি এখন না বলবেন।"
"আচ্ছা চলো ভেতরে।"
আয়ুশী আর তন্ময় ভেতরে চলে গেলো।ভেতরে গিয়ে তন্ময় না করলো না বরং বললো সে এই বিয়েটা করতে চায়।আয়ুশী পারছে না তন্ময়ের চুল ছিড়ে ফেলতে।এতো ফাজিল কেনো লোকটা?"না না এর হাতে কিছুতেই পড়া যাবে না।কিছু একটা করতেই হবে।"
বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়ে গেলো।আয়ুশী কিছুই বুঝতে পারছে না কি করবে।রুমে এসে কাকে যেনো ফোন দিলো তারপর উদ্বিগ্ন গলায় বলল
"বইন আমি শেষ।"
"কেন কি হইলো?ঠাডা পড়লো নাকি?"
"ধূর ঠাডা না মাডা পড়ছে।"
"মাডা আবার কি?"
"ঠাডার বড় ভাই।"
"হায় হায় কস কি?খুইল্লা ক কি হইছে?"
"কি খুলমু?"
"আরে কাহিনী ক।"
আয়ুশী সব গড়গড় করে ফোনের ওপাশে থাকা মেয়েটাকে বলল।তারপর কাদুনে গলায় বলল
"আরশি বইন আমি এখন কি করমু বল?"
"আচ্ছা মামা কোনো চিন্তা করিস না।আমি এইতো দুই দিনের মধ্যে আসতাছি।"
"সত্যি?"
"হ সত্যি।ওই তন্ময় না টন্ময় ওইটারে রিমান্ডে নিমু।"
"ওহো!!তাইলেতো আমার টেনশন ই নাই।"
"আচ্ছা রাখি তাইলে আম্মু ডাকে।"
"ওকে।"
আহিন সদ্য অনার্স পাশ করা একটা বেকার ছেলে।চাকরির জন্য দৌড়াচ্ছে।দুইবোন আর মা এই নিয়ে তার পরিবার।বাবা কয়েকবছর আগে মারা গেছেন।শুধুমাত্র টিউশনি করিয়ে সংসার চলে।দুইজন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে।দুইজন জমজ।আহিন একটা স্টুডেন্টকে পড়িয়ে আসছিলো বাসায় হঠাৎ তার ছোট দুইবোন মানে জমজ বোন আফরিন আর আরিন ফোন দিয়েছে।আহিন ফোন কানে ধরে জিগ্যেস করলো
"হ্যাঁ বল।"
"ভাইয়া বলো তো আমি আফরিন নাকি আরিন?"
প্রতিবার ফোন ধরে আহিন এই প্রশ্নটার সম্মুখীন হয়।তাই আহিন না ভেবেই বলল
"আরিন বল।"
আরিন হেসে বলল
"আমার জন্য একটা চকলেট এনো।"
"আচ্ছা আফরিন কি করে?"
"ও পড়তে বসেছে।"
"আর তুমি কি মুরি বেচো?"
"না আমি বান্দরের সাথে কথা বলি।"
"কিহ!!তুই আমারে বান্দর বললি!!তোর চকলেট আর আনমু না।"
"আরে আমি কি তোমারে বান্দর বলছি নাকি?বলছি আমি একটা বান্দর আর ওই বান্দরের সাথে তুমি কথা বলতেছো।"
"হুম সত্যি কথা বলছিস।আচ্ছা রাখ।আমার ফিরতে রাত হবে।মা কে খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিস।আর তোরাও খেয়ে নিস।"
"আচ্ছা তুমি তাড়াতাড়ি এসো।"
আহিন ফোন রেখে আরেকটা স্টুডেন্টের বাসায় পড়াতে গেলো।তার এই টানাপোড়েনের জীবনে টিউশনি একমাত্র ভরসা।আল্লাহ জানে এরপর কপালে কি আছে।মধ্যবিত্ত পরিবারে এটাই আতঙ্ক।পড়া শেষ করে চাকরি পাওয়া যায় না।হাটতে হাটতে একবার আয়ুশীকে ফোন দিলো আহিন।তিনবার রিং হওয়ার পর আয়ুশী রিসিভ করলো তারপর বলল
"কেমন আছো?"
"এইতো প্রতিদিন যেমন থাকি।তুমি কেমন আছো?"
"আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো।"
"ওহ!!খেয়েছো?"
"হুম, তুমি?"
"হুম।চাকরির কোনো গতি হলো?"
"না এখনো কিছু হয় নি।"
"আর কবে হবে বলো।বাবা মা বিয়ের জন্য চাপাচাপি করছে।তুমি প্লিজ কিছু একটা করো।"
"হ্যাঁ দেখতেছি।"
"আচ্ছা।ভালো থেকো আল্লাহ হাফেজ।"
আয়ুশী আজকের ঘটনাটা আহিনকে বলল না।থাক না কি দরকার মানুষটাকে চিন্তায় ফেলার।আরশিতো আসছেই।মানুষটা সারাদিন খুব পরিশ্রম করে।
ফোন রাখতেই কানে এলো আয়ুশীর মা পাশের বাসার আন্টির সাথে কথা বলছে তন্ময়ের ব্যাপারে।আয়ুশী একটু আড়ি পাতলো।ওর মা বলছে।
"ছেলে মাশাল্লাহ ভালোই।ইঞ্জিনিয়ার।আর মেয়েও বড় হইছে।তাই বিয়ে দেওয়াই উচিত।"
আয়ুশী মায়ের কথায় রেগে মনে মনে বলল'বুড়ি হয়ে গেছি আমি মাত্র অনার্সে উঠলাম।আর এর মধ্যেই বিয়ে দিতে হবে।অসহ্য।"
আয়ুশী ওর ছোটবোন আরিশার রুমে এসে দেখে ও গেমস খেলছে।মায়ের রাগ আরিশার উপর দিয়ে তুললো সে।কড়া গলায় বলল
"পড়া বাদ দিয়ে তুমি গেমস খেলো!!এক্ষুণি মা কে বলতেছি দাড়া!!"
"না আপু প্লিজ বইলো না।আমি ফোন রেখে দিচ্ছি।"
"না না এক্ষুনি বলতেছি।"
আয়ুশী আরিশার কথা শুনলো না গিয়ে মা কে ডেকে নিয়ে আসলে।ওদের মা এসেই বকা শুরু করে দিলো।সব ময়েরই একটা সমস্যা আছে।একজনকে নিয়ে বলা শুরু করলে সবার নামে বলা শুরু করে।ওদের মা ও ব্যাতিক্রম নয় সেও আরিশাকে বকার সাথে সাথে আয়ুশীকেও বকছে।মায়ের বকা শুনে আয়ুশী বুঝতে পারলো সে একটা গাধার মতো কাজ করেছে।শুধু শুধুই মা কে বলল।ধূর ভাল্লাগে নূ।ঘরে গিয়ে আবার আহিনকে ফোন দিলো রিসিভ করতেই বলল
"কালকে একটু দেখা করবে?"
"কেনো?"
"প্রোয়জন আছে তাই।"
"ওহ!!আচ্ছা আসবো।"
আরো কিছুক্ষণ কথা বলে ফোনটা রেখে দিলো ওরা।এমনিতে সপ্তাহে একদিন মানে শুক্রবারে ওদের দেখা হয়।আর কালকেতো রবিবার।কাল কি এমব জরুরি কথা বলার জন্য ডাকতে পারে ব্যাপারটা আহিনের মাথায়ই ঢুকছে না।আচ্ছা যাইহোক ডেকেছে যখন যেতেই হবে।"
পরের দিন....
আয়ুশী ভার্সিটি শেষ করে আহিনের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো।আহিন প্রায় পনেরো মিনিট পরে এলো।আহিন আসতেই আয়ুশী রুমাল দিয়ে মুখ মুছিয়ে পানি এগিয়ে দিলো তারপর বলল
"এতো ঘেমেছো যে?জগিং করতে করতে এসেছো নাকি?"
"হুম দৌড়ে এসেছি।স্টুডেন্ট পড়িয়ে তারপর।"
ওরা একটু একটু করে হাটছে আর কথা বলছে।
তন্ময় গাড়ি দিয়ে বাসায় ফিরছিলো।হঠাৎ একজোড়া যুবক যুবতী দেখে রাস্তার পাশে গাড়ি থামালো।রাস্তার এই পাশ থেকে স্পষ্ট দেখতে পেলো আয়ুশী একটা ছেলের হাত ধরে হাটছে।
চলবে...🍁
তুমি_ফিরে_এসো🍂
পর্বঃ০১
Arshi_Ayat
ধারাপাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া
বিখ্যাত কিছু সৃষ্টিশীল মানুষদের প্রতিদিনকার রুটিন
১-পাবলো পিকাসো একজন স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী- ভাস্কর-প্রিন্টমেকার-মৃৎশিল্পী-মঞ্চ নকশাকারী-কবি এবং নাট্যকার।
২-চার্লস ডারউইন ঊনিশ শতকের একজন ইংরেজ জীববিজ্ঞানী। তিনিই প্রথম প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিবর্তনবাদের ধারণা দেন।
৩-চার্লস ডিকেন্স ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ ঔপন্যাসিক। ডিকেন্স ইংরেজি সাহিত্যে প্রবাদপ্রতিম বেশ কয়েকটি উপন্যাস ও চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন।
৪-সিগমুন্ড ফ্রয়েড ছিলেন একজন অস্ট্রিয় মানসিক রোগ চিকিৎসক এবং মনস্তাত্ত্বিক। তিনি মনোসমীক্ষণ নামক মনোচিকিৎসা পদ্ধতির উদ্ভাবক।
৫- ভিক্টর হুগো একজন ফরাসি সাহিত্যিক এবং মানবাধিকারকর্মী। তাকে উনিশ শতকের সবচেয়ে প্রভাববিস্তারকারী রোমান্টিক লেখক বলা হয়ে থাকে।
৬-বেটহোফেন একজন জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক। তাকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সুরকারদের একজন মনে করা হয়।
৭- বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা জনকদের মধ্যে একজন। তিনি বিবিধ বিষয়ে দক্ষ ছিলেন। ফ্রাঙ্কলিন একাধারে একজন লেখক-চিত্রশিল্পী-রাজনীতিবিদ-রাজনীতিক-বিজ্ঞানী-সঙ্গীতজ্ঞ-উদ্ভাবক-রাষ্ট্রপ্রধান-কৌতুকবিদ- গণআন্দোলনকারী এবং কূটনীতিক।
৮- ফ্রান্ৎস কাফকা ছিলেন একজন জার্মান ভাষার উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক যিনি প্রভাবশালী লেখক হিসাবে বিবেচিত।
৯-মোৎসার্ট একজন অস্ট্রীয় সুরকার। তিনি ধ্রুপদী পাশ্চাত্য সঙ্গীত যুগের একজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী সুরকার ছিলেন।
dharapat
সালাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া
🕌 'সহীহ হাদীসে রয়েছেঃ
"মু’মিন যখন পাপ করে তখন তার অন্তরে একটা কালো দাগ হয়ে যায়।
যদি সে পাপ কাজ হতে ফিরে আসে ও বিরত হয় তাহলে ঐ দাগটি আপনি সরে যায় এবং তার অন্তর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়।
আর যদি সে পাপ করতেই থাকে তাহলে সেই পাপও ছড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত তার সমস্ত অন্তরকে ছেয়ে ফেলে।"
-
এটাই সেই মরিচা যার বর্ণনা পবিত্র কুরআনে নিম্নের আয়াতে রয়েছেঃ
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন-
"না এটা সত্য নয়, বরং তাদের কৃতকর্মের ফলেই তাদের মনের ওপর মরিচা জমে গেছে।"
(সূরাহ্ মুতাফ্ফিফীন, আয়াত নং ১৪)
-
[সুনানে নাসাঈ ৬/৫০৯, জামি তিরমিযী ৫/৩৩৩৪, সুনানে ইবনু মাজাহ ২/৪২৪৪। তাফসীরে ত্বাবারী ১/৩০৪, হাদীস সহীহ]
ইমাম তিরমিযী (রহঃ) এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...