এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২

নায়িকা মৌসুমি,,,,,, এবিএম সোহেল রশিদ ফেইসবুক থেকে

 মৌসুমী

আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী 

জন্ম: ৩ নভেম্বর, ১৯৭৩ 

মৌসুমী নামেই জনপ্রিয় 

 চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

শুভ জন্মদিন  - মৌসুমী 

প্রথম ছবি - কেয়ামত থেকে কেয়ামত 

পরিচালক - সোহানুর রহমান সোহান 

মোট মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র - ১৬৫ টি

মোট পরিচালিত চলচ্চিত্র  - ২ টি

মোট প্রয়োজিত চলচ্চিত্র  - ৪ টি


মৌসুমী অভিনীত প্রথম ছায়াছবি কেয়ামত থেকে কেয়ামত।  চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ছোট পর্দার বেশ কিছু নাটক ও বিজ্ঞাপন চিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এছাড়া ২০০৩ সালের চলচ্চিত্র কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি পরিচালনার মাধ্যমে একজন পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। মৌসুমীর নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও আছে। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়াও অর্জন করেন একাধিক বাচসাস পুরস্কার ৬ বার ও মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার।


মৌসুমী ১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মৌসুমীর বাবার নাম নাজমুজ্জামান মনি এবং মায়ের নাম শামীমা আখতার জামান।  ছোটবেলা থেকেই একজন অভিনেত্রী এবং গায়িকা হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি "আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট" প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন, যার উপর ভিত্তি করে তিনি ১৯৯০ সালে টেলিভিশনের বাণিজ্যিকধারার বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হন।


মৌসুমী ১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট তারিখে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে তাদের ফারদিন এহসান স্বাধীন (ছেলে) এবং ফাইজা (মেয়ে) নামের ২টি সন্তান রয়েছে। মৌসুমী নিজের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান "মৌসুমী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন" দেখাশুনা করে থাকেন। এছাড়াও তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হিসাবে কাজ করে থাকেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার বসুন্ধরা সিটি মার্কেটের একটি পোশাক স্টল "লেভিস" এর মালিকানার দায়িত্বে রয়েছেন।


মৌসুমী ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছায়াছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গনে পদার্পণ করেন। এই চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে ছিল অকাল প্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহ। দুজনেরই এটি ছিল প্রথম চলচ্চিত্র। এ বছর আরও অভিনয় করেন মৌসুমী ও ওমর সানির বিপরীতে দোলা ছায়াছবিতে।  প্রথম বছরই তার অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা লাভ করে। পরের বছর সালমান শাহের বিপরীতে গীতিকার ও পরিচালক গাজী মাজহারুল আনোয়ার পরিচালিত স্নেহ, শিবলি সাদিক পরিচালিত অন্তরে অন্তরে ও শফি বিক্রমপুরির দেনমোহর ছায়াছবিতে। ১৯৯৫ সালে তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শহীদুল ইসলাম খোকনের সাইকো-থ্রিলার বিশ্বপ্রেমিক। ১৯৯৬ সালে নিজের প্রযোজিত গরীবের রানী ও সুখের ঘরে দুখের আগুন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া চিত্রনায়ক মান্না প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র লুটতরাজ-এ অভিনয় করেন। ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত আম্মাজান ও মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত মগের মুল্লুক ছায়াছবি দুটি ব্যবসাসফল হয়। তবে শুধু অভিনয় নয়, অসাধারণ দেহ-বল্লব এর অধিকারিণী মৌসুমী ছিলেন সবার "ড্রিম গার্ল"। দর্শক চাহিদা মেটাতে তিনি নিজেকে আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করেন বেশ কয়েকটি ছায়াছবিতে। পরাধীন, রক্তের অধিকার, বউয়ের সম্মান, সুখের আশায় চলচ্চিত্রে শরীরী আবেদনে দর্শক মাতান। বিশেষ করে, রক্তের অধিকার চলচ্চিত্রে পিঠ উন্মুক্ত পশ্চিমা ফ্রক পরে বৃষ্টি ভেজা গানে নিজেকে আবেদনময়ী হিসাবে নতুন ভাবে চেনান। এর পরপরাধীন ছায়াছবিতে নায়ক রুবেলের সাথে "চুপ একদম চুপ" গানের মাধ্যমে সবার নজর কেরে নেন। সুখের আশায় ছায়াছবিতে একই নায়কের সাথে পশ্চিমা খোলামেলা পোশাকে হাজির করে আলোচনার ঝড় তুলেন। তবে সব ছাপিয়ে বউয়ের সম্মান চলচ্চিত্রে নিজের অপরুপ সৌন্দর্য তুলে ধরেন বেশ কয়েকটি অন্তরঙ্গ দৃশে। কিন্তু মিস ডায়না ওলাভ ইন থাইল্যান্ড ছায়াছবিতে অতিরিক্ত খোলামেলা পোশাকে উপস্থিত হয়ে কিছুটা সমালোচিত হন । ২০০১ সালে নার্গিস আক্তার পরিচালিত মেঘলা আকাশ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অর্জন করেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।পরের বছর কাজী হায়াতের ইতিহাস ও এফ আই মানিক পরিচালিত লাল দরিয়া ছায়াছবিগুলো বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করে। ২০০৩ সালে তার নিজের পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি  ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত বীর সৈনিক ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। ২০০৪ সালে তার অভিনীত মাতৃত্ব চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। পরের বছর ধর্মীয় গোঁড়ামি নিয়ে নির্মিত মোল্লা বাড়ীর বউ ও তার নিজের পরিচালিত মেহের নিগার ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। ২০০৮ সালে একজন সঙ্গে ছিল ছায়াছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন পরিচালিত বাবা আমার বাবা ছায়ছবিতে অভিনয় করেন। ২০১০ সালে আমজাদ হোসেন পরিচালিত গোলাপী এখন বিলাতে ছায়াছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করে অর্জন করেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে বাচসাসপুরস্কার ও দর্শক জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার। পরের বছর মুক্তি পায় মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত কুসুম কুসুম প্রেম, মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের প্রজাপতি, ও চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত দুই পুরুষ। প্রজাপতি ছায়াছবিতে অভিনয়ের জন্য দর্শক জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৩ সালে নন্দিত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস দেবদাস অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত দেবদাস চলচ্চিত্রে "চন্দ্রমুখী" চরিত্রে অভিনয় করেন। এ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।নএছাড়া মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) হিসেবে মনোনীত হন। একই বছর মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত কিছু আশা কিছু ভালোবাসা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০১৪ সালে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা ছায়াছবিতে আরিফিন শুভর বোনের চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ প্রযোজিত এক কাপ চা ছায়াছবিতে একজন লাইব্রেরিয়ান চরিত্রে অভিনয় করেন। তারকাঁটা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য লাভ করেন তৃতীয় বারের মত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়াও এক কাপ চা চলচ্চিত্রের জন্য পান সমালোচকদের বিচারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার। ২০১৫ সালে ঈদে মুক্তি পায় ইন্দো-বাংলা প্রযোজনায় আশোক পাতি ও আব্দুল আজিজ পরিচালিত আশিকী। ২০১৬ সালের ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পায় মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত ‌মন জানেনা মনের ঠিকানা। এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করেন।


চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকে ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। ২০১৬ সালে চিত্রগ্রাহক জেড এইচ মিন্টুর নির্দেশনায় মেঘের আড়ালে টেলিফিল্মে অভিনয় করেন। এতে প্রথম বারের মত একসাথে টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন মৌসুমী ও রিয়াজ একই বছর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আফতাব বিন তমিজের নির্দেশনায় অতীত হারায়ে খুঁজি টেলিফিল্মে কাজ করেন। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন ওমর সানি।


মৌসুমী ১৯৯৬ সালে গরীবের রানী ছায়াছবি দিয়ে প্রযোজকের খাতায় নাম লেখান। চলচ্চিত্র প্রযোজনার লক্ষ্যে তিনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কপোতাক্ষ চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠা করেন।একই বছর এই প্রতিষ্ঠান থেকে মুশফিকুর রহমান গুলজারের পরিচালনায় সুখের ঘরে দুখের আগুন ও মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালনায় বউয়ের সম্মান (আমার বউ) ছায়াছবি প্রযোজনা করেন। এরপর দীর্ঘ ১৯ বছর পর তিনি আবার আমি এতিম হতে চাই দিয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজনায় ফিরে আসেন। চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন মৌসুমী ও ঋদ্দি টকিজ।


২০০৩ সালে কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি দিয়ে মৌসুমী চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে পরিচালনা করেন মেহের নিগার। ২০১৬ সালে শূন্য হৃদয় নামে একটি টেলিফিল্ম পরিচালনা করছেন।


মৌসুমী ২০০৪ সালে জাহিদ হোসেন পরিচালিত মাতৃত্ব ছায়াছবিতে একটি গানে কণ্ঠ দেন। ২০০৭ সালে ইথুন বাবুর সুরে ২০১৪ সালে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা ছায়াছবিতে "কি যে শূন্য লাগে তুমিহীনা" গানে কণ্ঠ দেন। এছাড়া মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ছায়াছবি চলচ্চিত্রে "মন যা বলে বলুক" গানের গীত রচনা করেছেন।


পুরস্কার 

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - মেঘলা আকাশ (২০০১)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - দেবদাস (২০১৩)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - তারকাঁটা (২০১৪)

বাচসাস পুরস্কার

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - কষ্ট (২০০০)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - ভেজা বিড়াল (২০০১)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - মাতৃত্ব (২০০৫)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - একজন সঙ্গে ছিল (২০০৮)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - গোলাপী এখন বিলাতে (২০১০)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী-এক কাপ চা(২০১৩)

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) (দর্শক জরিপ) - গোলাপী এখন বিলাতে (২০১০)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) (দর্শক জরিপ) - প্রজাপতি (২০১১)

বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) (সমালোচক) - এক কাপ চা (২০১৪)

মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) (সমালোচক) - প্রজাপতি (২০১১)

মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) (সমালোচক) - দেবদাস (২০১৩)

মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) (দর্শক জরিপ) - এক কাপ চা (২০১৪)

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পুরস্কার


বাংলাদেশের শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনমত ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি তিনি ও বাংলাদেশের প্রথিতযশা জাদুকর জুয়েল আইচ ইউনিসেফ অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব পান। ১৬ জুন ২০১৯ তারিখে মৌসুমীকে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আজীবন সম্মাননা প্রদান করে। এ সম্মাননার মাধ্যমে তিনি এ সংগঠনটির সদস্য মনোনিত হন।

কপি
পেস্ট

ঢাকা " আন্তর্জাতিক " এয়ারপোর্ট নেমে একজন যাত্রীর বাসায় পৌঁছার কাহিনী,,,,,,,,কুয়েত প্রবাসী নিউজ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক ( সাইন বোর্ডে তাই লেখা ! ) এয়ারপোর্ট আছে।  


কিন্তু এটাই দুনিয়ার একমাত্র আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট যার সাথে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের কোনই যোগাযোগ নাই !  না আছে সিটি বাস সার্ভিসের কোন ব্যবস্থা , না আছে  কোন ট্রেন সার্ভিসের কোন ব্যবস্থা।  


কারণ, বাংলাদেশে যারা এয়ারপোর্ট ব্যবহার করে তাদের সবার সুইসব্যাংকে একাউন্ট আছে এবং সবাই প্রাইভেট গাড়িতে এয়ারপোর্টে যাওয়া আসা করে , সবাই ১২০০ টাকা দিয়ে একটি দেশি মুরগি কিনে খায় ! 


তাই কোন পাবলিক ট্রান্সপোর্টের দরকার পরে না ! 


অনেকেই বলবে কেন , ঢাকা বিমান বন্দর স্ট্যাশন তো আছে ! 


হ্যা তা আছে , ২০/২২ ঘন্টা জার্নি করে দুই তিনটা স্যুটকেস নিয়ে , অথবা বড় বড় দুইটা বস্তা নিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে ওগুলো মাথায় নিয়ে পোনে এক কিলোমিটার হাইটা , ঢাকার সবচেয়ে ব্যস্ত সড়ক পার হয়ে ওই স্ট্যাশনে  যদি জান নিয়ে, সব মাল নিয়ে  পৌঁছতে পারেন তাহলে বলা যায় আপনি একজন সুপার হিউম্যান ! 


 এই এয়ারপোর্টে নামার পর সব ধরণের বালা  মুসিবতের দোয়া পড়ার পর যদি ইমিগ্র্যাশন কাস্টমসের পুল সিরত কোন ঝামেলা ছাড়াই পার হতে পারেন তবে আপনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতে পারেন।  


তবে কাস্টমস থেকে বের হয়ে যেখানে গাড়িতে উঠবেন ঠিক সেখানে নিজেকে আবিষ্কার করবেন যে আপনি আসলে খাঁচায় বন্দি ! 


এই খাঁচার ভিতর ১০/১২ গাড়ি ঢুকতে পারে মাত্র যাত্রী নেয়ার জন্য।  


স্বভাবতই , বিদেশ থেকে যারা আসে তাদের সাথে অনেক বোস্কাবাস্কি থাকে ফলে গাড়িতে উঠতে বেশ সময় লাগে।  

ফলে এই খাঁচার মধ্যে গাড়ি সহজে ঢুকতে পারে না যেহেতু গাড়ি রাখার জায়গা নাই।  


আপনাকে নিতে আসা ড্রাইভার খাঁচার বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে আধাঘন্টা, মাত্র ১০০ গজ দূরে আপনাকে নেয়ার জন্য।  


এইটা এমন একটি খাঁচা যে আপনি নিজে হেটে গেটের বাইরে গিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যেতে পারবেন না , কারণ ওয়ানওয়ে  সিস্টেম। 

 

যে গাড়ি একবার এই লাইনে ঢুকছে তাকে এই খাঁচা দিয়েই বের হয়ে যেতে হবে , এছাড়া কোন উপায় নাই।  


দীর্ঘ যাত্রা শেষে আপনি হয়তো টয়লেটে যাওয়ার চাপ অনুভব করছেন কিন্তু কোন উপায় নাই।  আপনাকে ব্যাকসাইডের মাসল শক্ত করে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।  

আর একবার যেহেতু বেরিয়ে এসেছেন তাই এয়ারপোর্টের ভিতরেও ঢুকতে পারবেন না কাজ সারার জন্য ! 


তাহলে এই খাঁচা কেন বানিয়েছে যেখানে মানুষের এতো ভোগান্তি হয় ! 


এখানেই আমাদের জাতীয় চরিত্রের প্রথম ছাপ দেখতে পাবেন ! 


আমরা জাতিগত ভাবে যে নিতান্তই নিম্ন শ্রেণীর তার প্রমান হলো এই খাঁচা।  


এই খাঁচা যদি না বানাতো তবে কোন বিদেশ ফেরত মানুষ তার মালসামানা নিয়ে তার বাড়িতে ফিরতে পারতো  না।  


চোর ডাকাত সন্ত্রাসী মাফিয়ার দল যাত্রীকে সেবার নাম করে তাদের গাড়িতে উঠিয়ে  আপনার সব খসিয়ে এক কাপড়ে  জানে না মেরে ( যদি দয়া করে আর কি )  রাস্তায় নামিয়ে দিবে।


তাই এই খাঁচা ঢাকা এয়ারপোর্টে খুব জরুরী, নইলে কোন প্রবাসী দেশে ফিরে বাড়িতে পৌঁছতে পারবে  না ।  


যাইহোক , আপনি স্রেফ গরমে দাঁড়িয়ে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে  এক সময় নিজের গাড়িতে উঠতে পারলেন , কিন্তু এক চুল আগাতে পারবেন না ! 


কারণ , আপনার গাড়ির সামনে আর এক ড্রাইভার রাস্তা ব্লক করে এক মিনিবাস ভর্তি আত্মীয় স্বজন নিয়ে তাদের সৌদি ফেরত জামাইকে রিসিভ করতে এসেছে।  


৭ সিটের মাইক্রো থেকে একে একে ২০জন বের হয়ে জামাইকে ফুল দিচ্ছে , গ্লাসে গরম দুধ খাওয়াচ্ছে , মিষ্টি মুখ করাচ্ছে ! 


আপনি তো আর এই সামাজিক কালচারে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন না , আপনাকে অধীর ধৈর্যসহকারে গাড়িতে বসে থাকতে হবে , আর কানের কাছে আনসারের বাঁশির তীব্র  আওয়াজ শুনতে হবে।  


যাক , এরপর কোন এক সময় খাঁচা থেকে বের হলেন ভাবলেন এবার বুঝি রেহাই ! 


কিন্তু না ভোগান্তি মাত্র শুরু হলো ! 


আন্তর্জাতিক একটি এয়ারপোর্ট কিন্তু এর থেকে বের হয়ে মেইন রোডে  উঠতে পারবেন না ! 


চোখের সামনে অনেকগুলো রাস্তা এবং গাড়িও আস্তে আস্তে চলছে , কিন্তু মেইন রোডে উঠতে পারবেন না।  


কারণ আগের সেই গোলচক্করে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ , এয়ারপোর্ট উন্নয়নের কাজ চলছে।  


তো এয়ারপোর্টে রাস্তার কাজ হতেই পারে , কিন্তু যাত্রী বাইরের যাবার রাস্তা নেই , আছে গোলক ধাঁধা ! 


সামনের  কয়েকটি গাড়ি যেদিকে যাচ্ছে সেদিকে আমাদের ড্রাইভারও যাচ্ছে এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার জন্য , কারণ কে কোনদিকে যাচ্ছে কেউ জানে না।  


তো এক জায়গায় এক ছাতার নিচে দাঁড়ানো  নিরাপত্তা রক্ষীকে দেখে জিজ্ঞেস করলো , কার্গোর দিক দিয়ে কি বের হওয়া  যাবে ?! 


সে কোন কথা না বলে শুধু মাথা নাড়লো , বুঝলাম তার কোনই গরজ নাই আপনি বের হতে পারেন বা না পারেন।  


কার্গোর দিকে কিছুদূর যাওয়ার পর দেখা গেলো আর এক পুলিশ সব গাড়িকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে।  


অগত্যা আমাদের গাড়ি ঘুরে আবার সেই গোলক ধাঁধার ভিতর ফেরত আসলো।  


এবার ডমেস্টিক এয়ারপোর্টের দিকে অন্য গাড়িগুলি যাচ্ছে দেখে আমাদের গাড়িও যেতে লাগলো।  

কিন্তু লম্বা লাইন , গাড়ি বাম্পার টু বাম্পার , গাড়ি নড়ন চরণের কোন উপায় নাই।  


কিছু সময় এভাবে পার করার পর , আমাদের গাড়ির ড্রাইভার রোড-কোন দিয়ে রাস্তা বন্ধ করার ফাঁক গাড়ি ঢুকিয়ে অজানা উদ্যেশ্যে রওনা দিলো।  

মনে মনে ভাবছি নির্ঘাত ওখানে যেয়ে দেখবো রাস্তা টোটালি বন্ধ , ড্রাইভারকে আবার ঘুরে এখানেই আসতে হবে।  


যাইহোক , ড্রাইভার কয়েকটি খানাখন্দ পার হয়ে একটি রাস্তায় উঠলো, যেটাতে আরো অনেক গাড়ি আটকে আছে।  


এরপর সেই রাস্তা আমাদেরকে মেইন রোডে ( ঢাকা টঙ্গী রোড ) উঠতে দিলো।  কিন্তু উল্টা পাশে , মানে যাবো ঢাকার দিকে কিন্তু এই রাস্তা যাচ্ছে উত্তরার দিকে ! 


রাস্তার মাঝখানে ডিভাইডার , উপায় নেই ওপর পাশে যাওয়ার।  

মেট্রো রেলের কাজ হচ্ছে অনন্তকাল ধরে তাই একটি মাত্র লেইন যাচ্ছে উত্তরার দিকে। প্রচন্ড জ্যাম চারিদিকে  ! 


ধীরে ধীরে আমরা উত্তরার জসিমউদ্দিন মোর পর্যন্ত গেলাম আধা ঘন্টায় , সেখানে যেয়ে গাড়ি ইউটার্ন নেয়ার সুযোগ পেলো ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ! 


তখন বাজে সন্ধ্যা সাতটা , বুঝতেই পারেন কি প্রচন্ড জ্যাম লেগেছিল সেই রাস্তায়। 

 সেখানে থেকে আড়াই ঘন্টা পরে বাসায় পৌঁছতে পেরেছিলাম সেদিন।  


এই হচ্ছে ঢাকা " আন্তর্জাতিক " এয়ারপোর্ট নেমে  একজন যাত্রীর বাসায় পৌঁছার কাহিনী !  🙃


- শাফি হক

কপি 
পেস্ট 

যারা টেলিটক সীমে নেট পান না,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

যারা টেলিটক সীমে নেট পান না / নেট চালাতে পারেন না তারা কথা বলার জন্য টেলিটক Use করতে পারেন। কথা বলার নেটওয়ার্ক 2G/3G Maximum এরিয়াতে আছে।


তাদের কল-রেট অন্য অপারেটর থেকে অনেক কম + কোনো শর্ত নাই। যেকোনো এমাউন্ট রিচাজে ভ্যাট সহ ৬০/৬৩ পয়সা কল-রেট ১ সেকেন্ড পালস, সব সময়। যেটা অন্য অপারেটর মিনিট কিনলে ৬০/৬২ পয়সা কল-রেট পড়ে। 

এছাড়া অন্য অপারেটর রেট কাটার রিচাজ করে Use করলে কল-রেট অনেক বেশি পড়ে লাইক ভ্যাট সহ ৮০-৯০ পয়সা তাও অনেক শর্ত আছে। মেয়াদ শেষ হলে বা রেট কাটার রিচাজ না করলে ২ টাকা পার মিনিট কাটে কোনো অপারেটর এর চেয়ে বেশি কাটে।


এদিক দিয়ে টেলিটক ভালো আছে, কোনো শর্ত ছাড়াই ৬০/৬৩ পয়সা কল-রেট সব সময় যেকোনো এমাউন্ট রিচাজে। ❤️


এখন যেহেতু Android / বাটন মোবাইলে ২টা সীম Use করা যায়,

সীম ১ টেলিটক কথা বলার জন্য Use করতে পারেন সীম ২ যে অপারেটর আপনার এলাকায় নেট ভালো চালানো যায় সেটা Use করবেন তাহলে আর সমস্যা হয় না।


আমি এভাবে Use করি। আমার এরিয়াতে কথা বলার জন্য টেলিটক বণমালা সীম Use করি+ নেট Use এর জন্য রবি/ এয়ারটেল / বাংলালিংক Use করি। যেময় যেটার জিবি অফার ভালো থাকে সেটা Use করি। 


আমার এরিয়া গ্রাম এলাকা। টেলিটক 3G ফুল সিগনাল পাই, ঘরের বাহিরে টেলিটক নেট চলে কিন্তু  ঘরের ভিতরে চলে না। 3G 2টা সিগনাল নেটওয়ার্ক বার থাকে। নেট Use করতে সমস্যা পোহাতে হয়। এজন্য Android মোবাইলে টেলিটক Network Mode Only 2G/3G করি রাখি এতে সমস্যা হয় না। Network Mode Only 4G করে Use করলে কল অনেক সময় ঠুকে না নাম্বার অফ বলে এটা সব অপারেটর এর বেলায়ই। Volte Use করলে এ সমস্যা হয় না। কিন্তু সব অপারেটর Volte সুবিধা নাই।


তাই কথা বলার জন্য টেলিটক সীম Use করি + নেট Use এর জন্য যে অপারেটর নেট পায় এবং জিবির দাম কম সেটা Use করি। এভাবে Use করলে মাস শেষে আপনার অনেক টাকা সাশ্রয় হবে। ❤️ 


যাদের এরিয়া টেলিটক নেট চালাতে সমস্যা হয় না তাদের তো ভালো সুযোগ সুবিধা ভালো পান জিবির দাম কম অন্য অপারেটর থেকে টেলিটক এ ।

যারা নেট চালাতে পারেন না টেলিটকে তারা কথা বলার জন্য এভাবে Use করলে তাদের অনেক টাকা সাশ্রয় হবে।


আপনার টেলিটক সীম Use করার মাধ্যমে টেলিটক আপনার থেকে প্রাপ্ত রেভিনিউ/ লাভ দিয়ে নেটওয়ার্ক ঠিক করবে দ্রুত এবং উন্নতি করবে এক সময়..সময়ের অপেক্ষায়। তখন আরো কম দামে ভালো অফার দিবে রেগুলার + নেটওয়ার্ক সেবা ভালো করবে। 


Peace 💙



ফিডব্যাক

গুরুত্বপূর্ণ

মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২

কবিতা পয়েম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমার প্রথম প্রেমিক বলেছিলো, আমায় একদিন না দেখলে সে অন্ধ হয়ে যাবে।

আমাদের দেখা হয় না বছর কয়েক। না, সে অন্ধ হয়নি। বরং তার চোখ দিয়েই রোজ নতুন মেয়েটিকে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।


দ্বিতীয়বার যে আমার জীবনে এসেছিলো সে বলেছিলো, আমায় ছাড়া বাঁচবে না। 

কোনোরকম লাইফ সাপোর্ট ছাড়াই পাঁচ বছরের বৈবাহিক জীবনে সে দিব্যি বেঁচে আছে।


যার হাত ধরে সংসারে পদার্পণ করলাম সে বলেছিলো, আমি তার অর্ধাঙ্গিনী।

ডিভোর্সের দু'বছর পরেও সে বহাল তবিয়তে আছে।


সংসারের কাজকর্ম ও লেখাপড়ায় ভালো হওয়ায় বাবা বলেছিলো, তুই আমার ঘরের লক্ষ্মী।

আজ তার কাছেই আমি সংসারের বাড়তি বোঝা।


একটা সময় আমার আচরণে মা গর্ব করে বলেছিলো, আমার মেয়ে অন্যায়ের সাথে আপোষ করতে শেখেনি।

আজ সেই মা-ই কথায় কথায় দোষারোপ করে, আমি কেন মানিয়ে নিলাম না।


নিজে সাধারণভাবে চলে যে ভাইকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ালাম তখন সে বলেছিলো, আমার অবদান সে কখনো অস্বীকার করতে পারবে না। 

আজ সে আমার জন্য বন্ধুদের সামনে মুখ তুলে দাঁড়াতে পারে না।


ছেলের টিউশনের টাকা জোগাড় করতে না পারা কাকীমাকে বলেছিলাম টাকা দেয়া লাগবে না, আমি এমনিই পড়াবো। তখন কাকীমা হাতজোড় করে বলেছিলো, তোমার মত ভালো মানুষ হয় না।

আজ সেই কাকীমাই পড়শীদের কানে কানে বলে বেড়ায়, "ডিভোর্সি মেয়ে..."


যেই বন্ধুটাকে পরীক্ষার আগে হ্যান্ডনোট দিতাম সে বলেছিলো, চাকরি হলে সবার আগে আমায় জানাবে।

একের পর এক পদন্নোতি পেয়ে এখন সে মস্তবড় অফিসার, রাস্তাঘাটে আমায় চিনতেই পারে না।


আমার যে বান্ধবী বলেছিলো, আমি না উপস্থিত থাকলে বিয়ের পিঁড়িতে বসবে না,

তার দ্বিতীয় সন্তান হবার খবরটাও শুনতে হয়েছে অন্যের মুখে।


আমিও একটা সময় অল্পেই ভেঙে পড়তাম, একের পর এক অবলম্বন আঁকড়ে বাঁচতে চাইতাম। 

আজ আমায় ভাঙে কার সাধ্য? 


আসলে মানুষ যখন কথা দেয় তখন সেই সময়ের কথা ভেবে কথা দেয়। আর এতে সেই সময়টা অনেক মধুর হয়তো হয়, কিন্তু জীবন সুন্দর হয় না। সময় বদলালে প্রতিশ্রুতিও বদলে যায়। 

স্বার্থ অনুযায়ী আমরা সবাই সম্পর্ককে উল্টেপাল্টে সুবিধামত করে নিই। আসলে কারো জন্য কোনোকিছু পড়ে থাকে না। মানুষ কোনো না কোনোভাবে বাঁচতে শিখে যায়, শিখে নিতে হয়।


~মৌমিতা তাসরিন প্রত্যয়

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৮ মঙ্গলবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(০৮-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ব্যয় পরিহার করে মিতব্যয়ী হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহŸান। 


* বিএনপি-জামাত শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত সন্ত্রাসী রাজনৈতিক শক্তি - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের। 


* শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কোন বাধা নেই, তবে সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে - হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। 


* দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু - নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 


* খুলনায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। 


* কপ-টোয়েন্টি সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে বৈশি^ক উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে আরও কর্মসূচি গ্রহণের আহবান বিশ্ব নেতৃবৃন্দের। 


* এবং আগামীকাল সিডনীতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।

আবহাওয়া আপডেট ২০২২/১১/০৮ মঙ্গলবার

 আবহাওয়ার আপডেটঃ


ভোরের দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


মঙ্গলবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সোমবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে হয়েছে ২০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল ফেনীতে, সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল কুতুবদিয়ায়।


লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।


মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ায় বলা যাচ্ছে  আগামিকাল অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে ।


এ সময়ে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

কপি
পেস্ট

এক ফলের কতো নাম,,,,, ফেইসবুক থেকে

 এক ফলের কতো নাম! 


ছবির ফলটির আনুষ্ঠানিক নাম বৈঁচি। গ্রামের ঝোপ ঝাড়ে হয় গাছটি। এখন ঝোপ জঙ্গল কমেছে। তাই ফলটির সঙ্গে আমাদের দেখা হয় খুব কম। চোখের সামনে পড়লেই আমি কিনে ফেলি। পকেটে রাখি। একটা একটা করে হাতের তালুতে রেখে টিপে নরম করে মুখে দেই। টিপে নরম করে খেতে হয় বলে অনেক জায়গায় একে বলে টিপা ফল। গতকাল একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। আপনাদের কাছে থেকে জেনেছি জায়গা ভেদে এর নামগুলো। 


বরিশালে এই ফলটির নাম পেয়ালা বা পায়লা, সিলেটে লুকলুকি, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ফাইন্নাগোলা বা পাইন্নাগোলা, মনগুলা, নোয়াখালীর ভাষায় হেলা, পানিয়াল, হেয়ালা, ফেলা, পেলা, পাইলাম, পেলাগোটা, কাটাবহরী, বুঁজ, ডুংখইর, ডুংকর, গুলন, টিপা ফল, টিপাটিপি ফল, টিপি ফল, বহুড় ফল। রংপুরে বলে পাইনেল, টগুই, টেকরই, টলফো, গুলবুড়ি, টরফই, পান্থগোলা, নরসিংদীর ভাষায় ফেলাগুডা। এই ফলের নিশ্চয়ই আরও অনেক নাম আছে অঞ্চল ভেদে।

কপি

পেস্ট

অনামিকা পয়েম ফেইসবুক থেকে কপি করে

 তোমার ব্যর্থতাগুলো একদিন সফলতায় রূপ নেবে।তোমার কষ্টগুলো একদিন আনন্দে বদলাবে।

তোমায় নিয়ে সমালোচনা করা মানুষগুলোও,

একদিন কথায় কথায় তোমার উদাহরণ টানবে।


তোমায় ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলো একদিন

তোমার কাছে ফেরার আকুলতা জানাবে।

তোমায় দূরে ঠেলে দেয়া লোকজনও একদিন

তোমার আশেপাশে ঘুরঘুর করবে।


তোমায় নিয়ে ঠাট্টা করা মানুষজনও

একদিন তোমার মতো একজন হতে চাইবে।

তোমার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা মানুষটিও একদিন তোমার হতে না পারার জন্য আফসোসে জ্বলবে।


তোমাকে করা হাজারো প্রশ্ন এবং কটাক্ষের উত্তর একদিন তারা তোমার কাজের দ্বারাই পেয়ে যাবে। 

অপেক্ষা শুধু সময়ের এবং দাঁতে দাঁত চেপে সব

সহ্য করে নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকার।


মনে রেখো, চেষ্টা কখনো মানুষকে ব্যর্থ হতে দেয় না।

শতভাগ চেষ্টা করলে দেরীতে হলেও সফল তুমি একদিন হবেই, সেটা হয়তো আজ না-হয় কাল কিংবা পরশু।

পৃথিবীর সবচেয়ে স্পর্শকাতর মাসআলা হল কু*ফ*রের মাসআলা

 পৃথিবীর সবচেয়ে স্পর্শকাতর মাসআলা হল কু*ফ*রের মাসআলা। কাউকে কা**ফে**র ফতোয়া দেয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সতর্কতা কাম্য। কারণ প্রকৃতপক্ষে যদি কেউ কা**ফের না হয়, কিন্তু তুমি তাকে কা**ফের ফতোয়া দিয়ে দিলে, তাহলে একজন মুসলমানকে তুমি কা**ফের ফতোয়া দিলে। যেটা মারাত্মক গুনাহের কাজ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-

ما أكفر رجل رجلا إلا باء أحدهما بها إن كان كافرا وإلا كفر بتكفيره

কোনো মানুষ অন্য মানুষকে কা**ফের বললে যে কোনো একজন কা**ফের হয়। যদি ওই লোক বাস্তবে কা**ফের হয়, তাহলেতো কথা নেই। অন্যথায় কু**ফরের ফতোয়া বক্তার দিকে ফিরে আসবে। (সহীহ ইবনে হিব্বান, ২৪৮ শায়খ শুয়াইব আরনাউত তাহকিককৃত। আত তারগীব ওয়াত তারহীব, ৪২১০ দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বায়রুত।)


ফুকাহায়ে কেরাম এ বিষয়ে এতটুকু সতর্কতা অবলম্ভন করেছেন যে, যদি কোন ব্যক্তি অস্পষ্ট কোন কথা বলে, যার নিরানব্বইটি ব্যাখ্যা হল কু*ফর। কিন্তু একটি ব্যাখ্যা এমন রয়েছে, যা সঠিক। তাহলে মুফতির জন্য জরুরী হল নিরানব্বইটি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ওই একটি ব্যাখ্যা গ্রহণ করে তাকে কা**ফের ফতোয়া প্রদান থেকে বিরত থাকা। তবে শর্ত হল, ওই ব্যক্তি তার কোন কথা বা কাজ দ্বারা যদি কোনো ব্যাখ্যা নির্ধারণ না করে দেয়। “ফতোয়া আলমগীরী” তে বিষয়টি এভাবে বর্ণিত হয়েছে-

إذَا كَانَ فِي الْمَسْأَلَةِ وُجُوهٌ تُوجِبُ الْكُفْرَ ، وَوَجْهٌ وَاحِدٌ يَمْنَعُ ، فَعَلَى الْمُفْتِي أَنْ يَمِيلَ إلَى ذَلِكَ الْوَجْهِ كَذَا فِي الْخُلَاصَةِ فِي الْبَزَّازِيَّةِ إلَّا إذَا صَرَّحَ بِإِرَادَةٍ تُوجِبُ الْكُفْرَ ، فَلَا يَنْفَعُهُ التَّأْوِيلُ حِينَئِذٍ كَذَا فِي الْبَحْرِ الرَّائِقِ ،

অর্থাৎ যদি কোনো মাসআলায় একাধিক ব্যাখ্যা এমন থাকে, যা কু*ফ*রকে ওয়াজিব করে, শুধু একটি ব্যাখ্যা কু*ফ*র হয় না, তাহলে মুফতি সে একটি ব্যাখ্যা গ্রহণ করে তাকে মুসলমান বলবেন।(. ফতোয়া আমলগীরী, ৩/৩১২ )


এছাড়া কোন কা*ফে*রকে মুসলমান বলে দেওয়া শুধু শাব্দিক দৃ*ষ্টতা নয়। বরং পুরো মুসলিম উম্মাহর উপর অ*ত্যা*চারের শামিল। পুরো মুসলিম সামাজিক জীবনে এর প্রভাব পড়বে। বিবাহ, বংশ, মিরাছ, জবেহকৃত প্রাণী, ইমামতি, নামাজ, সম্মিলিত এবং রাজনৈতিক সর্ব বিষয়ে এর প্রভাব পড়বে। এজন্য কু*ফরের যে সূরতকে ইলহাদ বা জিনদিক বলা হয়, তার বিষয়টি খুবই মারাত্মক। এখানে সামান্য অসতর্কতার কারণে একজন মুসলমানকে কা**ফের বানিয়ে দেওয়া হবে।


বর্তমানে  বাংলাদেশে কারও কারও কাছে সবচেয়ে সহজ ফতোয়া হলো কাফের। দেওবন্দিরা কা*ফে**র এ ফতোয়া শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। অথচ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আহলে কিবলাদের কাফের বলতে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। যদি আহলে কিবলা থেকে পরিস্কার কু*ফ*রি কোনো বিষয় প্রকাশ না পায়, তাহলে তাকে কা**ফের বলতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।


এ প্রসঙ্গে শুধুমাত্র এখানে আল্লামা ইবনুল হুমাম রহ. এর বক্তব্য উল্লেখ করছি। তিনি বলেন-

هو الموافق على ماهو من ضروريات الإسلام كحدود العالم وحشر الأجساد من غير أن يصدر عنه شيئ من موجبات الكفر قطعا من اعتقاد راجع الى وجود إله غير الله تعالى أو حلوله في بعض أشخاص الناس أو إنكار نبوة محمد أو ذمه أو استخفافه ونحوذلك المخالف في الأصول سواها

(إلى أن قال. وقد ظهر من هذا أن عدم تكفير أهل القبلة بذنب ليس على عمومه إلا أن يحمل الذنب على ما ليس بكفر.فيخرج الكفر به كما أسار إليه السبكي.


অর্থাৎ আহলে কিবলা হল যে দ্বীনের অত্যাবশ্যকীয় সকল বিষয়কে মানে। যেমন পৃথিবী সৃষ্টি, হাশর। এমনভাবে তার থেকে কু**ফরকে আবশ্যক করে এমন কোনো আমল প্রকাশ পায় না। যেমন এমন আকীদা, যা আল্লাহর সাথে অন্য আরেকজনকে শামিল করে ফেলে। অথবা আল্লাহ কারো মধ্যে হুলুল করেছেন। অথবা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অস্বীকার করল। অথবা তার নিন্দা করা বা তাকে খাটো করা। এধরণের আরো কথাবার্তা।

এর থেকে স্পষ্ট হল যে, আহলে কিবলাকে কোন গোনাহের কারণে কা**ফের না বলার হাদিস ব্যাপক নয়। হ্যাঁ, গোনাহ দ্বারা যদি কু**ফর ছাড়া অন্যান্য গোনাহ উদ্দেশ্য হয়, যে মনটা ইশারা করেছেন ইমাম সুবকী, তাহলে ব্যাপক উদ্দেশ্য।


একজন মুসলমানকে কা***ফের বলতে কি তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে না? আসলে মানুষ যখন সিরাতে মুস্তাকিম থেকে বিচ্যূত হয়ে যায়, তখন সে হি*তাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে দুনিয়ার সকলের পিছনে কা**ফের ট্যাগ লাগিয়ে দেয়! আল্লাহ তাদেরকে হেদয়াত দান করুন।

কপি
পেস্ট

বাংলাদেশের জাতীয় স্পোর্টসকার আসলে কোন টা

 বাংলাদেশের জাতীয় স্পোর্টসকার আসলে কোনটা?


আমাদের দেশে অনেকেই মজা করে কিছু গাড়িকে "জাতীয়" উপাধি দেয়। টয়োটা প্রিমিও-এলিওনকে সবাই বাংলাদেশের জাতীয় গাড়ি বলে, এরপর টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডোকে জাতীয় এসইউভি। তেমনইভাবে, জাতীয় স্পোর্টসকারের ট্যাগটা সাধারণত দেওয়া হয় টয়োটা জিটি৮৬ কে। কিন্তু, আসলেই কি জিটি৮৬ আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া স্পোর্টস-কুপে?


জিটি৮৬ গাড়িটায় একটা ২০০০ সিসির ইঞ্জিন আছে, যার কারণে এই গাড়িটার ট্যাক্স ২১৭%। এই ট্যাক্সের কারণে গাড়িটার দাম আসে ৫০ লাখ টাকার মতো, যদি ৫ বছর পুরোনো মডেল ইয়ারের রিকন্ডিশন্ড একটা ইউনিট কেনা হয়। সাধারণত এই দাম দিয়ে একটা উইকেন্ড কার কেনার সামর্থ্য বাংলাদেশের কন্টেক্সটে/প্রেক্ষাপটে কম মানুষের আছে। কিন্তু ওদিকে জাপানের আরেকটি স্পোর্টসকার আছে, যেটায় ১৫০০ সিসি ইঞ্জিন আসে ও ট্যাক্স পড়ে ১২৮% যা জিটি৮৬-এর ট্যাক্স পার্সেন্টেজের চেয়ে কম, তাই ৩৫ লাখ টাকা থেকে দাম শুরু হয় সেই গাড়িটার। আর সেই গাড়িটি আর কেউই নয়, সারা দুনিয়ার সবচাইতে বেশি বিক্রিত কনভার্টিবল গাড়ি --> মাজদা মিয়াটা। জাপানে "রোডস্টার" নামে বিক্রিত এই গাড়িটা বর্তমানে আমাদের দেশে ট্যাক্স সুবিধার জন্য সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের অবজার্ভেশন অনুযায়ী, দেশে এই মূহুর্তে জিটি৮৬-এর থেকেও বেশি পরিমাণে মাজদা রোডস্টার আছে। তাই বলা যায় যে, মাজদা মিয়াটা/এমএক্স-৫/রোডস্টার হলো আমাদের দেশের ট্রু ন্যাশ্নাল স্পোর্টসকার।


আমাদের ইউটিউব চ্যানেলের লেটেস্ট ভিডিওটি দেখার জন্য ক্লিক করুন এই লিংকে, যেখানে আমরা রিভিউ করেছি নিউ নিসান কাশকাই :- 

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...