এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২

একজন শিক্ষক ক্লাসের ছাত্রদের ্প্রশ্ন করছি

.

      **পাকিস্তানের কোন একটি স্কুলে**

       একজন শিক্ষক ক্লাসের ছাত্রদের

                  প্রশ্ন করছিলেন...? 


           -কারা নামাজ পরে না...? 


         ---প্রথম ছাত্র উওর দিলো

      মৃত্যু ব্যাক্তি যে ব্যাক্তি মারা যায় 

           সে নামাজ পরে না।


      ----দ্বিতীয় ছাত্র উওর দিলো

         যে ব্যাক্তি নামাজ পড়ে না 

      অর্থা যে ব্যক্তি পাগল বা প্রতিবন্ধী।


     ----তৃতীয় ছাত্র উওর দিলো 

          যে ব্যাক্তি অসুমলিম

    অমুসলিম ব্যাক্তি নামাজ পড়ে না।


     এবার শিক্ষক চিন্তায় পড়ে গেলো...?


      এই তিনটা উত্তর এর মধ্যে আমি 

                 কোনটাই আছি..!

              আমি কি মারা গেছি 

          আমি কি পাগল প্রতিবন্ধি 

            আমি নামাজ পড়ি না.!

           না কি আমি অমুসলিম.! 


     একজন মুসলিম ও অমুসলিমানে 

      মধ্যে সবচেয়ে বড় পাথ্যর্ক হলো

                  ****নামাজ****


        আমরা যারা নিজেকে মুসলমান 

         দাবি করি কিন্তু নামাজ পড়ি না।

             চলুন একবার ভেবে দেকি

        আমরা আজও কি প্রকৃতি মুসলমান 

                    হতে পেরেছি...?


          আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান

         করুন,আমাদের সবাইকে হেদায়েত 

            দান করুন...? 

         আল্লাহ আমাদের পাচ ওয়াক্ত নামাজ 

         পড়ার তৌফিক দান করুন...


      ******আমিন*****

কপি
পেস্ট

সঞ্চয় পত্র ফেইসবুক থেকে নেওয়া

আজ আমি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট পোস্ট অফিসে যাই একটি পরিবার সঞ্চয় পত্র মূল টাকা মুনাফা সহ তুলতে যা ০১/১১/২০২২ তারিখে ৫ বছর পূর্ণ হয়। ওখানে কর্মরত এক লোক আমাকে সব কিছু তাড়াতাড়ি করে দিয়ে আমাকে ২,৫৯,২০০ টাকা মুনাফা বুঝিয়ে দেয় এবং বলে যে পাঁচ লক্ষ টাকা (আসল টাকা) আমাকে ২/৩ দিন পরে চেক ইস্যু করে জানাবে।

আমি তখন তাদেরকে বলি যে আমাকে যে ২,৫৯,২০০ টাকা মুনাফা দিয়েছেন তার ডকুমেন্টস/রিসিট দেন।তারা প্রথমে আমতা আমতা করে, পরে আমাকে রিসিট দেয় এবং অতিরিক্ত ১৪,৪০০ টাকা বুঝিয়ে দেয়।তখন আমি তাদেরকে প্রশ্ন করি এই টাকা যদি আমার মুনাফার অংশ হয় তাহলে আমাকে প্রথমেই দিলেন না কেন?

তখন তারা বলেঃ "সরি স্যার হিসাবে ভুল হয়েছে"।


অথচ আমি যদি রিসিট/ডকুমেন্টস না চাইতাম তাহলে তারা আমাকে এই ১৪,৪০০ টাকা আর দিতোই না।

তারা টাকাটা ভাগাভাগি করে নিয়ে নিতো।


৫ বছরের ৫ লক্ষ টাকার পারিবারিক সঞ্চয় পত্র মুনাফা এসেছে ২,৭৩,৬০০ টাকা।

গত ৫ বছরে আমি মুনাফার টোকেন ব্যবহার করে একটিও মুনাফা গ্রহণ করি নাই,আজ ৬০ টি মুনাফার টোকেন এক সাথে জমা দিয়ে সম্পূর্ণ মুনাফা উত্তোলন করি।


সকলের কাছে অনুরোধ থাকবেঃ আপ্নারা অবশ্যই পোস্ট অফিসে/ব্যাংকে সঞ্চয় পত্রের মুনাফা উত্তোলন করতে গেলে অথবা সঞ্চয় পত্র মেয়াদ উত্তীর্ণ হইলে যখন তা নগদ টাকা তুলতে যাবেন তখন অবশ্যই তাদের কাছ থেকে ডকুমেন্টস অথবা রিসিট চাইবেন। অবশ্যই চাইবেন। 

কপি
পেস্ট

আগে মনের চাহিদা স্থির করুন

'' আপনি যদি একজন কর্মজীবী মেয়েকে আপনার জীবনের সঙ্গী হিসেবে চান। তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে, সে ফুলটাইম আপনার বাড়িতে কাজ করতে পারবে না।

আপনি যদি একজন গৃহিণীকে আপনার জীবনসঙ্গী হিসেবে চান তাহলে আপনাকে মেনে নিতে হবে, যে সে আপনাকে আর্থিক ভাবে সহায়তা করতে পারবে না।

Think before you act!!

আপনি একজন স্টাইলিশ কর্মহীন মেয়েকে জীবন সঙ্গী হিসেবে চান। তবে তার লাইফ স্টাইলের জন্য ব্যয়, আপনাকেই করতে হবে।

আপনি একজন সাধারণ মেকআপ এর স্তরে মুখ ঢেকে না রাখা মেয়েকে বিয়ে করতে চান। তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে তার মুখের ছোট ছোট ব্রণের দাগ কিংবা গর্ত দেখে , আপনি কোনদিন তাকে বলতে পারবেন না। তুমি ঐ স্টাইলিশ মেয়ের মত নও!

কাউকে কারো মত বানানো যায়না। সবাই একটি নিজস্ব সত্তা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আপনি যেমন মেয়ে চান তেমন মেয়েকেই বিয়ে করুন।

মাটির পুতুল ভেঙে নতুন করে গড়ানো যায়, কিন্তু মানুষ না।

একই শরীরে আপনি কারিনা, জরিনা, মিশেল ওবামা, সিদ্দিকা কবির সবাইকে চাইতে পারেননা।

কারন আপনি নিজেও একই সাথে শাহরুখ খান, বিল গেইটস, টমি মিয়া নন।" 

যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে

 যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে


■■ যিনা কাকে বলে?


কোন কাজ গুলো যিনা?


যিনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যিনা করার পূর্বে এই হাদীসটিএকবার পড়ে নিন!!


■▪যিনা কী?


■▪শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যিনা বলা হয়?


■▪না!!


   হাদীসের ভাষায় যিনা বহু প্রকারে বিভক্ত। যেমনঃ


 ▪০১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা!


 ▪০২। যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা!


 ▪০৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যিনা!


 ▪০৪। ব্যাভি চারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা!


 ▪০৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যিনা।


 ▪০৬। যিনার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা!


 ▪০৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!


-----(বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!


   অথচঃ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যিনা মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?


■■ যিনা স্পষ্ট হারামঃ


আল্লাহ তা'আলা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেনঃ -------"তোমরা যিনার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"


-----(সুরা বনী-ইসরাঈল আয়াতঃ ৩২)


■■ যিনার শাস্তিঃ


যিনার শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ


---------"আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম। যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো! আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো! সর্বদা তাদের এঅবস্থা (এমন)চলছিলো! আমি জিবরাঈল(আঃ )কে জিজ্ঞেস করলামঃ এরা কারা???"


 ▪জিবরাঈল(আঃ) বললেনঃ


-------"তারা হলো অবৈধ যৌনচারকারী নারী ও পুরুষ!"


-----(বুখারী)


■■ যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!


■▪সেদিন যিনা কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!


   তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।


আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুণহা থেকে দুরে থাকার তৌফিক দান করুন। 

আমিন

কপি
 পেস্ট 

 

খাদিজা (রাঃ)

রাসুল (সাঃ) এর প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রাঃ)

 মারা যাওয়ার আগে, রাসুল (সাঃ) এর দুটো হাত ধরে বললেন....

আমাকে কথা দিন,,, আপনার গায়ের জোব্বা দিয়ে আমার কাফনের কাপড় বানাবেন, আর নিজ হতে আমাকে কবরে নামিয়ে দিয়ে, আমার সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি কবরের পাশেই থাকবেন। আমাকে একা ফেলে যাবেন না।

 রাসুল (সাঃ) অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন, " হে আমার প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি কথা দিচ্ছি... "।

  খাদিজা (রাঃ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

গোসল, জানাজা শেষ করে রাসুল (সাঃ) তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীকে নিজেই কবরে শুইয়ে দিলেন এবং কবরের পাশে অশ্রুজল চোখে কবরের পাশে দাড়িয়ে রইলেন। 

হাবীবের এমন বিমর্ষ মানসিক অবস্থা দেখে মহান আল্লাহ ফেরেস্তা জিবরাইল (আঃ) কে পাঠালেন।

জিবরাইল (আঃ) এসে সালাম দিয়ে জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল আপনি এভাবে আপনার স্ত্রীর কবরের পাশে এভাবে দাড়িয়ে আছেন কেন? 

রাসুল (সাঃ) বললেন, " হে জিবরাইল, আমি প্রিয়তমা স্ত্রীকে কথা দিয়েছি তাঁর সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়বো না।

জিবরাইল (আঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি জেনে রাখুন, আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, 

খাদিজা (রাঃ) কে করা মুনকার-নাকীর এর সওয়ালের জওয়াব আল্লাহ আরশে আজীম থেকে নিজেই দিয়ে দিবেন। (সুবহানাল্লাহ )

এই সেই খাদিজা (রাঃ), যাকে মহান আল্লাহ সালাম দিয়েছেন। যেখানে তিনিই কবরের সওয়াল-জবাবকে ভয় পেয়েছেন। সেখানেই আমরা যেন চিন্তাই করিনা কবরের জীবন নিয়ে। (আল্লাহ আকবার) :

খাদিজা (রাঃ) এর মৃত্যুর পর, প্রায় প্রতি রাতেই আয়িশা (রাঃ) এর ঘুম ভেঙে গেলে, উঠে এসে দেখতেন রাসুল (সাঃ) কান্নারত অবস্থায় আল্লাহর কাছে মিনতি করছেন,

  হে আল্লাহ! যখন শেষ বিচারের দিন ছেলে বাবাকে চিনবে না,বাবা ছেলেকে চিনবে না,স্বামী স্ত্রীকে আর স্ত্রী স্বামীর চেহারা দেখে বিস্তৃত হবে, তখন যেনো আমি আমার আমার প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজাকে চিনতে পারি এবং তাঁকে দেখে যেন বিস্তৃত না হই।

খাদিজা (রাঃ) গোশত খেতে পছন্দ করতেন।যদিও খুব কম সুযোগ হতো।কিন্তু কখনো হঠাৎ কোন উট, দুম্বা কিংবা খাসির গোশতের ব্যবস্থা হলে,তিনি তৃপ্তি করে খেতেন।

 উনার মৃত্যুর পর রাসুল (সাঃ) যখনি কোন গোশত হাদিয়া পেতেন কিংবা কোনোদিন হঠাৎ কোনো পশু জবাই হতো, তখন রাসুল (সাঃ) খুব যত্নে এক ভাগ মাংস সরিয়ে রাখতেন।

সেটা একটা পোটলায় ভরে, মদীনার রাস্তায় চোখ মুছতে মুছতে হাটঁতেন, প্রিয়তমা খাদিজা (রাঃ) এর কোন পুরনো বান্ধবীর দেখা পান কিনা,,, সেই আশায়। কোনো বান্ধবীকে দেখলে, পোটলাটা দিতেন।

  আল্লাহ সকল হালাল সম্পর্কের বারাকাহ দান করুক।

 প্রত্যেক সংসারকে আল্লাহ ভালবাসা এবং স্নেহের আঁচলে আবৃত করুক....

আমিন। 

কপি
পেস্ট

খলিফা হারুনুর রশিদ পানি পান করতে যাবেন,

খলিফা হারুনুর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"


খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয় করবেন?"


খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"


খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"


খলিফা বললেন, "বলো।"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?" 


-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"


শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"


ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক। 


তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই। 

ব্লাড ব্যাংক এন্ভ ডোনার ক্লাব মাগুরা

যেখানে তারুণ্য, সেখানে ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা,

যেখানে সেবাদান, সেখানে ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা

যেখানে ঐক্য, সেখানে ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা,

ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা, ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা, সকল কাজে ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা।

মেধা, শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো,

পাঠাগার ও পাঠশালা দিয়ে আমরা মশাল জ্বালাবো।

ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা হাতে জ্বলবে জয় - বিজয়ের মশাল,

মেধা রুচি থাকে যদি সূচি।

পাঠ নিয়ে থাকবে না আর ত্রুটি,

সমাজের উন্নয়নে আমরা ভাগিদার।

মূমুর্ষের রক্তের প্রয়োজনে আমরা দিই রক্ত,

তাইতো মূমুর্ষ রোগী ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরার ভক্ত।

একদিন থাকবো না, থাকবে ব্লাড ব্যাংক,এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা

থাকবে ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা গ্রুপের কৃতি।

সমাজের জন্য যা করি তা থাকবে স্মৃতি,

গরীবের কল্যাণে থাকি আগুয়ান;

এটাই হলো আমাদের ব্লাড ব্যাংক এন্ড ডোনার ক্লাব মাগুরা পরিবারের জয়গান।।


আলহামদুলিল্লাহ ৪র্থ বারের এ পজিটিভ ব্লাড ডোনেট করলেন প্রিয় Md Rubel Ahammed ভাই। 

আল্লাহ তায়ালা তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। 

আমীন 

কপি
পেস্ট

কবি হেলাল হাফিজ কে নিয়ে মুন্নি সাহার লেখা

 কবি হেলাল হাফিজের জন্য একটি যুৎসই থাকা এবং যত্নের বন্দোবস্ত করার জন্য আমার বন্ধুরা যারা পরামর্শ দিয়েছেন, বিভিন্ন প্রবীন নিবাসের ঠিকানা দিয়েছেন --- তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। 


আপনাদের পরামর্শ মতোই, আজ আমি শ্যামলীর সুবার্তা নিবাসে গিয়েছিলাম। কবির ভক্ত,  সুহৃদ ইসমত শিল্পী সঙ্গে ছিলেন। আমরা সবাই জানি, কবি এখন ইসমত শিল্পীর ফ্ল্যাটেই আছেন। সুবার্তা আবাসের বার্তা দেবার আগে একটু বলতে চাই ইসমত শিল্পীর অনুযোগ। তিনিই একটু মন খারাপের সুরেই বললেন, "বিভিন্ন চ্যানেলের সংবাদকর্মীদের ফোন, বাড়ীতে এসে দীর্ঘক্ষন কবি কে বসিয়ে রেখে নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করছে, তাঁর সামনে অহেতুক কান্নাকাটি করছে..  আমি বিব্রত। বিরক্তও বটে। মধ্যবিত্ত একটি ফ্যামিলিতে সকাল বিকাল লাইট ক্যামেরা নিয়ে লোকজন ঢুকে পড়ছে... তাতে এলাকায়ও কৌতুহল বাড়ছে, এগুলোর দরকার আছে কি'?

ইসমত শিল্পীর প্রশ্নের সদোত্তর নেই আমার কাছে।  তবে নিজে সংবাদকর্মী হিসেবে,  সহকর্মীদেরই পক্ষ নিলাম। 

কবি তাঁর একাকিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করলে বিব্রত হন, তাঁকে আর্থিক সাহায্য করা উচিত--- এ জাতীয় কথা বা উদ্যোগের কথা শুনলে লজ্জায় কুঁকড়ে যান --- এটুকু ভালো করে সংবাদকর্মীদের বোঝালে নিশ্চই ভাইরাল করার চাপ বা লোভটা সামলে, কবি কে বিরক্ত হরবে না... শিল্পী কে বোঝাই। 


এবার আসি সুবার্তায়। সুবার্তার পরিবেশ খুবই ভালো। গেট থেকে ভেতরে ঢুকতেই কেমন আপন আপন লাগে। 

এখন ওখানে ১৫ জন গেস্ট আছেন। প্রত্যেকেই রিটায়ার্ড,  লার্নেড, বর্ণিল কর্মময় জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আছেন। সুবার্তার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিনা আক্তার। ২০০০ সালে অনন্যা শীর্ষ দশে আমরা দুজনেই পুরস্কৃত হয়েছি। সেই সুবাদে অনেক কথা। সেলিনা আপা একটা স্বস্তির নাম। 

আমাদের সুবার্তার সব কিছুই পছন্দ হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী লোকাল কন্টাক্ট, কাষ্টডিয়ান ৫ জনের নাম দিতে হয়। যারা কবির জন্য নানা সময় নানা উদ্যোগে থেকেছেন, আছেন--- যারা যে কোনো প্রয়োজনে সহজেই সময় দিতে পারবেন, তারা নিশ্চই এ ৫ জনের তালিকায় থেকে স্বাক্ষরটা দিয়ে আসবেন। ইসমত শিল্পী নিশ্চই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আর পরিবারের প্রতিনিধির ও সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর দরকার হয়। আশা করি নেহাল হাফিজ এ পোষ্টটি দেখতে পেলে যোগাযোগ করবেন। 

সুবার্তায় যেটুকু খরচ, সেটা কবি নিজেই বহন করবেন বলে জানিয়েছেন। 

যদি  পরবর্তীতে গুরুতর কিছু হলে, বাইরে চিকিৎসার দরকার হলে সুবার্তা কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্টদের জানাবেন। ওখানে এটাই নিয়ম। 

সুবার্তার সবটুকু সুবিধা, সার্ভিসের গল্প শোনার পর কবিই সিদ্ধান্ত জানাবেন, কবে তিনি ওখানে উঠছেন। 

তবে হেলাল হাফিজের ভক্ত হিসেবে, একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমার মনে হয়েছে সুবার্তায় তিনি সম্মানে- যত্নে- আনন্দে থাকবেন।

কপি
পেস্ট 

বিনম্র শ্রদ্ধা নোবেলজয়ী পরিবার,,তপু দেবনাথ ফেইসবুক থেকে

 বিনম্র  শ্রদ্ধা  নোবেলজয়ী পরিবার 

ম্যারি কুরি ছিলেন বিশ্বের প্রথম মহিলা যিনি পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন উভয় ক্ষেত্রেই নোবেল জিতেছিলেন (1903 সালে পদার্থবিদ্যা এবং 1911 সালে রসায়নে)।

তিনি প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা অধ্যাপিকাও ছিলেন। এখানেই  পিয়েরে কুরির সাথে দেখা হয়েছিল তাঁর, যিনি পরে তার স্বামী হয়েছিলেন এবং তারা একসাথে বিকিরণ আবিষ্কার করেছিলেন। যার জন্য নোবেল কমিটি তার স্বামীকে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল।এখানে একজন নারী হওয়ায় নোবেল কমিটি মেরিকে নোবেলের জন্য মনোনীত করতে চায়নি, কিন্তু পিয়েরের আপত্তির কারণে কমিটিকে নোবেল দিতে হয় মেরিকে।

মরিয়মের দুই মেয়ে ছিল।

1897 সালে আইরিন এবং 1904 সালে ইভ.......ইভের জন্মের দেড় বছর পর (1906 সালে) মেরির স্বামী পিয়েরের এক দুর্ঘটনায় মারা যান।আমরা কল্পনা করতে পারি না যে ল্যাবে সারাদিন ব্যস্ত থাকা মেরির পক্ষে দুটি মেয়েকে বড় করা কতটা কঠিন ছিল।সেই সময়ে প্যারিসে মেয়েদের জন্য যে ধরনের স্কুলের শিক্ষা পাওয়া যেত তা মেরি অপছন্দ করতেন।তিনি তার মেয়েদের বাড়িতেই পড়াতেন।

মেরি কুরি রেডিয়াম এবং পোলোনিয়াম আবিষ্কারের জন্য 1911 সালে দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা আজকে ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

রেডিয়ামের ক্রমাগত এক্সপোজার মেরির স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় এবং 1934 সালে তিনি 66 বছর বয়সে মারা যান.....

আমেরিকা কুরিকে সম্মান জানায় এবং তার দেশে পাওয়া এক গ্রাম রেডিয়াম তাকে দান করার ঘোষণা দেয়।মেরি বলেছিলেন যে রেডিয়ামটি তার প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া উচিত, তাকে নয়, যাতে তার মৃত্যুর পরে এটি তার পরিবারের দখলে না থাকে।

দুই কন্যাই, যারা তাদের মায়ের ছায়ায় বেড়ে উঠেছে, তারাও অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। বড় মেয়ে আইরিন 1935 সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন, যখন ছোট মেয়ে ইভ, যিনি শৈশব থেকেই শিল্প ও লেখালেখিতে আগ্রহী ছিলেন, তাকে মনোনীত করা হয়েছিল যুদ্ধ সাংবাদিকতার জন্য পুলিৎজার পুরস্কারে।

তিনি পরে ইউনিসেফের 'ফার্স্ট লেডি' হন। ইভ 1965 সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

এইভাবে পৃথিবীতে একটি মাত্র পরিবার আছে যার সমস্ত সদস্যই নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।

 পিতা-মাতা এবং দুই কন্যা... এমন অসামান্য প্রতিভা সমৃদ্ধ পরিবার পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নয়।

 এইভাবে এটি বিশ্বের একমাত্র পরিবার যারা পাঁচটি নোবেল জিতেছেন।

 নিজেদের মেয়ে/ছেলেকে বিজ্ঞানের আলোয় ভরে তুলুন।


সংগৃহীত

কপি
পেস্ট 

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৯ বুধবার

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(০৯-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য অর্জনে আরও প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজনের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ। 


* বিএনপির আন্দোলনের লক্ষ্য বর্তমান বৈশ্বিক সংকট উত্তরণ নয়, তাদের লক্ষ্য যে কোনোভাবে ক্ষমতায় যাওয়া - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


* কপ-টোয়েন্টি সেভেন সম্মেলনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের যোগদান জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরী প্রভাব থেকে বিশ্বকে রক্ষায় এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে - বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল থেকে চারশো ৫০ কোটি ডলার পাবে - নিশ্চিত করলেন অর্থমন্ত্রী। 


* বিভিন্ন কর্মসূচিতে আগামীকাল দেশে পালিত হবে শহীদ নূর হোসেন দিবস। 


* যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরা এগিয়ে, সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। 


* এবং সিডনিতে প্রথম সেমি-ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে পাকিস্তান - অ্যাডিলেইডে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে আগামীকাল ইংল্যান্ডের মোকাবেলা করবে ভারত। 

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...