এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২
অনুপ্রেরণার গল্প
সংগ্রহীত পোস্ট
★যদি কম খেয়ে পড়াশোনা করতে হয় তবুও পড়াশোনা করুন।
★যদি কম পোশাক পরে পড়াশোনা করতে হয় তবুও পড়াশোনা করুন।
★যদি হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হয়ে চাকরির উদ্দেশ্যে ছুটতে হয় তবুও চাকরি পিছনে ছুটতে থাকুন।
★যে ছেলেটা/যে মেয়েটা হাজারো কষ্টের মধ্যে হাজার পারিবারিক সমস্যার মধ্য থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করতে পারে তাকে দিয়ে ভালো কিছু করা সম্ভব।
★পারিবারিক সমস্যা সবার থাকবে তার পরেও যদি ভাল চাকরি পাওয়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে এখনই কেন চাকরি করতে হবে, এখনই কেন,।
★আর একটু ধৈর্য ধরুন, আর একটু ধৈর্য ধরুন,আরো একটু ধৈর্য ধরে পড়তে থাকুন, চাকরি আপনার হবে।
★ধৈর্য হারা হবেন না লেগে থাকুন।
আল্লাহ অচিরেই আপনাকে এমন কিছু দেবেন যেটা আপনি কখনো কল্পনাও করতে পারেনি।
কপি
পেস্ট
বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২
১০৮ সুরা কাওসার,,, প্রাচুর্য
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা কাওসার (الكوثر), আয়াত: ১
إِنَّآ أَعْطَيْنَٰكَ ٱلْكَوْثَرَ
উচ্চারণঃ ইন্নাআ‘তাইনা-কাল কাওছার।
অর্থঃ নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।
إِنَّآ أَعْطَيْنَٰكَ ٱلْكَوْثَرَ
উচ্চারণঃ ইন্নাআ‘তাইনা-কাল কাওছার।
অর্থঃ নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।
সূরা কাওসার (الكوثر), আয়াত: ২
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنْحَرْ
উচ্চারণঃ ফাসালিল লিরাব্বিকা ওয়ানহার।
অর্থঃ অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
সূরা কাওসার (الكوثر), আয়াত: ৩
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ ٱلْأَبْتَرُ
উচ্চারণঃ ইন্না শা-নিআকা হুওয়াল আবতার।
অর্থঃ যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।
,,,,,,,,,৷৷৷৷৷
১০৯ সূরা কাফিরুন,,,অবিশ্বাসী গোষ্ঠী
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা কাফিরুন (الكافرون), আয়াত: ১
قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ
উচ্চারণঃ কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরূন।
অর্থঃ বলুন, হে কাফেরকূল,
সূরা কাফিরুন (الكافرون), আয়াত: ২
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
উচ্চারণঃ লাআ‘বুদুমা-তা‘বুদূন।
অর্থঃ আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
সূরা কাফিরুন (الكافرون), আয়াত: ৩
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
উচ্চারণঃ ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ।
অর্থঃ এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
সূরা কাফিরুন (الكافرون), আয়াত: ৪
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
উচ্চারণঃ ওয়ালাআনা ‘আ-বিদুম মা-‘আবাত্তুম,
অর্থঃ এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
সূরা কাফিরুন (الكافرون), আয়াত: ৫
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
উচ্চারণঃ ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ।
অর্থঃ তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
সূরা কাফিরুন (الكافرون), আয়াত: ৬
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ
উচ্চারণঃ লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।
অর্থঃ তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
ইংলিশ মজা ২ ফেইসবুক থেকে
চলো গভীর থেকে জানার চেষ্টা করি-
“Let us/Let’s” থাকলে Tag- এ “shall we” হবে
Let us go, shall we?
বাক্যটিকে ভাঙলে তার interrogative form:
Shall we not go there?
এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছো, কোথায় থেকে shall আসে আর tag কেন affirmative “shall we” হয় |
আরেকটি ব্যতিক্রম জিনিস জানার চেষ্টা করি:
ধরা যাক,
আমি (I)এবং তুমি (you) দুজনে একটি দোকানে গিয়েছি, দোকানে কোন কিছু পছন্দ না হওয়ায়, আবার বের হয়ে আসছি এমন সময় দোকানের মালিক জোরাজোরি করছিলো জিনিস নেওয়ার ব্যাপারে তখন (I+you=we) আমরা বললাম:
Will you not let/permit us to go? এখানেই “you” তারা দোকানের মালিক কে নির্দেশ করা হয়েছে |
এক্ষেত্রে,
“Let’s go-এর Tag হবে will you
কেননা, এখানে “you” দ্বারা দোকানের মালিক কে বিশেষ ভাবে বোঝানো হয়েছে |
সম্পূর্ণ ঘটনাকে সহজ করে বললে:
1. Let us/Let’s দ্বারা গঠিত বাক্যের মধ্যে দুইজন ব্যক্তির উপস্থিতি থাকলে=shall we
2. Let us/Let’s দ্বারা গঠিত বাক্যের মধ্যে দুইজনের অতিরিক্ত আরো একজন এর উপস্থিতি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে এবং তাকে বিশেষভাবে নির্দেশ বা জোর প্রদান এর ক্ষেত্রে “will you” বসে |
সুতরাং শুধু মুখস্ত নয় !!!
“Let us/Let’s” থাকলে “shall we” হবে |
কারণ জানতে হবে | শেখার চেষ্টা করতে হবে গভীর থেকে | তাহলে ইংরেজি শেখার মজা পাওয়া যাবে | আর মজা পাওয়ার এই কাজটি করছে “ইংলিশ মজা”
সতর্কতা মুলক পোস্ট
সতর্কতা মুলক পোস্ট
সবাই সাবধান হন
দয়া করে সম্পুর্ন পোস্ট পরুন হতে পারে আপনি ও এই পরিস্তিতি থেকে রক্ষা পেতে পারেন
এই লোক গত ৩/৪ দিন আগে xiaomi 11i মোবাইলের বিক্রি জন্য পোস্ট করে আমি ওনাকে মেসেজ দেই ওনার লোকেশন ঢাকা দোহার জা আমার থেকে অনেক দূর হয়ে যায় তাই ওনি কুরিয়ার এর কথা বলে আমি ওনাকে বলি কুরিয়ার করে নিব কিন্তু ওই খানে বলে দিতে হবে চেক করে নিব ওনি রাজি হয় সে কুরিয়ার অফিস গিয়ে কুরিয়ার এর অফিসার সাথে আমার কথা বলায়ে দেয় উনি বলেন বুকিং করলে শুধু কুরিয়ার ২০০ টাকা দিতে হবে আর ওনারা সব চেক করে রাখবেন (আমি কন্ডিশন এ নিতে চাইছিলাম কিন্তু ওনি বলে কন্ডিশনে নিলে ওনারা চেক করবে না কি আছে ওনারা দেখবে না জা আছে তাই পাথাবে আর বুকিং করলে ওনারা সব চেক করে নিবে সব দায় ভার তাদের তাই না পেরে বুকিং করি বলে বুকিং করলে আপনার কাছে মেসেজ যাবে) আমি মেসেজ ও পাই আমাকে ওই লোক পাঠানোর স্লিপ ও দেয় আমি করিয়ার অফিসার কে জিগাস করি বুকিং হলে কি ক্যানসেল করা যাবে কিনা ওনি বলেন আপনার অনুমতি ছাড়া হবে না তাই কুরিয়ার থেকে মেসেজ পাওয়ার পর আমি ওনাকে টাকা পাঠায়ে দেই 😅 এরপর পরের দিন কুরিয়ার অফিস গিয়ে কুরিয়ার অফিসার সাথে কথা বলি ওনি বলেন এমন কোন সিস্টেম নাকি ওনাদের নাই 😅 এটা ভুয়া। তাহলে আমার প্রস্ন কুরিয়ার এর স্লিপ উনি কোথা থেকে পেল? আর মেসেজই বা কিভাবে আসবে?
পরে আমি ওই লোক কে কল দিলে রিসিভ না করে পরবর্তী তে নাম্বার বন্ধ করে দেন আর হোয়াটসঅ্যাপে আমাকে ব্লক করে দেন।
তাই সবাই সাবধান হন
গল্প সাধারণ,,,,, অতীত ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া
স্ত্রী রাইসার গা থেকে আসা মাছের আর ঘামের গন্ধ আমার আজ বেশ বিরক্ত লাগছে।
অথচ বিয়ের আগে যখন আমরা কোন উদ্যানে বা রেস্টুরেন্টে দেখা করতাম মনে হতো যেন ফুল পরীদের রাজ্য থেকে কোন মিষ্টি,ছোট্ট পরী এসে আমার সামনে বসে আছে।যার সমস্ত শরীর থেকে আসছে তাজা সহস্র গোলাপের সুরভী আর সেই সুরভীতে আমি বিমোহিত হয়ে রয়েছি।আমার সমস্ত নিঃশ্বাস যেন সেই সুঘ্রাণ শুষে নিতে চাইছে।
তবে কি সব পারফিউমের যাদু ছিল!!
তার চুলের দিকে এবার ভালো করে লক্ষ্য করলাম।
একি তার অমন সজারুর কাঁটার মতো সোজা,চকচকে,মসৃণ চুলগুলো কোথায়!!
এতো অর্ধেক সোজা অর্ধেক এঁকেবেঁকে থাকা পাটের মতো শক্ত হয়ে রয়েছে,যা একত্রিত করে প্যাচিঁয়ে রাখার মতো কিছু যাকে খোপা বললে খোপার অবমাননা হবে।কেননা,রাইসাকে আমি খোপা করা অবস্থায় দেখেছিলাম একবার।আহা!কি সুন্দর করে ১০০টি ক্লিপ লাগানো গোছানো খোপা আর তাতে ঠাঁই পেয়েছে গোলাপগুচ্ছ। গোলাপগুলোও হয়তো সেদিন নিজেকে এমন সুন্দর খোপায় ঠাঁই দিতে পেরে ধন্য মনে করছিলো।
তবে কি সব ছিলো স্ট্রেইটনারের কেরামতি!!
আমার আর রাইসার ১বছরের প্রেমের পর বিয়ের আজ ৩ মাস হলো।
প্রথম ১ মাস সে রান্না ঘরে ঢুকেনি,কাজটাজও তেমন একটা করেনি যা করার আমার মা আর বুয়া ছিল তারাই করতো।
মা গ্রামে আর বুয়া ছুটিতে যাওয়ায় সব ভার এসে পরলো এবার রাইসার উপর।
আমার আবার গুড়া মাছ খুব পছন্দ।কমদামে পাওয়ায় কাল ৫ কেজি গুড়ামাছ কিনে এনেছিলাম।বেচারি রাইসার এগুলো কাটতে কাটতেই আজ আসল রুপ বেরিয়ে এলো।
মনে হচ্ছে ধোকা,সবই ধোকা!
রাগে গজগজ করতে করতে বেরিয়ে গেলাম মাথায় ঘুরতে থাকলো বিয়ের দিন আত্মীয়দের বলা অগণিত কথা
"রাফিদের বউটা কি সুন্দরটাই না হয়ছে"
"আরে রাফিদ তো পুরা পরী ঘরে তুলতেছে বিয়ে করে"
"আহা মেয়েতো নয় যেন ফুটন্ত ফুল"
আজ সবকিছুকে মিথ্যা আর মেকাআপের যাদু মনে হচ্ছে।
এমন সময় পাশের ফ্ল্যাটের রাত্রি ভাবির সাথে লিফটের ভেতর দেখা।
দেখেই চমকে ওঠলাম!শুনেছিলাম ভাবির নাকি ৭ মাস আগে সিজারে বেবিও হয়েছে কিন্তু একি ভাবিকে দেখে তো বুঝাই যাচ্ছে না যে একটা ৭ মাসের বাচ্চা আছে।মনে হচ্ছে যেন,গালের ভেতর থেকে আলোর রিফ্লেকশন আসছে..আর ঠোঁটের নিচের তিলটা সত্যিই মায়াবী লাগছে।যখন আমাকে দেখা মাত্রই হাসলো তিলটা কিছুটা প্রসারিত হয়ে হাসিকে এক অপরুপ মাত্রা এনে দিল।আর কোন পারফিউমের ঘ্রাণ না পেলেও এক হালকা সুন্দর ভালো লাগার সুবাস ভেসে আসছিলো।এসব ভাবতে ভাবতেই লিফট ৮ তলা থেকে ২ তলায় পৌঁছে গেলো আর ভাবিও নেমে গেল।
মনটা কেমন খারাপ হয়ে গেলো!!
পরক্ষণেই নিজেকে ধমকে বললাম:
"ছিহ কি ভাবছি এসব আমার বউ আছে"
আবার বউয়ের গায়ের মাছের গন্ধ মনে পরে গেলো।
আমরা বাঙালীরা মাছ খেতে ভালোবাসি কিন্তু মাছের গন্ধকে নয়।
রাত্রি ভাবির কথা এখনও মন থেকে যাচ্ছে না।
আসলে মানুষের নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতিই থাকে তিব্র আর্কষণ।
আমি যখন বুঝতে পারলাম আমার ভাবনাগুলো ঠিক নয়,নিষিদ্ধ ভাবনা তখনি তা আমায় আরোও বেশি করে যেন টানছে।
এবার তো মাথায় আরোও একটা দুষ্টু বুদ্ধি এসে চাপলো!রাত্রি ভাবির রান্নাঘরে উঁকি মেরে দেখতে হবে ভাবিকে কেমন দেখায়!আমার বউয়ের মতো নাকি সত্যিই অপরুপা।
মাথা বলছিলো করিস না আর মন বলছিলো কর নাহলে আফসোস থাকবে।
আর আমি বলছিলাম,আমি মনের কথা শুনি,তাছাড়া আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভাবি আসলেই সুন্দর দেখতে কেননা আমার ভাবির সাথে ছাদেও দেখা হয়েছিল।ভাবি গোসল করে কাপড় শুকাতে এসেছিলো সেদিন তো মেকআপ করা ছিল না তবুও বেশ সুন্দরই লেগেছিল।
মনের এই অস্থিরতা কমাতে পাইপ বেয়ে ওঠে গেলাম ২ তলায় ভাবির রান্নাঘরের জানালার পাশে।
এমন পাইপ বেয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা আমার আগেরও আছে অবশ্য। রাইসার জন্য ওর বাসায় পাইপ বেয়ে ওঠে ফুল দিয়ে এসেছিলাম ১ দিন।
সে যাইহোক,রান্নাঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দিতেই আমি যা দেখলাম রাসেল ভাই বিশ্বাস করেন আমি মোটেও তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না.....
ভাবি বুয়ার সাথে রান্নাঘরে বসেই বাচ্চার জন্য হয়তো রান্না করছে।দেখে মনে হলো খিচুড়িই হবে।ভাবির কপাল দিয়ে টপটপ করে ঘাম বেয়ে পরছে!
রান্নাঘরে বসে থেকে ভাবি কিছুটা কালসেটে হয়ে গিয়েছে আর চুলগুলো শক্ত করে বাঁধা থাকায় তার আসল সৌন্দর্য হারিয়েছে।
কি অদ্ভুত ভাবিকেও দেখতে নরমাল লাগছে।আর ছাদে দেখা সেই সতেজতা এই রান্নাঘরের ধোয়ায় চাপা পরে গিয়েছে।
আহামরি কিছুই নেয়!
তবে হ্যাঁ খিচুড়িতে সব ঠিকঠাক আছে নাকি,বাচ্চা ঠিকভাবে খেতে পারবে নাকি এসব নিয়ে ভাবির উৎকন্ঠা দেখে ভাবির মাঝে যে মাতৃত্বের দিকটা ফুটে ওঠেছে তা যেন সমস্ত সৌন্দর্যকে হার মানায়।
এবার পাশের বাথরুমের পাইপ ধরে নিচে নামতে যাবো তখন বাথরুমের থেকে পুরুষকন্ঠ শুনতে পেয়ে থেমে গেলাম।ভাবির বরের গলা বলে মনে হচ্ছে।কার সাথে যেন কথা বলছে...
ঘটনা কি বুঝতে থেমে গিয়ে কথা শোনায় মনোযোগ দিলাম।ওপাশ থেকে শোনা যাচ্ছে:
"অহ রিটা তোমার মতো সুন্দরী আমি আর দ্বিতীয়টা দেখিনি জানো,আর আমার রাত্রিকে দেখো কেমন কালসেটে দেখাচ্ছে একটু আগেও রান্নাঘরে গিয়ে দেখে আসলাম,তখনই আজ অফিসের ফর্সা,গ্লেমারাস সুন্দরী রিটার কথা মনে পরলো"
তার মানে সবই সন্তুষ্টির অভাব!আমরা যখন কারো সাথে সবসময় থাকি,তাকে দেখি তখন তার প্রতি আগ্রহ কমে যায়!
এসব ভাবতেই হাত পিছলে সোজা গিয়ে পরলাম নিচে আর নিজেকে আবিষ্কার করলাম হাসপাতালের বিছানায়।
অনেকদিন হাসপাতালে থেকে এবার বাসায় ফিরে বউএর সেবা যত্নের পর এবার আমি কিছুটা সুস্থ।
রাইসা যখন আমার সেবায় ব্যস্ত হয়ে নিজের চুল,চেহারা ঠিক করতে ভুলে যায়,নিজের ঘাম মুছতে ভুলে যায় তখন তার দিকে মনের দৃষ্টি খুলে এই প্রথম ওকে দেখছি আর বড্ড বেশি অনুভব করছি।যতই অনুভব করছি অনুভবে তাকে আরোও বেশি মায়াবী লাগছে।তার ঘামগুলো নিজ হাতে মুছে দিতে ইচ্ছা করছে...
আনমনে নিজেই নিজেকে বলতে লাগলাম:
"মেয়েরাও মানুষ।মেয়ে পরিচয় হওয়ার আগের পরিচয় তারাও মানুষ.. তারাও ঘামে,তারাও অগোছালো থাকে।তাদের হরিণী চোখ বা চকচকে গাল বলতে কিছু নেই সবই আইলাইনার বা হাইলাইটার।এসব শখে ব্যবহারযোগ্য যা হয়তো ৩-৪ ঘন্টা নিজেকে অপ্সরা বানিয়ে রাখতে পারে কিন্তু দিনশেষে তারাও পরিশ্রমী মানুষের মতো দেখতে।সকলেই সাধারণ। আর কি অদ্ভুত আমি যেই গোছানো রাইসাকে ভালোবাসতাম সেই রাইসাকে না পেয়ে আমি রাত্রি ভাবির সৌন্দর্যের কদর করতে থাকলাম।তবে কি দোষটা আমার চোখের!রাইসার শখের সাজুগুজুর প্রেমে পরেছিলাম কি!তবে হ্যাঁ এইবার এই সাধারণের মাঝে অসাধারণত্ব আমাকে খোঁজে নিতে হবে রাইসার থেকে,তবেই না আমি ওকে ভালোবাসি"
গল্পঃসাধারণ
নওরীন খান
ইংলিশ মজা ফেইসবুক থেকে নেওয়া হয়েছে
অনেক শিক্ষার্থীর প্রশ্ন !
He has many problems.= তার অনেক সমস্যা আছে |
“He”মানে “সে” এখানে কেন “তার” হলো ?
তাদের মতে-
“His has many problems.” দিলে বেশি ভালো লাগতো !!!
কেননা, তারা শুধু শিখেছে: He=সে, His=তার
তাদেরকে হয়তোবা শেখানো হয়নি:
His একা কখনোই বাক্যের subject হয়না, যদি না তারপর আরেকটি Noun না থাকে |
যেমন: এই বাক্যটির সঠিক-
His brother has many problems.
=তার ভাইয়ের অনেক সমস্যা আছে |
“He”এরপর “has/had” থাকলে এর অর্থ হয়ে যায় “তার” |
“He” এরপর be verb “is/was” হলে তার অর্থ হয় “সে” |
যেমন:
He had four brothers.
= তার 4 ভাই ছিল |
He is the second of four brothers.
=সে চার ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় |
*এমন আলোচনা দেখে, অনেকে মনে করতে পারো এ আর এমনকি কঠিন !!!
কিন্তু বিশ্বাস করো- এই জিনিসগুলো অনেকেই বুঝে না কিন্তু প্রাণ খুলে কারো কাছে তা বলতেও পারেনা
আর এই কারনেই তার ইংরেজি শেখা হয় না |
যে রোগে আক্রান্ত এবার HSC দেওয়া প্রায় ১৩ লাখ শিক্ষার্থী,,,,
যে রোগে আক্রান্ত এবার HSC দেওয়া প্রায় ১৩ লাখ শিক্ষার্থী
আমরা অলস জাতি।
নিজে সুন্দর চিন্তা করে নিজেকে 'সময় সচেতন' ভাবা আর বাস্তবের সময় সচেতনতা ভিন্ন জিনিস।
কিনারায় না পড়লে সুবুদ্ধির উদয় হয়না। কেও ধরিয়ে না দিলে নিজেদের ভুল গুলো বুঝতে পারিনা। ছুটিগুলো উপভোগ এবং পড়া জমিয়ে শেষ মুহুর্তে কিচ্ছু পড়া হয়নি টাইপ হা-হুতাশ এবং তাড়াহুড়ো করে যেকোনোভাবে সব টপিক শেষ করে এক্সামে অংশ নেওয়া পাব্লিক আমরা।
হ্যা,HSC এক্সাম দেওয়া সকল শিক্ষার্থীর সবথেকে কমন 'অসুখ' নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি। যে রোগে আক্রান্ত এবার HSC দেওয়া প্রায় ১৩ লাখ শিক্ষার্থীর সকলেই।
চোখে আংগুল দিয়ে দেখাই। ধরো ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষার আগে ছুটি আছে ০২ দিন। সময়ের হিসাব করলে প্রায় ৭০ ঘন্টা গ্যাপের পর ইংরেজি ২য় পত্র এক্সাম। ১ম পত্র এক্সাম দিয়ে এসে তুমি হিসাব করলে আজ অন্য একটা বিষয় রিভাইজ দিব,কাল আরো একটা বিষয় রিভিশন দিয়ে পরশু সকাল থেকে ইংরেজি ২য় পত্র পড়ব। এটা ভেবে একটা ঘুম দিলে। ঘুম থেকে উঠে বন্ধুদের সাথে ডিস্কাস করলা কার কি রকম এক্সাম হলো। এরপর রাতে খাবার পর মনে হলো আজ আর না পড়ে সকাল থেকেই পড়ব এখন ঘুমাই। পরদিন সারাদিন মনে হলো,আরে সময় তো আছেই কিছুক্ষণ পর পড়ব। আর আজ তো বোনাস সাব্জেক্ট পড়ব,এটা নিয়ে এত প্যারা নিচ্ছিনা। সারাদিন গেলো,তুমি ভাবলে রাতে পড়ব। রাতেও ভাবলে এক্সট্রা সাব্জেক্ট পড়ে আর এগিয়ে না রাখি সকাল থেকে ইংরেজি পড়ব ভালো করে। তিন সত্যি।
পরদিন সকাল থেকে ইংরেজি পড়লে ঠিকই,কিন্তু সারাবছর ইংরেজি ভালোমত না পড়ায় ০১ দিনে রিভাইজ দিয়ে উঠতে পারলেনা। আফসোস এবং যথারীতি ইংরেজি এক্সাম টাও খারাপ হয়ে গেলো!!
০৩ দিন আগে তোমার চিন্তা আর বাস্তবিক চিত্র টাই বলে দেয় তুমি কতটুকু সময় সচেতন। অথচ তুমি পড়া না জমিয়ে ইংরেজি ১ম পত্র দিয়ে এসেই অল্প অল্প করে ২য় পত্র শুরু করতে পারতে। এক্সট্রা বিষয় তো পড়া হয়নইনি,তুমি উলটো ইংরেজি প্রিপারেশন টাই এলোমেলো করে ফেললে।
হ্যা,প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থীই এই কাজটি করবে। হয়তো শিক্ষকেরাও একই সাজেশন্স দিবে। ফলাফল এর সিনারিও টাও একই হবে। আমি ভাই বাস্তবিক মানুষ। যেটা ভুল সেটা শুনতে খারাপ শোনা গেলেও আমি সেটাই বলে এসেছি,সামনেও বলব। সো এখন কি করব??
কাজ হলো তোমার সময় গুলো ভাগ করে সেই অনুযায়ী শুধুমাত্র ইংরেজি ২য় পত্রেরই প্রিপারেশন নিতে থাকো। সারাবছর যদি সবথেকে কম সময় দিয়ে থাকো সেই সাব্জেক্ট টা হলো ইংরেজি। সারাবছর পড়োনাই,এখনো যদি ০২ দিন না কাজে লাগাও ইংরেজি তে রেজাল্ট করা এত সহজ হবেনা। ১ম পত্রে যশোর বোর্ড দেখিয়ে দিয়েছে অলরেডি।
আর ইংলিশ এর খারাপ রেজাল্ট BUET,Medical সহ সকল জায়গাতেই ইফেক্ট ফেলবে এটাও মাথায় রেখো।
আজকের পড়াটা আজই শেষ করার চুক্তি করো নিজের সাথে। এক্সামে ভালো করতে 'সময় সচেতন' এবং কৌশলী হবার কোনো বিকল্প নাই।
(তোমার কোনো বন্ধু যদি এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাকে #মেনশন করে দাও। পোস্টটি টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখো,পুরো এক্সাম জুড়েই এটি কাজে লাগবে)
কিভাবে গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তি বানাতে হবে
💥 গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র
>> আমরা যখন নিজেদের গাড়ি টি অন্যের কাছে বিক্রি করতে চাই বা কারো কাছ থেকে কোনো গাড়ি কিনতে যাই তখন আমাদের ওই গাড়ি টি কেনার জন্য একটি চুক্তিপত্র করতে হয়। তো আজকে আমরা জানব কিভাবে গাড়ি বিক্রি করার চুক্তিপত্র (Car sales contract) করতে হয়।
প্রথমেই চুক্তিপত্রটির উপরের “গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র” কথাটি লিখতে হবে।
তারপর প্রথম পক্ষঃ লিখতে হবে বা না লিখলেও হয়, প্রথম পক্ষ এর লাইন থেকে গাড়ি টি যে বিক্রি করবে তার “নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে”। এরপর নিচের লাইনে “প্রথম পক্ষ/গাড়ির মালিক বা বিক্রেতা” কথাটি লিখতে হবে।
এখন দ্বিতীয় পক্ষঃ লিখতে হবে পরের লাইনে, তারপর এই লাইনে যে গাড়ি টি কিনবে তার “নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে”। এরপর নিচের লাইনে “দ্বিতীয় পক্ষ/গাড়ির ক্রেতা” কথাটি লিখতে হবে।
** লেখাগুলোর ডট ডট গুলোতে গাড়ির তথ্যগুলো দিয়ে দিতে হবে।
তারপর পেইজের নিচে “চলমান পাতা ০২” লিখতে হবে, এটা লেখার কারণ হলো পরে আরো পাতা আছে, মানে পরের পাতাটি ০২ নং পাতা।
এর পর আরেকটি পেইজ শুরু হবে, সেখানে প্রথমেই উপরে “পাতা নং-০২” লিখতে হবে।
এর পরের লাইনে লিখতে হবে-
“অত্র গাড়ি খানা বিক্রয় করার প্রস্তাব করিলে দ্বিতীয় পক্ষ নিম্ন বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে ক্রয় করিতে উচ্ছুক হইলে আমরা উভয় পক্ষ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে গাড়ীর বর্তমান বাজার দর নির্ধারণ করে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেই।”
** এই কথাটি সবার জন্যই হয়ে থাকে এই কথাটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না।
পরের লাইনে ‘শর্তাবলী’ লেখাটি লিখতে হবে। মানে এরপর থেকে নিচে নিচে চুক্তিপত্রের কি কি শর্তাবলী আছে সেগুলোকে উল্লেখ করতে হবে।
১। গাড়ির বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, গাড়ির মোট মুল্য -……………………/- (…………………..) টাকা মাত্র।
২। দ্বিতীয় পক্ষ ক্রেতা উক্ত গাড়ির ক্রয় বাবদ নগদ -……………………/- (…………………..) টাকা পরিশোধ করিয়া গাড়ি টি বুঝিয়া নিলেন।
৩। অদ্য ……………….. তারিখ হইতে গাড়ি টির সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দায় দায়িত্ব ক্রেতা বহন করিবেন।
৪। নাম পরিবর্তনের সময় বাকি -……………………/- (…………………..) টাকা দ্বিতীয়পক্ষ প্রথমপক্ষকে দিবেন। প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে নাম পরিবর্তন করে দিতে বাধ্য থাকিবে। প্রথম পক্ষ যদি ব্যর্থ হয় সমস্ত টাকা দিতে বাধ্য থাকিবে এবং দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষকে গাড়ি টি ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবে।
** উপরের এই প্রধান ৪টি পয়েন্ট উল্লেখ করে গ্যাপগুলো পূরণ করে দিতে হবে এবং পেইজের নিচে “চলমান পাতা-০৩” দিয়ে আরেকটি পেইজ শুরু করতে হবে। এরপর লিখতে হবে,
এতদ্বার্থে আমরা উভয় পক্ষ অত্র দলিল পড়িয়া ও বুঝিয়া, সুস্থ্য মস্তিস্কে স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ নামে সহি ও স্বাক্ষর করিলাম।
💥 গাড়ি বিক্রয় চুক্তিনামা নমুনা দেওয়া হলো:
📝 বিক্রয় রশিদ পত্র
ইয়াদিকির্দ্দঃ নামঃ …………………………………………………
পিতা/স্বামীঃ ……………………………………………………………………………..
ঠিকানাঃ……………………………
………………….. ১ম পক্ষ/ক্রেতা।
লিখিতংঃ নামঃ ……………………………………………………
পিতা/স্বামীঃ………………………………………
ঠিকানাঃ………………………………………
………………………… ২য় পক্ষ/বিক্রেতা।
অপর পাতায় দ্রঃ
(পাতা নং/২)
অস্য বিক্রয় রশিদ পত্র মিদং। আমার নিজ নামীয় ও স্বত্ব দখলীয় একখানা…………………………………………………………………………………., মডেল …………………………….যাহার রেজিস্ট্রেশন নং………………………………..
চেসিস নং…………………………………………
ইঞ্জিন নং………………………………………………………………………………….
অশ^শক্তি………………..সি. সি, গাড়িখানা মূল্য ………………………………………..
(কথায়) …………………………………………………………………………………..
টাকায় আপনি ক্রেতার বরাবরে বিক্রয় করিলাম। আমার গাড়ীর বিরুদ্ধে অতীতে ও বর্তমান কোন মামলা-মোকদ্দমা নাই, যদি কোনো মামল-মোকদ্দমা থাকিয়া থাকে, তাহার জন্য আমি নিজে দায়ী থাকিব, বি, আর, টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে আমি তা মানিয়া নিব।
অপর পাতায় দ্রঃ
(পাতা নং/৩)
প্রকাশ থাকে যে, উক্ত গাড়িখানা সম্পার্কে আমি কিংবা আমার স্থলবর্তী
পরবর্তী, উওরাধিকারী কাহারো কোনরুপ দাবী দাওয়া নাই ও রহিল।
এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে সুস্থ বুদ্ধিতে থাকিয়া অএ বিক্রয় রশিদ পএ সম্পাদন করিলাম।
স্বাক্ষীঃ বিক্রেতা/মালিকের স্বাক্ষরঃ
১।
২।
হলফনামা
আমি ………………………………………………………………………………………………………….
পিতা/স্বামীঃ……………………………………………………………………………………………………..
ঠিকানাঃ…………………………………………………………………………………………………
এই মর্মে পবিত্রতা সহকারে হলফ পূবর্ক ঘোষণা করিতেছি যে, আমার নিজ নামীয় ও স্বত দখলীয় একখানা………………………………………………………………………………………………….
রেজিস্ট্রেশন নং………………………………………………
মডেল……………………………………………
চেসিস নং…………………………………………………………………………………………………………
ইঞ্জিন নং……………………………………
অশ^শক্তি………………………………………………………………………………………….সি,সি গড়িখানা
জনাব/জনাবা……………………………………………………………………………………………………
পিতা/স্বামীঃ………………………………………………………………………………………………………
ঠিকানাঃ………………………………………………………………………………………………………….
এর নিকট………………………………………………………………………………………….টাকায় বিক্রয় করিলাম। আমার গাড়ির বিরুদ্ধে অতীতে ও বর্তমানে কোন মামলা-মোকদ্দমা নাই, যদি কোন মামলা-মোকদ্দমা থাকিয়া থাকে, তাহার জন্য আমি নিজে দায়ী থাকিব,
অপর পাতায় দ্রঃ
(পাতা নং/২)
বি, আর , টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না এবং আমার হেন কৃতকাজের জন্য বি আর টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে আমি তা মানিয়া নিব।
উক্ত গাড়িখানার মালিককানা স্বত্ব ক্রেতার অনুকূলে মালিকানা বদলি করিতে আমার কোনোরুপ আপত্তি নাই ও রহিল না।
অত্র হলফনামা আমার জানামতে সত্য ও সঠিক।
এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে সুস্থির বুদ্ধিতে থাকিয়া অত্র হলফনামায় আমার নিজ নাম দস্তখত সম্পাদন করিলাম।
………………………………………………………………..
স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষরঃ
১। প্রথম পক্ষের স্বাক্ষর
২।
দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষর
৩।
হলফকারী আমার পরিচিত। তিনি আমার সামনে দস্তখত প্রদান করিয়াছেন।
*** উপরের এই লেখাগুলো লেখার পর ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প পেপারে তিনটি পেইজ প্রিন্ট দিতে হবে। পেইজের মার্জিনে পেইজ সেটাপে উপরে ৪.৫ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখতে হবে এবং নিচের দিকে ১.৫ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখতে হবে ও দুই সাইটে ১ ইঞ্চি ১ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখলেই হবে।
বি. দ্র.: এই চুক্তিপত্রটি গাড়ি চুক্তিপত্র (Car Deed) দেখানো হলো, কিন্তু আপনি যদি মোটর সাইকেল এর চুক্তিপত্র করতে চান তাহলে গাড়ির জায়গায় মোটর সাইকেল লাগালেই হয়ে যাবে এবং মোটর সাইকেল এর তথ্যগুলো দিলেই হবে, বাকি সব ঠিক থাকবে।
ছোটবেলা থেকেই রেডিও শুনতে ভালোবাসতাম। টেপ রেকর্ডারে রেডিও শুনেই বড় হয়েছি।
ছোটবেলা থেকেই রেডিও শুনতে ভালোবাসতাম। টেপ রেকর্ডারে রেডিও শুনেই বড় হয়েছি। কিন্তু সেই টেপ রেকর্ডারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর আবার একটি ভালো মানের...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...
-
🌿রোগী কী খেতে ভালোবাসে বা অপছন্দ করে — সেখানেও লুকিয়ে থাকতে পারে গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ক্লু! 💡 ইচ্ছা–অনিচ্ছার মাধ্যমেই মিলতে পারে সঠি...