এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
ঢাকার নামকরণের ইতিহাস,,,,, ঢাকার গণপরিবহন ফেইসবুক থেকে নেওয়া
ঢাকার গণপরিবহন •
ঢাকার নামকরণের ইতিহাস রাজা বল্লাল সেন নির্মিত ঢাকেশ্বরী মন্দির নামের ঢাকা + ঈশ্বরী থেকে " ঢাকা " শব্দের উৎপত্তি । ঢাকা ( ইংরেজি : Dhaka ; ১৯৮২ সালের পূর্বে Dacca নামে লেখা হত ) বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন একটি শহর এবং বর্তমানে বাংলাদেশের রাজধানী । বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায় , খ্রিস্টিয় ৭ ম শতক থেকে ঢাকায় লোক বসবাস শুরু করে।ঢাকার সন্নিকটে বিক্রমপুরে সেনদের রাজধানী ছিল।সম্প্রতি বিক্রমপুরের " বল্লাল বাড়ি " গ্রাম থেকে বল্লাল সেনের রাজপ্রাসাদের সন্ধান পাওয়াগেছে । [ ২ ] সেন পরবর্তী যুগে ঢাকা তুর্কি ও আফগান শাসনাধীন হয় । এসময় ঢাকা দিল্লী সালতানাত নির্ধারিত শাসকদের দ্বারা শাসিত হয় । ১৬০৮ সালে ঢাকায় প্রথম মুঘলদের পা পড়ে । ১৬১০ সালে ঢাকার নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীর নগর । সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল সাম্রাজ্যে দুর্বলতা দেখা দেয়ার সময়ে আঠারো শতকের শুরুতে ঢাকা থেকে রাজধানী সরিয়ে নেয়া হয় মুর্শিদাবাদে । মুঘল পরবর্তীযুগে ঢাকা প্রায় ১৯০ বছর ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকে । পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ঢাকা পূর্ব বঙ্গের রাজধানী হিসেবে পাকিস্তানের অন্তর্গত হয় । ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ ঢাকাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয় । ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী ঢাকাকে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয় ।
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১২ শনিবার
সকাল ৭ টার সংবাদ । তারিখ : ১২-১১-২০২ খ্রি :। আজকের শিরোনাম : আওয়ামী যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত - ২০৪১ সালে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে একযোগে কাজ করতে যুবলীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আওয়ামী লীগ সভাপতির আহবান । সাভার থেকে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে আজ - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী । বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব তলানিতে ঠেকেছে - গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের । জয়বাংলা ইউথ অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর করা হবে আজ প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করবেন । - তিন দিনের সফরে আজ ঢাকা আসছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট । গুরুত্বপূর্ন নগরী খেরসন পুররুদ্ধার করেছে কিয়েভ - এই পশ্চাদপসারণ ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বিপর্যয় । এবং সাফ অনুর্ধ্ব -১৫ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়শীপের শেষ খেলায় নেপালের সঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ - ১০ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন নেপাল।
নারীদের ধ্বংসের ৮টি কারণ
নারীদের_ধ্বং*সের_৮টি_কারণ,
১. "ধ্বং*স হোক ঐসব নারী,
যারা চোখের উপরের লোম ( ভ্রুপ্লাগ) উঠায় এবং অন্যকে উঠাতে সাহায্য করে।" -সহিহ বুখারী: ৪৮৮৬)
২. "ধ্বং*স হোক তারা যারা নারী হয়েও পুরুষের বেশ ধারণ করে।" - (বুখারী, মিশকাত শরীফ: ৪৪২৯)
৩. "ধ্বং*স হোক তারা, যেসব নারী সুগন্ধি মেখে বের হলো এবং অন্য কোনো পুরুষের নাকে সেটার ঘ্রাণ গেলো, ঐ নারী ব্যাভিচারিণী।" - (সহিহুল জামে: ৪৫৪০)
৪. "ধ্বং*স হোক ঐসব নারী, যারা শরীরে উল্কি (ট্যাটু) আকেঁ এবং অন্যকেও এঁকে দেয়।" -(সহিহ মুসলিম: ২১২৫)
৫. "অভিশাপ তাদের জন্য যেসব নারী পরচুলা (আলগা চুল) পরিধান করে।" - (সহিহ বুখারী: ৪৮৮৬)
৬. "ঐসব নারী যারা স্বামীর রোজগারে অসন্তুষ্ট থাকে।" -(সহিহ বুখারী: ৬৬৫৭)
৭. "ঐসব নারী যারা না জেনেই ধারণা করে অন্যের নামে মিথ্যা অপবাদ রটায়।" - (সহিহ মুসলিম: ২৫৬৩)
৮. "ধ্বং*স ঐসব নারীদের জন্য যারা অন্যের পিছনে সমালোচনা, গিবত করতে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করে।" -(সুনানে আবু দাউদ: ৪৮৭৪)
বোন আমার এখনো সময় আছে এগুলা ছেরে দাও
আল্লাহ্ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে হিদায়াত দান করুক (আমিন )
কপি
পেস্ট
সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ
⚫ সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহঃ
সহীহ সুন্নাহ থেকে ফরজ সালাত সমাপান্তে সবার জন্য পঠিতব্য দুয়া ও জিকির সমূহ উপস্থাপন করা হল:
(1) اَللهُ أَكْبَرُ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ-
উচ্চারণ : ১. আল্লা-হু আকবার (একবার পড়বে)। আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)।
অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
📚মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মুসলিম, 📚মিশকাত হা/৯৫৯, ৯৬১ ‘ছালাত পরবর্তী যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮।]
(2) اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَ الْإِكْرَامِ.
🔘২. আল্লা-হুম্মা আন্তাস্ সালা-মু ওয়া মিন্কাস্ সালা-মু, তাবা-রক্তা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় আপনি, হে মর্যাদা ও সম্মানের মালিক’। ‘এটুকু পড়েই ইমাম উঠে যেতে পারেন’। [মুসলিম, 📚মিশকাত হা/৯৬০। উল্লেখ্য যে, শায়খ জাযারী বলেন, এই সাথে ‘ইলায়কা ইয়ারজি‘উস সালাম, হাইয়েনা রববানা বিস সালা-ম, ওয়া আদখিলনা দা-রাকা দা-রাস সালাম…’-বৃদ্ধি করার কোন ভিত্তি নেই। এটি কোন গল্পকারের সৃষ্টি। -মিশকাত আলবানী হা/৯৬১-এর টীকা দ্র:।]
এই সময় তিনি তাঁর স্থান থেকে একটু সরে গিয়ে সুন্নাত পড়বেন, যাতে দুই স্থানের মাটি ক্বিয়ামতের দিন তার ইবাদতের সাক্ষ্য দেয়।
যেমন আল্লাহ বলেন,
يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا
‘ক্বিয়ামতের দিন মাটি তার সকল বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে’।[📚যিলযাল ৯৯/৪; নায়ল ৪/১০৯-১০ পৃঃ]
وَعَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ: كَانَ يَقُولُ فِىْ دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ مَكْتُوبَةٍ: لَا إِلهَ إِلَّا اللّهُ وَحْدَه لَا شَرِيْكَ لَه لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ اَللّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব ফরয সলাতের পরে এ দু‘আ পড়তেনঃ ‘‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, আল্ল-হুম্মা লা- মা-নি‘আ লিমা- আ‘ত্বয়তা, ওয়ালা- মু‘ত্বিয়া লিমা- মানা‘তা, ওয়ালা- ইয়ানফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ’’
(অর্থাৎ আল্লাহ ভিন্ন কোন উপাস্য নেই। তিনি অদ্বিতীয়। তাঁর কোন অংশীদার নেই! রাজত্ব একমাত্র তারই এবং সব প্রশংসা একমাত্র তাঁর জন্যে। তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো, কেউ নেই তা ফিরাবার। আর যা তুমি দান করতে বারণ করো, কেউ নেই তা দান করার। ধনবানকে ধন-সম্পদে পারবে না কোন উপকার করতে আপনার আক্রোশ-এর সামনে)।
📚মিশকাতুল মিসাবীহ,৯৬২ সহিহ : বুখারী ৮৪৪, মুসলিম ৫৯৩।)
وَعَن عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ إِذَا سَلَّمَ مِنْ صَلَاتِه يَقُولُ بِصَوْتِهِ الْأَعْلى: لَا إِلهَ إِلَّا اللّهُ وَحْدَه لَا شَرِيْكَ لَه لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّهِ، لَا إِلهَ إِلَّا اللهُ وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلهَ إِلَّا اللّهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَو كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
অধ্যায়ঃ পর্ব-৪ঃ সলাত (كتاب الصلاة)
হাদিস নম্বরঃ ৯৬৩
🔘‘আবদুল্লাহ ইবনুয্ যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সলাতের সালাম ফিরানোর পর উচ্চকণ্ঠে বলতেন,
‘‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, লা- হাওলা ওয়ালা- ক্যুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ, লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা- না‘বুদু ইল্লা- ঈয়্যাহু, লাহুন্ নি‘মাতু, ওয়ালাহুল ফাযলু, ওয়ালাহুস্ সানা-উল হাসানু, লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলিসীনা লাহুদ্দীন, ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন’’
(অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোন মা‘বূদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর এবং তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাশীল। কোন অন্যায় ও অনিষ্ট হতে মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় নেই এবং কোন সৎ কাজ করারও ক্ষমতা নেই একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া। আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোন মা‘বূদ নেই, আমরা একমাত্র তাঁরই ‘ইবাদাত করি, যাবতীয় নি‘আমাত ও অনুগ্রহ একমাত্র তাঁরই পক্ষ থেকে এবং উত্তম প্রশংসাও তাঁর। আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোন মা‘বূদ নেই। আমরা তাঁর দেয়া জীবন বিধান একমাত্র তাঁর জন্য একনিষ্ঠভাবে মান্য করি, যদিও কাফিরদের নিকট তা অপ্রীতিকর।)।
📚মুসলিম ৫৯৪, يَقوْلُ بِصَوْيَه لْأَ عْلى শব্দটি মুসনাদে শাফি‘ঈর। কিন্তু সহীহ মুসলিমের শব্দ হলো يهلل بهن।
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَال أَخَذَ بِيَدِه رَسُوْلُ اللهِ ﷺ فَقَالَ إِنِّيْ لَاحِبُّكَ يَا مُعَاذُ فَقُلْتُ وَاَنَا اُحِبُّكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ قَالَ فَلَا تَدَعْ اَنْ تَقُوْلَ فِـىْ دُبُرِ كُلِّ صَلَوةٍ رَبِّ أَعِنِّيْ عَلـى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ . رَوَاهُ أَحْمَدُ وأَبُوْ دَاوٗدَ وَالنَّسَائِـيُِّ اِلَّا اَنَّ اَبَا دَاؤُدَ لَمْ يَذْكُرْ قَالَ مُعَاذُ وَّاَنَا اُحِبُّكَ
গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
অধ্যায়ঃ পর্ব-৪ঃ সলাত (كتاب الصلاة)
হাদিস নম্বরঃ ৯৪৯
🔘মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে বললেন, হে মু‘আয! আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমিও সবিনয়ে নিবেদন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমিও আপনাকে ভালোবাসি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি প্রত্যেক সলাতের পর এ দু‘আ পাঠ করতে ভুল করো নাঃ ‘‘রব্বি আ‘ইন্নী ‘আলা- যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবা-দাতিকা।’’ (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার যিকর, শুকর ও উত্তমরূপে ‘ইবাদাত করতে সাহায্য কর)। (আহমাদ, আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)কিন্তু আবূ দাঊদ, ‘‘ক্ব-লা মু‘আ-যুন ওয়া আনা- উহিব্বুকা’’ বাক্য বর্ণনা করেননি।
(4) رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَّبِالْإِسْلاَمِ دِيْنًا وَّبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا-
🔘৪. রাযীতু বিললা-হে রববাঁও ওয়া বিল ইসলা-মে দীনাঁও ওয়া বিমুহাম্মাদিন্ নাবিইয়া।
অর্থ: আমি সন্তুষ্ট হয়ে গেলাম আল্লাহর উপরে প্রতিপালক হিসাবে, ইসলামের উপরে দ্বীন হিসাবে এবং মুহাম্মাদের উপরে নবী হিসাবে’।
রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেন,
যে ব্যক্তি এই দো‘আ পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে’।[📚আবুদাঊদ হা/১৫২৯, ‘ছালাত’ অধ্যায়-২, ‘ক্ষমা প্রার্থনা’ অনুচ্ছেদ-৩৬১ ]
(5) اَللَّهُمَّ إِنِّىْ أَعُوْذُبِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَأَعُوْذُبِكَ مِنْ الْبُخْلِ وَأَعُوْذُبِكَ مِنْ أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوْذُبِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَ عَذَابِ الْقَبْرِ-
🔘৫. আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল জুব্নে ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লে ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন আরযালিল ‘উমুরে; ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ ফিৎনাতিদ দুন্ইয়া ওয়া ‘আযা-বিল ক্বাবরে।
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! (১) আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি ভীরুতা হ’তে (২) আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা হ’তে (৩) আশ্রয় প্রার্থনা করছি নিকৃষ্টতম বয়স হ’তে এবং (৪) আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়ার ফিৎনা হ’তে ও (৫) কবরের আযাব হ’তে’।
📚বুখারী, 📚মিশকাত হা/৯৬৪। সহিহ ]
(6) اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ -
🔘৬. আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল হাম্মে ওয়াল হাযানে ওয়াল ‘আজঝে ওয়াল কাসালে ওয়াল জুবনে ওয়াল বুখলে ওয়া যালা‘ইদ দায়নে ওয়া গালাবাতির রিজা-লে।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ-বেদনা হ’তে, অক্ষমতা ও অলসতা হ’তে, ভীরুতা ও কৃপণতা হ’তে এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের যবরদস্তি হ’তে’।
মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, 📚মিশকাত হা/২৪৫৮(সহিহ) ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯, ‘আশ্রয় প্রার্থনা’ অনুচ্ছেদ-৮।]
(7) سُبْحَانَ اللهِ وَ بِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَ رِضَا نَفْسِهِ وَ زِنَةَ عَرْشِهِ وَ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ-
🔘৭. সুবহা-নাল্লা-হে ওয়া বেহাম্দিহী ‘আদাদা খাল্ক্বিহী ওয়া রিযা নাফ্সিহী ওয়া ঝিনাতা ‘আরশিহী ওয়া মিদা-দা কালেমা-তিহ (৩ বার)।
অর্থ : মহাপবিত্র আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তাঁর জন্য। তাঁর সৃষ্টিকুলের সংখ্যার সমপরিমাণ, তাঁর সত্তার সন্তুষ্টির সমপরিমাণ এবং তাঁর আরশের ওযন ও মহিমাময় বাক্য সমূহের ব্যাপ্তি সমপরিমাণ।
মুসলিম, 📚মিশকাত হা/২৩০১ (সহিহ) ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়, ‘তাসবীহ ও হামদ পাঠের ছওয়াব’ অনুচ্ছেদ-৩; 📚আবুদাঊদ হা/১৫০৩।]
(8) يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِيْنِكَ، اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوْبِ صَرِّفْ قُلُوْبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ-
🔘৮. ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূবে ছাবিবত ক্বালবী ‘আলা দ্বীনিকা, আল্লা-হুম্মা মুছারিরফাল কবুলূবে ছাররিফ ক্বুলূবানা ‘আলা ত্বোয়া-‘আতিকা।
অর্থ : হে হৃদয় সমূহের পরিবর্তনকারী! আমার হৃদয়কে তোমার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখো’। ‘হে অন্তর সমূহের রূপান্তরকারী! আমাদের অন্তর সমূহকে তোমার আনুগত্যের দিকে ফিরিয়ে দাও’।[তিরমিযী, ইবনু মাজাহ,
📚মিশকাত হা/১০২ ‘ঈমান’ অধ্যায়-১, ‘তাক্বদীরের প্রতি বিশ্বাস’ অনুচ্ছেদ-৩;📚 মুসলিম, মিশকাত হা/৮৯। ]
(9) اَللَّهُمَّ أَدْخِلْنِىْ الْجَنَّةَ وَ أَجِرْنِىْ مِنَ النَّارِ-
🔘৯. আল্লা-হুম্মা আদখিলনিল জান্নাতা ওয়া আজিরনী মিনান্ না-র (৩ বার)।
অর্থ : হে আল্লাহ তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দাও! [ 📚তিরমিযী, নাসাঈ, 📚মিশকাত হা/২৪৭৮ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯, ‘আশ্রয় প্রার্থনা’ অনুচ্ছেদ-৮।]
(10) اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى-
🔘১০. আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াত তুক্বা ওয়াল ‘আফা-ফা ওয়াল গিণা।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকটে সুপথের নির্দেশনা, পরহেযগারিতা, পবিত্রতা ও সচ্ছলতা প্রার্থনা করছি।
📚মুসলিম, 📚মিশকাত হা/২৪৮৪ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯,
(11) سُبْحَانَ اللهِ، اَلْحَمْدُ ِللهِ، اَللهُ أَكْبَرُ، لآ إلهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ-
🔘১১. সুবহা-নাল্লা-হ (৩৩ বার)। আলহাম্দুলিল্লা-হ (৩৩ বার)। আল্লাহু-আকবার (৩৩ বার)। লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা শারীকা লাহূ; লাহুল মুল্কু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লে শাইয়িন ক্বাদীর (১ বার)। অথবা আল্লা-হু আকবার (৩৪ বার)।
অর্থ : পবিত্রতাময় আল্লাহ। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। নেই কোন উপাস্য একক আল্লাহ ব্যতীত; তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব ও তাঁরই জন্য যাবতীয় প্রশংসা। তিনি সকল কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী।[ মুসলিম,📚 মিশকাত হা/৯৬৬, ৯৬৭, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ছালাত পরবর্তী যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮।]
গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
অধ্যায়ঃ পর্ব-৪ঃ সলাত (كتاب الصلاة)
হাদিস নম্বরঃ ৯৬৬
৯৬৬-[৮] কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতি ফরয সলাতের পর পাঠ করার মতো কিছু কালিমাহ্ আছে যেগুলো পাঠকারী বা ‘আমালকারী বঞ্চিত হয় না। সে কালিমাগুলো হলোঃ ‘সুবহা-নাল্ল-হ’ তেত্রিশবার, ‘আলহামদু লিল্লাহ’ তেত্রিশবার ও ‘আল্ল-হু আকবার’ চৌত্রিশবার করে পড়া।
সহীহ : মুসলিম ৫৯৬।
✍গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
অধ্যায়ঃ পর্ব-৪ঃ সলাত (كتاب الصلاة)
হাদিস নম্বরঃ ৯৬৭
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে লোক প্রত্যেক সলাতের শেষে ‘সুবহা-নাল্ল-হ’ তেত্রিশবার, ‘আলহামদু লিল্লা-হ’ তেত্রিশবার এবং ‘আল্ল-হু আকবার’ তেত্রিশবার পড়বে, যার মোট সংখ্যা হবে নিরানব্বই বার, একশত পূর্ণ করার জন্যে একবার ‘‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর’’ (অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত সত্যিকার কোন উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সমগ্র রাজত্ব একমাত্র তাঁরই ও সকল প্রকারের প্রশংসা তাঁরই জন্য এবং তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান।) পাঠ করবে, তাহলে তার সব পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে, যদি তা সাগরের ফেনারাশির সমানও হয়।
📚মুসলিম ৫৯৭ সহিহ ।
✍গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
অধ্যায়ঃ পর্ব-১০. আল্লাহ তা‘আলার নামসমূহ (كتاب اسماء الله تعالٰى)
হাদিস নম্বরঃ ২৩৮৭
রাসূলুল্লাহ (সা:) প্রত্যেক ছালাতের শেষে সূরা ‘ফালাক্ব’ ও ‘নাস’ পড়ার নির্দেশ দিতেন।
📚আহমাদ, আবুদাঊদ, নাসাঈ, 📚মিশকাত হা/৯৬৯, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ছালাত পরবর্তী যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮।
⚫রাসুল (সা:) প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার সময় সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস পড়ে দু’হাতে ফুঁক দিয়ে মাথা ও চেহারাসহ সাধ্যপক্ষে সমস্ত শরীরে হাত বুলাতেন। তিনি এটি তিনবার করতেন।
📚মুত্তাফাকুন আলাইহি।
Abdul Hi Muhammad Saifullah
১০২ সুরা তাকাসুর,,,,,, প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ১
أَلْهَىٰكُمُ ٱلتَّكَاثُرُ
উচ্চারণঃ আলহা-কুমুত্তাকা-ছু র।
অর্থঃ প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে,
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ২
حَتَّىٰ زُرْتُمُ ٱلْمَقَابِرَ
উচ্চারণঃ হাত্তা-ঝুরতুমুল মাকা-বির।
অর্থঃ এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌছে যাও।
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ৩
كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ
উচ্চারণঃ কাল্লা-ছাওফা তা‘লামূন।
অর্থঃ এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ৪
ثُمَّ كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ
উচ্চারণঃ ছু ম্মা কাল্লা-ছাওফা তা‘লামূন।
অর্থঃ অতঃপর এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ৫
كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ ٱلْيَقِينِ
উচ্চারণঃ কাল্লা-লাও তা‘লামূনা ‘ইলমাল ইয়াকীন।
অর্থঃ কখনই নয়; যদি তোমরা নিশ্চিত জানতে।
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ৬
لَتَرَوُنَّ ٱلْجَحِيمَ
উচ্চারণঃ লাতারাউন্নাল জাহীমা
অর্থঃ তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে,
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ৭
ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيْنَ ٱلْيَقِينِ
উচ্চারণঃ ছু ম্মা লাতারাউন্নাহা-‘আইনাল ইয়াকীন।
অর্থঃ অতঃপর তোমরা তা অবশ্যই দেখবে দিব্য প্রত্যয়ে,
সূরা তাকাসুর (التكاثر), আয়াত: ৮
ثُمَّ لَتُسْـَٔلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ ٱلنَّعِيمِ
উচ্চারণঃ ছু ম্মা লাতুছআলুন্না ইয়াওমাইযিন ‘আনিন্না‘ঈম।
অর্থঃ এরপর অবশ্যই সেদিন তোমরা নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
,,,,,,,,,
knowledge-hill.blogspot.com
১০৩ সূরা আছর,,,, সময়,,,,
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আছর (العصر), আয়াত: ১
وَٱلْعَصْرِ
উচ্চারণঃ ওয়াল ‘আসর।
অর্থঃ কসম যুগের (সময়ের),
সূরা আছর (العصر), আয়াত: ২
إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ لَفِى خُسْرٍ
উচ্চারণঃ ইন্নাল ইনছা-না লাফী খুছর।
অর্থঃ নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;
সূরা আছর (العصر), আয়াত: ৩
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلْحَقِّ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلصَّبْرِ
উচ্চারণঃ ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি ওয়া তাওয়া-সাওবিল হাক্কি ওয়া তাওয়া-সাও বিসসাবরি।
অর্থঃ কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।
,,,,,,,,,
১০৪ সূরা হুমাযাহ,,,,, পরনিন্দাকারী,,,,,
সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ১
وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ
উচ্চারণঃ ওয়াইলুলিলকুল্লি হুমাঝাতিল লুমাঝাহ ।
অর্থঃ প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ২
ٱلَّذِى جَمَعَ مَالًا وَعَدَّدَهُۥ
উচ্চারণঃ আল্লাযী জামা‘আ মা-লাওঁ‘ওয়া ‘আদ্দাদাহ।
অর্থঃ যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৩
يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُۥٓ أَخْلَدَهُۥ
উচ্চারণঃ ইয়াহছাবুআন্না মা-লাহূআখলাদাহ।
অর্থঃ সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৪
كَلَّا لَيُنۢبَذَنَّ فِى ٱلْحُطَمَةِ
উচ্চারণঃ কাল্লা-লাইউমবাযান্না ফিল হুতামাহ।
অর্থঃ কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৫
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْحُطَمَةُ
উচ্চারণঃ ওয়ামাআদরা-কা মাল হুতামাহ।
অর্থঃ আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৬
نَارُ ٱللَّهِ ٱلْمُوقَدَةُ
উচ্চারণঃ না-রুল্লা-হিল মূকাদাহ
অর্থঃ এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৭
ٱلَّتِى تَطَّلِعُ عَلَى ٱلْأَفْـِٔدَةِ
উচ্চারণঃ আল্লাতী তাত্তালি‘উ আলাল আফইদাহ।
অর্থঃ যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে।
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৮
إِنَّهَا عَلَيْهِم مُّؤْصَدَةٌ
উচ্চারণঃ ইন্নাহা-‘আলাইহিম মু’সাদাহ
অর্থঃ এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে,
সূরা হুমাযাহ (الهمزة), আয়াত: ৯
فِى عَمَدٍ مُّمَدَّدَةٍۭ
উচ্চারণঃ ফী ‘আমাদিম মুমাদ্দাদাহ ।
অর্থঃ লম্বা লম্বা খুঁটিতে।
,,,,,,,,,
১০৫ সূরা ফীল,,,, হাতি,,,
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা ফীল (الفيل), আয়াত: ১
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَٰبِ ٱلْفِيلِ
উচ্চারণঃ আলাম তারা কাইফা ফা‘আলা রাব্বুকা বিআসহা-বিল ফীল।
অর্থঃ আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন?
সূরা ফীল (الفيل), আয়াত: ২
أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِى تَضْلِيلٍ
উচ্চারণঃ আলাম ইয়াজ‘আল কাইদাহুম ফী তাদলীল
অর্থঃ তিনি কি তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেননি?
সূরা ফীল (الفيل), আয়াত: ৩
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ
উচ্চারণঃ ওয়া আরছালা ‘আলাইহিম তাইরান আবা-বীল।
অর্থঃ তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখী,
সূরা ফীল (الفيل), আয়াত: ৪
تَرْمِيهِم بِحِجَارَةٍ مِّن سِجِّيلٍ
উচ্চারণঃ তারমীহিম বিহিজা-রাতিম মিন ছিজ্জীল।
অর্থঃ যারা তাদের উপর পাথরের কংকর নিক্ষেপ করছিল।
সূরা ফীল (الفيل), আয়াত: ৫
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَّأْكُولٍۭ
উচ্চারণঃ ফাজা‘আলাহুম কা‘আসফিম মা’কূল।
অর্থঃ অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।
,,,,,,,,,,,
ভন্ড বাবা 2022/11/12_03:25 AM
কিছুক্ষণ আগে টাইম যখন ৩ঃ২৫ এ এম তখন একটা নম্বর +8801735283453 থেকে কল আসে কর্কশ কন্ঠে কথা বলে কিছু নাবলে কেটে দেয়,,, +8801735283453 এই নম্বরে কল ব্যাক করলে ,,,,
বলে "কল কেটে দিলি কেনো বাবা,,,,
আমি কিছু বুঝতে পারলাম না ,,,
তাই নম্বর টা শেয়ার করলাম
বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...