এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৮ শুক্রবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(১৮-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* প্রতিহিংসার রাজনীতির হোতা বিএনপি - বললেন ওবায়দুল কাদের।
* বিএনপি বিশৃংখলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করলে জনগণই তাদের বিতারিত করবে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* নতুন দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক - আলোচনায় প্রাধান্য পেল সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু।
* বর্তমান সরকার গারো, চাকমা, মারমা বাঙালিসহ সকলের সমান উন্নয়নে কাজ করছে - বলেছেন কৃষিমন্ত্রী।
* ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ৫৩-তম সমাবর্তন আগামীকাল।
* যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপণ করলো উত্তর কোরিয়া।
* পাকিস্তানে মিনিবাস খাদে পড়ে নিহত ২০।
* এবং আর একদিন পর শুরু হচ্ছে জমজমাট ক্রীড়া আসর বিশ^কাপ ফুটবল -বিভিন্ন দেশের শ্রেষ্ঠ ফুটবলাররা আসতে শুরু করেছেন কাতারের মাঠে।
সংবাদ পরিক্রমা বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৮ শুক্রবার
বিশৃঙ্খলা করলে জনগণই বিএনপিকে প্রতিহত করবে - তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, বিএনপির উস্কানিমূলক বক্তব্যের পরও আমাদের দলকে সংযত আচরণ করার জন্য আমরা নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু ঢাকা শহর কিংবা দেশের অন্য কোনো জায়গায় বিশৃঙ্খলা করলে জনগণই বিএনপিকে প্রতিহত করবে।
তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা বিএনপি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হয়েছে। শেখ হেলাল এমপি’র জনসভায় হামলা করে বেশ কয়েকজন মানুষকে হত্যা করেছিল তারা, আহসান উল্লাহ মাস্টার, ড. এস এম কিবরিয়া এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভাসহ আমাদের সভা-সমাবেশের ওপর বারবার বিএনপি বোমা ও গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। কিন্তু আমরা যখন ক্ষমতায় বিএনপির সমাবেশে একটি পটকাও ফুটে নাই। তারা যাতে সুন্দরভাবে সমাবেশ করতে পারে সেই ব্যবস্থাই সরকার সবসময় নিয়েছে।
শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে ৫৭ তম চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসের জারুল তলায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যশেষে ‘হেফাজতের মত বিএনপিকে দমন করা যাবে না’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শিরীণ আখতার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন। অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা বিএনপিকে কখনো দমন করার নীতি অবলম্বন করিনি। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন আমাদেরকে কোনো সমাবেশ করতে দেয়া হতো না। আমাদের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুইপাশে কাঁটাতারের বেড়া থাকতো। সেই বেড়ার বাইরে আমরা যেতে পারতাম না।
বিশ^বিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে ড. হাছান বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপ্তি এবং সুনাম নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুধু পাঠদান ও ডিগ্রি প্রদান নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে জ্ঞানের চর্চা করা এবং সেই জ্ঞানের চর্চার সাথে বিশ্বাঙ্গনের যোগসূত্র ঘটনো। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৭ বছরের পথ চলার পর আজকে ভাবতে হবে জ্ঞানচর্চার সাথে বিশ্বাঙ্গনের সংযোগ কতটুকু করতে পেরেছে এবং আর কতটুকু করা প্রয়োজন। বিশ্বময় যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দিতে হয় তাহলে কয়েকটি কার্যক্রম গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একটি বাৎসরিক ক্যালেন্ডার করে এখানে আন্তর্জাতিক সেমিনার-শিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা। সেখানে কোনটা ন্যাশনাল এবং কোনটা ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার-সিম্পোজিয়াম হবে সেটা ঠিক করা। তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়বে, অন্যথায় ছড়িয়ে পড়বে না। আরেকটি আমার প্রস্তাবনা থাকবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কোয়ালিটিপূর্ণ জার্নাল যদি নিয়মিত প্রকাশ পায় এবং সেই জার্নালে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে সেখানে গবেষণালব্ধ আর্টিকেল ছাপানো হয় এবং সে জার্নালটা যদি আন্তর্জাতিক মানের প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব এবং মর্যাদাটাকে বাড়াবে। বিশাঙ্গনের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ হবে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য এখন অবকাঠামগত উন্নয়নের দিকে আমাদের সবার নজরটা বেশি। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন নয়। অবশ্যই অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত উন্নয়ন হচ্ছে পাঠদান ও জ্ঞানের চর্চার উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুমাত্রিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক চর্চার উন্নয়ন। সেটির মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন নির্ভর করে।
চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে সংস্কৃতির চর্চা আরো বাড়ানো প্রয়োজন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এখানে আসার সময় একটি ছোট্ট মানববন্ধন দেখেছি, চারুকলা ডিপার্টমেন্টকে এখানে ফিরিয়ে আনার জন্য। আমি মনে করি চারুকলা ডিপার্টমেন্টকে একেবারে এই ক্যাম্পাস থেকে সবকিছু গুটিয়ে শহরে পাঠিয়ে দেয়া একটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল, এটি আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আমি উপাচার্যের সাথে আলাপ করেছি অন্তত মাস্টার্স ডিপার্টমেন্টটা আপাতত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলে আসতে পারে এবং অনার্স ডিপার্টমেন্টটা শহরের ক্যাম্পাসে থাকতে পারে। এখানে অবকাঠামোগত কিছু সমস্যা রয়েছে, সেটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেখবে।
তিনি বলেন, যদি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চারুকলা না থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় বর্ণময় কিভাবে হবে। শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে চারুকলা, আমি এটির পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছি। এই বিশ্ববিদ্যালয় আরো বর্ণময় হোক, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে বিশ্বাঙ্গনেও পরিচিত লাভ করুক। জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চারও একটি পাদপীঠ হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
এরপর চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াকালীন অবস্থান করা সোহরাওয়ার্দি হলে যান। সেখানে যেই কক্ষে তিনি থাকতেন সেখানে অবস্থানরত বর্তমান শিক্ষার্থীদের সাথে কিছু সময় কাটান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রধান মন্ত্রীর সাবেক মূখ্য সচিব আবদুল করিম, সাধিারন সম্পাদক ও চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ, চাকসুর সাবেক ভিপি মাজহারুল হক শাহ ও নাজিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া।
ইসলামের বিজয় আমর বিল মা'রুফ ও নাহি আনিল মুরকার (তথা দাওয়াত ও তাবলীগ) এর মাঝে নিহিত,,,,,,,,, চাচা মেসবাহ উদ্দিনের ফেইসবুক থেকে
ইসলামের বিজয় আমর বিল মা'রুফ ও নাহি আনিল মুরকার (তথা দাওয়াত ও তাবলীগ) এর মাঝে নিহিতঃ
হযরত আয়েশা (রাযিঃ) বলেন, একদিন হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে তশরীফ আনলেন, আমি তাঁর চেহারা মোবারকের দিকে লক্ষ্য করে বুঝতে পারলাম, নিশ্চয় গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যাপার দেখা দিয়েছে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারও সাথে কোন কথাবার্তা না বলে ওযু করে মসজিদে তশরীফ নিয়ে গেলেন। আমি তাঁর কথা শুনার জন্য ঘরের দেওয়ালে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে গেলাম। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের মিম্বরে তশরীফ রাখলন। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা বর্ণনা করে এরশাদ করলেনঃ “হে লোকসকল! আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করতে থাক, অন্যথায় এমন সময় হয়ত এসে পড়বে যখন তোমরা দোয়া করবে কিন্তু তা কবুল করা হবে না, তোমরা সওয়াল করবে কিন্তু তা পূরণ করা হবে না, তোমরা শত্রুর বিরুদ্ধে আমার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করবে কিন্তু আমি তোমাদেরকে সাহায্য করব না।”
হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই পবিত্র কথা কয়টি বলে মিম্বর থেকে নেমে আসলেন।
(তারগীব: ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)
এই বিষয়টির প্রতি যেন ঐ সকল লোক বিশেষভাবে লক্ষ্য করেন, যারা শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য দ্বীনি বিষয়সমূহে অবহেলা ও শিথিলতার উপর জোর দিয়ে থাকেন। কেননা, এই হাদীসেই প্রমাণ রয়েছে যে, মুসলমানদের সাহায্য একমাত্র দ্বীনের মজবুতীর উপরই নির্ভর করে।
বিশিষ্ট বুযুর্গ সাহাবী হযরত আবু দারদা (রাযিঃ) বলেন, তোমরা সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করতে থাক। অন্যথায় তোমাদের উপর আল্লাহ তায়ালা এমন জালেম বাদশাহ নিযুক্ত করে দিবেন, যে তোমাদের বড়দের সম্মান করবে না, তোমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করবে না।
ঐ সময় তোমাদের বুযুর্গ ব্যক্তিগণ দোয়া করবেন কিন্তু তা কবুল হবে না, তোমরা সাহায্য কামনা করবে কিন্তু সাহায্য করা হবে না। তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করবে কিন্তু ক্ষমা করা হবে না।
স্বয়ং আল্লাহ পাক এরশাদ করছেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ
অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহর দ্বীনের সাহায্য কর, তাহলে আল্লাহ পাকও তোমাদের সাহায্য করবেন এবং শত্রুর মোকাবেলায় তোমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখবেন। (সূরা মুহাম্মদ, আয়াতঃ ৭)
অন্য আয়াতে এরশাদ হয়েছে:
إِنْ يَنصُرْكُمُ ٱللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمْ ۖ
অর্থঃ যদি আল্লাহ পাক তোমাদেরকে সাহায্য করেন, তবে তোমাদের উপর কেউ জয়লাভ করতে পারবে না। আর যদি তিনি তোমাদেরকে সাহায্য না করেন, তাহলে আর কে আছে যে, তোমাদেরকে সাহায্য করতে পারে? আর মুমিনদের একমাত্র আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত।
(সূরা আলি ইমরান, আয়াতঃ ১৬০)
‘দুররে মাসূর’ কিতাবে তিরমিযী শরীফের সূত্রে হযরত হুযাইফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কসম খেয়ে এই কথা বলেছেন যে, তোমরা সৎকাজে আদেশ ও
অসৎকাজে নিষেধ করতে থাক, অন্যথায় আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর স্বীয় আজাব নাযিল করে দিবেন। তখন তোমরা দোয়া করলেও দোয়া কবুল হবে না।
আমার বুযুর্গ বন্ধুগণ! এখানে এসে প্রথমে চিন্তা করুন, আমরা আল্লাহ তায়ালার কি পরিমাণ নাফরমানী করছি? তখন বুঝে আসবে যে, কেন আমাদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে এবং কেনই বা আমাদের দোয়া কবুল হচ্ছে না। আমরা কি উন্নতির বীজ বপন করছি, না অবনতির?
[ফাজায়ে তাবলীগ-২৮)
কপি
পেস্ট
শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২
অপ্রেম অধ্যায় ফেইসবুক থেকে নেওয়া
বাসর রাতে আমার,স্বামীর পরিবর্তে আমার শাশুড়ী আমার সাথে ঘুমাবে।কথা'টা শুনে বেশ অবাক হলাম আমি'।আমার সামনে'ই মাথা নিচু করে,বসে আছেন।আমার শাশুড়ী।তার মুখে,ভয়ের ছাপ স্পষ্ট'।উনি আমাকে কিছু বলতে চাইছেন।হয়তো ভেতর জড়তা কাজ করছে।তাই বলতে সংকোচ বোধ করছেন'।একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার হাত দু'টি ধরে বললেন।
--তানহা মা' তুমি আমাকে মাফ করে দাও।আমি তোমার জ্বালা কমিয়ে দেওয়া'র বদলে,আরো বাড়িয়ে দিলাম।ভেবেছিলাম ছেলেটা'কে আমার বিয়ে দিলে,ঠিক হয়ে যাবে।কিন্তু ইফাদ এমন একটা কাজ করে বসবে।আমি কল্পনা-ও করতে পারি নাই।তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।আমি তোমার জীবনটা নষ্ট করে দিলাম'।
আমি অধীর আগ্রহে উনার দিকে তাকিয়ে আছি'।উনি কি করে,আমার জীবনটা নষ্ট করে দিলেন।বিষয়টা আমাকে খুব করে ভাবাচ্ছে'।উনি তো আমাকে মৃত্যুপুরী থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছেন।তার জন্য উনার কাছে আমি সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।আমি মাথা নিচু করে উত্তর দিলাম'।
--আপনি আমাকে মৃত্যুপুরী থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছেন।আমাকে নতুন জীবন দিয়েছেন'।আমাকে এত সুন্দর জীবন উপহার দেওয়া'র জন্য,আমি সারাজীবন আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব'।
আমার শাশুড়ী কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বললেন'।
--ইফাদ আজ বিয়ে শেষ করে,প্রবাসে চলে গেছে'।আমি জোর করে,ওকে বিয়ে দিয়ে ঠিক করি নি'।পাঁচ বছর পরে ছেলে আমার দেশে আসছিল'।ছয়টা মাস থাকতে-ই পারল না।আবার আমার ওপরে রাগ করে চলে গেল'।আমার উচিৎ হয় নাই।ইফাদ'কে জোর করে বিয়ে দাওয়া।তার থেকে বড়কথা আমি তোমার জীবনটা নষ্ট করে দিলাম।তোমার কষ্টময় জীবনটা'য় আরো একটু বিষ ভরে দিলাম'।এখন সমাজের মানুষ তোমাকে পেয়ে বসবে।নানান কটু কথা শোনাবে'।আমি তোমার ভালো করতে গিয়ে,খারাপ করে ফেললাম তানহা।
বিয়ে নিয়ে একটা মেয়ের কত স্বপ্ন থাকে।অনেক আশা থাকে।ইচ্ছে থাকে'।তানহার-ও ছিল।ইচ্ছে ছিল।যেদিন মৃত্যুপুরী থেকে মুক্তি পাবে।আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করবে'।তবে তার মুক্তি এত তাড়াতাড়ি হবে।তানহা কখনো ভাবতে পারে নাই'।তানহার শাশুড়ী যখন তনহার জন্য বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিল।বাসায় প্রতিটি মানুষের রুপ বদলে গিয়েছিল।সময়ের তাগিদে চিনা মুখ গুলো।হয়ে উঠলো অচেনা না।ছেলে প্রবাসী।অনেক টাকা মালিক।তানহার বিয়েতে তানহার চাচি এক কথায় রাজি হয়ে যায়।তনহা-ও প্রহর গুনতে থাকে।কবে সে মুক্তি পাবে।স্বামী সংসারে গিয়ে,সবকিছু নিজের মতো সাজিয়ে নিবে।সবাইকে অনেক ভালোবাসবে।স্বামী মানুষটিকে নিয়ে,অনেক স্বপ্ন বুনেছিল মনে,যখন শুনল তার স্বামী তাকে বিয়ে করে'ই প্রবাসে চলে গেছে।শুনে অন্তর আত্মা কেঁপে উঠলো'।নিমিষেই সব স্বপ্ন চোখের সামনে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো'।তবে কি' তার ভাগ্য এতটাই খারাপ।আল্লাহ কি তার ভাগ্যে সুখ নামক অধ্যায়টি লিখতে ভুলে গিয়েছিল'।সেজন্য তানহার কপালে এত দুঃখ কষ্ট।ভাবতেই নোনাজল গড়িয়ে পড়ল চোখ থেকে'।সে,আর কিছু ভাবতে পারছে না।তানহা কান্না করছে দেখে।তানহার শাশুড়ী তানহার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন।
--কান্না করো না মা'।তোমার এই মা যতদিন তোমার কাছে আছে।কেউ তোমার মন ছুঁইয়ে কষ্ট দিতে পারবে না।ইফাদকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমার'।
তানহা মাথা নিচু করে বসে আছে।কোনো উত্তর করছে না।তানহার শাশুড়ী রোকেয়া বেগম,তানহাকে ওয়াশরুম দেখিয়ে দিলেন।হাতে কালো রংয়ের একটা শাড়ি ধরিয়ে দিয়ে বললেন'।
--বিয়ের শাড়ি বদলে ফেলো'।এভাবে আর কতক্ষণ বসে থাকবে'।তানহা বিনাবাক্যে শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো'।ওয়াশরুমে এসে নিজের কান্না কিছুতে'ই আটকে রাখতে পারল না।অঝোরে কান্না করে দিল।ওয়াশরুম থেকে ফোঁপানির আওয়াজ শুনতে পেয়ে,রোকেয়া বেগম দীর্ঘশ্বাস ছাড়ালেন'।ঘড়ির কাটা বারোটা ছুঁই ছুঁই'।তানহা কালো রংয়ের শাড়ি পড়ে ওয়াশরুম থেকে বেড়িয়ে আসলো'।ফর্সা শরীরটা'য় কালো রংটা একটু বেশি জ্বলজ্বল করছে।রোকেয়া বেগম তানহার দিকে তাকিয়ে বললেন মাশাল্লাহ'।আফসোসের সুরে বললেন'।
--তুই কেনো তানহার মুখটা দেখলি না ইফাদ'।আমি আত্নবিশ্বাস নিয়ে বলতে পারি।তুই তানহা'র মুখের দিকে একবার তাকিয়ে দেখলে,কখনো তানহা'কে ছেড়ে চলে যেতি না।এতবড় ভুল কেনো করলি'।তুই একদিন ঠিক বুঝবি মা' ভুল করে নি'।তানহাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তানহা'র শাশুড়ী বললেন'।
--দাঁড়িয়ে আছো কেনো মা'।আমার পাশে এসে শুইয়ে পড়।অনেক রাত হয়েছে'।কষ্ট পেও না।মা আছে না,সবকিছু ঠিক করে দিবেন।তানহা কোনো কথা বলল না।চুপচাপ শুইয়ে পড়ল।তানহা'র শাশুড়ী তানহা'র মাথায় বিলে কেটে দিচ্ছে'।কতগুলো বছর পড়ে মায়ের আদর পেয়ে তানহা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে গেল'।কতদিন মায়ের আদর পায় না তানহা'।জন্মের আগেই তানহা'র বাবা মারা যায়।তানহা'র যখন ছয় বছর বয়স।তখন পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে তানহার মা তানহা'কে একা করে দিয়ে চলে যায়।মা মারা যাওয়া'র পরে'ই খুব করে চেনা পৃথিবীটা হয়ে উঠে অচেনা।কাছের মানুষ গুলো রুপ বদলে যেতে শুরু করল।তানহা'র জীবনে কালো অধ্যায় নামক অধ্যায়টি শুরু হলো'।সুখের জীবন যতটা দ্রুত চলে যায়।কালো অধ্যায়ের সময় গুলো খুব স্বার্থপর হয়।খুব সহজে যেতে'ই চায় না।তানহা অনেক বার চেষ্টা করেছে আত্মহত্যার করার।কিন্তু বিবেকের কাছে হেরে গেছে'।যে,জীবন আল্লাহ তায়ালা নিজে দিয়েছে।সে,জীবন নষ্ট করার আমি কে'?আমার জীবনে'র ওপরে আমার কোনো অধিকার নেই।আমার জীবনটা আল্লাহ তায়ালা'র আমানত।যা' রক্ষা করা আমার দায়িত্ব।ধংস করা নয়।যে,জীবন আল্লাহ তায়ালা'র,সে জীবন নষ্ট করার কোনো অধিকার আমার নেই'।
পরের দিন সকাল বেলা তানহার ঘুম ভেঙে গেলো'।উঠে দেখলো শাশুড়ী পাশে নেই'।ঘড়িতে ছয়টা বাজে।এত ঘুমালো কি করে সে'।তানহা তো কোনোদিন এত ঘুমায় না।নাকি আজকে শরীরে কারো আঘাত পরে নাই।সেজন্য আরামে ঘুমিয়েছে'।তানহা উঠতেই তানহার ননদ চৈতালি দৌড়ে আসে'।
--ভাবি তুমি উঠেছো'।আমি সেই কখন থেকে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।আম্মা বলছে,তোমাকে ঘুম থেকে না জাগাতে'।আমি সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি।কালকে খুব খারাপ লাগছিল।তাই বাসায় এসে ঘুমিয়ে পড়ছিলাম।ভাবি তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নামাজ পড়ে নাও।
তানহা চৈতালির কথায় খুব খুশি হলো'।তানহা প্রতিদিন ফজরের আজানের সময় জাগা পায়।আজ কেনো সে,পেলো না।তাড়াতাড়ি করে উঠে,ওজু করে এসে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলো'।সব অশান্তির মধ্যে নামাজ-ই একমাত্র শান্তির কারন তানহার কাছে'।নামাজ শেষ করে চৈতালি কাছে বসলো'।
--ভাবি তুমি একটু অপেক্ষা কর।আমি তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসছি।বলেই বেড়িয়ে যেতে নিলে,তানহা চৈতালির হাত ধরে ফেলে।
--আমার একা খেয়ে অভ্যাস নেই।আমি সবার সাথে সাথে খাব'।
--মিথ্যা কথা বলছো কেনো ভাবি।আমি কিন্তু সব জানি।রাজরানি হয়ে থাকবে আমাদের বাসায় বুঝছো।হতে পারে আমাদের বাসাটা এক তলার ছোটা একটা বাসা।কিন্তু এই বাসা থেকে অনেক বেশি ভালোবাসা তুমি পাবে।আমি আম্মু খেয়ে নিয়েছি।শুধু তুমি বাকি আছো।আমাদের বাসায় খাবার খাওয়ার কোনো নিয়ম নেই।যার যখন ইচ্ছে খায়।
চৈতালির কথা শুনে,তানহা দৃষ্টি নত করে ফেলে'।
--তুমি আমার কথায় কষ্ট পেয়োনা ভাবি'।আমি তোমাকে আঘাত করতে চাই নাই।মা' বলছে নিজের সবটুকু উজাড় করে,তোমাকে ভালোবাসতে।তাই তোমাকে নিজের বোনের নজরে দেখছি।তুমি যদি রাগ কর।তাহলে তোমার সাথে আর এমন করবো না।
চৈতালির কথা শুনে তানহার চোখ ছলছল করে উঠলো'।এত ভালোবাসা-ও তার কপালে লিখা আছে।এত সুখ সইবে তো'।
--তুমি কাঁদছো কেনো ভাবিমনি'।আমার কথায় কষ্ট পেয়েছো'।
--সব কান্না কষ্টের হয় না বোন।কিছু কিছু কান্না সুখের হয়'।আল্লাহ আমার কপালে সুখ লিখে রাখছে।সুখ নামক অধ্যায় আমার জীবনে-ও এসেছে'।খুব ভয় হচ্ছে,এত সুখ আমার সইবে তো'।
--সইবে গো' সইবে'।চৈতালি যতদিন আছে'।কষ্ট আমার ভাবিমনি-কে ফুলের টোকা'ও দিতে পারবে না'।
চৈতালির কথায় তানহা হেঁসে দিল'।
--এই তো আমার ভাবি হেঁসেছে।আমার ভাবিকে হাঁসলে কত সুন্দর দেখায়।ও-ভাবি তুমি সব সময় হাঁসবে।আর গম্ভীর মুখ করে থাকবে না'।একটু অপেক্ষা কর।আমি তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসছি'।বলে'ই চৈতালি চলে গেলো'।
সৌদি আরবে'র অন্ধকার রুমে দেওয়ালে মাথা ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইফাদ'।চোখ দু'টো অসম্ভব লাল হয়ে আছে'।চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে।শার্টের ওপরের দু'টি বোতাম খোল'।কালো রংয়ের শার্ট পরিহিতা শ্যামপুরুষ'কে একটু বেশি আর্কষণীয় দেখাচ্ছে'।নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে ইফাদে'র।মায়ের ওপরে এক আকাশ পরিমাণ অভিমান জমেছে'।মনে মনে ঠিক করে নিল'।আর কোনোদিন দেশে ফিরবে না।সবকিছু জেনেশুনে তার মা' কেনো তার সাথে বেইমানি করল'।নিজের মাথা নিজেই দেওয়ালে ঠুকে দিল'।ব্যাথায় মুখ দিয়ে 'আহ' শব্দ বের হলো'।রেগে রুমে থাকা সবকিছু ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলছে।কোনোভাবেই নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।তবে কেনো তার মা সাথে এমন মিথ্যা নাটক করলো'।দু'হাতে নিজের চুলগুলো টেনে ধরলো ইফাদ'।
চলবে.....
এক_মুঠো_কাঁচের_চুরি
পর্ব_০১
লেখিকা_Fabiha_bushra_nimu
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৮ শুক্রবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ১৮-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম :
জাতীয় পর্যায়ে হজ্ব ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সম্মেলন উদ্বোধন - হজ¦যাত্রীদের সঙ্গে কোনো এজেন্সি প্রতারণা বা হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর।
দেশে তেল শোধনাগার স্থাপনে কুয়েতের প্রস্তাব বাস্তবায়ন ত্বরাণি¦ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি শেখ হাসিনার নির্দেশ।
নেতিবাচক কর্মকান্ডের জন্যই বারবার জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বিএনপি - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের ঘোষনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারানোয় স্পীকারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষনা ন্যান্সি পেলোসির।
গাজা উপত্যকায় একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকান্ডে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি।
এবং স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে আজ মুন্সিগঞ্জে ইয়াংমেন্স ফকিরেরপুল ক্লাবের মোকাবেলা করবে চট্টগ্রাম আবাহনী।
শিলং, কামাখ্যা, শিলচর, চেরাপুঞ্জি, ডাওকি ও বঙ্গদেশের অন্যান্য প্রাকৃতির।,,,,, বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ফেইসবুক থেকে
আজ আপনাদের ঘুরপথে/অন্যপথে নিয়ে যাবো শিলং, কামাখ্যা, শিলচর, চেরাপুঞ্জি, ডাওকি ও বঙ্গদেশের অন্যান্য প্রাকৃতির।
বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৭ বৃহস্পতিবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(১৭-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* জাতীয় পর্যায়ে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সম্মেলন উদ্বোধন - হজযাত্রীদের সঙ্গে কোনো এজেন্সি প্রতারণা বা হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর।
* দেশে তেল শোধনাগার স্থাপনে কুয়েতের প্রস্তাব বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি শেখ হাসিনার নির্দেশ।
* যুক্তরাজ্য ও জার্মানিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি।
* নেতিবাচক কর্মকান্ডের জন্যই বারবার জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বিএনপি - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের।
* মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুর মানবাধিকার পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মত প্রস্তাব গ্রহণ।
* এবং স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব নিজ নিজ খেলায় জয়ী।
রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি এবং পারিপার্শ্বিক প্রতিক্রিয়া ১৮ কার্তিক ১৩২৫ সিলে
রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি এবং পারিপার্শ্বিক প্রতিক্রিয়া
রেলের ডায়মন্ড ক্রসিং
‘ডায়মন্ড ক্রসিং’
সাধারণত একটি রেলের উপর দিয়ে আর একটি রেল গেলেই তাকে ‘ক্রসিং’ বলে। কিন্তু এই ছবির ‘ক্রসিং’ অন্য রকম। এখানে পাশাপাশি দু-জোড়া রেল লাইনের উপর দিয়ে গিয়েছে আরও দুই পাশাপাশি রেল। এর ফলে যে আলপনা তৈরি হয়েছে, তার নামই ‘ডায়মন্ড ক্রসিং’।
বিশ্বের অনেক জায়গাতেই ব্যস্ত রেল জংশনের কাছে এমন ‘ক্রসিং’ দেখা যায়। কিন্তু একেবারে জ্যামিতিক আকৃতির এই ‘ক্রসিং’ দেশে একটিই রয়েছে। মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধায়। নাগপুর স্টেশন থেকে কিছুটা দূরের এই জায়গা দিয়ে দেশের চার প্রান্তের ট্রেন যাতায়াত করে। হাওড়া থেকে রাউরকেল্লা, রায়পুর হয়ে পূর্বের ট্রেন যেমন যায়, তেমনই উত্তর দিকে গিয়েছে নয়াদিল্লিগামী রেলপথ। এ ছাড়াও পশ্চিমের মুম্বই এবং দক্ষিণের তেলঙ্গানার কাজিপেট গামী পথ রয়েছে।
অনেকেই দেখতে যান এই ক্রসিং।
তবে একেবারে এমন না হলেও দেশে যে আর ‘ডায়মন্ড ক্রসিং’ নেই তা নয়। হাওড়া, শিয়ালদহ কিংবা অন্য কোনও ব্যস্ত স্টেশনের কাছে অনেক সুন্দর, সুন্দর দেখতে ‘ক্রসিং’ দেখা যায়। তবে সেগুলি নাগপুরেরটির মতো একেবারে এমন মাপে মাপে সমান নাও হতে পারে।
© Shuvashish Halder
🔴 বাংলাদেশের ডায়মন্ড রেল ক্রসিং - পাহাড়তলি
যেখানে একটি রেললাইন অন্য আরেকটি রেললাইন কাটতে যায়, ক্রসিংটি বারান্দায় হীরার মতো হয়ে যায়। এজন্য একে ডায়মন্ড ক্রসিং বলা হয়।এটি হীরা ক্রসিংও। মাঝখানে হীরা আকারটি দৃশ্যমান। ডায়মন্ড ডাবল স্লিপ ক্রসিংটিও এই হীরা ক্রসিং দ্বারা তৈরি করা হয়, এতে টিউমারটির আরও নমনীয়তা রয়েছে। ট্রেন চলাচল করতে পারে এমন অনেকগুলি উপায় রয়েছে।
এরকম রেলক্রসিং প্রায় দেশেই দেখা যায়।
ছবি-জাহাঙ্গীর আলম
ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া
📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...