এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৯ শনিবার

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(১৯-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* আগামী মাস থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির জন্য জনগণকে আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না - আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর। 


* কর্ণফুলী ড্রাইডক স্পেশাল ইকোনমিক জোনসহ আগামীকাল ৫০টি শিল্প ও অবকাঠামোর উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন শেখ হাসিনা। 


* বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ। 


* বিদেশীদের কাছে নালিশ করে কোনো লাভ নেই, দুনিয়ার সব দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেভাবে হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* হাওয়া ভবনের চোর ও সন্ত্রাসীদের হাতে দেশকে তুলে দেয়া যাবে না - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* ইউক্রেন দাবি করেছে, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিদ্যুৎ বিহীন হয়ে পড়েছে দেশটির প্রায় অর্ধেক এলাকা। 


* এবং কাতারে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ-২০২২ এর পর্দা উঠছে আগামীকাল। 

নরপশু বরং সত্য ঘটনা অবলম্বনে,,,, অপ্রেম অধ্যায় ফেইসবুক থেকে

আমি যখন ৮ম শ্রেনিতে পড়ি তখন আমি আমার নিজের ভাইয়ের দারা প্রতি দিন রেপ হতাম।

আমার যখন ৩ বছর বয়স তখন মায়ের সাথে বাবার ডিভোর্স হয়ে যায়। আমি আজও জানি না আমার বাবাকে।

তারপর ৩ বছরের মত নানার বাড়ি ছিলাম। নানার বাড়িতে মোটামুটি সুখেই ছিলাম। মায়ের আবার বিয়ে হয় এক লোকের সাথে তার আবার ২ টা ছেলে৷

বড় ছেলের বয়স তখন ছিলো ১৭ আর ছোটটার ১২..

তারা মায়ের সাথে আমাকে মেনে নেয়নি।

মায়ের বিয়ের পর ১ বছরের মত নানার বাড়ি ছিলাম। ১ বছর পর আমার নানি মারা যায়।

আর তখন আমি একা হয়ে যায়। আমার ১ মামা সে চাকরি সুএে ঢাকা থাকতো। তার পরিবার নিয়ে চিটাগাং এ আর কেউ থাকতো না৷

বলে রাখি আমার নানার বাড়ি খাগড়াছড়িতে।

তখন মা আমাকে নিয়ে যায়। তার সাথে।

আমার নতুন বাবাটা কিছু না বললেও কিন্তু তারছেলেরা আমায় কোনো রকমই মেনে নেয় নি।

তারা ছোটবেলা থেকেই আমাকে মারতো। আমাকে কিছু খেতে ও দিতো না।

তারা সবসময় আমাকে বকাঝকা করতো। এভাবেই আমার বেড়ে উঠা।

আমাকে মা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলো।

শত বাবা আমাকে দেখতে না পারলে ও কখনও বকা ঝকা করে নি৷

আমার মা ও আমায় খুব বকতো।

অনাদর অবহেলায় আমার বেড়ে উঠা।

যখন আমি ৭ম শ্রেণিতে পড়ি ছোট ভাই আমার গায়ে হাত দিতো সবসময়।

ব্যাপার টা আমার ভালো না লাগতো না৷ আর ভয়ে কাউকে বলতাম ও না।

একদিন আমার গায়ে হাত দেয় আর আমি খুব ব্যাথ্যা পায়। ছোট ভাই সবসময় বলতো তার পা টিপে দিতে গা টিপে দিতে।

আমি ব্যাপারটা আমার মাকে বলি। মা উল্টো আমায় বকা দেয়।

তার পর থেকে আমি ভয়ে আর কাউকে কিছু বলিনি।

৮ম শ্রেনিতে উঠার পর একদিন বাড়িতে কেউ ছিলো না। সবাই দাওয়াত খেতে গেছে। তো ছোট ভাই কোথা থেকে এসে আমার উপর পশুর মত ঝাঁপিয়ে পড়লও।

আমার চিৎকার দিয়েও চিৎকার দিতে পারলাম না।

আমি ব্যাথ্যা মরে যেতে লাগলাম।

তো সে তার চাহিদা মিটিয়ে যখন উঠলো সে আমায় বললও কাউকে বলবি না খবরদার।

আমি ও ভয় পেয়ে কাউকে বললাম না কারন আমার কথা কেউ বিশাস করবে না।

উল্টো আমাকেই মারবে।

এর পর থেকে ছোট ভাই প্রায় সময় আমার উপর ঝাপিয়ে পড়তো।

আর মাঝে মাঝে ছোট ভাই আমাকে টাকা দিতো।

এভাবে আমার বেড়ে উঠা। যখন আমি ক্লাস টেন এ উঠলাম। তখন বুজতে পারলাম আমি কনসিভ করি।

ভালো লাগলে দিবো...

যার পড়তে ভালো লাগবে না ইগনোর করুন। তারপরে ও বাজে কথা বলবেন না।


চলবে..

নরপশু_বর

সত্য ঘটনা অবলম্বনে

১ম খন্ড

Nusrat Haq

কপি

পেস্ট 

অনু গল্প ইন্টারের ব ই ,,,, অপ্রেম অধ্যায় ফেইসবুক থেকে

আম্মু জামাই লাগবো। 🥲


কি, কি বললি তুই? 😡


আরে আম্মু জামা লাগবো জামা। 😖


ও আচ্ছা তোর বাবাকে বলবো যেন একটা জামা কিনে দেই। 


আচ্ছা আম্মু। মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। আমার আসলে জামাই দরকার। ইন্টারের এতো মোটা মোটা বই পড়ার থেকে বিয়ে করে সংসার করা অনেক সহজ। এমনিতেই পড়ালেখা শেষ করে সংসার সামলাতে হবে। তাহলে এখনই বিয়ে করে ফেলি কি দরকার এতো পড়া লেখা করার। এখন পর্যন্ত অনেক বিয়ের প্রস্তাব এসেছে সবাই বলেছে বিয়ের পর নাকি তারা নিজ দায়িত্বে আমার পড়াশোনা শেষ করাবে। রাগে দুঃখে সব গুলো বিয়ে ভেঙে দিয়েছি। এখন এমন কাউকে খুঁজে চলছি যে বিয়ের পর আর পড়াশোনা করতে দিবে না। 


কয়েকদিন পর ~ 


ফাইনাল পরীক্ষায় ৩ বিষয়ে ফেল। এখন ত বাবা - মা নিজে ও চাচ্ছে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য। যদি ও খুশি হয়েছি। আমার কোনো আপওি নেই। একবার বিয়ে হয়ে গেলে পড়াশোনা থেকে মুক্তি। আর ও ২টি প্রস্তাব এসেছে তারা ও নাকি পড়ার দায়িত্ব নিতে চাই। দুঃখে মরে যেতে ইচ্ছা করে। আরে ভাই বিয়ে করে ঘর সামলাবো নাকি পড়বো। এমনি পড়ালেখা মাথায় ঢুকে না। 


কিছুদিন পর ~ 


একটি পরিবার থেকে দেখতে আসলো। যার সাথে বিয়ের কথা চলছে। সে অনেক গম্ভীর। যাই হোক সুন্দর করে সেজেগুজে তাদের সামনে গিয়ে বসলাম। 


সে জিজ্ঞেস করলো বোরখা পড়ো? 


আমি বললাম জ্বি। 


সে আরো জিজ্ঞেস করলো, বাইরে যে পড়তে যাও মেডামের কাছে পড়ো নাকি স্যারের কাছে? 


জ্বি, স্যারের কাছে। 


সে বললো আচ্ছা আমার সাথে বিয়ে হলে বাইরে পড়া অফ করে দিতে হবে। আমার বউ পরপুরুষের কাছে পড়বে এইটা আমি পছন্দ করি না। 


কথাটা শুনে কি যে খুশি লাগতেছে বোঝাতে পারবো না। 


সে জিজ্ঞেস করলো তার শর্তে আমি রাজি কি না? 


তার ব্যাপারে কোনো খোঁজ না নিয়ে আমি এক কথায় রাজি হয়ে গেলাম। যাক এতোদিনে ইন্টারের বই থেকে মুক্তি পাবো। 


১ সপ্তাহের মধ্যে আমাদের বিয়ে হয়ে গেলো। বিয়ের আগেই ইন্টারের সব বই গুলো বিক্রি করে দিয়ে ফ্রেন্ডদের ট্রিট দিলাম। 


বিয়ের দিন রাতে তার অপেক্ষায় বসে আছি। এমন সময় সে অনেক বড় একটি বক্স নিয়ে রুমে আসলো। খুশি হয়ে গেলাম এতো বড় গিফট আমার জন্য। 


সে বললো, বক্সটি খুলে দেখো। 


বক্স খুলে দেখলাম অনেকগুলো ইংরেজি বই। আমি বললাম এইসব কি? 


সে বললো, শুনলাম তুমি নাকি ইংরেজিতে ফেল করেছো তাই এই বই গুলো কিনেছি। বাইরে পড়তে না করেছি দেখে ভেবো না তোমার পড়া অফ। আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইংরেজির প্রোফেসর। আজ থেকে আমি তোমাকে পড়াবো। তাহলে আর তোমাকে বাইরে পড়তে হবে না। এখন তোমার ইন্টার এর বই গুলো বের করে পড়তে বসো। এইটা বলে সে নিজে ও পড়তে বসে গেলো। 


এতো গুলো ধাক্কার পর তার দেওয়া বই হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি আর ভাবছি, বিক্রি করে দেওয়া বই গুলো কই পাবো?🥹


অনুগল্প

ইন্টারের_বই

 কপি

পেস্ট

গল্প প্রাপ্তি পর্ব ১ ,,,,অপ্রেম অধ্যায় ফেইসবুক থেকে

আজ আমার বাসর রাত।আমি ঘোমটা দিয়ে তার অপেক্ষায় বসে আছি।কিন্তু রাত প্রায় দেড় টা বাজে।তার আসার খবর নেই।একটা সময় অনুভব করি সে এসেছে।কিন্তু এসেই সে খাটের উপর রাখা তার বালিশটা নিয়ে চলে যেতে যেতে হঠাৎ থেমে গিয়ে বলে, ঘুমিয়ে যেও।আমি বারান্দাতে ঘুমিয়ে নিবো।আর কখনো আমার কাছে বউ এর দাবি নিয়ে আসবেনা।

বাসায় মা আছেন,বাবা আছেন,কাজের লোক আছেন।কিছু দরকার হলে তাদের কে বলো,এনে দিবেন।দরজা টা আটকে দিও।

এই বলে অভয় বারান্দায় চলে যায়।

আর আমি বসে থাকি নিশ্চুপ এক মূর্তির ন্যায়।শুধু ডান চোখ থেকে গড়িয়ে পড়ে এক ফোটা অশ্রু।

সকালে গোসল করে কিচেন রুমে যেতেই শ্বাশুড়ি মা আমাকে কপালে চুমু খেয়ে বললেন,তুমি অভয়কে ডেকে তুলো।আমি এদিক টা দেখছি।কাল থেকে না হয় সংসার টা তুমি সামলিও।আমি এবার অবসরে যাই।

আমি মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বলে অভয়কে ডাকতে আসলাম।কিভাবে ডাকবো বুঝতে পারছিনা।যদি রেগে যায়।তবুও সাহস করে গেলাম,গিয়ে দেখি কি মাসুম একটা মুখ।ইচ্ছে করে জন্ম জন্মান্তর কাটিয়ে দেই এই মুখ দেখে।হঠাৎ অভয় নড়ে উঠলো আর আমি পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে বললাম,শুনুন!মা আপনাকে নাস্তা করতে ডাকছেন।ফ্রেশ হয়ে আসুন।

এই বলে আমি মায়ের কাছে চলে গেলাম।

সবাই নাস্তার টেবিলে।নাস্তা করছি,সবাই কথা বলছেন।কিন্তু অভয় এর মুখে কোন কথা নেই।সে অল্প কিছু নাস্তা করে অফিসে চলে গেলেন।আমার দিকে ফিরেও তাকালেন না।

শুনেছি,সে নাকি তার বাবা মায়ের পছন্দে বিয়ে করেছেন।তাই নাকি আমার ছবিটাও দেখেন নি।কিন্তু তাই বলে আমার সাথে এমন আচরণ করবে?কেন এমন করছে আমার সাথে সে?ভাবতে ভাবতে হঠাৎ করে আমার রুম থেকে রিং এর শব্দ।অভয় ভুল করে মোবাইল টা রেখে গেছেন।

ফোন টা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে এক মেয়ে বলে উঠলো,

কেমন হলো বাসর?

রাত কেমন কাটলো?খুব ভালো নিশ্চয়ই?

ভালোই তো হবার কথা।

আর কিছু বলার আগেই আমি হ্যালো বলি।আর ওপাশ থেকে লাইনটা কেটে দেয়।হুট করেই অভয় রুমে চলে আসে,সে অন্য দিকে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে বলে আমার মোবাইল টা।আমি দিয়ে দেই মোবাইল।সে চলে যায়।আমার আর বুঝতে বাকি নেই,মাই লাভ লিখা নাম সেইভ করা মেয়েটা যে অভির ভালবাসা।

অভি চলে যায় আর আমি জানালার গ্রিল ধরে আকাশ দেখি,কখন যেন আকাশ দেখতে দেখতে দু চোখ ভিজে গেলো।

দিন যাচ্ছে অভয়এর চাল চলনের পরিবর্তন হচ্ছে।রাতে যখন খেতে বলি,উত্তর আসে খেয়ে এসেছি আমি।তুমি খেয়ে নাও।

আমার আর খাওয়া হয়ে উঠেনা।রাতে ঘুমানোর সময় প্রায়ই ওর ফোনে কল আসে,আর ও বারান্দায় গিয়ে কথা বলে,আমি সব শুনেও ঘুমের ভান করে শুয়ে থাকি।কি ই বা করার আছে আমার?

বাসায়ও চলে যেতে পারছিনা,বাবা মা অনেক কষ্ট পাবেন বলে।

একদিন শাশুড়ি মা আমাকে একটা কালো রঙের শাড়ি হাতে দিয়ে বললেন,এটা তোমার জন্য এনেছি তুমি আজ এটা পরো,

আমি কালো শাড়িটা পরে নিলাম।শাশুড়ি মা কপালে চুমু খেয়ে বললেন,আজ তোমাকে পরীর মত লাগছে বউ মা।

রাতে অভয় বাসায় ফিরে ।আজ ও ড্রিংক্স করে ফিরেছে।হয়তো ওই মেয়ের সাথে কোন পার্টিতে গিয়েছিল।

আমি টাওয়াল টা হাতে দিয়ে বললাম ফ্রেশ হয়ে নিন আমি খাবার বাড়ছি।

অভয় আমার হাত টা টেনে ধরে বুকে জড়িয়ে নিলো।

আর বলতে লাগলো, তুমি খুব সুন্দর মধু,কালো শাড়িতে তোমাকে আরো সুন্দর লাগছে।যদিও কখনো বলা হয়নি,কিন্তু এটাও সত্যি তুমি খুব লক্ষী।এ কথা বলে অভয় আমাকে কপালে চুমু দিয়ে আজ প্রথম বারের মত আমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিলো।আমি তাকে বাধা দিতেও পারিনি,কারন সে যে আমার স্বামী।

সকাল বেলা গোসল সেরে বাইরে বেরুতেই অভয় আমাকে বললো,কাল রাতের জন্য সরি।আমি আসলে...

-সরি বলতে হবেনা,আপনি আমার স্বামী,আমার উপর আপনার পূর্ন অধিকার আছে।গোসল করে ফ্রেশ হয়ে নিন আমি নাস্তা রেডি করছি।

অনেক গুলো দিন কেটে গেলো।অভয় আমাকে ভাল না বাসলেও আমি অভয় কে ভালবাসতে শুরু করেছি।

দিন যাচ্ছে অভয়ের প্রতি আমার ভালবাসা বাড়তে থাকে,

অভয় কে নিয়ে আমি স্বপ্ন বুনতে থাকি।

আজ সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছি আজ অভয় বাসায় ফিরলেই ওকে বলে দেবো, অভয় আমি তোমাকে ভালবাসি।আর আমার বিশ্বাস অভয় ও একদিন না একদিন আমাকে ভালবাসবে।

সারা দিন খুব কষ্টে কাটল্য,কথায় আছেনা,অপেক্ষার প্রহর সহজে যায়না।রাত হলো,কলিং বেল বাজছে,

নিশ্চয়ই অভয় এসেছে।আমি দৌঁড়ে গিয়ে দরজা খুললাম।

কিন্তু হঠাৎ ই আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো।

অভয় এর সাথে ওর ভালবাসার মানুষ টা দাঁড়িয়ে আছে,বঁধু বেশে।অভয়ের বধূ হয়ে...

অভয় কে জিজ্ঞেস করলাম,কে ও?

অভয়:কিছুক্ষণ আগে আমরা বিয়ে করেছি,ও আমার বউ মালিহা।

আমি সেন্সলেস হয়ে পড়ে গেলাম...


 প্রাপ্তি

শতাব্দী_নাওয়ার ।

(১ম পর্ব)

কপি

পেস্ট 

বুড়ির বাজি জেতা,,,,, সাদিয়া আক্তার ফেইসবুক থেকে

🏩ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংক

ম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকা

ব্যাংকে রাখতে চাই.😎

ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে? .

👵বুড়ি বললঃ হবে ১০ লাখের মত....😱

ম্যানেজার বললঃ বাহ! আপনার কাছে বেশ

ভালোই টাকা আছে। আপনি করেন কি?

বুড়ি বললঃ তেমন কিছু না খোকা ।

ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় বাজি লাগাই।

আর বাকি সময় সবার সাথে যেকোনো

ব্যাপারে বাজি খেলি।

👴ম্যানেজার বললঃ শুধু বাজি লাগিয়েই এত

টাকা জমিয়েছো? তাজ্জব ব্যাপার !

বুড়ি বললঃ তাজ্জবের কিছু নেই খোকা।

আমি এখুনি এক লাখ টাকা বাজি ধরতে

পারি যে, তোমার মাথায় ফলস চুল

লাগানো...

ম্যানেজার হাসতে হাসতে বললঃ না

দিদা। আমি এখনো যথেষ্ট যুবক ।আর মাথায়

ফলস চুল লাগানো নেই।

বুড়িঃ তাহলে লাগাবে কি বাজি?

ম্যানেজার মনে মনে ভাবল, এই বুড়ি পাগল

মনে হচ্ছে। যাই হোক ১ লাখ টাকা ফ্রিতে

কামানো যাচ্ছে, তো অত ভেবে লাভ কি...?

ম্যানেজার রাজি হয়ে গেলো...

বুড়ি বললঃ যেহেতু এক লাখ টাকার ব্যাপার

তাই আমি কাল সকাল ১১ টায় আমার উকিল

নিয়ে এই কেবিনে আসব। আর ওর সামনেই

প্রমান করা হবে। আপনি কি রাজি ?

ম্যানেজার বললঃ ঠিক আছে। আমি রাজি।

ম্যানেজারের রাতে ঘুম আসলো না, সারা

রাত ঐ বুড়ি আর ১ লাখ টাকার কথা ভাবতে

থাকে...

পরের দিন সকালে ঐ বুড়ি উকিল নিয়ে ঠিক

🕥১১ টায় ম্যনেজারের কেবিনে এসে

উপস্থিত।

বুড়ি ম্যানেজার কে বললঃ আপনি কি

রেডি?

ম্যানেজার বললঃ একদম রেডি।

বুড়ি বললঃ যেহেতু প্রমানের দরকার তাই

আমি আমার উকিলের সামনে আপনার চুল

টেনে প্রমান করতে চাই যে চুল আসল না

নকল।

ম্যনেজার ভাবল, এক লাখ টাকার ব্যাপার...

একটু চুলই তো টানবে! তাই সে রাজি হয়ে

গেলো....

বুড়ি ম্যানেজার এর পাশে গেলো আর চুল

ধরে টানতে শুরু করল। আর ঠিক ঐ সময়ই বুড়ি'র

সাথে আসা উকিলটা দেওয়ালে মাথা

ঠুকতে শুরু করে দিলো...!

ম্যানেজার বলে উঠেঃ আরে আরে উকিল

বাবু কি হলো ???

বুড়ি হাসতে হাসতে বললঃ কিছু না। শক

খেয়েছে। আসলে ওর সাথে ৫ লাখ টাকার

বাজি ধরেছিলাম যে আজ সকাল ঠিক ১১

টায়, শহরের সবথেকে বড় ব্যাংকের,,,,

ম্যানেজারের চুলের মুঠি ধরে টানবো 😂😁😁😁😁

সংগৃহীত

কপি

পেস্ট 

আল্লাহ তা করেন ভালোই করেন,,,,,

 শিক্ষামূলক গল্পঃ

(একটু সময় নিয়ে পড়ুন অবশ্যই ভাল লাগবে।)


এক রাজার এক চাকর ছিল। চাকরটা সবসময় যেকোন অবস্থাতেই রাজাকে বলত, “রাজা মশাই, কখনো মন খারাপ করবেন না। কেননা আল্লাহ যা করেন তার সবকিছুই নিখুঁত ও সঠিক।”


একবার রাজা সেই চাকর সহ শিকারে যেয়ে নিজেরাই এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণের শিকার হলো। রাজার চাকর সেই প্রাণীকে মারতে পারলেও, ততক্ষণে রাজা তার একটা আঙুল হারান। রাগে- যন্ত্রণায়-ক্ষোভে রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে চাকরের উদ্দেশ্য করে বলেন “আল্লাহ যদি ভালোই হবেন তাহলে আজকে শিকারে এসে আমার আঙুল হারাতে হতো না।”


চাকর বলল, “এতকিছুর পরও আমি শুধু আপনাকে এটাই বলব আল্লাহ সবসময়ই ভালো ও সঠিক কাজই করেন; কোনো ভুল করেন না।


চাকরের এই কথায় আরও বিরক্ত হয়ে রাজা তাকে জেলে পাঠানোর হুকুম দিলেন।


এরপর একদিন রাজা আবার শিকারে বের হলেন। এবার তিনি একদল বন্য মানুষের হাতে বন্দি হলেন। এরা তাদের দেবদেবির উদ্দেশ্যে মানুষকে বলি দিত।


রাজা কে বলি দিতে যেয়ে তারা দেখল যে, রাজার একটা আঙুল নেই। তারা এমন বিকলাঙ্গ কাউকে তাদের দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে রাজি হলো না। তাই তারা রাজাকে ছেড়ে দিল।প্রাসাদে

ফিরে এসে তিনি তার সেই পুরোনো চাকরকে মুক্ত করে দেওয়ার হুকুম দিলেন।


চাকরকে এনে বললেন, আল্লাহ আসলেই ভালো ৷ আমি আজ প্রমাণ পেয়েছি তার, আমি আজ প্রায়

মরতেই বসেছিলাম। কিন্তু আঙুল না থাকার কারণে প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে পেরেছি।


“তবে আমার একটা প্রশ্ন আছে। আল্লাহ ভালো, এটা তো বুঝলাম। কিন্তু তাহলে তিনি আমাকে দিয়ে তোমাকে জেলে পুরলেন কেন?” 


চাকর বলল, “রাজামশাই, আমি যদি আজ আপনার সাথে থাকতাম, তাহলে আপনার বদলে আজ আমি কোরবান হয়ে যেতাম।


আপনার আঙুল ছিল না, কিন্তু আমার তো ছিল। কাজেই আল্লাহ যা করেন সেটাই সঠিক, তিনি কখনো কোনো ভুল করেন না।


গল্পের শিক্ষাঃ- 

সব কিছুর ইতিবাচক, নেতিবাচক দুই দিক থাকে। কখনো নিরাশ হবেন না, যদি কোন কিছুতে সফলতা না পান তবে ইতিবাচক চিন্তা করুন। 

সফল না হওয়ার কারণে কি ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে না ভেবে কি লাভ হয়েছে তা দেখুন।

কপি
পেস্ট

ক এর কারিশমা,,,,, আশরাফুল আলম পাটোয়ারী ফেইসবুক থেকে

ক'এর কারিশমা! 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল।

"কাকা, কড়ই কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত।

কীর্তিমান কতিপয় কলাকুশলী কিংবা কিশোর কবিরাও কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।

কিন্তু কাকা, কষ্মীনকালে কেউ কী কখনো কহিয়াছেন? কী কারণে, কিসের কারসাজিতে, কেমন করিয়া কোথাকার কোন কাশ্মিরী কম্বল কিংবা কর্ণাটকের কমলা কাতানের কাছে কালক্রমে কুলীন কূলের কায়িক কৃষাণীদের কাঙ্খিত কালজয়ী কারুকার্যময় কাতান কাপড়ের কদর কমিল"?

কাজে-কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী কপিলা কর্মকারের কঠিন কথায় কিঞ্চিত কর্ণপাত করিয়া ক্লান্ত কাকা কুষ্টিয়ার কিংবদন্তি কালো কাতানের ক্রমেই কদর কমার কয়েকটি কারণ কোমল কন্ঠে কপিলার কানে কানে কহিলেন।

কৃষ্ণকায় কাকাকে কাপড়ের কষ্টের কিচ্ছা কাহিনী কহিয়া কপিলা কর্দমাক্ত কলস কাঙ্খে করিয়া কালোকেশী কাকিকে কহিল।

"কাবেরী কোলের কেয়া-কুঞ্জে কোয়েলের কলকাকলি কিংবা কেতকী কদম কুসুম কাননে কোকিলের কন্ঠে কুহু কুহু কুজনের কতই কারিশমা! কিন্তু কাকী, কদর্য কাক কী কারণে কর্কশ কন্ঠে কানের কাছে কেবল কা-কা করে"?

কাঁচের কংকন করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় কাকী কিলানো কাঁঠালের কদলি কচলাইতে কচলাইতে কহিলেন- "কুৎসিত কেতাদুরস্ত কাকের কাজই কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির কৃতিত্ব কুড়ানো"।

ক' নিয়ে বিশাল কাহিনী।

কপি

পেস্ট 

যারা ফজরে এখনো অনিয়মিত তারা একটু মনোযোগ সহকারে পড়ে দেখি কী হারাচ্ছি আসলে

 ❒ যারা ফজরে এখনো অনিয়মিত তারা একটু মনোযোগ সহকারে পড়ে দেখি কী হারাচ্ছি আসলেঃ


ফজরের নামাজের ১০টি ফজিলত

১.নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ”মুনাফিকদের জন্য ফজর ও ‘ইশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। এ দু’ নামাজের কী ফযীলত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো। রসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামত করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা নামাজে আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই”।(সহিহ বুখারী, ৬৫৭)


২.রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।

(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি–২১৮৪)


৩.রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।

(বুখারী-মুসলিম)


৪. রাসূল (ﷺ) বলেছেন,”যে ব্যক্তি ফজর নামাজসালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!

(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)


৫. রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।

(আবু দাউদ ৪৯৪)


৬.যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।(বুখারী-৫৭৩)


৭.যে নিয়মিত ফজরের নামাজ আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।

(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)


৮.ফজরের নামাজ আদায়কারী,রাসূল (ﷺ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।

(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)


৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।

(জামে তিরমিজি – ৪১৬)


১০. ফজরের নামাজ আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।


(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)

ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত-🌿💌🌿

কপি
পেস্ট

গাছের পাতা বিক্রি করে বছরে ১২ লাখ টাকা,,,,, উদ্দোক্তার খোঁজে ফেইসবুক থেকে

 

গাছের পাতা বিক্রি করে বছরে আয় ১২ লাখ টাকা

গাছের পাতা বিক্রি করেন কৃষক জয়নুদ্দিন খাঁ। এই পাতা বিক্রির টাকায় সংসারে সচ্ছলতা এসেছে। মাত্র ৪০ হাজার টাকা ব্যয় করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকার পাতা বিক্রি করেন তিনি। এই পাতা অন্য দশটি গাছের পাতা নয়, এটি মশলা জাতীয় ফসল তেজপাতা, যা বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজে’লার কাদিরকোল গ্রামের কৃষক জয়নুদ্দিন খাঁ।


কৃষক জয়নুদ্দিন জানান, ২০০৮ সালে তিনি এক বিঘা জমিতে ১০০ গাছ লাগানোর মাধ্যমে এই চাষ শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তার চার বিঘায় ৪০০ গাছ রয়েছে। এ ছাড়া তার এই চাষ দেখে তারই গ্রামের আরো দুই কৃষক বাণিজ্যিকভাবে তেজপাতার চাষ শুরু করেছেন। সরেজমিনে কালীগঞ্জ উপজে’লার সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের কাদিরকোল গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক জয়নুদ্দিনের সাথে। তিনি জানান, ২০০৭ সালে তিনি পাশের রাষ্ট্রের ভা’রতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখানে এই তেজপাতার চাষ দেখেন। এই চাষ দেখে তার খুব আগ্রহ হয় তেজপাতা চাষের প্রতি। কিন্তু কোথাও চারা পাচ্ছিলেন না। এমন সময় তার এক বন্ধু খবর দেন এই চারা খুলনার বেজেরডাঙ্গা নামক এলাকায় পাওয়া যায়। সেভাবে ২০০৮ সালে বেজেরডাঙ্গা এলাকা থেকে চারা নিয়ে আসেন। জয়নুদ্দিন খাঁ জানান, ওই বছরে ২০০ টাকা দরে ১০০ চারা ক্রয় করেন। এগুলো বাড়ির পাশে অ’পেক্ষাকৃত জঙ্গল আকৃতির জমিতে রোপণ করেন। এরপর পরিচর্যা করতে থাকেন। এভাবে চার বছর পেরিয়ে গেলে গাছের ডালে ডালে পাতায় ভরে যায়।

তখনই পাতা ভাঙতে শুরু করেন। সেই থেকে তিনি প্রতি বছর দুইবার গাছ থেকে পাতা ভেঙে বিক্রি করেন। পাশাপাশি এটি লাভজনক হওয়ায় আরো গাছ লাগিয়েছেন। বর্তমানে তার চার বিঘা জমিতে ৪০০ তেজপাতা গাছ রয়েছে। ৪৬ শতাংশে বিঘা হিসেবে প্রতি বিঘায় চারা রোপণ করা যায় ১০০টি। এই চাষ অ’পেক্ষাকৃত জঙ্গল পেরিয়ে ভালো চাষযোগ্য জমিতেও ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রতি বছর এই চাষ বৃদ্ধি করছেন বলে জানান।

কৃষক জয়নুদ্দিন খাঁ জানান, তেজপাতা চাষ করতে হলে জমিতে ভালো’ভাবে চাষ দিয়ে নিতে হয়। এরপর সেখানে জৈব সার ছিটিয়ে দিতে হয়। তারপর সামান্য রাসায়নিক সার দিয়ে চারা লাগাতে হয়। এই গাছ ছাগল-গরুতে খায় না। পাতা গাছের ডালে ডালে থাকায় চু’রি হওয়ার আশ’ঙ্কাও কম থাকে। তিনি আরো জানান, একটি চারা রোপণের চার বছর পর থেকে পাতা পাওয়া যায়। ৫০ বছর পর্যন্ত পাতা পাওয়া যাবে। বর্তমানে তার প্রতিটি গাছে বছরে ২০ কেজি করে পাতা হয়, যা বাজারে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা যায়।

এতে তার ৪০০ গাছে প্রায় ১২ লাখ টাকার পাতা বিক্রি হয়। এই পাতা পেতে বর্তমানে তার খরচ হয় গাছপ্রতি ১০০ টাকা। তিনি বলেন, এই চাষে পরিশ্রম কম, আর একবার রোপণ করলে জীবনের বেশির ভাগ সময় ফলন পাওয়া যায়। তাই তিনি বাণিজ্যিকভাবে এই চাষ করছেন। তিনি জানান, প্রথম বছর তিন মণ পাতা বিক্রি করতে পারলেও বর্তমানে ১২ মণ পর্যন্ত পাতা বিক্রি করছেন। আগামী মৌসুমে ২০ মণ পাতা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করেন।

জয়নুদ্দিন খাঁ পেশায় কৃষক। মাঠে তার ১৮ বিঘা চাষযোগ্য জমি আছে। তিনি জানান, তেজপাতার কোনো ফল হয় না। আবার কলম করেও চারা তৈরি করা যায় না। এর জন্য কাবাব চিনির গাছ প্রয়োজন। কাবাব চিনির ফল থেকে চারা তৈরি হয়। সেই চারায় কলম করে তৈরি হয় তেজপাতা গাছ। এভাবে চারা তৈরি করে তেজপাতার চাষ করতে হয়।

কাদিরকোল গ্রামের আবুল কালাম জানান, জয়নুদ্দিনকে দেখে তিনিও এই তেজপাতা চাষ শুরু করেছেন। প্রথম বছর ৩৫ শতক জমিতে চাষ করেছেন। ভালো পাতাও পাচ্ছেন। আগামীতে আরো বেশি চাষ করার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান কৃষক আবুল কালাম। আরেক কৃষক মিজানুর রহমানও বাড়ির আঙ্গিনায় ১০ শতক জমিতে এই তেজপাতা চাষ করেছেন।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক কৃপাংশু কুমা’র জানান, এটা খুবই লাভজনক ফসল। এই চাষ এ অঞ্চলের মানুষ বাণিজ্যিকভাবে করেন না, কাদিরকোল গ্রামের কৃষক জয়নুদ্দিন খাঁ করছেন। তারা এটা জেনে তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করে থাকেন।

কপি পেস্ট 






সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৯ শনিবার


সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ১৯-১১-২০২২ খ্রি:।   

আজকের শিরোনাম :

প্রতিহিংসার রাজনীতির হোতা বিএনপি - বললেন ওবায়দুল কাদের। 

বিএনপি বিশৃংখলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করলে জনগণই তাদের বিতারিত করবে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।

নতুন দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক - আলোচনায় প্রাধান্য পেল সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু। 

নতুন দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক - আলোচনায় প্রাধান্য পেল সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু। 

বর্তমান সরকার গারো, চাকমা, মারমা বাঙালিসহ সকলের সমান উন্নয়নে কাজ করছে- বলেছেন কৃষিমন্ত্রী।

ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ৫৩-তম সমাবর্তন আজ।

কপ টোয়েন্টি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন শেষ হচ্ছে আজ - জলবায়ু দুর্যোগ মোকাবেলায় দরিদ্র দেশগুলোকে উন্নত বিশ্বের নতুন প্রতিশ্রুতি প্রদান।

এবং কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবল উৎসবের পর্দা উঠছে আগামীকাল।

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...