এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২

ফুটবল তৈরির খবর,,,, ফেইসবুক থেকে

পৃথিবীর মোট ফুটবলের শতকরা ৭০% তৈরী হয় পাকিস্তানের শিয়ালকোটে (Sialkot)। এবছর ফিফা বিশ্বকাপ খেলা অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে তৈরি ফুটবল দিয়ে। পাক-পাঞ্জাবের উত্তরে এই শহরেই তৈরি হয়েছে রাশিয়া বিশ্বকাপের সমস্ত ফুটবল।

.
শুধু রাশিয়া বিশ্বকাপ না, শিয়ালকোট বরাবরই পৃথিবীর ফুটবল তৈরির কারখানা। ১৯৯০ সাল থেকে প্রায় প্রতিটি বিশ্বকাপেই ফুটবল গিয়েছে শিয়ালকোট থেকে। শুধু ফুটবল বিশ্বকাপ না, এই মুহূর্তে শিয়ালকোটে বানানো ফুটবলেই খেলা হয় চ্যাম্পিয়নস লিগ, জার্মান বুন্দেসলীগা ও ফরাসি লিগ।
.
২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলা হত হাতে সেলাই করা ফুটবলে। তখনও ফুটবল যেত পাকিস্তান থেকেই। কিন্তু সেলাই করা ফুটবলে এখন আর খেলা হয় না। এখন এসেছে থার্মো বন্ডেড ফুটবল। তবে নতুন প্রযুক্তিতেও সেরা ফুটবল তৈরি হয় শিয়ালকোটেই।
.
শিশুশ্রম ব্যবহার করা হচ্ছে, এই অভিযোগে ২০০৬ সালে শিয়ালকোটের সমস্ত বরাত বাতিল করেছিল ক্রীড়া-সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক সংস্থা নাইকি। অভিযোগ ছিল, সেলাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে শিশুদের ছোট ছোট হাত। তবে থার্মো-বন্ডেড ফুটবলে সেই ঝামেলা নেই। নতুন প্রযুক্তিতে অনেকটাই কমেছে শিশুশ্রমের ব্যবহার। 
.
শিয়ালকোটে ফুটবল তৈরির শুরু অনেকটা কাকতালীয় ভাবেই। ভারতে বসবাসকারী ব্রিটিশদের কাছে ফুটবল বরাবরই ছিল জনপ্রিয় খেলা। তাঁদের জন্য জাহাজে করেই ইংল্যান্ড থেকে ফুটবল আসত ভারতে। অনেক সময়ই ফুটবল আসতে দেরি হত। 
.
১৮৮৯  সালে শিয়ালকোটের এক ব্রিটিশ সেনা তাঁর খারাপ হয়ে যাওয়া ফুটবলটি সারাতে দেন স্থানীয় মুচিকে। তাঁর কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে একটি ফুটবল বানানোর বরাত দেন তিনি। শিয়ালকোটে বানানো প্রথম ফুটবল সেটিই। তারপর থেকেই শুরু ফুটবল মাঠে শিয়ালকোটের একক আধিপত্য।

লেখা: Ahmed Rafique Barki
কপি

পেস্ট

বিষাক্ত কাগজ,,,, স্কুল প্রোগ্রাম ফেইসবুক থেকে

সন্ধ্যা রাতে তরুণী বসে, পড়ছে ক্লাসের পড়া

মাথা চুলকায় মাথা যে তার ,খুশকি উকুনে ভরা।


কাছে চিকন চিরুনি পেয়ে, মারতে লাগল মাথায়

 উকুন খুশকি পড়তে লাগল, খোলা বইয়ের পাতায়।


বইয়ের পাতায় জ্যান্ত উকুন পিলপিলিয়ে হাঁটে

পিষে তাদের মারছে খুকি, শক্ত নখের পিঠে।


ধুলাবালি উকুন খুশকি হাজার ময়লা মাখা

 বইখানিরে বছর শেষে বাক্সে হল রাখা।


বিকেল বেলা খবর কাগজ পড়তে বসে দাদু 

কোলে নিয়ে নাদুস নুদুস নাতনি সোনা যাদু।


হঠাৎ সোনা দাদুর কুলেই করে দিল হিসু

কিছুই তো নেই পেপার হল মুত্র মোছার টিস্যু।


ছোট্ট শিশুর সর্দি নাকে মুছতে ডাকে মা কে

 মায়ের হাতের পেপার ছিল মারল ঘষা নাকে।


মল মূত্র সর্দি মাখা ময়লা পেপার যত

 তুলে রাখল সেই বাক্সে ময়লা বইয়ের মত।


কাগজ পেয়ে বাঁধল বাসা টিকটিকি ও উই

 তেলাপোকা ইঁদুর বাবু সঙ্গে ইতর দুই।


বাসা বেঁধে ইঁদুর বাচ্চা দিচ্ছে মাসে মাসে

কাগজ মাখে প্রসবকালীন ময়লা রক্ত রসে।


বাথরুম নেই তেলাপোকার নেই কো ধোয়ার জল

 এই কাগজেই ত্যাগ করে তাই মূত্র এবং মল।


হঠাৎ করে কাগজ কেনার হকার ব্যাটা এসে

 টিকটিকিদের সুখের বাসা ভেঙ্গে দিল শেষে।


কিনে নিল পুরনো কাগজ হাজার ময়লা যাতে

 পৌঁছে গেল আচার মুড়ি ফুচকাওয়ালার হাতে।


এই কাগজে আমরা সবাই খাবার রেখে খাই

 দোহাই লাগে এমন কাজটি আর করো না ভাই।


পথের ধারে আচার দেখে জ্বিবে এল জল 

মুখে নেস নে কাগজে ভাই তেলাপোকার মল।


ময়লা জেনেও কাগজে খাই আমরা আজব বোকা

 সভ্য সাজের অন্তরালে ময়লা খাওয়ার পোকা।


শিরোনাম বিষাক্ত কাগজ

 লেখায় MD Fardos AHMED 

কপি

পেস্ট

সুন্দর একটি মোনাজাত,,,,, ফেইসবুক থেকে,,

❝ সুন্দর একটি মোনাজাত❞ 🤲


🌸.ইয়া আল্লাহ!!আমি জানিনা অতীতে কতটা পাপ করেছি, কতো ভুল করেছি জেনে না-জেনে, কত মানুষকে কষ্ট দিয়েছি, কত ওয়াক্ত নামাজ কাজা করেছি, কার কার নামে গীবত করেছি, কার কার নামে সমালোচনা করেছি, কত কি দেখে হিংসা করেছি! আসতাগফিরুল্লাহ্।🌸


খারাপ চিন্তা করে কতটা পাপ করেছি। 

চোখের দারা কতটা পাপ করেছি।

নাকের দারা কতটা পাপ করেছি। 

মুখের দারা কতটা পাপ করেছি। 

কানের দারা কতটা পাপ করেছি। 

হাতের দারা কতটা পাপ করেছি। 

পায়ের দারা কতটা পাপ করেছি। 

লাজুক জায়গা দারা কতটা পাপ করেছি। আমি আজ আপনার কাছে খালেছ তাওবা করতেছি,আমাকে দয়া করে মাপ করে দিন,আমি আর ইচ্ছে করে, কোন গুনাহের পথে জেতে চাই না।🌸


🌸·ইয়া আল্লাহ!! আপনি এখন আমাকে এমনভাবে তৈরি - করুন যাতে এসব থেকে আস্তে আস্তে মুক্তি পেতে পারি। আমাকে আলোর পথ দেখান, আমার মনে ইসলামের প্রেম বাড়িয়ে দিন। আমার মনে আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ভালবাসা এনে দিন। ইসলামকে জানার ইচ্ছা বাড়িয়ে দিন।


🌸ইয়া আল্লাহ!! কোনো বিপদ আসার আগেই আমাকে তা থেকে রক্ষা করুন। আমাকে বদনজর থেকে রক্ষা করুন। আমাকে পাপ থেকে দূরে থাকার তৌফিক দান করুন। গুনাহ মুক্ত জীবন দান করুন,আমি আজ থেকে আপনার হুকুম মত চলতে চাই,আমাকে চলার তৌফিক দিন!


🌸 ইয়া আল্লাহ, আমার ঈমান বৃদ্ধি করে দিন, আমার মনকে নরম বানিয়ে দিন,আমাকে কান্নাআলা চোখ দান করুন, আমাকে বেশি বেশি তওবা করার তৌফিক দিন। আমাকে হেদায়েত দান করুণ,আমার মনের নেক আশা পুরা করে দিন,আমাকে গায়েব থেকে রিজিক দিন,আমাকে নেক সন্তান দান করুন,আমার মত এই পৃথিবীতে জত মানুষ আছে,সবাইকে আপনি সাহায্য করুন,সবার মনের নেক আশা পুরা করে দি,🌸


ইয়া আল্লাহ- আপনি যে আমাকে ভালোবাসেন, তার উছিলায় আমার দোয়াকে কবুল করুন, 

কপি
পেস্ট

এটা কোন কোচিং সেন্টার না।,,, টপ টু বটম রিসার্চ ,,,, ফেইসবুক থেকে

ME = আমাকে, US=আমাদিগকে, YOU=তোমাকে, HIM=তাকে, HER=তাকে (স্ত্রী) এবং RAHIM = রহিমকে। এগুলো সাথে যদি PREPOSITION বসানো হয়, তার অর্থ দাড়ায় FOR ME = আমার জন্য, FOR US=আমাদের জন্য, FOR YOU=তোমার জন্য, FOR HIM=তার জন্য, FOR HER=তার জন্য (স্ত্রী) এবং FOR RAHIM রহিমের জন্য ইত্যাদি ব্যবহার করে খুব দ্রুত ১০ বার পড়েন।

.

অন্যান্য PREPOSITION ব্যবহার করলে দাড়ায়: FOR ME=আমার জন্য, TO ME=আমার কাছে, FROM ME =আমার কাছ থেকে, BY ME= আমার দ্বারা, ON ME=আমার উপরে, WITH ME=আমার সাথে, ABOVE ME= আমার উপরে, BELLOW ME=আমার নিচে, UNDER ME= আমার নিচে, ABOUT ME=আমার সম্বন্ধে, AFTER ME=আমার পরে, BEFORE ME=আমার আগে এবং WITHOUT ME=আমারে ছাড়া ইত্যাদি ব্যবহার করে খুব দ্রুত ১০ বার পড়েন।

.

আপনি যদি ইংরেজির Eও না জানেন বা সর্বোচ্চ শিক্ষিত হন আর কোনটি সঠিক ইংরেজি আর কোনটি সঠিক ইংরেজি না, তা না বুঝেন বা ইংরেজিতে যত দুর্লতা-ই হোন না কেন, আপনি কিভাবে ইংরেজিতে কথা বলবেন এই দায়িত্ব আমার। আর আপনার দায়িত্ব হচ্ছে আমার SHEET দেখে দেখে PRACTISE করা। আমি শুধু একজন করে পড়াই।

এটা কোন কোচিং সেন্টার না।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা=================

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা । ইংরেজি আমরা SECOND LANGUAGE হিসাবে পড়ি । আমাদের দেশের POST GRADUATE PASS করা ৯০% লোক ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না এমনকি ভালভাবে বুঝেও না । এর প্রধান কারণ হল ইংরেজি বইগুলো এবং শিক্ষা পদ্ধতিগুলো যেভাবে তৈরী করা হয়েছে, সেগুলো যারা তৈরী করেছে তাদেরকে ছাড়া ইংরেজি শিক্ষকরাও বুঝে না; শিক্ষকদেরকে যারা প্রশিক্ষন দেয় তারাও বুঝে না । যদি সরকার চায় এবং আমাকে সাহায্য করে তাহলে আমি একটি কার্যকারি ইংরেজি শিক্ষার সহজ FORMULA দিতে পারব । যার ফলে পঞ্চম শ্রেনী পাশ করার পর ছাত্র-ছাত্রীরা অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলতে পারবে এবং স্বাধীনভাবে ইংরেজি লেখতে পারবে।

EXAMPLE

=======

1. I will be able to go = আমি যেতে পারব

2. We will be able to go = আমরা যেতে পারব

3. You will be able to go = তুমি যেতে পারবে

4. You will be able to go = তোমরা যেতে পারবে

5. He will be able to go = সে যেতে পারবে

6. She will be able to go = সে যেতে পারবে

7. Karim will be able to go = করমি যেতে পারবে

8. your son will be able to go = তোমার ছেলে যেতে পারবে

9. My daughter will be able to go = আমার মেয়ে যেতে পারবে

10. They will be able to go = তার যেতে পারবে

11. All will be able to go = সবাই যেতে পারবে

12. Everybody will be able to go = প্রত্যেকে যেতে পারবে

13. One will be able to go = একজন যেতে পারবে

EXAMPLE

=======

I went to the office = আমি অফিসে গিয়েছিলাম

We went to the office = আমরা অফিসে গিয়েছিলাম

You went to the office = তুমি অফিসে গিয়েছিলে

You went to the office = তোমরা অফিসে গিয়েছিলে

He went to the office = সে অফিসে গিয়েছিল

She went to the office = সে অফিসে গিয়েছিল

Karim went to the office = করিম অফিসে গিয়েছিল

your son went to the office = তোমার ছেলে অফিসে গিয়েছিল

My daughter went to the office = আমার মেয়ে অফিসে গিয়েছিল

They went to the office = তার অফিসে গিয়েছিল

All went to the office = সবাই অফিসে গিয়েছিল

Everybody went to the office = প্রত্যেকে অফিসে গিয়েছিল

One went to the office = একজন অফিসে গিয়েছিল

EXAMPLE

=======

1 . I was in the meeting = আমি মিটিং এ ছিলাম

1 . I had a meeting = আমার মিটিং ছিল

2 . We were in the meeting = আমরা মিটিং এ ছিলাম

2 . We had a meeting = আমাদের মিটিং ছিল

3 . You were in the meeting = তুমি মিটিং এ ছিলে

3 . You had a meeting = তোমার মিটিং ছিল

4 . You were in the meeting = তোমরা মিটিং এ ছিলে

4 . You had a meeting = তোমাদের মিটিং ছিল

5 . He was in the meeting = সে মিটিং এ ছিল

5 . He had a meeting = তার মিটিং ছিল

6 . She was in the meeting = সে (স্ত্রী) মিটিং এ ছিল

6 . She had a meeting = তার মিটিং ছিল

7 . Karim was in the meeting = করিম মিটিং এ ছিল

7 . Karim had a meeting = করিমের মিটিং ছিল

8 . your son was in the meeting = তোমার ছেলে মিটিং এ ছিল

8 . your son had a meeting = তোমার ছেলের মিটিং ছিল

9 . My daughter was in the meeting = আমার মেয়ে মিটিং এ ছিল

9 . My daughter had a meeting = আমার মেয়ের মিটিং ছিল

10 . They were in the meeting = তারা মিটিং এ ছিল

10 . They had a meeting = তাদের মিটিং ছিল

11 . All were in the meeting = সবাই মিটিং এ ছিল

11 . All had a meeting = সবার মিটিং ছিল

12 . Everybody was in the meeting = প্রত্যেকে মিটিং এ ছিল

12 . Everybody had a meeting = প্রত্যেকের মিটিং ছিল

13 . One was in the meeting = একজন মিটিং এ ছিল

13 . One had a meeting = একজনের মিটিং ছিল

এ রকম শত রকম সমাধান আমাদের SHEET এ দেওয়া আছে।

আমি কিভাবে পড়াই তার দুটি LOSSEN এর দুটি লাইন দিলাম।

যা না শিখতে পারলে ইংরেজিতে কথা বলা ও লেখা যায় না।

EXAMPLE

=======

DO VERB & BE (AM, IS, ARE) VERB

---------------------------------------

1 . I was in the meeting = আমি মিটিং এ ছিলাম

1 . I had a meeting = আমার মিটিং ছিল

2 . We were in the meeting = আমরা মিটিং এ ছিলাম

2 . We had a meeting = আমাদের মিটিং ছিল

3 . You were in the meeting = তুমি মিটিং এ ছিলে

3 . You had a meeting = তোমার মিটিং ছিল

4 . You were in the meeting = তোমরা মিটিং এ ছিলে

4 . You had a meeting = তোমাদের মিটিং ছিল

5 . He was in the meeting = সে মিটিং এ ছিল

5 . He had a meeting = তার মিটিং ছিল

6 . She was in the meeting = সে (স্ত্রী) মিটিং এ ছিল

6 . She had a meeting = তার মিটিং ছিল

7 . Karim was in the meeting = করিম মিটিং এ ছিল

7 . Karim had a meeting = করিমের মিটিং ছিল

8 . your son was in the meeting = তোমার ছেলে মিটিং এ ছিল

8 . your son had a meeting = তোমার ছেলের মিটিং ছিল

9 . My daughter was in the meeting = আমার মেয়ে মিটিং এ ছিল

9 . My daughter had a meeting = আমার মেয়ের মিটিং ছিল

10 . They were in the meeting = তারা মিটিং এ ছিল

10 . They had a meeting = তাদের মিটিং ছিল

11 . All were in the meeting = সবাই মিটিং এ ছিল

11 . All had a meeting = সবার মিটিং ছিল

12 . Everybody was in the meeting = প্রত্যেকে মিটিং এ ছিল

12 . Everybody had a meeting = প্রত্যেকের মিটিং ছিল

13 . One was in the meeting = একজন মিটিং এ ছিল

13 . One had a meeting = একজনের মিটিং ছিল

এ রকম শত রকম সমাধান আমাদের SHEET এ দেওয়া আছে।

EXAMPLE

=======

1. I said to take it = আমি ইহা নিতে বলেছিলাম

2. We said to take it = আমরা ইহা নিতে বলেছিলাম

3. You said to take it = তুমি ইহা নিতে বলেছিলে

4. You said to take it = তোমরা ইহা নিতে বলেছিলে

5. He said to take it = সে ইহা নিতে বলেছিল

6. She said to take it = সে ইহা নিতে বলেছিল

7. Karim said to take it = করিম ইহা নিতে বলেছিল

8. your son said to take it = তোমার ইহা নিতে বলেছিল

9. My d. said to take it = আমার মেয়ে ইহা নিতে বলেছিল

10. They said to take it = তারা ইহা নিতে বলেছিল

11. All said to take it = সকলে ইহা নিতে বলেছিল

12. E.body said to take it = প্রত্যেকে ইহা নিতে বলেছিল

13. One said to take it = একজন ইহা নিতে বলেছিল

EXAMPLE

=======

1 . I must have to go = আমাকে অবশ্যই যেতে হবে

2 . We must have to go = আমাদেরকে অবশ্যই যেতে হবে

3 . You must have to go = তোমাকে অবশ্যই যেতে হবে

4 . You must have to go = তোমাদেরকে অবশ্যই যেতে হবে

5 . He must have to go = তাকে অবশ্যই যেতে হবে

6 . She must have to go = তাকে অবশ্যই যেতে হবে

7 . Karim must have to go = করিমকে অবশ্যই যেতে হবে

8 . Your son must have to go = তোমার ছেলেকে অবশ্যই যেতে হবে

9 . My daughter must have to go = আমার মেয়েকে অবশ্যই যেতে হবে

10 . They must have to go = তাদেরকে অবশ্যই যেতে হবে

11 . All must have to go = সবাইকে অবশ্যই যেতে হবে

12 . Everybody must have to go = প্রতেককে অবশ্যই যেতে হবে

13 . One must have to go = একজনকে অবশ্যই যেতে হবে

ব্যর্থতার কারণ

==========

উচ্চ শিক্ষিত লোকেরা কেন এতো লেখাপড়া করেও ইংরেজিতে দুর্বল?

1. আপনারা যদি ৫ম ক্লাসে স্বাধীনভাবে ৩০ মিনিট থেকে ৪৫ মিনিট ইংরেজিতে কথা বলতে না পারেন তাহলে আপনার ফি নিয়ে যাবেন। আমাদের PAGE ভালোভাবে পড়েন। আর কোন কিছু মুখস্ত করতে হবে না। আপনি কিভাবে ইংরেজিতে কথা বলবেন এই দায়িত্ব আমার। আর আপনার দায়িত্ব হচ্ছে আমার সাথে প্র্যাকটিস করা এবং বাসায় কিছু আমার SHEET এর মধ্যে দেখে দেখে প্র্যাকটিস। বিশ্বাস না হলে ২০০ টাকার স্ট্যাম্প নিয়ে আসবেন। ইংরেজি শিক্ষার ব্যর্থতার কিছু কারণ নিম্নে দেওয়া হলো।

2. ১৭০০ সালের ENGLISH GRAMMAR বইয়ের ধারাবাহিকতা;

3. NATIONAL CURRICULUM AND TEXTBOOK BOARD এর বইগুলোতে যেভাবে ইংরেজি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে, তা থেকে ছাত্ররা কিছু শিখতে পারছে না;

4. NATIONAL CURRICULUM AND TEXTBOOK BOARD এর বই অনুসারে PRIMARY SCHOOL এর প্রায় ৯৫% শিক্ষক ছাত্রদের প্রয়োজন অনুসারে বুঝাতে ব্যর্থ;

5. PRIMARY SCHOOL এ ছাত্ররা ইংরেজিতে দুর্বল থাকার কারণে HIGH SCHOOL গিয়ে ইংরেজি শিক্ষা থেকে পালিয়ে বেড়ায়;

6. ইংরেজি শিক্ষাকে জলাতঙ্ক রোগের মত ভয়ে থাকা;

6. পরীক্ষায় পাশ করা ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার কারণ;

8. অপ্রয়োজনীয় ইংরেজি শিক্ষার প্রেসার। যা পড়লে ইংরেজি শিখা সহজ হবে, তাকে FIND OUT করতে না পারা;

9. বই পাঠ্যকরণ নিয়ে বানিজ্য;

10 বই পাঠ্য করণ নিয়ে যুগ উপযোগী বিশ্লেষণ না থাকা বা করা;

11. নতুন কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থাকে মূল্যায়ন না করা;

12. PRIMARY AND HIGH SCHOOL গুলিতে বৃটিশ পদ্ধতি এবং LITERATURE SYSTEM শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও চালু রাখা;

13. হয়রানী মূলক GRAMMAR শিক্ষা ব্যবস্থা;

14. কোচিং লেখাপড়ার উপর প্রাধান্য দেওয়া;

15. ছাত্রদের সমস্যা চিহ্নিতকরণ শিক্ষাবিদের অভাব;

16. শিক্ষা পেশার জন্য আলাদা শিক্ষা ব্যবস্থা না করা;

17. ছাত্ররা পোস্ট গ্রাজুয়েশন করার পরও কোন কোন ইংরেজি শিখলে; ইংরেজিতে কথা বলতে পারবে তা না জানা;

18. শুধু VOCABULARY মুখস্ত করা ও

19. বিভিন্ন বই থেকে SENTENCE মুখস্ত করা

.

কিভাবে আমাদের কাছে ইংরেজি শিখবেন তার নিয়ম নিম্নে দেওয়া হলো:

-----------------------------------------------------------------

কোর্সের মেয়াদ ৩ মাস। সপ্তাহে তিন দিন এক ঘন্টা করে আমার সাথে প্র্যাকটিস করবেন। তারপর দেখে দেখে দেড় ঘন্টা আমার সীটের উপর প্র্যাকটিস করবেন। কিন্তু কোন Lesson মুখস্ত করতে হবে না। মুখস্ত করে ইংরেজিতে কথা বলা যায় না । শুধু একক ভাবে পড়ানো হয়। কোর্স ফি --------- টাকা। প্রথম ভর্তির সময় ---------টাকা, একমাস পড়ার পর ------------টাকা এবং দ্বিতীয় মাস পড়ার পর ---------টাকা। তিন কিস্তিতে টাকা পেমেন্ট করবেন। সকল প্রকার স্টাডি মেটেরিয়ালস আমি দিব। মোবাইল, WhatsApp, imo ও viberএ ক্লাস করানো হয়। আবার কেউ কমলাপুর এসেও পড়তে পারবেন। মোবাইল খরচ আমিই দিব। ৫ম ক্লাসে স্বাধীনভাবে 30 থেকে 45 মিনিট ইংরেজিতে কথা বলতে না পারলে ঐ দিনই টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে। অবিশ্বাস হলে ২০০ টাকার স্ট্যাম্প নিয়ে আসবেন। বর্তমানে কমলাপুর পড়ানো হয়। বসুন্ধরার অফিসের বিল্ডিং এ এখন কাজ চলছে। আমার এটা কোচিং সেন্টার নয়। এটা হলো ইংলিশ রিসার্স ইনস্টিটিউশন। কোর্স ফি নিয়ে কোন দর কষাকষি করবেন না। আপনি কিভাবে ইংরেজিতে কথা বলবেন এই দায়িত্ব আমার। আপনার দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিদিন দেখে দেখে দেড় ঘন্টা প্র্যাকটিস করা। আমরা PRIMARY LEVEL থেকে শুরু করে MASTERS LEVEL পর্যন্ত ENGLISH শিখাই। PLEASE ফোন করে কোর্স ফি জেনে নিবেন। আর আমার Top to Bottom English Research Institution visit করে দুই এক দিন POST গুলো পড়বেন।

আপনি প্রতিদিন কী করেন তা দেওয়া হল

-------------------------------------------

1. I get up at 5.00 am=আমি সকাল ৫ টায় উঠি

2. I go to fresh room= আমি ফ্রেশ রুমে যাই

3. I use fresh room= আমি ফ্রেশ রুম ব্যবহার করি

4. I get out from fresh room= আমি ফ্রেশ রুম থেকে বের হই

5. I brush (my) teeth= আমি (আমার) দাঁত মাঝি

6. I wash (my)hands & face= আমি (আমার) হাত মুখ ধুই

7. I make Ablution= আমিঅজুকরি

8. I wipe (my) hands & face= আমি (আমার) হাত মুখ মুছি

9. I pray Fazar= আমি ফজরের নামাজ পড়ি

10. I wake up (my)children= আমি (আমার) বাচ্চাদেরকে উঠাই

11. I go to morning walk= আমি সকালে হাটতে যাই

12. I walk for sometime.= আমি কিছুক্ষন হাটি

13. I come back at home= আমি বাসায় ফিরে আসি

14. I go back to residence= আমি বাসায় ফিরে যাই

15. I take Exercise= আমি ব্যায়াম করি

16. I take bath/shower= আমি গোছল করি

17. I wear (my)dress= আমি (আমার) কাপর পরি

18. I get Ready= আমি রেডী হই

19. I take Breakfast= আমি সকালের নাস্তা করি

20. I get out from residence= আমি বাসা থেকে বের হই

21. I get into car/ rickshaw= আমি গাড়িতে বা রিক্সায় উঠি

22. I reach to office= আমি অফিসে গিয়ে পৌঁছাই

23. I get down from car/ rickshaw= আমি গাড়িতে বা রিক্সা থেকে নামি

24. I enter into(my) office= আমি (আমার) অফিসে প্রবেশ করি

25. I look after (my) work= আমি (আমার) কাজ দেখা শোনা করি

26. I speak over mobile phone= আমি মোবাইলে কথা বলি

27. I receive Phone= আমি ফোন রিসিভ করি

28. I call (my) manager= আমি (আমার) ম্যানেজারকে ডাকি

29. I speak with(my) staff= আমি (আমার) স্টাফদের সাথে কথা বলি

30. I hold a meeting= আমি মিটিং করি

31. I read news paper= আমি পত্রিকা পড়ি

32. I start (my) work = আমি (আমার) কাজ শুরু করি

33. I work up to 1.00 pm.= আমি ১টা পর্যন্ত কাজ করি

34. I say johar prayer = আমি জোহরের নামাজ পরি

35. I take/ have lunch at 2p.m.= আমি দুপুরের খাবার খাই

36. I take/ have rest for sometime= আমি কিছুক্ষন রেস্ট নেই

37. I restart (my) work= আমি পুনরায় (আমার) কাজ শুরু করি

38. I work for sometime= আমি কিছুক্ষন কাজ করি

39. I take/ have Snacks and tea= আমি চা নাস্তা খাই

40. I finish (my) work= আমি (আমার) কাজ শেষ করি

41. I leave (my) office= আমি (আমার) অফিস ত্যাগ করি

42. I get into car= আমি গাড়িতে উঠি

43. I arrive at home= আমি বাসায় এসে পৌঁছাই

44. I get down from car= আমি গাড়ি থেকে নামি

45. I enter into(my)home= আমি (আমার) বাসায় প্রবেশ করি

46. I come back at home at 9.00 pm.= আমি রাত ৯টায় বাসায় ফিরে আসি

47. I change (my) dress= আমি (আমার) কাপর পাল্টাই

48. I freshen (myself)= আমি নিজে ফ্র্যাশ হই

49. I play with(my)children= আমি (আমার) বাচ্চাদের সাথে খেলি

50. I watch TV= আমি টিভি দেখি

51. I read esha prayer = আমি এশার নামাজ পড়ি

52. I take dinner/supper= আমি রাতের খাবার খাই

53. I gossip with(my) family = আমি (আমার) পরিবারের সাথে গল্প করি

54. I listen News= আমি খবর শোনি

55. I go to sleep at 12 midnight.= আমি রাত ১২টায় ঘুমাতে যাই

56. I make Breakfast=আমি সকালের নাস্তা বানাই

57. I say (my)maid to sweep= আমি (আমার) বুয়াকে ঘর ঝাড়ু দিতে বলি

58. I prepare (my) children= আমি (আমার ) বাচ্চাদেরকে প্রস্তুত করি

59. I Feed breakfast (my) children=আমি (আমার ) বাচ্চাদেরকে সকালের নাস্তা খাওয়াই

60. I drop (my)son at his school= আমি (আমার) ছেলেকে তার স্কুলে নামাই

61. I buy Something=আমি কিছু কিনি

62. I work at house =আমি বাসায় কাজ করি

63. I cook Lunch= আমি দুপুরের খাবার রান্না করি

64. I say (my) maid to cook= আমি (আমার) বুয়াকে রান্না করতে বলি

56. I bathe (my) children= আমি (আমার ) বাচ্চাদেরকে গোছল করাই

66. I feed Lunch all= আমি সবাইকে দুপুরের খাবার খাওয়াই

67. I lull sleep (my) children= আমি (আমার ) বাচ্চাদেরকে ঘুম পাড়াই

68. I teach (my) children= আমি (আমার ) বাচ্চাদেরকে পড়াই

69. I cook Dinner= আমি রাতের খাবার রান্না করি

70. I say (my) maid to cook= আমি (আমার) বুয়াকে রান্না করতে বলি

71. I tidy the table= আমি টেবিল গোছাই

72. I say (my) maid to wash utensils=আমি (আমার) বুয়াকে থালা বাসন ধুতে বলি

73. I clothe (my) children= আমি (আমার ) বাচ্চাদেরকে কাপর পরাই

74. I rig up Mosquito net= আমি মশারি খাটাই

75. I sweep the floor= আমি ঘর ঝাড়ু দেই

76. I wet the cloths= আমি কাপর ভিজাই

Note: প্রত্যেটি SENTENCE এর উপর একটি করে PRACTICE SHEET আছে এবং তা PRACTICE করানো হবে।

1. I go to the office = আমি অফিসে যাই

2. I went to the office = আমি অফিসে গিয়েছিলাম

3. I have gone to the office = আমি অফিসে গিয়েছি

4. I will go to the office = আমি অফিসে যাব

5. I am going to the office = আমি অফিসে যাচ্ছি/ যাইতেছি

6. I was going to the office = আমি অফিসে যাচ্ছিলাম

7. I have been going to the office = আমি অফিসে যাচ্ছি

8. I can go to the office = আমি অফিসে যেতে পারি

9. I could go to the office = আমি অফিসে যেতে পারতাম

10. I will be able to go to the office = আমি অফিসে যেতে পারব

11. I may go to the office = আমি অফিসে যেতে ও পারি

12. I might go to the office = আমি হয়ত অফিসে যেতে পারতাম

13. I must go to the office = আমি অবশ্যই অফিসে যাব

14. I must have gone to the office = আমি অবশ্যই অফিসে গিয়েছি

15. I should go to the office = আমার অফিসে যাওয়া উচিৎ

16. I should have gone to the office = আমার অফিসে যাওয়া উচিৎ ছিল

17. I have to go to the office = আমাকে অফিসে যেতে হবে

18. I had to go to the office = আমাকে অফিসে যেতে হয়েছিল

19. I am to go to the office = আমাকে অফিসে যেতে হয়

20. I was to go to the office = আমাকে অফিসে যেতে হয়েছিল

21. I am supposed go to the office = আমার অফিসে যাওয়ার কথা

22. I was supposed go to the office = আমার অফিসে যাওয়ার কথা ছিল

23. I used to go to the office = আমি অফিসে আগে যেতাম

24. I would go to the office = আমি অফিসে যেতাম 

25. If I were xy I would go to the office = যদি আমি xy হতাম তাহলে আমি অফিসে যেতাম  

26. If I had xy I would go to the office go = যদি আমার xy থাকত তাহলে আমি অফিসে যেতাম

27. If you went I would go to the office = যদি তুমি যেতে তাহলে আমি অফিসে যেতাম

28. I make him bring = আমি তাকে দিয়ে আনাই

29. I made him bring = আমি তাকে দিয়ে আনিয়েছিলাম

30. I will make him bring = আমি তাকে দিয়ে আনাব 


কপি
পেস্ট

শিক্ষণীয়গণসচেতনতামূলকপোস্ট,,,,,

★★শিক্ষণীয়গণসচেতনতামূলকপোস্ট ★_

★★শুনেছি তুরস্কের বেশির ভাগ

 মসজিদের দেওয়ালে একটা কথা লিখা থাকে !


কথাটি হলো :

"মুহতারাম !

 নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে 

পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন ।"


আরব প্রবাসীদের তথ্যমতে, 

আরব দেশে 

বাচ্চারা মসজিদে মোটামোটি উপস্থিত থাকে । তাদের যেখানে ইচ্ছা খেয়াল খুশী মতো কাতারে দাঁড়ায় ।

 বড়রা কিছু বলেনা, 

এমনকি অনেক সময় নামাজের সময় বাচ্চারা পেছনে বা সামনে কোন কাতারে হইহুল্লোড় করছে, অথচ নামাজ শেষে ইমাম, মুসল্লি কেউ কিছু বলেনা ।


 ★একদিন একজনকে জিজ্ঞেস করা হলো : 

বাচ্চারা এতো ডিস্টার্ব করার পরও তাদেরকে কেউ কিছু না বলার কারণ কী ? 

তিনি উত্তর দিলেন, 

বাচ্চারা হলো ফেরেশতার মতো । 

তারা এখানে আসবে, একটু দুষ্টামি করবে কিন্তু দেখতে দেখতে এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে । 

দুষ্টামির ব্যাপারটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে, সেটা কোন ব্যাপার না ।

 কিন্তু এখন যদি তাদেরকে মসজিদে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় কিংবা প্রহার করা হয়, 

তাহলে তো সে আর কখনও আসতেই চাইবেনা ।


কতই না সুন্দর যুক্তি !!!


কিন্তু তার ঠিক..

 উল্টো চিত্র দেখবেন আমাদের বাংলাদেশে ।

 আমি এমনও দেখেছি নাতীকে মসজিদে নিয়ে আসার কারণে দাদার সাথে 

আরেকজনের মারামারি লেগে যাচ্ছিলো প্রায় । তাছাড়া এলাকার সিজনাল মুরব্বিরা তো মসজিদে গেলে বড় বড় মোল্লা হয়ে যায় । 

সামনের কাতারে তো ছোটদের দাঁড়াতে দেই না, 

বরং বাচ্চারা আওয়াজ করলে

 চড়-থাপ্পর এসব তো আছেই । 

আমাদের মতো মোল্লারাও এটাকে এড়িয়ে যায় ।


অতএব, 

এ ব্যাপারে তরুণদের সতর্ক হওয়া দরকার, মুরব্বিদেরকে তাদের এসব বুঝানো এবং আমাদের হুজুরদের বয়ানেও এসব স্পষ্ট করা দরকার । 

তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্ম তথা 

বাচ্চারা মসজিদমুখী হতে আগ্রহী হবে ।

               

                (সংগৃহীত) 

কপি
পেস্ট

স্ত্রীর কাছে স্বামীর ১৭ টি হক আছে,,❤️ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

★★স্ত্রীর কাছে স্বামীর ১৭ টি হক আছে★★


🎙 কোন কোন হক স্ত্রীকে আদায় করতে হবে?


১/ সর্বদা স্বামীর মন জয় করার চেষ্টা করা।


২/ স্বামীর সাথে উচ্ছে সুরে আচরণ না করা,স্বামীকে কষ্ট না দেওয়া।


৩/ শরীয়ত সম্মত প্রত্যেক কাজে স্বামীর আনুগত্য করা এবং শরীয়ত বিরোধী কাজে অপারগতা তুলে ধরা এবং স্বামীর সাথে নরম ভাষায় কথা বলা।


৪/ প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভরণ-পোষণ দাবি না করা।


৫/পর-পুরুষের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক না রাখা।


৬/স্বামীর অনুমতি ছাড়া কাউকে ঘরে ঢোকার অনুমিত না দেওয়া।


৭/ অনুমতি ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়া।


৮/ স্বামীর সম্পদ হেফাজত করা। অনুমতি ছাড়া সেখান থেকে কাউকে কোন কিছু না দেওয়া।


৯/ স্বামীকে অসন্তুষ্ট করে অতিরিক্ত নফল নামাজে মশগুল না থাকা,অতিরিক্ত নফল রোজা না রাখা।


১০/ স্বামী মেলামেশার জন্য আহবান করলে শরীয়ত সম্মত কোন ওজর না থাকলে আপত্তি না করা।


১১/ স্বামীর আমানত হিসেবে নিজের ইজ্জত আব্রু হেফাজত করা,কোন ধরনের খেয়ানত না করা।


১২/ স্বামী দরিদ্র কিংবা অসুন্দর হওয়ার কারণে তাকে তুচ্ছ না করা।


১৩/ স্বামীকে কোন গুনাহের কাজ করতে দেখলে আদবের সাথে,সম্মানের সাথে,নরম মেজাজে তাকে বোঝানো এবং তাকে বিরত রাখা।


১৪/ স্বামীর নাম ধরে না ডাকা।


১৫/ কারো কাছে স্বামীর দোষ-ত্রুটি বর্ণনা না করা।


১৬/ শ্বশুর-শাশুরিকে সম্মানের পাত্র মনে করা,তাদেরকে শ্রদ্ধা করা,ঝগড়া-বিবাদ কিংবা অন্য কোন উপায়ে কষ্ট না দেওয়া।


১৭/সন্তানদের লালন পালনে অবহেলা না করা। 


আল্লাহ-তায়ালা আমাদের মা-বোন এবং সমাজের প্রত্যেকটি স্ত্রীদেরকে এই গুন গুলোতে গুণান্বিত হওয়ার তৌফিক দান করুন।

(আমিন)


🕌 সবাই মেনে চলার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ, তবেই ইহকাল ও পরকালে শান্তি পাবেন।

ইনশাআল্লাহ।

কপি

পেস্ট 

মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২

স্বামীর সাথে যখন ঝামেলা চলছিলো তখন,,,,, নাসিমা আক্তার সিমা,,,, ফেইসবুক থেকে

 স্বামীর সাথে যখন ঝামেলা চলছিলো তখন অনেকে বলেছিলো স্বামীর সাথে বনিবনা না হলে ছেড়ে দেও! এর চেয়ে কত ভালো ছেলে পাবে, কারণ তোমার চাকুরী আছে। আমিও ভেবে দেখেছিলাম তাই তো!!!

কিন্তু বাস্তবতা পুরোটাই উল্টো, যত ভালো জবই থাকুক না কেন!!!


দ্বিতীয় বার যখন কেউ আপনাকে বিয়ে করতে আসবে,বা বিয়ে করবে হয় সে আপনাকে করুনা করবে, না হয় সমাজ -পরিবারের কথা চিন্তা করে আপনাকে রাজি হয়ে যেতে হবে দায়মুক্তির জন্য!!


ডিভোর্স পরবর্তী বিয়ে করা এক আপুর সাথে আলাপ হলে, বলল ভাই বিয়ের ৩/৪ মাস ভাল গেলেও এখন প্রতিনিয়ত খোটা দেয়। আমি ভালো হইলে আমার কেন ডিভোর্স হলো!! আমি খারাপ, নষ্ট, বদ মেজাজী ইত্যাদি। কিন্তু এখন এসব অপমান সহ্য করে সংসার করে যেতে হবে মুখ বুজে!!

আগের যে ফ্রীডম ছিল এখন তা নাই মনের দিক থেকে বড় হয়ে আর থাকতে পারিনা। সব সময় নিজেকে ছোট মনে হয়।।


দ্বিতীয় পুরুষের ছোয়ায় প্রথম স্বামীর অনুভূতি গুলো মনের পরার মত এত বাজে অভিজ্ঞতা যেন কারো না হয়!!স্বামী- স্ত্রী সম্পর্কে ভুল বুঝাবুঝি হলে নিজেরাই মিটিয়ে ফেলুন । তৃতীয় কোন ব্যাক্তির পরামর্শ নিবেন না।


আপত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে ডিভোর্স হলেই হয় বেঁচে যাবো, বাঁচবেন ঠিকই কিন্তু একা হয়ে যাওয়ার যন্ত্রণা আপনাকে শেষ করে দিবে। সাথে কোথাও চলাফেরা করতে গেলে নিজের হীনমন্যতা আর মানুষের আলগা করুনায় আপনার জীবন তখন আরও অতিষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া প্রথম মানুষটির মত ভালোবাসা এবং সম্মান আর কোথাও পাবেন না।


পরামর্শ একটাই, স্বামী - স্ত্রীর সর্ম্পকের ভুল বুঝাবুঝি

হলে নিজেদের মধ্যে সমাধান করুন আর আপনি শিক্ষিত/ব্যবসায়ী নারী । নিজের আত্মঅহংকারের কথা চিন্তা করে স্বামীর হুকুমের বাহিরে চলাচল করবেন এমন মানসিকতার পরিবর্তন করুন।

মনে রাখবেন আপনি নারী। আর সে পুরুষ , আল্লাহ পুরুষদের কে পরিবারের কর্তা বানিয়ে পাঠিয়েছেন

আপনাকে না!!!

কপি
পেস্ট 

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ২৪৫টি বাগধারা,,,,,,,,,,

 বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ২৪৫টি বাগধারা। বাগধারার গণ্ডি বেশ বিস্তৃত তাই বার বার রিভিশন দিবেন.....


1.অগত্যা মধুসূদন – অনন্যোপায় হয়ে। [কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১৪]

2. অজগর বৃত্তি – আলসেমি। [ Sonali Bank – 2016 ]

3. অপোগণ্ড – অকর্মণ্য, অপ্রাপ্ত বয়স্ক, নাবালক। [জীবন বীমা কর্পোরেশন – ২০১৪]

4. অবরে সবরে – কালে -ভদ্রে। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]

5. অজগর বৃত্তি – আলসেমি। [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৪]

6. অশ্বমেধ যজ্ঞ – বিপুল আয়োজন। [ডাক বিভাগ -২০১৫, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড – ২০১৭]

7. অচলায়তন – গোরামিপূর্ণ [Modhumoti Bank – 2018]

8. অষ্টরম্ভা – কাঁচকলা, ফাঁকি, কিছুই না। [প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর – ২০১৫, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – ২০১৬]

9. অক্ষয় বট – প্রাচীন ব্যক্তি।

10. অকাল কুষ্মাণ্ড – অপদার্থ।

11. অকালের বাদলা -অপ্রত্যাশিত বাধা। [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় – ২০১৬], [পিকেএসএফ – ২০১৫]

12. অক্ষরে অক্ষরে -সম্পূর্ণভাবে।

13. অষ্টবজ্র সম্মিলন -প্রতিভাবান ব্যক্তিদের একত্র সমাবেশ

14. অলক্ষ্মীর দশা -দারিদ্র্য

15. অক্ষয়ভাণ্ডার -যে ভাণ্ডারের ধন কখনো ফুরায় না [জনতা ব্যাংক – ২০১৮]

16. অগ্নিগর্ভ -বলিষ্ঠ

17. অঞ্চলের নিধি – যে সম্পদ আঁচলে ঢেকে সুরক্ষিত রাখতে হয়/সনত্মান

18. অন্ধিসন্ধি -ফাঁকফোকর/গোপন তথ্য

19. আঠারো মাসে বছর – দীর্ঘসূত্রিতা।

20. আঁটকুড়ো – নিঃসনত্মান।

21. আমড়া কাঠের ঢেঁকি-অকেজো লোক/অকর্মণ্য। [Standard Bank – 2018]

22. আসরে নামা -আবির্ভূত হওয়া।

23. আধা খেঁচড়া -বিশৃঙ্খলা [BASIC Bank – 2018]

24. আঁচা-আঁচি -পরস্পরের মনের ভাব

25. আগলদার -জমির ফসল আগলানোর বা পাহারা দেয়ার জন্য নিযুক্ত লোক [NGO,Public Jobs- 2015]

26. আদিখ্যেতা – ন্যাকামি

27. আস্ত কেউটে – অত্যন্ত বিপজ্জনক লোক [অগ্রনী ব্যাংক – ২০১৭, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৬]

28. ইলশে গুঁড়ি – গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

29. ইয়ারবকসি – বন্ধুবান্ধব

30. ইল্লতে কাণ্ড – নোংরা ব্যাপার / নোংরা কাণ্ড [মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয় – ২০১৭]

31. ইতুনিদকুঁড়ে – অলস: দীর্ঘসূত্রীতা

32. উলুখাগড়া – গুরুত্বহীন লোক।

33. উজানের কৈ – সহজলভ্য।

34. উপোসি ছারপোকা – অভাবগ্রস্থ লোক।

35. উপরোধের ঢেঁকি গেলা – অন্যায় আবদার করা

36. উদোমারা – বোকা।

37. উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় – ২০১৬], [পিকেএসএফ – ২০১৫]

38. ঊনকোটি চোষট্টি – প্রায় সম্পূর্ণ।

39. ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।

40. ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ [Probashi Kallyan Bank – 2015]

41. ঊর্মিমালী – সমুদ্র

42. এলেবেলে – নিকৃষ্ট।

43. এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।

44. একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।

45. একা দোকা – নিঃসঙ্গ

46. ওষুধে ধরা – প্রার্থিত ফল পাওয়া।

47. ওষুধ করা – গুণ করা। [NGO,Public Jobs- 2015]

48. ওষুধ পড়া – সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া।

49. কচ্ছপের কামড় – যা সহজে ছাড়ে না।

50. কলমি কাপ্তেন – দরিদ্র কিন্তু বিলাসী। [পিকেএসএফ – ২০১৮]

51. কাক ভূষণ্ডি – সম্পূর্ণ ভেজা।

52. কাটনার কড়ি – উপার্জন সামান্য।

53. কায়েতের ঘরের ঢেঁকি – অপদার্থ লোক। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]

54. কিম্ভূতকিমার – অদ্ভুত ও কুৎসিত।

55. কাগুজে বাঘ – মিথ্যা জুজু।

56. কাঁঠালের আমসত্ত্ব – অলীক বস্তু।

57. কুমিরের সান্নিপাত – অসম্ভব ব্যাপার। [ Sonali Bank – 2016 ]

58. কূপমণ্ডুক – ঘরকুনো / সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন। [বন অধিদপ্তরের – ২০১৪], [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]

59. কেউ কেটা – সামান্য।

60. কেঁচো গণ্ডূষ – গোড়া থেকে শুরু।

61. কলির সন্ধ্যা – দৌরাত্ম্যের শুরু।

62. কূর্ম অবতার – অলস।

63. কুনো ব্যাঙ – সীমিত জ্ঞান

64. কুম্ভীরাশ্রু – লোক দেখানো কান্না/নকল সমবেদনা [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৫]

65. খামকাজ – ভুলকাজ। [Private Sector – 2017]


66. খাবি খাওয়া – ছটফট করা।

67. খুঁটে খাওয়া – ¯ সাবলম্ভি হওয়া।

68. গয়ংগচ্ছ – ঢিলেমি।

69. গোকুলের ষাঁড় – স্বেচ্ছাচারী [রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – ২০১৭]

70. গণ্ডগ্রাম – বড়গ্রাম।

71. গোঁয়ার গোবিন্দ – কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ

72. গলগ্রহ – পরের বোঝা হয়ে থাকা [মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয় – ২০১৭]

73. ঘাড়ে গর্দানে – অত্যনত্ম মোটা। [জীবন বীমা কর্পোরেশন – ২০১৪]

74. ঘাড়ার কামড় – দৃঢ় পণ।

75. ঘটিরাম – অপদার্থ[পল্লী বিকাশ কেন্দ্র – ২০১৬, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৭]

76. চক্ষুদান করা – চুরি করা।

77. চডুই পাখির প্রাণ – ক্ষীণজীবী লোক। [Modhumoti Bank – 2018]

78. চতুর্ভুজ হওয়া – উৎফুল্ল হওয়া।

79. চাঁদের হাট – ধনেজনে পরিপূর্ণ সংসার।

80. চাঁদ-কপালে – ভাগ্যবান।

81. চোখের চামড়া / পর্দা – চক্ষুলজ্জা।

82. চক্ষের পুতলি – আদরের ধন।

83. চর্বিত চর্বণ – পুনরাবৃত্তি।

84. ঢাকের বাঁয়া – অপ্রয়োজনীয়।

85. চোরাবালি – প্রচ্ছন্ন আকর্ষণ

86. ছামনি নাড়া – দৃষ্টি বিনিময়। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]

87. ছাঁদনা তলা – বিবাহের মণ্ডপ।

88. ছক্কা-পাঞ্জা – ইতঃস্তত করা/ বড় বড় কথা বলা। [Private Sector – 2017]

89. ছাঁদাবাঁধা – পুজোরপর বা ভোজবাড়ি থেকে ফেরার সময় চাঁদর বা গামছায় খাবার বেঁধে নেয়া

90. জগদ্দল পাথর – গুরুভার।

91. জেলঘুঘু – যে ব্যক্তি বারবার জেল খাটে

92. ঝাঁকের কৈ – এক দলভুক্ত।

93. ঝাড়ে বংশে – সবশুদ্ধ।

94. টুপ ভুজঙ্গ – নেশায় বিভোর।

95. টেণ্ডাই মেণ্ডাই – আস্ফালন।

96. টেঁকে গোঁজা – আত্মসাৎ করা। [জনতা ব্যাংক – ২০১৮]

97. ঠাটঠমক – হাবভাব, চালচলন [ডাক বিভাগ -২০১৫, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড – ২০১৭]

98. ডুমুরের ফুল – অদর্শনীয়। [NGO,Public Jobs- 2015]

99. ডামাডোল – গোলযোগ।

100. ডাকাবুকো – দুঃসাহসী

101. ঢেঁকির কুমির – অপদার্থ। [Standard Bank – 2018]

102. ঢেঁকি অবতার – নির্বোধ লোক। [Modhumoti Bank – 2018]

103. ঢেঁকির কচকচি – বিরক্তিকর কথা।

104. ঢাকের কাঠি – তোষামুদে।

105. ঢাকের বায়া – অপ্রয়োজনীয়। [Probashi Kallyan Bank – 2017]

106. ঢুলুঢুলু – তন্দ্রালুতা

107. তামার বিষ – অর্থের কুপ্রভাব। [BASIC Bank – 2015]

108. নবমীর পাঁঠা – প্রাণ ভয়ে ভীত ব্যক্তি।

109. তাসের ঘর – ক্ষণস্থায়ী।

110. তেল নুন লকড়ি – মৌলিক প্রয়োজন।

111. তীর্থের কাক – প্রতীক্ষারত।

112. তুর্কি নাচন – নাজেহাল অবস্থা। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]

113. তুলসী বনের বাঘ – সুবেশে দুর্বৃত্ত।

114. ত্রাহি ত্রাহি – পরিত্রাণ কর বলে চিৎকার

115. তরবেতর – নানারকম

116. থাউকি বেলা – বিকালবেলা

117. দড়ি কলসি – আত্মহত্যার উপায়।

118. দোজবরে – দ্বিতীয়বার যে ছেলে বিয়ে করতে চায়। [বন অধিদপ্তরের – ২০১৪], [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]

119. দড়বড়ে – তাড়াহুড়ো

120. দবকানো – ওপরে ভার চাপানো/উপর থেকে চাপ দেয়া [অগ্রনী ব্যাংক – ২০১৭, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৬]

121. দশবাই চণ্ডী – অত্যনত্ম রাগী স্ত্রীলোক [BB Combined Exam– 2017]

122. দাঁদুড়ে – অত্যন্ত/দুর্দান্ত

123. দাতাকর্ণ – অত্যন্ত উদার ও দানশীল [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে – ২০১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]

124. দায়-দৈব – ছোট বড় সমস্যা

125. দেবদ্বিজ মানা – ধর্মে বিশ্বাস থাকা [পল্লী বিকাশ কেন্দ্র – ২০১৬, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৭]

126. দোপড়া – এক জায়গায় বিয়ে স্থির হওয়ার পরে কিংবা

127. দক্ষযজ্ঞ ব্যাপার – বিরাট সমারোহ

128. ধর্মের কল – সত্য।

129. ধামাধরা – তোষামোদকারী।

130. ধোপে টেকা – পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। [Standard Bank – 2017]

131. ধোপার গাধা – পরের জন্য খাটা।

132. ধর্মের ষাঁড় – যথেচ্ছাচারী।

133. ধিনিকেষ্ট – দায়িত্বপালনহীন ব্যক্তি

134. ধোঁকার টাটি – প্রতারণার উপরের আবরণ ,[Modhumoti Bank – 2018]

135. ধোপার গাধা – ভারবাহী [পিকেএসএফ – ২০১৮]

136. ধড়িবাজ – ধূর্ত ও ফন্দিবাজ

137. ধোপার ভাঁড়ার – প্রচুর জিনিসপত্র যা ব্যবহার করা যাবে না

138. নয়-দুয়ারি – দ্বারে দ্বারে।

139. নারদের ঢেঁকি – বিবাদের বিষয়।

140. নগদ নারায়ণ – নগদ অর্থ।

141. নিরানবক্ষইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি, টাকা জমানোর প্রবৃত্তি।

142. ননির পুতুল – সহজে কাতর, আদরে দুলাল। [যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের – ২০১৬] [জীবন বীমা কর্পোরেশনে – ২০১৪]

143. নন্দভৃঙ্গী – অত্যন্ত আদুরে, অকর্মণ্য

144. ননদী ভুলী – কুকর্মের সঙ্গী

145. নব কার্তিক – সুদর্শন কিছু অকর্মণ্য ব্যক্তি

146. ন্যালাখ্যাপা – পাগলাটে

147. নবমীর পাঁঠা – প্রাণভয়ে ভীত ব্যক্তি

148. পঞ্চত্ব প্রাপ্ত – মারা যাওয়া।

149. পায়াভারি – অহংকার। [Private Sector – 2017]

150. পটের বিবি – সুসজ্জিত।

151. পালের গোদা – দলপতি।

152. পগারপার – পালানো।

153. পাণ্ডববর্জিত – সভ্য লোকের বাসের অযোগ্য। [জনতা ব্যাংক – ২০১৫]

154. পত্রপাঠ – তৎক্ষণাৎ।

155. পয়মন্ত – সুলক্ষণযুক্ত

156. পালপাল – প্রচুর সংখ্যক [Standard Bank – 2017]

157. পিণিগেলা – অনিচ্ছায় বা ঘৃণায় কোনো রকমে খাওয়া

158. বচনবাগীশ – কথায় পটু। [Private Sector – 2017]

159. ফোঁস মনসা – ক্রোধী লোক।

160. ফুসমনত্মর – ফাঁকির মন্ত্র

161. ফোঁপরা – বাজে, অকেজো

162. বামনের গরু – যে অল্প পারিশ্রমিকে বেশি কাজ করে। [বন অধিদপ্তরের – ২০১৪], 

163. বিদুরের খুদ – শ্রদ্ধার সামান্য উপহার।

164. বিড়াল তপস্বী – ভণ্ড লোক।

165. ব্যাঙের আধুলি – সামান্য পুঁজি হলেও যা গর্বের। [পল্লী বিকাশ কেন্দ্র – ২০১৬, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৭]

166. ব্যাঙের লাথি – নগণ্য লোকের দ্বারা অপমান। [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে – ২০১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]

167. ব্যাঙের সর্দি – অসম্ভব ব্যাপার। [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬ , কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১২]

168. বাস্তু ঘুঘু – প্রচ্ছন্ন শয়তান।

169. বচনাবাগীশ – কেবল কথায় পটু

170. বিষের পুটুঁলি – বিদ্বেষী

171. বারো ভূত – অনাত্মীয় লোকজন [ভূমি অফিস – ২০১৫] , [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৬]

172. বাপানত্ম করা – গালাগালি দেয়া

173. বারফট্টাই – বড়াই

174. বিশ বাও জল – ভীষণ বিপাক

175. ভেরেণ্ডা ভাজা – অকাজে সময় নষ্ট করা/ বেকার জীবন যাপন করা।

176. ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা – অনড় সংকল্প।

177. ভূষণ্ডির কাক – বিচক্ষন ব্যক্তি/দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি।

178. ভানুমতীর খেল – অবিশ্বাস্য ব্যাপার।

179. ভূঁই ফোড় – নতুন আগমন।

180. ভুঁইফোঁড় – অর্বাচীন।

181. মণিহারা ফণী – প্রিয়জনের জন্য অস্থির লোক। [ভুমি মন্ত্রণালয় – ২০১৭, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর – ২০১৫]

182. ম্যাও ধরা – দায়িত্ব নেওয়া।

183. যশুরে কই – যে ব্যক্তির মাথাটা মোটা কিন্তু শরীর শীর্ণ

184. রাশভারি – গম্ভীর প্রকৃতির। [BB Combined Exam– 2017]

185. রামগরুড়ের ছানা – গোমড়ামুখো লোক। [NGO,Public Jobs- 2015]

186. রাবণের চিতা – চির অশান্তি।

187. রায়বাগিণী – উগ্রচণ্ডা নারী, দজ্জাল স্ত্রীলোক

188.লম্বাদেয়া – পালানো।

189. লেজে খেলা – ছলনা করা/চাতুরি দ্বারা কষ্ট দেয়া।

190. লোহার কার্তিক – কালো কুৎসিত লোক

191. শর্বরীর প্রতীক্ষা – দীর্ঘকাল ধরে প্রতীক্ষা।

192. শিবরাত্রির সলতে – একমাত্র বংশধর/সন্তান। [BASIC Bank – 2014]

193. শুয়োরের গোঁ – ভয়ানক।

194. শরতের শিশির-ক্ষণস্থায়ী (যদি না থাকে তবে

হবে-সুসময়ের বন্ধু)

195. শাঁখের করাত – উভয় সংকট।

196. শিকে ছেঁড়া – হঠাৎ সৌভাগ্যের উদয় হওয়া

197. সাতকাহন – প্রচুর পরিমাণ।

198. সরফরাজি করা – প্রভাব খাটানোর চেষ্টা/ অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি।

199. স্বখাত সলিলে – স্বীয় কর্মে ফল ভোগ/ঘোর বিপদে নিপতিত।

200. সাতকাণ্ড রামায়ণ – মস্তবড় ব্যাপার

201. সোঁতের শেওলা – নিরাশ্রয় ও সহায় সম্বলহীন লোক [খাদ্য অধিদপ্তর – ২০১৫]

202. ষাঁড়ের গোবর – অপদার্থ লোক/অযোগ্য। [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৬]

203. ষত্ব ণত্ব জ্ঞান – কাণ্ডজ্ঞান।

204. ষণ্ডামার্কা – গুণ্ডা বা বাজে ধরনের লোক।

205. হ্রস্বদীর্ঘ জ্ঞান – কাণ্ড জ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান।

206. হাত ধরা – অনুরোধ করা।

207. হাড় হদ্দ – নাড়ী নক্ষত্র।

208. হাড়ির হাল – দুর্দশার একশেষ। [ভুমি মন্ত্রণালয় – ২০১৭, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর – ২০১৫]

209. হাত পাকান – দক্ষতা

210. হাড় জুড়ানো – শান্তি পাওয়া

211. হাঁড়ির হাল – মলিন

212. রসাতলে গমন- অধঃপাতে যাওয়া। [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬ , কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১২]

213. পৃষ্ঠপ্রদর্শন- পালানো।

214. ঊনপঞ্চাশের বায়ু- পাগলামী

215. একচোঁখা- পক্ষাপাতিত্বপূর্ণ

216. কাষ্ঠহাসি- কপট হাসি

217. ওঁৎপাতা- সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকা

218. এক গোয়ালের গরু- একই স্বভাবের লোক [কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১৪]

219. কুলকাঠের অঙ্গার- তীব্র জ্বালা

220. ক. অংশ- বর্ণপরিচয়হীন

221. কেতাদুরস্ত – চৌকস

222. খয়ের খাঁ- তোষামোদকারী [রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – ২০১৭]

223. খাদানাকে তিলক- অশোভন সাজসজ্জা

224. খাটো করা- মর্যাদা না দেওয়া [Private Sector – 2017]

225. গোঁফখেজুরে-অলস [Probashi Kallyan Bank – 2018]

226. গৌড়চন্দ্রিকা- ভূমিকা

227. গঙ্গাজলে গঙ্গাপূজা- তুষ্ঠি সাধন [BB Combined Exam– 2017]

228. টাইটম্বর- ভরপুর

229. ঠোঁটকাটা- স্পষ্টভাষী

230. ঠুটো জগন্নাথ- অকর্মন্য ব্যক্তি

231. ঠান্ডা লড়াই- দুরভিসন্ধি করা

232. তাল পাতার সোপাই-কঙ্কালসার দেহ [যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় – ২০১৬] [জীবন বীমা কর্পোরেশন – ২০১৪]

233. তুবড়ি ছোটা- বেশি কথা বলা [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৭]

234. ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির- ধার্মিক

235. বাপের ঠাকুর- শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি [ভূমি অফিস – ২০১৫]

236. বাঘের মাসি- নির্ভীক

237. ভানুমতির খেলা- কেরামতি [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় – ২০১৬], [পিকেএসএফ – ২০১৫]

238. ঘোড়ার রোগ – বাতিক [NGO,Public Jobs- 2015]

239. ঘরপোড়া গরু- বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর – ২০১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]

240. চোরাবালি- প্রচ্ছন্ন আকর্ষণ

241. চোখের বালি- অপ্রিয়

242. ছুচোর কেত্তন- কলহ [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬ , কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১২]

243. ঢি ঢি পড়া- কলঙ্ক

244. টিমে তেতলা- মন্থর গতি

245. ফোড়ন দেওয়া- খোঁচা দেওয়া।

কপি
পেস্ট 

হাঁসুলী বাঁকের উপকথা লেখক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়,,,

 হাঁসুলী বাঁকের উপকথা

লেখক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়


চরিত্র: চরিত্র: কারালী, বনওয়ারী, পাখি, সুবাসী।


‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহাকাব্যিক উপন্যাস। এই উপন্যাসটি অবয়বের দিক থেকে দীর্ঘ তো বটেই, এর প্লটও দীর্ঘ। 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা” উপন্যাসে উঠে এসেছে লোকায়িত জগতের অতলে লুকিয়ে থাকা এক আদিম সমাজচিত্র। যে সমাজ ব্যবস্থা বা যে সমাজের লোকেরা আমাদের পরিচিত গন্ডির বাইরে।


কোপাই নদীর প্রায় বৃত্তাকার বাঁকে (মেয়েদের গলার হাসুলীর মতো) বাঁশবাঁদি গ্রাম। এগ্রামে কাহার জাতির লোকেরা বাস করে। যারা পেশাগতভাবে পালকি বাহক তারাই হচ্ছে কাহার। লেখক এ উপন্যাসে কাহারদের  বিশ্বাস- সংস্কার, হাসি-কান্না, ভয়-ভীতি, প্রেম-প্রীতি, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যুর পুঙ্খানুপুঙ্খ ছবি এঁকেছেন।

 

কাহারেরা ছিল দুটি পাড়ায় বিভক্ত: বেহারা পাড়া এবং আটপৌরে পাড়া। বেহারা পাড়ার প্রধান ছিল বনওযারী এবং আটপৌরে পাড়ার প্রধান ছিল পরম। একই জাতির অংশ হলেও দুই পাড়ার মধ্যে মাঝে মধ্যে সংঘর্ষ হত। তবুও দুই পাড়ার লোকজনই দেবতা কত্তাবাবাকে মানত। কত্তা বাবা ছিলেন হাঁসুলী বাঁকের পশ্চিম দিকের শিমুল গাছে।


ঔপন্যাসিক এই উপন্যাসে ৩ টি প্রজন্মে ধরেছে। ৩ টি প্রজন্মের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীন হচ্ছে সুঁচাদ। সমাজের নিয়ম-নীতি, আচার-আচরণ, সংস্কারগুলো তিনিই সকলকে জানান। সুঁচাদ তেমন কাজ করতে পারেন না। তবে যতটুকু পারেন করেন। কারণ বাঁশবাঁদি গ্রামের কেউ বসে বসে খায় না। সুঁচাদের পরবর্তি প্রজন্ম হচ্ছে সুঁচাদের মেয়ে বসন্ত। এবং তার পরবর্তি প্রজন্ম হচ্ছে বসন্তের মেয়ে পাখি।


উপন্যাসের কেন্দ্রীয় করালী। মা বাবা না থাকায় সে ছোটবেলা থেকে নিজের মত করে বড় হয়েছে। সমাজের নির্দিষ্ট আচার-আচরণ, রীতি-নীতি ও সংস্কার (বা কুসংস্কার) যেগুলো সবাইকে মান্য করতে হয় করালী তাতে প্রশ্ন তোলে। করালীই প্রথম যে এই নিয়মগুলো ভাঙ্গে। একসময় কারালী রেলস্টেশনে কুলির কাজ নেয়। এতে বেহারা পাড়ার মাতব্বর বনওয়ারীসহ অন্যরা আপত্তি তোলে। কারণ তাদের পূর্ব পুরুষেরা বলে গেছেন চন্দনপুরের ওখানে যেতে নেই।


উপন্যাসের পুরোটা জুড়ে বনওয়ারী এবং করালীর মধ্যে দ্বন্ধ লেগে থাকে। এই দ্বন্ধটা গ্রাম বনাম শহরের, সমাজতন্ত্র বনাম ধনতন্ত্রের, পুরনো বনাম নতুনের দ্বন্ধ। 


এই দ্বন্ধের কারণ হলো, সমাজে এতদিন ধরে যেসব রীতি-নীতি, আচার-আচরণ, সংস্কারগুলো তারা জেনে এসেছে সেগুলো তারা মান্য করতে চায় বিনা প্রশ্নে এবং অন্যকে মানাতে চায়। আর করালী সবকিছুর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করে। উপন্যাসের শুরুতে হঠাৎ শিসের শব্দে সবাই ভীতস্বন্ত্রস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু করালী ভয় পাচ্ছে না। সে জানতে চায় শিস হওয়ার কারণ কি। এবং খুজতে খুজতে সে একদিন বিশাল একটা চন্দ্রবোড়া সাপ মেরে এনে প্রমাণ করে দিয়েছে যে এইটা কোন অলৌকিক কিছু নয়, এইটার কারণেই শিস উঠছিল। কিন্তু তখন বনওয়ারীরা বলছিল যে এইটা কর্তা বাবার বাহন। এইটাতে চড়ে কর্তা বাবা ভ্রমণ করে।


এছাড়া ও বনওয়ারী আর করালীর মধ্যে পার্থক্য হলো বনওয়ারীরা একটি সমাজতান্ত্রিক পরিবেশের মধ্যে রয়েছে। তারা এর বাইরে যেতে চাই না। কিন্তু করালী ধনতান্ত্রীক পরিবেশের মধ্যে রয়েছে। সে রেলস্টেশনে কুলির কাজ করে। এখানে ও বনওয়ারীদের আপত্তি। কারণ তাদের পূর্ব পুরুষেরা বলে গেছে যে, চন্দনপুরের ওখানে যেতে নেই।


তারা এতদিন ধরে যে জায়গার মধ্যে রয়েছে সেখানেই থাকতে চায়। এর বাইরে তারা যেতে চাই না। কিন্তু করালী সেরকম নয়। কুলির কাজ করে করালীর হাতে একটা কাচা টাকা আসে যেইটা বনওয়ারীর হাতে আসেনা। করালী কোটা ঘর তুলতে চাইলে সেখানেও বনওয়ারীর আপত্তি। কারণ কাহার পাড়ায় কোটা বাড়ি তুলতে নেই। জমিদারদের কাছে তাদের মাথা নত করে থাকতে হয়; তাদের মনোভাব ছিল এই রকম। এগুলোর বিরুদ্ধে নিরন্তর প্রশ্ন করতে থাকে করালী।


আবার বনওয়ারী করালীকে খুবই স্নেহ করে। কারণ বনওয়ারী মনে করে এই ছেলেটাই কাহার পাড়াকে বাঁচাতে পারে। করালী যে কাহার পাড়াকে ভালবাসেনা তা কিন্তু না। বৃষ্টির সময় যখন বনওয়ারীর পুকুর ডুবে যাচ্ছিল তখন করালী ছুটাছুটি করছিল। যা দরকার হচ্ছিল তা এনে দিচ্ছিল। এই করালী আবার তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও করে। 


কারণ অন্যায়কে তিনি কখনো মানতে পারে না। এই কারণে বনওয়ারী এবং করালীর মধ্যে দ্বন্ধ চলতে থাকে। এই দ্বন্ধটা একটা চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছায় সুবাসীকে কেন্দ্র করে। অসমবিবাহ মেনে নিতে না পেরে বনওয়ারীর থেকে সুবাসীকে কেড়ে নেয় করালী। সুবাসী ও করালীর প্রতি আসক্ত ছিল। করালী সুবাসীকে ঘরে নিয়ে গেলে করালীর বউ পাখি আত্মহত্যা করে।


এই দ্বন্দ্বে বনওয়ারী পরাজিত হয়। এই পরাজয় বনওয়ারীর অন্তিম পরাজয়। এর পরে উপন্যাসে করালী নায়কের জায়গায় চলে আসে। এবং করালী কাহার পাড়াকে চন্দনপুরে নিয়ে যায়। এবং সবাই সেখানে চলে যায়। কারণ সেখানে টাকা আছে, না খেয়ে থাকতে হবে না। বাঁশবাঁদি গ্রাম উজাড় হয়ে যায়। এবং দেখা যায় একটা বন্যার পর বাঁশবাঁদি গ্রাম জুড়ে শুধু বালি আর বালি। কেউ কোথাও নেই। কয়েকদিন পর দেখা যায় যে, করালী আবার সেই বাঁশবাঁদি গ্রামে ফিরে আসছে। সে আবার কাহার পাড়া বসাতে চায়। 


এ উপন্যাসের একক কোন নায়ক নেই। সাধারণ মানুষই নায়ক হয়ে উঠেছে। একটি গোষ্ঠী মুখ্য হলেও এর মাধ্যমে দেশ বা জাতির দীর্ঘদিনের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সেই সাথে রাঢ় অঞ্চলের নিম্নবর্ণের হিন্দুদের জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। উপন্যাসে দেখানো হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামায় নগদ অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে আকৃষ্ট করে কাহারদের দিনমজুরে পরিণত করেছে। যুদ্ধের রসদ যোগাড় করতে ধ্বংস করা হয়েছে কাহারদের বাঁশবন। এমনিভাবে তাদের বাস্তু ও সংস্কৃতি ধ্বংস করে তাদের ধনতান্ত্রিক সমাজের যন্ত্রকলের শ্রমদাসে পরিণত করা হয়েছে। 


লেখক তাঁর এই বিখ্যাত উপন্যাসে পুরাতনের সাথে নতুন, বার্ধক্যের সাথে তারুণ্যের এবং প্রাচীন ধ্যানধারণার সাথে আধুনিক চিন্তা-চেতনার সেই চিরন্তন লড়াইকে উপস্থাপন করেছেন। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস ধারায় এটি একটি ক্লাসিক উপন্যাস ।

কপি
পেস্ট

গ্রন্থসমালোচনা পথের পাঁচালী: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়,,,,,,

 #গ্রন্থসমালোচনা 

পথের পাঁচালী: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রথম প্রকাশ: ১৯২৯ 

প্রকাশক: বিশ্বসাহিত্য ভবন

প্রথম প্রকাশিত হয়:  ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায়।


চরিত্র: অপু, দুর্গা, সর্বজয়া(অপু-দুর্গার মা), হরিহর(অপু-দুর্গার বাবা), ইন্দিরঠাকুরণ (হরিহরের দূরসম্পর্কের দিদি)


আত্মজীবনের ছায়ায় ব্যক্তির পারিবারিক জীবন বর্ণনায় ভারতবর্ষের প্রকৃতির সূক্ষ্ম ও অপরূপ বর্ণনা সমৃদ্ধ উপন্যাস পথের পাঁচালী। 


এ উপন্যাসটি তিনটি পর্বে বিভক্ত। 

‘বল্লালী-বালাই’,

‘আম-আঁটির ভেঁপু’

‘অক্রূর-সংবাদ'।

                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                              

কাহিনির মূলে আছে বিশ শতকের শুরুর দিকে নিশ্চিন্দিপুরে নামক বাংলার এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অপু ও তাঁর পরিবারের জীবনযাত্রার কথা। অপুর বাবা হরিহর রায় পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্দিপুরে বসবাস করতেন। তিনি পেশায় পুরোহিত, আয় সামান্য। লেখা পড়া জানেন বলে অত্যন্ত ভাল যাত্রাপালা লিখে অধিক উপার্জনের স্বপ্ন দেখেন। 


অত্যন্ত ভালো এবং লাজুক প্রকৃতির লোক হওয়ায় নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে নিজের পরিশ্রমের প্রাপ্য টাকা আদায় করে নিতে পারেন না।


হরিহরের স্ত্রী সর্বজয়া তার দুই সন্তান দুর্গা ও অপু এবং হরিহরের দূর সম্পর্কের দিদি ইন্দির ঠাকুরনের দেখাশুনা করেন। তীব্র দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে সংসার চালাতে হয় বলে নিজের সংসারে বৃদ্ধ ইন্দির ঠাকুরনের ভাগ বসানোটা তিনি ভালভাবে নিতে পারেন না। 


দুর্গা প্রতিবেশির বাগান থেকে ফলমূল চুরি করে আনে এবং ইন্দির

ঠাকুরনের সাথে ভাগাভাগি করে খায়। প্রতিবেশিরা এসে সর্বজয়াকে গঞ্জনা দেয় এবং তাদের দারিদ্র্যের সুযোগে ধনী প্রতিবেশিরা এসে দুর্গাকে চোর সাবস্ত্য করতেও দ্বিধাবোধ করে না।


ভাই বোন অপু ও দুর্গার মধ্যে খুব ভাব। দুর্গা ভাই অপুকে খুব ভালবাসে তবে মাঝে মধ্যে তাকে ক্ষেপিয়ে তুলতেও ছাড়ে না। তারা কখনো কখনো চুপচাপ গাছতলায় বসে থাকে, কখনো মিঠাইওয়ালার পিছু নেয়, কখনো ভ্রাম্যমাণ বায়োস্কোপওয়ালার বায়োস্কোপ দেখে বা যাত্রাপালা দেখে। সন্ধ্যাবেলা দু'জনে

দূরাগত ট্রেনের বাঁশি শুনতে পায়। 


একদিন তারা বাড়িতে না বলে ট্রেন দেখার জন্য অনেক দূর চলে যায়। আবার একদিন জঙ্গলের মধ্যে খেলা করতে গিয়ে তারা গাছতলায় ইন্দির ঠাকুরনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। 


অন্যদিকে গ্রামে ভাল উপার্জন করতে না পেরে আপুর বাবা হরিহর ভাল কাজের আশায় শহরে যায়। হরিহরের অনুপস্থিতিতে বাড়ির অর্থ সংকট তীব্রতর হয়। সর্বজয়া একাকীত্ব বোধ করতে থাকে। বর্ষাকালে একদিন দূর্গা অনেকক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাধায়। ঔষধের অভাবে তার জ্বর বেড়েই চলে এবং ঝড়ের রাতে দুর্গা মারা যায়। 


এরপর একদিন হরিহর ফিরে আসে। শহর থেকে যা কিছু নিয়ে আসে সর্বজায়াকে দেখাতে থাকে। দূর্গার জন্য একটা লাল টুকটুকে শাড়ি নিয়ে আসেন। প্রথমে সর্বজয়া চুপ করে থাকে পরে স্বামীর পায়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। হরিহর বুঝতে পারে যে সে তার

একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছে। তারা ঠিক করে যে গ্রামের পৈত্রিক ভিটা ছেড়ে

জীবিকার সন্ধানে অন্য কোথাও চলে যাবে।


তারা কাশীতে গিয়ে বসবাস শুরু করে। তাদের জীবনে কিছুটা সচ্ছলতা আসতে না

আসতেই মারা যায় পিতা হরিহর। সর্বজয়া অন্যের বাড়ীতে রান্নার ঠাকুর হিসেবে কাজ নেয়। অপু বড় হতে থাকে প্রকৃতির প্রতি দুর্বার আকর্ষণ নিয়ে এবং তার মন

পরে থাকে নিশ্চিন্দিপুরে।


এসবের মধ্য দিয়ে গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাফেরা তার

ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তু নিয়ে ‘পথের পাঁচালী' সমৃদ্ধ। গ্রাম বাংলার প্রকৃতি এ উপন্যাসের

বিশেষ চরিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এই উপন্যাসে সবচেয়ে প্রাণ সঞ্চারী খন্ড আম আঁটির ভেঁপু। এতে তিলে তিলে বড় হয় অপু। আর তার নিষ্পাপ মন ও কৌতূহলী চোখ দিয়ে পাঠক দেখে সমাজের কঠিন কিছু প্রথা, কিছু রঙিন স্বপ্নবিলাসিতা, কিছু আহ্লাদিত অভিমান – সর্বোপরি মানবশিশুর দৃষ্টিতে ধীরে ধীরে উন্মোচিত কঠিন বিশ্ব। নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের আনাচে কানাচে ছুটে ফিরে দুই ভাই বোন আর তাদের বাবা-মায়ের চলে অফুরন্ত জীবন সংগ্রাম। এরই মাঝে তারা স্বপ্ন দেখে, আশাহত হয় আবার নতুন কল্পনার বীজ রোপণ করে। মানুষের আসা যাওয়ার মাঝে প্রকৃতিই কেবল নীরব নিঠুর দর্শক হয়ে সবকিছুকে জড়িয়ে রাখে। 


উপন্যাসের শেষ অংশে গ্রামীণ খেলাঘর ছেড়ে বাস্তবতার পাঠ নিতে শহুরে জীবন শুরু করা অপুর পদে পদে ঠোকর খাওয়া যেন বারবার এই-ই বলে যে এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের নিত্য চক্র শ্বাপদের ন্যায় উদ্যত। প্রকৃতির এই নিষ্ঠুরতাকে আশ্রয় করেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় যেন নিজ কলমের খোঁচায় প্রধান পাঁচটি চরিত্রের তিনটিকেই কেড়ে নিলেন। 


আর অদৃষ্টের খেয়ালী রসিকতাকে মূর্ত করে তুলতেই কী লেখক সব হারানো স্ত্রীলোকটির নাম দিয়েছিলেন ‘সর্বজয়া’? করুণ মৃত্যু, অসহায়ত্ব, কুটিলতা, অকৃত্রিম সরলতা, ক্ষুদ্র হতে বৃহৎ কপটতা, সীমাহীন দরদ আবার হৃদয়হীনতা, কখনো সৃষ্টিছাড়া উল্লাস, কোথাও আবেগী সম্প্রকাশে লেখক অনাড়ম্বর গতিতে এগিয়ে নিয়ে গেছেন উপন্যাসটিকে।


তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, “পথের পাঁচালী’ বইখানা দাঁড়িয়ে আছে আপন সত্যের জোরে।”


পাঁচালী-ই বটে, পথেরই গান এটি। বনফুলের রেণু, আর ক্ষুদ্র ঘাসের মুকুলে যেখানে একাকার হয়ে আছে অতি সাধারণ জীবন আর অতি সূক্ষ্ম ভাববোধ। উপন্যাসটি পড়তে পড়তে পাঠক খুঁজে পাবেন তার দীর্ঘকালের উপলব্ধি, আর পাবেন অপরাজিত এক স্পৃহা। যে স্পৃহার সৃষ্টি অপুর মনে, বনদেবতার অভয়বাণী ‘সামনে এগিয়ে যাওয়াই জীবন’ থেকে। উপন্যাস শেষে তাই গভীর জীবনবোধ, আর বিষণ্ন মমতায় ভেজা চোখে পাঠক পরের খণ্ডে খুঁজবেন ‘অপরাজিত’ অপুকে!

কপি
পেস্ট

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...