এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২
জাযাকাল্লাহু খাইরান - এর অর্থ অনেকেই জানে না,,,,,
জাযাকাল্লাহু খাইরান - এর অর্থ অনেকেই জানে না
জাযাকাল্লাহু খাইরান - এর অর্থ কি?
আপনি যখন কাউকে ভাল, সুন্দর বা তাঁর পছন্দসই কোন কাজ উপহার দেন তখন অধিকাংশ মানুষই আপনাকে বলে থাকেন, “জাযাকাল্লাহু খাইরান”।
.
প্রশ্ন হল, এই বাক্যটির অর্থ কি? আসুন জেনে নেই বাক্যটির অর্থ।
এর বেশ সুন্দর কয়েকটি অর্থ রয়েছে।
.
১। ﺧﻴﺮ ( খাইর) শব্দটি সে সমস্ত বিষয় বুঝায় যা আল্লাহর নিকট প্রিয়। তাই “খাইর” শব্দের মাধ্যমে আপনার জন্য সবরকমের কল্যাণ কামনা করা হল।
.
২। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে জান্নাত এবং জান্নাতে তাঁর দিদার দ্বারা সৌভাগ্যবান করুন।
.
৩। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে কাফিরদের স্থান জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন।
.
৪। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনাকে সিরাতে মুস্তাক্বিম তথা সরল পথে পরিচালিত করেন।
.
৫। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনার উপর কোন অভিশপ্ত শয়তানকে চাপিয়ে না দেন।
.
৬। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনার রিজিকের মধ্যে বরকত দান করেন।
.
৭। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ শেষ দিবস পর্যন্ত আল্লাহ যেন আপনাকে মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী করেন।
.
৮। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনাকে রাসূলের সুন্নাতের অনুসারী করেন।
.
৯। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে নেক সন্তান দান করুন।
.
১০। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” আল্লাহ আপনাকে সবরকম কল্যাণ দান করুন।
.
.
এর আরো অসংখ্য অর্থ রয়েছে। কেননা খাইর ( ﺧﻴﺮ ) আল্লাহর নিকট অগুনিত। যা গণনা করা অসম্ভব। তবে আমরা বাক্যটির শাব্দিক অর্থ করি, “আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন” বলে।
.
ﻋﻦ ﺃﺳﺎﻣﺔ ﺑﻦ ﺯﻳﺪ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗﺎﻝ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ( ﻣَﻦْ ﺻُﻨِﻊَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻣَﻌْﺮُﻭﻑٌ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟِﻔَﺎﻋِﻠِﻪِ : ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ . ﻓَﻘَﺪْ ﺃَﺑْﻠَﻎَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺜَّﻨَﺎﺀِ ) .
ﺭﻭﺍﻩ ” ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ” ﻭﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻲ ﻓﻲ ” ﺍﻟﺴﻨﻦ ﺍﻟﻜﺒﺮﻯ ”
.
অর্থঃ হযরত উসামা বিন যায়েদ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কারো প্রতি কৃতজ্ঞতার আচরণ করা হলো তাই সে ব্যক্তি আচরণকারীকে “জাযাকাল্লাহু খাইরান” বলল, তাহলে সে তার যথাযোগ্য প্রশংসা করল।
.
.
ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ” ﺇِﺫَﺍ ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞُ ﻟِﺄَﺧِﻴﻪِ : ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ، ﻓ
কপি
পেস্ট
শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২
ধরনীর সবচেয়ে খারাপ ভাইয়ের গল্প, ,,,,,,
গল্পটি সবাই পেড়েন এটি একটি শিক্ষণীয়
গল্পঃ
ভাই: আপু, ও আপু
বোন: বল
ভাই: তোর জন্য আমি স্কুল যেতে পারিনা।
বোন: কেন, আমি কি করলাম?
ভাই: তুই আবার কি করবি?
বোন: তাহলে?
ভাই: তোর একটা চোখ নেই এই নিয়ে স্কুলের
ছেলেরা আমাকে খুব খেপায়। সমস্ত
ছেলেমেয়ে আমাকে কানীর ভাই, কানীর
ভাই বলে ডাকে। আমি আর স্কুলে যাবোনা।
বোন: শোন ভাই, একদম মন খারাপ করবিনা। ওদের
বলবি অসুখে আমার একটা চোখ নষ্ট হয়ে
গেছে। আমিও আগে খুব ভালো দেখতে
পেতাম।
ভাই: তোর জন্য সবাই আমাকে অপমান করে আর
তুই বলছিস মন খারাপ করতেনা। আমি আর
কখনোই স্কুল যাবোনা,,,
বোন: ভাই, তুই আমার কথা শোন। ওরা কিছুদিন
খেপিয়ে আপনা আপনিই ঠিক হয়ে যাবে তুই
একদম চিন্তা করিস না।
ভাই: না, আমি স্কুল যাবোনা।
বোন: আচ্ছা আজ আমি তোকে স্কুল নিয়ে
যাবো,,,ওদের কে সব বুঝিয়ে,,,,,,
ভাই: খবরদার তুই কখনো আমার স্কুলের সামনেও
যাবিনা। তাহলে আমি জীবনেও তোর সাথে
কথা বলবোনা,,, এটা বলেই শুভ হনহন করে
বেরিয়ে গেলো। শুভ ফিরলো বিকেলে। এসে
দেখে ওর মা দাঁড়িয়ে আছে। শুভ গাল ফুলিয়ে
ঘরে ঢুকলো।
মা: শুভ,
ভাই: হুম মা: আজ সারাদিন ভাত খাইছিস?
ভাই: না
মা: মন খারাপ?
ভাই: হুম।
মা: ভাত খেয়ে তোর আব্বুর সাথে দেখা করে
আয়। উনি তোকে ডাকছিলো,,,
ভাই: ভাত খাবোনা
মা: তাহলে যা তোর আব্বুর সাথে দেখা করে
আয়। শুভ উঠে গেলো।
ভাই: বাবা ডেকেছো?
বাবা: আয় ব্যাটা আয়, তুই নাকি আজ সারাদিন
ভাত খাসনি,
ভাই: হুম
বাবা: কেন, মন খারাপ?
ভাই: হুম, অনেকটা।
বাবা: মন খারাপ হলেও ভাত খাওয়া জায়েজ
আছে। যা ভাত খেয়ে আয়
ভাই: না খাবোনা
বাবা: সত্যি খাবিনা?
ভাই: উহু
বাবা: আচ্ছা থাক খাওয়া লাগবেনা। আজ সন্ধ্যায়
আমরা সবাই বাইরে খাবো, ঠিক আছে?
ভাই: না আমি যাবোনা।
বাবা: কেন যাবিনা, তোর আপু যাবে বলে?
ভাই: হুম
বাবা: আচ্ছা ওকে, তোর আপুকে নিবোনা। এবার
খুশিতো?
ভাই: হুম
বাবা: যা, তোর মাকে বল রেডি হতে। তুই ও রেডি
হয়ে নে,
ভাই: সন্ধ্যা হতে তো এখনো অনেক দেরি।
বাবা: তাও ঠিক, আচ্ছা এক কাজ কর। এখানটায় বস
তোকে একটা গল্প বলি। গল্প শুনবিতো?
ভাই: হুম শুনবো
বাবা: শোন তাহলে,, অনেক বছর আগের কথা। প্রায়
২৪-২৫ বছর আগের, এক দম্পতীর কোনো সন্তান
হচ্ছিলোনা। তারা সন্তানের আশায় অনেক
কিছু করলো, শত সাধনার পর এক চাঁদনী রাতে
বিধাতা তাদের কথা শুনলেন, তাদের কোল
জুড়ে তিনি অপরুপ সুন্দর এক কন্যা সন্তান
দিলেন। মেয়েকে দেখে সবাই অবাক, এতো
সুন্দর কোনো মানুষ হয়? এই মেয়েটা মানুষ
নাকি অন্যকিছু? অই দম্পতীর ছোট্ট ঘর
ক্ষনিকেই আলোতে ভরে গেলো, চাঁদনী
রাতে জন্ম বলে অই মেয়েটির নাম রাখা
হলো, চাঁদনী। ধীরেধীরে মেয়েটি বড় হতে
লাগলো। শরীরের সাথে সাথে মেয়েটির রুপ
ও পাল্লা দিয়ে বাড়তে লাগলো। অই দম্পতীর
আর কিছুই চাওয়ার ছিলোনা। এত সুন্দর মেয়ে
যাদের থাকে তাদের আর কিচ্ছু লাগেনা।
মেয়েটির যখন ৫ বছর বয়স তখন সবাই বুঝে
ফেললো এই মেয়েটির মত শান্ত আর ভদ্র
মেয়ে খুব একটা হয়না। এই মেয়েই বংশের
মান রাখবে। মেয়েটি বড় হতে লাগলো।
মেয়েটির যখন দশ বছর বয়স তখন অই দম্পতীর
ঘর আলো করে একটা পুত্র সন্তান এলো। পুত্র
সন্তানটিও ছিলো তাদের নয়নের মনি। আর
বোনটি তার ভাইকে এতোটা পছন্দ করতো যে
তা দেখে মা বাবারই মাঝেমাঝে হিংসে
হতো। এভাবেই চলছিলো অই দম্পতীর জীবন।
ছেলেটির বয়স যখন ৫ বছর তখন একদিন হঠাত
করে খাট থেকে পড়ে গিয়ে ভীষন ব্যথা পায়
ছেলেটি। ব্যাপারটিকে খুব গুরুত্ব দেয়নি
কেউই। ধীরেধীরে সমস্যা টা গাঢ় হয়ে
দাঁড়ায়। ছেলেটি চোখে ঝাপসা দেখতে শুরু
করে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিলে
ডাক্তার জানায় দুদিনের ভেতর আই
ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হবে তানাহলে
চিরদিনের মত একটা চোখ অন্ধ হয়ে যাবে।
পাগলের মত হয়ে যায় ছেলেটির বাবা,
দুদিনের ভেতর চোখ কোথা থেকে জোগাড়
করবে? কোনো উপায় না দেখে মাথা নিচু
করে বসে থাকে হাসপাতালের করিডোরে
তখন কেউ একজন কাধে হাত দিয়ে বললো,
বোন: বাবা, আমি দুচোখ দিয়ে যা যা দেখার সব
দেখে নিয়েছি। বাকিটা জীবন এক চোখ
দিয়েই দেখতে পারবো। আমার ভাইটা এখনো
কিছুই দেখেনি,,,,,,,,"এটুক বলেই ধরনীর
সবচেয়ে সুন্দর চোখের মেয়েটি হাউমাউ করে
কেঁদে দিলো,,,,,,,
ভাই:বাবা,
বাবা: হুম
ভাই: অই ছেলেটাকি আমি?
বাবা: নাহ, তুই হবি কেন?
ভাই: বাবা তুমি একদম মিথ্যে বলোনা। আমি যখন
তোমাদের জিজ্ঞেস করতাম আমার বাম
চোখটা এত সুন্দর কেন তোমরা কোনোদিনই
আমাকে বলনি,,,,, বাবা, তুমি কাদছো কেন?
বাবা: এমনিতেই, তুই যা রেডি হয়ে নে।
ভাই: আচ্ছা। শুভ উঠে গেলো। চুপিচুপি তার
বোনের রুমে গিয়ে ঢুকলো।
ভাই: আপু
বোন: হুম
ভাই: কি করিস?
বোন: কিছুনা
ভাই: আপু তোকে একটা গল্প বলবো শুনবি?
বোন: কিসের গল্প?
ভাই: ধরনীর সবচেয়ে খারাপ ভাইয়ের গল্প, শুনবি?
বোন: না, শুনবোনা
ভাই: আপু একটা অনুরোধ করি?
বোন: কর
ভাই: রাখবি?
বোন: হুম
ভাই: তোর পা দুটো এদিক দে আমি ধরে বসে
থাকি। আপু তুই কখনো আমাকে মাফ করিস না,,, তোর দোহাই লাগে তুই কখনো আমাকে মাফ করিস না,,,,, এটুক বলেই শুভ আকাশ বাতাস কাপিয়ে কেঁদে উঠলো। চাদনী জড়িয়ে ধরলো তার ভাইকে। এক দেহের দুটি চোখ একই সাথে দুই স্থানে কেঁদে উঠলো। একই সাথে ঝরাতে লাগলো।
collected
কপি
পেস্ট
সূরা কাহাফ পড়ে ফেলুন,,,, ফেইসবুক থেকে
Friday
Reminder
.
🌹সূরা কাহাফ পড়ে ফেলুন।
.
❤মাগরীব পর্যন্ত সময় আছে।
.
💙প্রথম ১০ আয়াত
আস্তে আস্তে মুখস্থ করে ফেলুন।
.
💚আজকেই করতে হচ্ছে এমন না।
প্রয়োজনে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত
সময় নিন।
.
💛পুরো সূরা একবারে পড়তে না পারলে ভাগ ভাগ করে পড়ুন।
.
💜১০ মিনিট করে তিনবারে ৩০ মিনিটে পুরোটা পড়া হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।
.
💖কুরআন হোক আমাদের অন্তরের সুকুন।
.
💝কুরআন হোক আমাদের সার্বক্ষণিক সঙ্গী।
.
#সূরা_কাহাফ কেন পড়বেন??
.
💟হজরত নাওয়াস ইবনে সাময়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন সকালে দাজ্জালের কথা আলোচনা করলেন।
তিনি আওয়াজকে উঁচু-নিচু করছিলেন, ফলে আমরা মনে করলাম দাজ্জাল খেজুর বাগানের মধ্যেই রয়েছে।
অতঃপর যখন আমরা উনার কাছে গেলাম তখন তিনি আমাদের অবস্থা বুঝে ফেললেন।
তিনি বললেন, তোমাদের কী হলো।
আমরা বললাম, আল্লাহর রাসূল! আপনি সকালে দাজ্জালের কথা আলোচনা করেছিলেন, আওয়াজকে উঁচু-নিচু করেছিলেন-তাই আমরা মনে করলাম দাজ্জাল হয়তো খেজুর বাগানেই আছে।
তিনি বললেন, তোমাদের ক্ষেত্রে দাজ্জাল ছাড়া অন্য কিছুতে এত বেশি ভয় আমাকে দেখানো হয়নি।
যদি আমি তোমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় সে বের হয়, তাহলে তোমাদের ছাড়া আমি সর্বপ্রথম তার প্রতিরোধ করব।
আর যদি তোমাদের মাঝে না থাকা অবস্থায় সে বের হয়, তাহলে প্রত্যেকে তার প্রতিরোধ করবে।
আল্লাহর শপথ! প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আমার খলিফা রয়েছে।
নিশ্চয়ই দাজ্জাল কোঁকড়া চুলবিশিষ্ট যুবক হবে এবং তার চোখ কানা হবে।
যেন আমি আবদুল ওযা ইবনে কাতালের মতো তাকে দেখতে পাচ্ছি।
তোমাদের মধ্যে যে তাকে পাবে সে যেন সূরা কাহাফের শুরুর অংশ পড়ে।”
[সহিহ মুসলিম ২৯৩৭,
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২১,
তিরমিজি ২২৪১]
.
💗সূরা কাহাফ পড়ুন, দাজ্জালের
ফিতনা থেকে বাঁচুন।
.
কপি সোর্সঃ- Dawah
কিছু ইংরেজি শব্দ শিখে নিই,,,, ফেইসবুক থেকে
🚩🚩কিছু ইংরেজি শব্দ শিখে নিই।
Busy= ব্যস্ত Bestow= দান করা
Flower= ফুল Full= পরিপূর্ণ Fool = বোকা
Wife= বৌ Bow= ধনুক
Fay= পরী Pori= বিল
Queen= রাণী Runny= ঢলঢলে
Smile= হাসি Hussy= বেহায়া
Call= ডাক Duck= হাঁস
Quilt = লেপ Lap= ভাঁজ
Tent= তাঁবু Taboo= নিষিদ্ধ
Chest= বুক Book= বই
Forest= বন Bon= উপভোগ
I= আমি Ami= বন্ধু
You= তুমি Tumi= তল
Left= বাম Bum= নিতম্ব
Profit= লাভ Love=ভালোবাসা
Month= মাস Mass= সম্পদ
Doll= পুতুল Putul= খাদ
Eraser= রবার Robber= ডাকাত।
What=কী key=চাবি
hand=হাত hat=টুপি
💥
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৫ শুক্রবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৫-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম :
* যশোরের বিশাল জনসভায় ভাষণে আগামী সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান।
* দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালনের জন্য বিমানবাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিলেন শেখ হাসিনা।
* জনসমাগম কম হওয়ার আশঙ্কা এবং গন্ডগোল করার উদ্দেশ্যেই নয়া পল্টনে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারজাত করতে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে রাজধানীতে দশম জাতীয় এসএমই মেলা শুরু।
* ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দমনের ঘটনা তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ।
* এবং কাতারে সার্বিয়াকে ২-শূন্য গোলে হারিয়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু - ঘানাকে ৩-২ গোলে হারালো পর্তুগাল।
বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
আজ যে আমার বিয়ে হবে সেটা আমি সকালেও জানতাম না,,,, অতীত পাস্ট ফেইসবুক থেকে
আজ যে আমার বিয়ে হবে সেটা আমি সকালেও জানতাম না। দুপুরে ভাত খাচ্ছি হঠাৎ খালা এসে হাজির।
বাজান তাড়াতাড়ি আমার সাথে চল এক্ষুণি বিয়ে করেএকটা মেয়ের জীবন বাঁচাতে হবে।
আমার বাপ,মা মরে যাওয়ার পর এই খালা আমার একমাত্র আপনজন পাশের গ্রামে থাকে।
খালা তুমি বললে আমি সব কিছু করতে পারি আর এ তো সামন্য বিয়ে। কিন্তু ঘটনা কি?
ঘটনা মারাত্মক বাজান, আমার দেওরের মা মরা মেয়ে নুরী।নুরীর সৎ মা বুড়ো বেটার সাথে ওর বিয়ে ঠিক করেছে। মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে আমার গলা জড়িয়ে ধরে বললো, চাচি ঐ বুড়ো খাটাসরে বিয়ে করার আগে আমি গলায় ফাঁস দেবো। আগামী কাল বিয়ে। তুই আজই বিয়ে করে নুরী রে তোর বাড়িতে আনবি।
ভ্যান ভাড়া করে গ্রামের হাট থেকে একখান লাল শাড়ি, চুরি, লিপস্টিক আর কাজল কিনে খালা রে সাথে নিয়ে বিয়ে করতে যাচ্ছি।
খালার বাড়িতেই বিয়ে হলো। নুরীর আব্বা আমার দু'হাত ধরে বললো,মা মরা মেয়ে সৎ মার সংসারে অনেক কষ্ট করেছে ওরে তুমি সুখে রেখো বাজান।
নুরী সবাই কে জড়িয়ে ধরে একটু কান্নাকাটি করে ভ্যানে উঠে বসলো।
আমার কাছে সব স্বপ্ন মনে হচ্ছে , এখনও পর্যন্ত ভালো করে বউ এর মুখ দেখতে পেলাম না। ভ্যানে বসে আড়চোখে বউএর মুখ দেখার চেষ্টা করছি।
হঠাৎ নুরী ঘোমটা সরিয়ে বললো,দেখেন তো আমার কাজল কি লেপ্টে গেছে? কান্নাকাটি করছি তো, মুখখান কি বেশি কালো লাগছে?
কাজল একটু লেপ্টে গেছে আস্তে করে মোছো উঠে যাবে।
আমি আন্দাজে কিভাবে মুছবো?আপনি একটু মুছে দিতে পারছেন না?গ্রামের লোকজন তো আপনারে মন্দ বলবে। তারা বলবে, আক্কাস আলি বিয়ে করে বউ আনছে এক্কেবারে সাড়া গাছের পেত্নী।
আমি কাঁপা কাঁপা হাতে কাজল মুছতে গেছি।
ও আল্লা আপনার তো দেখি হাত কাঁপে। থাক আপনার মোছার কাজ নেই আমি মুছছি।
সন্ধ্যার পরপর বাড়িতে এসে হারিকেন ধরালাম।
আপনার বাড়িতে আর কেউ থাকে না?
নাহ্ আমি একাই থাকি,এই একখান ঘরই আমার।
নুরী অবাক হয়ে বললো,বাসর ঘরে একটু আধটু ফুল না থাকলে হয়? আমার কত শখ বাসর ঘরে ফুল থাকবে।
মনে মনে ভাবলাম বউটার এতো ফুলের শখ! কিন্তু এতো রাতে ফুল কোথায় পাবো? উঠানে মাচায় লাউ, কুমড়ো গাছে ফুল ধরে আছে তাই তুলে এনে বউয়ের হাতে দিলাম।
এই ফুল দিয়ে আমি কি করবো? এখন কি ফুল ভেজে দেবো? আপনি খাবেন?
আরে না দুপুরের ভাত তরকারি আছে তোমার রান্না করতে হবে না। তুমি বললে বাসর ঘরে ফুল থাকবে তাই নিয়ে এলাম।
এই ফুল! আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি একটু বাইরে যান আমি খাট সাজাই।
একটু পরে ঘরে ঢুকে দেখি লাউ, কুমড়োর ফুল বিছানায় ছড়িয়ে মধ্যেখানে ঘোমটা মাথায় দিয়া বউ বসে আছে।দুরুদুরু বুকে বউয়ের মাথা থেকে ঘোমটা ফেলে হারিকেনের আলোয় বউয়ের মুখ ভাল করে দেখলাম। কি মায়াভরা মুখ!
আচ্ছা একটা ধাঁধার উত্তর দেন তো দেখি আপনার মাথায় কেমন বুদ্ধি। ভাসুর শ্বশুর দেখলে দিই, পর পুরুষ দেখলে দিই, আপনি আমার আপনজন কিন্তু আপনারে দেখলে দিই না বলেন তো কি?
আমি জানিনা বউ, বলে দেও।
আজ সারারাত মাথা খাটান না পারলে কাল বলবো।
নুরী তুমি আমারে আপনি করে বলছো কেন? তুমি করে বলো।
ও আল্লা এইটা আপনি কি বলেন ! আমার আব্বা বেয়াদবি শিখাইনি।আব্বা বলেছে যারা বয়সে বড়ো তারা গুরুজন। গুরুজনদের কখনও তুই তুমি বলতে হয় না। আপনি আমার থেকে দশ বছরের বড়ো তো হবেনই আমি আপনারে তুমি করে বলতে পারবো না ।
নুরী কেমন ঠোঁট টিপে হাসছে।আমি ভালো করে বুঝেতে পেরেছি, এই মেয়ে আমার জীবন তেজপাতা করে দেবে।
নুরী খুব সাংসারিক মেয়ে।সেই ছোটকালে মা'র ভালবাসা পাইছি আর এখন নুরী ভালবাসে। মেয়েটা খুব ভান করে, দেখায় সে আমারে একটুও ভালবাসে না কিন্তু আমি তো বুঝি।
দুপুরে ভাত খাওয়ার সময় নুরী আল্লাদি গলায় বললো, আপনি আমারে একটা নুপূর বানিয়ে দেবেন? আমার খুব শখ।
ঠিক আছে বউ ধান উঠলে বানিয়ে দেবো।
হাসি আনন্দে কিভাবে যে ছয়মাস পার হয়ে গেল!
রাতে ঘুমিয়ে আছি হঠাৎ নুরী ধাক্কা দিয়ে বললো, একটা ধাঁধার উত্তর দেন তো, কোন গাছ একবার ফল দিয়ে মরে যায়?
এইটা একটা কথা হলো বউ! রাত দুপুরে ধাঁধা!
বলেন না, স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙছে মনটা খুবই খারাপ।
পারবো না বউ, তুমি বলে দেও।
এইটা হলো কলাগাছ।আমার মনের মধ্যে কু ডাকছে মনে হয় আমি ও কলাগাছের মতো একবার ফল দেবো।
বউ তুমি কি কও না কও ! তুমি কি গাছ যে ফল দিবা?
বেক্কল মানুষ! ঘুমান।
হঠাৎ মাথার ভিতরে চিড়িক দিয়ে উঠলো, উত্তেজনায় উঠে বসে বউয়ের গায়ে ধাক্কা দিয়ে বললাম, বউ তোমার কি ছেলে মেয়ে হবে ?
যতটা বেক্কল ভাবছিলাম ততটা না।
আমি আব্বা হবো এতো বড়ো আনন্দের খবর তুমি আমারে এখন দেচ্ছো বউ!
আনন্দে সারারাত ঘুম হলো না।
আমার সাধ্য অনুযায়ী নুরীরে যত্ন করতে লাগলাম।
সকাল থেকে নুরী যেন কেমন করছে।বউ খারাপ লাগছে?
আপনি দাইরে খবর দেন।আর চাচিরে আনতে লোক পাঠান।
ঘরের ভিতর থেকে নুরীর চাপা গোঙানির আওয়াজ আসছে।আমার বুকের ভেতরটা ফালাফালা হয়ে যাচ্ছে, আহারে মা হওয়া এতো কষ্টের!একটু পরে বাচ্চার কাঁন্নার আওয়াজ পেলাম।
ঘর থেকে খালা বের হয়ে বললো,আক্কাস রে তোর ছেলে হয়েছে তবে নুরীর অবস্থা খুব খারাপ সদরে নেওয়া লাগবে রক্ত কিছুতেই বন্ধ হচ্ছেনা। জলদি ভ্যান ঠিক কর।
সদর আমাদের গ্রাম থেকে দশ মাইল দূরে। ভ্যানে করে নুরীরে নিয়ে যাচ্ছি।নুরীর মুখটা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। ইশারায় আমাকে কাছে ডেকে আস্তে আস্তে বললো
আপনি মানুষটা বেক্কল হইলেও বড্ড ভালো।আপনার সাথে আর আমার থাকা হলো না, আফসোস আমি সৎমার অত্যাচার সহ্য করেছি আমার ছেলেরও সৎ মা'র অত্যাচার সহ্য করতে হবে। আপনি আমারে কথা দেন আমার ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করবেন।
আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি বউ তোমার ছেলেটারে মানুষের মতো মানুষ করবো।আর একটা কথা দিলাম নুরীকে, আমার ছেলের উপরে কোনদিন ও সৎ মায়ের ছায়া পড়তে দেবো না কিন্তু সেই কথা নুরী আর শুনতে পেলো না তার আগেই আমাদের ছেড়ে চলে গেল।
নুরী চলে গেছে আজ ছাব্বিশ বছর।নুরী রে, দেওয়া কথা আমি রাখিছি ছেলেটা এখন ডাক্তার। সৎ মায়ের ছায়া ওর উপর পড়তে দিইনি। অনেক কষ্টে মানুষ করিছি।
আজ আমার ছেলের বিয়ে বৌমা ও ডাক্তার। দুইজনের আগে থেকে ভাব ভালবাসা আছে।বাসর ঘর নিজের হাতে লাউ আর কুমড়ার ফুল দিয়া সাজায়ছি।
হাত ধরে বৌমাকে ঘরে নিয়া আসলাম। বৌমা অবাক হয়ে ঘর সাজানো দেখছে।
এতো সুন্দর করে ঘর কে সাজিয়েছে আব্বা? অনেক রকমের ফুল দিয়ে ঘর সাজানো দেখেছি কিন্তু লাউ আর কুমড়োর ফুল দিয়ে সাজানো এই প্রথম দেখলাম।
আমি সাজায়ছি গো আম্মা , আপনার পছন্দ হয়েছে? আপনার শ্বাশুড়ি আম্মা রে যখন বিয়ে করে আনছিলাম তখন সে লাউ, কুমড়োর ফুল দিয়া ঘর সাজায়ছিল।
খুবই সুন্দর হয়েছে আব্বা । আম্মারে আপনি অনেক ভালবাসতেন তাই না আব্বা?
আম্মা এই নুপূর দুটো নেন।নুরীর খুব নুপুরের শখ ছিলো। টাকার অভাবে বানাতে পারিনি, যখন বানালাম তখন নুপূর পরার পা নেই। আপনি নুপূর পায়ে দিলে আমি খুব খুশি হবো গো আম্মা।
আব্বা আপনাকে আর একা একা গ্রামে থাকতে হবে না। আমরা গ্রামে চলে আসবো, আপনার ছেলে বলেছে গ্রামে হাসপাতাল বানাবে। আম্মার মতো গ্রামের আর কেউ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়।
কি বলছেন আম্মা! সব সত্যি?
হ্যাঁ আব্বা আপনার ছেলে তো হাসপাতালের নামও ঠিক করেছে " নুরী দাতব্য হাসপাতাল " খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।
আনন্দে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। ঝাপসা চোখে আমি স্পষ্ট দেখলাম কাজল লেপ্টে যাওয়া অতি মায়াময় একখানা মুখ, ঠোঁট টিপে হাসছে।
ফিফা বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত গোল্ডেন বুট বিজয়ী খেলোয়াড়ের তালিকা
জেনে নিন ফিফা বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত গোল্ডেন বুট বিজয়ী খেলোয়াড়ের তালিকা—👇👇👇
👉১৯৩০ উরুগুয়ে বিশ্বকাপ: 👇
গুইলারমো স্টাবিলে,(আর্জেন্টিনা), ৮ গোল
👉১৯৩৪ ইতালি বিশ্বকাপ: 👇
অলড্রিচ নেয়েডলি,( চেকোস্লোভাকিয়া), ৫ গোল
👉১৯৩৮, ফ্রান্স বিশ্বকাপ:👇
লিওনিডাস, (ব্রাজিল), ৭ গোল🇧🇷
👉১৯৫০, ব্রাজিল বিশ্বকাপ:👇
আদেমির,( ব্রাজিল), ৮ গোল🇧🇷
👉১৯৫৪,সুইজারল্যান্ড :👇
সান্দর ককসিস
👉১৯৫৮, সুইডেন বিশ্বকাপ: 👇
জাস্ট ফন্টেইন, (ফ্রান্স), ১৩ গোল
👉১৯৬২, চিলি বিশ্বকাপ: 👇
ফ্লোরিয়ান আলবার্ট (হাঙ্গেরি), ভ্যালেন্টিন ইভানোভ (সোভিয়েত রাশিয়া), গারিঞ্চা অ্যান্ড ভাভা (ব্রাজিল)🇧🇷, ড্রাজান জারকোভিচ (যুগোস্লাভিয়া ক্রোয়েশিয়া), লিওনেল সানচেজ (চিলি), ৪ গোল
👉১৯৬৬, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ:👇
ইউসেবিও, (পর্তুগাল), ৯ গোল
👉১৯৭০, মেক্সিকো বিশ্বকাপ:👇
গার্ড মুলার, (জার্মানি), ১০ গোল
👉১৯৭৪, পশ্চিম জার্মানি বিশ্বকাপ:👇
গ্রিগর্জ লাটো,(পোল্যান্ড), ৭ গোল
👉১৯৭৮, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ: 👇
মারিও কেম্পেস, (আর্জেন্টিনা), ৬ গোল
👉১৯৮২, স্পেন বিশ্বকাপ:👇
পাওলো রোসি, (ইতালি), ৬ গোল
👉১৯৮৬, মেক্সিকো বিশ্বকাপ👇
গ্যারি লিনেকার, (ইংল্যান্ড), ৬ গোল
👉১৯৯০, ইতালি বিশ্বকাপ:👇
সালভাতোও শিলাচি, (ইতালি), ৬ গোল
👉১৯৯৪, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ:👇
ওলেগ সেলেঙ্কো (রাশিয়া), রিস্টো স্টোয়েচকভ (বুলগেরিয়া), ৬ গোল
👉১৯৯৮, ফ্রান্স বিশ্বকাপ:👇
ডেভর সুকার,( ক্রোয়েশিয়া), ৬ গোল
👉২০০২, দক্ষিণ কোরিয়া/জাপান বিশ্বকাপ:👇
রোনাল্ডো নাজারিও, (ব্রাজিল), ৮ গোল🇧🇷
👉২০০৬, জার্মানি বিশ্বকাপ:👇
মিরোস্লাভ ক্লোসা,( জার্মানি), ৫ গোল
👉২০১০, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ:👇
থমাস মুলার, (জার্মানি), ৫ গোল
👉২০১৪, ব্রাজিল বিশ্বকাপ:👇
হামেস রড্রিগুয়েজ, (কলম্বিয়া), ৬ গোল
👉২০১৮, রাশিয়া বিশ্বকাপ:👇
হ্যারি কেন, (ইংল্যান্ড), ৬ গোল
#BFTFP
রিমির বাবু,,,, অতীত পাস্ট ফেইসবুক থেকে
“আরে, তুমি রিমি না? চিনতে পেরেছো আমাকে? আমি তোমার আকবর চাচা। সেই ছোটবেলায় দেখেছিলাম তোমায়। বাহ, এখন কতো বড়ো হয়ে গিয়েছো!”
“আসসালামু আলাইকুম চাচা। অবশ্যই আপনাকে চিনতে পেরেছি। চাচা, আপনার শরীর ভালো আছে?” রিমি সহাস্যমুখে বললো।
“ওয়ালাইকুম আসসালাম। আল্লাহ্র রহমতে ভালোই আছি। তুমি ভালো আছো তো, মা?”
“জ্বি চাচা, খুব ভালো আছি।”
“এই পার্কের মধ্যে একা একা বসে কি করছিলে, মা? কারো জন্য অপেক্ষা করছো কি?”
“জ্বি চাচা। ওই যে সামনের “দ্য স্মার্ট চাইল্ড স্কুল” টা দেখছেন, ওই স্কুল থেকে আমার বাবুটা আসবে এখানে। তাই বসে বসে অপেক্ষা করছি। বেশি দেরি হবে না অবশ্য, এখনি এসে পড়বে।”
“তো তোমরা নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় কবে আসলে? আর তোমার বাবা-মার শরীর ভালো আছে তো?”
“জ্বি চাচা, আব্বু আম্মু ভালো আছেন। আব্বুর কোমরে একটু ব্যথা আছে শুধু। ঔষধ খেয়ে যেতে হয় রেগুলার। আর আমরা নেত্রকোনায় এসেছি প্রায় তিন বছর হতে চললো। আপনি এদিকে কোথাও যাচ্ছিলেন নাকি?”
“বয়েস হয়েছে মা। বিকালে এই পার্কে একটু হাঁটাহাঁটি করি। তাহলে শরীরটা খানিক সতেজ থাকে। তাছাড়া, এখান থেকে আমার বাসাও কাছেই। যাবে তুমি?”
“আজ না চাচা। স্কুল ছুটি হলে বাবুটা এসে খুঁজবে আমাকে। অন্য একদিন যাবো।”
“আচ্ছা, মা। বাবুটাকে নিয়ে যেয়ো। তো বাবুটা কি ছেলে? না মেয়ে?”
“অবশ্যই ছেলে।”, আকবর চাচা একটু ভ্রু কুঁচকে তাকালো।
“নাম কি রেখেছো?”
“বাবুর নাম?”
“হুম।”
“সৈকত। আরো নাম আছে ওর। আমি সৈকত বলেই ডাকি। ও এখনি এসে পড়বে। আপনি বসুন চাচা, আপনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো। খুব মিষ্টি ছেলে।”
“ঠিকাছে মা। তুমি এখন কি করছো তাহলে? পড়াশোনা শেষ?”
“না চাচা, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে অধ্যয়ন করছি। অনার্সের আরো তিনটা সেমিস্টার বাকি।”
আকবর চাচা কথাটা শুনে মনে মনে ভাবছে, পড়াশোনা শেষ না করেই বিয়ে, বাচ্চা এগুলোতে জড়ানো ঠিক হয় নি মেয়েটার। বেশ কিছুক্ষণ গল্প করলো চাচা-ভাতিজি। আকবর চাচার আর বসে থাকতে ইচ্ছে করছে না। কিছুটা বাধ্য হয়েই বললো, “আজ আমি উঠি, মা। তোমার বাবুর সাথে আরেকদিন দেখা করা যাবে। আমার এ সময় একটু না হাঁটলে শরীরে প্রচন্ড ব্যথা জমা হয়।”
“আরে না চাচা। এতোক্ষণ যখন বসেছেন, আর দু চার মিনিট বসুন, ও ঠিক চলে আসবে।”
রিমি বাদামওয়ালাকে ডাকলো, “এই যে বাদাম, এদিকে আসুন।”
বাদামওয়ালা রিমির ডাক শুনেও ওদিকে হেঁটে চলে যাচ্ছে। রিমি বেশ কয়েকবার ডাকলো, “এই বাদাম, এই বাদাম....।”
তবুও বাদামওয়ালা পরোয়া না করে নিজের মতো হেঁটে চলে যাচ্ছে। এবার বেশ রাগ হলো রিমির। রিমি নিজেই দ্রুত গতীতে হেঁটে গিয়ে বাদামওয়ালাকে বললো, “কি ব্যাপার? আপনাকে ডাকছি তবু শুনছেন না ক্যানো?”
“আফা, আফনে তো ‘এই বাদাম, এই বাদাম’ কইরা বাদামডিরে ডাকতাচুইন, আমারে না। বাদামডিরে তো আর আমি বাইন্দা রাখচি না, জিগায়া দেখুইন কেরে যায় নায় আমার মাথার উপ্রে থাইকা।”
রিমি রাগ কন্ট্রোল করে দশ টাকার বাদাম কিনলো। নিজে কয়েকটা বাদাম রেখে বাকি বাদাম গুলো আকবর চাচার হাতে দিয়ে বললো, “নিন চাচা, বাদাম খান, ভালো লাগবে।”
এরই মধ্যে সেই বহুল প্রত্যাশিত বাবু এসে হাজির হলো। লম্বায় প্রায় আকবর চাচার সমান। ভরাট চেহারা। সুদর্শন বলাই যায়। এসেই রিমিকে বললো, “সরি বাবু, একটু দেরি হয়ে গেলো। বুঝোই তো, স্কুলের বাচ্চাকাচ্চাদের পড়ানো কি একটা ঝামেলার কাজ।”
রিমি তার বাবুকে আকবর চাচার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। পরিচয়পর্ব শেষে আকবর চাচা বাদাম হাতে সামনের দিকে হাঁটছে আর ভাবছে, এতো বড়ো বাবু আমি জীবনেও দেখি নি। মাশআল্লাহ!
.
.
“রিমির বাবু”
....লিংকন হাসান
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৪ বৃহস্পতিবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(২৪-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* যশোরের বিশাল জনসভায় ভাষণে আগামী সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান ।
* দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালনের জন্য বিমানবাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিলেন শেখ হাসিনা।
* জনসমাগম কম হওয়ার আশঙ্কা এবং গন্ডগোল করার উদ্দেশ্যেই নয়া পল্টনে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ।
* ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারে বিপণন সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে রাজধানীতে দশম জাতীয় এসএমই মেলা শুরু ।
* মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আনোয়ার ইব্রাহীম।
* এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে সুইজারল্যান্ডের জয় - মধ্যরাতে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামছে ব্রাজিল।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া
📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...