এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২

এক বোকার গল্প,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমেরিকার এক শহরে বন্ধু রবার্টের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে এক লোক। বন্ধুকে নিয়ে শহরের রাস্তায় হাঁটছিল রবার্ট। হাঁটতে হাঁটতে এক জায়গায় থামল সে। বন্ধুকে বলল, ‘এ শহরের সবচেয়ে বোকা লোকটাকে দেখতে চাও?’


বন্ধু : সবচেয়ে বোকা লোক মানে?


রবার্ট : আরে, যাকে বলে- বোকার হদ্দ বোকা! ওই দেখো, রাস্তার ওপারে দাঁড়িয়ে আছে।


রাস্তার ওপারের লোকটাকে দেখাল রবার্ট। বন্ধুকে বলল, ‘ওই হলো শহরের সেরা বোকা। দাঁড়াও, তোমাকে দেখাচ্ছি।’


রবার্ট চেঁচিয়ে ডাকল লোকটাকে, ‘হাই, কেভিন। এদিকে এসো।’


কেভিন কাছে এলে রবার্ট বলল, আমার ডান হাতে ৫০ ডলার আছে। বাম হাতে আছে পাঁচ ডলার। তোমার যেটা খুশি নিয়ে নাও।’


কেভিন খুশি মনে বাম হাতের পাঁচ ডলার নিয়ে চলে গেল।


বন্ধুর দিকে তাকিয়ে হাসল রবার্ট, ‘দেখলে তো, বোকাটার কাণ্ড! আমি প্রতি সপ্তাহে ওর সঙ্গে এ মজাটা করি।’


বন্ধু : আর প্রতি সপ্তাহেই সে এ বোকামিটা করে?’


রবার্ট : হ্যাঁ, প্রতিবারই ৫০ না নিয়ে পাঁচ ডলার নেয়।


পরদিন ওই পথে একা ফিরছিল রবার্টের বন্ধু। কেভিনকে দেখতে পেয়ে এগিয়ে গেল কাছে। জানতে চাইল, ‘কাল তুমি মাত্র পাঁচ ডলার নিলে কেন? পাঁচ ডলারের চেয়ে ৫০ ডলার তো অনেক বেশি। তুমি কি হিসাব জানো না?


কেভিন : হিসাবটা জানি। কিন্তু আমি যদি ৫০ ডলার নিয়ে নিই তাহলে সে প্রতি সপ্তাহের এ খেলাটা বন্ধ করে দেবে!

কপি
পেস্ট

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল

🇳🇮🇧🇷 আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল

🇧🇷ব্রাজিল বিশ্বকাপ খেলছে ২০ বার

- আর আর্জেনটিনা ১৬ বার

🇧🇷ব্রাজিল বিশ্বকাপ পাইছে ৫ বার

- আর আর্জেনটিনা ২ বার

🇧🇷ব্রাজিল ফাইনাল খেলছে ৭ বার

- আর আর্জেনটিনা খেলছে ৫ বার

🇧🇷আর ব্রাজিল যতবার ফাইনাল খেলছে, আর্জেনটিনা ততবার সেমিফাইনাল ও খেলে নাই।

🇧🇷ব্রাজিলের একটানা দুইবার (৫৮,৬২) বিশ্বকাপ নিছে একটানা তিনবার ফাইনাল খেলছে (৯৪,৯৮,০২) 

🇧🇷ব্রাজিলের পেলে আর রোমিরও এর ১০০০+ গোল করার কৃতিত্ব আছে।

- আর আর্জেনটিনার ম্যারাডোনা ও মেসির গোল যোগ করলেও ১০০০ হয় না।

🇧🇷ব্রাজিলের রোনালদোর বিশ্বকাপে সব্বোর্চ ১৫ গোল করার রেকর্ড আছে।

- আর আর্জেনটিনার মেসি ও রোনালডোর গোল যোগ করলে হয় ৯ টা।

🇧🇷ব্রাজিল গত ২৪ বছরে কাপ পাইছে ১৫ টা।

- আর আর্জেনটিনা ১ টা পায়ছে ২৮ বছর সাধনা করার পর।

🇧🇷ব্রাজিলের সাথে আর্জেনটিনার তুলনা করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। কিছু কিছু ব্যাক্তি আছে তাদের নিজেদের তো কিছুই নাই, সারাক্ষণ অন্যের দুর্নাম নিয়ে বসে থাকে,যেমন আর্জেনটাইন ভক্ত, তারা ব্রাজিলের সাথে তুলনা করতে এসে একটা কথাই বলতে পারে আমরাতো 7up খাইনি, ইতিহাস ঘেটে দেখুন আর্জেনটিনার ১১ গোল খাওয়ার রেকর্ড আছে।

২০১৮ সালে স্পেনের কাছে ৬ টা খাইছে। ২০০৬ সালে বলিভিয়ার মত টিমের কাছে ৬ টা খাইছে।

বিশ্বাস না হলে গুগল এ সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন.

বিরোধের মূল কারণ : ভাস্কোডাগামা আমেরিকা আবিষ্কারের পর ইউরোপীয়রা লুটপাট শুরু করে। স্পেন দক্ষিণ আমেরিকা এবং ব্রিটেন উত্তর আমেরিকা স্থানীয়দের মেরে কেটে সম্প্দ লুটপাট করে দখল করা শুরু করে। ভাগাভাগির এক পর্যায়ে পর্তুগাল কিছুই পায় না তাদেরকে ব্রাজিল দেওয়া হয়, সেখানে বড় বনভূমি ছাড়া কিছুই ছিল না। মূলত আর্জেন্টিনার স্প্যানিশ ভাষা আর ব্রাজিলের পর্তুগিজ এ দুটোরই বিরোধের মূল কারণ।

বি:দ্র: প্রমাণ এবং যুক্তিছাড়া এখানে কিছুই বলা হয় নাই।🥰

বি:দ্র: ২ - বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলে না তাই আমরা অন্য দেশকে সাপোর্ট করি তার মনে এই নয় যে আমরা অন্ধ সাপোর্টার। 

কপি

পেস্ট

আকবরের বিশ্বাসঘাতকতা ও কাশ্মীরের পরাধীনতা,,,,, ইন্দো বাংলা ফেইসবুকে থেকে

‘আকবরের বিশ্বাসঘাতকতা ও কাশ্মীরের পরাধীনতা’

             
সেটা ছিল ১৫৮৫ সালের ডিসেম্বর মাস। সেই সময়ে তুষারাবৃত কাশ্মীরের সীমানায় দাঁড়িয়ে ছিল বিরাট এক সৈন্যবাহিনী। ওই বাহিনীর সার সার অশ্বারোহী, পদাতিক সৈন্যরা তাঁদের তিন সেনাপতির আদেশের অপেক্ষা করছিলেন। বাহিনীর শিবিরের সামনে যে পতাকা উড়ছিল, তাতে ছিল তৎকালীন মোঘল সম্রাট ‘জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর’-এর প্রতীক। খোদ মোঘল সম্রাটের আদেশ ছিল যে, সেবার মোঘল বাহিনীকে কাশ্মীর জয় করতেই হবে, এবং সেখানকার স্বাধীন শাসক ‘ইউসুফ শাহ চাক’কে যেভাবে হোক বন্দী করতে হবে। ইউসুফ শাহ চাক আবার যে সে শাসক ছিলেন না। তিনি ছিলেন কাশ্মীরের বিখ্যাত ‘চাক’ রাজবংশের শাসক, যে চাক বংশ বিগত ত্রিশ বছর ধরে কাশ্মীর শাসন করেছিল। 

তাঁদের আগে ‘সুলতান জয়নুল আবেদিন’ ও ‘শাহমিরি’ রাজবংশ কাশ্মীরের শাসক ছিলেন। জয়নুল আবেদিন ধর্মে মুসলিম হয়েও কাশ্মীরের হিন্দুদের ওপর থেকে ‘জিজিয়া কর’ লোপ করেছিলেন, তিনি হিন্দুজের পুজোআচ্চা ও উৎসবেও যোগ দিতেন। ঝিলাম নদীর ওপর প্রথম কাঠের সেতুটি তাঁর আমলেই তৈরী করা হয়েছিল। কাশ্মীরে কারিগর এনে কার্পেট তৈরি, কাগজের মণ্ডের শিল্প, রেশমশিল্প তাঁরই ঐতিহাসিক অবদান। এর অনেক আগে, শাহেনশাহ আকবরের ঠাকুরদা ‘বাবর’ যখন মধ্য এশিয়া থেকে যখন ভারতে এসেছিলেন, তখন তিনি ও তাঁর সঙ্গীরাও কাশ্মীরের শিল্পীদের দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে বাবরের ভাই ‘মির্জা হায়দার দৌলগত’ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন, “সমরখন্দ, বোখারার কিছু জায়গায় চমৎকার কারিগর দেখা যায়। কিন্তু কাশ্মীরে তাঁরা ঘরে ঘরে রয়েছে।” তবে বাবর বা ‘হুমায়ুন’ - কেউই কাশ্মীর অধিকার করতে চাননি। কিন্তু ‘পীরপঞ্জাল’ পর্বতের নীচে অবস্থিত সেই রাজ্যকে আকবর যেভাবে হোক নিজের হস্তগত করতে চেয়েছিলেন। আকবর কাশ্মীরের শিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ওই স্বাধীন রাজ্যকে নিজের অধিকারে নিতে চাননি। তাঁর কাশ্মীর জয়ের জেদের পিছনে থাকা আসল কারণ অন্যত্র ছিল। আসলে সুলতান ইউসুফ শাহ চাক খোদ মোঘল সম্রাটকে অপমান করেছিলেন। আকবর চেয়েছিলেন যে, কাবুল থেকে দক্ষিণে সমুদ্র অবধি শুধুমাত্র মোঘল জয়পতাকা উড়বে, কাশ্মীরও সেই পতাকার আওতা থেকে বাদ যাবে না। সেই কারণে তিনি দু’-দু’বার ইউসুফকে নিজের দরবারে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইউসুফ এমনই বদতমিজ ছিলেন যে তিনি খোদ সম্রাটের তলব পেয়েও তাঁর সামনে হাজির হননি! তাঁর বেয়াদবির উচিত শিক্ষা দিতেই ১৫৮৫ সালের শেষদিকে কাশ্মীরের দোরগোড়ায় মুঘল সৈন্য উপস্থিত হয়েছিল।

তবে ইউসুফ শাহ চাক, কাশ্মীরের প্রকৃত শেষ স্বাধীন শাসক, সেবার বীরের মতো মুঘল সেনাকে প্রতিহত করতে পেরেছিলেন। ডিসেম্বরের কাশ্মীরে হাড়-কাঁপানো ঠান্ডা আর বরফের জন্য মোঘল সেনারা সেবার খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি। তবে ইউসুফ শাহ চাক সেবারের মতো কাশ্মীরকে বাঁচাতে পারলেও, তৎকালীন মোঘল সেনাপতি ‘মানসিংহ’ তাঁকে একটি হুমকি-চিঠিতে জানিয়েছিলেন যে, হয় তাঁকে দিল্লীতে গিয়ে সম্রাটের সামনে আত্মসমর্পণ করতেই হবে, নয়তো পরের বার কাশ্মীরকে আর কোন ছাড় দেওয়া হবে না। সত্যিই আর ছাড় মেলেনি। স্বাধীন রাজ্য কাশ্মীর পরাধীন হয়েছিল, দিল্লীর সম্রাটের সামনে কাশ্মীরকে নতিস্বীকার করতে হয়েছিল। কিন্তু মুঘলদের জন্য সেই ইতিহাস যত না গর্বের, তার থেকেও বেশি প্রতারণার ও বিশ্বাসঘাতকতার। 

ইউসুফ শাহ চাক অতি উদার ও সংস্কৃতিমনা ছিলেন। কিন্তু একই সাথে তিনি দুর্বল ও সিদ্ধান্ত নিতে-না-পারা এক শাসকও ছিলেন। একদিন তিনি ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়ে দেখেছিলেন যে, আখরোটের বাগানে একজন সুন্দরী নারী আপনমনে গান গাইছেন। সেই সুন্দরী ছিলেন এক চাষিঘরের বউ, কিন্তু একই সাথে তিনি কবিও ছিলেন। এরপরে প্রেমের কী আর বাকি থাকে? যথাসময়ে তিনি সুলতানের বেগম হয়েছিলেন। সেই নারী হলেন কাশ্মীরের অন্যতম মহিলা কবি - ‘হাব্বা খাতুন’। সুন্দরী বউ পেয়ে ও শিল্পসাধনায় মগ্ন থাকবার ফলে ইউসুফ ভুলেই গিয়েছিলেন যে তাঁর কিছু প্রশাসনিক কর্তব্যও রয়েছে। ফলে তিনি প্রশাসনের কাজে ঢিলেমি দিতে শুরু করেছিলেন। এর ফলে প্রজারা তাঁর উপরে নাখোশ হয়েছিলেন। সুযোগ বুঝে শত্রু রাজারা কাশ্মীর আক্রমণ করতে শুরু করেছিলেন। শেষমেশ ইউসুফ শাহ চাক তাঁর ভাই ‘লোহার চাক’-এর হাতে কাশ্মীরের সিংহাসন ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। লোহার চাক টেনেটুনে তেরো মাস কাশ্মীরের মসনদে ছিলেন। 
তারপরেই ইউসুফ তাঁর হৃত রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য ফের ময়দানে নেমেছিলেন। নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য তিনি ‘লাহৌরের’ তৎকালীন শাসক ও আকবরের প্রধান সেনাপতি মানসিংহের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মানসিংহ তাঁকে আগ্রায় খোদ সম্রাট আকবরের সঙ্গে দেখা করে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করবার উপদেশ দিয়েছিলেন। এরপরে ইউসুফ সেটাই করেছিলেন, তিনি ‘ফতেপুর সিক্রি’তে আকবরের দরবারে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন। আকবরও তখন কাশ্মীরকে হস্তগত করবার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন, তাই তিনি তৎক্ষণাৎ রাজা মানসিংহকে প্রচুর সৈন্যসামন্ত নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে কাশ্মীর অভিযান করবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আগ্রা থেকে কাশ্মীর ফেরত যাওয়ার পথেই ইউসুফ চাক বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি মস্ত ভুল করে ফেলেছেন। তিনি বুঝেছিলেন যে আকবর সেই সুযোগে নিজেই কাশ্মীরের দখল নেবেন। তাই তখন তিনি বুদ্ধি করে মানসিংহকে বলেছিলেন, আমার সেনার সঙ্গে এখনই আপনার কাশ্মীর ঢোকার দরকার নেই, আমি বরং একাই দেশের মানুষের কাছে পৌঁছতে পারা যায় কি না দেখি!

তিনি পেরেছিলেন। মোঘল সাহায্য ছাড়াই লোহার চাক-এর মন্ত্রী ‘আবদাল ভাট’কে ইউসুফ চাকের বাহিনী যুদ্ধে পরাজিত করেছিল। ইউসুফ ফের কাশ্মীরে তখতে আসীন হয়েছিলেন। কিন্তু মোঘল সম্রাটের সামনে ইউসুফ কথা দিয়েছিলেন যে, তাঁর সাহায্যের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তিনি মানসিংহকে কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানাবেন। ইউসুফ কাশ্মীরের তখতে বসলেও মানসিংহকে আর কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানান নি। এতে মানসিংহ বুঝে গিয়েছিলেন যে, ইউসুফ শাহ চাক মোঘল সম্রাটের বশ্যতা স্বীকার করতে চান না। ওদিকে সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন যে একটাই ভারত, একটাই মোঘল সাম্রাজ্য থাকবে। সেখানে অন্য শাসকেরা থাকবেন বটে, কিন্তু তাঁরা কেবলমাত্র মোঘল শাসনের  প্রতিনিধি হিসেবেই নিজেদের দায়িত্ব সামাল দেবেন। তাই ইউসুফের স্বাধীনচেতা মনোভাবকে তিনি ভাল চোখে দেখেন নি। তবুও তৎক্ষণাৎ কোন বাবদ না বাঁধিয়ে তিনি কাশ্মীররাজকে সন্ধিপ্রস্তাব দিয়ে নিজের দরবারে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। ইউসুফ তাঁর সেই তলব প্রায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রায় কেন? কারণ, তিনি নিজে না গিয়ে তাঁর ছোট ছেলে ‘ইয়াকুব চাক’কে আকবরের কাছে পাঠিয়েছিলেন। তাতে মোঘল সম্রাট তাঁর উপরে আরো খেপে উঠেছিলেন। ১৫৮৫ সালের আগস্ট মাসে তিনি কাবুলে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে অক্টোবর মাসে পাঞ্জাবে ফিরে তিনি তাঁর দু’জন প্রতিনিধিকে ইউসুফের কাছে পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন যে, তিনি যেন পত্রপাঠ তাঁর কাছে হাজিরা দেন। সেবার ইউসুফের মন্ত্রী-সেনাপতিরাই তাঁকে আকবরের আমন্ত্রণে সারা দিতে নিষেধ করেছিলেন। ফলে ইউসুফ মোঘল সম্রাটের সামনে উপস্থিত হননি। 

তারপরেই ডিসেম্বর মাসে আকবরের বিশাল সৈন্যবাহিনী কাশ্মীরের দরজায় উপস্থিত হয়েছিল। বিরাট সেই মোঘল সৈন্যবাহিনীর দায়িত্বে তিন সেনাপতি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন ইতিহাস বিখ্যাত ‘বীরবল’। আকবরের ‘নবরত্ন সভা’র কবি, পরামর্শদাতা ও গায়ক বীরবল। আকবরের আশা করেছিলেন যে, আট হাজার সেনা পাঠিয়ে ইউসুফের মন গলানো সম্ভব না হলেও, বীরবল নিশ্চয়ই সেকাজ করতে পারবেন। কিন্তু সম্রাটের প্রিয় সভাসদও সেবারে কিছু করতে পারেননি।

শেষেমেষে অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পরে, আকবরের আরেক সেনাপতি, ‘রাজা ভগবানদাস’ ইউসুফ চাককে তাঁর সামনে উপস্থিত করতে পেরেছিলেন। কিন্তু মোঘল দরবারে আসার আগে ভগবানদাস আর ইউসুফ চাক-এর মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, আকবর সেসব মানেন নি। কোথায় তিনি মোঘল সম্রাট, কোথায় কাশ্মীরের শাসক ইউসুফ! তাই তিনি নিয়ম ভেঙে ইউসুফকে বন্দী করেছিলেন। মোঘল সম্রাটের এহেন বিশ্বাসঘাতকতায় বিরক্ত ও বিষণ্ণ ভগবানদাস আত্মহত্যা করেছিলেন। ইউসুফ শাহ চাকও আর কোনদিন নিজের প্রিয় রাজ্যে ফিরে যেতে পারেননি। আকবর তাঁকে ‘টোডরমলের’ অধীনে বন্দী রেখেছিলেন। প্রথমে তিনি গৃহবন্দী দশায় বঙ্গদেশে ছিলেন, পরে তাঁকে মনসবদার করে বিহারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটেছিল। আজও ‘নালন্দা’ জেলার ‘বিসওয়াক’-এ তাঁর সমাধি রয়েছে।

ওদিকে আকবরের হাতে ইউসুফের বন্দিদশার খবর পেয়ে কাশ্মীরের মানুষ তাঁর ছেলে ‘ইয়াকুব শাহ চাক’কে কাশ্মীরের সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। ইয়াকুব দক্ষ শাসক ছিলেন না, এর ফলে রাজ্যে অরাজকতা দেখা দিয়েছিল। সেই সুযোগেই মোঘলরা আবার কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছিল। তবে এমনও শোনা যায় যে, কাশ্মীরে যখন ওই অরাজকতা চলছিল, তখন সেখানকার দু’জন সুন্নি ধর্মগুরু নাকি আকবরের ‘সাহায্য’ প্রার্থনা করে তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। যাই হোক, এরপরে আকবরের আদেশে ১৫৮৬ সালের ২৮শে জুন তারিখে ‘কাশিম খান’ ৪০ হাজার অশ্বারোহী আর ২০ হাজার পদাতিক সৈন্য নিয়ে কাশ্মীর আক্রমণের জন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপরে মোঘল বাহিনী প্রথমে ‘রাজৌরি’, পরে ‘শ্রীনগর’ অধিকার করে নিয়েছিল। সেই সঙ্গেই কাশ্মীর নিজের স্বাধীনতা হারিয়েছিল। একই সাথে ভবিষ্যতের অগুনতি বিদেশি আক্রমণের জন্য কাশ্মীরের দরজা খুলে গিয়েছিল। ইউসুফের ছেলের দশাও পরে তাঁর পিতার মতোই হয়েছিল। পরে বিহারে পিতা পুত্রের দেখা হয়েছিল, তাঁদের দু’জনেই তখন বন্দি। কোথায় ভূস্বর্গ কাশ্মীর আর কোথায় গনগনে গরমের বিহার! ওদিকে প্রাক্তন রাজরানি হাব্বা খাতুন কাশ্মীরেই থেকে গিয়েছিলেন। তিনি ইউসুফ চাক-এর বিরহে গান লিখে একাকী নিজের মনে গাইতেন; তাঁর শেষ পরিণতি কি হয়েছিল, সে খবর ইতিহাস রাখেনি।

ঐতিহাসিকেরা মনে করেন যে, নিজেদের সাম্রাজ্যের সীমানা আরও বাড়াতেই মুঘলরা কাশ্মীর দখল করেছিলেন। সমতলের ঝাঁ-ঝাঁ গরম থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য তাঁরা কাশ্মীরে গিয়ে শরীর জুড়োতেন। পরবর্তীকালে আফগান আর শিখরাও কাশ্মীরের দখল নিয়েছিলেন। ‘ডোগরা’র শাসক ‘গুলাব সিং’ তো ৮৫ লক্ষ ‘নানকশাহি’ শিখদের বসবাসের জন্য কাশ্মীরকে আক্ষরিক অর্থে কিনেই নিয়েছিলেন। তিনি কাশ্মীরের সীমানা প্রসারিত করেছিলেন এবং সেখানে নিজের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তারপরে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এভাবেই চলেছিল। গুলাব সিংয়ের উত্তরসূরিরা কাশ্মীরি মুসলিম প্রজাদের উপরে কম অত্যাচার করেন নি। কাশ্মীরি মুসলিমরা তো সেই ১৫৮৬ সালেই নিজেদের স্বাধীনতা হারিয়েছিলেন। 

তাই ১৯৩১ সালে যখন তাঁরা ডোগরা রাজাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন, তখন সেটা তাঁদের আরেক স্বাধীনতার লড়াই হয়ে উঠেছিল। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সেই লড়াইয়ের প্রত্যক্ষ কোন যোগ ছিল না। কিন্তু রাজনীতির খেলায় যেমনটা হয়ে থাকে - কাশ্মীর যথারীতি ভারত-পাকিস্তান দেশভাগের মধ্যে জড়িয়ে গিয়েছিল। আজও কাশ্মীরকে নিয়ে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে দড়ি টানাটানি অব্যাহত রয়েছে।

আকবরের সঙ্গে ইউসুফের লড়াইয়ের কাহিনীতেও কিন্তু চমকের কোন অভাব নেই। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে, ইউসুফের নিজেরও দোষ ছিল, নিজের পতনের পথ তিনি নিজেই তৈরি করেছিলেন। কিন্তু আসল কথা হল যে, যুদ্ধে আকবরের বাহিনী ইউসুফ শাহ চাকের সৈন্যদের হাতে দুরমুশ হয়েছিল, আর যদি ইউসুফ আকবরের ফন্দিতে বন্দী না হতেন, তাহলে আকবরের কাশ্মীর বিজয়ও কখনো সম্ভব হত না। আকবর সেদিন প্রতারণা না করলে, কাশ্মীরের ইতিহাস হয়তো অন্য রকমের হতে পারত।

লেখা- রানা চক্রবর্তী  

(তথ্যসূত্র:
১- আকবর, রাহুল সাংকৃত্যায়ন, আবরার পাবলিকেশন্স (২০১৭)।
২- HISTORY OF KASHMIR BY HAIDAR MALIK CHADURAH (Haidar Malik’s Tarikh-i-Kashmir {completed in 1620-21}), Dr. Raja Bano, Jay Kay Books, Srinagar (২০১৬)।
৩- Akbar: The Great Mogul (1542-1605), Vincent Arthur Smith, Alpha Edition (২০১৯)।)
কপি
পেস্ট

আট পৌর ,,,,,,, অতীত পাস্ট ফেইসবুক থেকে

 ❝আমার স্বামীর পরকীয়া যেদিন প্রথম ধরা পড়ে আমার কাছে, সেদিন আমি কান্না করি নি, বরং কোমল কণ্ঠে জিজ্ঞেস করেছিলাম,আচ্ছা বলো তো, আমার ঠিক কী পরিবর্তন করা লাগবে? কী পরিবর্তন করলে তুমি অন্য মেয়ের থেকে ফিরে আসবে। আমি নিশ্চয় কোথাও একটা তোমার মনের মতন না, তুমি বললে আমি শুধরে নিবো নিজেকে। সে কী বললো এর উত্তরে জানো? সে বললো, 'তুমি একটা ভার্সিটির প্রফেসর অথচ ভীষণ সাদামাটা থাকো, আমার সেটা পছন্দ না'। আমি শুনলাম স্বামীর সমস্যা অতঃপর দীর্ঘ দুইমাস লাগিয়ে নিজেকে আধুনিক করলাম। সাদামাটা খোলশ ছেড়ে বেড়িয়ে এলাম।❞


চা খেতে খেতে নিজের প্রিয় প্রেমিকার কথা মনযোগ দিয়ে শুনলো শাহাদাত। অতঃপর উৎসাহিত শ্রোতার ন্যায় বললো, ❝তারপর!❞

রুবিও নিজের চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বললো, 
❝নিজেকে যখন পরিপাটি করে স্বামীর পছন্দ মতন গড়ে তুললাম দেখলাম স্বামী তাতেও সন্তুষ্ট না। দ্বিতীয় বার আবার তাকে অন্য নারীর সাথে হাতে নাতে ধরলাম। সেদিনও আমি নরম কণ্ঠে শুধালাম, 'তুমি তো আধুনিক হতে বলেছো, আমি আধুনিক হলাম তারপরও আমার ভেতর কী সমস্যা রয়েছে বলো? আমি পরিবর্তনের চেষ্টা করবো। সে আমাকে বললো, 'তোমার এমন সরল সোজা ধরণ পাল্টাও, আমার প্রতি অতি প্রীতি ছাড়ো আমার বিরক্ত লাগে।' আমি মানলাম স্বামীর কথা বদলে ফেললাম অতি স্বামী প্রীতি।❞

এবার শাহাদাত এর চোখে-মুখে উৎকণ্ঠা দেখা দিলো। প্রায় উৎকণ্ঠিত হয়েই বললো, 
❝তারপর?❞

রুবি ফিচলে হাসলো, সেই ক্ষীণ হাসি বজায় রেখে ধীর স্বরে বললো, 
❝অবশেষে তৃতীয় বার আমার স্বামীর পরকীয়া ধরা পড়লো। কিন্তু এবারও আমি রাগ দেখালাম না তবে আগের চেয়ে একটু ভারী স্বরে তাকে বললাম, 'আমি তো নিজেকে বদলে ফেললাম বহু কষ্টে তবুও তুমি ঠিক হলে না?' সে রেগে কী বললো জানো? সে রেগে বললো,'আমার তুমিটাকেই পছন্দ না। তুমি আমার আশেপাশে থাকলে তোমার অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখে আমার দমবন্ধ লাগে। একজন স্বামী এতবার তার স্ত্রীর কাছে পরকীয়ায় ধরা পড়ার পরও কোন স্ত্রী এত শান্ত থাকে? তুমি আদৌও ভালোবাসো? তবে আমাকে অন্যের সাথে দেখলে তোমার রাগ লাগে না কেন? একবারও রাগ দেখিয়েছো! রাগ হয় না তোমার? আমার তুমিটাকেই পছন্দ না। একটু তো রাগও দেখাতে পারো। স্বাভাবিক আর পাঁচটা মেয়ের মতন রাগ দেখাতে পারো না?' তার চিৎকারে আমি হাসলাম। কোমল কণ্ঠে বললাম, 'হ্যাঁ পারি তো রাগ দেখাতে।" তারপর,,,❞

রুবির সামনে বসা শাহাদাত তখন প্রচণ্ড ঘামছে অথচ তাদের রুমটায় কৃত্রিম বাতাসের ছড়াছড়ি। শাহাদাত শার্টের হাতায় ঘাম মুছতে মুছতে বললো,
❝এটার সাথে তোমার স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার সম্পর্ক কী?❞

রুবি আরামে চায়ের কাপে শেষ চুমুক টা দিয়ে উঠে দাঁড়ালো। বা'চোখের কার্ণিশ বেয়ে এক ফোঁটা মুক্তোর দানার মতন অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। সে কেমন অসহায় কণ্ঠে বললো, 
❝জানো শাহাদাত, তাকে আমি ভালোবাসতাম। সে যাওয়ার পর ঠিক তেমন বা তার চেয়ে বেশি তোমাকে ভালোবেসে ছিলাম। আমি ভালোবাসা অন্য কারো সাথে ভাগাভাগি করতে পারি না। জানো, সেদিনও না আমার স্বামী আমার সাথে শেষ চা খেয়েছিল। এরপর আর তাকে কেউ খুঁজে পেলো না।❞

কথাটা শেষ করে রুবি বেড়িয়ে গেলো আলিশান ফ্লাট টা থেকে। শাহাদাত তার অস্বস্তি ভরা শরীর টা নিয়ে ঠাঁই বসে রইলো। তার মাঝেই টেবিলের উপর থাকা মোবাইলটা কিঞ্চিৎ কেঁপে উঠলো। ফোন স্ক্রিনে ভেসে উঠলো শাহাদাতের নতুন প্রেমিকার ক্ষুদে বার্তা, 
❝শাহ্, তুমি কোথায়? আমি তোমার পছন্দের স্লিভলেস পড়ে অপেক্ষা করছি। একটি মধুচন্দ্রিমার জন্য। তোমার সেই আটপৌরে প্রেমিকা কী এখনো আছে?❞

শাহাদাতের খুব বলতে ইচ্ছে হলো, "আটপৌরে না সে নারী, ভয়াবহ কোনো লে লি হা ন শিখা।" কিন্তু তার আগেই শাহাদাতের চোখ বুজে এলো। 

(সমাপ্ত)
ছোটোগল্পঃ আটপৌরে 
লেখাঃমম সাহা
কপি 
পেস্ট

কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ এর রেফারি পরিচিতি,,,, ফেইসবুক থেকে

 🚨| কাতার বিশ্বকাপ সুষ্ঠভাবে পরিচালনার গুরু দায়িত্ব হলো রেফারিদের হাতে!  

২৯ টি দেশের ৩৫ জন রেফারি থাকবে দায়িত্বে ! দেখে নেওয়া যাক কারা আছেন দায়িত্বে:-


১. আব্দুল রাহমান আল জসিম (কাতার 🇶🇦)

২. ইভান বার্তন (স্লোভেনিয়া 🇸🇮)

৩. ক্রিস বেথ ( অস্ট্রেলিয়া 🇦🇺) 

৪. রাফায়েল ক্লাউস ( ব্রাজিল 🇧🇷)

৫. ম্যাথিউ কংগার ( নিউজিল্যান্ড 🇳🇿) 

৬. ইসমাইল ইল্ফাত ( আমেরিকা 🇺🇸)

৭. মারিও এস্কোবার ( গুয়েতেমালা 🇬🇹)

৮. আলীরেজা ফাগহানী (ইরান 🇮🇷)

৯. স্টেফেনি ফ্রাপার্ট ( ফ্রান্স 🇲🇫)

১০. বাকারি গাসামা ( গাম্বিয়া 🇬🇲)

১১. মোস্তফা গরবাল ( আলজেরিয়া 🇩🇿) 

১২. ভিক্টর গোমেজ ( সাউথ আফ্রিকা 🇿🇦)

১৩. ইস্টবান কোভাস ( রোমানিয়া 🇷🇴)

১৪. নিং মা ( চীন 🇨🇳)

১৫. ড্যানি ম্যাকলি (নেদারল্যান্ডস 🇳🇱)

১৬. সায়মন মার্চিনাক ( পোল্যান্ড 🇵🇱)

১৭. এন্টোনিও মাতেও ( স্পেন 🇪🇸)

১৮. আন্দ্রেস মাতিয়াস মাতোন্তে কাব্রেরা ( উরুগুয়ে 🇺🇾)

১৯. মোহাম্মেদ আব্দুল্লাহ মোহাম্মেদ (আরব-আমিরাত 🇦🇪)

২০. সালিমা মোকান্সাংগা (রুয়ান্ডা 🇷🇼)

২১. ম্যাগুয়েট এন'দিয়া (সেনেগাল 🇸🇳)

২২. মাইকেল অলিভার ( ইংল্যান্ড  🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿) 

২৩. ড্যানিয়েল অরসাতো ( ইতালি 🇮🇹) 

২৪. কেভিন অরতেগা (পেরু 🇵🇪)

২৫. সিসার রামোস (মেক্সিকো 🇲🇽)

২৬. ফের্নান্দো রাফালিনি ( আর্জেন্টিনা 🇦🇷)

২৭. উইল্টন স্যাম্পিও ( ব্রাজিল 🇧🇷)

২৮. ড্যানিয়েল সিবার্ত ( জার্মানি 🇩🇪)

২৯. জ্যানি সিকাজি (জাম্বিয়া 🇿🇲)

৩০. এন্টোনি টেইলর ( ইংল্যান্ড  🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿)

৩১. ফাকন্ডো টেলো ( আর্জেন্টিনা 🇦🇷)

৩২. ক্লেমেন্ট তোর্পিন ( ফ্রান্স 🇨🇵)

৩৩. জেসুস ভালেনজুয়েলা ( ভেনেজুয়েলা 🇻🇪)

৩৪. স্লাভকো ভিঞ্চিক ( স্লোভেনিয়া 🇸🇮)

৩৫. ইয়োশিমি ইয়ামাশিতা ( জাপান 🇯🇵)

কপি
পেস্ট

রাতের আমল ফেইসবুক থেকে

 ****রাতের আমল****


প্রতিদিন রাতে এই আমল গুলো করে ঘুমিয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। 


--একদিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হযরত আলী (রাঃ) কে বলেছিল "ঘুমাতে যাওয়ার আগে ৫টি কাজ প্রতিরাতে করবে"


১.. চার হাজার দিনার সদকা করবে।

২..একটি কুরআন খতম করবে।

৩..জান্নাতের মূল্য পরিশোধ করবে।

৪..দু'জন ব্যক্তি যদি দু'জনের উপর রাগ করে থাকে তাইলে সেই রাগ ভাঙ্গিয়ে তাদেরকে খুশি করে তুলবে।

৫..একবার হজ্জ করবে, তারপর ঘুমাতে যাবে।


---হযরত আলী (রাঃ) তখন বললেন "হে রাসূলুল্লাহ! এটা তো মনে হচ্ছে অসম্ভব,আমি এই পাঁচটি কাজ কিভাবে করতে পারবো?

--তখন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন


১.. "সূরা ফাতিহা ৪বার পড়লেই চার হাজার দিনার সদকা করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে"।


২.. "সূরা ইখলাস ৩বার পড়লে একটি কুরআন খতমের সাওয়াব পাবে"।


৩.. "তিনবার যেকোনো একটি দরুদ শরীফ পড়বে, তাহলে জান্নাতের মুল্য পরিশোধ করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাওয়া যাবে। যেমন সবচেয়ে ছোট দরুদ শরীফ হচ্ছে "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"।


৪.."যেকোনো ইস্তাগফার বা আস্তাগফিরুল্লাহ ১০বার পাঠ করলে দুজন অখুশি মানুষকে খুশি করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে"।


৫.."সর্বশেষ কালেমা শাহাদত চারবার পাঠ করলে একটি হজ্জ সমপরিমাণ সাওয়াব পাওয়া যাবে"।


-রেফারেন্সঃ সহীহ বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, জামে তিরমিযি।

কপি
পেস্ট

নিভৃতচারী, প্রচার বিমুখ এক বিদগ্ধ আল্লামা মুফতী আব্দুল্লাহ (মাগুরার হুজুর হাফি:),,,, মেসবাহউদ্দীন চাচার ফেইসবুক থেকে

 নিভৃতচারী, প্রচার বিমুখ এক বিদগ্ধ আল্লামা মুফতী আব্দুল্লাহ (মাগুরার হুজুর হাফি:)


বলছিলাম এক মহীরুহের গল্প:(আমার প্রিয় ও সম্মানিত মেজো মামা)


নাম: মুফতী আব্দুল্লাহ 

পিতা: মৌলবী ইসকেন্দার

জন্ম: ১৯৪২ ইং (আনুমানিক)


স্থায়ি ঠিকানা: 

গ্রামঃ সাজিরকান্দী, পোস্ট: মুসাপুর বাজার, ইউ,পি: চাউলিয়া, সদর মাগুরা।

বর্তমানে তিনি তার দীর্ঘদিনের খেদমত স্থল যশোর নওয়াপাড়া মাদরাসার অদূরেই নতুন স্থাপনা তৈরি করে স্থায়ি ভাবে বসবাস করছেন।


দ্বিনী ইলমের খেদমত: 

প্রথম দিকে মাগুরা শিমুলিয়া মাদরাসা ও মাগুরা পৌর গোরস্থান মাদরাসা সহ এলাকার বেশ কিছু দ্বিনী মাদরাসায় কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। 

অতঃপর যশোর নোয়াপাড়া মাদরাসায় স্থায়িভাবে খেদমত শাইখুল হাদিস হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। 


লেখাপড়া : 

প্রথমে এলাকার মাদরাসায় অতঃপর  ১৯৬৬ সালে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে ফারেগ হন। খতীবে আ'জম আল্লামা হাবিবুল্লাহ মিসবাহ রহ. এর অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন। 

এরপর ১৯৬৭ সালে জামিয়া আশরাফিয়া লাহোর থেকে ফারেগ হন। 


তাঁর ব্যাপারে বলা হয়, পদ্মার ওপারে তথা খুলনা বিভাগের অপ্রতিন্ধি ও নজীর বিহীন এক আলেমে দ্বীন। 

কেউবা বলে জীবন্ত ও চলন্ত কুতুবখানা। বাস্তবেও তাই। 


ছাত্র জামানা থেকেই ইলমী বিষয়ে ভিন্ন মতাবলম্বীদেরকে বহস করার জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতেন এবং রুমের দরোজায় বিজ্ঞাপন সাঁটিয়ে রাখতেন।  


দ্বিন প্রিতষ্ঠার মেহনত:

পরিবার ও সমাজে নিরলসভাবে দ্বিন কায়েমের মেহনত করে যান। 

যেকোন সমস্যার এমন সুন্দর সমাধান দেন যা সবাইকে অবাক ও সন্তুষ্ট করে। 

কুরআন সুন্নাহ ফিকহ ও তাফসীর তাঁর নখদর্পনে। 

বহু মুফতিগণের কাছে জিজ্ঞাসা করে যখন ইতমিনান হওয়া যায়না তখন তাঁর কাছে গেলে সহজ সমাধান মিলে যায়। 

কোন হাওয়ালা খুঁজে না পেলে তাঁর জিজ্ঞাসা করলে তাৎক্ষণিক কিতাব ও ইবারত বলে দেন। 

তাকওয়া ও আমলে যার জুড়ি মেলা দায়। 

সাহসিকতার সাথে সমাজ থেকে শিরক বেদআত ও বদ্বীনি দূর করা মেহনত করেন এবং সফল হন। 


সূলুকের মেহনত: 

তিনি করাচীর আল্লামা শাহ হাকীম মুহাম্মদ আখতার রহ. খেলাফত লাভ করেন। 

দ্বিনী স্বার্থের যেকোন কাজে নিঃস্বার্থ ছুটে যান। 

দ্বিন বিরোধী কোন কর্যক্রম দেখলে সাহসিকতার সাথে বন্ধ করে দিতেন। 

তাঁর মাঝে ওয়াকার ও রো'ব (গম্ভীরতা) ছিল৷ 

ছোট বড় সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করেন। 

নিজ পরিবার আত্মীয় স্বজনদের দ্বীনের পথে আসা তারই সিংহভাগ অবদান রয়েছেন। 

তাঁর সমকক্ষ আজও কাহাকেও খুঁজে পাইনা। 

সন্তান-সন্ততি : 

তাঁর তিন ছেলে (সবাই হাফেজ আলেম)

এবং ৮ মেয়ে (যাদের সবাইকে যোগ্য আলেমের নিকট বিবাহ দিয়েছেন) 


[বর্তমানে তিনি খুবই অসুস্থ! সবার কাছে বিনীত অনুরোধ, সবাই তাঁর জন্য খাছভাবে দুআ করবেন। বিনীতঃ মিসবাহ ]


এই পরিবারের আরেক কিংবদন্তি আলেম মুজাদ্দিদ রয়েছেন। যিনি মহীরূহ এর ভাগ্নে। দ্বিনী খেতমতে অনেক দিক থেকে তাঁকে ছড়িয়ে গেছেন।

তিনি হলেন, মুফতী নূরুল আমীন হাফিঃ পীর সাহেব খুলনা ওয়া মাগুরা।

খলীফা: করাচী হযরত। 

তাঁকে নিয়ে পরবর্তী লেখা.....

কপি
পেস্ট

পর‌কীয়া করার পরিণাম,,,,,,,

 পর‌কীয়া করার পরিণাম।


নিজ স্ত্রী ব্যতীত অন্য নারীদের সাথে

প্রেম করার পরিণাম।


যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে কুমতলবের ইচ্ছা

নিয়ে স্পর্শ করবে, কিয়ামতের দিন সে এমনভাবে

আসবে যে তার হাত তার ঘাড়ের সাথে যুক্ত

থাকবে। সে যদি কোনো নারীকে চুমু দিয়ে

থাকে, তাহলে তার ঠোঁট দুটিকে আগুনের কাঁচি

দিয়ে কাটা হবে।।আর যদি তার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে থাকে তাহলে তার দুই উরু সাক্ষী দিবে, আমি অবৈধ কাজের জন্য আরোহণ করেছিলাম।

তখন আল্লাহ তার দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাকাবেন

এবং এতে সে অপমান বোধ করে গোয়ার্তুমি

করে বলবে ; আমি এ কাজ করিনি। তখন তার জিহ্বা তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়ে বলবে, ‘আমি অবৈধ বিষয়ে

কথা বলেছিলাম’। তার হাত সাক্ষী দিবে, ‘আমি অবৈধ

বস্তু ধরেছিলাম’। এরপর চক্ষু বলবে, ‘ আমি অবৈধ

বস্তুর দিকে তাকাতাম’। তার দুখানা পা বলবে, ‘ আমি

ব্যভিচার করেছি’। প্রহরী ফেরেশতারা বলবে, ‘

আমি শুনেছি’। অন্য ফেরেশতা বলবে, ‘আর আমি

লিখে রেখেছি’। আর আল্লাহ বলবেন, ‘আমি

জেনেছি এবং লুকিয়ে রেখেছি’। এরপর আল্লাহ

বলবেন, ‘হে ফেরেশতাগণ! একে পাকড়াও করে

আমার আযাব ভোগ করাও। কেননা যে ব্যক্তির

লজ্জা কমে যায় তার উপর আমার ক্রোধের অন্ত

নাই।পবিএ হাদীসের সত্যতা নিম্নের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় যেদিন তাদের কৃতকর্মের বিরুদ্ধে তাদের জিহ্বা,তাদের হাত ও পা সাক্ষী দিবে।(সূরা আন নূর-২৪)

অন্য হাদীসে রসূল(ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন বেগানা নারীর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করবে , কিয়ামতের দিন তার চোখে উত্তপ্ত গলিত সীসা ঢেলে দেওয়া হবে (ফাতহুল কাদীর)

এসব হারাম সম্পর্কগুলো সৃষ্টি হয় দৃষ্টির মাধ্যমে।

এজন্য পবিএ হাদীসে দৃষ্টিকে শয়তানের তীর বলা

হয়েছে।বেগানা নারীর সৌন্দর্য উপভোগ করাকে

চোখের জিনা বলা হয়েছে।আল্লাহর ভয়ে মেয়েদের সৌন্দর্য উপভোগ করা, কুদৃষ্টি ও কামনার দৃষ্টি ত্যাগ করুন,আর অন্তরের মধ্য ইমানের মাধুরতা উপভোগ করুন। এটা পরীক্ষিত সত্য। আল্লাহ আমাদের দৃষ্টির হেফাজত করার এবং প্রেম, পরকীয়া সহ সব ধরণের হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন।আমীন,,,


সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৬ শনিবার

সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৬-১১-২০২২ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম :


* আওয়ামী লীগ সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে সব সময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে - বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


* বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দক্ষিণ টিউবের কাজ সম্পন্ন - জানুয়ারিতে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে এই টানেল । 


* সরকার-বিরোধী আন্দোলনে জনগণের সাড়া না পেয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ আবোলতাবোল বকছেন - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


* বিএনপি বিদেশি শক্তির পদলেহন করে, তাই বিদেশিদের মন্তব্য নিয়ে তাদের আগ্রহ বেশি - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


* মালয়েশিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন।  


* ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১০-এ দাঁড়িয়েছে।


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরান ও সেনেগালের নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ - নেদারল্যান্ডস ও ইকুয়েডরের খেলা ড্র।

তিন জায়গায় স্ত্রীকে একা ছেড়ে দিবেন না!,,,,,,,

 তিন জায়গায় স্ত্রীকে একা ছেড়ে দিবেন না! 


১. স্ত্রী যদি অসুস্থ হয় তখন তাকে একা ছেড়ে দিবেন না চাই চিকিৎসা করতে বা ঘরে (আমাদের সমাজে অনেক ছেলে আছে যারা স্ত্রীর ব্যাপারে বেপরোয়া) তখন সে নিজেকে অনেক অসহায়ত্ব মনে করে।


২. কেউ যদি আপনার স্ত্রীকে অপমান করে (চাই আত্মীয় স্বজনরা বা বন্ধু বান্ধবীরা) তখন তাকে একা ছেড়ে দিবেন না কারণ প্রতিটি মেয়ে তার স্বামীকে ঢাল মনে করে আপনি যদি অপমানের প্রতিরোধ না করেন আপনার স্ত্রীর পক্ষে না থাকেন তখন সে অনেক বিপদে পরে যাবে।


৩. কোন পরপুরুষের কাছে (যার সাথে বিয়ে জায়েজ) একা ছেড়ে দিবেন না কারণ যখন কোন মেয়ে পরপুরুষের কাছে থাকে তখন তৃতীয় একজন উপস্থিত হয় আর সে হচ্ছে শয়তান। তারপর তারা অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়ে যায়। 


তাই আমরা এই তিন জায়গায় কখনো কোন দিন স্ত্রীকে একা ছেড়ে দিবো না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক।

আমিন।।
কপি

পেস্ট

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...