এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি অসাধারন ঘটনার মুজিযা,,,,
# রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি অসাধারন ঘটনার মুজিযা
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন পরিখা খনন করা হচ্ছিল তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভীষণ ক্ষুধার্ত অবস্থায় দেখতে পেলাম।
তখন আমি আমার স্ত্রীর কাছে ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কাছে কোন কিছু আছে কি? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দারুন ক্ষুধার্ত দেখেছি। তিনি একটি চামড়ার পাত্র এনে তা থেকে এক সা‘ পরিমাণ যব বের করে দিলেন।
আমার বাড়ীতে একটা বাকরীর বাচ্চা ছিল। আমি সেটি যবহ করলাম। আর সে (আমার স্ত্রী যব পিষে দিল। আমি আমার কাজ শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে সেও তার কাজ শেষ করল এবং গোশত কেটে কেটে ডেকচিতে ভরলাম। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ফিরে চললাম।
তখন সে (স্ত্রী বলল, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীদের নিকট লজ্জিত করবেন না।
এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে চুপে চুপে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আমাদের একটি বাকরীর বাচ্চা যবহ করেছি এবং আমাদের ঘরে এক সা যব ছিল। তা আমার স্ত্রী পিষে দিয়েছে। আপনি আরো কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসুন।
তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চস্বরে সবাইকে বললেন, হে পরিখা খননকারীরা! জাবির খানার ব্যবস্থা করেছে। এসো, তোমরা সকলেই চল। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার আসার পূর্বে তোমাদের ডেকচি নামাবে না এবং খামির থেকে রুটিও তৈরি করবে না।
আমি (বাড়ীতে) আসলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবা-ই-কিরামসহ আসলেন। এরপর আমি আমার স্ত্রীর নিকট আসলে সে বলল, আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন। আমি বললাম, তুমি যা বলেছ আমি তাই করেছি।
এরপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে আটার খামির বের করে দিলে তিনি তাতে মুখের লালা মিশিয়ে দিলেন এবং বারাকাতের জন্য দু‘আ করলেন। এরপর তিনি ডেকচির কাছে এগিয়ে গেলেন এবং তাতে মুখের লালা মিশিয়ে এর জন্য বারাকাতের দু‘আ করলেন। তারপর বললেন, রুটি প্রস্তুতকারিণীকে ডাক। সে আমার কাছে বসে রুটি প্রস্তুত করুক এবং ডেকচি থেকে পেয়ালা ভরে গোশত বেড়ে দিক। তবে (উনুন হতে) ডেকচি নামাবে না।
তাঁরা ছিলেন সংখ্যায় এক হাজার। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি, তাঁরা সকলেই তৃপ্তি সহকারে খেয়ে বাকী খাদ্য রেখে চলে গেলেন। অথচ আমাদের ডেকচি আগের মতই টগবগ করছিল আর আমাদের আটার খামির থেকেও আগের মতই রুটি তৈরি হচ্ছিল।
(সহীহ বুখারী)
৮৭ সূরা আল আ'লা,,,,, সর্বোন্নত
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১
سَبِّحِ ٱسْمَ رَبِّكَ ٱلْأَعْلَى
উচ্চারণঃ ছাব্বিহিছমা রাব্বিকাল আ‘লা-।
অর্থঃ আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ২
ٱلَّذِى خَلَقَ فَسَوَّىٰ
উচ্চারণঃ আল্লাযী খালাকা ফাছওওয়া-।
অর্থঃ যিনি সৃষ্টি করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৩
وَٱلَّذِى قَدَّرَ فَهَدَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়াল্লাযী কাদ্দারা ফাহাদা-।
অর্থঃ এবং যিনি সুপরিমিত করেছেন ও পথ প্রদর্শন করেছেন
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৪
وَٱلَّذِىٓ أَخْرَجَ ٱلْمَرْعَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়াল্লাযীআখরাজাল মার‘আ-।
অর্থঃ এবং যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেছেন,
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৫
فَجَعَلَهُۥ غُثَآءً أَحْوَىٰ
উচ্চারণঃ ফাজা‘আলাহূগুছাআন আহওয়া-।
অর্থঃ অতঃপর করেছেন তাকে কাল আবর্জনা।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৬
سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰٓ
উচ্চারণঃ ছানুকরিউকা ফালা-তানছা-।
অর্থঃ আমি আপনাকে পাঠ করাতে থাকব, ফলে আপনি বিস্মৃত হবেন না
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৭
إِلَّا مَا شَآءَ ٱللَّهُ إِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ
উচ্চারণঃ ইল্লা-মা-শাআল্লা-হু ইন্নাহূইয়া‘লামুল জাহরা ওয়ামা-ইয়াখফা-।
অর্থঃ আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। নিশ্চয় তিনি জানেন প্রকাশ্য ও গোপন বিষয়।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৮
وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া নুইয়াছছিরুকা লিল ইউছরা-।
অর্থঃ আমি আপনার জন্যে সহজ শরীয়ত সহজতর করে দেবো।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৯
فَذَكِّرْ إِن نَّفَعَتِ ٱلذِّكْرَىٰ
উচ্চারণঃ ফাযাক্কির ইন নাফা‘আতিযযিকরা-।
অর্থঃ উপদেশ ফলপ্রসূ হলে উপদেশ দান করুন,
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১০
سَيَذَّكَّرُ مَن يَخْشَىٰ
উচ্চারণঃ ছাইয়াযযাক্কারু মাইঁ ইয়াখশা-।
অর্থঃ যে ভয় করে, সে উপদেশ গ্রহণ করবে,
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১১
وَيَتَجَنَّبُهَا ٱلْأَشْقَى
উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াতাজান্নাবুহাল আশকা-।
অর্থঃ আর যে, হতভাগা, সে তা উপেক্ষা করবে,
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১২
ٱلَّذِى يَصْلَى ٱلنَّارَ ٱلْكُبْرَىٰ
উচ্চারণঃ আল্লাযী ইয়াসলান্না-রাল কুবরা-।
অর্থঃ সে মহা-অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৩
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ
উচ্চারণঃ ছু ম্মা লা-ইয়ামূতুফীহা-ওয়ালা-ইয়াহইয়া-।
অর্থঃ অতঃপর সেখানে সে মরবেও না, জীবিতও থাকবে না।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৪
قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ
উচ্চারণঃ কাদ আফলাহা মান তাঝাকা-।
অর্থঃ নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৫
وَذَكَرَ ٱسْمَ رَبِّهِۦ فَصَلَّىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া যাকারাছমা রাব্বিহী ফাসাল্লা-।
অর্থঃ এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর নামায আদায় করে।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৬
بَلْ تُؤْثِرُونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
উচ্চারণঃ বাল তু’ছিরূনাল হায়া-তাদ্দুনইয়া-।
অর্থঃ বস্তুতঃ তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও,
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৭
وَٱلْءَاخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰٓ
উচ্চারণঃ ওয়াল আ-খিরাতুখাইরুওঁ ওয়া আবকা-।
অর্থঃ অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৮
إِنَّ هَٰذَا لَفِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ
উচ্চারণঃ ইন্না হা-যা-লাফিসসুহুফিল উলা-।
অর্থঃ এটা লিখিত রয়েছে পূর্ববতী কিতাবসমূহে;
সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৯
صُحُفِ إِبْرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ
উচ্চারণঃ সুহুফি ইবরা-হীমা ওয়া মূছা।
অর্থঃ ইব্রাহীম ও মূসার কিতাবসমূহে।
,,,,,,,,,,,
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৯ মঙ্গলবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।
(২৯-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* সাধারণ রোগীর মত টিকেট কেটে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
* মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিব কোট পরে নয়, তাঁর আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
* সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ করা হলেও বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশের জন্য বাড়াবাড়ি করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে সরকার - বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।
* ‘সবাই মিলে দেবো কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’ স্লোগানকে সামনে রেখে আগামীকাল দেশে পালিত হবে জাতীয় আয়কর দিবস।
* বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকটের প্রেক্ষিতে চলতি অর্থবছরে ধান উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার।
* রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শীতকালকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন বলে অভিযোগ ন্যাটোর।
* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে আজ রাতে বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গ্রুপ পর্যায়ের চারটি ম্যাচ।
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২
কুফু বা বিয়ের ক্ষেত্রে সমতা,,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে
কুফু বা বিয়ের ক্ষেত্রে সমতাঃ
বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের বয়স, আর্থিক সচ্ছলতা, পরিবেশ-পারিপার্শ্বিকতা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বয়সের অধিক ব্যবধানের ফলে অনেক সময় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মানসিক অশান্তি সৃষ্টি হয়। যা এক সময় স্থায়ী বিচ্ছেদের রূপ লাভ করে কিংবা তারা পরকীয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে। এজন্য ইসলাম বয়স, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বলেছেন, تَخَيَّرُوْا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ، ‘তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ কর এবং সমতা বিবচেনায় বিবাহ কর, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখ’।[হাদীস ইবনু মাজাহ: ১৯৬৮; ছহীহাহ: ১০৬৭]
ইসলাম ধর্ম কখনোই অনৈতিক বা সমাজ গ্রহণ করে না এমন কোনো কার্যক্রম সমর্থন করে না। আর এরই ধারাবাহিকতায় পরকীয়া ধরনের অপরাধ হচ্ছে অনেক বড় ধরনের জঘন্য অপরাধ। যে অপরাধের শাস্তি দুনিয়াতে অনেক ভয়ানক এবং জীবননাশক। তাই একজন মুসলমানের জন্য এই কাজটি করার আগে অবশ্যই এর শাস্তির ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিৎ। والله اعلم بالصواب
উত্তম দৃষ্টান্ত,,,,,, ফেইসবুক থেকে
মেয়ের বাবাকে জিজ্ঞাসা করলাম মোহর কত চান? তিনি বলেন ছেলের সামর্থ্য অনুযায়ী। ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার সামর্থ্য কতটুকু? সে বলল, সাত হাজার। মেয়ের বাবা বললেন, আলহামদুলিল্লাহ আমি রাজি। আমি সুপারিশ করে বললাম, দশ সংখ্যাটা পূর্ণ। আমরা তোমাকে কিছু হাদিয়া দিই। তুমি দশ পূর্ণ করে দিও।
ছেলে বলল, তাহলে আমি নিজেই দশ হাজার দিব ইনশাআল্লাহ। আমি বললাম, প্লিজ আমাদের একটু শরিক হতে দাও তোমার সাথে। আমি তোমাকে পাঁচশ টাকা দেব। একথা শুনে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই বাকি টাকা দেয়ার জন্য হাত তুললেন।
কিন্তু মেয়ের বাপ সবাইকে আশ্চর্য করে ঘোষণা দিল, বাকি আড়াই হাজার টাকা ছেলেকে আমিই দিব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আকবার। কত উদার মনের মানুষ! নিজের মেয়ের বিবাহের মোহর বরের পক্ষ থেকে নিজেই আদায় করলেন। সুবহানাল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ আজ আমি একজন প্রকৃত রাজা খুঁজে পেলাম। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যথার্থই বলেছেন, আত্মিক ধনীই প্রকৃত ধনী।
✍️ আতাউর রহমান বিক্রমপুরী হাঃ
কতইনা উত্তম দৃষ্টান্ত সুবহানাল্লাহ ☝🏿
( প্রত্যেকটা পিতামাতা যদি এমন হতো কতই না উত্তম হত )
কপি
পেস্ট
নিয়মিত ইসলামিক লেখা পেতে আমাদের পেইজটি ফলো করুন Message বার্তা
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৯ মঙ্গলবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৯-১১-২০২২ খ্রি:। আজকের শিরোনাম :
* শান্তিরক্ষা মিশনে নারীদের ভূমিকা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে - বললেন প্রধানমন্ত্রী।
* এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ - পরীক্ষার ফল গ্রহণ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে যথাযথ শিক্ষা ও প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জনের ওপর শেখ হাসিনার গুরুত্ব আরোপ।
* বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিধান রেখে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২২ এর খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন।
* ১০ই ডিসেম্বর বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে বাধা নেই, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
* তারেক রহমান হচ্ছে দুর্নীতি, লুটপাট, হাওয়া ভবন ও খোয়াব ভবনের প্রতীক - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* চীনের শহরগুলোতে থেমে গেছে কোভিড বিধি-নিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ।
* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে ফেভারিট ব্রাজিল ও পর্তুগাল নিজ নিজ ম্যাচে জিতে নকআউট পর্বে উন্নীত।
বিয়ের শর্ত,,,,,,,,,,,,,
বিয়ের শর্ত, 💕
১| বিনা কারণে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ত্যাগ করা যাবে না।
২| ফরজ রোজা ও নফল রোজা রাখতে হবে। 💖
৩| সব সময় পর্দায় থাকতে হবে ও মাথা থেকে কখনও কাপড় যেন না পড়ে।💓
৪| পর পুরুষের সামনে যাওয়া বা তাদের সাথে কথা বলা যাবে না। 💗
৫| উচ্চস্বরে কথা বলা বা হাসা হাসি করা যাবে না।💖
৬| স্বামীর সকল কথা মেনে চলতে হবে।💕
৭| কারো গিবত করা বা শোনা যাবে না।❣️
৮| আপনার স্বামী চাইলে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না হলে পারবে না।🧡
৯| কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে।
💚
১০| ফজর নামাজ পড়ার পড় সুরা ইয়াসিন ও রাতে সুরা মুলক ও সুরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করতে হবে।💝
১১| সময় পেলে ইসলামিক বই, পড়তে হবে। ও বিভিন্ন মাছনুন দুয়া পড়তে হবে।💖
১২| অন্য কারোর মোবাইল এ নিজের ছবি তোলা যাবে না। 💓
১৩| গান, ছবি, নাটক, সিরিয়াল দেখা যাবে না, ওয়াজ ও গজল শুনতে হবে।💕
১৪| সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে ও মেহমানদের আপ্পায়ন করতে হবে।💞
এমন শর্ত যদি কোনো ছেলে দেয় পারবা তো বিয়ে করতে
ইংশা আল্লাহ আমি পারবো❤️❤️
বিশ্বে গেইটস এর চেয়ে ও বড় ধনী কে,,,,
একবার এক লোক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটসকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে তোমার চেয়ে ধনী আর কেউ আছে কি?"
বিল গেটস জবাব দিয়েছিল, "হ্যাঁ, এমন একজন আছেন যিনি আমার চেয়েও ধনী”।
তারপর তিনি একটি গল্প বললেন-
“এই সময়টি ছিল যখন আমি ধনাঢ্য বা বিখ্যাত ছিলাম না।
“একবার নিউইয়র্ক বিমান বন্দরে একজন সংবাদপত্র বিক্রেতার সাথে আমার সাক্ষাত হলো।’’
“আমি একটি সংবাদপত্র কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেখেছি আমার কাছে যথেষ্ট টাকা নেই। তাই আমি কেনার সিদ্ধান্ত ছেড়ে পেপারটি বিক্রেতার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।
“আমি তাকে আমার অবস্থার কথা বলেছি। বিক্রেতা বললেন, ‘আমি আপনাকে বিনামূল্যে দিচ্ছি।’ আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।
“দুই থেকে তিন মাস পরে, আমি একই বিমান বন্দরে আবার অবতরণ করেছি এবং কাকতালীয়ভাবে আবারও সেই পত্রিকা বিক্রেতার সাথে দেখা হলো। বিক্রেতা আমাকে আজও একটি পত্রিকা অফার করলেন। আমি অপারগতা প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমি এটি নিতে পারি না কারণ এখনও আমার পরিবর্তন আসেনি। তিনি বললেন, ‘আপনি এটি নিতে পারেন, আমি এটি আমার লাভাংশ থেকে আপনাকে দিচ্ছি, আমার ক্ষতি হবে না’। বিক্রেতার আগ্রহে আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।
“ঐ ঘটনার ১৯ বছর পরে আমি বিখ্যাত এবং মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠি। হঠাৎ একদিন মনে পড়ে গেল সেই পত্রিকা বিক্রেতার কথা। আমি তাকে খুঁজতে শুরু করে দিলাম এবং প্রায় দেড় মাস অনুসন্ধানের পরে আমি তাকে খুঁজে পেলাম।
“আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনি কি আমাকে চেনেন? ’তিনি বলেছিলেন,‘ হ্যাঁ, আপনি বিল গেটস। ’
“আমি তাকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনার কি মনে আছে একবার আমাকে বিনামূল্যে একটি পত্রিকা দিয়েছিলেন? ’
“বিক্রেতা বললেন,‘ হ্যাঁ, মনে আছে। আপনাকে দু’বার দিয়েছি। ’
“আমি বললাম,‘ আপনি যে আমাকে বিনামূল্যে পত্রিকা দিয়েছিলেন তা আমি ফিরিয়ে দিতে চাই। আপনি আপনার নিজের জন্য যা চান বলুন? আমি এটি পূরণ করব। ’'
“বিক্রেতা বললেন,‘ স্যার, আপনি এমন কিছু দিতে পারবেন না, যা আমার সাহায্যের সমান হবে। ’
“আমি জিজ্ঞাসা করলাম,‘ কেন? ’
“তিনি বলেছিলেন,‘ আমি আপনাকে সংবাদপত্র দিয়েছিলাম আমার দরিদ্র অবস্থান থেকে । আর আপনি এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। আপনার সাহায্য কীভাবে আমার সাহায্যের সমান হবে? ’
"সেদিন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে সংবাদপত্রের বিক্রেতা আমার চেয়ে বেশি ধনী, কারণ তিনি কাউকে সাহায্য করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করেন নি।"
মানুষের বুঝতে হবে যে সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হলো তাঁরাই যাদের প্রচুর অর্থের চেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ হৃদয় রয়েছে।
সত্যিকারের ধনী হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।
জমি জমা সংক্রান্ত জরুরী তথ্য,,,,
= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
.
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
.
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
.
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
.
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
.
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
.
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
.
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
.
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
.
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
.
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
.
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
.
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
.
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
.
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
.
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
.
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
.
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
.
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
.
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
.
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
.
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
.
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
.
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
.
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন,
Share......
Share.....
Share...
কপি
পেস্ট
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...