এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

এখানে কিছু পড়লেই পাথর হয়ে যায়,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এখানে কিছু পড়লেই পাথর হয়ে যায় !! 


ন্যাট্রন হ্রদ (যেখানে কোনো প্রাণী পড়লেই পাথর হয়ে যায়) 🥶🥶🥶

______________________________________

তানজানিয়ার লেক ন্যাট্রন আফ্রিকার সবচেয়ে নির্মল হ্রদগুলির মধ্যে একটি। এর পানির সংস্পর্শে আসলে যেকোনো প্রাণীর চামড়া পুড়ে যায় এবং তারা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে না। এভাবে দীর্ঘকাল ধরে তাদের দেহ  সেখানে থাকার কারণে তা পাথরে পরিণত হয়। এর সৌন্দর্যের কারণে প্রতিবছর অনেক অতিথি পাখি এখানে আসে দুর্ঘটনাবসত এদের অনেকেই মারা যায়। 

 

 Natron লেকের ক্ষারীয় জলের pH 10.5 এর মতো এবং এটি এতই ক্ষারীয় যে এটি প্রাণীদের ত্বক এবং চোখ পুড়িয়ে ফেলতে পারে। জলের ক্ষারত্ব আসে সোডিয়াম কার্বনেট এবং অন্যান্য খনিজ থেকে যা পার্শ্ববর্তী পাহাড় থেকে হ্রদে প্রবাহিত হয়।পানিতে সোডিয়াম কার্বনেট থাকার কারণে মৃতদেহ গুলো পচে না। 


পূর্ব আফ্রিকার ওই এলাকার দুটি ক্ষারীয় হ্রদের মধ্যে একটি হ্রদ ন্যাট্রন;  অন্যটি হ্রদ বাহি।  উভয়  হ্রদ যা কোনো নদী বা সাগরে পানি নিষ্কাশন করে না।


source : Wikipedia



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇

 #ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇


🌹সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।


🌹মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কেটে না ধুয়ে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোড়া ফেলে। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।


🌹ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।


🌹মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।


🌹গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর, বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।


🌹ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।


🌹ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এতে  মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।


🌹মাছ ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।


🌹ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সটি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।


🌹ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।


🌹ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। 


🌹মাছ কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে তাতে লবন লেবুর রস এবং হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে মাছে একদম গন্ধ হবে না।


আমার দেওয়া পোস্ট গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা 💕💕💕


 


গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা


✋ উপকারিতা ঃ

উচ্চ ডায়াবেটিস কমাতে লাল চাল 

ওজন কমাতে লাল চাল 

হাটের সুস্থতায় লাল চাল 

হাড় মজবুত করতে লাল চাল 

বয়সের ছাপ রোধ করতে লাল চাল 

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।


✅ প্রতিদিন ১ কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে। লাল চালের ভাতে ক্ষুধা কম লাগে। লাল চালের ভাত খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফাইবারের ১০ ভাগ পূরণ হয়।


✋ লাল আটা কেন খাবেনঃ

১. লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. ডায়াবেটিস রোগী ও স্থুল রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. লাল আটা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমায় ও উপকারি ফ্যাট বাড়ায়।

৪. লাল আটা ক্ষুধা প্রশমিত করে ও অতিরিক্ত ওজন কমায়।

৫. লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে। (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।

৬. পরির্পূণ পুষ্টি সমৃদ্ধ আঁশযুক্ত গমের আটা সুস্বাস্থের জন্য অপরির্হায।

৭. লাল আটায় লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৮. লাল আটা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারি।

৯.  লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

১০. লাল আটায় প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


আইটেম সমূহ ঃ 

১) লাল চাল ( আমন)

২) লাল চাল ( বিরই)

৩) লাল বোরো ( টেপা বোরো)

৪)লাল বিন্নি

৫)সাদা বিন্নি

৬)কালো বিন্নি

৭)ব্ল্যাক রাইস 

৮)কাউন চাল

৯)লাল বাসমতি 

১০)বাংলা মতি ফুল ফাইবার 

১১) লাল আটা


🔰 সুগন্ধি চাল : 

১২) বাশফুল 

১৩)জামাই আদুরি " তুলসী মালা সুগন্ধি চাল "

১৪) বাশফুল

১৫) বাদশাভোগ


🔰 ডাল :

১৬) ফেলন ডাল 

১৭) মাসকলাই ডাল

১৮) রাজমা

১৯ ) কাবলি বুট 

২০) সবুজ মুগ ডাল


🔰 অন্নান্য :

যবের ছাতু 

যবের আটা 

লাল চিড়া 

আখের লাল চিনি  

চিয়া সিডস 


🔰 গ্রিন এগ্রো 

" আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক "


আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি প্রয়োজনে

০১৮৪১-১৭২৭৭০ ( WhatsApp)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

খলিফা হারুন আর রশিদের গল্প,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"


খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয়  করবেন?"


খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"


খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"


খলিফা বললেন, "বলো।"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?" 


-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"


শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক  ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"


ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক। 


তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়। 

ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"


পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-


"তোমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছো?"

---



বোরনের  ঘাটতি লক্ষণ,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ✅বোরনের  ঘাটতি লক্ষণ

বোরন এর ঘাটতির লক্ষণ সাধারণত কচি পাতায় দেখা যায়। বিভিন্ন শস্য ও ফলে বোরনের ঘাটতি বিভিন্ন ধরনের হয়। তবে ঘাটতি লক্ষণগুলো হলো-

০১. গাছের কাণ্ডের শীর্ষ ভাগ শুকিয়ে যায় বা মরে যায়।

০২. পাতা ঈষৎ হলুদ হয় এবং কখনও কখনও পাতা মোড়ানো আকার ধারণ করে এবং ভঙ্গুরতা প্রদশর্ন করে।

০৩. গাছে পর্যাপ্ত পানি সেচ দেয়ার পরও কচিপাতা নেতিয়ে পড়া অবস্থায় থাকে।

০৪. পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা ফলের আকার বিকৃতি  হয়।

০৫. ফুলকপি ও বাঁধাকপির পাতা সজীবতা হারায় এবং পাতায় হাত দিলে খসখসে অনুভূত হয়। ফুলকপির কাডবিবর্ণ হয়ে নষ্ট হয়।

০৬. অভাব তীব্র হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গাছের শিকড়ের বৃদ্ধি হয় না এবং ফুল ধারণ কমে যায়। 


✅পাতায় স্পে পদ্ধতিতে প্রয়োগ:

প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম বোরন মিশিয়ে স্প্রে মেশিন দিয়ে সমভাবে পাতায় স্প্রে করতে হবে। ফলজ গাছে বোরন ঘাটতি দেখা দিলে সঠিক মাত্রায় বোরন দ্রবণ স্প্রে করে গাছের পাতা ভিজিয়ে দিতে হবে। 


মূল্য : ১০০ গ্রাম ৬০ টাকা 


✅সারা দেশে দ্রুত হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়।ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।


ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন আরও সহজ করল বিআরটিএ,,,,,,,

 ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন আরও সহজ করল বিআরটিএ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। নবায়নের আবেদনসমূহ অনলাইনে দাখিলের ব্যবস্থা এরই মধ্যে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিআরটিএ জানিয়েছে, পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ (মিরপুর), ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ (ইকুরিয়া), ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ (দিয়াবাড়ি, উত্তরা), ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৪ (পূর্বাচল) ও ঢাকা জেলা সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত আবেদনসমূহ bsp.brta.gov.bd এই ওয়েসাইটের  মাধ্যমে গ্রহণ কার্যক্রম (পাইলটিং) শুরু করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ থেকে এ প্রক্রিয়াই বিআরটিএ’র অন্যান্য সকল সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের কার্যক্রম চালু করা হবে।


বিআরটিএ জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া চালুর ফলে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীকে শুধুমাত্র একবার বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে বায়োএনরোলমেন্ট প্রদান ও দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।


যেভাবে আবেদন:

প্রথমে এই bsp.brta.gov.bd গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ইউজার আইডি খুলতে হবে। আবেদনকারী কর্তৃক তার bsp একাউন্টের মাধ্যমে প্রথমে অনলাইন ভেরিফিকেশন বেজড কিউআর কোড সংবলিত প্রবেশপত্র গ্রহণ করতে হবে। পরবর্তীতে রিফ্রেশার ট্রেনিং ও দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর অনলাইনেই ফি প্রদান ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট স্ক্যান কপি সংযুক্ত করে আবেদন সাবমিট করতে হবে।


এ ছাড়া আবেদনকারীর পরীক্ষার ফলাফল এবং আবেদন প্রক্রিয়াকরণের প্রতিটি পর্যায়ের স্ট্যাটাস অনলাইনে তার bsp একাউন্টে জানতে পারবেন এবং কিউআর কোড বেজড সিস্টেম জেনারেটেড মোটরযান চালনার ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন। প্রিন্টিং কার্যক্রম শেষে আবেদনকারীর চাহিত ঠিকানায় ডাকযোগে ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।


এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে এই ইমেইলে info@brta.gov.bd পাঠাতে পারবেন।


সূত্র:- Independent News

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

পটল চাষ পদ্ধতি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে পোটল অনেক জনপ্রিয় সবজি চারা রোপণ করলে 2-3 মাসের মধ্যে পটল পাওয়া যায়

আমাদের থেকে বারি জাতের পটলের চারা নিতে পারেন 🌱


♻️পাঁচটি পোটল চারা + একটি ঝুরি ৪৫৫ টাকা 

♻️দশটি পোটল চারা+ একটি ক্যারেট ৭৪৫ টাকা 

♻️২০ টি পোটল চারা + একটি ক্যারেট ১২৯৯ টাকা 

♻️৫০ টি পোটলের চারা + একটি ক্যারেট ২৯৯৫ টাকা


👉 নারী + পুরুষ গাছ আলাদা করে দেওয়া হবে 


♻️হোম ডেলিভারি ইনসাইড ঢাকা 70 টাকা

♻️সারা বাংলাদেশে ১৫০ টাকা 


♻️✅রোপন পদ্ধতি: 


পটল চাষের পরামর্শ ও পদ্ধতি 


♻️বন্যামুক্ত ও পানি জমে না এমন বেলে দো-আঁশ বা দো-আঁশ মাটি পটল চাষের জন্য ভাল। নদীর তীরে পলিযুক্ত মাটিতেও পটল চাষ করা যায়। রোপণের সময় : অক্টোবর থেকে নভেম্বর অথবা ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাস পটোল রোপণের উপযুক্ত সময়। বেড পদ্ধতিতে পটল চাষ করলে ফলন ভালো হয় এবং বর্ষাকালে ক্ষেত নষ্ট হয় না।


♻️জাত নির্বাচন : বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পটলের দুটি জাত আবিষ্কার করেছে। জাত দুটো উচ্চ ফলনশীল ও রোগবালাই সহ্য করতে পারে সেগুলো হলো ‘বারি পটল । হেক্টরপ্রতি ফলন ৩০ থেকে ৩৮ টন।


♻️বংশবিস্তার: এটি কাণ্ড এবং টিউবারের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। শাখা কলমের ক্ষেত্রে পরিপক্ব কাণ্ড ব্যবহার করা হয়। এদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কাণ্ড মরে গেলেও শিকড় জীবিত থাকে। ফলে এই শিকড় থেকেই আবার গাছ জন্মে। রোপণের আগে পটোলের শিকড় গজিয়ে নিলে বেশি ভালো হয়।


♻️জলবায়ু ও মাটি: উষ্ণ ও আদ্র জলবায়ু পটল চাষের জন্য বেশি তাপমাত্রা ও সূর্যালোকের প্রয়োজন। বন্যামুক্ত ও পানি জমে না এমন বেলে দো-আঁশ বা দো-আঁশ মাটি পটল চাষের জন্য ভাল। নদীর তীরে পলিযুক্ত মাটিতেও পটল চাষ করা যায়। 


♻️রোপণের সময় : অক্টোবর থেকে নভেম্বর অথবা ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাস পটল রোপণের উপযুক্ত সময়।


♻️জমি তৈরি ও চারা রোপণ : প্রথমে মাটি ভালো করে চাষ দিয়ে প্রস্তুত করে নেয়া উচিত। জমিকে ৪-৫টি আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরা ও সমান করে নিতে হবে। বেড পদ্ধতিতে পটল চাষ করলে ফলন ভালো হয় এবং বর্ষাকালে ক্ষেত নষ্ট হয় না। সাধারণত একটি বেড ১.০-১.৫ মিটার চওড়া হয়। বেডের মাঝামাঝি এক মিটার থেকে দেড় মিটার বা দু’হাত থেকে তিন হাত পর পর মাদায় চারা রোপণ করতে হয়।


♻️এক বেড থেকে আর এক বেডের  মাঝে ৭৫ সেমি. নালা রাখতে হবে। মাদা বা পিট তৈরি মাদা বা পিটের আকার- দৈর্ঘ্য- ৫০ সেমি. প্রস্থ- ৫০ সেমি. গভীরতা- ৪০ সেমি. নালা- ৭৫ সেমি. মাদা থেকে মাদার দূরত্ব-১.০-১.৫ মিটার মাদায় গাছের দূরত্ব-৭.০-১০.০ সেমি. গভীরতা-৫০ সেমি. মোথার সংখ্যা ১০,০০০/হেক্টর স্ত্রী গাছপ্রতি ১০টি স্ত্রী গাছের জন্য ১টি পুরুষ গাছ সুষ্ঠু পরাগায়নের ক্ষেত্রে ১০% পুরুষ জাতের গাছ লাগানো উচিত এবং এসব গাছ ক্ষেতের সব অংশে সমানভাবে ছড়িয়ে লাগানো উচিত।


♻️গোবর  সার ভালোভাবে পচানো দরকার। পটল দীর্ঘমেয়াদি সবজি ফসল, এ জন্য মে মাস থেকে ফসল সংগ্রহের পর প্রতি মাসে হেক্টরপ্রতি ১৮ কেজি ইউরিয়া, ২৫ কেজি টিএসপি এবং ১৪ কেজি এমপি সার উপরি প্রয়োগ করা প্রয়োজন। এতে ফলন বেশি হবে।


♻️সার প্রয়োগ: মাদাপ্রতি ১.০ কেজি গোবর সার, ২৫০ গ্রাম খৈল, ১০০ গ্রাম ইউরিয়া, ১৭০ গ্রাম টিএসপি, ১৩০ গ্রাম এমওপি, ২০ গ্রাম বোরণ সার এবং ১৫০ গ্রাম জিপসাম সার রোপণের সময় প্রয়োগ করা হয়।সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ফুল ধরা কমে গেলে সে ক্ষেত্রে মাদাপ্রতি ৫০০ গ্রাম গোবর সার, ৭০ গ্রাম ইউরিয়া, ৯০ গ্রাম টিএসপি, ও ১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করলে ফলন অনেক বেড়ে যায়।


♻️ফসল সংগ্রহ: কচি অবস্থায় সকাল অথবা বিকালে পটল সংগ্রহ করতে হবে । সাধারণত জাতভেদে ফুল ফোটার ১০-১২ দিনের মধ্যে পটল সংগ্রহের উপযোগী হয়।


♻️এছাড়া পটলের পোকামাকড় রোগ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে পারেন।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ : ১৯-০২-২০২৪,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ : ১৯-০২-২০২৪ 


আজকের  শিরোনাম:


মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে গত রাতে জার্মানি থেকে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের সমৃদ্ধির বিরুদ্ধে সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দেয়ার আহ্বান জানালেন শেখ হাসিনা।


বিএনপির আন্দোলন নিয়ে সরকারের মাথাব্যাথা নেই – মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য রোধে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন একযোগে কাজ করবে – ইইউ রাষ্ট্রদূত হোয়াইটলির সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


রমজানের আগেই ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ, চিনি বাজারে আসবে – আশা প্রকাশ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর।


১০ই মার্চের মধ্যে হামাস সকল জিম্মিকে মুক্তি না দিলে রাফাহ-তে আক্রমণের হুঁশিয়ারি ইসরাইলের।


চট্টগ্রামে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আজ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস - সিলেট স্ট্রাইকার্সের  এবং ফরচুন বরিশাল - রংপুর রাইডার্সের মোকাবেলা করবে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

খতমে শিফা পড়ার নিয়মঃ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 খতমে শিফা পড়ার নিয়মঃ

১। ইস্তেগ্ফার- ১১বার

২। সূরা ফাতিহা- ১০০ বার

৩। দরূদ শরীফ- ১০০ বার

৪। সূরা আলাম নাশরাহ- ৭৯ বার

৫। সূরা ইখলাছ- ১০০০ বার

৬। পুনরায় সূরা ফাতিহা- ৭বার

৭। পুনরায় দরূদ শরীফ- ১০০বার

৮। তারপর এই দোয়া (একশত বার): فَسَهِّلْ يَا اِلٰهِىْ كُلَّ 

صَعْبٍ بِحُرْ مَتِ سَيِّدِ الْاَ بْرَارِ سَهِّلْ سَهِّلْ بِفَضْلِكَ يَاعَزِيْزُ‎

উচ্চারণ: ফাসাহ্হিল ইয়া ইলাহি কুল্লা ছা’বিন বিহুরমাতি সায়্যেদিল আবররি সাহ্হিল- সাহ্হিল বিফাদ্বলিকা ইয়া আযীয। 

অত:পর

৯। يَا قَاضِىَ الْحَاجَاتْ ইয়া ক্বদ্বিয়াল হাযাত- ১০০বার

১০। يَا كَافِىَ الْمُهِمَّاتْ ইয়া কাফিয়াল মুহিম্মাত- ১০০বার

১১। يَا دَافِعَ الْبَلِيَّاتْ ইয়া দাফিয়াল বালিয়্যাত- ১০০বার

১২। يَا مُجِيْبَ الدَّعْوَاتْ ইয়া মুযিবাদ দা’ওয়াত- ১০০বার

১৩। يَا رَافِعَ الدَّرَجَاتْ ইয়া রাফিয়াদ্ দারযাত- ১০০বার

১৪। يَا حَلَّالَ الْمُشْكِلَاتْ ইয়া হাল্লালাল্ মুশ্কিলাত্- ১০০বার

১৫। يَا مُسَبِّبَ الْاَسْبَابْ ইয়া মুসাব্বিবাল আসবাব- ১০০বার

১৬।   ياشافی الامراض ইয়া শাফিয়াল আমরাজ- ১০০বার

১৭। يَا مُفَتِّحَ الْاَبْوَابْ ইয়া মুফাত্তিহাল্ আব্ওয়াব- ১০০বার

১৮। رَبِّ اِنِّىْ مَغْلُوْبٌ فَانْتَصِرْ রব্বি ইন্নি মাগ্লুবুন ফানতাছির- ১০০বার

১৯। يَا غَوْثُ اَغِثْنِىْ وَاَمْدُدْنِىْ ইয়া গউছু আগিছ্নী ওয়া আম্দুদ্নীয়া- ১০০বার

২০। اِنَّالِلّٰهِ وَاِنَّااِلَيْهِ رَاجِعُوْنْ ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন- ১০০বার

২১। لَااِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ سُبْحَانَكَ اِنِّىْ كُنْتُ مِنَ الظّٰلِمِيْنْ লা-ইলাহা ইল্লা আ আংতা সুব্হানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জোয়ালিমীন- ১০০বার‎

২২। فَاسْتَجَبْنَا لَهٗ وَنَجَّيْنٰهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذٰ لِكَ نُنْجِى الْمُؤْمِنِيْنْ ফাসতাজাবনা লাহু ওয়ানাজ্জাইনাহু মিনাল গম্মি ওয়া কাজালিকা নুনজিল মু’মিনীন- ১০০বার‎

২৩। يَا اَرْ حَمَ الرَّحِمِيْنْ ইয়া আরহামার রহিমিন- ১০০বার‎

২৪। অতঃপর ১০০বার দরূদ শরীফ পাঠ করে খতম শেষ করে খালেছ দিলে মুনাজাত করবে, ইনশাআল্লাহ্, আল্লাহপাক কবুল করবেন এবং এর ফলাফল প্রত্যক্ষ হতে থাকবে।


এ ধরনের খতমগুলোর পদ্ধতি কুরআন হাদীসে সরাসরি বর্ণিত বিষয়টি এমন নয়। বরং বুযুর্গানে দীনের বাতানো আমল। আল্লাহ তাআলাকে বিভিন্নভাবে ডাকা হয়েছে এখানে। তারা হয়তো উপকার পেয়ে অন্যদেরকে বলেছেন। এভাবে পরম্পরায় চলে আসছে। আজো অনেকেই উপকৃত হচ্ছে। আবার কারো

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

তিন  টি সহজ বীজ জার্মিনেশন পদ্ধতি,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ৩ টি সহজ বীজ জার্মিনেশন পদ্ধতিঃ


প্রত্যেক বাগানীর জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ হল বীজ অংকুরোদগম। একজন বাগানীর সফলতার অনেকটাই নির্ভর করে এটার উপর। কিন্তু সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায় অনেক বাগানীই অংকুরোদগমে এ বিফল হয়ে এক সময় বাগান করার প্রতি অনিহা প্রকাশ করে।

আজ আমরা বীজ অংকুরোদগমের সবচেয়ে কার্যকরী ৩ টি পদ্ধতি শিখবো। তবে তার আগে অংকুদগম সম্পর্কে কিছু সাধারন ধারনা আমাদের থাকতে হবে।

অংকুরোদগমের সাধারন তথ্যঃ


একেক উদ্ভিদ এর একেক রকম বীজ -এগুলোর আকারে, বর্ণে, ওজনে, গঠনে ভিন্নতা রয়েছে । তুলনামূলক ভাবে বড় আকারের বীজ এর জার্মিনেশন সহজে করা যায় । কিন্তু অতি ক্ষুদ্র বীজ এর জার্মিনেশন এ সমস্যা বেশি হয় । ক্ষুদ্র বীজ এর ক্ষেত্রে পানি, তাপ ও আলোর তারতম্য হলে জার্মিনেশন ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। যে সব বীজের খোলস অনেক পুরো থাকে সেসবের জার্মিনেশনে অনেক সময় লাগে, যেমন- পেঁপে, পুঁই শাক, করলা, লাউ বীজ ইত্যাদি । তবে জার্মিনেশনের জন্য অবশ্যই পুষ্ট, অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ বাছাই করে নিতে হবে। 

জার্মিনেশন পদ্ধতি গুলোতে অধিক ফলাফল পাওয়ার জন্য একটি পূর্ব কাজ করে নিতে হবে । সেটা হলো - প্রথমে বীজ গুলো এক ঘণ্টার মতো সময় মাঝারি তাপের রোদে রেখে দিতে হবে তারপর ৮-১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে শীম, সরিষা জাতীয় বীজ পানিতে কম সময় ভিজিয়ে রাখতে হবে । রোদে দিলে বীজের সুপ্ত অবস্থা দ্রুত ভেঙে যায় । 


বীজ জার্মিনেশন/বপন এর আগে শোধন করে নিতে পারেন। পরবর্তী পোস্টে বীজ শোধন নিয়ে আলোচনা করা হবে। বীজে কিছু জীবাণু সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায় । এগুলো বীজের অংকুর বের হলে বা ছোট চারা গাছ হলে তখন আবার সক্রিয় হয়ে আক্রমণ করে । 

বীজ শোধন এর মাধ্যমে অ্যানথ্রাকনোজ,লিফস্পট,ব্লাইট, উইল্ট, গোড়া পঁচার মতো রোগ দমন ও বীজ বপন পরবর্তী এগুলোর সংক্রমণ কিছুটা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয় ।


✔️👉🤔চলুন এবার ৩ টা পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যাক;


১.টিস্যু পেপার পদ্ধতি : 


মাটি বিহীন টিস্যু পেপার দিয়ে seed germination. অত্যন্ত সহজ একটি পদ্ধতি এবং মজার ব্যাপার হলো জার্মিনেশন স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

এজন্য বীজ জার্মিনেশন রেট পরীক্ষা করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 

পদ্ধতির ধাপসমূহ - 

প্রথমে বীজ গুলো ৮-১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে । বীজ এর সাইজ এবং খোলস এর পুরুত্বের উপর ভিত্তি করে এই ভিজিয়ে রাখার সময় কম বেশি করতে হবে। 

পানি থেকে বীজ গুলো তুলে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিতে হবে । 

একটা ঢাকনা সহ বায়ুরোধী বক্স (Air tight box) নিতে হবে।

বক্স এর তলায় এক স্তর টিস্যু পেপার বিছিয়ে দিয়ে , স্প্রে করে পানি দিয়ে বা ফুটায় ফুটায় পানি দিয়ে টিস্যু পেপার ভিজিয়ে দিতে হবে । এমন ভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে যেন শুধু  টিস্যু পেপার টুকুই ভিজে আর যদি অতিরিক্ত পানি বক্স এর তলায় থাকে তাহলে তা ফেলে দিতে হবে । 

ভেজানো টিস্যু পেপার এর উপর বীজ গুলো বিছিয়ে দিতে হবে এবং আর এক স্তর ভেজা টিস্যু পেপার দিয়ে বীজ গুলো ঢেকে দিতে হবে । 

তারপর বক্স টা ২-৩ ঘন্টা হালকা রোদে রেখে দিতে হবে। 

রোদে দেওয়ার পর বক্স টি ঘরের অন্ধকার , শুষ্ক জায়গায় রেখে দিতে হবে । এক্ষেত্রে রঙিন কাপড় বা পেপার দিয়ে বক্স টি ঢেকে দেওয়া যেতে পারে। 

২-৩ দিন পর(কি ধরনের বীজ এর উপর সময় নির্ভর করবে), বক্স এর ঢাকনা স্বচ্ছ হলে বাইরে থেকে দেখেই বুঝা যাবে বীজ জার্মিনেট হয়েছে কিনা । 

টিস্যু পেপার এর পানি শুকিয়ে গেছে কিনা তা দেখতে হবে । পানি শুকিয়ে পেপার শুকনো মনে হলে আবার স্প্রে করে পানি দিতে হবে। জার্মিনেট হওয়া বীজ গুলো সংগ্রহ করে নিতে হবে । 

পরে কাঙ্ক্ষিত পাত্র বা জমির মাটিতে একটু গর্ত করে জার্মিনেট করা বীজ গুলো রেখে দিয়ে অল্প মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে । এক-দুই দিন এর মধ্যে চারা বের হবে । জার্মিনেট করা বীজ থেকে চারা হওয়ার সম্ভাবনা ৯৫% এর বেশি ।‌

👉যেসব বীজ এই পদ্ধতিতে জার্মিনেট করা যাবে:

শাক - কলমি শাক, পুঁই শাক; 

সবজি - মরিচ, টমেটো, বেগুন,শসা,শীম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মটরশুটি,ইত্যাদি ।

ফুল - সূর্যমুখী, মরু গোলাপ (Adenium), অপরাজিতা,সন্ধ্যামালতি ,ক্যালেন্ডুলা,দোপাটি, ইত্যাদি

ফল - লেবু-কমলা, খেজুর, আপেল ইত্যাদি । 

অর্থাৎ - অতি ক্ষুদ্র বীজ যেমন- লালশাক,ডাটা শাক,পাট শাক, ক্ষুদ্র ফুল বীজ আবার বড় আকারের বীজ যেমন- লাউ ,করলা,আম,লিচু এই পদ্ধতির জন্য উপযোগী নয় । 


২. মাটি ব্যবহার করে বীজ জার্মিনেশন: 

এই পদ্ধতিতে সাধারণ ভাবে মাটিতে বীজ ছিটিয়ে দেওয়া হয়। তবে এর জন্য মাটি বিশেষ ভাবে তৈরি করে নিতে হয় । মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব উপাদান মিশাতে হয়। এই পদ্ধতিতে যেকোন ধরনের বীজ জার্মিনেট করা যাবে । 

ধাপসমূহ -

মাটি তৈরি- ৪০% দোঃআঁশ মাটি+৩০% ককোপিট+৩০% গোবর কম্পোস্ট বা ভার্মি কম্পোস্ট একসাথে মেশাতে হবে । উপাদান গুলো ভালো করে মিশিয়ে কড়া রোদে রেখে সম্পূর্ণ রুপে শুকিয়ে নিতে হবে । 

প্রথমে বীজ গুলো ৮-১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে ।(বীজ এর সাইজ এবং খোলস এর পুরুত্বের উপর ভিত্তি করে এই ভিজিয়ে রাখার সময় কম বেশি করতে হবে।) 

কম গভীরতার চওড়া সাইজের পাত্র নিতে হবে , মাটির পাত্র হলে সবচেয়ে ভালো হয়। আগে থেকে তৈরি করা মাটি দ্বারা পাত্র পূরণ করে নিয়ে অল্প পানি স্প্রে করে বা ছিটিয়ে মাটি ভিজিয়ে নিতে হবে । 

তারপর ভেজা মাটিতে অল্প গর্ত করে বীজ দিয়ে গর্ত মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে ( বড় বীজ এর জন্য) আর ছোট সাইজের বীজ এর জন্য ছিটিয়ে দিয়ে অল্প মাটি দিয়ে বীজ ঢেকে দিতে হবে ।

আবার পানি প্রয়োগ করে মাটি ভালো করে ভিজিয়ে দিতে হবে । শুধু পানি প্রয়োগ না করে ছত্রাকনাশক পাউডার মিশ্রিত পানি প্রয়োগ করলে seed germination অধিক হয় এবং ছোট চারার গোড়া পঁচা রোগ দমন হয় । 

তারপর পাত্র কালো রং এর পলিথিন বা খবরের কাগজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে । এভাবে ঢেকে দেওয়ার কারণ ,যেনো আদ্রর্তা বজায় থাকে । আদ্রর্তা জার্মিনেশনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে । সঠিক আর্দ্রতা না পেলে বীজ জার্মিনেট হবে না।(গরমকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে তাই , তখন পাত্র ঢেকে দেওয়ার প্রয়োজন পরে না । শীতকালে অব্যষই পাত্র কালো রং এর পলিথিন বা খবরের কাগজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে ।)

এর পর পাত্র খোলা জায়গায় রাখা যাবে না এবং বৃষ্টিতে ভেজানো যাবে না । আলো পূর্ণ জায়গায় এবং অনেক স্যাঁতস্যাঁতে জায়গাতেও রাখা যাবে না। কিছুটা অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গায় রেখে দিতে হবে। 

 ৩-৪ দিন পরে দেখতে হবে বীজ জার্মিনেট হলো কিনা । মাটি শুকিয়ে গেলো কিনা সেটাও দেখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে পানি দিতে হবে । 

অধিকাংশ জার্মিনেট হয়ে গেলে পাত্রের ঢাকনা সরিয়ে ফেলতে হবে এবং পাত্রটিকে আলো বাতাস পূর্ণ স্থানে রাখতে হবে । তারপর চারা বড় হওয়ার উপর ভিত্তি করে সেই অনুযায়ী রোদ এবং রোদ এর সময়কাল বৃদ্ধি করতে হবে । 


৩. কোকোপিট এ বীজ জার্মিনেশন:

কোকোপিট এ seed germination রেট মাটির চেয়ে বেশি । কারণ, কোকোপিট স্বাভাবিক ভাবে ছত্রাকরোধী ভূমিকা পালন করে । এছাড়াও মাটির চেয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষমতা এবং পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি । এসব কিছু বীজ জার্মিনেশনে অধিক সহায়তা করে । 


 এই পদ্ধতিতে মাটির পরিবর্তে কোকোপিট ব্যবহার করা হয়। তবে ১০০% কোকোপিট ব্যবহার করা যাবে না। কোকোপিট এর সাথে ২০-৩০% হারে গোবর কম্পোস্ট বা ভার্মি কম্পোস্ট সার মেশাতে হবে । 


কোকোপিট+ভার্মি কম্পোস্ট মিক্স তৈরি করে নেওয়ার পর বাকি কাজ কর্ম সব মাটি দিয়ে বীজ জার্মিনেশন পদ্ধতির মতো । তবে এক্ষেত্রে মাটির মতো কোকোপিট কে কড়া রোদে শুকাতে হবে না। 


👉নোট- বীজ জার্মিনেশন এর জন্য গোবর ব্যবহার করলে গোবর অব্যষই ১-১.৫ বছরের পুরনো হতে হবে। গোবর ডিকম্পোস্ট করে পরে ব্যবহার করতে হবে এজন্য কাঁচা গোবর ব্যবহার করা যাবে না।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...