এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আদর্শ শাশুড়ী-বৌ'মা।,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 .  বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী দু'জনেরই দুটো করে মা-বাবা হয়।

.দু'জনেরই দুটো বাবা-মায়ের প্রতি সমান খেয়ার রাখা জরুরী।

.                         আদর্শ শাশুড়ী-বৌ'মা।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


ইনি আমার বরের মা, মানে আমার শাশুড়ি। আমায় 'চুলানি' বলে ডাকে, কারণ আমি নাকি এনার সাথে প্রচন্ড ঝামেলা করি। ঝামেলা করবো নাই বা কেন! স্কুলের টিচার আমার মা প্রফেশন ও সংসার সামলে হাঁপিয়ে উঠতো, কিছু বায়না করলে তাই তার কাছে সময় হয়ে ওঠেনি সেসব দেখার ও শোনার। সবটুকু তাই জমিয়ে রেখেছিলাম ছোট থেকে, এখন আমার সমস্ত জেদ, আবদার মেটানোর দায়িত্ব এই শাশুড়ির। 

পরের দিন রান্না কোনটা হবে আগে আমার কাছে শুনে বাকিদের মতামত নেন, কারণ খাওয়া নিয়ে নাকি আমার খুব বায়না, এই খাবোনা তো সেই খাবোনা ! 


মনে আছে, সবাই মিলে এক বিয়েবাড়ি গেছিলাম বছর তিন আগে, শাশুড়ির এক তুতো দাদার মেয়ের বিয়ে। অনুষ্ঠান বাড়িতে আমার দিকে আঙুল দেখিয়ে একজন জিজ্ঞেস করেছিলো- এটা কে? শাশুড়ি বলেছিল, আমার মেয়ে। শুনে সেই তুতো দাদা ব্যঙ্গ করে বলেন, হুহ্! বউমাকে মেয়ে বানাচ্ছে! - শাশুড়ি শুধু হেসেছিল । 

আমাদের এই সম্পর্ক অনেকের বদ হজম তুলিয়ে দেয়। বিয়ের পর কেন আমি পড়াশোনা চালিয়ে গেলাম, কেন আমি বিজনেস করছি, কেন তথাকথিত 'বউ' সেজে থাকিনা.. কেন উনি আমায় এইভাবে মাথায় তুলে রেখেছেন! কতজনের কত চিন্তা! 

হাজারটা কেন-কে উতরে, আমার হাজারটা বায়না উতরে বলতে পারি, তুমি না হলে আমায় কে সামলাতো মা? 


আমার মা রায়গঞ্জের বাড়িতে গেলে বলে, তুই একটুও বদলাসনি! এখনও সেই আগের মতোই অগোছালো..ভাবলাম বিয়ে হয়ে মেয়েটা বুঝি পাল্টেছে.. আমি মনে মনে বলি, আমায় 'অগোছালো'ই থাকতে দিয়েছে আমার নতুন মা-টা, এমনই থাকি নাহয়!


👉সংগৃহীত এবং কপি পোস্ট। 


❤️ ❤️


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৭-০২-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৭-০২-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


‘স্মার্ট পুলিশ, স্মার্ট দেশ, শান্তি-প্রগতির বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ শুরু হচ্ছে ছয় দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


নির্বাচন বর্জনের খেসারত বিএনপিকে দিতে হবে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে  জাতিসংঘ - বললেন ঢাকায় ‍নিযুক্ত সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি।


জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার কাজ চলছে - জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


আবুধাবিতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৩-তম সম্মেলন শুরু - বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় অব্যাহত ইসরাইলী হামলার কারণে পদত্যাগ  ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রীর।


ঢাকায় বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গান গেয়েই তিনি ব্রিটিশ  সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন -,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গান গেয়েই তিনি ব্রিটিশ  সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন -


ভয় কি মরণে থাকিতে সন্তানে

মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।

তাথৈ তাথৈ দ্রিমি দ্রিমি দং দং

ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে।’


সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়েই ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে। বাংলায় ঘরে বসে নেই কেউ। অগ্নিঝরা সেই দিনে গানের সম্ভার আর যাত্রাপালা দিয়ে  দেশের শোষিত- বঞ্চিত অসহায় মানুষের মাঝে স্বদেশী চেতনার জাগরণ ঘটাতে সমগ্র বাংলা যিনি চষে বেড়িয়েছেন। গান গেয়েই তিনি ব্রিটিশ  সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আর কেউ নয় দেশ ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ চারণকবি মুকুন্দ দাস।


পিতার নাম গুরুদয়াল দে আর মাতা শ্যামাসুন্দরী দেবী। বাবা কাজ করতেন বরিশালে এক ডেপুটির আদালতে। মুকুন্দ দাসের বাবার দেওয়া নাম ছিল যজ্ঞেশ্বর দে তবে যগা নামেই ডাকতেন সবাই। যজ্ঞেশ্বরের জন্মের পর ঐ গ্রামটি পদ্মায় তলিয়ে গেলে তারা সপরিবারে চলে আসেন বরিশালে। বরিশালের বজ্রমোহন স্কুলে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু। সংসারে অসচ্ছলতার কারনে পড়াশোনা বেশিদূর এগোয়নি।


চাকরি থেকে অবসর নিয়ে গুরুদয়াল বরিশালে একটি ছোট মুদি দোকান দিয়েছিলেন। আর এই দোকানটি নিয়েই শুরু হয় মুকুন্দের কর্মজীবন। ছোটবেলা থেকে শুনে শুনেই গান গাইতে পারতেন। বরিশালের তৎকালীন নাজির বীরেশ্বর গুপ্ত একটি কীর্তনের দল গঠন করেছিলেন। ১৯ বছর বয়সে সেই দলে যোগ দেন যজ্ঞেশ্বর। অল্পদিনের মধ্যেই তার গায়করূপে সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। বৈষ্ণব সন্ন্যাসী রামানন্দ অবধূত যজ্ঞেশ্বরের গলায় হরিসংকীর্তন ও শ্যামাসঙ্গীত শুনে মুগ্ধ হন। এরপর রামানন্দ সাধুর  নিকট  থেকে বৈষ্ণবমন্ত্রে দীক্ষা নেওয়ার পর যগার নাম হয় মুকুন্দ দাস।

একসময় মুকুন্দ দাস নিজেই একটি র্কীতনের দল গড়ে তোলেন। বিভিন্ন পূজাপার্বনে কীর্তনের এই দল নিয়ে বরিশালের বিভিন্ন স্থানে তাকে যেতে হতো। এভাবে অনেক কীর্তনীয়া দলের সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠে।


কালীসাধক সনাতন চক্রবর্তী ওরফে সোনা ঠাকুরের প্রেরণায় প্রবল দেশাত্ববোধে উদ্ধুদ্ধ হন মুকুন্দ।দেশের মানুষকে পরাধীনতা ও নানা প্রকার সামাজিক দুর্দশার বিরুদ্ধে সচেতন করার উদ্দেশ্যে এসময় তিনি গান ও যাত্রাপালা রচনায় মনোনিবেশ করেন।১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে বরিশালে ইংরেজবিরোধী বিক্ষোভ দানা বেধে উঠে। মুকুন্দ নিজে এ বিক্ষোভে অংশ নেন এবং একের পর এক গান, কবিতা ও নাটক রচনা করতে থাকেন।

স্বদেশী আন্দোলন বিশেষ করে বিদেশী পণ্য বর্জন আন্দোলনে তাঁর বিশেষ ভূমিকা ছিল। ‘বঙ্গনারী রেশমিচুড়ি আর পরো-না’ তাঁর এই গানটি একসময় গ্রামে গ্রামে তীব্র উন্মাদনা জাগিয়েছিল।

এরপর বরিশালের হিতৈষী পত্রিকায় লিখতে শুরু করেন মুকুন্দদাস। সেই সময়ে বিভিন্ন দেশবরেণ্য নেতা এমনকি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও তাঁর গান শুনে মুগ্ধ হন।


এভাবেই এক সময় মুকুন্দদাস  বরিশালের অশ্বিনী কুমার দত্তের সংস্পর্শে আসেন এবং তার আগ্রহে মাতৃপূজা নামে একটি নাটক রচনা করেন। ইংরেজ সরকার মাতৃপূজা নাটকটি বাজেয়াপ্ত করে। 

জেল থেকে মুক্তিলাভের পর মুকুন্দদাস দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ও সুভাশচন্দ্র বসুর অনুপ্রেরণায় নতুন করে যাত্রার দল গঠন করে পুনরায় পালা রচনায় মনোনিবেশ করেন।১৯১৬ সালে চিত্তরঞ্জন দাশের আমন্ত্রনে কলকাতায় যান তিনি। কলকাতায় থাকাকালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার সাথে দেখা করেন। কবি মুকুন্দকে গান গেয়ে শোনান ও নিজের লেখা কয়েকটি বইও উপহার দেন।  বাংলার জনগণ তাকে চারনকবি আখ্যা দেন। গান করে সারাজীবন সাতশোর মত মেডেল ও বহু পুরস্কার পান তিনি। তার রচনার মধ্যে আছে- সাধনসঙ্গীত, পল্লীসেবা, ব্রক্ষচারিনী, পথ, সাথী, সমাজ প্রভৃতি।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



গাছের অণুখাদ্য (micro-nutritions):,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌴গাছের অণুখাদ্য (micro-nutritions):

টবে সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু মৌলিক ভুলের কারণে ফসলের উন্নত ফলন অসম্ভাব্য হতে পারে। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক পরিমাণ এবং সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখা উচিত ১ টা গাছের বেঁচে থাকতে ১৭ টা উপাদান প্রয়োজন হয়। তাই সুষম সার বা অনুখাদ্য ব্যবহার করা জরুরি।

 গাছে এই ১৭ টি উপাদানের যে কোন একটির অভাব থাকলে গাছ অল্প কিছু দিনের মধ্য আস্তে আস্তে দুর্বল  হয়ে যায় এবং বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ শুরু হয়।

গাছের অনুখাদ্যর অভাবে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার মধ্যে নিম্নলিখিত রয়েছেঃ


১. পাতা হলুদ হয়ে ঝড়ে পড়া, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে ।

২. ফুল-ফল ঝড়ে পড়া,

৩. ফলের সাইজ ছোট হয়ে যাওয়া,

৪. গাছের গ্রোথ থেমে যাওয়া ইত্যাদি।

৫. বিভিন্ন ক্ষতিকর কীট পতঙ্গের আক্রমন বেড়ে জায় ।

তাই প্রতিটা গাছে অনুখাদ্য ব্যবহার জরুরি।

গাছের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি উপাদান সঠিক অনুপাতে মিশিয়ে এই অণুখাদ্য তৈরী করা হয়। এটি প্রয়োগ করলে বাড়তি কোনো সার প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয়  না। যা একবার ব্যবহার করলে আগামি ৪-৫ মাস আর কোন সার ব্যবহার করতে হবে না।


🎁 সাথে পাচ্ছেন ছাদ বাগান ও কৃষির নির্দেশনা মূলক গাইডলাইন বই সম্পূর্ণ ফ্রি ...।।


বিঃদ্রঃ গাছের টবের কিনারা বরাবর রাউন্ড করে নালা করে উপরে উল্লেখিত মাত্রায় প্রয়োগ করে মাটিতে ঢেকে দিতে হবে। ৪-৬ মাস পরপর


আপনার গাছ সুরক্ষিত রাখতে অর্ডার করুন আমাদের বিশেষ ভাবে তৈরিকৃত অনুখাদ্য।

অর্ডার করতে অর্ডার Ordar Now বাটনে ক্লিক করুন

 অথবা ফোন করুন

☎01862597475


লিলিয়াম ফুলের কন্দ সংরক্ষণ পদ্ধতি:,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লিলিয়াম ফুলের কন্দ সংরক্ষণ পদ্ধতি: 


সাধারণত লিলিয়াম bulbs/কন্দ থেকে জন্ম নেয়।‌ 

একটা কন্দ থেকে সাধারণত একটা গাছ জন্ম নেয় এবং ফুল ফুটা শেষ হলে গাছ মারা যায়। তবে গাছ মারা গেলেও মাটির নিচে কন্দ তাজা থাকে এবং এই কন্দ থেকে পরবর্তীতে আবার গাছ হয়।‌ সঠিক ভাবে কন্দ/বাল্ব সংরক্ষণ করলে বছরের পর বছর একই বাল্ব থেকে ফুল পাওয়া যায় ।

ফুল ফুটার পর বাল্ব মাটিতে রেখে দিলে পঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এজন্য বাল্ব মাটি থেকে তুলে সংরক্ষণ করে রাখা হয় পরবর্তী সিজনের জন্য ‌। 

কন্দ সংরক্ষণের বিস্তারিত পদ্ধতি কমেন্টে দেওয়া আছে.....


লিলিয়াম 

lilium 

lbs


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



দারিদ্র্যের কারণে এসএসসির পর আর পড়তে পারেননি হায়দার আলী।,,,,৷

 দারিদ্র্যের কারণে এসএসসির পর আর পড়তে পারেননি হায়দার আলী। সংসারের হাল ধরতে ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালান। কিছুদিন পোশাক কারখানায় কাজও করেছেন। পরে গ্রামের বাড়িতে ফিরে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন। তখন শিক্ষকতা যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। 


পণ করেন পড়াশোনা করে বিএ পাস করবেন। ভর্তি হন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে। জীবিকার জন্য সারা দিন ভ্যান চালান আর রাতে পড়াশোনা করেন। সাত বছর পরিশ্রমের পর বিএ পাস করে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের জবাব দিয়েছেন তিনি।


হায়দার আলীর বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে। পেশায় ভ্যানচালক হায়দার চার সন্তানের বাবা। বড় মেয়েকে উচ্চমাধ্যমিকের পর বিয়ে দিয়েছেন। একমাত্র ছেলে এসএসসি পাস করেছে। অন্য দুই মেয়ে নবম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। 


সম্প্রতি হায়দার আলীর হাতে বিএ পাসের সনদ তুলে দেওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।


স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, ১৯৭৯ সালে রামনগর গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারে হায়দার আলীর জন্ম। চার বছর বয়সে বাবা কাঞ্চন আলী খানের সঙ্গে খুলনায় চলে যান। দিনমজুর বাবার আয়েই সংসার চলত। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মারা যান। এরপর মা মোমেনা বেগম সংসারের হাল ধরেন। ১৯৯৪ সালে এসএসসি পাস করে খুলনার খালিশপুরে সরকারি হাজী মুহম্মদ মুহসীন কলেজে ভর্তি হন হায়দার আলী। কিন্তু অভাবের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।


হায়দার আলী প্রথম আলোকে বলেন, অভাবের কারণে ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালানো শুরু করেন। পরে পোশাক কারাখানায়ও চাকরি করেন। ২০০৬ সালে গ্রামের বাড়িতে ফিরে স্কুলের বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করেন। ২০১২ সালে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন, ‘এসএসসি পাস করে লেখাপড়ার কী বোঝ?’ এরপর সিদ্ধান্ত নেন আবার পড়াশোনা শুরু করবেন। পণ করেন ডিগ্রি পাস না করে কাউকে প্রাইভেট পড়াবেন না।


২০১৩ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউটোরিয়াল কেন্দ্র নাজিরপুর ডিগ্রি কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন হায়দার আলী। ২০১৬ সালে জিপিএ ২ দশমিক ৮৩ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। একই কলেজে বিএ পাস কোর্সে ভর্তি হন। চার বছর পর ২০২০ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২ দশমিক ৫৩ পেয়ে বিএ পাস করেন। সম্প্রতি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পিরোজপুরের উপ-আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে বিএ পাসের সনদ হায়দার আলীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।


হায়দার আলী বলেন, ‘আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে একজন তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলেন। এরপর সিদ্ধান্ত নিই বিএ পাস করব। জীবিকার জন্য ভ্যান চালাতে শুরু করি। পাশাপাশি পড়াশোনা চলে। সারা দিন ভ্যান চালিয়ে রাতে পড়াশোনা করতাম। মাঝেমধ্যে ক্লাস করতাম। এভাবে ৭ বছর পড়াশোনা করে এইচএসসি ও বিএ পাস করেছি। এমএ পাস করার ইচ্ছা আছে।’ তিনি বলেন, ভ্যান চালিয়ে ছয়জনের সংসার চালাতে কষ্ট হয়, একটা চাকরি পেলে ভালো হতো।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে হায়দার আলী বলেন, ‘কয়েক দিন আগে সনদ পেয়েছি। তখন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা আমার হাতে সনদ তুলে দেওয়ার সময় বলেন, “আপনার একটা ছবি তুলতে চাই।” আমি তাঁর সঙ্গে ছবি তুলি। পরে তিনি ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট দিলে তা ছড়িয়ে পড়ে।’


নাজিরপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ইব্রাহিম আলী শেখ বলেন, ‘আমি হায়দার আলীকে চিনি। তিনি আমাদের টিউটোরিয়াল কেন্দ্র থেকে বিএ পাস করেছেন। সম্প্রতি ফেসবুকে তাঁর বিএ পাস নিয়ে অনেকে প্রশংসামূলক পোস্ট, শেয়ার ও কমেন্ট করেছেন। পিরোজপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ কোর্স চালু নেই। এ জন্য তাঁকে বরিশালে যোগাযোগ করতে হবে।’



যেভাবে বেগুন চাষে বেশি ফলন হবে,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেভাবে বেগুন চাষে বেশি ফলন হবে।


প্রায় সারাবছরই বেগুনের ব্যাপক চাহিদা থাকে। তাই বেগুন চাষ বেশ লাভজনক কাজ। তবে বেগুন চাষের সঠিক পদ্ধতি আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আর এতে করে বেগুনের ফলন নিয়ে চাষিরা ভালো ফলন পান না। বেগুনের বেশি ফলন পেতে হলেন সঠিক নিয়মে চাষাবাদ করা প্রয়োজন।


জেনে নেওয়া যাক যেভাবে বেগুন চাষ করলে বেশি ফলন পাওয়া যাবে। সাধারণত বেগুনের চারা মাঘ-ফাল্গুন মাসে গ্রীষ্মকালীন, বৈশাখ মাসে বর্ষাকালীন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে শীতকালীন ফসলের জন্য রোপণ করা হয়ে থাকে।


বেগুন চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা করে তা মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। বীজতলা এমন স্থানে তৈরি করতে হবে যেখানে বৃষ্টির পানি জমবে না, অর্থাৎ সুনিষ্কাশিত হতে হবে, সব সময় আলো-বাতাস পায় অর্থাৎ ছায়ামুক্ত হতে হবে।


বীজতলা তৈরির জন্য মাটি গভীরভাবে (অন্তত ২০ সেন্টিমিটার) চাষ দিতে হবে। বীজতলার মাটি হতে হবে উর্বর। উর্বরতা কম থাকলে জৈব সার ও সামান্য পরিমাণ ফসফেট জাতীয় সার ব্যবহার করা যেতে পারে।


প্রতি বর্গ মিটার বীজতলার জন্য ০.১০ ঘন মিটার পচা গোবর সার ও ৩০ গ্রাম টিএসপি সার ব্যবহার করা যেতে পারে। চাষের পর সম্পূর্ণ জমিকে কয়েকটি ছোট ছোট বীজতলাতে ভাগ করে নিতে হবে।


প্রতিটি বীজতলা দৈর্ঘ ৩-৫ ঘন মিটার, প্রস্থ ১ মিটার ও পাশ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার ফাঁকা জায়গা রাখা উচিত। পাশাপাশি দুটো বীজতলার মধ্যে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার ফাঁকা জায়গা রাখা দরকার। এ ফাঁকা জায়গা থেকে মাটি নিয়ে বীজতলা উঁচু করে নিতে হবে। অল্প সংখ্যক চারা উৎপাদনের জন্য বীজতলা হিসেবে কাঠের বাক্স, প্লাস্টিকের ট্রে অথবা বড় টব ব্যবহার করা যেতে পারে।


সাধারণত মাঠের জমি তৈরির জন্য ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। ৩৫-৪৫ দিন বয়সের চারা রোপণের উপযোগী হয়। এ সময় চারাতে ৫-৬টি পাতা গজায় এবং চারা প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। বেগুনের চারার বয়স একটু বেশি হলেও লাগানো যেতে পারে।


প্রয়োজনে দুই মাস পর্যন্ত চারা বীজতলার রেখে দেওয়া যায়। চারা তোলার সময় যাতে শিকড় নষ্ট না হয় সেজন্য চারা তোলার ১ থেকে ২ ঘণ্টা আগে বীজতলায় পানি দিয়ে মাটি ভিজিয়ে নিতে হবে। চারা রোপণ দূরত্ব, জাত, মাটির উর্বরতা ও উৎপাদন মৌসুমের উপর নির্ভর করে।


সাধারণত বড় আকারের বেগুনের জাতের ক্ষেত্রে ৯০ সেন্টিমিটার দূরে সারি করে সারিতে ৬০ সেন্টিমিটার ব্যবধানে চারা লাগানো যেতে পারে এবং ক্ষুদ্রাকার জাতের ক্ষেত্রে ৭৫ সেন্টিমিটার সারি করে সারিতে ৫০ সেন্টিমিটার ব্যবধানে চারা লাগানো যেতে পারে। জমিতে লাগানোর পর পরই যাতে চারা শুকিয়ে না যায় সে জন্য সম্ভব হলে বিকেলের দিকে চারা লাগানো উচিত।


বেগুন মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উপাদান শোষণ করে। এজন্য বেগুনের সন্তোষজনক উৎপাদন সার ব্যতীত সম্ভব নয়। সারের পরিমাণ মাটির উর্বরতা শক্তির উপর নির্ভর করে।


বেগুন চাষের জন্য হেক্টর প্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণে সার দিতে হবে। প্রথম কিস্তি সার চারা লাগানোর ১০-২৫ দিন পর, দ্বিতীয় কিস্তি বেগুন ধরা আরম্ভ হলে এবং তৃতীয় বার বেগুন তোলার মাঝামাঝি সময়ে দিতে হবে। জমিতে রস না থাকলে সার প্রয়োগের পর পরই সেচ দিতে হবে।


ফিউজিয়াম ছত্রাক দ্বারা বেগুনের ঢলে পড়া রোগ হয়। গাছের গোড়া ও শেকড় বিবর্ণ হয়ে যায়। এ রোগ হলে পাতা নেতিয়ে পড়ে ও গাছ ঢলে পড়ে। পরবর্তীতে গাছ মারা যায়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জৈব কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।


খাওয়ার উপযোগী বেগুন ক্ষেত থেকে তোলার সময় সাবধানে সংগ্রহ করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে গাছের গায়ে যেন আঘাত না লাগে বা ক্ষত সৃষ্টি না হয়। গাছ থেকে তোলা বেগুন কাঁচা পাতা অথবা খড়ের উপর রাখতে হবে যেন বেগুনে আঘাত না লাগে; এটা অতি প্রয়োজনীয়।


তথ্য সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


গল্প "ভালোবাসা",,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাপড় ধোঁয়ার সময় স্বামী মানিব্যাগে সাদাকালো ছবি দেখে আমি হতভম্ব!ছবিতে এটা কোন মেয়ে? 


ভেজা হাতে ছবিটা বেড় করলাম।সাদাকালো ছবিটা আমার যুবতী বয়সের ছবি।চরম বিস্মিত এবং অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম ছবিটার দিকে।


মনে পড়ে গেলো সেই ভোরের কথা।যখন গান অনুশীলন করার সময় ছাঁদে উঠেছিলাম।উনি দূর থেকে বোকা বোকা মুখ নিয়ে আমার গান শুনতো।একদিন হঠাৎ সাহস করে সামনে এসে বললো 


" আপনার একটা ছবি দিবেন? "


ওনার কথায় তখন খুব হকচকিয়ে গেছিলাম।প্রথম কথা হওয়ায় কেউ ছবি চায় কিকরে!সরাসরি বলেছিলাম " ছবি দেওয়া যাবে না।কে আপনি?আপনাকে কেন ছবি দিবো? "


উনি তখন কাঁদো কাঁদো মুখ করে চলে গেলেন।উনি চলে যাওয়ার পর সারাদিন আমার ভিষণ মন খারাপ লেগেছে।এরপর এই সাদাকালো ছবিটা আঁচলে বেধে রোজ অপেক্ষা করতাম ওনার জন্য।মনে মনে ঠিক করলাম এবার উনি ছবি চাইলে দিয়ে দিবো।


সময় যায়,দিন যায়,মাস যায় উনি আর আসেন না।দূর থেকেই শুধু তাকিয়ে থাকেন।আমার ভারী মন খারাপ হলো।প্রেমিকার কথা মনে পুষে রাখতে আছে নাকি?ইচ্ছে করছিলো ওনার গা"লে পটপট করে চ"ড় বসিয়ে দিয়ে বলি 


" আপনার রোজ এসে ছবি চাইতে কি সমস্যা?আমার  কথা খুব গায়ে লাগে তাই না? এতোই যখন গায়ে লাগে তাহলে কেন আমার মনে আপনার রঙ্গিন ছবি আঁকালেন? কেন রোজ আপনাকে দেখে আমার বু'কের গতি বেড়ে যায়?এতটুকু কথা সহ্য করতে না পারলে কেন প্রেম করতে এসছেন হ্যা? "


কিন্তু লজ্জায় এসব কিছুই আর বলা হয় না।আমিও কম জেদি ছিলাম নাকি?ওকে দেখলেই পাড়ার যে ছেলেদের দিকে ফিরেও তাকাইনি,তাদের পাত্তা দিতে লাগলাম।


হঠাৎ এক ভোরে উনি আমার হাত ধরে বললেন " কুসুম,আপনাকে বিয়ে করতে চাই।শহরে এক ঘরের একটা কামরা ভাড়া নিবো।ছোট্ট সংসার,আমি খাঁচা আপনি পাখি।এই খাঁচা থেকে কখনো মুক্তি পাবেন না "


তখন অশ্রুসিক্ত চোখে তাকিয়ে বলেছিলাম " খাঁচা আরো মজবুত করতে হবে।যেন চাইলেও পাখি উড়ে যেতে না পারে "


২১ বছরের দাম্পত্য জীবন আমাদের।সেই ছবি এখনো আগলে রেখেছে।রাতে বললাম


" সাদাকালো ছবিটা এতো বছর আগলে রাখার কি দরকার?এখন তো কত সুন্দর সুন্দর রঙ্গিন ছবি তোলা যায় "


স্বামী বললো " সাদাকালো ছবির এই তুমিতে যতটা মায়া,স্মৃতি ঘিরে আছে,এখনকার হাজারটা রঙ্গিন ছবিতেও সেটা থাকবে না "


গল্প ভালোবাসা

লেখক


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 
জয়ন্ত_কুমার_জয় 


সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন।এইটা লেখকের নিজস্ব পেজ 🤍


আম গাছে মুকুল আসতেছেনা, শুধু নতুন পাতা বের হচ্ছে। নো টেনশন জেনে নিন সমাধান,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আম গাছে মুকুল আসতেছেনা, শুধু নতুন পাতা বের হচ্ছে। নো টেনশন জেনে নিন সমাধান । 🥭


শীতের এখন শেষের দিকে, সাথে ফেব্রুয়ারি মাসের ও প্রায় শেষ হতে চলেছে, আম গাছ গুলোতে ফাল্গুনের হাওয়া বইছে, ইতিমধ্যেই সকলের আম গাছগুলিতে মুকুল এসে গেছে কিন্তু আপনার বা অনেকের বাগানের বাকি গাছগুলোতে মুকুল আসবে আসবে করছে। তবে এখনো যদি আপনার আম গাছে  মুকুল না এসে থাকে, তাহলে টেনশনের কোন কারন নেই, ছোট্ট একটা পদক্ষেপ নিতে পারেন ইনশাআল্লাহ ভালো কাজে আসবে । 


প্রতিটি গাছের ভ্যারিয়েন্টাল ফ্যাক্টর বলে একটা কথা আছে আমরা জানি যে প্রত্যেকটা গাছের  জাত বা বৈশিষ্ট্য আলাদা, হোক সেটা আম বা অন্য যেকোন ফলের গাছ । বর্তমানে বাগানের বেশ কিছু গাছে মুকুল এসেছে, সাথে কিছু গাছের আমের গুটিও বেঁধেছে । জাতগত পার্থক্যের কারনে প্রত্যেকটা গাছে মুকুল আসার ধরন ও কিন্তু একটু আলাদা হয়ে থাকে । যেমন –


একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন কিছু আম গাছের পত্র মুকুলের কোল থেকে মুকুলটা হয় , যার কোন পাতা হয় না, পুরোটাই মুকুল নিয়ে বের হয়।

কিছু গাছে আবার আগে পাতা বের হয় , পাতা বের হওয়ার পর মুকুল আসতে শুরু করে।

কিছু কিছু গাছের ক্ষেত্রে আবার প্রচুর নতুন পাতা বের হয় , সাথে প্রত্যেকটা পাতার কোল থেকে মুকুল আসতে দেখা যায় ৷ মাঝে মাঝে কিছু গাছে মুকুলের মধ্যে খুব ছোট ছোট পাতা বের হয়। মুকুল যত বড় হয় ততই সেই পাতাগুলো শুকিয়ে ঝরে পড়ে যায় ।


সুতরাং যাদের গাছে এখন নতুন পাতা বের হচ্ছে, তাদের গাছ এখন গ্রোথ নিচ্ছে। নতুন গ্রোথ নিচ্ছে মানেই যে সেই গাছে মুকুল আসবে না তা কিন্তু নয়। আবার এই নয় যে, নতুন পাতা বেরোলে সব গাছে মুকুল আসবে। সেটা নির্ভর করে গাছের বয়স এবং গাছের গঠনের উপর ভিত্তি করে ।


তবে যাদের আমগাছ গুলো ফল দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিণত , তারপর ও নতুন পাতা বের হচ্ছে মুকুল না এসে , তাদেরও চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, মাঝে মাঝে আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে গাছে মুকুলের পরিবর্তে নতুন পাতা আসে এবং মুকুল ও আগে পরে বের হয় । আপনার মুকুল না আসা আম গাছের বয়স যদি ৩ বছরের বেশি হয়ে থাকে সাথে গাছও যদি যথেষ্ট হেলদি থেকে থাকে , তাহলে সেই গাছে এবার ফল নেওয়া জন্য নিচের দেখানো নিয়মে চেষ্টা করতে পারেন সামান্য কিছু পরিচর্যার মাধ্যমে ।


পরিচর্যা গুলো হলো :


▪️প্রথমেই মনে রাখতে হবে সম্পূর্ণ গাছেই যদি নতুন ডাল বের হয়ে গিয়ে থাকলে, তাহলে গাছকে ফোর্স না করে আগামী বছরের অপেক্ষায় থাকলে ভালো হবে। 


▪️যে গাছ গুলোর মধ্যে কিছু কিছু ডালে নতুন পাতা সবে বের হতে শুরু করেছে এবং মুকুল এর দেখা নেই, সেই গাছের নতুন ডালের গোড়া থেকে ভাল করে কেটে দিন। কাটা জায়গায় ছত্রাক নাশক স্প্রে করে দিন ।


▪️বিগত ১৫ দিনের মধ্যে যদি কোনো PGR( plant growth regulator) স্প্রে না করে থাকেন, তাহলে এখন মিরাকুলান বা ফ্লোরা ১-২ বার স্প্রে করে দিন। মিরাকুলান হলে প্রতি লিটার জলে দুই এম এল এবং ফ্লোরা হলে প্রতি লিটার জলে  হাফ এম এল । তবে দুটোর যেকোনো একটি দু’বার ব্যাবহার করা যাবে না, বরং দুটো দুইবার পাল্টে পাল্টে স্প্রে করুন।


▪️ PGR স্প্রে করার দুইদিন পর হাফ চা চামচ পটাশিয়াম সালফেট এবং দুই গ্রাম বোরন মিশিয়ে ভালো করে স্প্রে করে দিতে হবে গোটা গাছে। সেইসঙ্গে এই মিশ্রণ মাটিতেও প্রয়োগ করতে হবে।


PGR টা আবার কি? 


 Pgr হল (Plant. Growth Regulator) অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলতে গেলে গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক। সহজ ভাষায় যাকে গাছের ভিটামিনও বলা যেতে পারে। যা অত্যন্ত কার্যক্ষমতা সম্পন্ন উদ্ভিদ বৃদ্ধি উদ্দীপক যা গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়। 


আপাতত এইটুকু পরিচর্যায় যতেষ্ঠ, যার ফলে একটু দেরীতে হলেও আপনার গাছে মুকুল চলে আসবে ইনশাআল্লাহ । মুকুল আসার পরে  যত্ন ও পরিচর্যা নিয়ে খুব শীঘ্রই পোস্ট আসবে শখের এগ্রো ফেসবুক পেইজে ,  সব আপডেট সবার আগে পেতে  ফলো করে রাখুন শখের এগ্রো পেইজ।


পরিশেষে, যদি মনে করেন লেখা গুলো বাগানীদের উপকারে আসবে, তাহলে ফেসবুকের পোস্ট টি শেয়ার করুন, নেক্সটে কোন বিষয়ে জানতে চান কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


অনু গল্প "মা",,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ---মায়ের মৃত্যু টা হলে খুব ভালো হতো নাইম!


---ঠিক বলেছিস হাসিব? কারন এই ভাবে চিকিৎসা করতে করতে আমরা ফকির হবো। 


হাসিব : শোন মাকে ৪/৫ টা ঘুমের ওষুধ এক সাথে খাওয়াবো। এতে মৃত্যু ও হতে পারে। 


নাইম : ঠিক আছে তাই করবো আজ রাতে? 


---দুই ভাইয়ের কথাটি শেষ হতে না হতেই সেখানে ওদের মা উপস্থিত হয়। 


হাসিব : মা তুমি  এখানে বুজলাম না। 


মা : আমার রুমে ভালো  লাগতে ছিলো না তাই তোদের রুমে একটু আসলাম। কিন্তু এসেই যা শুনলাম?


হাসিব : হ‍্যা যা শুনেছো সব সত্যি শুনেছো। তোমার কারনে আমাদের  অনেক সমস্যা  হচ্ছে। তুমি ম'রতে পারো না। 


মা : শোন তার আগে তোদের একটি গল্প শুনাই। তার পরে না হয় আমি চলে যাবো এখানে থেকে। 


নাইম : ঠিক আছে যা বলার তারা তারি বলো। 


মা : আচ্ছা শোন তবে।  আজ থেকে ২৬ বছর আগে তোদের দুজনের জন্ম হয় এক সঙ্গে।  তোদের যখন বয়স ৫/৬ মাস হয় তখন হঠাৎ করেই একদিন তোর বাবা একজন মহিলাকে বিয়ে করে কাউকে না জানিয়ে।  এর পরে আমাদের অনেক ঝগরা হয়। এক পর্যায় তোর বাবা আমাকে ডিভোর্স  দেয়।  ডিভোর্সের পরে খুব কষ্টে আমার দিন কাটতে লাগলো। এরে মাঝে আবার তোরা দুই ভাই ১৬/১৭ দিন পর পর অসুস্থ হয়ে পরিশ।  তখন ডাক্তার দেখাইতে অনেক টাকা লাগতো কিন্তু কেউ দিতো না। এক সময়  ভাবলাম এত কষ্টে থাকার বদল নিজের জীবনটা নিজেই শেষ করে দেই।  কিন্তু তোদের মুখের দিকে তাকিয়ে সব ভূলে যেতাম। ভাবতাম আমি মারা গেলে আমার সন্তানের কি হবে। কে দেখাশুনা করবে।  এই ভাবে দিন যেতে লাগলো একটিন হঠাৎ  তোদের দুজনের ভিশন জ্বর আসে। কিন্তু আমার কাছে তখন কোন টাকা ছিলো না। কী করবো বুজতেছিলাম না। এমন সময়  তোর বাবা কাছে চলে যাই। গিয়ে কিছু টাকা চাই যেনো তোদের চিকিৎসা করাতে পারি।  জানিস তোদের বাবা কি বলেছিলো। বলছিলো পতিতালয়ে গিয়ে নিজের দেহ বিক্রি করে যেনো তোদের চিকিৎসা করি। 


---এর পরে  কোন উপায় না পেয়ে আমি সেই খারপ কাজ করতে বাধ‍্য হই শুধুমাত্র তোদের চিকিৎসার জন্যে।  ছোট থাকায় দুই ভাই ঝগরা করতি আমাকে নিয়ে। হাসিব বলতো মা আমার নাইম বলতো না মা আমার।  এই নিয়ে তোদের দুই ভায়ের সব সময় ঝগরা লেগেই থাকতো। 


---মায়ের মুখে এই সব কথা শুনে হাসিবের ও নাইমের চোখে অঝরে পানি পরতে থাকে। 


মা : এই পাগলেরা কান্না  করতেছিস কেনো। 


হাসিব : মা আমাকে প্লিজ মাপ করে দাও। আমরা খুব বর একটি ভূল করতে যাচ্ছিলাম। 


নাইম : হুমম মা আমাদের মাপ করে দাও। আমরা ভূল করে ফেলেছি। 


হাসিব : আর কখনো এমন ভূল করবো না। 


মা : আমার পাগল ছেলে। হুমম মাপ করে দিয়েছি। এখন ত একটু হাস তোরা। তদের হাসি মুখটা না দেখলে যে আমার ভালো লাগে না বাবা? 


"সত্যি মা তুমি  অসীম ❤ তোমার কোন তুলনা হয়না?


★গল্পি কাল্পনিক বাস্তবে কেউ ভাবিয়েন না। তবে আমাদের সামাজে অনেক এমন হচ্ছে।


★অনু_গল্প: (★মা )


কাহিনী ও লেখা : 

★মি_হাসিব


গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই ফলো বাটনে একটা টুকা দিয়ে যাবেন 👉 Siam Ahmedd


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...