এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৯-০২-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৯-০২-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


আসন্ন রমজানে অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত - মন্ত্রিসভা বৈঠকে সিদ্ধান্ত ।


রমজানে নিত্য পণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে এবং মজুতদারদের কারসাজি রোধে সব ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সরকার - জাতীয় সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ।


পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির।


ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ১১ই মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ। 


জব্দ রুশ ব্যাংকের সম্পদ ইউক্র্রেনের জন্য অস্ত্র সংগ্রহে ব্যবহারের প্রস্তাব করলেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ।


রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে ফরচুন বরিশাল ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কৃষি সম্পর্কিত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 😲প্রাকৃতিক সার দিয়ে শসার ফলন দ্বিগুণ করুন: 


👉বিস্তারিত জেনে নিন:👇

বাগানের উত্সাহী এবং শসা প্রেমীদের জন্য, আপনার বাগান থেকে সরাসরি তাজা, কুঁচকে যাওয়া শসার প্রচুর ফসল সংগ্রহ করার মতো কিছুই নেই। কিন্তু আপনি কি জানেন যে আপনি প্রাকৃতিক সারের সাহায্যে আপনার শসার ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারেন? এই বিস্তৃত নির্দেশিকায়, আমরা আপনার শসার ফসল দ্বিগুণ করতে এবং আপনার বাগানের উন্নতি নিশ্চিত করতে সেরা জৈব সার এবং কৌশলগুলি অন্বেষণ করব। আপনার শসা গাছের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচন করার জন্য প্রস্তুত হন এবং এই সতেজ সবজির প্রাচুর্য উপভোগ করুন।


1. জৈব সারের শক্তি:

👉প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করা শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর উদ্ভিদের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে না বরং প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিয়ে মাটিকে সমৃদ্ধ করে। সিন্থেটিক বিকল্পের বিপরীতে, জৈব সার মাটির গঠন উন্নত করে, উপকারী অণুজীবকে উৎসাহিত করে এবং রাসায়নিক ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায়।


2. কম্পোস্ট: দ্য গার্ডেনার্স গোল্ড:

👉কম্পোস্ট হল মালীর গোপন অস্ত্র। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, কম্পোস্ট মাটির উর্বরতা এবং জল ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়। আপনার শসার বিছানায় কম্পোস্ট যুক্ত করা ক্রমবর্ধমান ঋতু জুড়ে পুষ্টির একটি অবিচ্ছিন্ন সরবরাহ সরবরাহ করে, যার ফলে উদ্ভিদের প্রবল বৃদ্ধি এবং শসার উৎপাদন বৃদ্ধি পায়


3. ওয়ার্ম কাস্টিংস: প্রকৃতির পুষ্টি-সমৃদ্ধ বুস্ট:

👉কৃমি ঢালাই, যা ভার্মিকম্পোস্ট নামেও পরিচিত, শসা গাছের জন্য একটি পুষ্টির পাওয়ার হাউস। প্রয়োজনীয় খনিজ এবং উপকারী অণুজীব দ্বারা পরিপূর্ণ, কৃমি ঢালাই মাটিকে সমৃদ্ধ করে এবং শক্ত শিকড়ের বিকাশকে উৎসাহিত করে। আপনার বাগানের মাটিতে কীট ঢালাই মিশ্রিত করা বা শীর্ষ ড্রেসিং হিসাবে ব্যবহার করা শসার ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে।


4. ফিশ ইমালসন: একটি প্রাকৃতিক নাইট্রোজেন উৎস:

👉ফিশ ইমালসন নাইট্রোজেনের একটি চমত্কার উৎস, যা শসার বৃদ্ধির জন্য একটি অপরিহার্য পুষ্টি। নাইট্রোজেন-সমৃদ্ধ সার লীলা পাতা এবং দ্রাক্ষালতার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে। ক্রমবর্ধমান ঋতুতে পাতলা মাছের ইমালসন প্রয়োগ করা শসাগুলিকে একটি সমৃদ্ধ ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন বৃদ্ধি করে।


5. তরল সামুদ্রিক নির্যাস: একটি সম্পূর্ণ পুষ্টির প্যাকেজ:

👉তরল সামুদ্রিক শৈবালের নির্যাস একটি জৈব-উত্তেজক যা শসাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি, বৃদ্ধির হরমোন এবং ট্রেস উপাদানগুলির বিস্তৃত পরিসর সরবরাহ করে। এই জৈব সার শসা গাছের স্থিতিস্থাপকতা, পুষ্টি শোষণ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করে। তরল সামুদ্রিক শৈবালের নির্যাস দিয়ে ফলিয়ার স্প্রে করা শসার ফলন বাড়াতে পারে।


6. ইপসম সল্ট: শসার স্বাস্থ্যের জন্য ম্যাগনেসিয়াম:

👉ইপসম লবণ, বা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, শসা গাছের জন্য একটি গেম-চেঞ্জার হতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল উৎপাদন এবং সালোকসংশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Epsom লবণের দ্রবণের একটি ফলিয়ার স্প্রে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি রোধ করতে পারে, ফলে স্বাস্থ্যকর শসা গাছপালা এবং প্রচুর ফল উৎপাদন হয়।


7. আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য মালচিং:

👉আপনার শসা গাছের চারপাশে মালচ যুক্ত করা আর্দ্রতা ধরে রাখতে, মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আগাছা দমন করতে সাহায্য করে। মালচিং গাছের উপর জলের চাপ কমায় এবং শসার বৃদ্ধির জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।


8. সঠিক জল এবং সূর্যালোক:

👉যদিও প্রাকৃতিক সার অপরিহার্য, মৌলিক বিষয়গুলি ভুলে যাবেন না। ক্রমাগত জল এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোকের সাথে শসাগুলি বৃদ্ধি পায়। নিশ্চিত করুন যে আপনার গাছগুলি প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে 1 ইঞ্চি জল পান এবং সর্বোত্তম বৃদ্ধির জন্য সম্পূর্ণ সূর্যের এক্সপোজার উপভোগ করুন।


🥰কম্পোস্ট, ওয়ার্ম কাস্টিং, ফিশ ইমালসন, তরল সামুদ্রিক শৈবাল নির্যাস এবং ইপসম লবণের মতো প্রাকৃতিক সারের শক্তি ব্যবহার করে আপনি আপনার শসা গাছের ফলন দ্বিগুণ করতে পারেন। সঠিক জল এবং সূর্যালোকের সাথে এই জৈব কৌশলগুলিকে একত্রিত করুন, এবং আপনি একটি চিত্তাকর্ষক শসার ফসল উপভোগ করার পথে ভাল থাকবেন। একটু যত্ন এবং সঠিক সার দিয়ে, আপনার শসা ফুলে উঠবে, আপনাকে সালাদ, আচার এবং আরও অনেক কিছুর জন্য সুস্বাদু, দেশীয় শসা প্রদান করবে। 

সিলেট এগ্রো হাউজ।


 

সাগরের রহস্য,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 > ***ছোট কাঁকড়া আর চিংড়ি খেয়ে বাঁচতে হয় সব থেকে বড় প্রাণী নীল তিমি কে !***


আমরা জানি যে , নীল তিমি ওজনে ২০০ টন পর্যন্ত হতে পারে। তবে গড়ে এরা ১০০ থেকে ১৫০ টন হয়ে থাকে। এবং । নীল তিমির পেট ভরতে ১ টন বা ১০০০ কেজি ক্রিল দরকার হয়। তবে এরা সারা দিনে প্রায় ৩৬০০ কেজি ক্রিল খায় । 


কিন্তু এর সাথে একটা আশ্চর্য হওয়ার মত কথা হলো , নীল তিমির  মুখ এতই বড় যে একটা গাড়ি অনায়াসে  মুখে পুড়ে নিতে পারবে । কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে খাদ্য নালি এতই পাতলা যদি এটি দিনে 2-3 টন ক্রিল নেয়, সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত হলে মাত্র 15 থেকে 25 সেমি লম্বা হয়!  চিংড়ির  মত দেখতে ক্রিল  দৈর্ঘ্য 5-6.5 সেমি এবং গড় ওজন 2 গ্রাম  ! মানে আমরা যে ছোট চিংড়ি খাই তার সমান ! এছাড়াও নীল তিমি  কাঁকড়া, গলদা চিংড়ি, ক্রেফিশ  ও খায়  সাইজটা আমরা জানি । ( ২৫–৫০ সেন্টিমিটার ) 


তিমি অনেক মজাদার একটা জীব , যাকে ঘিরে আছে অনেক অনেক মজাদার এবং আশ্চর্য জনক সব তথ্য , যেমন আমাদের প্রিয় ডলফিন ও  এক প্রজাতির তিমি !




আল্লাহ যখন সাথে থাকেন,,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আল্লাহ যখন সাথে থাকেন 


একবার যখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাকে চিনবেন তখন আপনার জীবনের কোনো বিপদকেই আর বিপদ মনে হবে না, কোনো সমস্যাকেই আর সমস্যা মনে হবে না। যেমন, ইব্রাহিম (আ) আল্লাহকে জানার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করলেন। তারপর যখন আল্লাহকে চিনলেন তখন আল্লাহ তাঁকে বললেন তার স্ত্রী সন্তানকে মক্কার মরুভূমিতে রেখে আসতে। তার স্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করলেন - আমাদের কেন এভাবে রেখে যাচ্ছেন? তিনি তার উত্তর জানতেন না। তারপর তার স্ত্রী আবার জিজ্ঞেস করলেন - এটা কি আল্লাহর নির্দেশ? ইব্রাহিম (আ) বললেন- হ্যাঁ। তারপর তার স্ত্রী বলেন - এটা যদি আল্লাহর নির্দেশ হয়ে থাকে তাহলে তিনি আমাদের ধ্বংস হতে দিবেন না।


হাজেরা (আ) ব্যাপারটা খুব ভালোভাবে বুঝলেন। যদি আল্লাহ এমনটি করতে বলেন, তাহলে এখানে কোন ভুল হতে পারে না। আমাদের বিশ্বাসও এমন শক্তিশালী হওয়া উচিত। যদি আল্লাহর প্রতি এমন বিশ্বাস গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে আপনার জীবন হয়ে উঠবে অতি মূল্যবান একটি জীবন। তখন আল্লাহ আপনাকে ভালোবাসবেন, ফেরেশতারা আপনাকে ভালোবাসবেন, আপনি অন্য রকম একজন মানুষে পরিণত হবেন। আপনার কোনো ধারণাই নেই আল্লাহ কিভাবে আপনার জীবনকে আশীর্বাদ এবং বরকতে পূর্ণ করে দিবেন।


জীবনে সমস্যা থাকলেও সমস্যার মাঝেই প্রশান্তি খুঁজে পাবেন। অনেক মানুষ বাইরে থেকে দেখবে আপনার সমস্যা তাদের সমস্যার মতোই। কিন্তু তারা বুঝতে পারে না যে আপনার সমস্যা আসলে তাদের মতো নয়। যদি দুইজন ব্যক্তি কোনো সমস্যায় পড়ে, একজন সবচেয়ে শক্তিশালী এবং অনেক প্রভাব-প্রতিপত্তির অধিকারী কারো সাহায্য পেয়ে থাকে, আর অন্যজন কারো কাছ থেকে কোনো সাহায্য পায় না। উভয়ে কি সমান? তারা সমান নয়।


একজন বিশ্বাসী এবং একজন অবিশ্বাসী একই রকম সমস্যায় পড়তে পারে। বিশ্বাসীর সাথে আল্লাহ আছেন আর অবিশ্বাসীর সাথে আল্লাহ নেই। আল্লাহ যখন বলেন, "ইন্নাল্লাহা মায়াস সাবিরিন - আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে আছেন।" আল্লাহর এই সাথে থাকা বিশাল পার্থক্য তৈরী করে। এর মানে হল, আপনি জিতবেন। আল্লাহ যদি আপনার সাথে থাকেন, আপনি কখনো পরাজিত হবেন না। আল্লাহর দল কখনো পরাজিত হয় না। আল্লাহ যদি আপনার সাথে থাকেন আপনি কখনো হারতে পারেন না। এটা অসম্ভব।


সংগৃহীত

রোজাদার বান্দাদেরকে ইফতার করানোর ফজিলত-ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕ রোজাদার বান্দাদেরকে ইফতার করানোর ফজিলত-


🔸 যারা মহান আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিঃস্বার্থভাবে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে থাকে, মহান আল্লাহ তা'য়ালা তাদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দান করেছেন। [সূরা দাহর, আয়াত নং ৫-১২]


🔹 যে ব্যক্তি কোনো রোজাদার বান্দাকে ইফতার করাবে, সে ঐ রোজাদারের সম-পরিমাণ সওয়াব লাভ করবে, এতে রোজাদার বান্দার সওয়াব থেকে কিঞ্চিৎ পরিমান সওয়াবও কম করা হবে না। [সুনানে তিরমিযি- ৮০৭]


🔸 আর কোনো ব্যক্তি যদি কোনো রোজাদার বান্দাকে পানি মিশ্রিত এক কাপ দুধ কিংবা একটি শুকনো খেজুর অথবা এক ঢোক পানি দিয়েও ইফতার করায়, তাহলেও মহান আল্লাহ তা'য়ালা তাকে সেই রোজাদারের সম-পরিমান সওয়াব দান করবেন। [মুসনাদে আহমাদ- ২১১৬৮]


🔹 আর যে ব্যক্তি তার কোনো রোজাদার ভাইকে তৃপ্তি সহকারে ইফতার করাবে, মহান আল্লাহ তা'য়ালা তাকে হাউজে কাউসার থেকে এমন পানীয় পান করাবেন, যার ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করার আগ পর্যন্ত আর কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না, সুবহানাল্ল-হ। [সহিহ ইবনে খুজাইমা ১৮৮৭]


🔲 আপনি সারাদিন রোজা রেখে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবেন না যে আপনার রোজা কবুল হয়েছে কি হয় নি কিংবা আপনি রোজার পরিপূর্ণ সওয়াব পেয়েছেন কি পান নি। কিন্তু আপনি একজন রোজাদার বান্দাকে ইফতার করানোর ফলে সেই রোজাদারের সম-পরিমান সওয়াব লাভ করতে পারছেন, সেই সাথে জাহান্নাম থেকে মুক্তির পরোয়ানা এবং জান্নাত লাভের মতো সুসংবাদ লাভ করতে পারছেন। কেয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে হাউজে কাউসারের পানি পান করতে পারছেন আলহামদুলিল্লাহ।


⭕ মহান আল্লাহ তা'য়ালা যদি আপনাকে সামর্থ্য দিয়ে থাকেন তাহলে এটিও একটি সুবর্ণ সুযোগ রমাদান মাসে নেকির ভান্ডারকে পরিপূর্ণ করে নেওয়া। হোক না সামর্থ্য যৎসামান্যই, যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকু দিয়েই রোজাদার বান্দাদেরকে ইফতার করানোর চেষ্টা করবেন ইন শা আল্লাহ। মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে এই নেক আমলটি করার তৌফিক দান করুন, আমিন 💝✅


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "এই আইডির মালিক  ********* আর এই পৃথিবীতে আর নেই।

কিছুক্ষন আগে ইন্তেকাল করেছেন

"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন".


আমি তার একজন নীকটাত্মীয়।

আপনাদের সবার কাছে তার রুহের আত্নার মাগফিরাত এর জন্য দোয়া চাইছি।"


কী !! 


সামান্য একটু ধাক্কা লেগেছে কারো অন্তরে?


যদি আমাকে এক সেকেন্ডের জন্য ও কোনোদিন মুহাব্বত করে থাকেন,তাহলে কিছুটা ধাক্কাতো লাগারই কথা!!


এমন একটি শোক বার্তা আর মাত্র কয়েকদিন পরে

আমার,আপনার,আমাদের টাইমলাইনে আসবে ইনশাআল্লাহ।


তার পর কি হবে জানেন? 

মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া পোস্টিতে কমেন্টের বন্যা বয়ে যাবে। আহারে ছেলেটা/মেয়েটা অনেক ভালো ছিলো,অনেক দুষ্টুমি করতো, অনেক মাজা করতো.".আরে গতকাল রাতেইতো আমার সাথে মেসেন্জারে কথা বললো,"ইন্নালিল্লাহ"!!

আল্লাহ ছেলেটাকে/মেয়েটাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন ইত্যাদি ইত্যাদি।


তারপর স্কিনশর্ট নিয়ে পোস্ট দিয়ে ক্যাপশন দেয়া হবে এই ছেলেটা বা মেয়েটা আর নেই। এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না এই ছেলেটা/মেয়েটা আর নেই.!


আপনি কি জানেন? 

ঠিক ওই মুহূর্তে কিছু কিছু মানুষের দোয়া আর আর্তনাদ কমেন্ট বক্স আর স্ট্যাটাসের মাধ্যমেই সীমাব্ধ রয়ে যাবে!!


আপনার মৃত্যুর খবর শুনেই আপনার জন্য কুরআন নিয়ে বসে যাবে বা আপনার জন্য দুই রাকাত সালাত আদায় করে কায়মনোবাক্যে রহমানের দরবারে কান্নাকাটি করবে এমন একজন মানুষ  হয়তো হাতে গুনেও পাওয়া যাবে না এই ভার্চুয়াল জগতে।


আমি,আপনি,আমাদের রুহের আর্তনাত গুলো যদি এই বেঁচে থাকা মানুষ গুলো যদি উপলব্দি করতে পারতো তবে কখনোই তারা মাতামাতি বাড়াবাড়িতে লিপ্ত না হয়ে সঠিক পদ্ধতিতে আমাদের কবরে কিছু পাঠাতো।


আমার মৃত্যুর খবর আপনাদের কানে আসা মাত্রই আমার জন্যে আপনারা সূরা ইয়াছিন এবং সূরা মূলক পড়ে আমার কবরে সোয়াব পৌঁছে দিয়েন।

আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন ।

আমাদের সবাইকেই একদিন বিনা নোটিশে হুট করেই আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যেতে হবে।জীর্ণশীর্ণ কবরে থাকতে হবে।আমাদের উচিত সে কবরের জন্য প্রস্তুতি নেয়া। 

জা-জাকাল্লাহ খাইরুন।


বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বীজ গজানোর পদ্ধতি,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🥬বীজ 🥦গজানোর পদ্ধতি🌽


১. বীজ হাতে পাওয়ার পর ২০-৩০ মিনিট রোদে দিন।


২. রোদ থেকে উঠায়ে বীজ ২ ঘন্টা রেস্ট দিন।


৩. ডুবন্ত পানিতে 12-14 ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।


৪. পানি থেকে বীজ গুলো সুতি কাপড়ের বা টিস্যু পেপারে উঠান।


৫. ৫-৬ টি টিস্যু পেপার দিয়ে মুড়িয়ে পুটলি করেন।


৬. পুটলিটি একটি পটের মধ্যে রাখেন। পটে যেনো হাওয়া না ডোকে সেজন্য পটের মুখ বন্ধ করে রাখেন।


৭. দুই দিন পর পট খুলে বীজের উপর সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন।তারপর আবার আগের মতো রাখুন।


৮.  ৫-৬ দিন পর খুলে দেখুন বীজ গজায়ে গেছে। এখন বীজ পলিতে অথবা মাটিতে পাতিয়ে নিন।


গাছের বয়স ১ মাস হলে চারা লাগিয়ে দিন।


ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য। 


( সোনালী ফসল গ্রুপ )



হে বোন, কেমন স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছো

 ⭕  হে বোন, কেমন স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছো

আশা করি একটু চিন্তা করবে.......!!


⭕এমন একটা স্বামীর জন্য অপেক্ষা করো, যে তোমাকে 'Darling ' না বলে 'আদরের বউ' বলবে.....!!


⭕এমন একটা স্বামীর জন্য অপেক্ষা করো, যে তোমাকে নিয়ে সিনেমা দেখার জন্য রাত জাগবে না   ।   তোমাকে নিয়ে তাহাজ্জুদের সালাত পরবে বলে রাত জাগবে......!!


⭕এমন একটা স্বামীর জন্য অপেক্ষা করো, যে তোমার সারা জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার পাশা পাশি তোমার হাত ধরে জান্নাতে নেওয়ার দায়িত্ব পালনে সহযোগীতা করবে.....!!


⭕এমন একটা স্বামীর জন্য অপেক্ষা করো যে কোট পেন্ট আর চোখে সানগ্লাস না, যার মধ্যে নবির সুন্নত থাকবে......!!


⭕এমন একটা স্বামীর জন্য অপেক্ষা করো, যে তোমাকে সম্পূর্ণ পর্দায় রাখার চেষ্টা করবে.....!!


⭕এমন একটা স্বামীকে জীবন সংঙ্গী করো, যে তোমাকে তার বন্ধুদের সাথে বাহিরে খেতে নিয়ে যাবে না, যে বাসায় এসে এক প্লেটে বসে তোমাকে খাইয়ে দিবে, আর জান্নাতে ও তোমাকে জীবন সাথী হিসেবে পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে......!!


⭕এমন একটা স্বামীকে বিয়ে করো , যে তোমাকে তার সাথে আর একটু ঘুমাতে বলবে না, ফজরের সময় তোমাকে ডেকে বলবে সালাত পরে নাও আমি মসজিদে যাচ্ছি.....!! 


⭕এমন একটা স্বামীকে বিয়ে করার ইচ্ছে করো, যে তোমাকে সাথে করে মার্কেটে নিয়ে পেন্ট শার্ট না, তোমার জন্য পোশাক কিনে এনে বলবে দেখ তো পছন্দ হয়েছে কি না......!! 


⭕এমন একটা স্বামীর অপেক্ষা করো, যে তোমার সন্তান কে নায়ক না, কুরআনের হাফেজ বানাতে চাইবে......!! 

ইয়া আল্লাহ আমাদের সহিহ বুঝ দান করুন এবং কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন.....!!


আমিন.....!!


ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 একজন মহিলা একটা অজগর সাপ পুষতো।

সাপটা'কে সে অসম্ভব ভালবাসতো।

অজগরটা লম্বায় ৪ মিটার এবং দেখতেও বেশ স্বাস্থ্যবান ছিল।


একদিন হঠাৎ তার আদরের অজগর খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিল।

কয়েক সপ্তাহ চলে গেল, কিন্তু সাপ কিছুই খায় না।

আদরের সাপের এমন অবস্থায় মহিলা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল এবং উপায়-বুদ্ধি না পেয়ে শেষমেশ সাপটাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল।


ডাক্তার সাহেব মনযোগ দিয়ে সব শুনলেন এবং জিগেস করলেন- সাপটা কি রাতে আপনার সাথে ঘুমায়?

মহিলা উত্তর দিল- হ্যাঁ।

- ঘুমানোর সময় এটা আস্তে আস্তে আপনার কাছে ঘেঁসে?

- হ্যাঁ

- তারপর আস্তে আস্তে আপনাকে চারপাশে মুড়িয়ে ধরে?

মহিলা বিস্মিত হলেন এবং জবাব দিলেন-

এইবার চিকিৎসক খুবই ভয়ানক এবং অপ্রত্যশিত কিছু বললেন।

- ম্যাডাম, সাপটি আপনাকে জড়িয়ে ধরে, চারপাশ থেকে মুড়িয়ে ধরে, কারণ এটা আপনার মাপ নিচ্ছে। নিজেকে প্রস্তুত করছে আপনাকে আক্রমণ করার জন্য। এবং হ্যাঁ, সে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করেছে যথেষ্ট জায়গা খালি করতে, যাতে সহজেই আপনাকে হজম করতে পারে।


নীতিকথাঃ আপনার চারপাশে হয়ত এমন অনেকেই আছে যাদের আপনি কাছের মানুষ ভাবেন, যাদের দেখে মনে হয় আপনাকে তারা অসম্ভব ভালবাসে। হয়ত আপনার ক্ষতিই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্্প

 থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে ছিচোড়ে মুভিটা আমার কাছে বেশি প্রিয়।কারণ, থ্রি ইডিয়টস আপনাকে বলবে, তুমিও জিতবে।বাট ছিচোড়ে  মুভিটা আপনাকে বলবে, তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে।

"জীবনের কাছে হেরে গেলাম" লিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ ছেলেটা মরে গেল। হয়তো তাকে কেউ কখনও বলেনি, জিতে যাওয়া মানেই জীবন না, হেরে যাওয়ার মধ্যেও থাকে বেঁচে থাকার আনন্দ।

শিব খেরা, ডেল কার্নেগি থেকে আমাদের বাবা মা, বারবার আমাদের একটা কথাই বলে, তুমিও জিতবে। শক্ত হও। উঠে দাঁড়াও। দৌড়াও। জিততে তোমাকে হবেই।

কিন্তু কেউ কখনও বলে না, তুমিও হারবে। তুমিও তো রক্ত মাংসেরই মানুষ, তোমারও ক্লান্ত লাগবে। একটু বসো। সবসময়ই উঠে দাঁড়ানোর দরকার নাই। সবসময়ই দৌড়ানোর দরকার নাই।একটু বিশ্রাম করো। অনেকক্ষণ তো শক্ত থেকেছো, এবার একটু নরম হও।কেউ বলে না।

বলে না বলেই, সোহাগের মতো ছেলেমেয়েগুলো ঝুলে পড়ে। কেউ রিলেশনশিপের জন্য, কেউ টাকার জন্য, কেউ ক্যারিয়ারের জন্য, কেউ রেজাল্ট বা সিজির জন্য, কেউ বা একটুখানি ভালোবাসার জন্য।

হেলাল হাফিজ এক বুক কষ্ট নিয়ে লিখেছিলেন,

কেউ বলেনি,

ক্লান্ত পথিক,

দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিও...

ওদিকে হুমায়ূন আজাদ লিখেছিলেন আরো ভয়ঙ্কর কথা।

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাবো

খুব ছোট একটি স্বপ্নের জন্যে

খুব ছোট দুঃখের জন্যে

আমি হয়তো মারা যাবো কারো ঘুমের ভেতরে

একটি ছোট দীর্ঘশ্বাসের জন্যে

একফোঁটা সৌন্দর্যের জন্যে।

মা বাবা, শিক্ষক, গার্জিয়ান, বন্ধু, সমাজ, পৃথিবী, আপনাদের সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ,জিতে যাওয়ার মোটিভেশন দেন, সমস্যা নাই।কিন্তু হেরে যাওয়াদের কথাও একটু বলেন। পৃথিবীতে সবাই জিততে আসে নাই। সবার জেতার দরকারও নাই। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবাই বাঁচতে আসছে। 

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ ছোট্ট একটা স্বপ্ন ডিজার্ভ করে, একটুখানি সিমপ্যাথি ডিজার্ভ করে, এক ফোঁটা রোদ্র ডিজার্ভ করে, ছোট্ট একটা ঘাসফুল ডিজার্ভ করে।

এই পৃথিবীর আলো বাতাস, জল বা জোছনায় সবার সমান অধিকার আছে। জিতে যাওয়া মানুষটার যেমন দোয়েলের শিষ শোনার অধিকার আছে, হেরে যাওয়া মানুষটারও তেমন এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি পাওয়ার অধিকার আছে।

জয়ের মালা বিজয়ীরই থাকুক, ওটার ভাগ কেউ চায় নাই। তাই বলে হেরে যাওয়া মানুষের উপর থেকে এক টুকরো মেঘের ছায়া কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নাই।

কারো না।

collected❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...