এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ


১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ

(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,

( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।


২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ

(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,

( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।


৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।


৪। পিতার তিন অবস্থাঃ

(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,

(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।


৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ

(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,

(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।


৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,

(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে

(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।


৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,

(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,

(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।


৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,

(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।


৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ

(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,

(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,

(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।

(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,

(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।


১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ

(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত 

Collected.

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বিপিএলে স্পাইডার ক্যামেরার প্রতিদিনেরভাড়া ১৬ লাখ টাকাা

 কে বলে বাংলাদেশের ডলার সংকট !

সবই মিথ্যা কথা বিরোধীদলের চক্রান্ত


এই ১৬ লক্ষ টাকা আমাকে একেবারে দিলে আমি প্রত্যেকটা ম্যাচের ভিডিও ও live করে দিতাম,

প্রথমে কিনতাম দুইটা DJI Mavic 3 Pro Drone আর একটা RC Pro রিমোট, আর ১০-১৫টা ব্যাটারি ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ  কেবল , সর্বোচ্চ খরচ যেত ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা।

আরো ৯-১০ লাখ টাকা আমার ব্যাংকে পড়ে থাকত।

যেখানে ওয়ার্ল্ড কাপ চলাকালীন কলকাতা ইডেন গার্ডেন এ ব্যবহার করতে দেখেছি Dji air 2s 

(নেদারল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ, পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ)

সেখানে বাংলাদেশ B.P.L প্রতিটা ম্যাচের জন্য ১৬ লক্ষ টাকা দিচ্ছে!

নিঃসন্দেহে spider camp দিয়ে আরেকটু বেটার ভিডিও ও সম্প্রচার করা যায়। কিন্তু দেশের তীব্র ডলার সংকটে এত টাকা খরচ এটা নিঃসন্দেহে বিলাসিতা, যেখানে ডলার সংকটের কারণে সরকারি কর্মচারীদের দেশের বাইরে ভ্রমণে যেতে নির উৎসাহিত করা হচ্ছে আর একটা মাত্র ম্যাচে ক্যামেরার খরচ এত, ঐদিন নিউজ দেখলাম দিনের বেলায় আতশবাজি ফুটানো হচ্ছে, যা শব্দ দূষণ ছাড়া কোন কাজেই আসছে না।

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, আশু গৃহে তার দখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

স্যারের মেসেজ ২৮/০২/২০~৪

 সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আগামীকাল আমাদের জিএম স্যারের চেয়ারম্যানের সাথে মিটিং আছে মিটিংয়ে spro সম্পর্কিত অনেক তথ্য জিজ্ঞেস করতে পারে আপনারা সকলেই সকাল সাড়ে আটটার ভিতরে মার্কেটে পৌঁছাবেন এবং অ্যাটেন্ডেন্স ঠিকমতো দিবেন নোট ঠিকমতো দিবেন এক একটা নোটে মিনিমাম তিনটা করে ছবি দিবেন এবং ছবিগুলো যেন স্পষ্ট হয়।


আগামীকালের নোটগুলো যেন এই বছরের শ্রেষ্ঠ নোট হয় একটা ছবি যেন ঘোলা ও স্পষ্ট না হয় দোকানে কি কাজ করছেন সেটা স্পষ্ট ভাবে লিখবেন।

চেয়ারম্যান স্যারের ওখানে প্রজেক্টর এর কাজ দেখানো হবে আমাদের লোকজন কিভাবে স্প্র তে কাজ করে যদি এমন হয় যে স্টাফ আইডি প্রথমে আপনারটা চলে আসলো সে ক্ষেত্রে আপনার কাজই দেখবে সুতরাং আপনি সতর্কতার সাথে স্প্রতে কাজ করবেন

মনির ভাই এবং দিপু ভাই আগামীকাল টোটাল বিষয়টা মনিটারিং এর উপর রাখবেন যতক্ষণ না স্যারের মিটিং শেষ হয় মিটিং শেষ হলে আপনাদেরকে জানাবো।


একটি টুইটার পোস্ট

 আমার জন্ম থেকে আমি কখনো বাস, রিকশা, সি এন জি এগুলোতে কখনো চড়িনি৷ আমার ব্যক্তিগত গাড়ি ও ড্রাইভার ছিল৷ দোকানে গেলেও নিজের গাড়িতে করে গিয়েছি৷ এই কথাগুলো বললাম এই কারনে আজ যখন বাজার থেকে আসছিলাম ভ্যানে করে, তখন আমি বুঝতে পারছিলাম না কোনদিকে উঠবো, আর কীভাবে উঠবো তখন এক আন্টি বলছিলেন মনে হয় লাট সাহেবের বেটি, কখনো ভ্যানে চড়েনি৷ বলতে চাচ্ছিলাম সবকিছু কিন্তু নিজের অসহায়ত্বের কথা কাওকে বলে কী করবো৷ কারন কষ্ট ভোগ করছি আমি৷ সবসময় একা একা গাড়িতে চড়েছি এখন গাড়িতে নানা মন মানসিকতার মানুষ থাকে, পুরুষ মানুষ তো আছেই, মেয়ে মানুষগুলোও আমাকে আড়চোখে দেখে৷ জীবনটা যেন কেমন। তবুও লড়াই করছি বেঁচে থাকার৷ যুদ্ধ জয় করার৷ আজ একটা কথা মনে পড়ছে --আমার যখন সম্পর্ক ছিল সে বলেছিল বিয়ের পর তোমাকে গাড়ি দিতে পারবো না শুরুতেই তবে ৫০ বছর পর হলেও তোমার জন্য টাকা জমিয়ে একটা গাড়ি কিনবো৷ আমি বলেছিলাম আমি গাড়ি চাই না, তোমার হাত দুটো ধরে চলতে পারলেই খুশি হবো আমি৷ আজ সবকিছু উপলব্ধি করলাম একটা মেয়ে মানুষের একা একা রাস্তায় চলা কত কষ্টকর৷ একজন শক্ত হাত ছাড়া একটা মেয়ে বড্ড অসহায় ----

টুইটার থেকে নেওয়া

গাঁথুনি করার সঠিক নিয়ম জানুন-,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাঁথুনি করার সঠিক নিয়ম জানুন-

ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী।


১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।


২) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেক বার সুতা এবং শল দেখে নিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।


৩) অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকে না ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।


৪) গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সেন্টিমিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।


৫) ইটের আকার ঠিক না থাকার কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগে, ফলে মিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।


৬) ইট গাঁথুনির জন্য FM ১.৫ গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।


৭) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।


৮) কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে (নিয়মে) গাঁথুনী করা ভাল ।


৯) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৫  (৫” গাথুনির জন্য)


১০) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।


১১) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।


১২) জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না হয়।


১৩) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে, প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।


১৪) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।


১৫) একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়। (একদিনে ৩ ফুট করা উত্তম)


১৬) ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন কিউরিং উপযুক্ত কেননাঃ-   তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে কংক্রিট ৫০% পর্যন্ত কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ লাভ করে এবং ২৮ দিনের মধ্যে তা ৯০% পর্যন্ত।


ধন্যবাদ সকলকে _____


mrebrahim civilengineer


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


টিএসপি সারের  বিবরণ ,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টিএসপি সারের  বিবরণ  


ছোট দানাদার কঠিন, সামান্য অম্লীয়, একটি ধূসর বা গাঢ় বাদামী চেহারা, দীর্ঘ দূরত্ব পরিবহন এবং সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, জলে দ্রবণীয়, ইথানলে খুব কমই দ্রবণীয়। স্যাঁতসেঁতে আক্রান্ত হওয়ার পরে কেকিংকে প্রভাবিত করে।

সার হল উচ্চ ঘনত্ব সহ এক ধরণের দ্রুত জল-দ্রবণীয় ফসফেট সার।

টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) সার মৌলিক সার, অতিরিক্ত সার, বীজ সার জন্য কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে এবং যৌগিক সার উৎপাদনে ব্যাপকভাবে ধান, গম, ভুট্টা, ঝাল, তুলা, ফলমূল, শাকসবজি এবং প্রতিটি খাদ্য শস্য এবং অর্থনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়। ফসল

টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) সার সব ধরনের মাটিতে প্রযোজ্য, বিশেষ করে, যেখানে ফসফরাসের অভাব রয়েছে সেখানে উপযুক্ত।

এক ধরনের দ্রুত পানিতে দ্রবণীয় ফসফেট সার।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


নিজেই পাল্টান  ফ্যানের ক্যাপাসিটর,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নিজেই পাল্টান  ফ্যানের ক্যাপাসিটর ❗

চিত্রে আলাদাভাবে ফ্যানের স্টার্টিং ও রানিং কয়েল দেখানো হয়েছেঃ


ফ্যানের কয়েল দেখলেই দুটো প্রশ্ন সবারই মাথায় চলে আসে যেঃ


➡️ফ্যানের স্টার্টিং কয়েলের রোধ বেশি নাকি রানিং কয়েলের?


➡️ফ্যানের স্টার্টিং কয়েলের সাথে সিরিজে ক্যাপাসিটর সংযুক্ত থাকে কেন?


প্রথম প্রশ্নের উত্তর হলঃ


স্টার্টিং কয়েল। কারণ মোটর চালিত ডিভাইস শুরুতে প্রচুর কারেন্ট নেয় বিধায় স্টার্টিং কয়েলের রোধ অধিক থাকাটা আবশ্যক। অনেকেই এই প্রশ্নে মতবিরোধ করে। কেউ বলে স্টার্টিং এবং কেউ বলে রানিং। কিন্তু অনুসন্ধান করলে অধিকাংশ সোর্সই বলবে স্টার্টিং। 


২য় প্রশ্নের উত্তর হলঃ


মোটরের টর্ক সৃষ্টি বা ঘূর্ণন তৈরি করার উদ্দেশ্যেই এই ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়৷ কারণ এসি প্রবাহে সমান ও বিপরীতমুখী চৌম্বকক্ষেত্র সৃষ্টি হয় বলে ফ্যান বা মোটর ঘুরার জন্য নীট বল পায়না। অনেকটা দড়ি খেলার মত। দুই গ্রুপ দুদিক থেকে সমান ও বিপরীতমুখী বলে টানলে বুঝাই যায়না কে কাকে টানছে।


Engineering Community Of Bangladesh (ECB)



যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন। যিনি আমেরিকার ইতিহাসে একমাত্র বিদেশি ভাষায় সাক্ষরিত চুক্তি বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি হলেন Gazi Hasan Pasa.


তিনি ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের গ্র্যান্ড অ্যাডমিরাল (১৭৭০-১৭৯০)। যাকে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সিংহ বলা হয়। তার একটা পোষা সিংহ ছিল যাকে নিয়ে প্রায় সময় চলাফেরা করতেন।


সময়টা ১৭০০ সালের মাঝের দিকে। তখন উসমানী সাম্রাজ্যের নৌ বাহিনীর প্রধান ছিলেন Gazi Hasan Pasa. যার নাম শুনলে বিভিন্ন দেশ সমীহ করে চলতো। উসমানীয়রা তখন আটলান্টিক মহাসাগর, কৃষ্ণ সাগর, এবং ভূমধ্যসাগর নিয়ন্ত্রণ করতো। মজা করে বলা হয় এই তিন সাগর ছিলো উসমানীদের বাড়ীর পুকুর। 


অনুমতি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের জাহাজ প্রবেশ করতে পারতোনা। সেই সময় আমেরিকা তাদের পাঁচটি জাহাজ সৈন্যসহ ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে। তৎক্ষনাৎ নৌ বাহিনীর প্রধান গাজি হাসান পাশা তাদের ধাওয়া করতে এবং আটক করতে নির্দেশ দেন। যুদ্ধের পর আমেরিকা নৌ বাহিনী পরাজয় বরন করে এবং উসমানী নৌ বাহিনীর হাতে বন্দী হয়।


Gazi Hasan Pasa আটককৃত আমেরিকার সৈনিক এবং যুদ্ধ জাহাজ আলজেরিয়ার উপকূলে বেধে রাখেন। তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন উসমানী খলিফার কাছে তাদের সৈন্য এবং জাহাজ ফেরত চান। তখন খলিফা জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে বিশাল মুক্তিপণ দাবী করেন এবং জর্জ ওয়াশিংটনকে সরাসরি নিজে এসে একটা চুক্তিপত্রে সাক্ষর করতে বলেন। বাধ্য হয়ে জর্জ ওয়াশিংটন নিজে এসে খলিফার সাথে চুক্তিপত্রে সাক্ষর করেন। এটাই আমেরিকার ইতিহাসে একমাত্র বিদেশি ভাষায় সাক্ষরিত চুক্তি। এই চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকা উসমানী খেলাফতকে টানা আঠারো বছর ট্যাক্স দেয়।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন করেছেন,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন করেছেন। তাঁর সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল ৪০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। বলতে গেলে, ভারতবর্ষের প্রায় সম্পূর্ণ এলাকা ছিল তার রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত। প্রজার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৮০ লক্ষ।


আওরঙ্গজেব বছরে রাজস্ব আদায় করতেন ৪৫০ মিলিয়ন ইউ এস ডলার। ঐ সময়ে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন চতুর্দশ লুই। লুই এর চেয়ে আওরঙ্গজেব এর রাজ্যে দশগুণ বেশি রাজস্ব আদায় হত। তাঁর অধীনে ভারতবর্ষের অর্থনীতি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। ১৭০০ সালে তিনি ভারতবর্ষের অর্থনীতিকে ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করেন। ভারতবর্ষের জিডিপি ছিল পুরো পৃথিবীর জিডিপির চার ভাগের এক ভাগ।


১৭০৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান আওরঙ্গজেব ৮৮ বছর বয়সে নিজের সম্পত্তির একটা উইল তৈরী করলেন। মৃত্যুর পরে উইলে দেখা গেল- তাঁর কাছে ১৪ রুপি আর নিজ হাতে বোনা কিছু টুপি আছে। এগুলো বিক্রি করে তাঁর জানাযা আর দাফনে খরচ করতে বলেছেন। আর সারাজীবন কুরআন শরীফ নকল করে ৩০০ রূপি জমিয়েছেন - এই টাকাগুলো গরীবদের মাঝে দান করে দিতে বলেছেন।


দরবার আর রাজকোষে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল- উইলের বাইরে সম্রাটের কোথাও কোনো সম্পদ নেই।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

লেবু গাছের ফুল ঝরে পড়ার কারণ ও সমাধান।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লেবু গাছের ফুল ঝরে পড়ার কারণ ও সমাধান। 


বাংলাদেশে লেবু বেশ জনপ্রিয় সাইট্রাস জাতীয় একটি ফল। লেবু গাছ আপনি বাগানে বা বারান্দায় বা ছাদে টবে চাষ  করতে পারেন। লেবুর ফুল কয়েকটি কারণে ঝরে যেতে পারে। 


গাছের অপরিপক্কতা: 


লেবু গাছর ফুল ঝরে যেতে পারে তার একটি কারণ হল যদি এটি গাছ খুব ছোট। সাধারণত, বীজ হতে জন্মানো গাছে ফল আসতে শুরু করতে প্রায়  বছর সময় লাগে। আর কলমের চারা হলে ২-১ বছরের মধ্যে ফুল চলে আসে। কলমের চারা প্রথম ২-১ বছর ফুল / ফল না নেওয়াই ভালো।  এর মধ্যে গাছ সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হতে পারবে। 


মাটিতে পুষ্টির ঘাটতি: 


লেবু গাছের ফুল ঝরে পড়ার আরেকটি কারণ হল এর পুষ্টির ঘাটতি। সাধারণত লেবুগাছ অল্প যত্নে ভাল ফলন দেয়ার জন্য বিখ্যাত, কিন্তু  ফুল ফল থাকা অবস্থায় মাটিতে  পটাশিয়ামের অভাব হলে লেবু গাছের ফুল ঝরে যায়। তাই আপনি যদি লেবু গাছে প্রচুর ফলন পেতে চান তবে বসন্তের শুরুতে পটাশিয়াম সার দেয়ার ব্যবস্থা করুন। 


পানি সেচের তারতম্য: 


লেবু গাছ এমন একটি গাছ যাতে প্রচুর পরিমাণে পানি সেচ  দেওয়া লাগে না আবার খুব কম পানি সেচ দিলেও হবেনা। পানি সেচ দিতে হবে মেপে মেপে। 

কারন গাছে পানি বেশি দিলে বা গাছের গোড়ার মাটি স্যাতস্যাতে হলে লেবুগাছ নিজের ফুল ঝরিয়ে দিতে পারে। আবার গাছে পানি কম দিলে বা গাছে পানির অভাব হলেও গাছ নিজে বাঁচার জন্য ফুল ঝড়িয়ে দেয়। 


আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে: 


আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে লেবু গাছের সম্পর্ক খুবই সংবেনশীল। তাই হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে লেবু গাছের ফুল ঝরে যেতে পারে। লেবুগাছ রোদে সবচেয়ে ভাল হয়। তাই লেবুগাছ দিনে কমপক্ষ ৭-৮ ঘন্টা রোদ লাগে এমন স্থানে রাখতে হয়। যেহেতু রোদে সবচেয়ে স্বাস্থকর ফুল হয়, তাই ছায়ায় রাখলে আপনার গাছের ফুল ঝরে যেতে পারে। 


পরাগায়নের অভাবে: 


পরাগায়ন সাধারণত মৌমাছি ও অন্যান্য পরাগায়নকারী পোকামাকড় দ্বারা বাহিত হয়। কিন্তু আপনার এলাকায় যদি পোকামাকড়ের সংখ্যা কম থাকে এবং যদি পরাগায়নের কোন সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে আপনাকে এটি নিজে হাতে পরাগায়ন করতে হবে। 


কোনো রোগ বা পোকার আক্রমণে: 


লেবু গাছের রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ হলে ফুল ঝরে যেতে পারে। তাই রোগ ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ থেকে গাছ রক্ষা করতে হবে।



সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...