এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

প্রসঙ্গঃ  আমার গ্রাম নহাটা  ---সেকাল- একাল,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রসঙ্গঃ  আমার গ্রাম নহাটা  ---সেকাল- একাল

দশ দিন পর বিদেশ থেকে ফিরে  নিজ এলাকার খবর শুনে মনটা ভারী হয়ে গেলো, শাহ  বাউল আব্দুল করিমের বিখ্যাত গানটি বারবার মনে পড়ছে। 


 “আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমান

মিলিয়া বাউলা গান ঘাটুগান গাইতাম ॥

হিন্দু বাড়িত যাত্রা গান হইত

নিমন্ত্রণ দিত আমরা যাইতাম

কে হবে মেম্বার কে হবে চেয়ারম্যান

আমরা কি তার খবর লইতাম ॥

বিবাদ ঘটিলে পঞ্চাইতের বলে

গরিব কাঙালে বিচার পাইতাম

মানুষ ছিল সরল ছিল ধর্মবল

এখন সবাই পাগল বড়লোক হইতাম ॥

করি ভাবনা সেদিন আর পাব না

ছিল বাসনা সুখী হইতাম

দিন হতে দিন আসে যে কঠিন

করিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম ॥


১৯৭৯ সালে শিক্ষা ও জীবিকার জন্য ছেড়ে এসেছি গ্রামের বাড়ি নহাটা । মাঝে মধ্যে নাড়ির টানে গ্রামে যাওয়া পড়ে। সময়ের সাথে  বাউল করিমের গানের মতো- বদলে গেছে আমার গ্রামের সামাজিক পরিবেশ। দেশের অন্য এলাকার তুলনায় যেন একটু বেশিই বদলেছে। সে বদলের বেশির ভাগই নেতিবাচক পরিবর্তন। 


দেশের বাইরে বসে শুনলাম  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তৈয়েবুর রহমান তুরাফ কে  প্রকাশ্যে বাজারের মধ্যে  হামলা করে আহত করা হলো। কয়েকমাস আগে ইউনিয়ন আঃলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিব মিয়াকে বাজারের মধ্যে পিটিয়ে আহত করা হয়। উভয় ক্ষেত্রেই হামলাকারীরা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাথে একই দল করতেন। বিশেষ কোন সুবিধা আদায় না হওয়ায় তারা দল বদল করে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

শুনা কথা-  থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল লিটন কে শায়েস্তা করার ষড়যন্ত্রকে কেন্দ্র করে পানিঘাটায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে।  এ সব ঘটনা এক ভয়াল অশনি সংকেত বহন করে। যে কোন সময় যে কারো সম্মান নষ্ট হতে পারে, মৃত্যু হতে পারে, তৈরি হতে পারে অরাজকতা। সমাজে কায়েম হবে ফ্রাঙ্কেনস্টাইল। সামাজিক কাঠামোর  চেইন অফ কমান্ড ভেঙ্গে পড়বে। পেশি শক্তির কাছে সব কিছু পরাজিত হবে। নেতা. নেতৃত্ব , বয়োজৈষ্ঠের সম্মান , জীবনের  নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না। 


আগের কালে  গ্রামের , বংশের, দলের মাতুব্বর বা নেতৃত্ব দিতেন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা, নেতারা ছিলেন সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ এবং দল, বেদল সব মানুষই নিজের দলের সাথে অন্য  নেতাদের সম্মান করতেন, মান্য করতেন। গায়ে হাত তোলা তো দুরের কথা,  বয়োজেষ্টদের,  নেতাদের, সম্মানীত মানুষকে কেউ  অপমান করার কথা  কখনো চিন্তাও করতে পারতেন না। সেই সামাজিক কাঠামো একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।  

আগে বংশের নেতা হতেন সবচেয়ে বয়োজৈষ্ট ব্যক্তি, তার কথার বাইরে কেউ যাওয়ার সাহস পেতেন না। এখন একই পরিবারের চার সদস্য থাকলে মাতুব্বর তিন জন। কেউ কাউকে মানে না। আগে কেউ কোন অন্যায় করলে তার বংশের নেতার কাছে বিচার দিলে সুবিচার পেতেন সবাই। এখন বিচার দিলে নেতা বলেন, “ ও তো আমার কথা মানে না। “  


আগে কোন নেতা ঘুষ খেয়ে কখনো বিচার সালিশে অন্যায় রায় দিয়েছেন কেউ বলতে পারবেন না। এখন পয়সা খেয়ে ধর্ষক, যৌন হয়রানীকারীদেরকেও  রক্ষা করার ঘটনাও ঘটে। 


মারামারি কাইজা আগেও ছিল, তবে এখনকার মতো নৃশংসতা ছিল না, এতো ঠুনকো বিষয়ে কেউ মারামারিতে জড়াতো না। মানুষ ন্যায় আর অন্যায় বিচার করতো। আগে মারামারির দরকার হলে দুই পক্ষ ঘোষণা দিত, অমুক জায়গায়, অমুক সময়ে হবে। যার অধিকাংশই অন্যান্য গ্রামের মাতুব্বরেরা এসে থামিয়ে দিতেন, হতে পারত না। আর হলেও সেটা মাঠেই শেষ। তারপর আবার সবাই মিলেমিশে চলতো। 

আগে ভিন্ন মতের নেতারা এক সাথে বসে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতেন। দলীয় কর্মীদের মধ্যেও কোন ভেদাভেদ ছিল না। এখন দু দল করলে কেউ কারো সাথে কথা বলে না। 


 এখনকার মতো হরহামেশা শক্তির দাপট দেখানো, ঘরবাড়ি ভাঙ্গা, একাকী পেলে হামলা করা , এগুলো ছিল না। একটা বাড়ি ভাঙ্গলে ঐ পরিবারের ছোট শিশুদের মনের উপর প্রচণ্ড ভয়াবহ প্রভাব পড়ে, মেয়ে ছেলেরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। 


গত কয়েক মাসে পানিঘাটায় দুজনকে গলা কেটে হত্যা। ফূলবাড়িতে একজনকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। গত দশ – পনেরো বছরে মার্ডারের সংখ্যা কত গুনলে গা শিউরে ওঠে। আমরা কী বর্বর আদিম মানুষের চেয়েও খারাপ হয়ে গেলাম !!  একটা হত্যা একটা পরিবারের জন্য কতটা কষ্টের কতটা ক্ষতির তা শুধু ঐ পরিবারের মানুষেরাই জানে। আচ্ছা একবার চিন্তা করুন তো যদি আপনার সাথে এমনটা হয়। 


আগে মানুষ জনপ্রিয়, ভদ্র, বিনয়ী, সৎ ব্যক্তিদের মেম্বার চেয়ারম্যান বানাতেন। টাকা পয়সা নিয়ে ভোট দিতেন না। এখন আমাদের এলাকায় আমরা টাকা দিয়ে ভোট কিনি বা কিনতে হয়। আমাদের একটা  অংশ যোগ্যতা বিচার না করে অর্থের বিনিময়ে ভোট দিই।  টাকার বিনিময়ে কর্মীরা ভোট চাইতে যান। আগে বড় জোর পান-বিড়ি খাওয়াতে হতো।  এখন চেয়ারম্যান নির্বাচনে কয়েক কোটি টাকা লাগে। 

চেয়্যারম্যার মেম্বার হওয়ার পরেও  নিজের একটা চাটুকর বা সুবিধাবাদি চামচার দলকে  বিবিধ সুবিধা দিতে না পারলে দল অচল। ফল যা তাই হয়। এরপর খরচের টাকা উঠাতে বয়স্ক ভাতা, বিধবাভাতা সহ অন্যান্য সরকারি সুবিধা ভোগী কার্ড বিতরণে টাকা আদায় করা হয়। জনগণের জন্য দেয়া সরকারি বরাদ্দের একটা অংশ নয় ছয় হয়ে যায়।  


আগে দশ মাইল দুর থেকে আমাদের গ্রামের স্কুলে মানুষ পড়তে আসতো আর এখন এই এলাকা থেকে বেরইল, জোকায় পড়তে যায়। অবশ্যই এর পেছনে কারণ আছে। আমরা আমাদের বিদ্যালয় গুলোর পড়ালেখার পরিবেশ ধরে রাখতে পারি নাই বা বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে নষ্ট করে ফেলেছি। 


আশপাশের দশ বারো মাইলের মধ্যে নহাটার মতো বড় হাট বাজার আর নেই । অথচ খাজনা বৃদ্ধির যন্ত্রণায় এখন কৃষক তার পণ্য বাজারে নিয়ে আসতে ভয় পান। এত করে মূল ক্ষতি হবে বাজারের দোকানদারদের। 


ইন্দ্রপুরের মতো বিখ্যাত ঈদগাঁতেও দলাদলির ফলে এখন আর আগের মতো সব মানুষ আসে না। নহাটা কালিবাড়িতেও দলাদলি। এলাকার মানুষকে তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখতে বলব, এই দুই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিভেদ কী চোখে আঙুল দিয়ে দেখায় না আমরা আসলে কতটা নিচে দিকে চলে যাচ্ছি। 


এখন দল বদল মাছ ভাত। সকালে এ দল তো বিকালে বি দল। পরের দিন আবার এ দল। তার মানে আমাদের দলাদলির পেছনে  আদর্শ বলে কিছু নেই, যা আছে সব স্বার্থের খেলা। 


আমি বিশ্বাস করি এলাকার সাধারণ মানুষ শান্তি চায়। এলাকার শান্তি , উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য এই মারামারি, হানাহানি, অন্যায়, অবিচার বন্ধের কোন বিকল্প নেই।  

১। নেতৃবৃন্দ নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন, আপনাদের বিভেদ এর কারণে সুবিধাবাদীরা সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে।  অন্যদল থেকে অন্যায় করে কেউ আপনার দলে এলে তাকে দলে নিবেন না।

২। বাইশ গ্রামের মানুষ এক সাথে বসে সিদ্ধান্ত দিন  আমরা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিব না, ন্যায়ের পক্ষে থাকব।  মারামারি করব না, ন্যায় অন্যায় বিচার করুন। দয়া করে নিজের দলের কারো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিবেন না। 

৩। ঘুরে ফিরে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষেরাই অশান্তি, মারামারি লাগিয়ে রাখে। এদের নিয়ন্ত্রণ করুন বা পরিহার করুন। 

৪। পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন হবে। যিনি নির্বাচিত হবেন তাকে কাজ করতে দিতে হবে,  তবে সে যদি অন্যায় করে , দুর্নীতি করে তবে আইন সম্মত পথেই তার প্রতিকারের পথ খোলা আছে। আবার যিনি নির্বাচিত হবেন, তাকে মনে রাখতে হবে নির্বাচনী এলাকার সকল মানুষের দ্বায়িত্ব কিন্তু আপনার উপর।  সব মানুষকেই তার সমান চোখে দেখতে হবে। তাকে ন্যায় ও সততার মানদণ্ড  বজায় রাখতে হবে, না হলে অধর্ম হবে। পাঁচ বছর পর আবার নির্বাচনে মানুষ যাচাই করবে কে ভাল কে মন্দ।


( দয়া করে এমন কোন মন্তব্য করবেন যা এলাকার অশান্তিকে আরো উসকে দেয়। আমার লেখার সাথে অনেকের দ্বিমত থাকতে পারে, তাদের সমালোচনা মাথা পেতে গ্রহন করব)




মা  – কাজী নজরুল ইসলাম,,,

 মা 

– কাজী নজরুল ইসলাম


যেখানেতে দেখি যাহা

মা-এর মতন আহা

একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,

মায়ের মতন এত

আদর সোহাগ সে তো

আর কোনোখানে কেহ পাইবে না ভাই।


হেরিলে মায়ের মুখ

দূরে যায় সব দুখ,

মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,

মায়ের শীতল কোলে

সকল যাতনা ভোলে

কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

কত করি উৎপাত

আবদার দিন রাত,

সব সন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!

আমাদের মুখ চেয়ে

নিজে রন নাহি খেয়ে,

শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যজে না।


ছিনু খোকা এতটুকু,

একটুতে ছোটো বুক

যখন ভাঙিয়া যেত, মা-ই সে তখন

বুকে করে নিশিদিন

আরাম-বিরামহীন

দোলা দিয়ে শুধাতেন, ‘কী হল খোকন?’


আহা সে কতই রাতি

শিয়রে জ্বালায়ে বাতি

একটু অসুখ হলে জাগেন মাতা,

সবকিছু ভুলে গিয়ে

কেবল আমারে নিয়ে

কত আকুলতা যেন জগন্মাতা।


যখন জনম নিনু

কত অসহায় ছিনু,

কাঁদা ছাড়া নাহি জানিতাম কোনো কিছু,

ওঠা বসা দূরে যাক –

মুখে নাহি ছিল বাক,

চাহনি ফিরিত শুধু মা-র পিছু পিছু!


তখন সে মা আমার

চুমু খেয়ে বারবার

চাপিতেন বুকে, শুধু একটি চাওয়ায়

বুঝিয়া নিতেন যত

আমার কী ব্যথা হত,

বলো কে এমন স্নেহে বুকটি ছাওয়ায়!


তারপর কত দুখে

আমারে ধরিয়া বুকে

করিয়া তুলেছে মাতা দেখো কত বড়ো,

কত না সুন্দর

এ দেহ এ অন্তর

সব মোরা ভাই বোন হেথা যত পড়।


পাঠশালা হতে যবে

ঘরে ফিরি যাব সবে,

কত না আদরে কোলে তুলি নেবে মাতা,

খাবার ধরিয়া মুখে

শুধাবেন কত সুখে

‘কত আজ লেখা হল, পড়া কত পাতা?’


পড়ে লেখা ভালো হলে

দেখেছ সে কত ছলে

ঘরে ঘরে মা আমার কত নাম করে!

বলে, ‘মোর খোকামণি।

হিরা-মানিকের খনি,

এমনটি নাই কারও!’ শুনে বুক ভরে!


গা-টি গরম হলে

মা সে চোখের জলে

ভেসে বলে, ‘ওরে জাদু কী হয়েচে বল!’

কত দেবতার ‘থানে’

পিরে মা মানত মানে –

মাতা ছাড়া নাই কারও চোকে এত জল।


যখন ঘুমায় থাকি

জাগে রে কাহার আঁখি

আমার শিয়রে, আহা কীসে হবে ঘুম!

তাই কত ছড়া গানে

ঘুম-পাড়ানিরে আনে,

বলে, ‘ঘুম! দিয়ে যা রে খুকু-চোখে চুম!’


দিবানিশি ভাবনা

কীসে ক্লেশ পাব না,

কীসে সে মানুষ হব, বড়ো হব কীসে;

বুক ভরে ওঠে মার

ছেলেরই গরবে তাঁর,

সব দুখ সুখ হয় মায়ের আশিসে।


আয় তবে ভাই বোন,

আয় সবে আয় শোন

গাই গান, পদধূলি শিরে লয়ে মা-র;

মার বড়ো কেউ নাই –

কেউ নাই কেউ নাই!

নত করি বল সবে ‘মা আমার! মা আমার!’



গল্প  অনুধাবন লেখক   জয়ন্ত কুমার জয়

 বিয়েতে মেয়ের বাড়িতে বরযাত্রী নিয়ে গেলাম ২৪৬ জন।মেয়ের বাবা আড়ালে ডেকে বললেন


" বাবা,তোমাদের না ১০০ বরযাত্রী আনার কথা ছিলো? "


বললাম " বাবা আমি পরিবারের ছোট ছেলে।সবার শখ বিয়েতে আসবে।কিকরে না বলি বলুন তো? "


" সে নাহয় ঠিক আছে।আগে থেকে বললে ভালো হতো।এখন ওদেরকে একটু বলে দাও খাবারে সামান্য দেরী হবে।সবার আয়োজন করে একসাথে খেতে দিবো "


" বাবা আপনি টেনশন করবেন না।আমি বলে দিবো "


বিয়েতে আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব কাউকে আনা বাদ রাখিনি।সবাই তো কাছের মানুষ, কাকে রেখে কাকে বাদ দেই!


বিয়ে হয়ে গেলো।বছর ফিরতে স্ত্রীর ডে"লিভা"রি।হসপিটালে আমার রুদ্ধশ্বাস! এ নে"গেটিভ র"ক্তের অভাব।আত্নীয়-স্বজন অনেকের সাথে র"ক্ত মিলে যায়,তারা বাহানা দিয়ে এড়িয়ে গেলো।


রিক্সায় উঠে রওনা হলাম কলেজ গুলোর উদ্দেশ্য।সেখানে র"ক্ত জোগাড় করার সেচ্চাসেবী কমিটির ছেলেমেয়েরা থাকে।ওদের বললে যদি কোনো উপায় হয়! 


আমার ছটফটানি দেখে রিক্সাওয়ালা মামা বললো " মামা এতো ঘাবড়াইছেন কেন? কার কি হইছে? "


" র"ক্ত লাগবে।জোগাড় হয়নি, স্ত্রীর ডে"লিভা"রি "


" কি র"ক্ত লাগবো? "


" এ নে"গেটিভ "


" মামা আমার তো এই র"ক্ত। আমার কাছে র"ক্ত নিবেন? "


শেষমেশ রিকশাওয়ালা মামার র"ক্ত দিয়েই স্ত্রীর ডে"লিভা"রি হলো।মাথায় হাত রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবলাম, বিয়েতে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে কাদের নিয়ে গিয়ে খাওয়ালাম?কাদের আপন ভাবতাম?এই বিপদের দিনে আমি একা! কেউ নাই।


রিকশাওয়ালা মামার নাম্বার নিয়ে রাখলাম।বাড়িতে ভালোমন্দ রান্না হলে তাকে ডেকে খাওয়াই।সে আপনজন "


গল্প  অনুধাবন

লেখক   জয়ন্ত কুমার জয়


এই সেই জিন্দাপীর,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এই সেই জিন্দাপীর,

.

সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন করেছেন। তাঁর সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল ৪০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। বলতে গেলে, ভারতবর্ষের প্রায় সম্পূর্ণ এলাকা ছিল তার রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত। প্রজার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৮০ লক্ষ।


আওরঙ্গজেব বছরে রাজস্ব আদায় করতেন ৪৫০ মিলিয়ন ইউ এস ডলার। ঐ সময়ে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন চতুর্দশ লুই। লুই এর চেয়ে আওরঙ্গজেব এর রাজ্যে দশগুণ বেশি রাজস্ব আদায় হত। তাঁর অধীনে ভারতবর্ষের অর্থনীতি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। ১৭০০ সালে তিনি ভারতবর্ষের অর্থনীতিকে ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করেন। ভারতবর্ষের জিডিপি ছিল পুরো পৃথিবীর জিডিপির চার ভাগের এক ভাগ।


১৭০৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান আওরঙ্গজেব ৮৮ বছর বয়সে নিজের সম্পত্তির একটা উইল তৈরী করলেন। মৃত্যুর পরে উইলে দেখা গেল- তাঁর কাছে ১৪ রুপি আর নিজ হাতে বোনা কিছু টুপি আছে। এগুলো বিক্রি করে তাঁর জানাযা আর দাফনে খরচ করতে বলেছেন। আর সারাজীবন কুরআন শরীফ নকল করে ৩০০ রূপি জমিয়েছেন - এই টাকাগুলো গরীবদের মাঝে দান করে দিতে বলেছেন।


দরবার আর রাজকোষে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল- উইলের বাইরে সম্রাটের কোথাও কোনো সম্পদ নেই।

.

Habibur Rahman এর পোস্ট থেকে কপিকৃত।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



এক জন বেগানা ছেলে / মেয়ের মায়ায় জড়িয়ে পরকাল হারাবেন না  ......,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এক জন বেগানা ছেলে / মেয়ের মায়ায় জড়িয়ে পরকাল হারাবেন না  .......!! 

_

আজ যে মেয়েটি / ছেলেটি কষ্ট পাবে বলে হারাম থেকে বের হতে চাচ্ছেন না  ।   দু'দিন পর আপনি মারা গেলে দুনিয়ার নিয়মে সেও ভুলতে শুরু করবে আপনার স্মৃতি  ......!!      অথচ তাকে কতই না ভালোবাসেন   ....... !!

_

এর পর হয় তো সে অতীতের ভুলের জন্যে তাওবা করে দ্বীনের পথে আসবে   ।   কিন্তুুু আফসোস  ,   আপনি হারামে জড়িত অবস্থায় পাড়ি জমিয়েছেন আপনার চূড়ান্ত গন্তব্যে .......!! 

_

আপনি জানেন এই সুন্দর পৃথিবী   ,   এতো সুন্দর মানুষ গুলো ছেড়ে যে কোনো সময় চলে যেতে পারেন মহান রবের কাছে  .......!! 

_

তবুও কি আপনি রব্বের নির্দেশ মানবেন না  ......??  

_

এই মরীচিকাময় মায়া ভরা পৃথিবীতে সব কিছুই মিছে   ।   কেউ কাউকে মনে রাখে না  ।   মনে রাখে ততক্ষণ যতক্ষণ প্রয়োজন  ।   কবরে রেখে আসার পর সবাই ধীরে ধীরে ভুলে যাবে ......!! 

_

ওয়াল্লাহি , দুনিয়াতে যত প্রকার ভালোবাসা আছে সব আপেক্ষিক  ।   আজ কাউকে যেই কারণে খুব ভালো লাগবে  ,   সেই একই কারণে তাকেই কাল অসহ্য মনে হবে   ।    দুনিয়া এই নিয়মেই চলে   ।   মেনে নিন   ।   যার জন্যে  আপনার পরকাল নষ্ট করছেন সে অনেক মানুষের মধ্যে একটা স্যাম্পল মাত্র   ।   এর বেশি কিছু না  .......!! 

_

তবুও আপনি কেন এতোটা উদাসীন  ......?? 


_সেই ব্যক্তি বুদ্ধিমান যে নিজের নফস কে নিয়ন্ত্রণ রাখে


❝আল্লাহ তা‘আলা বলেন:


قَدۡ أَفۡلَحَ مَن زَكَّىٰهَا ٩ وَقَدۡ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا


“সে-ই সফলকাম হয়েছে, যে নিজেকে পবিত্র করেছে। আর সে-ই ব্যর্থ হয়েছে, যে নিজেকে কলুষিত করেছে।”


সূরা আশ-শামস, আয়াত: ৯ - ১০

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

আজ জোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।

 দুঃখ কাকে বলে এর প্রায় সবই কবিগুরু পেয়েছিলেন এক জীবনে। স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিলো তিন মেয়ে, দুই ছেলে। রথীন্দ্রনাথ, শমীন্দ্রনাথ আর বেলা, রাণী ও অতশী।


স্ত্রী'র পর অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন রাণী। এরপর কলেরায় মারা গেলো ছোট ছেলে শমী। পুত্রশোকে কবি লেখলেন-


"আজ জোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।"


কবি'র মনে হলো এই জোৎস্নায় কবি বনে গেলে হবে না। বরং তাঁকে জেগে থাকতে হবে, যদি বাবার কথা মনে পড়ে শমী'র! যদি এসে কবিকে না পায়? তিনি লেখলেন-


"আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে

যদি আমায় পড়ে তাহার মনে।'


রাণীর জামাইকে পাঠিয়েছিলেন কবি বিলেতে ডাক্তারী পড়তে, না পড়েই ফেরত আসলো। বড় মেয়ের জামাইকে পাঠিয়েছিলেন বিলেতে, ব্যারিস্টারী পড়তে, না পড়েই ফেরেত আসলো। ছোট মেয়ে অতশীর জামাইকেও আমেরিকায় কৃষিবিদ্যার উপর পড়াশোনা করতে। লোভী এই লোক কবিকে বার বার টাকা চেয়ে চিঠি দিতো। কবি লেখলেন-


"জমিদারী থেকে যে টাকা পাই, সবটাই তোমাকে পাঠাই।"


দেশে ফেরার কিছুদিন পর ছোট মেয়েটাও মারা গেলো।


সবচাইতে কষ্টের মৃত্যু হয় বড় মেয়ের। বড় জামাই বিলেত থেকে ফেরার পর ছোট জামাইর সাথে ঝগড়া লেগে কবির বাড়ী ছেড়ে চলে যায়। মেয়ে বেলা হয়ে পড়েন অসুস্থ। অসুস্থ এই মেয়েকে দেখতে কবিগুরু প্রতিদিন গাড়ী করে মেয়ের বাড়ী যেতেন। কবিকে যত রকম অপমান করার এই জামাই করতেন। কবির সামনে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খেতেন। তবু কবি প্রতিদিনই যেতেন মেয়েকে দেখতে। একদিন কবি যাচ্ছেন, মাঝপথেই শুনলেন বেলা মারা গেছে। কবি শেষ দেখা দেখতে আর গেলেন না। মাঝপথ থেকেই ফেরত চলে আসলেন। হৈমন্তীর গল্প যেন কবির মেয়েরই গল্প!


শোক কতটা গভীর হলে কবির কলম দিয়ে বের হলো -


"আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।

তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥"


কবির মৃত্যু হলো অতিমাত্রায় কষ্ট সহ্য করে, প্রশ্রাবের প্রদাহে। কী কারনে যেন কবির বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথের কাছ থেকে শেষ বিদায়টাও পাননি। দূর সম্পর্কের এক নাতনি ছিলো কবির শেষ বিদায়ের ক্ষণে।


কবি জমিদার ছিলেন এইসব গল্প সবাই জানে। কবি'র দুঃখের এই জীবনের কথা ক'জন জানেন?


প্রথম যৌবনে যে গান লেখলেন, এইটাই যেন কবির শেষ জীবনে সত্যি হয়ে গেলো-


"আমিই শুধু রইনু বাকি।

যা ছিল তা গেল চলে, রইল যা তা কেবল ফাঁকি॥"

collect from Facebook 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



টুইটার থেকে নেওয়া, বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমানের চিঠি,,,,,

 বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমানের চিঠি | হয়ত

আপনি এর আগেও পড়েছেন ! বিশ্বাস করেন চিঠিটা যতবারই পড়া হোক না কেন,এক অন্যরকম শিহরণ কাজ করে, তাই শেয়ার করলাম...... ------- প্রিয়তমা মিলি, একটা চুম্বন তোমার পাওনা রয়ে গেলো...সকালে প্যারেডে যাবার আগে তোমাকে চুমু খেয়ে বের না হলে আমার দিন ভালো যায় না | আজ তোমাকে চুমু খাওয়া হয় নি | আজকের দিনটা কেমন যাবে জানি না... এই চিঠি যখন তুমি পড়ছো, আমি তখন তোমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে | ঠিক কতোটা দূরে আমি জানি না | মিলি, তোমার কি আমাদের বাসর রাতের কথা মনে আছে? কিছুই বুঝে উঠার আগে বিয়েটা হয়ে গেলো | বাসর রাতে তুমি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে যখন কাঁদছিলে,আমি তখন তোমার হাতে একটা কাঠের বাক্স ধরিয়ে দিলাম | তুমি বাক্সটা খুললে... সাথে সাথে বাক্স থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে জোনাকী বের হয়ে সারা ঘরময় ছড়িয়ে গেলো | মনে হচ্ছিলো আমাদের ঘরটা একটা আকাশ... আর জোনাকীরা তারার ফুল ফুটিয়েছে! কান্না থামিয়ে তুমি অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে,"আপনি এতো পাগল কেনো!?" মিলি,আমি আসলেই পাগল...নইলে তোমাদের এভাবে রেখে যেতে পারতাম না | মিলি, আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় দিন প্রিয় কন্যা মাহিনের জন্মের দিনটা | তুমি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলে | বাইয়ে আকাশ ভাঙ্গা বৃষ্টি... আমি বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে কষ্টে পুড়ে যাচ্ছি | অনেকক্ষণ পরে প্রিয় কন্যার আরাধ্য কান্নার শব্দ... আমার হাতের মুঠোয় প্রিয় কন্যার হাত! এরপর আমাদের সংসারে এলো আরেকটি ছোট্ট পরী তুহিন.... মিলি, তুমি কি জানো...আমি যখন আমার প্রিয় কলিজার টুকরো দুই কন্যাকে এক সাথে দোলনায় দোল খেতে দেখি, আমার সমস্ত কষ্ট - সমস্ত যন্ত্রণা উবে যায় | তুমি কি কখনো খেয়াল করেছো, আমার কন্যাদের শরীরে আমার শরীরের সূক্ষ একটা ঘ্রাণ পাওয়া যায়?মিলি... আমাকে ক্ষমা করে দিও | আমার কন্যারা যদি কখনো জিজ্ঞেস করে,"বাবা কেনো আমাদের ফেলে চলে গেছে?" তুমি তাঁদের বলবে, "তোমাদের বাবা তোমাদের অন্য এক মা'র টানে চলে গেছে...যে মা'কে তোমরা কখনো দেখো নি।সে মা'র নাম 'বাংলাদেশ' | মিলি...আমি দেশের ডাককে উপেক্ষা করতে পারি নি |আমি দেশের জন্যে ছুটে না গেলে আমার মানব জন্মের নামে সত্যিই কলঙ্ক হবে | আমি তোমাদের যেমন ভালোবাসি,তেমনি ভালোবাসি আমাকে জন্ম দেওয়া দেশটাকে | যে দেশের প্রতিটা ধূলোকণা আমার চেনা | আমি জানি... সে দেশের নদীর স্রোত কেমন... একটি পুটি মাছের হৃৎপিন্ড কতটা লাল, ধানক্ষেতে বাতাস কিভাবে দোল খেয়ে যায়....! এই দেশটাকে হানাদারের গিলে খাবে,এটা আমি কি করে মেনে নিই? আমার মায়ের আচল শত্রুরা ছিড়ে নেবে... এটা আমি সহ্য করি কিভাবে মিলি? আমি আবার ফিরবো মিলি... আমাদের স্বাধীনদেশের পতাকা বুক পকেটে নিয়ে ফিরবো | আমি, তুমি, মাহিন ও তুহিন... বিজয়ের দিনে স্বাধীন দেশের পতাকা উড়াবো সবাই | তোমাদের ছেড়ে যেতে বুকের বামপাশে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে... আমার মানিব্যাগে আমাদের পরিবারের ছবিটা উজ্জ্বল আছে... বেশি কষ্ট হলে খুলে দেখবো বারবার ভালো থেকো মিলি... ফের দেখা হবে | আমার দুই নয়ণের মণিকে অনেক অনেক আদর | ইতি, মতিউর | ২০ আগস্ট, রোজ শুক্রবার, ১৯৭১
টুইটার থেকে নেওয়া

ঘর” ___রুদ্র গোস্বামী,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 “ঘর”

___রুদ্র গোস্বামী

মেয়েটা পাখি হতে চাইল

আমি বুকের বাঁদিকে আকাশ পেতে দিলাম।

দু-চার দিন ইচ্ছে মতো ওড়াওড়ি করে বলল,

তার একটা গাছ চাই।🌳

মাটিতে পা পুঁতে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলাম।

এ ডাল সে ডাল ঘুরে ঘুরে,

সে আমাকে শোনালো অরণ্য বিষাদ।

তারপর টানতে টানতে

একটা পাহাড়ি ঝর্ণার কাছে নিয়ে এসে

বলল,

তারও এমন একটা পাহাড় ছিল।

সেও কখনো পাহাড়ের জন্য নদী হোতো।

আমি ঝর্ণার দিকে তাকিয়ে মেয়েটিকে

বললাম,

নদী আর নারীর বয়ে যাওয়ায় কোনও পাপ

থাকে না।

সে কিছু ফুটে থাকা ফুলের দিকে দেখিয়ে

জানতে চাইল,

কি নাম?

বললাম গোলাপ।🌹

দুটি তরুণ তরুণীকে দেখিয়ে বলল,

কি নাম?

বললাম প্রেম।👭

তারপর একটা ছাউনির দিকে দেখিয়ে

জিজ্ঞেস করলো,

কি নাম?

বললাম ঘর।🏡

এবার সে আমাকে বলল,

তুমি সকাল হতে জানো?🌄

আমি বুকের বাঁদিকে তাকে সূর্য দেখালাম।🌅

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

ঘাসেটি বেগম,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "ঘষেটি বেগম" 

বাংলার বিশ্বাসঘাতকতার আরেক নাম।তার বিশ্বাসঘাতকতা,চক্রান্তর শেষ পরিনতি হয়েছিলো  ভয়াবহ।নিদারুন কষ্টে বুড়িগঙ্গাায় নৌকা ডুবিতে প্রাণ হারান ঘষেটি বেগম।জ্বী,আজকে আপনাদের শোনাবো ঘষেটি বেগমের কাহিনি। 

 নবাব আলীবর্দী খাঁর বড় মেয়ে মেহের উন নিসা বেগম, ঘসেটি বেগম নামেই বেশি পরিচিত। তিনি ছিলেন বাংলা, বিহার ও ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার বড় খালা। ঢাকার নায়েব নাজিম নওয়াজিস মুহম্মদ শাহমাত জংয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁরা নিঃসন্তান হওয়ায় ঘসেটি বেগমের ছোট বোন আমেনা বেগমের ছোট ছেলে ইকরামউদ্দৌলা (সিরাজউদ্দৌলার ছোট ভাই)-কে দত্তক নেন; কিন্তু ইকরামউদ্দৌলা তরুণ বয়সে গুটিবসন্তে মারা যান।

ছেলের শোকে নওয়াজিস মারা গেলে ঘসেটি বেগম উত্তরাধিকার সূত্রে স্বামীর কাছ থেকে প্রচুর সম্পদ পান।

ঘসেটি বেগম চেয়েছিলেন আলীবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর তাঁর দ্বিতীয় বোনের পুত্র শওকত জংকে সিংহাসনে বসাতে; কিন্তু নবাব আলীবর্দী খাঁর ইচ্ছায় সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আরোহণ করেন। ঘসেটি বেগম তা মেনে নিতে পারেননি। তাই তিনি সেনাপতি মীরজাফর, ব্যবসায়ী জগৎ শেঠ ও উমিচাঁদের সঙ্গে গোপন ষড়যন্ত্র করেন এবং ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করেন।

ইংরেজরা মীরজাফরকে নবাব বানান; কিন্তু মীরজাফর ইংরেজদের পুতুল হওয়ায় ক্ষমতায় প্রভাব বিস্তারের স্বপ্ন ঘসেটি বেগমের পূরণ হয় না। সেই সঙ্গে প্রতিশ্রুত টাকা না দেওয়াসহ নানা কারণে মীরজাফর এবং তার পুত্র মিরনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ভবিষ্যতে বিপজ্জনক হতে পারে ভেবে ঘসেটি বেগমকে মিরন বন্দি করেন এবং তাঁর নির্দেশে নৌকাযোগে মুর্শিদাবাদে নেওয়ার সময় নৌকাডুবি ঘটিয়ে ঘসেটি বেগমের সলিল সমাধি ঘটান।



আদা চাষ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ✅ ফসলের নাম: আদা

✅ জাত এর নামঃ বারি আদা-২


✅ জাত এর বৈশিষ্টঃ


১। এ জাতের জীবনকাল ৩০০-৩১৫ দিন।

২। গাছের গড় উচ্চতা ৯০.৪৯-৮৮.৪০ সে.মি ।

৩। গড় পাতার সংখ্যা ৫০২.৮৪-৪৯৫টি ।

৪। গড় কুশির সংখ্যা ৩০.৮৪-২৯ট...

৫। গড় প্রাইমারী রাইজোমের ওজন ৬৯.৯০-৬৬.৫০ গ্রাম ।

৬। গড় সেকেন্ডারী রাইজোমের ওজন ৫৫৬.৫৪-৫৫০.২০ গ্রাম ।

৭। জাতটির হেক্টর প্রতি ৩৭.৯৯ টন পর্যন্ত ফলন হয় ।

৮। জাতটি কান্ড পঁচা রোগ সহনশীল ।


✅ চাষাবাদ পদ্ধতিঃ


১ । বপনের সময় : মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে

২ । মাড়াইয়ের সময় : জানুয়ারী - ফেব্রুয়ারী

৩ । সার ব্যবস্থাপনা : জমি চাষের সময় গোবর, টিএসপি, অর্ধেক এমপি, জিপসাম এবং জিংক মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। অর্ধেক ইউরিয়া আদা রোপনের ৫০ দিন পর জমিতে প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া ও এমপি সমানভাগে দুই কিস্তিতে রোপনের যথাক্রমে ৮০ ও ১১০ দিন পর জমিতে পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হবে। এই সময় গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দিতে হবে।


আদা বীজ পাওয়া যাচ্ছে সানাফ হাইটেক এগ্রো নার্সারিতে। 


সার্বিক যোগাযোগ:

সানাফ হাইটেক এগ্রো 

কাঠালবাড়ি বাজার 

কুড়িগ্রাম। 

01797-791443

01733-297882


নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...