এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

ফরাসি কুঠি – ফরাসি কুঠি, ফরাশগঞ্জ ও ঢাকায় ফরাসিরা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 আসুন ইতিহাস জানি 👇


ফরাসি কুঠি –


ফরাসি কুঠি, ফরাশগঞ্জ ও ঢাকায় ফরাসিরা

ঢাকায় ফরাসি কুঠির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির শাসন  প্রতিষ্ঠার বহু আগে। আর ঢাকার ফরাসিদের স্মৃতি বহনকারী স্থানের নাম  ফরাশগঞ্জ। ১৬৮২ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি নৌবহর ঢাকায় এসেছিল। এরপর এ শহরে  স্থাপিত হয়েছিল ফরাসি বাণিজ্যকুঠি।

১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় ফরাসি কুঠির  প্রধান ছিলেন এম গ্রেগোরি। ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে নওয়াজিশ মোহাম্মদ ঢাকার নায়েব  নাজিম থাকাকালে তাঁর অনুমতি নিয়ে বুড়িগঙ্গার তীরে ফরাসিরা যে বাজার স্থাপন  করেছিল তার বর্তমান নাম ফরাশগঞ্জ। ওয়াইজঘাট এলাকায় ফরাসিরা কিছু বাড়ি কিনে  নিয়েছিল। বর্তমানে আহসান মঞ্জিল যেখানে অবস্থিত সেখানে আরো একটি ফরাসি  কুঠি ছিল।

১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার  ইংরেজ কুঠি অধিগ্রহণ করেন। তখন ওই কুঠির তৃতীয় কর্মকর্তা লুক স্ক্রেফটন,  চতুর্থ কর্মকর্তা টমাস হাইন্ডম্যান ও পঞ্চম কর্মকর্তা স্যামুয়েল ওয়ালারসহ  সেনাধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কাডমোর, চিকিৎসক ইউলসন ও কর্মচারীরা ফরাসি কুঠিতে  আশ্রয় নিয়েছিলেন। ইংরেজ কুঠির দ্বিতীয় কর্মকর্তা উইলিয়াম সামার তখন কলকাতায়  ছিলেন।

১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে ফরাসি কুঠিটি বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৭৭৮  খ্রিস্টাব্দে তা ইংরেজ মালিকানায় যায়। ঢাকার বিখ্যাত আরমেনীয় ব্যবসায়ী  পোর্গোজ সাহেব ফরাশগঞ্জ বাজারটি ইজারা নিয়েছিলেন। ঢাকা তথা সেকালের বাংলার  অর্থনীতিতে ফরাশগঞ্জ বাজার ও ফরাসি সম্প্রদায়ের বিশেষ অবদান ছিল। এখানে ছিল  ফরাসি ব্যবসায়ীদের মসলার পাইকারি আড়ত এবং এখান থেকেই ঢাকার মসলিন কাপড়  ফরাসিরা রপ্তানি করত বিভিন্ন দেশে।

ইংরেজদের বিপদের দিনে (১৭৫৬ খ্রি.) কুঠির অধ্যক্ষ মনিয়ার কার্টিনসহ ফরাসিরা  তাদের আশ্রয় দিলেও পরে ইংরেজরা অনেক ফরাসি সম্পত্তি দখল করে নিয়েছিল। বলা  চলে তারা ফরাসিদের বিপরীত প্রতিদান দিয়েছিল। প্রথমবার ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে  (প্রত্যর্পণকাল : ১৭৮৩ খ্রি.), দ্বিতীয়বার ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে ও তৃতীয়বার  ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দে (প্রত্যর্পণকাল : ১৮১৫ খ্রি.) ইংরেজরা ফরাসি কুঠি দখল  করে নিয়েছিল।

এসব কুঠি ছাড়াও তেজগাঁও এলাকায় ফরাসিদের মালিকানায় ছিল অনেক  ইমারত। ইংরেজদের দখলের ফলে ফরাসিরা তাদের কুঠি, ফরাশগঞ্জ বাজার ও  তেজগাঁওয়ের ইমারতগুলো বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছিল।


(সূত্র : যতীন্দ্রমোহন  রায়, ঢাকার ইতিহাস, ২০০৭ সংস্করণ, পৃ. ১৫৭)

সুত্রঃ কান্তি সেন


রোজ_আদা_রসুন_বাটতে_গিয়ে_নাজেহাল

 #রোজ_আদা_রসুন_বাটতে_গিয়ে_নাজেহাল? 


#এই_উপায়ে_স্টোর_করুন_৬_মাসেরও_বেশি_থাকবে!


আদা দীর্ঘদিন রেখে দিলে নষ্ট হয়ে যায়, আবার ফ্রিজে বেটে রেখে দিলেও খারপ হয়ে যায়। আদা বা রসুন বাটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন।

 নিত্যদিনের রান্নায় নিত্যদিনের রান্নায় গুঁড়ো মশলার পাশাপাশি যে বাটা মশলাটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হল আদা-রসুন বাটা।

আদা-রসুন খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে থাকে। তবে এই বাটা মশলা রোজ রোজ তৈরি করা সময় সাপেক্ষ বিষয়।


আজকাল প্রায় সকলেই চাকরি করেন, তাড়াহুড়োয় রান্না করতে হলে আদা ও রসুনের খোসা ছাড়িয়ে, তা বাটতে গিয়েই অনেকটা সময় বেরিয়ে যায়।


সে ক্ষেত্রে অনেকগুলো একসঙ্গে বেটে রেখে দিলে ঝঞ্ঝাট মুক্ত থাকা যেতে পারে। কিন্তু এতে আদা-রসুন বাটা তাড়াতাড়ি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এখানে এমন কিছু উপায় দেওয়া রইল যা মেনে আদা-রসুন বাটা সংরক্ষণ করলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হবে না এবং ৬ মাসের বেশি সময় পর্যন্ত ভালো রাখতে পারেবন।


#এক_থেকে_২_মাস_পর্যন্ত_স্টোর_করার_জন্য


💁‍♂️আদা ও রসুনের খোসা ছাড়িয়ে মিক্সারে দিন। এতে ২ চামচ সরষের তেল দিয়ে দিন। জল ব্যবহার করবেন না। জল ছাড়াই এটিকে মিক্সারে ভালো করে বেটে নিতে হবে। তার পর এতে সামান্য নুন মিশিয়ে এয়ার টাইট কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এ ভাবে এক-দুই মাস পর্যন্ত আদা-রসুন বাটা ব্যবহার করতে পারবেন।


#চার_থেকে_পাঁচ_মাস_পর্যন্ত_স্টোর_করার_জন্য


💁‍♂️আদা ও রসুনের মধ্যে সরষের তেল মিশিয়ে ভালো করে বেটে নিন। এর পর এতে নুন মিশিয়ে নিন। চামচের সাহায্যে আইস ট্রে-তে ভরে দিন এই আদা, রসুন বাটাকে। প্লাস্টিক র‌্যাপার দিয়ে ট্রেটিকে মুড়ে জিপ পলিব্যাগে ভরে দিন। ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিাজারে রাখুন। এর পর প্রয়োজন মতো আদা-রসুন বাটার কিউবটি রান্নায় ব্যবহার করুন।


#ছয়_মাসের_বেশি_স্টোর_করার_জন্য


💁‍♂️৬ মাসের বেশি সময়ের জন্য আদা ও রসুন বাটা স্টোর করতে চাইলে এতে দু চামচ সরষের তেল মিশিয়ে বেটে নিন। নুন মেশানোর পর তিন-চার চামচ সাদা ভিনিগার মেশাতে হবে। এবার কোনও জিপ পলিব্যাগ বা এয়ার টাইট কন্টেনারে ভরে ফ্রিজারে রেখে দিন। এ ভাবে রাখলে ৬ মাসের বেশি সময় এই আদা ও রসুন বাটা ব্যবহার করা যাবে।


    


পুরুষ ও স্ত্রী পেঁপে গাছ কীভাবে চেনা যায় সেই সম্পর্কে জানবো।

 আমরা সবাই জানি পেঁপে গাছ যদি পুরুষ গাছ হয়, তাহলে সেই গাছ ফল দেয় না। আজকে আমরা পুরুষ ও স্ত্রী পেঁপে গাছ কীভাবে চেনা যায় সেই সম্পর্কে জানবো।

১/ পুরুষ পেঁপে গাছের ফুলগুলো কান্ডের আগায় থোকায় থোকায় থাকে অপরদিকে স্ত্রী গাছের ফুলগুলো একক অবস্থায় থাকে।

২/ পুরুষ গাছের পাতা লম্বা, সরু এবং প্রান্ত সূক্ষ্ম থাকে। অন্যদিকে স্ত্রী গাছের পাতা গোল ও ভোঁতা প্রান্তযুক্ত হয়। 

৩/ পুরুষ গাছের কান্ড সাধারণত স্ত্রী গাছ অপেক্ষা চিকন হয়। 

৪/ স্ত্রী গাছের শিকড় সাধারণত শাখা প্রশাখা যুক্ত হয়,   অপরপক্ষে পুরুষ গাছের শিকড়ে কোনো শাখা প্রশাখা থাকে না।

        এক্ষেত্রে পুরুষ গাছ চিনা মাত্রই বাগানে একটি মাত্র পুরুষ গাছ রেখে অন্য সব পুরুষ গাছ তুলে নতুন করে পেঁপে চারা রোপণ করে নিতে পারেন।


আমাদের অফিসঃ ৫৯, মিয়া টাওয়ার, দ্বিতীয় তলা, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা- ১২০৭ 

যোগাযোগঃ  01909110613

ওয়েবসাইটঃ www.thegreensavers.org 


কৃষিবিদ মীর রুকাইয়া ইসলাম

গ্রিন সেভার্স, ঢাকা।




বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়,,,,

 বঙ্গবন্ধু সেতু:


বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে। এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।


বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে। এটি জনগনের জন্য বহুবিধ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে। বিশেষত আন্ত: আঞ্চলিক বানিজ্যকে উৎসাহিত করেছে। সড়ক ও নৌপথে দ্রুত পণ্য এবং যাত্রী পরিবহন ছাড়াও এটি বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিজ্ঞান এবং সমম্বিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্হার উন্নতি সাধন করেছে। এই সেতুটি এশিয়া মহাসড়ক এবং আন্ত:এশিয়া রেলপথের মধ্যবর্তী। ফলে এগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবার পর এই সেতু নির্মাণ এশিয়া থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে উত্তর পশ্চিম ইউরোপ পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সড়ক ও রেল যোগাযোগ সৃষ্টি করবে। প্রকল্প উপাদান


১। প্রধান সেতু এবং ভায়াডাক্ট

২। নদীশাসন এবং পুনরুদ্ধার

৩। পূর্বপশ্চিম সংযোগ সড়ক

৪। সংশোধিত পূনর্বাসন কর্মপরিকল্পনা

৫। নদীভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরনের জন্য দিকনির্দেশনা

৬। পরিবেশত কর্মপরিকল্পনা।


 


বৈশিষ্ট্য: ভৌত ইস্ট গাইড বাঁধ


• বান্ডের দৈঘ্য: ৩১০০ মিটার

• ক্রেষ্ট লেবেল: PWD + ১৬.৫ মিটার

• পোট্কেশন ডেপথ: PWD ৩০ মিটার ফেলিং এ্যাপ্লন সহ

• পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য : ৩,৫০০ মিটার

• পূনরুদ্ধারকৃত এলাকা ২৩.১ লক্ষ বর্গ মিটার (৫৮৯.৩ একর)


ভৌত বৈশিষ্ট্যঃ ওয়েস্ট গাইড ব্যান্ড


ব্যান্ড দৈর্ঘ্য: ৩২০০ মিটার

ক্রেস্ট লেভেল: PWD+১৬.৫ মিটার

প্রোটেকশন ডেপথ: PWD-৩০ মিটার (ফিলিং এ্যাপ্রোন সহ)

ক্রসড্যামের দৈর্ঘ্য : ৪৮৭৫ মিটার

পুনরুদ্ধারকৃত এলাকা: ২১ লক্ষ বর্গ মি. (৫১৮.৩ একর)

পশ্চিম প্রান্তে যমুনার প্রধান প্রবাহীর প্রস্থ: ৫৫০


 


নির্মাণ সম্পর্কিত তথ্যাদি


৫০ টি পায়ার

২১, ৩-পাইল পায়ার (২৫০০ মিলিমিটার OD)এবং

নলাকৃতি সীট পাইল এর পুরুত্ব: ৪০-৬০ মিলিমিটার

গড় পাইলদৈর্ঘ্য: ৮৩ মিটার (বেড লেভেল হতে ৭২ মি. গভীর)

পায়ারস্টেম এর উচ্চতা: ২.৭২ মি হতে ১২.০৪ মি.

১২১৪ টি বক্সগার্ডার উপাংশ, প্রত্যেকটি ৪ মিটার দীর্ঘ।


 


চুক্তি -১

সেতু এবং সংযোগ ভায়া ডাক্ট


কন্ট্রাকটর: হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সট্রাকশন জেভি


 


চুক্তি -২

নদী শাসন ও পুনরুদ্ধার


 


কন্ট্রাকটর: এইচ এ এম ভ্যান অরড এ সি জেড জেভি

চুক্তি -৩ এবং ৪


 


৩. পূর্ব সংযোগ সড়ক

৪. পশ্চিম সংযোগ সড়ক

কন্ট্রাকটর: স্যামহুয়ান কর্পোরেশন


 


পূর্ব সংযোগ সড়ক-সি ৩


সড়ক দৈর্ঘ্য: ১৪.৭৪ কি.মি.

আর্থওয়ার্ক: ১১,৫৬,৭১১ ব. মি.

সেতু সংখ্যা: ৮ টি

পাইল সংখ্যা: ২২৪ টি

কালভার্ট সংখ্যা: ১০ টি


 


পশ্চিম সংযোগ সড়ক-সি ৪


সড়ক দৈর্ঘ্য: ১৬.৯২ কি.মি.

আর্থওয়ার্ক: ১০,৪৫,৬৯৫ ব. মি.

সেতু সংখ্যা: ৬ টি

পাইল সংখ্যা: ২৫৮ টি

কালভার্ট সংখ্যা: ১২ টি


 


সেতুর ভৌত বৈশিষ্ট্যঃ


বক্স গার্ডার প্রোগ্রেসিভ ক্যান্টিলিভার টাইপ এবং পাইল ফাউন্ডেশন

সেতু দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কি.মি

ভায়াডাক্ট দৈর্ঘ্য (উভয় প্রান্ত) : ১২৮ মি.

সেতুর প্রস্থ: ১৮.৫ মি.

স্প্যান: ৪৭+২ টি

রোড লেন: ৪

একটি রেলওয়ে ট্রাক (ডুয়েল গেজ)



আপনার বাগানের গাছের পাতা কুকড়ে যায়?

 🌿🌿 আপনার বাগানের গাছের পাতা কুকড়ে যায়??🍃🍃


অনেকেই মরিচ,টমেটো, শিম, বরবটি পেপে বা অন্যান্য গাছের পাতা কোকড়ানো এর

জন্য কাংখিত ফলন পান না তাদের জন্য কার্যকরী কীটনাশক। ১০০% পরীক্ষিত।


মূলত মাছি পোকা ও মাকড়ের আক্রমণ হলে এমন হয়।


👉👉 যেভাবে দমন করবেনঃ-


আক্রমণ রোধে রিপকর্ড বা ইমিডাক্লোপিড গ্রুপের কীটনাশক ইমিটাফ

এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভারটিমেক ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায় ।


✅ ব্যবহারবিধিঃ ১ লিটার পানিতে ইমিটাফ. ০.৫ মিলি ও ভারটিমেক ১ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন পাতার উপর,নিচ সব গাছে বিকালে ।


👉 ৭ দিন পর আরেকবার স্প্রে করে দিবেন।

এর পর প্রতি ১৫ দিন পর পর নিয়মিত স্প্রে করে দিবেন। তাইলে আর কোকড়াবে না।


✅ তবে খেয়াল রাখতে হবে যে যদি গাছের গোড়ায় পানি থাকে অথবা গোঁড়া যদি ভিজা থাকে তাহলে অবশ্যই গাছের গোড়া খোঁচা অথবা আলগা করে দিয়ে মাটির রোদে শুকায় নিতে হবে। টপের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অবলম্বন করলে আশা করি ভালো ফলন পাবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে এই অবস্থায় গাছে বেশি নাইট্রোজেন ব্যবহার করা যাবে না তাহলে গাছের ফুল এবং ফল দুইটাই ঝরে যাবে।



প্রেসার কুকারে রান্নার ৫ টিপস,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌿প্রেসার কুকারে রান্নার ৫ টিপস


কেবল মাংস কিংবা ডাল সেদ্ধ করতেই কী কাজে লাগে প্রেসার কুকার? মোটেই নয়! প্রেসার কুকার দিয়ে যেমন ভাত রান্না করে ফেলা যায়, তেমনি বানিয়ে ফেলা যায় পারফেক্ট কেকও।  এমনই কিছু টিপস।

 


১। ডিম ও আলু একসঙ্গে দিয়ে দিন প্রেসার কুকারে। আলুর খোসা ছাড়িয়ে অর্ধেক করে নেবেন। এমনভাবে পানি দিন যেন ডিম অর্ধেক ডুবে থাকে। পানিতে লবণ মেশাবেন না। লবণ দিলে ডিম ফেটে যাবে। মাঝারি আঁচে ১টি সিটি ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সিটি উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন।


২। কেকের মোল্ড নেই? খুব সহজে প্রেসার কুকারেই বানিয়ে ফেলতে পারেন কেক। এজন্য বাটার পেপার বিছিয়ে তেল ব্রাশ করে নিন। কেকের ব্যাটার ঢেলে ট্যাপ করে সমান করে নিন। প্রেসার কুকারের ঢাকনায় থাকা রাবার ও ভেন্ট ওয়েট খুলে তারপর আটকে দিন ঢাকনা। লো আঁচে ২০ থেকে ২৫ মিনিট বেক করুন।


৩। বিকেলে নাস্তায় পাস্তা বানাবেন ভাবছেন? মাত্র ৫ মিনিটেই রান্না করে ফেলতে চাইলে প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করে নিন পাস্তা। এজন্য পাস্তা ও সবজি কুচি দিন প্রেসার কুকারে। পরিমাণ মতো পানি, লবণ ও অল্প তেল দিয়ে উচ্চতাপে একটি সিটি ওঠা পর্যন্ত রাখুন চুলায়। সিটি উঠে গেলে চামচের সাহায্যে ভেন্ট ওয়েট উঁচু করে বাকি প্রেসার রিলিজ করে দিন। নামিয়ে ঢাকনা খুলে দিন।


৪। ডাল সেদ্ধ বসালে প্রেসার কুকার উপচে পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয় প্রায় সময়েই। ডাল, পানি, লবণ, হলুদ ও তেল দিয়ে প্রেসার কুকার চুলায় বসানোর আগে ভেন্ট ওয়েটের নিচের অংশে কয়েক ফোঁটা তেল দিয়ে দিন। এরপর মাঝারি আঁচে চুলায় বসান। উপচে পড়বে না প্রেসার কুকার।


৫। খুব সহজে প্রেসার কুকারে ভাত রান্না করে ফেলতে পারেন। এজন্য ২ কাপ চাল ধুয়ে দিয়ে দিন। ২ কাপ চালের জন্য ৪ কাপ পানি দেবেন। ঢাকনা লাগিয়ে উচ্চ তাপে চুলায় বসিয়ে দিন। দুটি সিটি উঠলে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা খুলে ফেলুন। নাহলে ভাত নরম হয়ে যাবে।


মুক্ত পোস্ট,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 **মুক্ত পোস্ট **

গ্রাফটিং এর মাধ্যমে আমরা ভালো জাতের গাছ ছড়িয়ে দিতে পারি প্রতি বাগানে বাগানে..  তাই প্রয়োজনীয় সকল গ্রাফটিং টুলস নিয়ে এসেছি আমরা... 


✂️🪓🗡️প্রয়োজনীয় উপকরণঃ


১/  রুটস্টক

২/ সায়ন (এটি ভালো জাত ও ফলনশীল গাছ হতে সংগ্রহ করা হয়)

৩/  ধারালো ছুরি/ব্লেড

৪/ গ্রাফটিং টেপ বা পলিথিন ফিতা

৫/  ক্যাপ পলি

৬/ রুট হরমোন 

৭/ ছত্রাক নাশক 

৮/ প্রুনিং কাটার 


🧑‍🌾🧑‍🌾🧑‍🌾🧑‍🌾পদ্ধতিঃ


১) সাধারনত স্টক গাছের গোড়া হতে ১৫-২০ সেমিঃ উপরে গ্রাফ্‌টিং করা হয়।

২) খেয়াল রাখতে হবে যেন জোড়া স্থানটির নিচে অবশ্যই যেন কিছু পাতা থাকে।

৩) এবার নিদ্দিষ্ট উচ্চতায় স্টক গাছের মাথাটি সমভাবে কেটে অপসারন করতে হবে।

৪) এবার ধারালো চাকু/ব্লেড দিয়ে স্টক গাছের মাথাটি ২-৩ সেমিঃ লম্বালম্বি ভাবে চিরে দিতেহবে এবং সায়নের গোড়ার উভয় পাশ একই ভাবে ২-৩ সেমিঃ তেরছা কাট দিতে হবে। 

৫) এবার স্টক গাছের কাটা অংশে সায়নের কাটা অংশ সমান ভাবে প্রবিস্ট করাতে হবে।

৬) অতপর জোড়া লাগানোর যায়গাটি গ্রাফটিং টেপ বা পলিথিন ফিতা দিয়ে পেচিয়ে শক্ত ভাবে বেধে দিতে হবে।

৭) এবার একটি পলিথিন ক্যাপ বা টুপি দিয়ে সায়নের মাথা হতে জোড়ার নিচ পর্যন্ত ঢেকে বেধে দিতে হবে।

৮) সায়নে নতুন পাতা বের হলে বুঝতে হবে গ্রাফটিং সফল হয়েছে এবং পলিথিন ক্যাপ খুলে দিতে হবে।

৯)স্টক ও সায়ন অসমান হলে অর্থাৎ মোটা কমবেশি হলে স্টক ও সায়নের যেকোন একপাশের ছাল মিলিয়ে পলিথিন পেচাতে হবে।


💢💢সতর্কতাঃ💢💢


🌱সায়ন বা রুটস্টক মসৃণভাবে কাটতে হবে। অমসৃণ হলে জোড়া লাগবে না। 

🌱ধারালো ছুরি/ব্লেড ব্যবহার করতে হবে।

√🌱কাটা স্থানে ময়লা বা পানি জমলে ছত্রাক বা জীবাণু আক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।

🌱জোড়াটি স্থায়ী হয়ে গেলে অথাৎ কলম করার প্রায় তিন মাস পর পলিথিনের ফিতাটি খুলে দিতে হবে।

অধিকাংশ গাছই এই পদ্ধতিতে গ্রাফটিং করা যায়। বিশেষ করে ফল গাছ।

🧤🧤তথ্য সংগ্রহ.... 


এসব বিষয় নিয়ে আর চিন্তার কিছু নেই, বাগানের গ্রাফটিং এর জন্য সকল কিছু  নিয়ে এসেছি আমরা.🙂🙂🙂


 #গ্রাফটিং   টেপ পিছ

   🎇বড়--১৮০ টা*কা 🧻

   🌟 চিকন--১১০ টা*কা


 #ক্যাপ   পলি ১০০ গ্রাম--৬০ টা*কা 


 #গ্রাফটিং নাইফ


* কাঠের বাট---------------------------২২০ টা*কা 

* s s বাট-------------------------------১৯০ টা*কা 


 #প্রুনিং   কাটার 

      * ৮ ইঞ্চি--- ছোট-------------------৩০০ টা*কা

     * ৮ ইঞ্চি-----------------------------৪২০ টা*কা 

     *১০ ইঞ্চি----------------------------৪৩০ টা*কা 


 #কাটিংএইড   ( রুট হরমোন )

       🧧*১৫ গ্রাম-------------------------------- ১৮০ টা*কা 

       ♉ # ৩০ গ্রাম-------------------------------- ২৫০ টা*কা

       ♑ # ৫০ গ্রাম-------------------------------- ৩২০ টা*কা


 #ছত্রাকনাশক 

* ব্লিটক্স --৫০ গ্রাম------------------------১১০ টা-কা 

* সাফ--২০ গ্রাম-------------------------১০০ টা*কা 


🛵🛵🛵🛵ঢাকা সহ  সারা বাংলাদেশে ক্যা*শ অন হোম ডেলিভারি দেয়া হয়  ( শর্ত থাকবে )  

প্রোডাক্টটি সরাসরি ক্র*য় করতে আমাদের দোকানে চলে আসুন , অথবা অর্ডারের জন্য অনুগ্রহ করে ইনবক্স করুন


 


আজ সকালে মনির স্যারের মেসেজ ০২/০৩/২০২৪

 সকল ভাই দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই মাসে প্রতিটা পেজটি ম্যান ভাইয়ের ২০ হাজার টাকা কীটনাশক এবং এক গাড়ি খোল বিক্রি এর টার্গেট।

মাসে শুরুতেই আপনাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিলাম যে সকল ভাই টার্গেট ফিলাপ করতে পারবেন না ঈদের পরে ট্রান্সফার নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিন।

আবারো বিশেষ করে সতর্ক করে দিয়ে বলছি যারা এখন পর্যন্ত কোর্ট খুলতে পারেন নাই দ্রুত এই মাসে কোড খুলে সেলস করার ব্যবস্থা করুন অন্যথায় অন্য এরিয়ায় আপনাদেরকে ট্রান্সফার করা হবে।

আমাদের ট্রেড মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এ প্রত্যেকটা ভাই সেলস করছে সুতরাং আপনারাও এর আওতায় আছেন।

অযথা কথা বলবেন না যে টার্গেট দিয়েছি সে টার্গেট অনুযায়ী কাজ করবেন।


ভাই আপনাদের সকলের উদ্দেশ্যে বলছি দেখেন ওরা মাত্র তিনজন মানুষ কীটনাশক বিক্রি করেছে 67 হাজার টাকা আর আমরা ১০ জন মানুষ কীটনাশক বিক্রি করেছি 74000 টাকা,,,,,,,,,,,,

একটু হলেও আমাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ ভাই আশা করব আপনারা সকল সিনিয়র ভাই আমাকে কারো কাছে ছোট করবেন না,,,,,,,, 

এই মাসে যদি ভালোমতো সেলস না করতে পারেন ঈদের পরে ট্রান্সফার হয়ে যাবেন এটা একদম সত্য কথা এখন আপনারা বিশ্বাস করেন কিনা করেন সেটা আপনাদের বিষয়,,,,



শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সহ সকল শহীদের কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি।

 মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল 🥲


বলছি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের কথা ❤️


যদি জিজ্ঞেস করি কে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব রাখেন?


সেই ইতিহাস আমরা অনকেই মনে রাখি নি। ইতিহাসে যিনি আড়ালেই থেকে গেলেন। আসুন একটু জেনে নিই-


পাকিস্তান স্বাধীন হয় ১৯৪৭ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই আগস্ট। মাত্র ছয় মাসের মাথায় করাচিতে ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে যিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি তুলেন - “বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা হোক”, সেই মানুষটির নাম ‘ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’। 


ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সেই দাবি পাকিস্তান পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হয়। তারপরই ভাষা আন্দোলনের সূচনা ঘটে। 


ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘‘পূর্ব পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাংলায় কথা বলে, তাই আমার বিবেচনায় বাংলা হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা।’’ তার এই বক্তব্যকে জিন্নাহর ‘‘উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা’’ ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বলা যায়। সুতরাং তাঁকে ‘ভাষা আন্দোলনের জনক’ বললেও অত্যুক্তি হবে না।


আজ আমরা উনাকে মনে রাখি না। অথচ পাকিস্তানের শাসকেরা তাঁকে মনে রেখেছিল!

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের ২৯শে মার্চ পাক-আর্মিরা ধরে নিয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে নিষ্ঠুরভাবে হ'ত্যা করে। ৮৪ বছর বয়সী মানুষটিকে হাত-পা ভে'ঙ্গে প'ঙ্গু এবং দুই চোখে কলম ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল। 😢


শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সহ সকল শহীদের কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


প্রসঙ্গঃ  আমার গ্রাম নহাটা  ---সেকাল- একাল,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রসঙ্গঃ  আমার গ্রাম নহাটা  ---সেকাল- একাল

দশ দিন পর বিদেশ থেকে ফিরে  নিজ এলাকার খবর শুনে মনটা ভারী হয়ে গেলো, শাহ  বাউল আব্দুল করিমের বিখ্যাত গানটি বারবার মনে পড়ছে। 


 “আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমান

মিলিয়া বাউলা গান ঘাটুগান গাইতাম ॥

হিন্দু বাড়িত যাত্রা গান হইত

নিমন্ত্রণ দিত আমরা যাইতাম

কে হবে মেম্বার কে হবে চেয়ারম্যান

আমরা কি তার খবর লইতাম ॥

বিবাদ ঘটিলে পঞ্চাইতের বলে

গরিব কাঙালে বিচার পাইতাম

মানুষ ছিল সরল ছিল ধর্মবল

এখন সবাই পাগল বড়লোক হইতাম ॥

করি ভাবনা সেদিন আর পাব না

ছিল বাসনা সুখী হইতাম

দিন হতে দিন আসে যে কঠিন

করিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম ॥


১৯৭৯ সালে শিক্ষা ও জীবিকার জন্য ছেড়ে এসেছি গ্রামের বাড়ি নহাটা । মাঝে মধ্যে নাড়ির টানে গ্রামে যাওয়া পড়ে। সময়ের সাথে  বাউল করিমের গানের মতো- বদলে গেছে আমার গ্রামের সামাজিক পরিবেশ। দেশের অন্য এলাকার তুলনায় যেন একটু বেশিই বদলেছে। সে বদলের বেশির ভাগই নেতিবাচক পরিবর্তন। 


দেশের বাইরে বসে শুনলাম  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তৈয়েবুর রহমান তুরাফ কে  প্রকাশ্যে বাজারের মধ্যে  হামলা করে আহত করা হলো। কয়েকমাস আগে ইউনিয়ন আঃলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিব মিয়াকে বাজারের মধ্যে পিটিয়ে আহত করা হয়। উভয় ক্ষেত্রেই হামলাকারীরা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাথে একই দল করতেন। বিশেষ কোন সুবিধা আদায় না হওয়ায় তারা দল বদল করে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

শুনা কথা-  থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল লিটন কে শায়েস্তা করার ষড়যন্ত্রকে কেন্দ্র করে পানিঘাটায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে।  এ সব ঘটনা এক ভয়াল অশনি সংকেত বহন করে। যে কোন সময় যে কারো সম্মান নষ্ট হতে পারে, মৃত্যু হতে পারে, তৈরি হতে পারে অরাজকতা। সমাজে কায়েম হবে ফ্রাঙ্কেনস্টাইল। সামাজিক কাঠামোর  চেইন অফ কমান্ড ভেঙ্গে পড়বে। পেশি শক্তির কাছে সব কিছু পরাজিত হবে। নেতা. নেতৃত্ব , বয়োজৈষ্ঠের সম্মান , জীবনের  নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না। 


আগের কালে  গ্রামের , বংশের, দলের মাতুব্বর বা নেতৃত্ব দিতেন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা, নেতারা ছিলেন সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ এবং দল, বেদল সব মানুষই নিজের দলের সাথে অন্য  নেতাদের সম্মান করতেন, মান্য করতেন। গায়ে হাত তোলা তো দুরের কথা,  বয়োজেষ্টদের,  নেতাদের, সম্মানীত মানুষকে কেউ  অপমান করার কথা  কখনো চিন্তাও করতে পারতেন না। সেই সামাজিক কাঠামো একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।  

আগে বংশের নেতা হতেন সবচেয়ে বয়োজৈষ্ট ব্যক্তি, তার কথার বাইরে কেউ যাওয়ার সাহস পেতেন না। এখন একই পরিবারের চার সদস্য থাকলে মাতুব্বর তিন জন। কেউ কাউকে মানে না। আগে কেউ কোন অন্যায় করলে তার বংশের নেতার কাছে বিচার দিলে সুবিচার পেতেন সবাই। এখন বিচার দিলে নেতা বলেন, “ ও তো আমার কথা মানে না। “  


আগে কোন নেতা ঘুষ খেয়ে কখনো বিচার সালিশে অন্যায় রায় দিয়েছেন কেউ বলতে পারবেন না। এখন পয়সা খেয়ে ধর্ষক, যৌন হয়রানীকারীদেরকেও  রক্ষা করার ঘটনাও ঘটে। 


মারামারি কাইজা আগেও ছিল, তবে এখনকার মতো নৃশংসতা ছিল না, এতো ঠুনকো বিষয়ে কেউ মারামারিতে জড়াতো না। মানুষ ন্যায় আর অন্যায় বিচার করতো। আগে মারামারির দরকার হলে দুই পক্ষ ঘোষণা দিত, অমুক জায়গায়, অমুক সময়ে হবে। যার অধিকাংশই অন্যান্য গ্রামের মাতুব্বরেরা এসে থামিয়ে দিতেন, হতে পারত না। আর হলেও সেটা মাঠেই শেষ। তারপর আবার সবাই মিলেমিশে চলতো। 

আগে ভিন্ন মতের নেতারা এক সাথে বসে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতেন। দলীয় কর্মীদের মধ্যেও কোন ভেদাভেদ ছিল না। এখন দু দল করলে কেউ কারো সাথে কথা বলে না। 


 এখনকার মতো হরহামেশা শক্তির দাপট দেখানো, ঘরবাড়ি ভাঙ্গা, একাকী পেলে হামলা করা , এগুলো ছিল না। একটা বাড়ি ভাঙ্গলে ঐ পরিবারের ছোট শিশুদের মনের উপর প্রচণ্ড ভয়াবহ প্রভাব পড়ে, মেয়ে ছেলেরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। 


গত কয়েক মাসে পানিঘাটায় দুজনকে গলা কেটে হত্যা। ফূলবাড়িতে একজনকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। গত দশ – পনেরো বছরে মার্ডারের সংখ্যা কত গুনলে গা শিউরে ওঠে। আমরা কী বর্বর আদিম মানুষের চেয়েও খারাপ হয়ে গেলাম !!  একটা হত্যা একটা পরিবারের জন্য কতটা কষ্টের কতটা ক্ষতির তা শুধু ঐ পরিবারের মানুষেরাই জানে। আচ্ছা একবার চিন্তা করুন তো যদি আপনার সাথে এমনটা হয়। 


আগে মানুষ জনপ্রিয়, ভদ্র, বিনয়ী, সৎ ব্যক্তিদের মেম্বার চেয়ারম্যান বানাতেন। টাকা পয়সা নিয়ে ভোট দিতেন না। এখন আমাদের এলাকায় আমরা টাকা দিয়ে ভোট কিনি বা কিনতে হয়। আমাদের একটা  অংশ যোগ্যতা বিচার না করে অর্থের বিনিময়ে ভোট দিই।  টাকার বিনিময়ে কর্মীরা ভোট চাইতে যান। আগে বড় জোর পান-বিড়ি খাওয়াতে হতো।  এখন চেয়ারম্যান নির্বাচনে কয়েক কোটি টাকা লাগে। 

চেয়্যারম্যার মেম্বার হওয়ার পরেও  নিজের একটা চাটুকর বা সুবিধাবাদি চামচার দলকে  বিবিধ সুবিধা দিতে না পারলে দল অচল। ফল যা তাই হয়। এরপর খরচের টাকা উঠাতে বয়স্ক ভাতা, বিধবাভাতা সহ অন্যান্য সরকারি সুবিধা ভোগী কার্ড বিতরণে টাকা আদায় করা হয়। জনগণের জন্য দেয়া সরকারি বরাদ্দের একটা অংশ নয় ছয় হয়ে যায়।  


আগে দশ মাইল দুর থেকে আমাদের গ্রামের স্কুলে মানুষ পড়তে আসতো আর এখন এই এলাকা থেকে বেরইল, জোকায় পড়তে যায়। অবশ্যই এর পেছনে কারণ আছে। আমরা আমাদের বিদ্যালয় গুলোর পড়ালেখার পরিবেশ ধরে রাখতে পারি নাই বা বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে নষ্ট করে ফেলেছি। 


আশপাশের দশ বারো মাইলের মধ্যে নহাটার মতো বড় হাট বাজার আর নেই । অথচ খাজনা বৃদ্ধির যন্ত্রণায় এখন কৃষক তার পণ্য বাজারে নিয়ে আসতে ভয় পান। এত করে মূল ক্ষতি হবে বাজারের দোকানদারদের। 


ইন্দ্রপুরের মতো বিখ্যাত ঈদগাঁতেও দলাদলির ফলে এখন আর আগের মতো সব মানুষ আসে না। নহাটা কালিবাড়িতেও দলাদলি। এলাকার মানুষকে তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখতে বলব, এই দুই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিভেদ কী চোখে আঙুল দিয়ে দেখায় না আমরা আসলে কতটা নিচে দিকে চলে যাচ্ছি। 


এখন দল বদল মাছ ভাত। সকালে এ দল তো বিকালে বি দল। পরের দিন আবার এ দল। তার মানে আমাদের দলাদলির পেছনে  আদর্শ বলে কিছু নেই, যা আছে সব স্বার্থের খেলা। 


আমি বিশ্বাস করি এলাকার সাধারণ মানুষ শান্তি চায়। এলাকার শান্তি , উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য এই মারামারি, হানাহানি, অন্যায়, অবিচার বন্ধের কোন বিকল্প নেই।  

১। নেতৃবৃন্দ নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন, আপনাদের বিভেদ এর কারণে সুবিধাবাদীরা সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে।  অন্যদল থেকে অন্যায় করে কেউ আপনার দলে এলে তাকে দলে নিবেন না।

২। বাইশ গ্রামের মানুষ এক সাথে বসে সিদ্ধান্ত দিন  আমরা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিব না, ন্যায়ের পক্ষে থাকব।  মারামারি করব না, ন্যায় অন্যায় বিচার করুন। দয়া করে নিজের দলের কারো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিবেন না। 

৩। ঘুরে ফিরে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষেরাই অশান্তি, মারামারি লাগিয়ে রাখে। এদের নিয়ন্ত্রণ করুন বা পরিহার করুন। 

৪। পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন হবে। যিনি নির্বাচিত হবেন তাকে কাজ করতে দিতে হবে,  তবে সে যদি অন্যায় করে , দুর্নীতি করে তবে আইন সম্মত পথেই তার প্রতিকারের পথ খোলা আছে। আবার যিনি নির্বাচিত হবেন, তাকে মনে রাখতে হবে নির্বাচনী এলাকার সকল মানুষের দ্বায়িত্ব কিন্তু আপনার উপর।  সব মানুষকেই তার সমান চোখে দেখতে হবে। তাকে ন্যায় ও সততার মানদণ্ড  বজায় রাখতে হবে, না হলে অধর্ম হবে। পাঁচ বছর পর আবার নির্বাচনে মানুষ যাচাই করবে কে ভাল কে মন্দ।


( দয়া করে এমন কোন মন্তব্য করবেন যা এলাকার অশান্তিকে আরো উসকে দেয়। আমার লেখার সাথে অনেকের দ্বিমত থাকতে পারে, তাদের সমালোচনা মাথা পেতে গ্রহন করব)




সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...