এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

লিচুর মুকুল রক্ষা করতে করণীয়??,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লিচুর মুকুল রক্ষা করতে করণীয়??


লিচু গাছে মুকুল আসার আগে থেকে ফল আসা পর্যন্ত প্রায় ৩ মাস সঠিক পরিচর্যা করলে লিচুর ভালো ফলন পাওয়া যায়।


* গাছে মুকুল আসার আগে প্রথম বার, 

গাছে যখন ফল মটরদানার সমান হবে তখন দ্বিতীয় বার 

এবং মার্বেল আকার ধারণ করলে ৩য় বার এক্সট্রা পাওয়ার  ( ১লিটার পানিতে ২ মি.লি) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


* লিচু গাছে মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে

ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন জাতীয় কোনো কীটনাশক ( ফাইটার/ ফাইটার প্লাস/ রীভা ২.৫ ইসি) ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া কার্বেন্ডাজিম জাতীয় একটি ছত্রাকনাশক (আটোস্টিন/নোইন/বেনডাজিম/ ফরআষ্টইন/  ২ গ্রাম/লিটার পানি/এমকোজিম ১ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


* ফল বৃদ্ধির সময় রি-জিংক গোল্ড  ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ সপ্তাহ পর পর গাছে স্প্রে করলে গাছে ফল ফাটা ও ফল ঝরা সমস্যা দূর হওয়াসহ এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।


* প্রচণ্ড তাপমাত্রা ও হঠাৎ বৃষ্টির জন্য ফল ফেটে যায়। রত্ন বোরণ (সলুবর বোরন) ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫-৭ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করতে হবে।


* বৃষ্টি না হলে পানি সেচ দিতে হবে। লিচুর গুচ্ছ ব্যাগিং করলে ফলের মান ভালো হয়।




ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো: 

 ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো: 

১. হাওরা ব্রীজ, হাওরা 

২. ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পার্ক 

৩. সায়েন্স সিটি 

৪. নিউমার্কেট এরিয়া, নিউ মার্কেট 

৫. কফি হাউজ, নিউ টাউন 

৬.  ইকো পার্ক, নিউ টাউন 

৭. ইন্ডিয়ান জাতীয় জাদুঘর, নিউ টাউন 

৮. ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, নিউ মার্কেট 

৯. জোড়া সাকো - রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। 

১০. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বড় বাজার।  

১১. নাখোদা জামে মসজিদ, বড় বাজার। 

১২. বিশ্ব বাংলা গেট রেস্টুরেন্ট, নিউ টাউন 

১৩. রবীন্দ্র তীর্থ, বিশ্ব বাংলা গেট।  

১৪. বড় বাজার পাইকারি মার্কেট।  

১৫. ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম সেন্টার

১৬. ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম। 

১৭. জেমস প্রিনসেপ ঘাট, স্ট্রান্ড রোড 

১৮. মিলেনিয়াম পার্ক, স্ট্রান্ড রোড 

১৯. সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল,

২০. বিড়লা মন্দির, বালিগঞ্জ।

২১. কালিঘাট মন্দির, কালিঘাট 

২২. এম-পি বিড়লা তারামন্ডল 

২৩. বিড়লা ইন্ড্রস্ট্রিয়াল মিউজিয়াম 

২৪. আলিপুর চিড়িয়াখানা 

২৫. ইন্ডিয়ান কফি হাউস, কলেজ পাড়া/রোড 

আপনার পেশা যাইহোক, ভ্রমণ হোক আপনার নেশা 

ধন্যবাদান্তে Sayeed The Traveler



পদ্মা সেতু (Padma Bridge):,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পদ্মা সেতু (Padma Bridge):

দৈর্ঘ্য বিবেচনায় বিশ্বে পদ্মা সেতুর অবস্থান ১২২তম সেতু এবং এই সেতু বাংলাদশের সবচেয়ে বড় সেতু। পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটারএবং প্রস্ত প্রস্থ ১৮.১০ মি.। পদ্মা সেতুর পিলার রয়েছে ৪২টি ও স্প‌্যান রয়েছে ৪১টি । পদ্মা সেতু ১২৮ মিটার (৪২০ ফুট) গভীরতাযুক্ত বিশ্বের গভীরতম পাইলের সেতু ।


স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান:


পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কি = পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।


পদ্মা সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক চুক্তি কখন হয় = বাংলাদেশ সরকার এবং চিনা চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির সাথে ১৭ই জুন, ২০১৪ইং সালে চুক্তি হয়।


পদ্মা সেতুর ধরন কি = পদ্মা সেতুর ধরন দ্বিতল বিশিষ্ট কংক্রিট এবং স্টিল দিয়ে নির্মিত সেতু।


পদ্মা সেতু দৈর্ঘ্য বিবেচনায় বিশ্বের কততম সেতু = পদ্মা সেতু বিশ্বে ১২২তম সেতু 


পদ্মা সেতুর কত কিলোমিটার =  পদ্মা সেতুর ৬.১৫ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত = পদ্মা সেতুর দৈঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতু উদ্বোধন = সেতুটি ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়


পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ =  পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ ২৫ জুন ২০২২ সাল


পদ্মা সেতুর খরচ কত =  পদ্মা সেতু ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা


পদ্মা সেতুর পিলার কয়টি = পদ্মা সেতুর পিলার রয়েছে ৪২টি


পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত = দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কি.মি. ও প্রস্থ ১৮.১০ মি,


পদ্মা সেতু কোন জেলায় অবস্থিত = মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরিয়তপুরের জাজিরা পয়েন্ট দিয়ে পদ্মা নদীর দুই প্রান্তকে যুক্ত করেছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। তাই বলা যায় পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জের ও শরিয়তপুর জেলায় অবস্থিত।


পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত =  প্রস্থ ১৮.১০ মি


পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত কোন দুটি জেলায় অবস্থিত = মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত = পদ্মা সেতু ১২৮ মিটার (৪২০ ফুট) গভীরতাযুক্ত বিশ্বের গভীরতম পাইলের সেতু । সূত্রঃ ইউকিপিডিয়া 


পদ্মা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয় = পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়


পদ্মা সেতু কোথায় অবস্থিত = মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরিয়তপুরের জাজিরা পয়েন্ট দিয়ে পদ্মা নদীর দুই প্রান্তকে যুক্ত করেছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। তাই বলা যায় পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জের ও শরিয়তপুর জেলায় অবস্থিত।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান জানুন


পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তের জেলার নাম কি = মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করেছে =   আমেরিকার মাল্টিন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম AECOM


পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত = পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা ৬০ ফুট।


পদ্মা সেতুর স্প্যান কয়টি = সেতুটিতে ৪১টি স্প্যান রয়েছে 


পদ্মা সেতুর ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রা কত = ভূমিকম্পন সহনশীল ৯ মাত্রা।


পদ্মা সেতুর খরচ কত = পদ্মা সেতু ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা


মাটির কত মিটার গভীরে গিয়ে পাইল বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুতে? পদ্মা সেতু ১২৮ মিটার (৪২০ ফুট) গভীরতাযুক্ত বিশ্বের গভীরতম পাইলের সেতু । সূত্রঃ ইউকিপিডিয়া 


পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার লম্বা = পদ্মা সেতু লম্বা ৬.১৫ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতুর কাজ কবে শুরু হয় = ২৬ নভেম্বর ২০১৪


পদ্মা সেতুর কাজ শেষ কবে হয়= ২৩শে জুন ২০২২


পদ্মা সেতু কয়টি জেলাকে সংযুক্ত করবে = পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলাকে সংযোগ করেছে।


পদ্মা সেতু এশিয়ার কততম সেতু = পদ্মা সেতু দক্ষিণ এশিয়ায় ৬ষ্ঠ।


পদ্মা সেতুর পিলার ও স্প্যান সংখ্যা = ৪১টি স্প‌্যান ও ৪২টি পিলার


পদ্মা সেতুর অর্থায়ন করেছে কোন দেশ = পদ্মা সেতু বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে করেছে।পদ্মা সেতু করতে কোন দেশের কাছ থেকে টাকা নেয় নি। পদ্মা সেতুর জন্য মোট বাজেট হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা।


পদ্মা সেতুর ১ম স্প্যান বসানোর দিন সেতু দৃশ্যমান হয় কোন তারিখে = ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭


পদ্মা সেতুতে কোন ধরনের রেল লাইনের সংস্থান আছে = ডুয়েল গেজ লাইন


পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে কতটি জেলাকে সংযুক্ত করবে = পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে ১৯টি জেলাকে সংযুক্ত করবে।


পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল কত বছর = পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল কত বছর ১০০ বছর


পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় = পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা


পদ্মা সেতু কোন বিভাগে অবস্থিত = ঢাকা বিভাগে অবস্থিত


পদ্মা সেতু কোন দুটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে = মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতুতে কাজ করা প্রথম বাঙালী মহিলা প্রকৌশলীর নাম কি = ইশরাত জাহান ইশি 

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান সকল পরীক্ষার 


পদ্মা সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী = চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিঃ


পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত = ২৬৪ টি।


পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত = ৬০ ফুট 


পদ্মা সেতুর প্রকল্পের জনবল কত = পদ্মা সেতুর প্রকল্পের জনবল প্রায় ৪ হাজার।


পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি = ৮১ টি।


পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত ফুট = ৩৮৩ ফুট।


পদ্মা সেতুর প্রতিটি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি করে করা হয়েছে = ৬ টি।


পদ্মা সেতু তৈরিতে কত কিলোমিটার এলাকা নদীশাসনের আওতায় আনা হয়েছে? দুই পারে প্রায় ১২ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতুর কয় লেন বিশিষ্ট = পদ্মা সেতুর ৪ লেন বিশিষ্ট


পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন করা হয় কোথায় = দ্বিতলবিশিষ্ট পদ্মা সেতুর উপর তলায় যানবাহন নিচ তলায় রেললাইন স্থাপন করা হয়।


পদ্মা সেতুর কি দিয়ে নির্মিত হয়েছে = পদ্মা সেতু দ্বিতলবিশিষ্ট যা কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হয়েছে।


বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু কোনটি = বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতুর নাম পদ্মা সেতু’।


পদ্মা সেতুর বিশেষ নকশা করা হয় কোথায় =  পদ্মা সেতুর বিশেষ নকশা করা হয় হংকংয়ে।


পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য কত সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয় = পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য ১১ সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়।


পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি কে = পদ্মা সেতু প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।


পদ্মা সেতু নির্মাণে কত দেশের উপকরণ ব্যবহার করা হয় = পদ্মা সেতু নির্মাণে ৬০ টি দেশের কোন না কোন উপকরণ ব্যবহার করা হয়।


পদ্মা সেতু কতটি দেশের মেধা ও শ্রম দিয়ে নির্মিত হয়েছে = পদ্মা সেতু ২০ টি দেশের মানুষের মেধা ও শ্রম কদিয়ে নির্মিত হয়েছে।


পদ্মা সেতুর অবস্থান ০৩ টি জেলায় মুন্সিগঞ্জ মাদারীপুর ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতু পার হতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত টাকা টোল দিয়েছেন = প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ১৮টি গাড়ি ছিল। পদ্মা সেতুতে ১৬ হাজার ৪০০ টাকা টোল দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে নিজের গাড়ির জন্য ৭৫০ টাকা টোল দিয়েছেন তিনি। সূত্রঃ প্রথম আলো


সূত্র: https://www.bdjobsplan.com/padma-bridge-general-knowledge/


গরু পালন

 আলহামদুলিল্লাহ ৪২ দিনে কেমন পরিবর্তন হয়েছে?

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিভাবে পরিচর্যা করা হয়েছে দেখতে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করুন Nadim Agro লিখে।

অথবা প্রোফাইলে ভিজিট করুন।  

অনেকে খাদ্য নিয়ে প্রশ্ন করবেন তাই আমি এক হাজার কেজি খাবার যেভাবে বানাই তার নিচে একটা লিস্ট করে দিলাম।


ভূট্টা ৪০০ কেজি 

ধানের কুড়া ২০০ কেজি

মসুরির ভূষি ১০০ কেজি

গমের ভুসি ১০০ কেজি

সয়াবিন খৈল ১০০ কেজি

সরিষা খৈল ১০০ কেজি

মোট ১০০০ কেজি


প্রতি এক হাজার কেজি খাবারের সাথে এই প্রয়োজনীয় মেডিসিন গুলো যোগ করি।


এমসিপি ১৫ কেজি

প্রিমিক্স ২.৫ কেজি

লাইমস্টোন ১৫ কেজি

ফাইটেজ জাইম ২.৫ কেজি

গ্রথ প্রমোটার ২ কেজি

ভিটামিন মিনারেল ২.৫ কেজি

ফ্যাট ২.৫ কেজি

সিআর ৫০০ গ্রাম

রুমেন ১ কেজি

লাইসিন ২.৫ কেজি

টক্সিন ২ কেজি

মেথিওনিন ২.৫ কেজি

সোডিয়াম বাই কার্নেট ২ কেজি

ফিশ প্রটিন ৩০ কেজি


যাদের গরু কম ১০০ কেজি খাদ্য তৈরি করবেন তারা এই সকল উপাদান এর ১০ ভাগের এক ভাগ দিবেন।


এভাবে খাদ্য তৈরি করার পর মোটাতাজা করার জন্য ষাঁড় গরু হলে প্রতি ১০০ কেজি ওজনের গরুর জন্য সারা দিনে খাবার দিবেন দেড় কেজি সকাল বিকাল মিলে। এবং শুকনো গাভী গরু হলে প্রতি ১০০ কেজি বডি ওয়েটের গরুর জন্য ২ কেজি খাদ্য দিবেন সারা দিনে।


এছাড়া মেডিসিন গুলো খুঁজে না পেলে যোগাযোগ করতে পারেন 01872558444(WhatsApp)


পোস্টটা শেয়ার করে রেখে দিন যাতে প্রয়োজনের সময় খাদ্য তৈরি করতে পারেন ও মেডিসিন গুলো খুঁজে পেতে পারেন ধন্যবাদ।



একটি ভুল প্রচারের নিরসন,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি_ভুল_প্রচারের_নিরসনঃ-


গিরিশ চন্দ্র সেন বাংলা ভাষায় কোরআন শরীফের অনুবাদক নয়। 

_______________

সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া।


এরপর বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন মৌলভী নাঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে।


গিরিশ চন্দ্র সেন শুধু উক্ত অনুবাদকে পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেছেন, গিরিশ চন্দ্র হচ্ছেন প্রকাশক। তাও অনেক পরে, ১৮৮৬ সালে।


সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র নন, বরং মৌলভী নাঈমুদ্দীনই পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক।


আর মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন মাজীদের আংশিক অনুবাদক।


গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মেরও আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন মাজীদের বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া।


এরপর গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের একবছর পরই অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।


আরবি জানেন না, আরবি ব্যাকরণ জানেন না-

এমন ব্যাক্তি কুরআন অনুবাদ করেছে এমন প্রচার মুর্খতা।


বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল।


গোঁড়া হিন্দু  গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত।


তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন।


কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথা থেকে! তিনি ফারসী ভাষায় পন্ডিত ছিলেন।


 মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের প্রকাশ করলেন প্রকাশক হয়ে। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন মাজীদের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার প্রকাশিত কুরআন মাজীদ।


এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন মাজীদের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন গিরীশ চন্দ্র সেন।


 আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি।


গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি  করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রাহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।


মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।


এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেন নি॥ 


[ যত পরিমানে সম্ভব পোস্টটি শেয়ার করুন অনেকেই ভুলের মধ্যে ডুবে আছে তাদের কে জানার সুযোগ করে দিন]


তথ্যসুত্রঃ

ইন্টারনেট ও অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন মিডিয়া।


#দৈনিক_সংগ্রামঃ ২১ শে জুলাই,২০১৮.


#দৈনিক_ঢাকা পোস্টঃ ৭ই সেপ্টেম্বর,২০১৮.


#জিব্রাইলের_ডানাঃ ১লা মার্চ,২০০৯.


#বিডি_আল_কোরআনঃ ৪ঠা এপ্রিল,২০১৩.

#সাইবার_মোজাহিদঃ  জানুয়ারি,২০১৮.


#মাসিক_মদিনাঃ আগস্ট,২০০৪.

প্রশ্নোত্তর পর্ব,পৃষ্ঠাঃ ৪৭.


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফ্রুট কাস্টার্ড" প্রয়োজনীয় উপকরণ:,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রেসিপি সমাহার

"ফ্রুট কাস্টার্ড"

প্রয়োজনীয় উপকরণ:


★ডিম -১টি।

★দুধ ৪ কাপ।

★কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামুচ।

★চিনি- ১কাপ।

★ভেনিলা এসেন্স-১ চা চামুচ।

★আম- কিউব করে কাটা হাফ কাপ।

★আপেল- কিউব করে কাটা হাফ কাপ।

★কলা- কিউব করে কাটা হাফ কাপ।

★কালো আঙুর- ২ ভাগ করে কাটা হাফ কাপ।

★আনার-হাফ কাপ। 

যেভাবে করতে হবে ঃ-- 

চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে দিয়ে দিতে হবে দুধ। দুধ গরম হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে চিনি।  একটা ডিম ভালোভাবে ফেটিয়ে দুধে দিয়ে নাড়তে হবে। 

 এবার কাপে ৪ ভাগের এক ভাগ পানি নিয়ে তাতে কাস্টার্ড পাউডার মিশিয়ে দুধে ঢেলে দিয়ে ২/৩ মিনিট নাড়তে হবে।ফুটে উঠলেই চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।  সব ফল আর ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

ঠাণ্ডা হলে ১৫/২০মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিলেই পরিবেশনের জন্য তৈরি হয়ে যাবে-

ফ্রুট কাস্টার্ড।

এটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০২-০৩-২০২৪,,,,,

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০২-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:…


আজ ঢাকায় শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসকদের চারদিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলছে সরকার - বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট এর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


রাজধানীর বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য ১৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন - জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


জলবায়ু পরিবর্তনে স্থানচ্যুতদের জাতিসংঘের অভিবাসী সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্তির আহবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


গাজায় বিমান থেকে মানবিক ত্রাণের প্রথম চালান ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।


কাঠমাণ্ডুতে সাফ অনুর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে শুভ সূচনা বাংলাদেশের।


জেনে নিন হলুদ চাষের সঠিক পদ্ধতি,,,,

 জেনে নিন হলুদ চাষের সঠিক পদ্ধতি

--------------------------------------------------

হলুদ বা হলদি হলো হলুদ গাছের শিকড় থেকে প্রাপ্ত এক প্রকারের মসলা। ভারত, বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রান্নায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সঠিক পদ্ধতিতে হলুদের চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।


তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক হলুদের সঠিক চাষ পদ্ধতি :


জমি ও মাটি নির্বাচন: 

সব ধরনের মাটিতে হলুদ চাষ করা যায়। তবে দো-আঁশ ও বেলে-দো-আঁশ মাটি হলুদ চাষের জন্য অতি উত্তম।


বীজ বপন: 

চৈত্র মাস কন্দ লাগানোর উপযুক্ত সময়। সাধারণতঃ ১৫-২০ গ্রাম ওজনের ১-২টি ঝুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ লাগাতে হয়। ৫০ সে.মি. দূরে দূরে সারি করে ২৫ সে.মি. দূরে দূরে ৫-৭ সে.মি. গভীরে কন্দ লাগাতে হয়। প্রতি হেক্টরে ২৫০০ কেজি কন্দ প্রয়োজন হয়। কন্দ লাগানোর পর ভেলী করে দিতে হয়।


জাত পরিচিতি: 

ডিমলা ও সিন্দুরী নামে বাংলাদেশে দু’টি উন্নত জাত রয়েছে। ডিমলা জাতটি স্থানীয় জাতের তুলনায় ৩ গুণ ফলন বেশী দেয়।


সার প্রয়োগ ও ব্যবস্থাপনা: 

জমির উর্বরতার উপর সারের পরিমাণ নির্ভর করে। সাধারণতঃ প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ হলোঃ গোবর ৪-৬ টন, ইউরিয়া ২০০-২৪০ কেজি, টিএসপি ১৭০-১৯০ কেজি, এমওপি ১৬০-১৮০ কেজি, জিপসাম ১০৫-১২০ কেজি ও জিংক সালফেট ২-৩ কেজি। জমি তৈরির সময় সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক সালফেট ও ৮০ কেজি এমওপি সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়।


কন্দ লাগানোর ৫০-৬০ দিন পর ১০০-১২০ কেজি ইউরিয়া ভেলী হালকাভাবে কুপিয়ে প্রয়োগ করে আবার ভেলী করে দিতে হয়। ১ম কিস্তি-র ৫০-৬০ দিন পর দ্বিতীয় কিস্তির- এবং আরও ৫০-৬০ দিন পর তৃতীয় কিস্তি-র সার উপরি প্রয়োগ করতে হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তি-র উপরি সার হিসেবে প্রতি হেক্টরে প্রতিবারে ৫০-৬০ কেজি ইউরিয়া ও ৪০-৪৫ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করতে হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তি-র সার সারির মাঝে প্রয়োগ করে কোঁদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে এবং সামান্য মাটি ভেলীতে দিতে হবে।


ফসল সংগ্রহ: 

সাধারণত লাগানোর ৯-১০ মাস পর পাতা শুকিয়ে গেলে হলুদ সংগ্রহ করা হয়। প্রতি হেক্টরে ২৫-৩০ টন কাঁচা হলুদ পাওয়া যায়।


জেনে নিন হলুদ চাষের সঠিক পদ্ধতি শিরোনামে লেখাটির তথ্য কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


👉পোস্ট ভালো লাগলে শেয়ার করুন অনেকের উপকারে আসবে।


কারো বাসায় গেলে পাঁচ পদ নিয়ে যাওয়া এবং কেউ বাসায় এলে দশ পদ রান্না করার কালচার থেকে বের হতে না পারলে আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যকার স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করা কঠিন

 কারো বাসায় গেলে পাঁচ পদ নিয়ে যাওয়া এবং কেউ বাসায় এলে দশ পদ রান্না করার কালচার থেকে বের হতে না পারলে আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যকার স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করা কঠিন।


মধ্যবিত্ত পরিবারে এক কেজি আঙ্গুরের চেয়ে এক ডজন ডিমের প্রয়োজনীয়তা বেশি। জাপানিরা কারো সাথে দেখা করতে গেলে এক কেজি চাল নিয়ে যায় উপহার হিসেবে। ওদের প্রধান খাদ্য ভাত, আমাদেরও ভাত। তাহলে আমরা চাল নিয়ে গেলে সমস্যা কোথায়?


যিনি বা যারা বেড়াতে যাচ্ছেন তারা যদি ঐ বেলার বাজারটাই করে নিয়ে যান সবচেয়ে ভালো হয়। সেগুলোই রান্না হবে। মেহমান এবং গৃহস্থী কারোই সমস্যা হবে না, কষ্ট হবে না। বাসায় দুটো বাচ্চা থাকলে সাথে পাঁচ টাকা দামের দুটো চকলেট নিয়ে যান, কোনো সমস্যা নেই।


যারা দশ পদ রান্না করেন এবং যারা দশ পদের রান্না না দেখলে মনে করেন সমাদর করা হয়নি—সবারই মনে রাখা উচিত তৃপ্তি ভরে খাওয়া যায় দুই পদ। আরেকটা পদ যোগ হতে পারে আগে বা পরে সাপ্লিমেন্টারি হিসেবে।


এই কালচার প্রোমোট করার ক্ষেত্রে তরুণদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। যারা একটা কালচারে তাদের জীবন শেষ করে দিয়েছেন প্রায়, তাদের পক্ষে অন্য কিছু ভাবা সম্ভব নয়।

অনুশ্রী তনু, আলী আরেফিন মুহাম্মাদ।,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অনুশ্রী তনু,

আলী আরেফিন মুহাম্মাদ। 


বিধিবদ্ধ জীবনে 

আমি ভালো নেই

শুকনো পাতার মতো মরমরে হয়ে রোজ ভাঙছি

কুড়ে কুড়ে মরছি প্রতিনিয়ত।

অনেক বেশী সুখের খোঁজে

আমার কুঠি ঘর ছেড়ে

তুমি চলে যাওয়ার পর 

নতুন প্রাসাদ গড়েছো ভুমদ্য পাড়ে,

নতুন আকাশ ঘিরে 

জানি ভালো আছো।

কিন্তু বিশ্বাস করো!

 তুমি চলে যাওয়ার পর আমি 

বিন্দুমাত্র বিচলিত হইনি,

আমি বিরহে জ্বলছি,

তাইবলে

নিজেকে আর বিকিয়ে দিই না

তুমি চলে যাওয়ায় আমিও ভালো আছি,

হয়তো আমার প্রাসাাদ নেই

তবুও খর কঠোরের কুঠি ঘরে

একলাই থাকি

একলাই আছি বেশ।

রোজ এখন আর দেখতে হয় না আমার

আমাকে ফাঁকি দিয়ে তোমার আণবাড়ি যাওয়া

আমাকে শান্তনার ভাঁজে

আরতির থালা সাজিয়ে 

তোমাকে অন্য ভাবতে

আমার আর দেখতে হয় না,

আমার দেয়া নুপুর পড়ি

ভিনের চাঁপা খোঁপায় গাঁথি

তোমার আনমনা রুপের ঝলক 

এখন আর আমার দেখতে হয় না।

আমার কঠোরে আমি 

এখন একলাই থাকি

একলাই আছি বেশ।।


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...