এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

জন্মদিন পালন করা"

 "জন্মদিন পালন করা"

🚫

কোনো মুসলমানের সংস্কৃতি হতে পারে না

বরং,,, 

এগুলো ইহুদি ও বিধর্মীদের সংস্কৃতি।

*

ফেসবুকে আসলেই দেখা যায় "জন্মদিনের পোস্ট"

জন্মদিন মানেই- নির্ধারিত মাসের, নির্ধারিত তারিখে কেক কেটে মোমবাতি জ্বালিয়ে উৎসব পালন করা

যা......

ইসলাম কখনো এর বৈধতা দেয়নি

কিন্তু,,,, 

আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে জন্মদিনের উৎসব পালন করা হচ্ছে।

....

মূল বিষয় হচ্ছে....

ইসলাম ধর্মকে শেষ করে দেওয়ার জন্য এক শ্রেণীর কুলাঙ্গার'রা ইহুদি, বিধর্মীদের তৈরি রীতি নীতিকে মুসলমানদের মাঝে তৈরি করে দিয়েছে।

তাই সাবধান

⚠️

জন্মদিন মুসলমানদের দৃষ্টি কালচার নয়

বরং,,, 

ইসলামে জন্মদিন পালন করা হারাম।

....

ইসলামকে জিন্দা করার জন্য প্রয়োজনে আল্লাহর জমিনে রক্ত ঢেলে দিতে রাজি আছি 

কিন্তু,,,,, 

ইহুদিদের তৈরি কোনো দৃষ্টি কালচারকে আমরা পাত্তা দিবো না। 


কে কে রাজি আছেন মুসলমান...?

দু'হাত তুলে আল্লাহকে দেখান 

🖐️🖐️


জীবনের হিসেব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 - ভোর ৫ টায় মৃ*ত্যু। ⚰️

- সকাল ৬টায় জানিয়ে দেওয়া হবে মাইকে।

- ৮ টায় শেষ গোসল করানো হবে।

- ৯টায় তোমাকে নতুন কাপড়ে সাজানো হবে।

- যোহর নামাজ পরে তোমার আলিশান বাড়ি

থেকে বের করে নেওয়া হবে। 

- ২টায় তোমার জানাযার নামাজ পড়ানো হবে।

- ২:৩০ তোমাকে মাটিতে দাফন করে দেওয়া হবে। 

- মাটি দেওয়া শেষে কেউ তোমার জন‍্য দোয়া করবে।

- আর কেউ চলে আসবে। 

- এইতো তোমার জিবনের শেষ আয়োজন! 

তো কিসের এতো অহংকার হ্যাঁ? 


ভুলে যাও তোমার সব রঙিন স্বপ্ন, ফিরে আসো রবের দিকে। তোমার শেষ ঠিকানা এই সাড়ে ৩ হাত মাটিই!


আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন-আমিন

Message_চিঠি #Heedi

একটি বিজ্ঞাপন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ  : ফ্রুট ফ্লাই

❌ফসলে আর নয় কীটনাশক এর ব্যবহার। 

🦟🪰 মাছিপোকা ,ভোমর পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনের কার্র্য্যকারী ফাঁদ। 

☎ Hotline : 01770 144199

 👨‍🎤এবার হবে স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক মুক্ত সবজি ও ফল চাষ ।

 মাছি পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা কোনো কীটনাশকেই মরে না ।

 এই পোকা কে ফসলের যম বলে। 

 🌳🍎🍆সকল প্রকার  সবজি জাতীয় গাছের  জন্যঃ ( টারজান মিলন ফ্লাই)।

 বেগুন ,মিষ্টি কুমড়া ,ধুন্দল ,লাউ ,করলা ,শসা ,চিচিঙ্গা ,ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

🌳🥭🍒সকল প্রকার ফল জাতীয় গাছের  জন্যঃ টারজান (ফ্রুটস   ফ্লাই ফাঁদ)।

আম, লিচু, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, তরমুজ, লেবু, কামরাঙা, 'বাঙ্গী' ইত্যাদি।

 👉মাছি পোকা ,ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ১০০% কার্যকরী সমাধান। 

👉টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ দিবে এবার বিষমুক্ত ফসল উপহার।

 ❌তাই আমরা না করি আর কীটনাশকের ব্যবহার।

 🏪আপনি ছাদে বাগান করছেন ?ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করুন। 

 🏡বিভিন্ন বাসা বাড়ির ছাদে যেখানে ফল ও সবজির চাষ রয়েছে সেখানেই খুব সহজে ব্যবহার করা যাবে।

 🤷‍♂️এই ফাঁদ ব্যবহার করা খুব সহজ। 

 👉কোন প্রকার সাবান পানি ব্যবহার করতে হয় না। 

 ফ্রিজে রাখতে হয় না। 

 👉কমপক্ষে ৬০ দিন সমান ভাবে পোকা মরবে।

চাষি ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 ’‘পৃথিবী’ আছে শুধু একটি।

আসুন সবাই মিলে এর যত্ন নিই।”

🍈🍇বারোমাসি আম গাছের চারা 🥭🌳


#কাটিমন আম🥭 বারমাসি 

কাটিমন আম বারমাসি একটি থাইল্যান্ডের ভ্যারাইটি আম। যা খেতে খুব সুমিষ্ট ও সুস্বাদু।  এই আম বছরে তিন বার ফল দেয়। তাই গাছে সারা বছর ই ফুল ও ফল পাওয়া যায়। 

#বি.দ্রঃ- #কাটিমন আম #ছাদ বাগানের জন্যও বিশেষ উপযোগী। 

#কাটিমন_আমের _৫টি চারাগাছ ক্রয় করলেই পাবেন #১টি চারাগাছ একদম#ফ্রি অথবা কুরিয়ার খরচ ফ্রী। #কাটিমন_আম🥭 গাছ

✨দামঃ ৩০০/৬০০টাকা প্রতি পিচ চারা

মুকুল সহ 

#চায়না ড্রপ আম গাছ🥭

✨দামঃ৩০০টাকা প্রতি পিচ চারা

মুকুল সহ

#বারি ১১আম গাছ🥭

✨দামঃ ৩০০টাকা প্রতি পিচ চারা

মুকুল সহ 

অর্ডার করতে কল করুন

☎️ 01737436494

অথবা মেসেজ দিন 

🎍কাটিমন আমের বৈশিষ্ট্য

♦️এই জাতে প্রচুর আম ধরে।

♦️একই গাছে একসাথে মুকুল,ছোট,মাঝারি,বড়,পাকা আম থাকে বা যে কোন পর্যায়ের মুকুল /আম থাকে।

♦️এই গাছে নতুন কুশি ছাড়লেই মুকুল আসে।

♦️এর কোন সিজন আর অফ সিজন নেই। 

♦️এইজাতের আম কাঁচাখেতে মিষ্টি(টক না) এর মত এবং পাঁকা খুবই মিষ্টি।

♦️আমের আটি তুলনামূলক ছোট। 

♦️প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।

♦️ছাদে মাটির বড়ো টবে বা ড্রামে রোপণের জন্য উপযোগী!

আমাদের সার্ভিস সমূহ:-

♦️শত ভাগ প্রোডাক্ট কোয়ালিটি নিশ্চয়তা

♦️**ফ্রি রিপ্লেসমেন্ট(**৩০দিনের মধ্যে) 

♦️ফাস্ট ডেলিভারি

♦️সার্বক্ষণিক কল সার্ভিস

♦️গাছের রোগবালাই দমনে পরামর্শ প্রদান করা

#কাটিমন_আমের _৫টি চারাগাছ ক্রয় করলেই পাবেন #১টি চারাগাছ একদম#ফ্রি

⭕আপনাদের পছন্দের চারাগাছ ক্রয় করতে যোগাযোগ করুন ( ☎️ 01737436494 অথবা আমাদের  ইনবক্সে 📩মেসেজ দিন.... 

🚛 আপনার অর্ডার করা চারাগাছ সুন্দরবন/ ইউ এসবি/ করোতোয়া কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে

‘ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পৌঁছে দিবে আপনার নিকটস্থ শাখায় । 

⭕কুরিয়ারের কিছু নিয়ম:

♦️একটি গাছ কুরিয়ার করা হয় না।

♦️যে কোনো গাছ দুইটি কুরিয়ার করা হয়।

♦️কুরিয়ার চার্জ ক্রেতাকে বহন করতে হয়

সকল প্রকার কৃষি পণ্য ও পরামর্শ পেতে

যোগাযোগ করুন : 01737436494

পুঠিয়া রাজশাহী- ৬২৬০

#বারি 11 🥭

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত একটি আমের জাত হল বারি–১১। নতুন এই বারি-১১ জাতের আমটির ফলন পাওয়া যাচ্ছে সারাবছর ধরে। স্বাদ, বর্ণ ও গন্ধে অতুলনীয় একটি সুমিষ্ট আমের জাত বারি-১১। এই জাতের একটি গাছ থেকে বছরে ৩ বার ফলন পাওয়া যায়।

#চাইনা ড্রপ 🥭


[বি.দ্র.: সব সময় আমাদের কাছে মুকুল বা ফল ধরা গাছ থাকে না তাই অর্ডার করার পূর্বে অবশ্যই আমাদের পেইজে এস এম এস করে বা কল করে জেনে নিবেন)     

🍊ভিয়েতনামি বারোমাসি মাল্টা ফুল সহ 

দাম:৪০০টাকা পিচ

🍅সুপার ভাগুয়া আনার

দাম:৬০০টাকা পিচ

🎋পাকিস্তানি আনার 

দাম ৩০০টাকা পিচ

🎋স্টবেরী পেয়ারা 

দাম:৫০০টাকা পিচ

🎋লিচু 

দাম: ৩০০/৬০০টাকা পিচ

🎋কাজুবাদাম 

দাম:৬০০টাকা পিচ

🎋বারোমাসি আমড়া ফুল সহ

দাম:৩০০টাকা পিচ

🎋বারোমাসি কমলা

দাম:৩০০টাকা পিচ

🎋মালবেরী 

দাম: ৫০০টাকা পিচ

🍈ভেরিকেট মাল্টা 

দাম: ৫০০টাকা পিচ

🍊চায়না কমলা 

দাম: ৩০০টাকা পিচ

🎋বারোমাসি কাঁদবেল 

দাম: ৩০০টাকা পিচ


♻️♻️♻️♻️♻️♻️

আমাদের কাছে পাচ্ছেন ২৫০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি চারা।

🔰 আপডেট গাছের চারার লিস্ট 🗣️

🍁বিদেশি আম গাছ:

🍁 চিয়াংমাই (চাইনিজ)= ৭০০৳

🍁আলফানসো  (ভারতীয়)= ৬৫০৳

🍁ব্রুনাই কিং  (ব্রুনাই)= ৭০০৳ (৪-৪.৫ কেজি ওজন হয়)

🍁 মিয়াজাকি (জাপানি)= ৬৫০৳

🍁 রেড পালমার (আমেরিকান)= ৫৫০৳

🍁 কিউজাই (থাইল্যান্ড)= ৪০০৳

🍁ব্যানানা ম্যাংগো (থাইল্যান্ড)= ৪০০৳

🍁 ডকমাই (থাইল্যান্ড)= ৬০০৳

🍁ব্ল্যাকস্টোন (আমেরিকান)= ৭০০৳

🍁 হানি ডিউ (থাইল্যান্ড)= ৬৫০৳

🍁 চৌষা (ভারতীয়)= ৪৫০৳

🍁আম্রপালি  (ভারতীয়)= ৩০০৳

🍁 আপেল ম্যাংগো হাইব্রিড (জাপানি)= ৬৫০৳

🍁কাটিমন — বারোমাসি (থাইল্যান্ড)= ৩৫০৳

🍁থ্রি-টেস্ট আম (৩ রকম স্বাদ-বিশিষ্ট আম)= ৬৫০৳

🍁 কিং অব চাকাপাত (থাইল্যান্ড)= ৬৫০৳

🍁 চায়না ড্রপ আম — বছরে ২ বার (চাইনিজ)= ৩০০৳

🥭🥭🥭

বিদেশি আম গাছ (বারোমাসি):

👉কাটিমন(থাইল্যান্ড)= ৩৫০৳

👉চায়না ড্রপ (চাইনিজ)= ৩০০৳

🫒🫒🫒

দেশি আম গাছ:

 👉ফজলি = ৩০০৳

👉 লক্ষণভোগ বা লখনা= ৩০০৳

👉 ল্যাংড়া = ৩০০৳

👉হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত= ৩০০৳

👉 হাঁড়িভাংগা = ৩০০৳

👉তোতাপুরী = ৩৫০৳

👉রানীপ্রসাদ বা রানীপছন্দ = ৩০০৳

👉 বারি-৪  (হাইব্রিড)= ৩৫০৳

👉বারি-১১  (বারোমাসি)= ৩৫০৳

👉 গোপালভোগ = ৩০০৳

👉 আশ্বিণা = ৩০০৳

👉 চন্দ্রমল্লিকা = ৩০০৳

👉 গৌড়মতি = ৩০০৳

 👉আম রুপালী = ৩০০৳

 🌳🌳🌳

দেশি আম গাছ (বারোমাসি):

👉 বারি-১১ আম = ৩৫০টাকা প্রতি পিচ

♻️বিদেশি ফল গাছঃ

১/ পার্সিমন বা কাকি= ১৫৫০৳ (জাপানের জাতীয় ফল)

২/ লাল কাঁঠাল= ৬০০৳ (ভিয়েতনামী)

৩/গোলাপী কাঁঠাল (ভিয়েতনামী)= ৬০০৳

৪/ মিরাকেল ফ্রুট/বেরি (আফ্রিকান)= ১৮০০৳

৫/ লাল জাম্বুরা (থাইল্যান্ড)=৮০০৳ (খোসা এবং ভিতরে লাল)

৬/ থাই লঙ্গান= ১৭০০৳

৭/ মাঙ্গোস্টিন ফল গাছ (মালয়েশিয়ান)= ১২৫০৳

৮/করোসল ফল গাছ (আমেরিকান)= ১২০০৳ (ক্যানসার প্রতিরোধী ফল)

৯/এগফ্রুট (থাইল্যান্ড)= ১২০০৳ (ডিমের মতো ফল)

১০/ নাসপাতি🍐 (ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া)= ৬৫০৳

১১/ আপেল গাছ🍎= ১৫০০৳ (প্রতিটি জাত—হরিমন-৯৯, সামার, অস্ট্রেলিয়ান সামার গ্রীণ🍏, কাশ্মীরি, আন্না, গোল্ডেন ডোরসেট) 

১২/চেরি গাছ🍒 (জ্যামাইকান)= ১৪০০৳

১৩/ এপ্রিকট ফল গাছ= ১০০০৳

১৪/ বার্বাডোস চেরি গাছ🍒 (আমেরিকান)= ৮৫০৳

১৫/রাম্বুটান ফল গাছ (মালয়দ্বীপ/থাই)= ১২৫০৳

১৬/ ডুরিয়ান ফল গাছ= ১৫০০৳ (মালয়েশিয়ান জাতীয় ফল)

১৭/ এ্যাভোক্যাডো ফল গাছ🥑 (আমেরিকান)= ১৬০০৳

১৮/ আলুবোখারা ফল গাছ= ৫৫০৳

১৯/ স্ট্রবেরি পেয়ারা (ব্রাজিল) হলুদ গাছ= ৫৫০৳

২০/স্ট্রবেরি পেয়ারা (ব্রাজিল) লাল গাছ= ৫৫০৳

২১/ স্ট্রবেরি পেয়ারা (ব্রাজিল) পার্পেল গাছ= ৫৫০৳

২২/ থাই মিষ্টি তেতুল= ৩৫০৳

২৩/ ব্ল্যাকবেরি ফল= ১০০০৳

২৪/ মালবেরি বা তুঁত ফল (থাই)= ৫৫০৳

২৫/ ভেরিগেট পেয়েরা= ২৫০৳

২৬/ থাই ছবেদা= ৩০০৳

২৭/ মিসরিয়ান ডুমুর= ৯০০৳

২৮/ সাদা আঙ্গুর= ২০০-১২০০৳

২৯/ লাল আঙ্গুর (মিষ্টি)= ১২০০৳

৩০/ কালো আঙ্গুর (মিষ্টি)🍇= ১২০০৳

৩১/ থাই করমচা (মিষ্টি)= ৩৫০৳

৩২/ জয়তুন গাছ= ১৪০০৳

৩৩/ ভেরিগেড মাল্টা= ৩৫০৳

৩৪/ আনার গাছ (পাকিস্তানি)= ৩০০৳

৩৫/ কলা গাছ (লাল)= ৫৫০৳ (টিস্যু কালচার চারা)

৩৬/ থাই জাম্বুরা= ৮০০৳ (বড়ো ও মিষ্টি সাইজের জাম্বুরা)

৩৭/ কাজুবাদাম গাছ🫘= ৫৫০৳

৩৮/ সুদানি আতাফল= ৪৫০৳ (ওজন ১ কেজির বেশি হয়)

৩৯/ গোলাপজাম= ৩৫০৳ (রাজকীয় ফল গাছ) 

৪০/পিচ ফল গাছ= ১০০০৳

৪১/ আরবিয়ান খেজুর= ৬৫০৳

৪২/ সুপারি— হাইব্রিড = ৬০৳

৪৩/ রুলেনিয়া আতা =১০০০৳

🌳🌳🌳

দেশি ফল গাছ:

১/ বারি পেয়ারা-৪= ৩০০৳ (বীজমুক্ত)

২/ লিচু= ৩৫০৳ (৩ প্রজাতির লিচু)

৩/ কলা= ১৫০৳ (সকল জাতের)

 ৪/হাইব্রিড সুপারি= ৬০৳

৫ জলপাই= ৩০০৳

৬/ দেশি সফেদা= ৩০০৳

৭/ করমচা=৩৫০৳

৮ লটকন= ৩০০৳

৯/ দেশি মিষ্টি জাম্বুরা=২০০ ৳

১০/ টক তেতুল= ১০০৳

১১/ ড্রাগন= ১০০-১২০০৳ (৩ জাতের)

১২/ হাইব্রিড কতবেল= ২০০৳

১৩/ কুল= ১২০৳ (৩ জাতের)

১৪/ থাই পেয়ারা= ১০০৳ (৩ জাতের) 

১৫/ লেবু= ১৫০৳ (৩ জাতের)

১৬/ কামরাঙ্গা= ৩০০৳

১৭/ বারোমাসি আমড়া= ৩০০৳

১৮/বেদেনা= ৩০০৳

১৯/ ডালিম= ১৫০৳

২০/ বিলাতি গাব= ২৫০৳

২১/ আতা= ২৫০৳

২২/ বেল= ৩৫০৳

২৩/কাঁঠাল= ২৫০৳

২৪/দার্জিলিং কমলা= ৪৫০৳

২৫/ চায়না কমলা= ৩৫০৳

২৬/নাগপুরি কমলা= ৩৫০৳

২৭/ মাল্টা বারি-১= ২৫০-৭০০৳

২৮/ বিলিম্বি= ৭০০৳

২৯/সাতকড়া= ৩৫০৳

৩০/ জারালেবু= ৩৫০৳ (৪ কেজি ওজন হয়) 

৩১/ সুইট লেমন= ৩৫০৳ (মিষ্টি লেবু)

🌳🌳মসলা গাছঃ

১/ এলাচ= ৩০০৳

২/জয়ফল-জয়ত্রি= ৯৫০৳

৩/গোলমরিচ= ৮০০৳

৪/ লবঙ্গ= ৮০০৳

৫/ তেজপাতা= ৩০০৳

৬/ দারুচিনি= ৩০০৳

৭/ অলস্পাইস (জয়ফল-জয়ত্রি-লবঙ্গ-দারুচিনি-গোলমরিচ—সব ঘ্রাণ একসঙ্গে! একই গাছে)= ৬৫০৳ প্রতি পিচ



চাষি ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

লিচুর মুকুল রক্ষা করতে করণীয়??,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লিচুর মুকুল রক্ষা করতে করণীয়??


লিচু গাছে মুকুল আসার আগে থেকে ফল আসা পর্যন্ত প্রায় ৩ মাস সঠিক পরিচর্যা করলে লিচুর ভালো ফলন পাওয়া যায়।


* গাছে মুকুল আসার আগে প্রথম বার, 

গাছে যখন ফল মটরদানার সমান হবে তখন দ্বিতীয় বার 

এবং মার্বেল আকার ধারণ করলে ৩য় বার এক্সট্রা পাওয়ার  ( ১লিটার পানিতে ২ মি.লি) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


* লিচু গাছে মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে

ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন জাতীয় কোনো কীটনাশক ( ফাইটার/ ফাইটার প্লাস/ রীভা ২.৫ ইসি) ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া কার্বেন্ডাজিম জাতীয় একটি ছত্রাকনাশক (আটোস্টিন/নোইন/বেনডাজিম/ ফরআষ্টইন/  ২ গ্রাম/লিটার পানি/এমকোজিম ১ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


* ফল বৃদ্ধির সময় রি-জিংক গোল্ড  ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ সপ্তাহ পর পর গাছে স্প্রে করলে গাছে ফল ফাটা ও ফল ঝরা সমস্যা দূর হওয়াসহ এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।


* প্রচণ্ড তাপমাত্রা ও হঠাৎ বৃষ্টির জন্য ফল ফেটে যায়। রত্ন বোরণ (সলুবর বোরন) ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫-৭ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করতে হবে।


* বৃষ্টি না হলে পানি সেচ দিতে হবে। লিচুর গুচ্ছ ব্যাগিং করলে ফলের মান ভালো হয়।




ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো: 

 ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো: 

১. হাওরা ব্রীজ, হাওরা 

২. ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পার্ক 

৩. সায়েন্স সিটি 

৪. নিউমার্কেট এরিয়া, নিউ মার্কেট 

৫. কফি হাউজ, নিউ টাউন 

৬.  ইকো পার্ক, নিউ টাউন 

৭. ইন্ডিয়ান জাতীয় জাদুঘর, নিউ টাউন 

৮. ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, নিউ মার্কেট 

৯. জোড়া সাকো - রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। 

১০. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বড় বাজার।  

১১. নাখোদা জামে মসজিদ, বড় বাজার। 

১২. বিশ্ব বাংলা গেট রেস্টুরেন্ট, নিউ টাউন 

১৩. রবীন্দ্র তীর্থ, বিশ্ব বাংলা গেট।  

১৪. বড় বাজার পাইকারি মার্কেট।  

১৫. ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম সেন্টার

১৬. ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম। 

১৭. জেমস প্রিনসেপ ঘাট, স্ট্রান্ড রোড 

১৮. মিলেনিয়াম পার্ক, স্ট্রান্ড রোড 

১৯. সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল,

২০. বিড়লা মন্দির, বালিগঞ্জ।

২১. কালিঘাট মন্দির, কালিঘাট 

২২. এম-পি বিড়লা তারামন্ডল 

২৩. বিড়লা ইন্ড্রস্ট্রিয়াল মিউজিয়াম 

২৪. আলিপুর চিড়িয়াখানা 

২৫. ইন্ডিয়ান কফি হাউস, কলেজ পাড়া/রোড 

আপনার পেশা যাইহোক, ভ্রমণ হোক আপনার নেশা 

ধন্যবাদান্তে Sayeed The Traveler



পদ্মা সেতু (Padma Bridge):,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পদ্মা সেতু (Padma Bridge):

দৈর্ঘ্য বিবেচনায় বিশ্বে পদ্মা সেতুর অবস্থান ১২২তম সেতু এবং এই সেতু বাংলাদশের সবচেয়ে বড় সেতু। পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটারএবং প্রস্ত প্রস্থ ১৮.১০ মি.। পদ্মা সেতুর পিলার রয়েছে ৪২টি ও স্প‌্যান রয়েছে ৪১টি । পদ্মা সেতু ১২৮ মিটার (৪২০ ফুট) গভীরতাযুক্ত বিশ্বের গভীরতম পাইলের সেতু ।


স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান:


পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কি = পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।


পদ্মা সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক চুক্তি কখন হয় = বাংলাদেশ সরকার এবং চিনা চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির সাথে ১৭ই জুন, ২০১৪ইং সালে চুক্তি হয়।


পদ্মা সেতুর ধরন কি = পদ্মা সেতুর ধরন দ্বিতল বিশিষ্ট কংক্রিট এবং স্টিল দিয়ে নির্মিত সেতু।


পদ্মা সেতু দৈর্ঘ্য বিবেচনায় বিশ্বের কততম সেতু = পদ্মা সেতু বিশ্বে ১২২তম সেতু 


পদ্মা সেতুর কত কিলোমিটার =  পদ্মা সেতুর ৬.১৫ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত = পদ্মা সেতুর দৈঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতু উদ্বোধন = সেতুটি ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়


পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ =  পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ ২৫ জুন ২০২২ সাল


পদ্মা সেতুর খরচ কত =  পদ্মা সেতু ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা


পদ্মা সেতুর পিলার কয়টি = পদ্মা সেতুর পিলার রয়েছে ৪২টি


পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত = দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কি.মি. ও প্রস্থ ১৮.১০ মি,


পদ্মা সেতু কোন জেলায় অবস্থিত = মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরিয়তপুরের জাজিরা পয়েন্ট দিয়ে পদ্মা নদীর দুই প্রান্তকে যুক্ত করেছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। তাই বলা যায় পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জের ও শরিয়তপুর জেলায় অবস্থিত।


পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত =  প্রস্থ ১৮.১০ মি


পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত কোন দুটি জেলায় অবস্থিত = মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত = পদ্মা সেতু ১২৮ মিটার (৪২০ ফুট) গভীরতাযুক্ত বিশ্বের গভীরতম পাইলের সেতু । সূত্রঃ ইউকিপিডিয়া 


পদ্মা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয় = পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়


পদ্মা সেতু কোথায় অবস্থিত = মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরিয়তপুরের জাজিরা পয়েন্ট দিয়ে পদ্মা নদীর দুই প্রান্তকে যুক্ত করেছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। তাই বলা যায় পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জের ও শরিয়তপুর জেলায় অবস্থিত।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান জানুন


পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তের জেলার নাম কি = মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করেছে =   আমেরিকার মাল্টিন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম AECOM


পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত = পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা ৬০ ফুট।


পদ্মা সেতুর স্প্যান কয়টি = সেতুটিতে ৪১টি স্প্যান রয়েছে 


পদ্মা সেতুর ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রা কত = ভূমিকম্পন সহনশীল ৯ মাত্রা।


পদ্মা সেতুর খরচ কত = পদ্মা সেতু ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা


মাটির কত মিটার গভীরে গিয়ে পাইল বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুতে? পদ্মা সেতু ১২৮ মিটার (৪২০ ফুট) গভীরতাযুক্ত বিশ্বের গভীরতম পাইলের সেতু । সূত্রঃ ইউকিপিডিয়া 


পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার লম্বা = পদ্মা সেতু লম্বা ৬.১৫ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতুর কাজ কবে শুরু হয় = ২৬ নভেম্বর ২০১৪


পদ্মা সেতুর কাজ শেষ কবে হয়= ২৩শে জুন ২০২২


পদ্মা সেতু কয়টি জেলাকে সংযুক্ত করবে = পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলাকে সংযোগ করেছে।


পদ্মা সেতু এশিয়ার কততম সেতু = পদ্মা সেতু দক্ষিণ এশিয়ায় ৬ষ্ঠ।


পদ্মা সেতুর পিলার ও স্প্যান সংখ্যা = ৪১টি স্প‌্যান ও ৪২টি পিলার


পদ্মা সেতুর অর্থায়ন করেছে কোন দেশ = পদ্মা সেতু বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে করেছে।পদ্মা সেতু করতে কোন দেশের কাছ থেকে টাকা নেয় নি। পদ্মা সেতুর জন্য মোট বাজেট হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা।


পদ্মা সেতুর ১ম স্প্যান বসানোর দিন সেতু দৃশ্যমান হয় কোন তারিখে = ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭


পদ্মা সেতুতে কোন ধরনের রেল লাইনের সংস্থান আছে = ডুয়েল গেজ লাইন


পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে কতটি জেলাকে সংযুক্ত করবে = পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে ১৯টি জেলাকে সংযুক্ত করবে।


পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল কত বছর = পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল কত বছর ১০০ বছর


পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় = পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা


পদ্মা সেতু কোন বিভাগে অবস্থিত = ঢাকা বিভাগে অবস্থিত


পদ্মা সেতু কোন দুটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে = মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতুতে কাজ করা প্রথম বাঙালী মহিলা প্রকৌশলীর নাম কি = ইশরাত জাহান ইশি 

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান সকল পরীক্ষার 


পদ্মা সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী = চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিঃ


পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত = ২৬৪ টি।


পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত = ৬০ ফুট 


পদ্মা সেতুর প্রকল্পের জনবল কত = পদ্মা সেতুর প্রকল্পের জনবল প্রায় ৪ হাজার।


পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি = ৮১ টি।


পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত ফুট = ৩৮৩ ফুট।


পদ্মা সেতুর প্রতিটি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি করে করা হয়েছে = ৬ টি।


পদ্মা সেতু তৈরিতে কত কিলোমিটার এলাকা নদীশাসনের আওতায় আনা হয়েছে? দুই পারে প্রায় ১২ কিলোমিটার।


পদ্মা সেতুর কয় লেন বিশিষ্ট = পদ্মা সেতুর ৪ লেন বিশিষ্ট


পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন করা হয় কোথায় = দ্বিতলবিশিষ্ট পদ্মা সেতুর উপর তলায় যানবাহন নিচ তলায় রেললাইন স্থাপন করা হয়।


পদ্মা সেতুর কি দিয়ে নির্মিত হয়েছে = পদ্মা সেতু দ্বিতলবিশিষ্ট যা কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হয়েছে।


বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু কোনটি = বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতুর নাম পদ্মা সেতু’।


পদ্মা সেতুর বিশেষ নকশা করা হয় কোথায় =  পদ্মা সেতুর বিশেষ নকশা করা হয় হংকংয়ে।


পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য কত সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয় = পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য ১১ সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়।


পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি কে = পদ্মা সেতু প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।


পদ্মা সেতু নির্মাণে কত দেশের উপকরণ ব্যবহার করা হয় = পদ্মা সেতু নির্মাণে ৬০ টি দেশের কোন না কোন উপকরণ ব্যবহার করা হয়।


পদ্মা সেতু কতটি দেশের মেধা ও শ্রম দিয়ে নির্মিত হয়েছে = পদ্মা সেতু ২০ টি দেশের মানুষের মেধা ও শ্রম কদিয়ে নির্মিত হয়েছে।


পদ্মা সেতুর অবস্থান ০৩ টি জেলায় মুন্সিগঞ্জ মাদারীপুর ও শরীয়তপুর


পদ্মা সেতু পার হতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত টাকা টোল দিয়েছেন = প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ১৮টি গাড়ি ছিল। পদ্মা সেতুতে ১৬ হাজার ৪০০ টাকা টোল দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে নিজের গাড়ির জন্য ৭৫০ টাকা টোল দিয়েছেন তিনি। সূত্রঃ প্রথম আলো


সূত্র: https://www.bdjobsplan.com/padma-bridge-general-knowledge/


গরু পালন

 আলহামদুলিল্লাহ ৪২ দিনে কেমন পরিবর্তন হয়েছে?

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিভাবে পরিচর্যা করা হয়েছে দেখতে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করুন Nadim Agro লিখে।

অথবা প্রোফাইলে ভিজিট করুন।  

অনেকে খাদ্য নিয়ে প্রশ্ন করবেন তাই আমি এক হাজার কেজি খাবার যেভাবে বানাই তার নিচে একটা লিস্ট করে দিলাম।


ভূট্টা ৪০০ কেজি 

ধানের কুড়া ২০০ কেজি

মসুরির ভূষি ১০০ কেজি

গমের ভুসি ১০০ কেজি

সয়াবিন খৈল ১০০ কেজি

সরিষা খৈল ১০০ কেজি

মোট ১০০০ কেজি


প্রতি এক হাজার কেজি খাবারের সাথে এই প্রয়োজনীয় মেডিসিন গুলো যোগ করি।


এমসিপি ১৫ কেজি

প্রিমিক্স ২.৫ কেজি

লাইমস্টোন ১৫ কেজি

ফাইটেজ জাইম ২.৫ কেজি

গ্রথ প্রমোটার ২ কেজি

ভিটামিন মিনারেল ২.৫ কেজি

ফ্যাট ২.৫ কেজি

সিআর ৫০০ গ্রাম

রুমেন ১ কেজি

লাইসিন ২.৫ কেজি

টক্সিন ২ কেজি

মেথিওনিন ২.৫ কেজি

সোডিয়াম বাই কার্নেট ২ কেজি

ফিশ প্রটিন ৩০ কেজি


যাদের গরু কম ১০০ কেজি খাদ্য তৈরি করবেন তারা এই সকল উপাদান এর ১০ ভাগের এক ভাগ দিবেন।


এভাবে খাদ্য তৈরি করার পর মোটাতাজা করার জন্য ষাঁড় গরু হলে প্রতি ১০০ কেজি ওজনের গরুর জন্য সারা দিনে খাবার দিবেন দেড় কেজি সকাল বিকাল মিলে। এবং শুকনো গাভী গরু হলে প্রতি ১০০ কেজি বডি ওয়েটের গরুর জন্য ২ কেজি খাদ্য দিবেন সারা দিনে।


এছাড়া মেডিসিন গুলো খুঁজে না পেলে যোগাযোগ করতে পারেন 01872558444(WhatsApp)


পোস্টটা শেয়ার করে রেখে দিন যাতে প্রয়োজনের সময় খাদ্য তৈরি করতে পারেন ও মেডিসিন গুলো খুঁজে পেতে পারেন ধন্যবাদ।



একটি ভুল প্রচারের নিরসন,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি_ভুল_প্রচারের_নিরসনঃ-


গিরিশ চন্দ্র সেন বাংলা ভাষায় কোরআন শরীফের অনুবাদক নয়। 

_______________

সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া।


এরপর বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন মৌলভী নাঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে।


গিরিশ চন্দ্র সেন শুধু উক্ত অনুবাদকে পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেছেন, গিরিশ চন্দ্র হচ্ছেন প্রকাশক। তাও অনেক পরে, ১৮৮৬ সালে।


সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র নন, বরং মৌলভী নাঈমুদ্দীনই পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক।


আর মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন মাজীদের আংশিক অনুবাদক।


গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মেরও আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন মাজীদের বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া।


এরপর গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের একবছর পরই অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।


আরবি জানেন না, আরবি ব্যাকরণ জানেন না-

এমন ব্যাক্তি কুরআন অনুবাদ করেছে এমন প্রচার মুর্খতা।


বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল।


গোঁড়া হিন্দু  গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত।


তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন।


কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথা থেকে! তিনি ফারসী ভাষায় পন্ডিত ছিলেন।


 মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের প্রকাশ করলেন প্রকাশক হয়ে। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন মাজীদের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার প্রকাশিত কুরআন মাজীদ।


এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন মাজীদের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন গিরীশ চন্দ্র সেন।


 আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি।


গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি  করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রাহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।


মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।


এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেন নি॥ 


[ যত পরিমানে সম্ভব পোস্টটি শেয়ার করুন অনেকেই ভুলের মধ্যে ডুবে আছে তাদের কে জানার সুযোগ করে দিন]


তথ্যসুত্রঃ

ইন্টারনেট ও অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন মিডিয়া।


#দৈনিক_সংগ্রামঃ ২১ শে জুলাই,২০১৮.


#দৈনিক_ঢাকা পোস্টঃ ৭ই সেপ্টেম্বর,২০১৮.


#জিব্রাইলের_ডানাঃ ১লা মার্চ,২০০৯.


#বিডি_আল_কোরআনঃ ৪ঠা এপ্রিল,২০১৩.

#সাইবার_মোজাহিদঃ  জানুয়ারি,২০১৮.


#মাসিক_মদিনাঃ আগস্ট,২০০৪.

প্রশ্নোত্তর পর্ব,পৃষ্ঠাঃ ৪৭.


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফ্রুট কাস্টার্ড" প্রয়োজনীয় উপকরণ:,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রেসিপি সমাহার

"ফ্রুট কাস্টার্ড"

প্রয়োজনীয় উপকরণ:


★ডিম -১টি।

★দুধ ৪ কাপ।

★কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামুচ।

★চিনি- ১কাপ।

★ভেনিলা এসেন্স-১ চা চামুচ।

★আম- কিউব করে কাটা হাফ কাপ।

★আপেল- কিউব করে কাটা হাফ কাপ।

★কলা- কিউব করে কাটা হাফ কাপ।

★কালো আঙুর- ২ ভাগ করে কাটা হাফ কাপ।

★আনার-হাফ কাপ। 

যেভাবে করতে হবে ঃ-- 

চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে দিয়ে দিতে হবে দুধ। দুধ গরম হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে চিনি।  একটা ডিম ভালোভাবে ফেটিয়ে দুধে দিয়ে নাড়তে হবে। 

 এবার কাপে ৪ ভাগের এক ভাগ পানি নিয়ে তাতে কাস্টার্ড পাউডার মিশিয়ে দুধে ঢেলে দিয়ে ২/৩ মিনিট নাড়তে হবে।ফুটে উঠলেই চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।  সব ফল আর ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

ঠাণ্ডা হলে ১৫/২০মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিলেই পরিবেশনের জন্য তৈরি হয়ে যাবে-

ফ্রুট কাস্টার্ড।

এটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত।

 মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত। এই অব...