এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম: অনলাইনে নিবন্ধন পদ্ধতি:,,,,,, govt circular ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম: অনলাইনে নিবন্ধন পদ্ধতি:

ধাপ: ১- বর্তমান Username ও Password দিয়ে https://eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইট বা rail sheba app–এ সাইন ইন করতে হবে।

ধাপ: ২- NID নম্বর ও জন্ম তারিখ লিখে verify বাটনে ক্লিক করতে হবে। NID নম্বর ও জন্ম তারিখ সঠিকভাবে প্রবেশ করালে যদি NID নম্বরটি আগে ব্যবহার করা না হয়ে থাকে, তাহলে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

নতুন নিবন্ধনকারীর ক্ষেত্রে: 

রেলের ওয়েবসাইট অথবা rail sheba app–এ গিয়ে সাইন আপ করতে হবে এবং সঠিক NID নম্বর ও জন্ম তারিখ verify পূর্বক অন্যান্য তথ্য প্রদান সাপেক্ষে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

অফলাইন/এসএমএসের মাধ্যমে নিবন্ধনপদ্ধতি:

মোবাইল থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে BR<space>NID নম্বর <space> জন্ম তারিখ লিখে SMS পাঠাতে হবে ২৬৯৬৯ নম্বরে। ফিরতি SMS এর মাধ্যমে নিবন্ধন সফল বা ব্যর্থ হয়েছে কি না, তা জানিয়ে দেওয়া হবে

উল্লেখ্য যে, একজনের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকিট কেটে অন্য কেউ ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবে না।



ফ্লোরা এবং মিরাকুলান কোনটা কি কাজ করে চলুন দেখা যাক।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফ্লোরা এবং মিরাকুলান কোনটা কি কাজ করে চলুন দেখা যাক। 


# মিরাকুলান***** 


মিরাকুলান হলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক।

এর রাসায়নিক নাম TRIACONTANOL 0.05% EC

মিরাকুলান এর কাজ সালোকসংশ্লেষের হার বৃদ্ধি করা।সালোকসংশ্লেষ এর হার বেড়ে যায় এবং শ্বসনের হার কমে যায় এর ফলে খাদ্য সঞ্চয় পরিমাণ বেড়ে যায়। যার ফলে ফুল ফল ধারণক্ষমতা বেড়ে যায়,ফুল ফল ঝরা কমে যায় & মূলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।গাছে পাতার সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

এইটা ফুল আনার জন্য কাজ করে না ফল ধরে রাখে এবং ফল ঝরা বন্ধ করে। 


#ফ্লোরা*** 


ফ্লোরা হলো ফলন বৃদ্ধি কারক

এর রাসায়নিক নাম নাইট্রোবেনজিন ২০ ডব্লিউ

এইটা ক্লোরোফিল বাড়িয়ে গাছের পুস্টি গ্রহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফলন বাড়িয়ে দেয়।

গাছে ফুল ফল আনতে সাহায্য করে।


মূল্য: ফ্লোরা ৫০ মিলি ৮৫ টাকা। 


মিরাকুলান ৫০ মিলি ৭০ টাকা 

মিরাকুলান ১০০ মিলি ১৩০ টাকা। 


লোকেশন: গাজীপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ। 


 



হোবা

 #হোবা

পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বড় অক্ষত উল্কা পিন্ডটির নাম হোবা (HOBA)। হোবার ওজন প্রায় ৬৬ টন যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম উল্কাপিণ্ড অহনিগিটোর (Ahnighito) প্রায় দ্বিগুণ। 


১৯২০ সালে উত্তর নামিবিয়ার গ্রুটফন্টেইন থেকে ১৯ কি:মি: (১২ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত হোবা ওয়েস্ট নামক একটি খামারে এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল, যার কারনে এর নাম দেওয়া হয়েছিলো "হোবা" । উল্কাটি আবিষ্কার করেছিলেন কৃষক জ্যাকবাস হারমানাস ব্রিটস।

 


ব্রিটিশরা এটার একটি টুকরো পরীক্ষা করার জন্য সাথে করে নিয়ে যায় এবং পরীক্ষার পরে এটি একটি উল্কাপিণ্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়।  


পাথরের চারপাশে খনন করে দেখা গেছে যে এটির একটি ছোট অংশ মাটির উপরে ছিল। আরো মাটি অপসারণ করা হলে, পাথরের বিশাল আকার বের হয়ে আসে। 


১৯২৯ সাল পর্যন্ত এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়েনি পরবর্তীতে যখন ডাচ আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলেম লুয়েটেন দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সংবাদপত্রের জন্য এই সম্পর্কে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন। এরপরে এর খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পরে।


হোবা উল্কা আকৃতিতে মোটামুটি আয়তাকার এবং  সমতল শীর্ষ। এটি প্রায় প্রায় নয় ফুট (২.৭ মিটার) লম্বা, নয় ফুট চওড়া এবং প্রায় তিন ফুট পুরু। সম্ভবত হোবা উল্কাটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অগভীর কোণে প্রবেশ করেছে এবং সেকেন্ডে কয়েকশ মিটারেরও কম গতিতে মাটিতে আঘাত করেছে। 


প্রভাবটি সম্ভবত শুধুমাত্র একটি ছোট গর্ত তৈরি করেছিল, যা প্রায় ২০ মিটার (৬৬ ফুট) ব্যাস এবং প্রায় ৫ মিটার (১৬ ফুট) গভীর। হোবা উল্কাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক লোহা বলে মনে করা হয়। 


এর প্রায় ৮২.৩ শতাংশ লোহা, ১৬.৪ শতাংশ নিকেল এবং ০.৮শতাংশ কোবাল্ট, আর রয়েছে কার্বন, সিলভার, জিঙ্ক এবং কপার।


এক সময় উল্কাপিণ্ডটির ওজন ছিল ৬৬ টন। উল্কাপিণ্ডের চারপাশের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড থেকে বোঝা যায় যে এটি পতিত হওয়ার সময় এটি ৬৬ টনের চেয়ে অনেক বড় ছিল, এবং জারন (oxidation) প্রক্রিয়ার কারনে এটি বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

এছাড়া ও বিজ্ঞানী এবং স্যুভেনির শিকারীরা বছরের পর বছর ধরে এর কিছু অংশ কেটে ফেলেছে।


 হোবা উল্কা ৮০,০০০ বছর আগে আকাশ থেকে পড়েছিল এবং হোবাকে কখনও তার স্থান থেকে সরানো হয়নি।


১৯৫৫ সালে হোবা উল্কাকে একটি জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নামিবিয়া তখন দক্ষিণ পশ্চিম আফ্রিকা নামে পরিচিত ছিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা শাসন করত। 


১৯৮৭ সালে খামারের মালিক উল্কাপাতের জায়গাটি সরকারকে দান করে দেন।  উল্কাপিণ্ডের চারপাশে একটি পাথরের অ্যাম্ফিথিয়েটার তৈরি করা হয়েছে এবং কাছাকাছি একটি দর্শনার্থী কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।  প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ এই স্থান পরিদর্শন করতে আসে।


(কালেক্টেড)



সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৪-০৩-২০২৪ 

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৪-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:…


চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী - ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ ও রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ।


গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ - সংসদে তথ্য প্রকাশ।


অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল বন্ধে অভিযান আরো জোরদার করা হবে - জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


তুরস্কের সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


বিশ্ব বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চলতি মাস থেকেই জ্বালানি মূল্য সমন্বয় করা হবে  - জানালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় ইসরাইলি জিম্মিদের ব্যাপারে অনিশ্চয়তার কারণে যুদ্ধ বিরতি আলোচনায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত তেল আবিবের।


আজ সিলেটে  তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে শ্রীলংকার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

এক মহিলার গল্প

 এক মহিলা একদিন তার স্বামীকে এসে বললো,"জানো, আমার এতো বছর ধরে যে মাথাব্যাথাটা ছিলো তা সেরে গেছে।"


স্বামী বললো,"তাই নাকি? কিভাবে?"


“আমি এক সম্মোহনবিদের কাছে গিয়েছিলাম, সে আমাকে এক কায়দা দেখিয়ে দিলো। আমি আয়নার সামনে দাঁড়ালাম আর নিজেকে খুব জোর দিয়ে বললাম,


আমার কোন মাথাব্যথা নেই


আমার কোন মাথাব্যথা নেই 


আমার কোন মাথাব্যথা নেই। 


অমনি আমার মাথাব্যথা গায়েব!”


স্বামী বললো,“বাহ! বেশ”


বউ বলে,“ইয়ে দেখ, আমাদের অনেক দিন বিয়ে হয়েছে,  তোমার মধ্যে রোমান্টিকতা একদম চলে গেছে। আজকাল তুমি একেবারে কিরকম যেনো হয়ে গেছো। বিয়ের প্রথম প্রথম যে রোমান্টিকতা ছিলো তা যেনো কর্পূরের মতো উবে গেছে। যাও না একবার ঐ সম্মোহনবিদের  কাছে। যাও না গো একবার।”


স্বামী সম্মোহনবিদের কাছে গেলো। ফিরে এসেই সে স্ত্রীকে লাল রঙের গোলাপ ফুল দিলো। সবসময় রোমান্টিক গান। একেবারে মাখ মাখ ব্যাপার। বিশেষ দিনে গ্রিটিংস কার্ড। স্ত্রীর মনে আনন্দের সীমা নেই।

যেদিন তার স্বামী বললো,“চলো না গো আমরা হানিমুনে যাই। থাকবে না কোন মোবাইল, থাকবে না কোন লুকোচুরি,  থাকবে না পারস্পরিক সৎ থাকার এক কঠোর প্রয়াস। থাকবে শুধু এক নির্মল আনন্দ।”

                                                                           

এই বলে স্বামী বাথরুমে চলে গেলো। ঠিক দুই মিনিট পরে বাথরুম থেকে এসে বউকে এক উত্তাল আনন্দে ভাসিয়ে দিলো।


আবার কিছুক্ষণ পরে স্বামী বলে,“আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি।”


এই বলে আবার বাথরুমে দৌড়। দুই মিনিট পরে এসে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে গান "যদি হই চোর কাঁটা ঐ শাড়ির ভাঁজে ----"  একবারে উত্তম কুমারের স্টাইলে।


বউ হাঁসফাস করে উঠলো। তার মাথা ঘুরপাক খাচ্ছে, এমন উথাল পাথাল আবেশ তো বিয়ের শুরুতেও ছিলো না!


সামলে উঠতে না উঠতেই স্বামী আবার বলে,“আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি।”


এবার বউয়ের কৌতূহল হলো, কি করে সে দুই মিনিটে?

সে চুপচাপ পিছু নিলো।


বাথরুমের দরজায় উঁকি মেরে দেখে, তার স্বামী আয়নার সামনে দাঁড়ানো। বলে চলেছে,


“এ আমার বউ না


এ আমার ব

গ্রাফটেড টমেটো চাষ পদ্ধতি: 

 গ্রাফটেড টমেটো চাষ পদ্ধতি: 


কেনো গ্রাফটেড টমেটো চাষ করবেন-  

•গাছ দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে

•গ্রীষ্ম/বর্ষায় টমেটো ফলানো যায়

•গাছ ঢলে পরা সহ অন্যান্য মাটি বাহিত রোগ হয় না

•অধিক ফলন হয় 

•আগাম চাষাবাদ সহ, সারা বছর টমেটো ফলানো সম্ভব 


বর্ষাকালে টমেটো চাষ করতে হলে এখনই গ্রাফটেড টমেটোর চারা উৎপাদন কাজ শুরু করতে হবে। সাধারণত মার্চ মাসে বীজ বপন করতে হয়- (রুট স্টক ও সায়ন এর বীজ)। গ্রাফটেড টমেটোর জন্য দুইটা জিনিস দরকার- একটি রুট স্টক আর একটি হলো সায়ন।



জন্মদিন পালন করা"

 "জন্মদিন পালন করা"

🚫

কোনো মুসলমানের সংস্কৃতি হতে পারে না

বরং,,, 

এগুলো ইহুদি ও বিধর্মীদের সংস্কৃতি।

*

ফেসবুকে আসলেই দেখা যায় "জন্মদিনের পোস্ট"

জন্মদিন মানেই- নির্ধারিত মাসের, নির্ধারিত তারিখে কেক কেটে মোমবাতি জ্বালিয়ে উৎসব পালন করা

যা......

ইসলাম কখনো এর বৈধতা দেয়নি

কিন্তু,,,, 

আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে জন্মদিনের উৎসব পালন করা হচ্ছে।

....

মূল বিষয় হচ্ছে....

ইসলাম ধর্মকে শেষ করে দেওয়ার জন্য এক শ্রেণীর কুলাঙ্গার'রা ইহুদি, বিধর্মীদের তৈরি রীতি নীতিকে মুসলমানদের মাঝে তৈরি করে দিয়েছে।

তাই সাবধান

⚠️

জন্মদিন মুসলমানদের দৃষ্টি কালচার নয়

বরং,,, 

ইসলামে জন্মদিন পালন করা হারাম।

....

ইসলামকে জিন্দা করার জন্য প্রয়োজনে আল্লাহর জমিনে রক্ত ঢেলে দিতে রাজি আছি 

কিন্তু,,,,, 

ইহুদিদের তৈরি কোনো দৃষ্টি কালচারকে আমরা পাত্তা দিবো না। 


কে কে রাজি আছেন মুসলমান...?

দু'হাত তুলে আল্লাহকে দেখান 

🖐️🖐️


জীবনের হিসেব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 - ভোর ৫ টায় মৃ*ত্যু। ⚰️

- সকাল ৬টায় জানিয়ে দেওয়া হবে মাইকে।

- ৮ টায় শেষ গোসল করানো হবে।

- ৯টায় তোমাকে নতুন কাপড়ে সাজানো হবে।

- যোহর নামাজ পরে তোমার আলিশান বাড়ি

থেকে বের করে নেওয়া হবে। 

- ২টায় তোমার জানাযার নামাজ পড়ানো হবে।

- ২:৩০ তোমাকে মাটিতে দাফন করে দেওয়া হবে। 

- মাটি দেওয়া শেষে কেউ তোমার জন‍্য দোয়া করবে।

- আর কেউ চলে আসবে। 

- এইতো তোমার জিবনের শেষ আয়োজন! 

তো কিসের এতো অহংকার হ্যাঁ? 


ভুলে যাও তোমার সব রঙিন স্বপ্ন, ফিরে আসো রবের দিকে। তোমার শেষ ঠিকানা এই সাড়ে ৩ হাত মাটিই!


আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন-আমিন

Message_চিঠি #Heedi

একটি বিজ্ঞাপন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ  : ফ্রুট ফ্লাই

❌ফসলে আর নয় কীটনাশক এর ব্যবহার। 

🦟🪰 মাছিপোকা ,ভোমর পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনের কার্র্য্যকারী ফাঁদ। 

☎ Hotline : 01770 144199

 👨‍🎤এবার হবে স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক মুক্ত সবজি ও ফল চাষ ।

 মাছি পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা কোনো কীটনাশকেই মরে না ।

 এই পোকা কে ফসলের যম বলে। 

 🌳🍎🍆সকল প্রকার  সবজি জাতীয় গাছের  জন্যঃ ( টারজান মিলন ফ্লাই)।

 বেগুন ,মিষ্টি কুমড়া ,ধুন্দল ,লাউ ,করলা ,শসা ,চিচিঙ্গা ,ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

🌳🥭🍒সকল প্রকার ফল জাতীয় গাছের  জন্যঃ টারজান (ফ্রুটস   ফ্লাই ফাঁদ)।

আম, লিচু, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, তরমুজ, লেবু, কামরাঙা, 'বাঙ্গী' ইত্যাদি।

 👉মাছি পোকা ,ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ১০০% কার্যকরী সমাধান। 

👉টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ দিবে এবার বিষমুক্ত ফসল উপহার।

 ❌তাই আমরা না করি আর কীটনাশকের ব্যবহার।

 🏪আপনি ছাদে বাগান করছেন ?ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করুন। 

 🏡বিভিন্ন বাসা বাড়ির ছাদে যেখানে ফল ও সবজির চাষ রয়েছে সেখানেই খুব সহজে ব্যবহার করা যাবে।

 🤷‍♂️এই ফাঁদ ব্যবহার করা খুব সহজ। 

 👉কোন প্রকার সাবান পানি ব্যবহার করতে হয় না। 

 ফ্রিজে রাখতে হয় না। 

 👉কমপক্ষে ৬০ দিন সমান ভাবে পোকা মরবে।

চাষি ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 ’‘পৃথিবী’ আছে শুধু একটি।

আসুন সবাই মিলে এর যত্ন নিই।”

🍈🍇বারোমাসি আম গাছের চারা 🥭🌳


#কাটিমন আম🥭 বারমাসি 

কাটিমন আম বারমাসি একটি থাইল্যান্ডের ভ্যারাইটি আম। যা খেতে খুব সুমিষ্ট ও সুস্বাদু।  এই আম বছরে তিন বার ফল দেয়। তাই গাছে সারা বছর ই ফুল ও ফল পাওয়া যায়। 

#বি.দ্রঃ- #কাটিমন আম #ছাদ বাগানের জন্যও বিশেষ উপযোগী। 

#কাটিমন_আমের _৫টি চারাগাছ ক্রয় করলেই পাবেন #১টি চারাগাছ একদম#ফ্রি অথবা কুরিয়ার খরচ ফ্রী। #কাটিমন_আম🥭 গাছ

✨দামঃ ৩০০/৬০০টাকা প্রতি পিচ চারা

মুকুল সহ 

#চায়না ড্রপ আম গাছ🥭

✨দামঃ৩০০টাকা প্রতি পিচ চারা

মুকুল সহ

#বারি ১১আম গাছ🥭

✨দামঃ ৩০০টাকা প্রতি পিচ চারা

মুকুল সহ 

অর্ডার করতে কল করুন

☎️ 01737436494

অথবা মেসেজ দিন 

🎍কাটিমন আমের বৈশিষ্ট্য

♦️এই জাতে প্রচুর আম ধরে।

♦️একই গাছে একসাথে মুকুল,ছোট,মাঝারি,বড়,পাকা আম থাকে বা যে কোন পর্যায়ের মুকুল /আম থাকে।

♦️এই গাছে নতুন কুশি ছাড়লেই মুকুল আসে।

♦️এর কোন সিজন আর অফ সিজন নেই। 

♦️এইজাতের আম কাঁচাখেতে মিষ্টি(টক না) এর মত এবং পাঁকা খুবই মিষ্টি।

♦️আমের আটি তুলনামূলক ছোট। 

♦️প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।

♦️ছাদে মাটির বড়ো টবে বা ড্রামে রোপণের জন্য উপযোগী!

আমাদের সার্ভিস সমূহ:-

♦️শত ভাগ প্রোডাক্ট কোয়ালিটি নিশ্চয়তা

♦️**ফ্রি রিপ্লেসমেন্ট(**৩০দিনের মধ্যে) 

♦️ফাস্ট ডেলিভারি

♦️সার্বক্ষণিক কল সার্ভিস

♦️গাছের রোগবালাই দমনে পরামর্শ প্রদান করা

#কাটিমন_আমের _৫টি চারাগাছ ক্রয় করলেই পাবেন #১টি চারাগাছ একদম#ফ্রি

⭕আপনাদের পছন্দের চারাগাছ ক্রয় করতে যোগাযোগ করুন ( ☎️ 01737436494 অথবা আমাদের  ইনবক্সে 📩মেসেজ দিন.... 

🚛 আপনার অর্ডার করা চারাগাছ সুন্দরবন/ ইউ এসবি/ করোতোয়া কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে

‘ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পৌঁছে দিবে আপনার নিকটস্থ শাখায় । 

⭕কুরিয়ারের কিছু নিয়ম:

♦️একটি গাছ কুরিয়ার করা হয় না।

♦️যে কোনো গাছ দুইটি কুরিয়ার করা হয়।

♦️কুরিয়ার চার্জ ক্রেতাকে বহন করতে হয়

সকল প্রকার কৃষি পণ্য ও পরামর্শ পেতে

যোগাযোগ করুন : 01737436494

পুঠিয়া রাজশাহী- ৬২৬০

#বারি 11 🥭

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত একটি আমের জাত হল বারি–১১। নতুন এই বারি-১১ জাতের আমটির ফলন পাওয়া যাচ্ছে সারাবছর ধরে। স্বাদ, বর্ণ ও গন্ধে অতুলনীয় একটি সুমিষ্ট আমের জাত বারি-১১। এই জাতের একটি গাছ থেকে বছরে ৩ বার ফলন পাওয়া যায়।

#চাইনা ড্রপ 🥭


[বি.দ্র.: সব সময় আমাদের কাছে মুকুল বা ফল ধরা গাছ থাকে না তাই অর্ডার করার পূর্বে অবশ্যই আমাদের পেইজে এস এম এস করে বা কল করে জেনে নিবেন)     

🍊ভিয়েতনামি বারোমাসি মাল্টা ফুল সহ 

দাম:৪০০টাকা পিচ

🍅সুপার ভাগুয়া আনার

দাম:৬০০টাকা পিচ

🎋পাকিস্তানি আনার 

দাম ৩০০টাকা পিচ

🎋স্টবেরী পেয়ারা 

দাম:৫০০টাকা পিচ

🎋লিচু 

দাম: ৩০০/৬০০টাকা পিচ

🎋কাজুবাদাম 

দাম:৬০০টাকা পিচ

🎋বারোমাসি আমড়া ফুল সহ

দাম:৩০০টাকা পিচ

🎋বারোমাসি কমলা

দাম:৩০০টাকা পিচ

🎋মালবেরী 

দাম: ৫০০টাকা পিচ

🍈ভেরিকেট মাল্টা 

দাম: ৫০০টাকা পিচ

🍊চায়না কমলা 

দাম: ৩০০টাকা পিচ

🎋বারোমাসি কাঁদবেল 

দাম: ৩০০টাকা পিচ


♻️♻️♻️♻️♻️♻️

আমাদের কাছে পাচ্ছেন ২৫০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি চারা।

🔰 আপডেট গাছের চারার লিস্ট 🗣️

🍁বিদেশি আম গাছ:

🍁 চিয়াংমাই (চাইনিজ)= ৭০০৳

🍁আলফানসো  (ভারতীয়)= ৬৫০৳

🍁ব্রুনাই কিং  (ব্রুনাই)= ৭০০৳ (৪-৪.৫ কেজি ওজন হয়)

🍁 মিয়াজাকি (জাপানি)= ৬৫০৳

🍁 রেড পালমার (আমেরিকান)= ৫৫০৳

🍁 কিউজাই (থাইল্যান্ড)= ৪০০৳

🍁ব্যানানা ম্যাংগো (থাইল্যান্ড)= ৪০০৳

🍁 ডকমাই (থাইল্যান্ড)= ৬০০৳

🍁ব্ল্যাকস্টোন (আমেরিকান)= ৭০০৳

🍁 হানি ডিউ (থাইল্যান্ড)= ৬৫০৳

🍁 চৌষা (ভারতীয়)= ৪৫০৳

🍁আম্রপালি  (ভারতীয়)= ৩০০৳

🍁 আপেল ম্যাংগো হাইব্রিড (জাপানি)= ৬৫০৳

🍁কাটিমন — বারোমাসি (থাইল্যান্ড)= ৩৫০৳

🍁থ্রি-টেস্ট আম (৩ রকম স্বাদ-বিশিষ্ট আম)= ৬৫০৳

🍁 কিং অব চাকাপাত (থাইল্যান্ড)= ৬৫০৳

🍁 চায়না ড্রপ আম — বছরে ২ বার (চাইনিজ)= ৩০০৳

🥭🥭🥭

বিদেশি আম গাছ (বারোমাসি):

👉কাটিমন(থাইল্যান্ড)= ৩৫০৳

👉চায়না ড্রপ (চাইনিজ)= ৩০০৳

🫒🫒🫒

দেশি আম গাছ:

 👉ফজলি = ৩০০৳

👉 লক্ষণভোগ বা লখনা= ৩০০৳

👉 ল্যাংড়া = ৩০০৳

👉হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত= ৩০০৳

👉 হাঁড়িভাংগা = ৩০০৳

👉তোতাপুরী = ৩৫০৳

👉রানীপ্রসাদ বা রানীপছন্দ = ৩০০৳

👉 বারি-৪  (হাইব্রিড)= ৩৫০৳

👉বারি-১১  (বারোমাসি)= ৩৫০৳

👉 গোপালভোগ = ৩০০৳

👉 আশ্বিণা = ৩০০৳

👉 চন্দ্রমল্লিকা = ৩০০৳

👉 গৌড়মতি = ৩০০৳

 👉আম রুপালী = ৩০০৳

 🌳🌳🌳

দেশি আম গাছ (বারোমাসি):

👉 বারি-১১ আম = ৩৫০টাকা প্রতি পিচ

♻️বিদেশি ফল গাছঃ

১/ পার্সিমন বা কাকি= ১৫৫০৳ (জাপানের জাতীয় ফল)

২/ লাল কাঁঠাল= ৬০০৳ (ভিয়েতনামী)

৩/গোলাপী কাঁঠাল (ভিয়েতনামী)= ৬০০৳

৪/ মিরাকেল ফ্রুট/বেরি (আফ্রিকান)= ১৮০০৳

৫/ লাল জাম্বুরা (থাইল্যান্ড)=৮০০৳ (খোসা এবং ভিতরে লাল)

৬/ থাই লঙ্গান= ১৭০০৳

৭/ মাঙ্গোস্টিন ফল গাছ (মালয়েশিয়ান)= ১২৫০৳

৮/করোসল ফল গাছ (আমেরিকান)= ১২০০৳ (ক্যানসার প্রতিরোধী ফল)

৯/এগফ্রুট (থাইল্যান্ড)= ১২০০৳ (ডিমের মতো ফল)

১০/ নাসপাতি🍐 (ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া)= ৬৫০৳

১১/ আপেল গাছ🍎= ১৫০০৳ (প্রতিটি জাত—হরিমন-৯৯, সামার, অস্ট্রেলিয়ান সামার গ্রীণ🍏, কাশ্মীরি, আন্না, গোল্ডেন ডোরসেট) 

১২/চেরি গাছ🍒 (জ্যামাইকান)= ১৪০০৳

১৩/ এপ্রিকট ফল গাছ= ১০০০৳

১৪/ বার্বাডোস চেরি গাছ🍒 (আমেরিকান)= ৮৫০৳

১৫/রাম্বুটান ফল গাছ (মালয়দ্বীপ/থাই)= ১২৫০৳

১৬/ ডুরিয়ান ফল গাছ= ১৫০০৳ (মালয়েশিয়ান জাতীয় ফল)

১৭/ এ্যাভোক্যাডো ফল গাছ🥑 (আমেরিকান)= ১৬০০৳

১৮/ আলুবোখারা ফল গাছ= ৫৫০৳

১৯/ স্ট্রবেরি পেয়ারা (ব্রাজিল) হলুদ গাছ= ৫৫০৳

২০/স্ট্রবেরি পেয়ারা (ব্রাজিল) লাল গাছ= ৫৫০৳

২১/ স্ট্রবেরি পেয়ারা (ব্রাজিল) পার্পেল গাছ= ৫৫০৳

২২/ থাই মিষ্টি তেতুল= ৩৫০৳

২৩/ ব্ল্যাকবেরি ফল= ১০০০৳

২৪/ মালবেরি বা তুঁত ফল (থাই)= ৫৫০৳

২৫/ ভেরিগেট পেয়েরা= ২৫০৳

২৬/ থাই ছবেদা= ৩০০৳

২৭/ মিসরিয়ান ডুমুর= ৯০০৳

২৮/ সাদা আঙ্গুর= ২০০-১২০০৳

২৯/ লাল আঙ্গুর (মিষ্টি)= ১২০০৳

৩০/ কালো আঙ্গুর (মিষ্টি)🍇= ১২০০৳

৩১/ থাই করমচা (মিষ্টি)= ৩৫০৳

৩২/ জয়তুন গাছ= ১৪০০৳

৩৩/ ভেরিগেড মাল্টা= ৩৫০৳

৩৪/ আনার গাছ (পাকিস্তানি)= ৩০০৳

৩৫/ কলা গাছ (লাল)= ৫৫০৳ (টিস্যু কালচার চারা)

৩৬/ থাই জাম্বুরা= ৮০০৳ (বড়ো ও মিষ্টি সাইজের জাম্বুরা)

৩৭/ কাজুবাদাম গাছ🫘= ৫৫০৳

৩৮/ সুদানি আতাফল= ৪৫০৳ (ওজন ১ কেজির বেশি হয়)

৩৯/ গোলাপজাম= ৩৫০৳ (রাজকীয় ফল গাছ) 

৪০/পিচ ফল গাছ= ১০০০৳

৪১/ আরবিয়ান খেজুর= ৬৫০৳

৪২/ সুপারি— হাইব্রিড = ৬০৳

৪৩/ রুলেনিয়া আতা =১০০০৳

🌳🌳🌳

দেশি ফল গাছ:

১/ বারি পেয়ারা-৪= ৩০০৳ (বীজমুক্ত)

২/ লিচু= ৩৫০৳ (৩ প্রজাতির লিচু)

৩/ কলা= ১৫০৳ (সকল জাতের)

 ৪/হাইব্রিড সুপারি= ৬০৳

৫ জলপাই= ৩০০৳

৬/ দেশি সফেদা= ৩০০৳

৭/ করমচা=৩৫০৳

৮ লটকন= ৩০০৳

৯/ দেশি মিষ্টি জাম্বুরা=২০০ ৳

১০/ টক তেতুল= ১০০৳

১১/ ড্রাগন= ১০০-১২০০৳ (৩ জাতের)

১২/ হাইব্রিড কতবেল= ২০০৳

১৩/ কুল= ১২০৳ (৩ জাতের)

১৪/ থাই পেয়ারা= ১০০৳ (৩ জাতের) 

১৫/ লেবু= ১৫০৳ (৩ জাতের)

১৬/ কামরাঙ্গা= ৩০০৳

১৭/ বারোমাসি আমড়া= ৩০০৳

১৮/বেদেনা= ৩০০৳

১৯/ ডালিম= ১৫০৳

২০/ বিলাতি গাব= ২৫০৳

২১/ আতা= ২৫০৳

২২/ বেল= ৩৫০৳

২৩/কাঁঠাল= ২৫০৳

২৪/দার্জিলিং কমলা= ৪৫০৳

২৫/ চায়না কমলা= ৩৫০৳

২৬/নাগপুরি কমলা= ৩৫০৳

২৭/ মাল্টা বারি-১= ২৫০-৭০০৳

২৮/ বিলিম্বি= ৭০০৳

২৯/সাতকড়া= ৩৫০৳

৩০/ জারালেবু= ৩৫০৳ (৪ কেজি ওজন হয়) 

৩১/ সুইট লেমন= ৩৫০৳ (মিষ্টি লেবু)

🌳🌳মসলা গাছঃ

১/ এলাচ= ৩০০৳

২/জয়ফল-জয়ত্রি= ৯৫০৳

৩/গোলমরিচ= ৮০০৳

৪/ লবঙ্গ= ৮০০৳

৫/ তেজপাতা= ৩০০৳

৬/ দারুচিনি= ৩০০৳

৭/ অলস্পাইস (জয়ফল-জয়ত্রি-লবঙ্গ-দারুচিনি-গোলমরিচ—সব ঘ্রাণ একসঙ্গে! একই গাছে)= ৬৫০৳ প্রতি পিচ



চাষি ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...