এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৬-০৩-২০২৪,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৬-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত - সমাপনী ভাষণে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রেখে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে - বিদেশিদের কাছে নালিশ করে কোন লাভ হবে না।


ওআইসি বিশেষ সম্মেলনে গাজা সংঘাত অবসানে সম্ভাব্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। 


প্রান্তিক জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের গ্রামে যাওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর। 


মিথ্যা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


আসন্ন রমজান ও পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য, আইন-শৃঙ্খলাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।


বিশ্ব জুড়ে মেটার সার্ভারে ত্রুটির কারণে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর আবারও সচল।


আজ  সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কাজী সব্যসাচী নজরুলের একমাত্র ছেলে যিনি বাবার মৃত্যু দেখেছেন,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাজী সব্যসাচী নজরুলের একমাত্র ছেলে যিনি বাবার মৃত্যু দেখেছেন


বিদ্রোহী কবির তিন ছেলে তার আগেই মারা গিয়েছিলেন, শুধু ৩য় সন্তান কাজী সব্যসাচী মারা গিয়েছিলেন বাবার পরে। তাদের বংশধরেরা কোথায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে এছেন এখন? কেমন আছেন তারা?


বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি কাজী নজরুল মানুষ হিসেবে ছিলেন সকল জাত-পাত, সাম্প্রদায়িকার উর্ধ্বে। মানুষে মানুষে ধর্মীয় কারণে যে ভেদাভেদ সেটাকে তিনি জীবনে খুব একটা পাত্তা দেননি। তার সৃষ্টি কর্মেও ধর্মীয় পরিচয়কে বারবার তুচ্ছ জ্ঞান করে মানবতার জয়গান গাইতে দেখা গেছে। সাহিত্যের বাইরে বাস্তব জীবনেও তিনি তার প্রমাণ রেখে গেছেন।


১৯২৪ সালে নজরুলের সঙ্গে বিয়ে হয় কুমিল্লার কান্দির পাড়ের কন্যা আশালতা সেনগুপ্তের। বিয়ের আগে বা পরে স্ত্রীকে নজরুল ইসলাম ধর্মে অন্তরিত করেননি। তাই যে- ইসলামি প্রথা মেনে মুসলমানের সঙ্গে মুসলমানের বিয়ে  হয় নজরুলের ক্ষেত্রে সেই প্রচলিত রীতি পালন করা হয়নি। 'আহলে হাদিস' মতে এক বৈবাহিক চুক্তি অনুসারে নজরুলের বিয়ে হয়। তাতে ধর্ম বদলের প্রয়োজন হয়নি।


আশালতার বিধবা মা গিরিবালা দেবী মেয়েকে নিয়ে কলকাতায় চলে আসেন। ১৯২৪ সালের ২৪ এপ্রিল কলকাতায় মেয়ের বিয়ে দেন নজরুলের সঙ্গে। মুসলমান পরিবারে জন্ম নেওয়া প্রায় বাউণ্ডুলে চাকরিহীন, বাসস্থানহীন , ব্রিটিশ সরকারের কুনজরে পড়ে জেলখাটা এক কবির সঙ্গে একমাত্র  মেয়ের বিয়ে দিতে তাঁর সংস্কারে বাধেনি। নজরুলের প্রতি কতটা গভীর স্নেহ থাকলে এমন করে সংস্কারের পুরোনো শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলা যায় বিধবা গিরিবালা তাঁর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। আর এ ঘটনা ঘটেছে সেই বাঙালী সমাজের সেই কালে যখন ধর্ম নিয়ে, জাত-পাত নিয়ে নানা টানাপোড়ন নতুন করে  মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে ভারতীয় রাজনীতির প্রশ্রয়েই।


বিয়ের পর আশালতার ঘরে নজরুলের ৪ সন্তান জন্ম নেয়। সবাই ছিলেন ছেলে এবং এর মাঝে প্রথম ২ জনই খুব অল্প বয়সে মারা যান। সন্তানদের নাম যথাক্রমে: 


(১) কাজী কৃষ্ণ মুহাম্মদ, 

(২) কাজী অরিন্দম খালেদ (বুলবুল), 

(৩) কাজী সব্যসাচী এবং 

(৪) কাজী অনিরুদ্ধ। 

প্রথম সন্তান কৃষ্ণ মুহাম্মদ জন্মের কয়েক মাস পরেই মারা যান। দ্বিতীয় সন্তান বুলবুল বেঁচে ছিলেন প্রায় ৩ - ৪ বছর। বুলবুল মারা যাওয়ার পর সন্তান হারানোর শোকে নিচের গানটি লিখেছিলেন কবি- ‘ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি; করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি’।


তৃতীয় সন্তান কাজী সব্যসাচী: তিনি ছিলেন ভারতের একজন নামকরা আবৃত্তিকার। কাজী সব্যসাচী কাজী নজরুল ইসলামের জীবিত সন্তানদের মধ্যে বড় ছিলেন। ১৯৬০-৭০ এর দশকে তিনি আবৃত্তিকার হিসেবে বিখ্যাত হয়ে উঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর পিতার বিখ্যাত “বিদ্রোহী” কবিতাটির আবৃত্তি প্রথম রেকর্ড করেন। ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার “কাজী সব্যসাচী স্মৃতি পুরস্কার” নামে আবৃত্তিতে পুরস্কার দিয়ে আসছে। একজন বাংলাদেশী ও একজন ভারতীয়কে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 


পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জাতীয় কবি

কাজী সব্যসাচী বিয়ে করেন উমা কাজীকে। ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়। ধানমন্ডির ২৮ নম্বর রোডে (বর্তমান নজরুল ইন্সটিটিউট সংলগ্ন) 'কবি ভবন'-এ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁরা বসবাস শুরু করেন। কাজী সব্যসাচী ব্যবসার কাজে কলকাতায় থেকে গেলেও উমা কাজী অসুস্থ কবিকে দেখাশোনা করার জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। 


সব্যসাচী ও উমার সংসারে ছিলো তিন সন্তান। 


(১) সবার বড় মেয়ে খিলখিল কাজী, একজন নজরুল সংগীত শিল্পী ও সাংগঠক, কাজী নজরুল ইসলামের গান গুলোর মূল স্বরলিপি সংরক্ষণে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ২০১৩ সালে নজরুল ইন্সটিটিউট নজরুল পদকে ভূষিত করে।

(২) তারপর দ্বিতীয় মেয়ে মিষ্টি কাজী এবং 

(৩) সবার ছোট ছেলে বাবুল কাজী। 

কাজী সব্যসাচী ১৯৭৯ সালের ২ মার্চ কোলকাতায় মারা যান। আর উমা কাজী মারা যান এ বছর ১৫ জানুয়ারী।  


কাজী অনিরুদ্ধ: কবির চতুর্থ সন্তান, জীবিতদের মধ্যে দ্বিতীয়। প্রখ্যাত গিটারবাদক কাজী অনিরুদ্ধ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র। তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞ। তিনি কবির সৃষ্ট অমর সুর সম্পদ সংরক্ষণের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। নজরুলের দুষ্প্রাপ্য লুপ্ত, অর্ধলুপ্ত গানের সুর উদ্ধার, স্বরলিপি প্রণয়ন ও প্রকাশের মাধ্যমে কবির সৃষ্টিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করেন। কাজী অনিরুদ্ধ'র সহধর্মিণীর নাম কল্যাণী কাজী। কল্যাণী কাজী নিজেও একজন সঙ্গীত শিল্পী। অনিরুদ্ধের সঙ্গে তার বিয়ে হয় ১৯৫২ সালে। তিনি লেখালেখিও করতেন। তাদেরও তিন সন্তান। যথাক্রমে, 


(১) বড় ছেলে কাজী অনির্বাণ, 

(২) দ্বিতীয় ছেলে কাজী অরিন্দম (সূবর্ণ) এবং 

(৩) সবার ছোট মেয়ে কাজী অনিন্দিতা। 

বড় ছেলে কাজী অনির্বাণ নিজে একজন পেইন্টার। কলকাতায় একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা পরিচালনা করেন তিনি। অনির্বাণের স্ত্রী সোমা মুখার্জি। তাদের দুই সন্তান, 


(১) অংকন এবং 

(২) ঐশ্বরিয়া। 

দ্বিতীয় পুত্র অরিন্দম (সূবর্ণ) একজন গিটার বাদক। তিনি কলকাতায় থাকেন। অরিন্দমের স্ত্রী সুপর্ণা ভৌমিক। তাদের দুই সন্তান, 


(১) অভিপ্সা ও 

(২) অনুরাগ। 

কাজী অনিরুদ্ধ’র ছোট মেয়ে অনিন্দিতা একাধারে নজরুল ও রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী। সাংবাদিকতা দিয়ে পেশা জীবনের শুরু হলেও বর্তমানে ভারতের টিভি চ্যানেল ‘তারা মিউজিক'-এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'আজ সকালের আমন্ত্রণ'-এর উপস্থাপনা করেন। অনিরুদ্ধ পরিবার কোলকাতায় থাকেন। 


কবির জীবদ্দশাতেই ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৪৩ বছর বয়সে কবির কনিষ্ঠ পুত্র অনিরুদ্ধ কোলকাতায় মারা যান। শুধুমাত্র কাজী সব্যসাচী বাবা নজরুল ইসলামের মৃত্যুর পর ১৯৭৯ সালে মারা যান।


তথ্যসূত্র: 


১) কবি নজরুলের প্রেম ও পারিবারিক জীবনের কিছু কথা: জিয়াদ আলি

২) বেড়ে উঠেছি নজরুল পরিবারে: খিলখিল কাজী

৩) ঢাকায় নজরুলের তিন প্রজন্ম: তাসলিমা তামান্না

সূত্র:- এক সাথে


সৌজন্যে – অশোক পাল


কাজী নজরুল ইসলাম এর "যদি আর বাঁশি না বাজে" নামের একটি অভিভাষণ::

 কাজী নজরুল ইসলাম এর "যদি আর বাঁশি না বাজে" নামের একটি অভিভাষণ::


সাধারণত কোনো কথ্য বক্তৃতার লিখিত রূপ বা এজাতীয় রচনাকে "অভিভাষণ" বলে। এতোটা সহজ ভাষায় কেউ কোনদিন ভাষণ দিতে পারেন, এই পরিমান আবেগ একটি বক্তৃতা ধারণ করতে পারে- আমার আসলেই জানা ছিল না। মনে গেঁথে যাওয়ার মতো অসংখ্য উপাদান আছে অভিভাষণটিতে। আমি জানি, অনেকেরই মুখস্থ এটি, প্রেক্ষাপটও অনেকের জানা। তারপরেও উল্লেখ করছি- যারা জানেন না তাঁদের জন্য। প্রেক্ষাপটটি সংগৃহীত। 


[১৯৪১ সালের ৬ই এপ্রিল মুসলিম ইন্সটিটিউট হলে "বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি"র রজত জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠানে সভাপতি রূপে কাজী নজরুল ইসলাম যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তারই পরিমার্জিত লিখিত রূপ। দুরারোগ্য ব্যাধিতে চিরজীবনের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে যাবার পূর্বে এই ছিল তাঁর সর্বশেষ "অভিভাষণ"। উৎসবে প্রদত্ত নজরুলের অভিভাষণটি ‘যদি আর বাঁশি না বাজে’ শিরোনামে মুদ্রিত হয়েছিল। যাঁরা সম্যকরূপে নজরুলকে চিনতে চান, তাঁদের জন্য এই বক্তৃতার চেয়ে উত্তম কিছুই হতে পারে না। আর যাঁরা নজরুলকে নিয়ে অহেতুক টানাহেঁচড়া করেন, রবীন্দ্র-নজরুলের ভেদাভেদ নিয়ে মাথা ঘামাতে গিয়ে মাথা খালি করে ফেলেছেন তাদের জন্য নজরুল যেন নিজেই জবাব হাজির করে রেখেছেন এই কালজয়ী অভিভাষণে। দুঃখ-দারিদ্রের মধ্য দিয়ে কেমন করে হাসিমাখা মুখে মাথা উঁচু করে চলতে হয় তাই যেন শেখায় মিনিট ছয়েকের এই ছোট্ট বক্তৃতা। একটু খেয়াল করলেই দেখি, বিগত সাত দশকে একটি দিনের জন্য ও তাঁর এ কথাগুলো অপ্রাসঙ্গিক কিংবা পুরাতন মনে হয় নি। সে জায়গাটাতেই চির তরুণ বিদ্রোহী নজরুল স্বার্থক।]


বন্ধুগণ,


আপনারা যে সওগাত আজ হাতে তুলে দিলেন, আমি তা মাথায় তুলে নিলুম। আমার সকল তনু-মন-প্রান আজ বীণার মত বেজে উঠেছে। তাতে শুধু একটি মাত্র সুর ধ্বনিত হয়ে উঠেছে- “আমি ধন্য হলুম”, “আমি ধন্য হলুম”।


আমায় অভিনন্দিত আপনারা সেই দিনই করেছেন, যেদিন আমার লেখা আপনাদের ভাল লেগেছে। বিংশ শতাব্দীর অসম্ভবের সম্ভাবনার যুগে আমি জন্ম গ্রহণ করেছি। এরই অভিযান সেনাদলের তূর্য্যবাদকের একজন আমি- এই হোক আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। আমি এই দেশে, এই সমাজে জন্মেছি বলে, শুধু এই দেশেরই, এই সমাজেরই নই; আমি সকল দেশের, সকল মানুষের। কবি চায় না দান, কবি চায় অঞ্জলি। কবি চায় প্রীতি। কবিতা আর দেবতা সুন্দরের প্রকাশ। সুন্দরকে স্বীকার করতে হয়, যা সুন্দর তাই দিয়ে। সুন্দরের ধ্যান, তাঁর স্তবগানই আমার ধর্ম। তবু বলছি, আমি শুধু সুন্দরের হাতে বীণা, পায়ে পদ্মফুলই দেখিনি, তাঁর চোখে চোখ ভরা জলও দেখেছি। শ্মশানের পথে, গোরস্তানের পথে তাঁকে ক্ষুধাদীর্ণ মুর্তিতে ব্যাথিত পায়ে চলে যেতে দেখেছি। যুদ্ধভূমিতে তাঁকে দেখেছি। কারাগারের অন্ধভূমিতে তাঁকে দেখেছি। ফাঁসির মঞ্চে তাঁকে দেখেছি।


আমাকে বিদ্রোহী বলে খামখা লোকের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। এ নিরীহ জাতটাকে আঁচড়ে- কামড়ে তেড়ে নিয়ে বেড়াবার ইচ্ছা আমার কোনদিনই নেই। আমি বিদ্রোহ করেছি, বিদ্রোহের গান গেয়েছি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অত্যাচারের বিরুদ্ধে, যা মিথ্যা- কলুষিত-পুরাতন-পঁচা সেই মিথ্যা সনাতনের বিরুদ্ধে। ধর্মের নামে ভন্ডামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে।


কেউ বলেন আমার বাণী যবন, কেউ বলেন কাফের। আমি বলি, ও দু’টোর কোনটাই নয়। আমি কেবলমাত্র হিন্দু-মুসলমানকে এক জায়গায় ধরে এনে হ্যান্ডশেক করাবার চেষ্টা করেছি; গালাগালিকে গলাগলিতে পরিণত করার চেষ্টা করেছি। সে হাতে হাত মিলানো যদি হাতাহাতির চেয়ে অশোভনীয় হয়ে থাকে, তাহলে ওরা আপনি আলাদা হয়ে যাবে। আমার গাঁটছড়ার বাঁধন কাটতে তাদের কোন বেগ পেতে হবে না। কেননা, একজনের হাতে আছে লাঠি, আরেকজনের আস্তিনে আছে চুরি । হিন্দু-মুসলমানে দিনরাত হানাহানি, জাতিতে জাতিতে বিদ্বেষ, যুদ্ধ-বিগ্রহ। মানুষের জীবনে এক দিকে কঠোর দারিদ্র-ঋণ-অভাব; অন্যদিকে লোভী অসুরের যক্ষের ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা পাষাণ স্তুপের মত জমা হয়ে আছে। এ অসাম্য ভেদজ্ঞান দূর করতেই আমি এসেছিলাম। আমার কাব্যে সংগীতে কর্মজীবনে অভেদ ও সুন্দর সাম্যকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম। আমি যশ চাই না, খ্যাতি চাই না, প্রতিষ্ঠা চাই না, নেতৃত্ব চাই না। জীবন আমার যত দুঃখময়ই হোক, আনন্দের গান- বেদনার গান গেয়ে যাব আমি। দিয়ে যাব নিজেকে নিঃশেষ করে সকলের মাঝে বিলিয়ে। সকলের বাঁচার মাঝে থাকবো আমি বেঁচে। এই আমার ব্রত, এই আমার সাধনা, এই আমার তপস্যা।


রবীন্দ্রনাথ আমায় প্রায়ই বলতেন, “দ্যাখ উন্মাদ, তোর জীবনে শেলীর মত, কীটসের মত খুব বড় একটা ট্রাজেডি আছে, তুই প্রস্তুত হ’।“ জীবনে সেই ট্রাজেডি দেখবার জন্য আমি কতদিন অকারনে অন্যের জীবনকে অশ্রুর বরষায় আচ্ছন্ন করে দিয়েছি। কিন্তু, আমারই জীবন রয়ে গেল বিশুষ্ক মরুভূমির মত দগ্ধ। মেঘের উর্ধ্বে শূণ্যের মত কেবল হাসি, কেবল গান, কেবল বিদ্রোহ।


আমার বেশ মনে পড়ছে। একদিন আমার জীবনের মহা অনুভূতির কথা। আমার ছেলে মারা গেছে। আমার মন তীব্র পুত্র শোকে যখন ভেঙে পড়ছে ঠিক সেই দিনই সেই সময় আমার বাড়িতে হাস্নাহেনা ফুটেছে। আমি প্রাণ ভরে সেই হাস্নাহেনার গন্ধ উপভোগ করেছিলাম। আমার কাব্য, আমার গান আমার জীবনের সেই অভিজ্ঞতার মধ্য হতে জন্ম নিয়েছে। যদি কোনদিন আপনাদের প্রেমের প্রবল টানে আমাকে আমার একাকিত্বের পরম শূণ্য থাকে অসময়ে নামতে হয়, তাহলে সেদিন আমায় মনে করবেন না, আমি সেই নজরুল। সেই নজরুল অনেক দিন আগে মৃত্যুর খিড়কী দুয়ার দিয়ে পালিয়ে গেছে। মনে করবেন পুর্ণত্বের তৃষ্ণা নিয়ে একটি অশান্ত তরুণ এই ধরায় এসেছিল, অপূর্ণতার বেদনায় তারই বিগত আত্মা যেন স্বপ্নে আপনাদের মাঝে কেঁদে গেল।


যদি আর বাঁশি না বাজে, আমি কবি বলে বলছি নে, আমি আপনাদের ভালবাসা পেয়েছিলাম, সেই অধিকারে বলছি, আমায় আপনারা ক্ষমা করবেন। আমায় ভুলে যাবেন। বিশ্বাস করুন, আমি কবি হতে আসি নি। আমি নেতা হতে আসি নি। আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম, প্রেম পেতে এসেছিলাম। সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এই প্রেমহীন নিরস পৃথিবী হতে নিরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম।


যেদিন আমি চলে যাব, সেদিন হয়ত বা বড় বড় সভা হবে। কত প্রশংসা কত কবিতা বেরুবে হয়ত আমার নামে! দেশপ্রেমী, ত্যাগী, বীর, বিদ্রোহী- বিশেষণের পর বিশেষণ, টেবিল ভেঙে ফেলবে থাপ্পর মেরে, বক্তার পর বক্তা! এই অসুন্দরের শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রার্থ্য দিনে বন্ধু, তুমি যেন যেও না। যদি পার চুপটি করে বসে আমার অলিখিত জীবনের কোন একটি কথা স্মরণ কোরো। তোমার ঘরের আঙিনায় বা আশেপাশে যদি একটি ঝরা পায়ে পেষা ফুল পাও, সেইটিকে বুকে চেপে বোলো - ‘বন্ধু, আমি তোমায় পেয়েছি’।


তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না,

কোলাহল করে সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না।

নিশ্চল, নিশ্চুপ;

আপনার মনে পুড়িব একাকী গন্ধবিধুর ধূপ।


জিবরাইল আঃ এর বাদ দোয়া করা এবং রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমিন বলা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔲 যারা মু'মিন তাদের জন্য এই একটি হাদীসই যথেষ্টঃ-


🔸 রাসূল সল্লল্ল-হ 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন উপস্থিত সাহাবায়ে কেরামকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমরা মিম্বারের কাছাকাছি হয়ে বসো। সাহাবায়ে কেরাম (র.) সবাই কাছাকাছি হয়ে বসলেন। রাসূল (স.) মিম্বারের প্রথম সিঁড়িতে পা রাখলেন এবং বললেন “আমিন”। দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন এবং বললেন “আমিন”। অতঃপর তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন এবং বললেন “আমিন”।


🔹 আলোচনা শেষ করে রাসূল (স.) মিম্বার থেকে নেমে আসলেন। তখন সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্ল-হ আপনাকে তো আগে কখনও এমনটি করতে দেখিনি। তখন রাসূল (স.) বললেন, আমি যখন প্রথম সিঁড়িতে পা রাখি তখন হযরত জিবরাঈল (আ.) উপস্থিত হয়ে বললেন, “যে ব্যক্তি রমাদ্বান মাস পেয়েও নিজেদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করাতে পারলো না, তার ধ্বং-স হোক”। তখন আমি বললাম, “আমিন”।


🔸 এরপর যখন দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখি, তখন জিবরাঈল আ. বললেন, “যার সামনে আপনার নাম বলা হয়েছে কিন্তু সে আপনার নাম শুনেও আপনার প্রতি দরূদ পাঠ করে নি, তার ধ্বং-স হোক।” তখনও আমি বললাম, “আমিন”।


🔹 সর্বশেষ যখন তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখি, তখন জিব্রাইল (আ.) বললেন, “যে ব্যক্তি তার পিতা মাতার কাউকে তাদের বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েছে, কিন্তু তাদের খেদমত (সেবা-যত্ন) করে জান্নাতের মালিক হতে পারে নি, তারও ধ্বং-স হোক। তখনও আমি বললাম, “আমিন”। [বায়হাকী- ১৫৭২]


⭕ রমাদানুল মোবারকের একেবারে দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি আমরা, জানি না নিজেদের গুনাহগুলোকে ক্ষমা করাতে পারবো কি না... তাই আসুন এখন থেকেই দোয়া এবং এস্তেগফারের পরিমানটা বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি, একটু চোখের পানি ফেলে মালিকের কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করি। আমাদের মালিক তো মহান ক্ষমাশীল, নিশ্চয়ই তিনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন ইন শা আল্লাহ 💝✅


«اَسْتَغْفِرُوا اللهَ اللَّذِى لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ»


উচ্চারণঃ- “আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা- ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহ”।


হুমায়ূন আহমেদ (নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ),,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একদিন লক্ষ করলাম, সে (শাওন) ঝিম ধরে কম্পিউটারের ফেসবুকের পাতার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখের পাতায় অশ্রুবিন্দু।

আমি বললাম, সমস্যা কী?

কেয়ারগিভার বলল, কোনো সমস্যা না। সামান্য মন খারাপ। কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।

আমি বললাম, আমাকে বলো, দেখি, মন খারাপ কাটানোর চেষ্টা করতে পারি কি না।

-তোমাকে বলব না। তোমার মন খারাপ হবে।

আমি বললাম, সহজে মন খারাপ হবে, এমন মানুষ আমি না। বুঝতে পারছি, ফেসবুকে পাঠানো কারও কমেন্ট পড়ে তুমি আপসেট হয়েছ। কী লিখেছে?

শাওন পড়ে শোনাল। কেউ একজন লিখেছে, তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে আল্লাহ তোমাকে শিক্ষা দিলেন। এই শিক্ষা তোমার আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল।

শাওনের মেয়ে লীলাবতী যখন মারা গেল, তখনো সে এ ধরনের চিঠিপত্র পেত। লেখা থাকত, তোমার কঠিন শাস্তি হওয়ায় আমরা খুশি। আরও শাস্তি হবে। এই ধরনের কথা।

আমি শাওনকে বললাম, পৃথিবীতে মানসিক অসুস্থ অনেক মানুষ। তাদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমরা ভাবব সুস্থ মানুষদের কথা। তোমার ফেসবুকে শত শত মানুষ কত চমৎকার সব কথা লিখছে। লিখছে না?

-হ্যাঁ।

-এর মধ্যে একজনের কথা চিন্তা করো। সে চলে গেছে মক্কায়, কাবা শরিফে। সেখান থেকে তোমাকে জানিয়েছে, আমি স্যারের জন্য দোয়া করতে এসেছি। শাওন আপু, আপনি একটুও চিন্তা করবেন না। এর পরও কি মন খারাপ করা তোমার উচিত?

শাওন বলল, না, উচিত না।

-তাহলে মিষ্টি করে একটু হাসো।

-হাসতে পারব না।

বলেও সে হাসল।

আমাদের আশপাশে বিকৃত মানসিকতার মানুষের সংখ্যা কি বাড়ছে? মনে হয় বাড়ছে। একজনের কথা বলি, সে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য হাস্যকর কাণ্ডকারখানা শুরু করল। একটা পর্যায়ে গেটের সামনে স্ট্রাইক করার মতো অবস্থা। মহা বিরক্ত হয়ে তাকে আসতে বললাম। ২৩-২৪ বছরের যুবক। কঠিন চোখমুখ। আমি বললাম, এখন বলো, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য এত ব্যস্ত হয়েছ কেন? বিশেষ কিছু কি বলতে চাও?

-চাই।

-তাহলে বলে ফেলো।

-আপনার লেখা আমার জঘন্য লাগে।

-এই কথাটা বলার জন্য এত ঝামেলা করেছ?

-হ্যাঁ! কারণ সরাসরি এই কথা আপনাকে বলার কারোর সাহস নাই। সবাই আপনার চামচা।

-আমি বললাম, আরও কিছু কি বলবে?

-হ্যাঁ।

-বলে ফেলো।

সে ইংরেজিতে বলল, আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন।

আমি কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে থেকে বললাম (ইংরেজিতে), আই হোপ অ্যান্ড প্রে ইউ হ্যাভ আ লং অ্যান্ড মিনিংফুল লাইফ।” 

 —হুমায়ূন আহমেদ (নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ)



সূরা মাঊনের এই আয়াতটি নিয়ে কখনো ভেবে দেখেছেন?,,,,

 সূরা মাঊনের এই আয়াতটি নিয়ে কখনো ভেবে দেখেছেন?


আল্লাহ তা'আলা বলেছেন:

وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ

“এবং (ধ্বং*স হোক তারা, যারা) ছোট-খাট গৃহসামগ্রী দানে নি*ষেধ করে।”


এখানে ‘মাঊন’ অর্থ কেউ বলেছেন যাকাত। তবে গ্রহণযোগ্য মত হলো ঘরের টুকটাক জিনিস, যা সাধারণত প্রতিবেশীরা চেয়ে থাকে।

যেমন—লবণ, পানি, আ*গুন, কিংবা ব্যবহারের জন্য চা*কু, কো*দাল, শাবল, স্ক্রু-ড্রাইভার ইত্যাদি।


চিন্তার করুন! কতটুকু কৃ*পণ হলে মানুষ এগুলো দিতে অ*মত করে। অথচ এসবে সম্পদে ঘাটতি হয় না। অতএব এদের দ্বারা যাকাত, সাদাকা, কা*ফ*ফারা আদায় না হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর নফল দান তো অনেক দূরের ব্যাপার!


হাদিসে এসেছে, আয়শা রাদিয়াল্লাহু আনহা জিজ্ঞেস করলেন:


: আল্লাহর রাসূল! কোন বস্তু, যা কেউ চাইলে নি*ষেধ করা বৈ*ধ নয়?


: আ*গুন, পানি, লবণ।


: পানি না হয় বুঝলাম, কিন্তু আ*গুন ও লবণের বিষয়টা ঠিক বুঝলাম না।


: আইশা! কেউ যদি আ*গুন দেয়, তবে সে আ*গুন দিয়ে যা যা রান্না হবে, তা সাদকা করার সাওয়াব সে পাবে। 

আর লবণ দিলে, এই লবণের কারণে খাবারে যে স্বাদ হয়, তার সাওয়াবও পায়। 

যদি এমন ব্যক্তিকে পানি পান করায়, যার অতটা পানি চাহিদা নেই, তাহলে ৬০ টি গোলাম আ*যা*দের সাওয়াব পাবে। আর যদি এমন কাউকে পান করায়, যার পানির চাহিদা প্র*চন্ড, তাহলে যেন সে একজন মানুষের জীবন বাঁচাল। আর যে একজন মানুষের জীবন বাঁচাল সে যেন পুরো মানবজাতির জীবন বাঁচাল।”

[তাফসীরে কুরতুবি]

[একটি মজার তাফসীর বই থেকে নেয়া হয়েছে]


দয়ালু আল্লাহ আমাদেরকে বেশি বেশি দান-সদকাহ করার তাওফিক দান করুন,

আমিন।


ফ্রি বুদ্ধি ۔۔۔AANP ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফ্রি বুদ্ধি ۔۔۔AANP

==============

ফায়ার সার্ভিসের কথা মতে বেইলী রোডের ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তার বিষয়টি ভবন মালিক ও রেষ্টুরেন্ট মালিকদের বার বার নোটিশ করে জানানো সত্ত্বেও তারা তা মেনে চলেন নাই নাই । 


    ফায়ার সার্ভিস -কে একটা ভালো বুদ্ধি দিতে চাই । সেটা করলে বহু মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে ভবিষ্যতে । 


  তা হলো , সে সব ভবনে , বাড়িতে , মার্কেটে অগ্নি নিরাপত্তা নাই সেসব স্থানে ফায়ার ব্রিগেড কষ্ট করে একটি সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিবে যেখানে লেখা থাকবে ,


   “ এই স্থানটি নিরাপদ নয় । এখানে আগুন লাগলে আপনার জীবন বাঁচানো কঠিন হবে ।” 


   বাকী কাজটি জনগনই করবে । ঐ মার্কেট , ভবন , হোটেল -রেষ্টুরেন্টের আশে পাশেও কেউ যাবে না । সাইন বোর্ডের লেখাটি তখন হাজার হাজার মানুষ ভাইরাল করে দিবে । ডিজিটাল যুগে শাস্তি এমন করেই দিতে হবে ।


   ফায়ার সার্ভিস যদি সেটি করতে না পারে তাহলে চলুন আমরাই তা করি ভিন্ন ভাবে । কোন স্থানে অগ্নি নিরাপত্তা লক্ষ্যনীয় না হলে Facebook post এ তা বলে দেই ভদ্র ভাষায় । দেখবেন কেউ যাবে না সেখানে তা জানার পর । 


 শেয়ার করুন ॥

AANP ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নেতৃত্বের ফেতনা (খলিফা কি কোরাইশী হতে হবে?),,,,,salsabil ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নেতৃত্বের ফেতনা (খলিফা কি কোরাইশী হতে হবে?)


সাহাবী, তাবেয়ী এবং তার পরবর্তী বহু যুগ এমন ছিল সহীহ হাদীস পেলে মুমিনরা যুক্তি-তর্কের উর্ধ্বে গিয়ে মেনে নিত। বর্তমানে যে কোন কিছুকে অনেকে যুক্তি ও ইতিহাস বা নিজেদের প্রিয় আলেমের ব্যাখার সাথে মিললে গ্রহণ করবে নাহলে পরিত্যাগ করবে এমনটাই পরিলক্ষিত হয়।


আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা ইবনু কানাব, কুতায়বা ইবনু সাঈদ, যুহায়র ইবনু হারব ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “জনগণ এর বিষয়ে (প্রশাসনিক ব্যাপারে) কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা তাদের মুসলিমদের এবং কাফেররা তাঁদের কাফেরদের (অনুসারী)। (মুসলিম)


মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) … হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে যে সকল হাদীস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন তন্মধ্যে একটি হল যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকজন এই ব্যাপারে কোরায়শের অনুসারী মুসলিমরা মুসলিমদের অনুসারী এবং কাফেররা কাফেরদের অনুসারী। (মুসলিম)


ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারেসী (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকজন ভাল-মন্দ (উভয় ব্যাপারেই) কুরায়শের অনুসারী।


আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ কর্তৃত্ব (খেলাফত)

সর্বদা কুরায়শের মধ্যেই থাকবে যতক্ষন পর্যন্ত (দুনিয়ার) দুটি লোকও বেঁচে থাকবে। (মুসলিম)


কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও রিফা’আ ইবনু হায়সাম ওয়াসেতী (রহঃ) … সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম। তখন আমরা তাঁকে বলতে শুনলাম, শাসন ক্ষমতার ব্যাপারটা চলতে থাকবে যতক্ষন না উম্মাতের মধ্যে বারজন খলীফা অতিবাহিত হবেন। তারপর তিনি কিছু বললেন, যা আমার কাছে অস্পষ্ট ছিল। তখন আমি আমার-পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বললেন? তিনি বললেন যে, তিনি বলেছেন, তাদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশোদ্ভূত। (মুসলিম)


সবগুলো হাদীস মুসলিম শরীফে রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রশাসন অধ্যায়ে পাবেন।


রসুলের (সা:) ওফাতের পর খলিফা নির্বাচন নিয়ে সাহাবীরা জড়ো হলে- আবু বকর (রা:) বলেছিলেন, তবে খিলাফাতের ব্যাপারটি কেবল এই কুরাইশ বংশের জন্য নির্দিষ্ট। তারা হচ্ছে বংশ ও আবাসভূমির দিক দিয়ে সর্বোত্তম আরব। আর আমি এ দু’জন হতে যে কোন একজনকে তোমাদের জন্য নির্ধারিত করলাম। তোমরা যে কোন একজনের হাতে ইচ্ছা বায়’আত করে নাও। (সহীহ বুখারী, বায়াত ও বংশীয় শাসন পোস্টে পুরাটা পাবেন)।


সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ


তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী (রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।


সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৬৪৬

হাদিসের মান: হাসান সহিহ


অনেকে হাসান (রা:) এর ছয় মাস পর্যন্ত খেলাফতের সময়কাল ধরেন। আর ১২ জন ন্যায়পরায়ন খলিফার মধ্যে ৫ জন হাসান (রা:) পর্যন্ত। উমর বিন আবদুল আজিজ (রহ:) এবং শেষ খলিফা মাহাদী (হাফি:) হবেন আলেমরা ঐক্যমত।


এছাড়া আর কিছু হাদীসে কোরাইশ হতে খলিফা হবে প্রমাণ পাওয়া যায়। একথা বললে অনেকে ইহুদিদের দালাল, আহলে খবিশ, রাজতন্ত্রের সমর্থনকারী আবার অনেকে এটা হিন্দুদের জাতপ্রথার মতো হয়ে গেছে বলে অভিহিত করে।


আল্লাহর কসম!! আমাদের উদ্দেশ্য সত্য জানানো! ফেতনা ছড়ানো বা অর্থ উপার্জন, জনপ্রিয়তা অর্জন নয়। বরং আমরা এমন কিছু জানাতে চাই যা অন্যরা সাধারণত বলে না। ফলে উপহাস, গালির শিকার হতে হচ্ছে!! আপনাদের সাথে মতে না মিললে হয়তো আমাদের বুঝিয়ে দেন, মেনে নিবো। আর আমাদের গালি দিলে, আপনাদের নেকী হবে এমন কোন দলিল যদি থাকে হাসিমুখে মেনে নিবো।


এবার আসি ব্যাখা-


আল্লাহ সকল সৃষ্টির উপর মানবজাতিকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এটা আল্লাহর সিদ্ধান্ত, বান্দা মেনে নেওয়া উচিত। ইবলিস আদম (আ:) সহ মানবজাতির শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে অস্বীকার করে ধ্বংসপ্রাপ্তের অন্তর্ভুক্ত হয়।


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা হলেন আল-আলীম (সর্বজ্ঞ)। তিনি জানেন কি এবং কি হতে পারে, কি ছিল এবং কি হতে পারে। “এর পরিপূর্ণতা জ্ঞান দ্বারা সবকিছু বোঝার মধ্যে নিহিত – প্রকাশ এবং গোপন, ছোট এবং বড়, প্রথম এবং শেষ, শুরু এবং ফলাফল।”


আমরা আমাদের চারপাশে যা দেখি এবং অভিজ্ঞতা করি তার দ্বারা অবশ্যই আমাদের জ্ঞান অর্জন করি। অন্যদিকে, আল্লাহর জ্ঞানের কোন শুরু বা শেষ নেই এবং এটি পরীক্ষা ও ত্রুটির উপর ভিত্তি করে নয়।


আল্লাহর জ্ঞান পরিপূর্ণ ও নিখুঁত। এটি অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে বোঝায় এবং সর্বদা বাস্তবতার সাথে মিলে যায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ


“তিনি কি জানেন না যে তিনি কি সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি সূক্ষ্ম, অবহিত।”


আল-মুলক ৬৭:১৪

সূরা আল-আনআম আয়াত ৫৯-এ তিনি বলেন,


“এবং তাঁর কাছেই রয়েছে অদৃশ্যের চাবি; তিনি ছাড়া তাদের কেউ জানে না। আর তিনি জানেন স্থলে ও সমুদ্রে যা আছে। একটি পাতাও পড়ে না কিন্তু তিনি তা জানেন।”


সূরা আল আনআম, ৫৯

আল্লাহ জানতেন মুমিনরা তার আমল দ্বারা আল্লাহর কাছে অতি প্রিয় হবে ও সৃষ্টির মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করবে যা ফেরেশতারা জানতো না। তাই আল্লাহ মুমিনদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ঘোষণা করেন। তেমনি আল্লাহ জানতেন – কোরাইশরা নেতৃত্ব দানে সবচেয়ে উপযোগী হবে বা শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের কোরাইশ হতে তিনি পাঠাবেন বা নেতৃত্বের উপযোগী করবেন। তাই কোরাইশদের নেতৃত্ব দানের নির্দেশ দিয়েছেন। আবার এটা ইব্রাহিম (আঃ) এর দোয়ার ফসল।


কুরআনে বর্নিত –


‘যখন ইবরাহীমকে তার পালনকর্তা কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা করলেন, অতঃপর তিনি তাতে উত্তীর্ণ হ’লেন, তখন আল্লাহ বললেন, আমি তোমাকে মানবজাতির নেতা করব। তিনি বললেন, আমার বংশধর থেকেও। তিনি বললেন, আমার অঙ্গীকার যালেমদের পর্যন্ত পৌঁছবে না’


বাক্বারাহ ২/১২৪

বস্ত্ততঃ আল্লাহ ইবরাহীম (আ) ও তাঁর বংশধরগণের মধ্যেই বিশ্ব নেতৃত্ব সীমিত রেখেছেন। যেমন অন্যত্র আল্লাহ বলেন,


‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আদম, নূহ, ইবরাহীম-এর বংশধর ও ইমরানের বংশধরকে নির্বাচিত করেছেন’। ‘যারা ছিল পরস্পরের বংশজাত। আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ’


আলে ইমরান ৩/৩৩, ৩৪

বস্তুত ইবরাহীম (আঃ)-এর পরবর্তী সকল নবী তাঁর বংশধর ছিলেন। আলে ইমরান বলতে ইমরান-পুত্র মূসা ও হারূণ ও তাঁদের বংশধর দাঊদ, সুলায়মান, ঈসা (আ) প্রমুখ নবীগণকে বুঝানো হয়েছে। যাঁরা সবাই ছিলেন ইবরাহীমের (আ) পুত্র ইসহাকের (আ) বংশধর। অপরপক্ষে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মাদ (সা) ছিলেন ইবরাহীমের (আ) জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাঈলের (আ) বংশধর। সে হিসাবে আল্লাহ ঘোষিত ইবরাহীমের (আ) বিশ্ব নেতৃত্ব যেমন বহাল রয়েছে, তেমনি নবীদের প্রতি অবাধ্যতা, বংশীয় অহংকার এবং জেদ ও হঠকারিতার জন্য যালেম ইহুদী-নাছারাগণ আল্লাহর অভিশাপ কুড়িয়ে বিশ্বের সর্বত্র ধিকৃত ও লাঞ্ছিত হয়েছে।


ইব্রাহিমের (আঃ) দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। অধিকাংশ নবী, রসুলগণ ইব্রাহিম (আঃ) এর পুত্র ইসহাকের (আ) বংশধর ও তার বংশধর ইয়াকুব (আ:) হতে এসেছিল বা আল্লাহ পাঠিয়েছিলেন।


ইয়াকুব (আ:) এর উপাধি ছিল ইসরায়েল মানে আল্লাহর বান্দা আর তার বংশধরদের বনী ইসরায়েল বলা হতো।

আলেমদের মতে, তার এক ছেলে ইয়াহুদের নামে একটা মতবাদ চালু করে বনী ইসরায়েল এবং নিজেকে ইহুদি পরিচিত দিত। পরবর্তীতে তা ধর্মীয় ও বংশগত পরিচয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।


বনী ইসরায়েলের মন্দলোকদের হেদায়েত ও প্রতিহিত করার জন্য তাদের বংশধর হতে নবী, রসুল ও কিতাব দিয়েছিলেন। ফলে ক্যাবলাহ বায়তুল আকসা ছিল আর তারা দ্বীন হতে সরে যায় এবং আল্লাহ নেতৃত্ব দেন ইব্রাহিম (আ:) এর পুত্র বনী ইসমাইল এর বংশধরদের বা কোরাইশদের। এই বংশ হতে সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মুহাম্মদ (সা:) কে পাঠানো হয়, আর বনী ইসরায়েলের অধিকাংশই তার বিরোধিতা করে। অথচ অনেকে বিশেষ করে কোরাইশ সাহাবীরা রসুল (সা:) ও আল কুরআনের প্রতি ঈমান আনে। ফলে বনী ইসরায়েল হতে নেতৃত্ব চলে আসে বনী ইসমাইলের (কোরাইশ) কাছে এবং ক্যাবলাহও পরিবর্তন করা হয়।


মুসলিমরা কোরাইশের মুসলিমদের অনুসারী হবে। তাদের ভালোরা ভালোর নেতৃত্ব ও মন্দরা মন্দের নেতৃত্ব মেনে নিবে। যেমন – সাহাবীরা রসুলের (সা:) নেতৃত্ব মেনেছিল আর আবু জাহেলদের নেতৃত্ব মেনেছিল কাফেররা। আবার ইয়াজিদের অনুসারী বা সেনাদের অধিকাংশ ছিল মন্দ তারা তার নেতৃত্ব মেনে ছিল অপরদিকে হোসেন (রা:) ও আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা:) অনুসারীরা তার নেতৃত্ব মেনে জালেমের বিরোধিতা করেছিল। ঈসা (আ:) পর্যন্ত হয়তো এভাবে চলবে। শেষ জমানার হাদীসে পাবেন – মাহাদীর (আ) বিরুদ্ধে যে বাহিনী পাঠাবে তিনি হবেন কোরাইশি। (মুসলিম, আবুদাউদ)।


অপরদিকে আহলে বায়াত (কোরাইশ) হতে হবেন মাহাদী (হাফি:)। উম্মাহর শ্রেষ্ঠলোকগুলো তাকে মেনে নিবে।


মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

ভারনিক্স,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "ভারনিক্স"


বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে।  "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই  দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।


এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।


সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই! 


সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।


জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।


World Health Organization❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️


আদা চাষ পর্ব ৩,,, ,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আদা চাষ পর্ব ৩


বস্তায় আদা চাষের এপ্রিল-মে (চৈত্র- বৈশাখ) মাসে আদা লাগাতে হয়। তবে এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ আদা লাগানোর উপযুক্ত সময়।


তাই যারা বস্তায় আদা চাষ করতে চান, তারা এই সপ্তাহ হতেই মাটি রেডি করে বস্তায় ভরের কাজ শুরু করবেন।


মাটি তৈরি:


একটি বস্তায় তিন ঝুড়ি মাটি, এক ঝুড়ি বালি, এক ঝুড়ি পচা গোবর সার ও ২৫ গ্রাম ফিউরাডন লাগবে। বালি পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে, ফিউরাডন উইপোকার উপদ্রব থেকে রক্ষা করবে। মাটির সঙ্গে গোবর, বালি ও ফিউরাডন ভালোভাবে মিশিয়ে সিমেন্টের বস্তায় ভরে ঝাঁকিয়ে নিন তাতে মিশ্রনটি ভালোভাবে চেপে যাবে। আলাদা একটি বালি ভর্তি টবে টুকরো অঙ্কুরিত আদা পুঁতে দিন। ২০-২৫ দিন পর ওই আদা থেকে গাছ বের হবে। তখন আদার চারা সাবধানে তুলে বস্তায় মাটির ভিতরে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি গভীরে লাগিয়ে দিতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।

দিনের অধিকাংশ সময় রোদ পায় এমন স্থানে বস্তাটি রাখতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদা গাছ বাড়তে থাকবে। চারা লাগানোর দু’মাস পরে ৪ চা চামচ সরিষার খৈল এবং আধা চামচ ইউরিয়া প্রয়োগ করুন মাটিতে। মাঝে খুঁড়ে মাটিটা একটু আলগা করে দিলে ভালো হয়।


ফসল সংগ্রহ:


সাধারনত জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারি মাসে বস্তা থেকে আদা উঠানো হয়। আদা পরিপক্বতা লাভ করলে গাছের পাতা ক্রমশ হলুদে হয়ে কা- শুকাতে শুরু করে। এ সময় তুলে মাটি ঝেড়ে ও শিকড় পরিস্কার করে সংরক্ষণ করা হয়।



নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...