এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

G9.   জি- ৯ কলার বৈশিষ্ট্য (G9 টিস্যু কালচার কলার বড় চারা পেতে যোগাযোগ করুন),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 G9  জি- ৯ কলার বৈশিষ্ট্য


(G9 টিস্যু কালচার কলার বড় চারা পেতে যোগাযোগ করুন) 

এ জাতের কলার ফলন বেশি, সুস্বাদু ও রোগ প্রতিরোধী।এক একটি কাঁদিতে ৩৫ থেকে ৪০ কেজি ওজনের কলা উৎপাদন হয়|২২০-২৪০টি কলা পাওয়া যায়,সেখানে প্রচলিত জাতের কলা পাওয়া যায় সর্বোচ্চ   ৬০-১২০টি।

দুইবছরে তিনবার ফল পাওয়া যায়। গাছ মাঝারি আকারের (২ মিটার লম্বা) ও শক্ত হওয়ায় ঝড়-বাতাসে সহজে ভেঙে পড়ে না এমনকি এ জাতের কলা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সহনশীল। গাছ থেকে কলা পাড়ার পর তুলনামূলকভাবে এই কলা বেশি দিন টিকে থাকে বা নষ্ট হয় না।

কাঁদির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সবগুলো কলার আকার এক রকম হয়। পাকা কলার রং আকর্ষণীয় হলুদ, লম্বা ও কম বাঁকানো, কলার গায়ে কোনো দাগ পড়ে না। এসব কারণে বিশ্বব্যাপী ‘জি- ৯’ জাতের কলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

 মাত্র ৮-৯ মাসের মধ্যে কলা পাওয়া যায়, যেখানে অন্য জাতের কলা পেতে ১১-১৫ মাস অপেক্ষা করতে হয়।

 অন্য জাতের চেয়ে ফলন দ্বিগুণ বেশি। একটি কাঁদির ওজন ৩৫ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত হয়। একসাথে ফল আসে ও একসাথে সব কাঁদি কাটা যায়।০১৭৮৭৪৩২৭৫৪ Whatsapp / imo






মীর জাফরের সমাধী,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইতিহাসের সবচাইতে জঘন্যতম ব্যক্তির সমাধি এটি।যার নাম মানুষ মুখে আনতেও ঘৃণা বোধ করে।    মীর জাফর!  পুরো নাম মীর জাফর আলী খান বাহাদুর। যার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন উপমহাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়। মীরজাফর ছিলেন পলাশী যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এবং প্রধান বিশ্বাসঘাতক। যার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে  পরাজয় বরণ করতে হয়েছিলো অবিভক্ত বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে। সেদিন পলাশীর প্রান্তরে নিরবে দাঁড়িয়ে থেকে  প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খান ও তার দোসররা ইংরেজ বেনিয়া লর্ড ক্লাইভ এর হাতে বাংলার শাসন ক্ষমতা তুলে দিয়েছিলো।অস্তমিত হয়েছিল বাংলার চিরচেনা সেই স্বাধীন সূর্য। মুষ্টিমেয় ইংরেজ শাসক বিশ্বাসঘাতকদের সহায়তায় বাংলায় তাদের শাসন ক্ষমতা পোক্ত করে এবং প্রায় ২০০ বছর শাসন করে। সেই থেকেই মীরজাফরের নাম বিশ্বাসঘাতকতার রূপক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ভারতের মুর্শিদাবাদের তার বাড়িটি নিমকহারাম দেউড়ি নামে পরিচিত। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে ইতিহাসের এই বিশ্বাসঘাতকের সমাধি দেখতে হলে গুনতে হয় ১০ রুপি!গঙ্গার ঠিক ওপারে  খোশবাগে নানা আলীবর্দী খাঁর সমাধির  পাশে পড়ে আছে অযত্নে আর অবহেলায়  অবিভক্ত বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সমাধি!

হাজারদুয়ারী প্রাসাদ যেটা এখন যাদুঘর, প্রবেশ করে দেখলাম সব ইংরেজ শাসকদের বড় বড় ছবি বাঁধাই  করে রাখা, নিচে তাদের শাসনামল উল্লেখ করা আর তাদের ব্যবহৃত পোশাক। এতসব বড় বড় ইংরেজ শাসকদের ভিড়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ছবি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলাম, নবাব সিরাজউদ্দৌলার ছবিটি কোথায়? উনি চোখের দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন আমি বাংলাদেশী কিনা?হ্যাঁ বলার পর উনি বললেন আচ্ছা আপনারা বাংলাদেশিরা নবাবের ভিতরে কি পেয়েছেন বলুন তো?বাংলাদেশ থেকে নাকি যে ই যায়  তারা নবাব সিরাজউদ্দৌলার ছবি দেখতে চায়। তারপর খুঁজতে খুঁজতে সব বড় বড় ইংরেজ শাসকদের  ছবির ভিড়ে  একটি কর্নারে ছোট্ট একটি ছবি দেখতে পেলাম যে ছবিটা ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার। ছবিটার সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ভাবলাম যে ব্রিটিশ শাসকগণ প্রায় ২০০ বছরের উপনিবেশ কায়েম করল ভারতীয় উপমহাদেশ,  তাদের ছবি আজও কত যত্নে বাঁধানো অথচ নবাবের স্থান  ছোট্ট একটি কর্ণারে !



পাঠ প্রতিক্রিয়া- তেরো,,,, সুমন সোবহান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পাঠ প্রতিক্রিয়া- তেরো 


বইয়ের নামঃ পদ্মজা 

লেখকঃ ইলমা বেহরোজ    

প্রকাশকঃ অন্যধারা  

প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা- ২০২৪  

একাদশ সংস্করণঃ একুশে বইমেলা- ২০২৪ 

মুদ্রিত মূল্যঃ ৮০০ টাকা  

পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪১৬  

গ্রন্থের প্রকৃতিঃ উপন্যাস 

প্রচ্ছদঃ ফাইজা ইসলাম 


রকমারি ডট কম থেকে প্রতিবছরই গাঁটের পয়সা খরচা করে একুশে বইমেলার আলোচিত বইগুলো পড়ার জন্য সংগ্রহ করি। এবারো সেরকম কিছু বই কেনার অভিপ্রায়ে তাদের প্ল্যাটফর্মে ঢুঁ মারতে গেলে বেস্টসেলার তালিকার শীর্ষে থাকা ‘পদ্মজা’ উপন্যাসটা স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল জাগায় এবং পড়ার জন্য কিনে ফেলি।            


বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার কোন এক প্রত্যন্ত এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে নব্বইয়ের দশক থেকে পরবর্তী দু’দশক সময়কাল উপন্যাসের মোট ৪১৬ পৃষ্ঠাব্যাপী শেকড়ে-বাকলে বিবৃত হয়েছে। দু’এক জায়গায় সময়কালের উল্লেখ এবং বিভিন্ন চরিত্রের মুখে ব্যবহৃত ভাষা থেকে সেরকমই মনেহলো। সেই সমাজে কমবেশি সবাই ধর্মপ্রাণ মুসলিম, তারা প্রবলভাবে কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। তারা ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে যেমন অভ্যস্ত, তেমনি খুনোখুনিতেও সমানভাবে পারদর্শী। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলে সেই খুনোখুনির আয়োজন। রিরংসা- হিংসা-জিঘাংশা-হত্যা-ষড়যন্ত্র-রিপুর তাড়না এই সমাজে খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। উপন্যাসের পাতায় পাতায় বিভিন্ন চরিত্রের সংলাপ এবং ঘটনার বিবরণ পড়ে মনেহলো সন্তান-পিতা-মাতা-স্বামি-স্ত্রী এসব সম্পর্কের মধ্যে স্বাভাবিক সৌজন্যবোধ, সম্মান, প্রেম, ভালোবাসা ইত্যাদি বিষয়গুলো এই সমাজে প্রবলভাবে অনুপস্থিত। তারা একে অপরের প্রতি শত্রুতাভাবাপন্ন, তারা একে অপরকে ঘৃণা করে। এই সমাজে বাবা মেয়েকে ঘৃণা করে, মা সন্তানের প্রতি বিরূপ, স্বামী তার স্ত্রীর মর্যাদার প্রতি উদাসীন, সবকিছু মিলে আইয়ামে জাহেলিয়াতের মতো কঠিন একটা অবস্থা! সেই সমাজে ন্যায় নাই, সামাজিক সুবিচার নাই, আইনের বাতাবরণ নাই। এটা আসলে বাংলাদেশের কোন সমাজব্যবস্থা না, এটা সম্ভবত জি- বাংলার সমাজ। বালাজী টেলিফিল্মসের একতা কাপুরের পার্ভার্টেড কলমে (তিনি যুব সমাজকে কলুষিত করেছেন বলে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছে, বিহারে বেগুরসরাই আদালতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়) ভারতীয় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সোপ অপেরায় আত্মীয়তার সম্পর্কগুলো যেমন খেলো হয়ে ধরা দেয়, এই উপন্যাসের পাতায় যেন তার খানিকটা আভাস পাওয়া যায়। বিশেষকরে শেষের দিকের ২৫/৩০ পৃষ্ঠাজুড়ে এটা খুবই প্রকট। 


উপন্যাস পড়ে মনেহয়েছে মেধার কি করুণ অপচয়! লেখিকার লেখার হাত বেশ ঝরঝরে কিন্তু এই উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও ঘটনার বিস্তার সত্যিই বিরক্তিকর। তিনি হয়তো অনেকদূর যাবেন তবে তাকে প্রচুর পড়তে হবে, ভালো লেখার স্বার্থেই। বইটা কিনতে গিয়ে ৮০০/- গচ্চা গেছে তাতে কিছু মনেকরছি না কিন্তু আমার জীবন থেকে যে মূল্যবান সময়টা ভুষিমাল পড়ার জন্য ব্যয় করলাম সেজন্য আফসোস হচ্ছে।           


নিব্বা-নিব্বি প্রেমনির্ভর এই উপন্যাসকে কোন জনরায় ফেলবো সেটা নিয়ে আমার খানিকটা দ্বিধা আছে, ‘পদ্মজা’ হতে পারে হালাল প্রেমের উপন্যাস কারণ কাশেম বিন আবু বকরের উপন্যাসের মতো এই উপন্যাসের ধর্মীয় আদব- লেহাজসম্পন্ন বালক-বালিকারা সহীহ ত্বরিকায় শরীয়তসম্মত ভাবে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। ফেসবুকের গলি-ঘুপচিতে অনেকে আবার একে থ্রিলার ঘরানায় ফেলতে চেয়েছেন দেখলাম। যারা অল্পে পুলকিত হন তাদের ক্ষেত্রে ‘পদ্মজা’ থ্রিলার বলে মনেহতে পারে, সেক্ষেত্রে ‘পদ্মজা’ হালাল থ্রিলার জনরার হতে পারে।   


উপন্যাসের প্রচ্ছদ ভালো লাগেনি। বিষয়বস্তুর সাথে তেমন একটা মিল খুঁজে পাইনি। ইশকুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর বাচ্চাদের দিয়ে আঁকানো ইলাস্ট্রেশন, যেগুলো বিভিন্ন পৃষ্ঠায় ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো নিয়ে বলার কিছু নেই। বাচ্চাদের কাজ বাচ্চাদের মতোই হবে, দোয়া করি তাদের মেধার বিকাশ ঘটুক। প্রতি পৃষ্ঠায় সাদা কাগজের উপরে ঘিয়ে রঙের প্রলেপ দিয়ে তাতে আরব্য রজনী বা ঠাকুর মা’র ঝুলি বইয়ের পৃষ্ঠার মতো যে অলঙ্করণ, তাতে লেখিকা কিংবা প্রকাশকের আর্থিকভাবে লাভ হলেও পাঠক হিসেবে আমার বিরক্তির কারণ হয়েছে। কারণ এরকম অলংকরণের জন্য আমার পড়তে যেমন সমস্যা হয়েছে তেমনি কালি বাবদ বাড়তি খরচাটা তো আমাকেই বহন করতে হয়েছে।   


৩  

২০১২ সালের কথা। তখন যশোর সেনানিবাসে চাকুরি করি। শীতকালীন মহড়ায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, শালবরাত এলাকার বিশাল এক জঙ্গলে কিছুদিনের জন্য ঘাঁটি গাড়তে হয়েছিল। সেখানে একজন ডিশের ব্যবসায়ী বলেছিলেন, কোন ডিশ ব্যবসায়ী যদি জি-বাংলা চ্যানেলের সিরিয়াল দেখাতে সক্ষম না হয় তাহলে তার ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলবে। সেখানে একটা দর্শকশ্রেণী যেমন জি-বাংলার পারিবারিক কলহ- ষড়যন্ত্র-হিংসা-দ্বেষ-মারামারি নির্ভর সিরিয়াল দেখতে মরিয়া, তেমনি নিব্বা-নিব্বি অথবা হালাল প্রেমের সহজপাঠ ‘পদ্মজা’ উপন্যাসটাও অনেকের ভাল লাগতেই পারে।     


‘পদ্মজা’ উপন্যাস পাঠ করে এর সাহিত্যমূল্যের চেয়েও যে বিষয়টা আমাকে বেশি চমৎকৃত করেছে সেটা হলো এর মার্কেটিং কৌশল। দূর্দান্ত মার্কেটিং কৌশল দিয়ে কি করে বস্তাপচা জিনিসকে মানুষের সামনে উপাদেয় হিসেবে উপস্থাপন করা যায় তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে এই উপন্যাস। বিবিএ/এমবিএ প্রোগ্রামে মার্কেটিং কৌশলের উদাহরণ হতে পারে এই উপন্যাস। আমার কেন জানিনা এই উপন্যাসের মার্কেটিং কৌশল আলমের ১ নাম্বার পঁচা সাবান বা এরোমেটিক কসমেটিকস লিমিটেড-এর হালাল সাবানের বিজ্ঞাপনের কথা মনে করিয়ে দিল। রকমারি ডট কম-কে ধন্যবাদ এই নেক্সাসে প্রবেশ করে আমাদের মতো পাঠকদের প্রতারিত করার জন্য। রকমারিতে কবি তসলিমা নাসরিনের কাব্যগ্রন্থ খুঁজে পাইনি কিন্তু এরকম ভুষিমাল ঠিকই বেস্ট সেলারের তালিকায় পেয়েছি। তাদেরকে ধন্যবাদ।  


আমি কোন রেটিং দিতে পারছিনা বলে দুঃখিত। 


এই উপন্যাসের ভালো দিক তাহলে কি? ভালো দিক কি আসলেই নেই! অবশ্যই আছে। ‘পদ্মজা’ উপন্যাসের বাঁধাই চমৎকার এবং এর ঝকঝকে প্রিন্ট আসলেই প্রশংসার দাবী রাখে। 


সবাই ভালো থাকবেন। হ্যাপি রিডিং। 

শুভ কামনা নিরন্তর। 

সুমন সুবহান।


গুরুত্বপূর্ণ হাদিস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ‘যারা ঈমান এনেছে তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে,  জেনে রাখো, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়।’ 

(সুরা রাদ : আয়াত ২৮)


সুবহানাল্লহ  سُبْحانَ الله গুরুত্বপূর্ণ হাদিস,,, 

আলহামদুলিল্লাহ   اَلْحَمْدُ لِله

লা ইলাহা ইল্লাল্লহ  لَا اِلَهَ اِلَّا الله

আল্লহু আকবার  اَللهُ اَكْبَر



একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করলাম। সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইল,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আসসালামু আলাইকুম

একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করলাম। সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইল

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

--- 👉বালিকা যখন Bf তোমার থেকে তোমার

হট পিক চায় তখন কি তোমার মনে থাকেনা তুমি কাকে কি দিতে যাচ্ছো?


👉বালিকা যখন তোমার Bf তোমার জামার ভিতর হাত দেয় তখন কি মনে থাকেনা,,,কার সম্পদ কার জন্য উন্মুক্ত করে দিলে?


👉বালিকা যখন তোমার Bf এর সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাও,,তখন কি মনে থাকেনা তুমি কার সম্মান নিয়ে মাঠে নামলে নিজেকে খোলা রেখে?


👉বালিকা যখন Bf এর সাথে তার ভাইয়ের  ফ্লাটে গিয়ে,,, দুটি দেহ এক করে শুয়ে থাকো তখন কি মনে থাকেনা কার সম্পদ কাকে বিলিয়ে দিচ্ছো?


নিজের মত করে যখন নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছো তখন সেই অপবাদ সব ছেলেকে দিচ্ছো কেন.....?


এই মেয়ে,একটা ছেলের জন্য কেন সব ছেলেকে দোষী করছো?


মজা কি শুধু ছেলেই নিয়েছে

তুমি নাওনি?


ছেলেটা যেমন একটু সুখের জন্য তোমাকে চেয়েছে

ঠিক তেমনি ভাবে সেই সুখের ভাগিদার তুমিও হতে চেয়েছো।


আর সেই সুখ পেতে নিজেকে শিয়াল কুকুরের খাবার বানালে।


আরে...নিজের ভালোতো একটা পাগলেও বুঝে,

আর তুমি ছি: কেও চাইলো আর তুমি  শুয়ে পড়লে?


কখনো কি ভেবে দেখেছো যাকে সব কিছু দিলে যদি তার সাথে তোমার বিয়ে না হয়


যদি অন্য জনের সাথে হয়

তখন তাকে কি দিবে?


কি আছে তোমার কাছে দেবার মত তোমার স্বামীকে?

তখন কি তোমার লজ্জা করবেনা নষ্ট একটা শরীর নিয়ে বধু সেঁজে বসে থাকতে?


তুমি জানোনা

ঈদের চাঁদ দেখলে মানুষ যতটা খুশি হয় ততটা খুশি ঈদের দিনও হয়না...


কেন জানো?


কারন ঈদের দিন মানে ঈদ শেষ 

আর চাঁদ দেখা মানে কাল ঈদ

এটা ভাবতেই তো খুশিতে বুকটা ভরে যায়...


ঠিক তেমনি যে তোমাকে বিয়ের আগে পেয়ে গেছে,, তার আবার কি ধরকার তোমাকে বিয়ে করার।


লেখাটি খারাপ লাগলে আমাকে ক্ষমা করবেন।আর পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবান, আমরা সবাই ছেলে ও মেয়ে দুনিয়ার জিবনে খুবই সাবধানতার সাথে থাকার অনুরোধ রই। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক।  আমিন 🤲


#সংগৃহিত



দু’আ-ই মাসুরাহ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দু’আ-ই মাসুরাহ 


اَللَّهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ


আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্‌সি যুলমান কাছীরাঁও ওয়ালা ইয়াগ্‌ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা ফাগ্‌ফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিক, ওয়ারহাম্‌নি ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।


হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য জুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।


হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আবেদন করলাম যে, আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযে পড়ব। তিনি বলেন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দু’আয়ে মাছুরা পড়ার নির্দেশ দিলেন। 


সূত্র: বুখারী শরীফ হাদীস নং (৮৩৪) মুসলিম শরীফ হাদীস নং (৬৮৬৯) তিরমিযী শরীফ হাদীস নং (৩৫৩১) নাসাঈ শরীফ হাদীস নং (৬৩০৩) ইবনে মাজাহ শরীফ হাদীস নং (৩৮৩৫)



যত  নিকৃষ্ট উপমা শুধু নারীর জন্য কিন্তু কাপুরুষের উপমা কি ?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যত নিকৃষ্ট উপমা শুধু নারীর জন্য কিন্তু কাপুরুষের উপমা কি ?


(নারীকে সম্মান দিন কারণ নারী +পুরুষ = মানুষ )


আশ্রাফুল আলম নোবেল পাটোয়ারী ::


(বর্তমান প্রেক্ষাপটে দৃশ্যপটে বাস্তবতার নিরিখে নারীদের প্রতি অবিচার আর অসম্মান কারীদের মুখোশ ও আমার অনুধাবন তুলে ধরলাম ) 


৫০ টাকায় কাপড় খুললে নারী হয় বেশ্যা۔۔! কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর ৫০০০০ টাকায় কাপড় খুললে হয় নায়িকা۔۔!, 

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আবেগে কাপড় খুললে হয় বান্ধবী ۔۔!,

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর অভাবে কাপড় খুললে হয় মাগী۔۔۔!,

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


সখিনা,জরিনা খুললে বলে খানকি۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এঞ্জেল, জেরিনরা ফিগার দেখাইলেই হয় স্মার্ট۔۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


বিয়ার আগে খুললে নটি۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর বিয়ার পর খুললে মেইন্টেনিং সোসাইটি۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আবার বিবাহিতাকে নিয়েই সে পালিয়ে সম্পর্ক/পরকীয়া করতে ইতস্তত বোধ করে না।

কিন্তু সে কে  ? তার উপমা কি ??


কাপড়টা সবাই খোলে, একমাত্র স্বামীর কাছেই পবিত্র ।


নারী লজ্জাবতী কিন্তু তারপরও সেই কাপুরুষ কিছু অর্থ দিয়ে কাপড় খোলায় আর মঝা লুটে ۔۔۔۔!! এই কাপুরুষ নাথাকলে তো পতিতালয় ই হত না ۔۔۔!!

পতিতালয়ের কাস্টমার করা ۔۔۔?? তার উপমা কি ۔۔۔??


আর এই সমাজ কিভাবে দেখছে ۔۔?

কাপড় খুলে কেউ বেশ্যা হয় না ۔۔!

এই কাপুরুষ সমাজই বেশ্যা তৈরি করে ।

কিন্তু ঐ বেশ্যাদের কাছে কারা যায়?

সমাজ তাকে কি নামে ডাকে ۔۔?? 

নারীর দিকে আঙুল তোলার আগে, ও কাপুরুষ আপনি নিজের দিকে ও তাকান۔۔۔??

আপনি আপনার পরিচয়টা দেন ۔۔۔۔?


নারীর প্রতিটা কুকর্মে কাপুরুষ জড়িত কারণ এক হাতে তালি বাঁজে না, অথচ বেশিরভাগ কাপুরুষই অপরাধ করেও লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায়, কিন্তু জনসম্মুখে পড়তে হয় নারীকেই ।

কিন্তু যে কাপুরুষ এই কাপড় খুললো সে কি ?

তার উপমা কি ??


ধর্ষিতা কখনওই নিজ ইচ্ছায় ধর্ষণ হয় না,

কিন্তু তা জেনেও সবাই তাকে দূরে সরিয়ে দেয়, সমাজ তাকে বাঁকা চোখেই দেখে । নষ্টা ভ্রষ্টা উপাদি দে ।  কিন্তু যে কাপুরুষ এমন অপকর্ম করলো সমাজ তাকে কিছুই বলেন উল্টো সে নিজেকে বীর ভাবে !! কেউ কেউ ধর্ষণে সেঞ্চুরি ও মারে।   এই দেশে ধর্ষণের কোন দৃষ্টান্ত মূলক সাজার উদাহরণ নাই ۔۔।  তাই সেই কাপুরুষদের কোনো ভয় নেই । তারা একের পর এক ধর্ষণ অপকর্ম করেই চলছে । সেই কাপুরুষ জানোয়ারও তো কোন নারীর গর্ভে জন্ম  ۔۔!!  তব হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে সেই নারীকেই করে ধর্ষণ !! 


বিঃদ্রঃ এইরকম ভাষা ব্যবহার করার জন্য দুঃখিত । বাস্তবতা এইরকমই এইভাবে না লিখলে অনেকে বলবে ভাষাগত সমস্যার কারণে বুঝি নাই । 


মনে রাখবেন প্রত্যেক নারীর ভিতর একটি মা এর সত্ত্বা বাস করে, তাকে সম্মান করতে শিখুন। মা ই স্বর্গ ۔۔۔۔!!!

Ashraful Alam Nobel Patowary Amar Bangla Multimedia 


AANP  নির্বাহী সম্পাদক , দৈনিক অর্থনীতির খবর ۔۔۔


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৯-০৩-২০২৪ ।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৯-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


পাঁচ নারীকে জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান, দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ প্রয়োজন - আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


প্রথমবারের মত কেবল নারী ক্রু সদস্যদের দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।


অবৈধ ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে - বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণে সংযুক্ত আরব আমীরাতের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান। 


পবিত্র রমজান মাসে সারাদেশে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ্ পড়ার আহ্বান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের।


গাজায় বিমান থেকে ত্রাণের প্যাকেট ফেলার সময় প্যারাসুট বিভ্রাটে পাঁচজনের প্রাণহানী।


আজ সিলেটে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলংকার মুখোমুখী হবে বাংলাদেশ।


বড়লোক কে,,,, কথায় গাঁথা সুরের মেলা,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গান শুনে রিহানাকে ৭৪ কোটি দিয়েছেন মুকেশ আম্বানি, ১০০ টাকায় দেশবাসীকে ক্যান্সারের ওষুধ দিতে চলেছেন রতন টাটা


অকৃতদার। তাই সন্তান নেই। সুতরাং, পরিবারে বিয়ের আসর বসে না। তবে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে প্রায়ই ‘গেট টুগেদার’ হয়। রথী-মহারথীদের উপস্থিতিতে মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা রাখতে হয়। কিন্তু কোনওদিন শুনেছেন, বিখ্যাত কোনও শিল্পীর কয়েকটি গান শুনে কোটি কোটি টাকা দিয়েছেন শিল্পপতি রতন টাটা? না, শোনা যায় না। তা হলে কি তিনি কিপটে? আসলে রতন টাটার দর্শন সম্পূর্ণ আলাদা। অন্য কোনও শিল্পপতিদের সঙ্গে তাঁর দর্শন মেলে না। চাইলেই গান শুনতে ডেকে এনে রিহানাদের মতো শিল্পীদের কোটি কোটি টাকা দিতে পারেন। কিন্তু তিনি এমন ‘মোচ্ছব’ করেননি কোনওদিন। এখন দেশের মানুষকে মাত্র ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ দিতে চলেছেন তিনি। টাটা মেমোরিয়াল আবিষ্কার করে ফেলেছে ক্যান্সারের ওষুধ। এবার বাজারে আসার অপেক্ষা। এখানেই তিনি অন্য শিল্পপতিদের থেকে আলাদা। অনন্য।


শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়েতে ‘মহোৎসব’ হচ্ছে গুজরাটের জামনগরে। অতিথিদের মনোরঞ্জনের জন্য হলিউড থেকে গান গাইতে এসেছেন শিল্পী রিহানা। তিনি এক রাতের পারফরম্যান্সের পারিশ্রমিক পেয়েছেন ৭৪ কোটি টাকা। মুকেশ-পুত্রের বিয়ের অন্যান্য খরচের কথা আলোচনা না করাই ভাল। বেশি ভাবলে আমাদের মতো ‘নুন আনতে পান্তা ফুরনো’ অবস্থাপন্নদের মাথা খারাপ হয়ে যাবে। মুকেশ আম্বানি দেশের এক নম্বর শিল্পপতি। তাই তাঁর সবকিছুই এক নম্বর হওয়ার মতো। প্রায়ই সমস্ত ক্ষেত্রের ‘হুজ হু’-দের নিয়ে তাঁকে বিভিন্ন আসর বসাতে দেখা যায়।


নিজের টাকা। সেই টাকা মুকেশ আম্বানি কীভাবে খরচ করবেন সেটা একান্তই তাঁর নিজস্ব ব্যাপার। টাকা পুড়িয়ে যদি তিনি শীতে ওম নেন তাও কিছু বলার নেই। নিজের টাকা থেকে রিহানাকে ৭৭ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছেন।‘টিপস’ হিসেবে আরও কয়েক কোটি দিতে পারতেন। কারও কিছু বলার নেই। তাও কিছু কথা বলছি। কারণ, মুকেশ আম্বানি যে দেশের মানুষ, সেই দেশে এখনও ৩০ শতাংশ মানুষ একবেলা ভাল করে পেটপুরে খেতে পায় না। কখনও শুনেছেন, দেশের গরিব মানুষের জন্য কিছু করেছেন মুকেশ আম্বানি?


মুকেশ আম্বানির পরিবারের এই ‘মোচ্ছব’ নিয়ে লিখছি বলে অনেকেই হয়তো বলবেন চোখ টাটাচ্ছে। হয়তো বলবেন, নিজের টাকা নিয়ে তিনি কী করবেন, তা নিয়ে আমাদের ভাবার দরকার কী। ঠিক কথা। ভাবার কোনও কারণ নেই। ধনী হওয়ার জন্য মুকেশ আম্বানির হাতে কি আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ আছে? আমার-আপনার মতো গরিবগুরবো-র টাকায় ধনী হচ্ছেন মুকেশ আম্বানি। জিও ফোন ব্যবহার করেন? নির্দিষ্ট টাকা দিলেও যথাযথ পরিষেবা পান? আপনার কাছ থেকে কিন্তু টাকা নেওয়া কম করেন না মুকেশ আম্বানি। তাই এত কিছু বলা। আর কোনও কারণ নেই।

রাজার ধন নিয়ে রাজা কী করবেন প্রজাদের ভেবে লাভ কী!


সংগৃহীত 

কথায় গাঁথা সুরের মেলা




বই এর বিজ্ঞাপন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রাসূলে করিম (সাঃ) বলেন, ঐ ব্যাক্তি সারা জীবন নামায পড়েও জাহান্নামে যাবে, যে ব্যাক্তি নামায সম্পর্কে না জেনে-না বুঝে আদায় করে। কারন তার নামায বিশুদ্ধভাবে আদায় হয় নাই ।


তাই প্রিয় মুসলমান ভাই ও বোন এখনো সময় আছে আপনি নামায সম্পর্কে জেনে-বুঝে, সহি-শুদ্ধভাবে আদায় করুন।


সারা জীবন নামায পড়েছেন কিন্তু নামায যদি সঠিক ভাবে আদায় না হয়, তাহলে সারা জীবনের সকল নামায কোন কাজে আসবে না।


তাই নামযকে সহি-শুদ্ধ ভাবে আদায় করার জন্য আমাদের জানতে হবে নামাযের সঠিক নিয়ম-কানুন ও পরিপূর্ণ মাসআলা-মাসাইল ও আহকাম গুলো সম্পর্কে।


নামায নিয়ে আমাদের যত প্রশ্ন আছে সকল প্রশ্নের উত্তর যদি এক বইয়েই পাওয়া যায়? তেমনই একটি বই ‘নামায বিশ্বকোষ’। নামাজ নিয়ে যত বই প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যে সর্বাধিক আলোচিত ‘নামায বিশ্বকোষ’ বইটি।


বই - নামায বিশ্বকোষ (২ ভলিউম একত্রে)

লেখক - মুফতি মুহাম্মদ ইনআমুল হক কাসেমী


অর্ডার করতে অথবা বিস্তারিত জানতে  নিচের বাটনে ক্লিক করুন!👇

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...