এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটার রক্ত শুষতে পারে।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটার

রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকে

এক ধরনের লালা মিশিয়ে দেয় রক্তে।

যাতে হিরুডিন, ক্যালিক্রেইন, ক্যালিনের

মতো কিছু উৎসেচক থাকে। যা রক্তের দূষণ দূর

করতে সাহায্য করে।

জোঁক শরীরের পচনশীল অংশের দূষিত রক্ত দ্রুত শুষে নিয়ে নতুন রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে৷ এমনকি, রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। জোঁকের শরীর থেকে ডেস্টাবিলেস নামে এক ধরণের প্রোটিন প্রবেশ করে মানুষের দেহে। যা বহু জেদি জীবাণুকে মেরে ফেলে।

জয়েন্ট পেইনেও দারুণ কাজ করে জোঁক থেরাপি। ব্যথার জায়গায় কিছুক্ষণ জোঁক রাখলে রক্ত সরবরাহের উন্নতি হয়!

 

★আশা করি নতুন কিছু জানতে পেরেছেন★


Collected from 20 Minute Medical



জানি একদিন আমার জীবনী লিখা রবে:--- ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জানি একদিন আমার জীবনী লিখা রবে:---


আজীবন শব্দ আর বাক্য নিয়ে  নিবিড় পরীক্ষা করে গিয়েছেন। সরল কথাকে কাব্যসুষমার অলঙ্কার পরাতে ছিলেন সিদ্ধহস্ত। আবার অন্যদিকে, বাংলা ভাষার সৌকর্য ও ঝংকারকে গানে যে কী আশ্চর্য দক্ষতায় উদ্ভাসিত করা যায় সেটাও শিক্ষণীয় তাঁর কাছে।গোলবাড়ির পরোটা আর কষা মাংস খেতে খেতে এক টুকরো কাগজে তিনি গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার  লিখলেন, ‘আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে’। নচিকেতা সুর করে ফেললেন। গাইলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। তৈরি হল একটি কালজয়ী গান।


সঙ্গীত জগতের অন্দরে কান পাতলে শোনা যায় অন্য গীতিকারদের সঙ্গে সমস্যা না থাকলেও পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সম্পর্ক মোটেও মধুর ছিল না। আর সুযোগটা নিতেন নচিকেতা। তিনি দু’জনকেই এক সময়ে ডাকতেন। বলে দিতেন, যে ভাল লিখবে তাঁরটাই নেবেন। প্রতিযোগিতা শুরু হত গৌরী-পুলকের। এই লড়াই থেকে সোনার ফসলই পেতেন সুরকার নচিকেতা ঘোষ।


পাবনার গোপালনগর গ্রামে জন্ম গৌরীপ্রসন্নের। ১৯২৫ বাবা প্রেসিডেন্সি কলেজের খ্যাতনামা অধ্যাপক উদ্ভিদবিদ গিরিজাপ্রসন্ন মজুমদার। তাঁর সহপাঠীদের তালিকায় ছিলেন সি ভি রমন, ডক্টর রাধাকৃষ্ণন।পড়াশোনায় যতেষ্ট মেধাবী গৌরীপ্রসন্ন দুটো কলম আর কিছু খুচরো পয়সা নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন। টাকা না থাকলে হেঁটেই চলে যেতেন গন্তব্যে। হাজরা থেকে গড়িয়া হাঁটা ছিল ওঁর রোজকার ব্যাপার।


১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সবে শুরু হয়েছে।  আকাশবাণীর অবসরপ্রাপ্ত অধিকর্তা শ্রীতরফদার তাঁর রেকর্ড প্লেয়ারে শোনাচ্ছিলেন ৭ মার্চের মুজিবরের বক্তৃতা। শুনতে শুনতে সিগারেটের প্যাকেটের সাদা কাগজে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার লিখে ফেললেন ‘শোনো, একটি মুজিবরের থেকে/ লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি/ আকাশে-বাতাসে ওঠে রণি।’ সুর করলেন অংশুমান, গাইলেনও তিনি। গানটা ইংরেজিতে অনুবাদও হয়, ‘আ মিলিয়ন মুজিবর সিঙ্গিং’। ১৯৭১-এ মুজিবনগরে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে বাজানো হয় সেই গান। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭২-এর ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধুর আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন গৌরীপ্রসন্ন। বাংলাদেশ রেডিয়োর জন্য লিখেছিলেন ‘মাগো ভাবনা কেন/ আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে’। হেমন্তের কণ্ঠে বিপ্লব এনেছিল সে গান।


অভিমান করে গৌরীপ্রসন্ন একবার বলেছেন কবিতায় সুর দিলেই গান হয় না। গানের ভাষা সম্পূর্ণ আলাদা। তা না হলে রবীন্দ্রনাথ কবিতা ছাড়াও অত গান লিখতেন না। তিনি যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তা একটি গানের বইয়ের জন্য।

ক্যানসার ধরা পড়ার পরে শরীর ভাঙতে থাকে তাঁর।  হাসপাতালে শুয়ে লিখেছিলেন শেষ গান, ‘এবার তাহলে আমি যাই, সুখে থাক ভালো থাক, মন থেকে এই চাই।’ ২০ অগস্ট, মাত্র ৬২ বছর বয়সে চলে গেলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ,বড় তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল বাংলা গানের স্বর্ণালী এক অধ্যায়। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ইতিহাস সৃষ্টি করতেই এসেছিলেন বঙ্গসঙ্গীত দুনিয়ায়। তাই যে কোনও শিল্পীর যে গানটি তাঁর খ্যাতি ও জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর, সেই গানের গীতিকার সর্বদাই গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। তাঁর গানের জাদু শেষ হয় না,শেষ হবেনা কোনওদিন।।


সংগৃহীত # ধ্রুবতারার খোঁজে।❤️




গাছের পাহারাদার - উপকারী পোকা।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাছের পাহারাদার - উপকারী পোকা।


উপকারী পোকামাকড় (কখনও কখনও উপকারী বাগ হিসাবে পরিচিত)। বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড় যা পরাগায়ন এবং কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের মতো মূল্যবান পরিষেবাগুলি সম্পাদন করে থাকে তারই উপকারী পোকামাকড়। ফসলের ক্ষেতে যেমন ক্ষতিকর পোকা থাকে, তেমনি উপকারি পোকাও থাকে। যে পোকামাকড় মানুষ ও ফসলের ক্ষতির চেয়ে উপকারই করে বেশি।


ফসলের জমিতে অনেক উপকারী পোকামাকড় আছে যা ক্ষতিকর পোকা খেয়ে, ডিম নষ্ট করে, আহত করে, প্রজনন ব্যাহত করে, অন্যের উপর বসবাস করে, বাচ্চা নষ্ট করে, বিরক্তকরাসহ বিভিন্নভাবে ধ্বংস করে। আসুন তেমনি উপকারী পোকামাকড় সম্পর্কে আমরা জেনে নেই।


লেডি বার্ড বিটল

পূর্ণ বয়স্ক লেডি বিটল এবং বাচ্চা উভয়ে বাদামি গাছ ফড়িং, সাদাপিট গাছফড়িং, ছাতরা পোকা, জাবপোকা ও অন্যান্য পোকার ছোট কীড়া ও ডিম খেয়ে ফসল ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।


ক্যারাবিট বিটল

এরা উভয়ে ধান গাছের বাদামি গাছ ফড়িং. সাদা পিট গাছ ফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকার কীড়া ও অন্যান্য পোকা শিকার করে।


ড্যামসেল ফ্লাই

ড্যামসেল ফ্লাই পোকার বাচ্চারা পানিতে বাস করে এবং বিভিন্ন ধরনের পাতা ফড়িং ও গাছ ফড়িং এর বাচ্চা ধরে খাওয়ার জন্য ধান গাছ বেয়ে উঠতে পারে।পূর্ণ বয়স্ক পোকা ধান গাছের পাতার নিচ দিয়ে উড়ে বেড়ায় এবং বিভিন্ন ধরনের পোকা শিকার করে।


ঘাস ফড়িং

এই পোকা মাজরা পোকা, গান্ধী পোকা, গাছ ফড়িং ও পাতা ফড়িং এর ডিম ও বাচ্চা শিকার করে। এরা দৈনিক ৩-৪ টা হলুদ মাজরা পোকার ডিমের গাদা খেতে পারে।


মিরিড বাগ

পুর্ণ বয়স্ক পোকা ও বাচ্চা বাদামি গাছ ফড়িং, সাদা পিট গাছ ফড়িং, সবুজ পাতা ফড়িং এর ডিম খায়।


মেসোভেলিয়া

পাখাবিহিন পোকা ধান ক্ষেতে দেখা যায় এবং ক্ষেতের আইলের ধারে জড়ো হয়ে থাকে। গাছ ফড়িং পানিতে পড়ে গেলে এদের পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা তাদের শিকার করে।


বোলতা

বোলতা অনিষ্টকারি পোকার ডিম, কীড়া, পুত্তলি ও পূর্ণ বয়স্ক পোকার উপর পরজীবি হিসেবে জীবন ধারণ করে তাদের বিনষ্ট করে। অধিকাংশ বোলতা মাজরা পোকার ডিম বা কীড়ার উপর ডিম পাড়ে।


মাকড়সা

মাকড়সা অনিষ্টকারি পোকার ডিম, কীড়া, পুত্তলি ও পূর্ণ বয়স্ক পোকা ধরে খায়। এরা সাধারণত ধান ক্ষেতে মাজরা পোকা, গাছ ফড়িং, পাতা ফড়িং ও মাছি ধরে খায়। কিছু মাকড়সা আছে যারা জাল না পেতেই শিকার করে। আবার কিছু আছে যারা জাল পেতে শিকার করে থাকে।

ধান ক্ষেতে এমন বহু ধরণের উপকারী পোকা, মাকড়সা বাস করে যারা ধানের অনিষ্টকারী পোকা খেয়ে ধ্বংস করে।


অথচ অতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করায় উপকারী পোকা তেমন দেখা যায় না। তাই কীটনাশক প্রয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।



ঢাকা  থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।


সায়কালগার:

ধাতব দ্রব্যসামগ্রী তৈরি ও এ সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ছিল এ পেশাজীবীরা। এটি প্রাচীন পেশা, কেননা সে সময় যুদ্ধের সরঞ্জামের জন্য এটা আবশ্যকীয় ছিল। তারা নিজের কর্মপদ্ধতি গোপন রাখতো এবং ঘরেই কাজ করত। ইস্পাত থেকে সারাংশ বের করা,  চকচকে করা, উপাদান ব্যবহার করা ও বন্দুকের নলে ময়ূরের মতো রং করা সবই  তাদের কাজ ছিল; কিন্তু তাদের আরেকটি বড় কাজ ছিল সাধারণ লোহা থেকে ইস্পাত তৈরি করা। অধিকন্তু তারা খঞ্জর, বর্শার ফলক, তলোয়ারের বাঁট, কাটারি  তৈরি করতো।


বিদরি সাজ:

এটি একটি শৈল্পিক পেশা ছিল। ধাতুর ওপরে সুক্ষ্ম কাজকে বলা হতো বিদরির কাজ। এই কাজে দক্ষ পেশাজীবীদের  বলা হতো বিদরি সাজ। বৃটিশ আমলে ঢাকায় এই পেশার বেশ কদর ছিল। জেমস ওয়াইজের বর্ণনায় এর বিশদ বর্ণনা আছে। জেমস ওয়াইজের বর্ণনানুযায়ী, হুঁকাদান, খাটের পায়া, পানদান চিলমচি, কড়াই- এসবের ওপর সুন্দর বিদরির কাজ  হয়। এটা ছিল  বংশপরম্পরায় চালু কাজ। এখন তেমনভাবে এ কারিগরদের দেখা যায় না।


বাজুনিয়া:

এরা ছিল সংগীতজ্ঞ সম্প্রদায়। গান-বাজনার পেশায় নিয়োজিত ছিল এ সম্প্রদায়ের লোকেরা। এদের  সামাজিক মর্যাদা কম ছিল। এদের দলে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরাও অনর্ভুক্ত হয়ে নৃত্য পরিবেশন করতো। বাজুনিয়াদের সাধারণ বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে ছিল সানাই, তবলা, ঝনঝনা, মঞ্জুরী ও নাকাড়া প্রভৃতি। এদের দলে বাইজিরাও অন্তর্ভুক্ত হয়ে গান  করতো। ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের লোক গণনা অনুযায়ী মুসলিম মহিলা বাদ্যকরদের পরিচিতি দোমনী নামে। বর্তমানে সঙ্গীতের শিল্পী, বাদক এবং নৃত্যশিল্পী থাকলেও পেশার নামটি হারিয়ে গেছে আমাদের মধ্য থেকে।


শিশাগর:

জেমস ওয়াইজের বর্ণনায় অনুযায়ী, পুরনো শিশি-বোতল, চিমনি ইত্যাদি কিনে নতুন করে সেগুলো বানানোর পর ফুঁ দিয়ে সেগুলোকে আকৃতি দিতো তারা। পদ্ধতি সেকেলে হওয়ায় সামগ্রীগুলো ছিল বুদবুুদে ভরা ভঙ্গুর। তবু এদের তৈরি জিনিসের চাহিদা ছিল খুব, বিশেষ করে দুর্গাপূজার  সময়। লোহার একটি নলের মাথা গলানো কাচ নিয়ে তা বারবার ফুঁ দিয়ে এবং ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ইচ্ছামতো যেকোনো আকারের জিনিস বানাতো এরা। ডান হাতে একটি লোহার চিমটা ধরে আর বাঁ হাতে লোহার নল ধরে এরা  জিনিসের বিভিন্ন আকৃতি দিতো। উনিশ শতকের ষাটের দশকে জেমস ওয়াইজ ঢাকার সিভিল সার্জন থাকাকালে এই তথ্য  সংগ্রহ করেন। এরা ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।


বহুরূপীয়া:

এককালে ভাঁড় বা সঙ সেজে, নকল দাড়ি-গোঁফ লাগিয়ে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার কাজকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিল কিছু  লোক। এই পেশা মুঘল যুগেও প্রচলিত থাকার কথা অনুমান করা চলে, যেহেতু বৃটিশ আমলের প্রথম ভাগেও এই পেশার সন্ধান মেলে। বহুরূপীরা বিভিন্ন পৌরাণিক ও লৌকিক চরিত্রে সেজে, নেচে-গেয়ে, গলার স্বর পরিবর্তন করে মানুষকে আনন্দ দিতো।


লোহার:

তিন ধরনের লোহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে প্রথম দলে ছিল আরবীয় অনুকরণে তালা প্রস্তুতকারী হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত লোকেরা, যারা পরবর্তীতে দা'সহ কৃষি  যন্ত্র তৈরি করতো। দ্বিতীয় দলে ছিল মুঙ্গেরী সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা নাল ও বইল গাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি করতো। তৃতীয় ধরনের লোহাররা গাড়িখানায় কাজ করতো ও ঘোড়াগাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি  করতো। এরা ছিল মুসলমান। এরা বারুদ ও সেকেলে পদ্ধতিতে বন্দুকের গুলি বানাতো এবং একই সঙ্গে বন্দুক নির্মাতা ও কাঠমিস্ত্রি।


পনিরওয়ালা:

উনিশ শতকেও ঢাকার পনির বিখ্যাত ছিল। ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে কোথাও পনির তৈরি না হলেও হিন্দু ও মুসলমান পনির সরবরাহকারী অথবা কারিগররা থাকতেন শহরেই। ওয়াইজের বর্ণনা অনুযায়ী, পনির তৈরি ও খাওয়া দুটোতেই অংশ নিতো মুসলিম সম্প্রদায়, তখন গরুর দুধের পনিরের নাম গাইয়া বা দলামা, আর মোষের  দুধের পনিরের নাম ছিল ভাঁয়সা। বর্তমানে পনির আছে কিন্তু এ ব্যবসা চলে গেছে বড় ব্যবসায়ীদের হাতে।


নানবাই

খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতের সাথে সম্পৃক্ত ছিল এ পেশার লোকেরা।বিভিন্ন ধরনের রুটি (শিবুমাল, নানখাতাই, বাকরখানি, পাঞ্জাকাশ, পরোটা  প্রভৃতি), এমনকি পিঠাও বানাত এরা। মুখ্যত মুসলিম সম্প্রদায়ের এসব রুটিওয়ালা  সমুচা এবং ইউরোপীয় কায়দার বিস্কুটও বানাতো। বেকারী ও ফ্যাক্টরির ক্রমবিকশে এ পেশা বিলুপ্ত হয়েছে।


গান্ধী:

সুগন্ধি দ্রব্য প্রস্তুত করতো যে পেশার মানুষ, তারা পরিচিত ছিল গান্ধী নামে।  হাকিম হাবিবুর রহমান উল্লেখ করেছেন যে ঢাকায় এককালে অনেক গান্ধী পরিবারের বাস ছিল এবং চুড়িহাট্টা মহল্লার গান্ধীগলি তাদেরই স্মৃতি বহন করছে। সে সময়ই এটি ছিল একটি প্রায় বিলুপ্ত পেশা। এই পেশার অল্প কিছু লোক আগর-সুগন্ধিযুক্ত বাতি তৈরিতে নিয়োজিত হয়েছিল।


তথ্যসূত্র:

ক। বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া।

খ। নোটস অন রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্ন বেঙ্গল, জেমস ওয়াইজ।

গ। ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী: মুনতাসীর মামুন। 





বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

খুঁজে পাওয়া যাবে ক্লিওপেট্রা র কবর? ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ক্লিওপেট্রা, আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট- এদের কবর যে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি, জানেন তো? তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, মিসরের শেষ রানী ক্লিওপেট্রার কবর বুঝি খুঁজে পাওয়া যাবে, অন্তত সেদিকেই এগোচ্ছেন একজন প্রত্নতত্ত্ববিদ।


     ক্লিওপেট্রার ইতিহাস বিশাল। সেই ইতিহাস এখন লিখতে যাব না, তবে তাকে নিয়ে ইতিহাসপ্রেমীদের আগ্রহের শেষ নেই। ক্লিওপেট্রাকে লোকে বলে অনিন্দ্য-সুন্দরী, কিন্তু এই আপেক্ষিক বিষয় যাচাই করার উপায় তো নেই আমাদের কাছে।


     ভালো কথা, তিনি কিন্তু মারা যান যীশুর জন্মের মাত্র ৩০ বছর আগে। শাসন করেছিলেন ২১ বছর। তার মৃত্যুর পর মিসর হয়ে যায় রোমান সাম্রাজ্যের একটা রাজ্য। বাবা মারা যাওয়ার পর ক্লিওপেট্রা সিংহাসনে বসেন বটে, কিন্তু তিনি কিন্তু একা শাসক হননি! তার ভাই টলেমি (ত্রয়োদশ) তার সাথেই যুগ্মভাবে মিসর শাসন করতে লাগলেন। কিন্তু যা হবার তাই হলো, তাদের দ্বৈরথে গৃহযুদ্ধ বেঁধে গেল। সেটা খ্রিস্টপূর্ব ৫১ সালের কথা। ভালো কথা, ক্লিওপেট্রা কিন্তু তার এই ভাইকে বিয়ে করেছিলেন, তখন টলেমির বয়স ১০, আর ক্লিওপেট্রার ১৮ বছর।


     ওদিকে নাটকে নতুন চরিত্রের প্রবেশ ঘটলো। রোমান শাসক জুলিয়াস সিজারের প্রতিদ্বন্দ্বী পম্পে যুদ্ধে হেরে পালিয়ে এলেন মিসরে। আশ্রয় নিলেন টলেমির কাছে, মানে ক্লিওপেট্রার ভাইয়ের কাছে। কেন? কারণ, তারা আগে থেকে মিত্র ছিলেন। টলেমি কী করলেন? পম্পেকে হত্যা করালেন। এরপর জুলিয়াস সিজার এলেন আর আলেকজান্দ্রিয়া দখন করে নিলেন, দেখলেন পম্পে নেই আর; তখন সুন্দর মতো ক্লিওপেট্রা আর টলেমির মাঝে মিল মহব্বর করানোর চেষ্টা করলেন।


     কিন্তু কীসের কী? টলেমিকে বোঝানো হলো যে জুলিয়াস সিজার আসলে ক্লিওপেট্রার প্রেমে মশগুল, এইসব মিলমিশ আসলে চোখে ধুলো দেয়া হচ্ছে, সব ক্লিওপেট্রার পক্ষে যাবে। ক্ষেপে গিয়ে টলেমি ক্লিওপেট্রা আর সিজারকে প্রাসাদে বন্দী করেই অবরোধ করে ফেললেন। 


     জুলিয়াস সিজারকে বন্দী করা চাট্টিখানি কথা না। খুব দ্রুতই অবরোধের ইতি টানতে হলো, বিখ্যাত নীলনদের যুদ্ধে মারা গেলেন টলেমি। ক্লিওপেট্রা তার সৎবোন আরসিনো-কে নির্বাসন দিলেন, কারণ আরসিনো টলেমির সাথে আঁতাত করেছিলেন।


     জুলিয়াস সিজার ঘোষণা দিলেন, ক্লিওপেট্রা এবার শাসন করবেন তার আরেক ভাইয়ের সাথে। সেই ভাইয়ের নামও টলেমি। চতুর্দশ টলেমি। ক্লিওপেট্রা তাকে বিয়ে করলেন, তখন এই টলেমির বয়স ১৩ বছর। 


     ওদিকে লোকে যা ভাবছিল, ঘটনা তাই হয়েছিল। লুকিয়ে লুকিয়ে জুলিয়াস সিজার আর ক্লিওপেট্রা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিলেন। ক্লিওপেট্রা এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন, সিজারের সন্তান, নাম রাখলেন সিজারিয়ন।


     সিজারিয়নের বরাতে হোক আর যে কারণেই হোক, ক্লিওপেট্রা রোমে চলে গেলেন, দুটা বছর থাকলেন সিজারের ভিলা-তে। রোমান সম্রাজ্ঞীর মতো রানীর হালতে তার বাকি জীবন কেটে যেতেই পারত, কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! রোমান সিনেটররা মিলে খুন করলেন জুলিয়াস সিজারকে। তখন খ্রিস্টপূর্ব ৪৪ সাল।


     ক্লিওপেট্রা কী করবেন এবার? তিনি তার ভাই টলেমিকে খুন করিয়ে নিলেন। এরপর নিজের ছেলে সিজারিয়নকে রাজা ঘোষণা করলেন, এখন থেকে সিজারিয়নই হবে তার সহশাসক। তবে নতুন নাম হবে তার। আন্দাজ করতে পারছেন? 'টলেমি'। পঞ্চদশ টলেমি।


     তারপর নীলনদের জল অনেক গড়ালো, রোমের রাজনীতিও অনেক আগালো। গণপ্রজাতন্ত্রী রোমকে রোমান সাম্রাজ্যে পরিণত করার পেছনে কৃতিত্বের দাবীদার যে রাজনীতিবিদ- মার্কাস অ্যান্টনিয়াস, যাকে আমরা আদর করে মার্ক অ্যান্টনি ডাকি- সেই মার্কের প্রেমে পড়লেন ক্লিওপেট্রা। কী কেন কীভাবে, সেই গভীর ইতিহাসে যাচ্ছি না। ভালোবাসার ক্লিওপেট্রার অনুরোধে সৎবোন সেই আরসিনো-কে খুন করালেন মার্ক অ্যান্টনি। আর ক্লিওপেট্রা থেকে অ্যান্টনি নিতে লাগলেন তার মিলিটারি ফান্ডিং। তাদের দুই ছেলে আর এক মেয়েকে তারা বিভিন্ন অঞ্চলের শাসক ঘোষণা করে দিলেন। 


     মার্ক অ্যান্টনিসহ যে তিনজন মিলে রোমান মৈত্রী (Second Triumvirate) গড়ে তুলেছিলেন, তাদের একজন ছিলেন অক্টাভিয়ান। মার্ক ঘুণাক্ষরেও জানতেন না যে এই অক্টাভিয়ান ভবিষ্যতে প্রথম রোমান সম্রাট হতে চলেছেন, তখন তার নাম হবে সম্রাট অগাস্টাস। মার্কের আরেক ঝামেলার কথা তো বলতে ভুলে গিয়েছি, তিনি তো অক্টাভিয়ানের বোন অক্টাভিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু তালাক দেননি। অক্টাভিয়া তার চতুর্থ বউ। তালাক না দিয়েই তিনি জড়িয়ে পড়েছিলেন ক্লিওপেট্রার সাথে। 


     পরে অবশ্য মার্ক তালাক দিলেন বউকে। প্রাক্তন স্ত্রী অক্টাভিয়ার ভাই অক্টাভিয়ান (ভবিষ্যৎ রোমান সম্রাট) মার্কের মিত্রদেরকে রোম-ছাড়া করলেন, যুদ্ধ ঘোষণা করলেন ক্লিওপেট্রার বিরুদ্ধে। 


     মার্ক অ্যান্টনি আর ক্লিওপেট্রা সম্মিলিতভাবে লড়লেন অক্টাভিয়ানের রোমান বাহিনীর বিরুদ্ধে। সেটা খ্রিস্টপূর্ব ৩১ সালের কথা।


     হারলেন অ্যান্টনি ও ক্লিওপেট্রা। অক্টাভিয়ানের বাহিনী মিসরে ঢুকে পড়লো।


     অ্যান্টনি নিজের তরবারির আঘাতে আত্ম-হত্যা করলেন।


     ক্লিওপেট্রা জানতে পারলেন অক্টাভিয়ান তাকে ধরে বিজয় মিছিলে প্রদর্শন করতে চান। তাই তিনি নিজের শরীরে বিষ প্রয়োগ করলেন, এরপর সেই বিষক্রিয়ায় মারা গেলেন। লোকে অবশ্য ভাবত তিনি সাপের কামড় খেয়েছিলেন ইচ্ছে করে, আসলে তা না।


     অক্টাভিয়ান তার প্রাক্তন স্বামী মার্ক অ্যান্টনি আর ক্লিওপেট্রাকে একত্রে সমাহিত করার অনুমতি দিলেন। অন্য এক সূত্রে জানা যায়, অ্যান্টনির লাশ দাহ করা হয়েছিল।


     তার মানে দাঁড়ায়, আমরা যদি ক্লিওপেট্রার কবর খুঁজে পাই, তাহলে তার সাথে অ্যান্টনির কবরও থাকতে পারে, যদি না আসলেই তাকে দাহ করা হয়ে থাকে।


     তাদের কবর পাওয়া গেলে পাওয়া যাবে আলেকজান্দ্রিয়াতে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা ধারণা করছেন, আলেকজান্দ্রিয়ার 'তাপ-অসাইরিস ম্যাগনা' ('দেবতা অসাইরিসের মহান সমাধি') শহরের মন্দিরে হয়তো পাওয়া যাবে। কিন্তু আরেক দল প্রত্নতত্ত্ববিদ বলছেন, মিসরীয়রা কখনও মন্দিরে কবর দিত না, তাই এখানে পাওয়ার কথা না।


     সম্প্রতি সেখানে ১.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গ পাওয়া গিয়েছে (প্রত্নতত্ত্ববিদ ক্যাথলিন মার্টিনেজের নেতৃত্বে), যেটিকে মনে করা হচ্ছে ক্লিওপেট্রার কবর পাওয়ার পথে আরেকটি ধাপ হিসেবে। সেখানে ক্লিওপেট্রা ও আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের ছবিওয়ালা মুদ্রাও পাওয়া গিয়েছে।


     কবর আসলেই পাওয়া যাবে কি যাবে না সেটা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। 

     

     (সরলীকৃত ইতিহাস তুলে ধরার জন্য আগাম দুঃখপ্রকাশ করে নিচ্ছি।)


     পুনশ্চ: মার্ক অ্যান্টনিকে বিয়ে করেছিলেন ক্লিওপেট্রা। কিন্তু তার আগের প্রেমিক জুলিয়াস সিজার অবশ্য ক্লিওপেট্রাকে বিয়ে করেননি, বরং ক্লিওপেট্রা যে তার রক্ষিতা সেটা কোনোদিন লুকাননি।


     পুনশ্চ-২: যে টলেমির উপপাদ্য আপনারা পড়েছেন, সেই গণিতবিদও মিসরে জন্ম নেয়া, তবে সেটা ১০০ সালে। তিনি মারা যান ১৬৮/১৭০ সালে আলেকজান্দ্রিয়ায়। তবে তিনি রাজবংশের কেউ ছিলেন না।


( Collected )


ওল চাষ পদ্ধতি,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔴ওল চাষ পদ্ধতি 


সব্জি হিসাবে ওলের চাষ অনেকক্ষেত্রেই লাভজনক। সঠিক প্রযুক্তিতে চাষ করলে ১৩-১৪ গুণ ফলন পাওয়া যায় অনায়াসে। তবে মাঘের শেষ থেকে ফাল্গুলে কিছুটা আগাম লাগালে যেমন দাম পাওয়া যাবে, দেরি করলে ততটা না-ও মিলতে পারে। শুধু মাথায় রাখতে হবে, বর্ষার সময় জুড়ে যেহেতু জমিতে ফসল থাকবে, সেহেতু একটু উঁচু জমি ও জল-নিকাশির ব্যবস্থা থাকা দরকার।


ওল খেলে গলা চুলকায় অনেক সময়। তাই অনেকে ওল খান না। কিন্তু ওলের মধ্যে যে ছুঁচলো ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকার জন্য এমনটা হয়, নতুন কয়েকটি জাতে তার পরিমাণ কম। তাই গলা ধরে না এখন। সেই কারণেই নতুন জাতের এই ওল চাষের বিস্তার ঘটছে পশ্চিমবঙ্গে। দক্ষিণ ভারতীয় জাত কাভুর ও বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিধান কুসুম’ মাখনের মতো খেতে, গলা চুলকায় না।


🔴চাষের সময়:

উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া ওল গাছ খুব পছন্দ করে। সেই জন্য খরিফ মরসুমে এর চাষ হয়। সাধারণ ভাবে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে ওল রোয়া হয়। কিন্তু ভাল সেচের ব্যবস্থা থাকলে ফাল্গুন-চৈত্র মাসেও লাগানো যায়। বরং এই সময়ে লাগালেই ভাল। কারণ আগে-ভাগে ফসল ওঠে বলে বাজারে দাম পাওয়া যায়।


🔴জমি তৈরি:

সারাদিন রোদ পায় আর জল দাঁড়ায় না এমন জমি ওল চাষের জন্য আদর্শ। চাষ ও মই দিয়ে জমির মাটি ঝুরঝুরে এবং সমতল করতে হবে। এরপর আগাছা ভাল ভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।


🔴বীজ বপন:

বীজ হিসাবে ব্যবহারের জন্য ক’দিন রোদে ওল গরম করে নিলে অঙ্কুরোগ্দম ভাল হয়। কেজিখানেকের মতো গোটা বীজকন্দ পেলে ভাল। না হলে ৫০০ গ্রাম থেকে এক কেজির মতো মুখীর অংশ সমেত টুকরো টুকরো করে কেটে বসাতে হয়। বসানোর আগে অবশ্য শোধন করা দরকার। পারলে থকথকে গোবরজলে বা শুধু জলে লিটারে ৩ গ্রাম ম্যানকোজেব বা কার্বেন্ডাজিম ও ম্যানকোজেবের মিশ্র ছত্রাকনাশক গুলে বীজকন্দের টুকরো মিনিট পনেরো ডুবিয়ে রেখে ৩-৪ দিন ছায়ায় শুকিয়ে লাগতে হবে। কাভুর বা বিধান কুসুমের জন্য ২.৫ ফুটের আর দেশি জাতের জন্য ফুট তিনেকের এক হাত গর্ত খুঁড়ে শুকনো গোবর সারের সঙ্গে কিছুটা ছাই ও আধ মুঠো হিউমিক অ্যাসিড দানা (হিটম্যাক্স দানা), সম-পরিমাণ নিম দানা (নিম-উর্জা নামে) মিশিয়ে জমি প্রস্তুত করতে হবে। মুখীর দিক উপরে করে গর্তে বসান। মাটি উঁচু করে রিং-এর মতো নিকাশির ব্যবস্থা রাখুন।


🔴সার(Fertilizer):

বীজ লাগানোর দেড় মাস পর (পাতা খোলার আগে) ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০০ গ্রাম ১০:২৬:২৬ সার ও কিছুটা হিউমিক অ্যাসিড দানা চাপান দিতে হবে। এর দেড় মাস পরে ৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৫০ গ্রাম পটাশ এবং কিছুটা হিউমিক অ্যাসিড দানা মিশিয়ে জমিতে দিলেই যথেষ্ট।


🔴রোগপোকা ও পরিচর্যা:

ওল ফসলে রোগপোকার আক্রমণ বেশি হয় না। তবে অনেক সময় গোড়া পচা রোগ ধরে গাছ ঢলে যায়। বর্ষার সময় ধ্বসা বা পচার উপদ্রব মনে হলে সবার আগে জমির জলনিকাশি ব্যবস্থার দিকে নজর দিন। সাইমক্সানিল+ ম্যানকোজেবের মিশ্র ছত্রাকনাশক ২.৫ গ্রাম প্রতি লিটার জলে গুলে এক-দু’বার স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যাবে। আগাছা বেরোলে হাল্কা নিড়ান দিয়ে মাঝে শাকজাতীয় কিছু চাষ করতে পারেন। বর্ষায় গোড়া উঁচু করিয়ে মাটি ধরিয়ে দিলে ভাল।


🔴ফসল সংগ্রহ:

৫-৬ মাসে পাতা হলুদ হয়ে আসলে ওল তোলা যাবে। পুজোর সময় তুললে ভাল দাম পাবেন। তবে, প্রয়োজন মতো কয়েক মাস জমিতে রেখেও তুলতে পারেন ওল। উন্নত জাতে বিঘা প্রতি ৭-৮ কুইন্ট্যাল ওল লাগিয়ে ১৫০-১৭০ কুইন্ট্যাল ফলন পাওয়া যায়।



তিতা সত্য হচ্ছে সব মেয়েই প্রেমিকা হওয়ার যোগ্যতা।রাখেনা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঘন্টার পর ঘন্টা মেসেঞ্জারে কথা বলাকে প্রেম বলে না। যেই মেয়েটা প্রতিদিন নিয়ম করে ৪/৫ ঘন্টা আপনা'র সাথে কথা বলতে চায়, সে আসলে আপনার সাথে প্রেম করছে না, সে আপনা'র কেরিয়ার নষ্ট করছে!


স্কিনশট দিয়ে রাখেন! দুইদিন পর এই মেয়েটা ই আপনার কেরিয়ারে'র দোহাই দিয়ে বাবার পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে করবে।


রাত দুইটার সময় কল দিয়ে কোনো মেয়ে যদি আইসক্রিম খাওয়া'র বায়না করে আর আপনি যদি বোকার মত দৌড়ে গিয়ে আইসক্রিম কিনে দিয়ে আসেন, তাহলে সেই মেয়ে আপনার সাথে প্রেম করছে না, সে আপনা'র সাথে ঢং করছে। ঢং আর প্রেম এক জিনিস না।


জীবনটা হিন্দি সিনেমা না। আপনিও শাহরুখ খান না। আপনা'র প্রেমিকাও কাজল না। অনেক মেয়ে জানেই না যে, ঘন্টার পর ঘন্টা কথা না বলেও প্রেম করা যায়। রাতের পর রাত ন্যাকামি না করেও প্রেমিকা হওয়া যায়।


তিতা সত্য হচ্ছে, সব মেয়ে প্রেমিকা হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। ঐ মেয়েটা'ই প্রেমিকা হওয়ার যোগ্যতা রাখে, যেই মেয়েটা আপনার কেরিয়ারের কথা ভাবে, যেই মেয়েটা আপনা'র সুবিধা বুঝে, অসুবিধা বুঝে, যেই মেয়েটা আপনা'র কষ্টগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যেই মেয়ে'টা ভরসার হাত বাড়িয়ে দেয়, সেই মেয়েটাই প্রকৃত প্রেমিকা হওয়ার যোগ্যতা রাখে।


দিনশেষে একটা কথা মাথার ভিতর ঢুকিয়ে রাখেন-


ভালো মেয়েরা চাহিদা'র সাগরে ডুব দিয়ে থাকে না, ভালো মেয়েরা অন্যকে ভালো রাখার সাগরে ডুব দিয়ে থাকে!

chilenatumi

ছিলে না তুমি




ডেভিড ল্যাটিমার এই গাছটি বোতলের ভেতরে লাগিয়েছিলেন ১৯৬০ সালে,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ডেভিড ল্যাটিমার এই গাছটি বোতলের ভেতরে লাগিয়েছিলেন ১৯৬০ সালে এবং গত ৪৭ বছর ধরে এর ছিপি কখনোই খোলা হয়নি। ফলে এই দীর্ঘ সময়ে এই বোতলের ভিতরে গড়ে উঠেছে একটি বাস্তুসংস্থান যা নিজেই নিজেকে রক্ষা করে চলেছে দীর্ঘ সময় ধরে। এই বোতলে বাইরে থেকে কোনো কিছুর আদান-প্রদান হয় না। গাছটি অক্সিজেন উৎপন্ন করে এবং মাটিস্থঃ হিউমাস থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে। গাছের ঝরে যাওয়া পাতা ও অন্যান্য অংশ মাটিতে পড়ে ব্যাক্টেরিয়ার মাধ্যমে পুনরায় সরল উপাদানে পরিণত হয় এবং এর ফলে জৈব বস্তু ভেঙ্গে গিয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডও বায়ুতে আসে। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মাটিতে জমা হয় এবং মূলের মাধ্যমে পুনরায় গাছ শোষন করে। ফলে একটি পানি চক্রও তৈরি হয়। গাছের প্রয়োজনীয় যাবতীয় উপদান গাছ আর মাটি হতেই রিসাইকেল হয় বলে এতে বাইরে থেকে কিছুই সরবরাহ করতে হয় না।


তবে একেবারে শুরুতেই বোতলের গাছটিকে সিল করে দেওয়া হয় নি। স্পাইডার ওর্টের চারটি বীজ লাগানো হয় বোতলে। এর মধ্যে একটি গাছ টিকে থাকে। একযুগ পরিচর্যার পর বোতলটিকে স্থায়ীভাবে সিল করে দেওয়া হয় এর এর পর থেকে বিগত ৪৭ বছর এটি বাইরের দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।



সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৪-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৪-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


মন্ত্রীসভার বৈঠকে, বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশের আটটি  বিভাগে আধুনিক কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ - রমজান মাসে ইফতার পার্টি না করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ।


ভারত মহাসাগরে সোমালীয় জলদস্যুদের কবলে বাংলাদেশী জাহাজ - নাবিকদের মুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সহায়তায় কাজ করছে সরকার - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ক্রুদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।


 বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সাদি মহম্মদ আর নেই - সংস্কৃতি অঙ্গনে শোকের ছায়া।


আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশ ও উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - বললেন দলের  সাধারণ সম্পাদক।


আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আগামী ২৪শে মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 


বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য খাদ্য ও অন্যান্য ত্রাণ সহায়তা দিতে ৮৫ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান চেয়েছে জাতিসংঘ।


চট্টগ্রামে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৩-০৩-২০২৪

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ১৩-০৩-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


মন্ত্রীসভার বৈঠকে, বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশের আটটি  বিভাগে আধুনিক কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ --- রমজান মাসে ইফতার পার্টি না করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ।

 

ভারত মহাসাগরে সোমালীয় জলদস্যুদের কবলে বাংলাদেশী জাহাজ --- নাবিকদের মুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সহায়তায় কাজ করছে সরকার --- জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী --- ক্রুদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।

 

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশ ও উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ --- বললেন দলের  সাধারণ সম্পাদক। 

 

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আগামী ২৪শে মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

 

বাংলাদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি।

 

সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত থাকবে মস্কো --- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি।

 

এবং চট্টগ্রামে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ২৫৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...