এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

আবরন ফেইসবুক স্পন্সর থেকে নেওয়া

 আপনি কি জানেন? অনেকের না জানা ছোট্ট একটি ভুলের কারনে মা-বোনেদের নামাজ হয় না! তাই নামাজ আদায় করেও আল্লাহর কাছে বেনামাজি হিসেবে গণ্য হয়৷ 


নারীদের গোটা শরীরই সতরের অংশ, তাই হাতের কবজি এবং মুখ ছাড়া সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে নামাজ আদায় করা অবশ্যক৷ অন্যথায় তার নামাজ আদায় হবেনা ৷ 


মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুরআন এ আমাদের কে নির্দেশ করেছেন, 


স্বলাতের (নামাজের) সময় সুন্দর পোশাক পরিধান করো ( সূরা -আ`রাফ ৩১) 


 রাসূল (সা) বলেন:

 স্বলাতের পোশাক এমন হতে হবে যা দিয়ে পরিপূর্ণ সতর ঢাকবে।


দু’হাতের তালু, তালুর উপরের অংশ ও চেহারা ব্যতীত মহিলাদের সর্বাঙ্গ সতরের অন্তর্ভুক্ত (আবূ দাঊদ, হা/৪১০৪; ছহীহুল জামে, হা/৭৮৪৭)।

 

 অধিকাংশ আলেমের মতে একাকী বা পর্দার মধ্যে মহিলা পরিবেশেও পায়ের পাতা ঢেকে স্বলাত আদায় করতে হবে। 


মহিলাদের জন্য স্বলাতের সময়ে একাকী থাকলেও সতর ঢাকা আবশ্যক।কেননা সতর ঢাকা হলো স্বলাতের একটি শর্ত, যেটি ছাড়া আল্লাহ তাআলা স্বলাত কবুল করবেন না; বরং ইচ্ছাকৃতভাবে সতরের কোনো অংশ না ঢাকলে সেই স্বলাত বাতিল হয়ে যাবে 


(ছহীহ বুখারী, হা/৩৬১; ছহীহ মুসলিম, হা/৩০১০; আবূ দাঊদ, হা/৬৪১; তিরমিযী, হা/৩৭৭)।


অনেক সময় আমাদের প্রিয় মা বোনেরা ওড়না বা শাড়ি পড়ে স্বলাত আদায় করে থাকেন এতে করে দেখা যায় স্বলাতে তাদের পরিপূর্ণ সতর ঢাকেনা আর নামাজও বাতিল হয়ে যায় ভুলের কারনে!


আমাদের নিজস্ব কারখানায় তৈরী পিওর কটন ফেব্রিকের ফুল লেন্থ স্বলাত খিমার গুলো দিয়ে নিশ্চিন্তে পরিপূর্ণ সতর ঢেকে স্বলাত আদায় করতে পারবেন। 

আমাদের খিমারে থুতনিতে এক্সট্রা কাপড়ের পট্টি দেওয়া, হাতায় রাবার দেওয়া এবং মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ঢেকে যাবে ইন শা আল্লাহ্,ঘের ২২০" তাই পা আটকে পড়ে যাবারও কোন চান্স নেই। 


আমাদের লং স্বলাত খিমারের প্রাইজ: ১৪০০ টাকা


অর্ডার করতে Order Now বাটনে ক্লিক করুন👇

মাটির মৃত্তিকা ফেইসবুক স্পন্সর থেকে নেওয়া

 মাটির পাত্রে আহার সুন্নত।♥️ এর ফযীলত সম্পর্কে হযরত ইবনে আবিদীন মুহম্মদ আমীন ইবনে উমর রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ-১২৫২হিজরী) উনার লিখিত সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রসিদ্ধ ফিক্বাহর কিতাব “রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার” কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-

وَيُكْرَهُ الْأَكْلُ فِي نُحَاسٍ َوْ صُفْرٍ وَالْأَفْضَلُ الْخَزَفُ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اتَّخَذَ أَوَانِيَ بَيْتِهٖ خَزَفًا زَارَتْهُ الْمَلَائِكَةُ.

অর্থ: পিতল এবং কাঁসার পাত্রে খাবার খাওয়া মাকরূহ। আর খাবারের জন্য মাটির পাত্র হচ্ছে সর্বোত্তম অর্থাৎ খাবারের জন্য মাটির পাত্র ব্যবহার করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যে ব্যক্তি উনার ঘরে (খাবারের জন্য) মাটির পাত্র গ্রহণ করবেন বা ব্যবহার করবেন, সম্মানিত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ঐ ব্যক্তির সাথে সম্মানিত যিয়ারত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহ! (রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার- ২৬ তম খ- ৩৭০ পৃষ্ঠা, আদ দুররুল মুখতার, আল ইখতিয়ারু লি তা’লীলিল মুখতার, মাজমাউল আনহার ফী শরহি মুনতাক্বাল আবহার)

উপরোক্ত দলীলভিত্তিক আলোচনা দ্বারা অকাট্যভাবেই প্রমাণিত যে, মাটির পাত্রে খাবার খাওয়া মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ মাটির পাত্রে পানি পান করা, পানি রাখা অর্থাৎ গামলা, কলসী, সুরাই ইত্যাদি এবং ওজু করা অর্থাৎ বদনা, বড় ডিস এবং হাড়ি, পাতিল, মটকা ইত্যাদি সুন্নাত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত।

▪️ মাটির পাত্রে রান্নার উপকারিতা:

স্বাদ ও পুষ্টির বিবেচনায় সব ধরনের রান্নার জন্য মাটির পাত্র উপযোগী। ইউনানীশাস্ত্র অনুযায়ী, মাটির পাত্র রান্না ধীর করে এবং খাবারের স্বাদ ও মান উন্নত করে।

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি (IJEAST) দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করা পানি প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষিত পানির তুলনায় গুণমান বজায় রাখতে সক্ষম অনেকাংশ। 

মাটির পাত্রগুলো সূক্ষ ছিদ্রযুক্ত হয়। এই ধরনের পাত্রে পানি রাখলে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াটি দ্রুত হয়। যার ফলে পানির উপর প্রাকৃতিকভাবে শীতল প্রভাব পড়ে।  যা গরমের দিনে আপনার তৃষ্ণা মেটাতে আদর্শ। পুষ্টিবিদ এর মতে, মাটির পাত্র থেকে ঠাণ্ডা পানি খাওয়া ঠাণ্ডা ফ্রিজের পানির চেয়ে একটি ভাল বিকল্প। 

▪️ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: মাটির পাত্র এক ধরনের ক্ষারীয় উপাদান দিয়ে তৈরি যা খাবারের অ্যাসিড প্রক্রিয়াজাতকরণে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়তা করে। মাটির প্রাকৃতিক নিরোধক বৈশিষ্ট্য পাত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং পুষ্টি উপাদানের কোনো ক্ষতি করে না। মাটি ক্ষারীয় ও অ্যালকালাইন গোত্রের হওয়ার কারণে মাটির পাত্রে খাবারে আয়রন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং পিএইচ লেভেল ঠিক থাকে। 

আবার খাবারে থাকা প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা থাকার কারণে খাবারে বেশি পরিমাণে তেল ব্যবহার করার দরকার নেই। যেহেতু খুব বেশি তেল ব্যবহার করা হয় না, এর সহজ অর্থ হল এটি হৃত্‍পিণ্ডের জন্যও উপকারী। মাটির পাত্রে রান্না করলে খুব সহজেই তেলের ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া যায়। কেননা এর প্রাকৃতিক আর্দ্রতা খাবার ভালোভাবে রান্না করার জন্য উপযোগী। তাই ইউনানী শাস্ত্রে শরীর সুস্থ রাখার জন্য মাটির পাত্রে রান্না করার কথা বলা হয়েছে। 

▪️ প্রাকৃতিক ক্ষারীয় উপাদান: মাটির পাত্র কাদা দিয়ে তৈরি করা হয়। যাতে প্রাকৃতিক ভাবে ক্ষারীযুক্ত হয়। তাপ প্রয়োগে মাটির পাত্র খাবারের অ্যাসিডের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে এবং পিএইচ’য়ের ভারসাম্য বজায় রাখে। যা খাবারকে সহজপাচ্য করে। তাছাড়া এটা খাবারের পুষ্টি উপাদান যেমন- লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগ্নেসিয়াম এবং সালফার ঠিক রাখে।   

▪️ স্বাদ ও গন্ধ: খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। যা অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে সম্ভব নয়।

সতর্কতা:

চকচকে মাটির পাত্র নয়: পলিশ করা চকচকে কিংবা রং মাখানো মাটির পাত্র ব্যবহার না করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বা চকচকে ভাব আনার জন্য এতে নানান রাসায়নিক উপাদান মেশানো হয়। যা তাপ প্রয়োগে বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি করে। এমনকি মাটির উপদানকেও নষ্ট করে বিষাক্ত করে তুলতে পারে। ছিত্র


অজুহাত ভুলে গিয়ে নিজের উপর নিজে আত্মবিশ্বাসী হন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕অজুহাত 

লাইট অফ করে চোখের পানি ফেলে বালিশ ভেজানোর নাম জীবন না।।সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করার নাম জীবন না, দাঁত ভাঙা জবাব দেয়ার হিম্মত রাখুন বুকে। দাঁতে দাঁত চেপে জেদ নিয়ে চলার নামই জীবন।।

শচীন টেন্ডুলকার ক্লাস টেন এ ইংরেজিতে ফেল করেছিলেন। আর এখন ইন্ডিয়ার ক্লাস টেন এর ইংরেজি বইয়েত প্রথম চাপ্টারই টেন্ডুলকারের জীবনী। Oh dear, This is called the revenge👈👈

পেছনে যখন পাগলা কুকুর কিংবা হিংস্র বাঘ অথবা বিষাক্ত সাপ আপনাকে তাড়া করে তখন আপনি কী চিন্তা করেন?

আপনি কি একবারও ভাবেন- এর আগে কেউ কি এদের কাছ থেকে পালাতে পেরেছে কিনা, কিংবা আমি এদের সাথে পারব কিনা,না বস!! এসব ভাবার টাইম কোথায়? ঐ অবস্থায় আপনি ডাইরেক্ট দৌঁড় শুরু করবেন। Yes dear, this is called the theory of success. 'আমার কী হবে' ভাবতে ভাবতে আপনার দিনের অর্ধেক চলে যায়। 'আমাকে দিয়ে কিছু হবে না' চিন্তা চিন্তা করতে করতে আপনার রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যায়। দিনশেষে নিজেকে নিজে কিছুই উপহার দিতে পারেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে জর্জ ক্রাম নামের এক বাবুর্চি একটি রিসোর্টে রান্না করতেন। একদিন ভুলবশত তার তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আলু বেশ পাতলা হয়ে গিয়েছিল। সেই রিসোর্টের এক অতিথি এটা খাবার অযোগ্য বলে তাকে চরম অপমান করলেন সবার সামনেই। ক্রাম খুব কষ্ট পেলন চোখ মুছলেন। এরকম অপমানিত হওয়ার পর আপনি কী করতেন? কান্না করতে করতে হয়তো বলতেন ''আমরা গরীব বলে....."!! কিন্তু সেই বাবুর্চি সেই অপমান আর দুর্ব্যাবহার এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিলেন। সেই পাতলা আলুর তৈরী পটেটো চিপস বানিয়ে, যা আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ খেতে থাকে। This is called দাঁত ভাঙা জবাব।।ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখে না। ব্যর্থ কিংবা দুর্বল লোকের সাথে কেউ সম্পর্ক গড়ে না৷ মানুষ সফল লোকের শালা হতেও রাজি কিন্তু ব্যর্থ লোকের দুলাভাইও কেউ হতে চাই না। Sorry dear এটাই বাস্তবতা।

ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় জ্বালা হচ্ছে, একজন অযোগ্য লোকও আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, স্বয়ং পথভ্রষ্ট নিজেও আপনার পথের ভুল ধরিয়ে দিতে আসবে; এমনকি ব্যর্থ লোকটিও আপনাকে সফলতার পথ দেখাতে চাইবে। জীবনে সার্টিফিকেট চোখে না দেখা লোকটিও আপনার সার্টিফিকেট নিয়ে তামাশা করবে। তখন মনে হবে মাটির নিচে ঢুকে যেতে কখনো কখনো ইচ্ছে হবে মরে যেতে।একজীবনে আপনি কিছু করতে না পারার জন্য কত অজুহাত জমা দিয়েছেন

অজুহাত ভুলে গিয়ে নিজের উপর নিজে আত্মবিশ্বাসী হন।।

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আজকে এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি মাএ ৩০০ টাকা পুঁজি দিয়ে। 

কাজ করছি 👉গরুর মাংসের আচার সহ বিভিন্ন রকমের আচার 

👉খাঁটি গাওয়া ঘি 

👉বগুড়ার বিখ্যাত লাচ্ছা সেমাই নিয়ে 

(সংগৃহীত)



কেন ভার্সিটির শিক্ষকরা সন্তানদেরকে কওমি মাদরাসায় পড়াচ্ছেন,,,,, নেই থেকে নেওয়া

 কেন ভার্সিটির শিক্ষকরা সন্তানদেরকে কওমি

মাদরাসায় পড়াচ্ছেন...!!?

(দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় কওমী মাদরাসা নিয়ে একটি রিপোর্ট করেছেন  সাংবাদিক এসএম মামুন হোসেন, চুম্বক অংশ তুলে ধরেছি..)


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ দেশের অনেক উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার উচ্চ শিক্ষিতরা তাদের সন্তানদের সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় না পড়িয়ে বরং কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি করেছেন। এমনকি এসব উচ্চ শিক্ষিতরা অন্যদেরও নিজেদের সন্তানকে কওমি মাদ্রাসায় দেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। তাদের এমন চেষ্টার কারণ হিসেবে তারা বেশ কিছু কারণ সামনে আনছে। তারা বলছেন, পশ্চিমাদের আদলে তৈরি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই নৈতিকতার সারসত্তা শূন্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া এ শিক্ষা মানুষকে অতি বস্তুবাদি করে তোলার পাশাপাশি সমাজের প্রতি তরুণদের দ্বায়িত্ববোধ, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হ্রাস করাসহ নানা অবক্ষয়ের জন্ম দিয়েছে। এ কারণে তারা নিজেরা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তরে পদার্পণ করেও নিজেদের সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যদের কওমি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রফেসর লিয়াকত সিদ্দিকী যায়যায়দিনকে বলেন, 'আমার মাত্র একটি সন্তান (ছেলে)। তাকে আমরা সাধারণ শিক্ষায় না পড়িয়ে কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করাচ্ছি। এর ফলে আমি নিশ্চিত থাকতে পারছি যে আমার সন্তান এমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে না যেখান থেকে তার চরিত্র নষ্ট হতে পারে। সে অত্যন্ত নিরাপদে থাকছে ও বেড়ে উঠছে।'


শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণে ও মৃত্যুর পরের জীবনে জান্নাতের আশায় সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষায় পড়াচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আইন বিভাগের সিনিয়র এ শিক্ষক বলেন, 'জান্নাত তো পরকালের বিষয়, এ কালেই আমরা আমাদের সন্তানদের যেসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়াতে দেখছি তা থেকেও তো সাধারণ শিক্ষার প্রতি আস্থা রাখতে পারছি না।


চারপাশে এমন কোনো খারাপ কাজ নেই যাতে বর্তমান প্রজন্ম যুক্ত হচ্ছে না। এর বিপরীতে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই আদর্শ চরিত্রবান হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। উচ্চ নৈতিক মান ধারণ করছে। এ কারণেই ছেলেমেয়েদের কওমি শিক্ষায় শিক্ষিত করছি।'


তবে মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে ভয় ও আশাও যে এর পেছনে কাজ করছে তাও অস্বীকার করেননি এ শিক্ষক। তিনি জানান, তার জানামতে দেশের অনেক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, উপসচিবসহ শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও তাদের সন্তানদের কওমি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন, এবং এ প্রবণতা দিনে দিনে আরও বাড়ছে।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বিভাগের আরেক শিক্ষক ড. মো. গোলাম রব্বানী যায়যায়দিনকে বলেন, তার দুই সন্তানের ছোটজনের বয়স চার বছর। এবং বড়জন এবার নাজেরানা পর্যায়ে পড়াশোনা করছে। তিনি তার ছেলের কথা বলতে গিয়ে বলেন, তার ছেলের মাদ্রাসার খতমে বুখারির (সমাবর্তন) অনুষ্ঠানের হাদিসের সনদ বলার সময়ে শিক্ষকের নাম বলতে গিয়ে শ্রদ্ধায় শিক্ষার্থীদের তিনি কাঁদতে দেখেছেন। 


আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা পত্রিকা খুললেই দেখা যায় শিক্ষক, ভিসি, প্রো-ভিসি, রেজিস্ট্রার, অন্য ছাত্র সংগঠনের ওপর, অনেক সময় নিজেরা নিজেরা মারামারি করছে। পড়াশোনা করতে এসে একজন অন্যজনকে আঘাত করার মতো জঘন্য পথেও পা বাড়াতে দ্বিধাবোধ করছে না। তারা একবারও সহপাঠীর মা-বাবার কথা ভাবছে না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এ শিক্ষক।


তিনি হতাশার সঙ্গে বলেন, 'আমরা শিক্ষক হিসেবে আদর্শ মানুষ তৈরিতে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছি। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারছি না।' এ কারণে নিজের সন্তানকেও আধুনিক শিক্ষায় না পড়িয়ে কওমি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন বলে জানান বিজ্ঞান অনুষদের এ শিক্ষক।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করে সরকারি-বেসরকারি চাকরি না খুঁজে যোগদান করেন ময়মনসিংহের এক কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে। সেখানে বাংলা, ইংরেজি ও অংকের ক্লাস নিয়ে থাকেন তিনি। 


অসাধারণ কণ্ঠের অধিকারী এ বক্তির কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, অতীতে এক সময় বড় গায়ক হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তিনি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি কওমি ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িতদের সহজ সরল, কলুষমুক্ত ও আনাড়ম্বর জীবনই তার পছন্দ বলে জানান।


শুধু প্রফেসর লিয়াকত সিদ্দিকী, ড. মো. গোলাম রব্বানী বা সংগীত বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করা মুহাম্মদ হোসেনই শুধু নয়, দেশের অসংখ্য সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি ক্রমেই কওমিয়া শিক্ষার প্রতি ঝুঁকছে। 


সরকারের সচিব থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকেরা এ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। ফলে শিক্ষাবিদরা এ শিক্ষাকে আধুনিক করার জন্যও তাদের দাবি জোরদার করছে।

কপিঃ  মাওঃ ফাইজুল্লাহ শেখ ভাইয়ের ওয়াল থেকে।

ফারুক ভায়ের পোস্ট থেকে সংগৃহীত।



ধানের মাজরা পোকা আক্রমণ লক্ষ্মণ ও সমাধান,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ধানের মাজরা পোকা আক্রম লক্ষণ ও সমাধান।


তিন ধরনের মাজরা পোকা বাংলাদেশের ধান ফসলের ক্ষতি করে। যেমন- হলুদ মাজরা। কালো মাথা মাজরা এবং গোলাপী মাজরা । মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে  ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। গাছে শীষ আসার পূর্ব পর্যন্ত এ ধরনের ক্ষতি হলে মরা ডিগ দেখতে পাওয়া যায়। থোড় আসার আগে মরা ডিগ দেখা দিলে বাড়তি কিছু কুশী উৎপাদন করে গাছ আংশিকভাবে ক্ষতি পূরণ করতে পারে। 


শীষ আসার পর মাজরা পোকা ক্ষতি করলে সম্পূর্ণ শীষ শুকিয়ে যায়। একে ‘সাদা শীষ’, ‘মরা শীষ’ বা ‘হোয়াইট হেড’ বলে। খরায় বা ইঁদুরের ক্ষতির নমুনা হোয়াইট হেড-এর মত দেখা যেতে পারে। কীড়া যদি পাতার খোলের ভেতরে খায় এবং কান্ডের ভেতরের অংশ সম্পূর্ণভাবে কেটে না দেয় তাহলে ধানগাছের আংশিক ক্ষতি হয় এবং শীষের গোড়ার দিকের কিছু ধান চিটা হয়ে যায়।


মাজরা পোকার আক্রমণ হলে, কান্ডের মধ্যে কীড়া, তার খাওয়ার নিদর্শন ও মল পাওয়া যায়, অথবা কান্ডের বাইরের রং বিবর্ণ হয়ে যায় এবং কীড়া বের হয়ে যাওয়ার ছিদ্র থাকে। গাছে মাজরা পোকার ডিমের গাদা দেখলে বুঝতে হবে গাছের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। হলুদ মাজরা পোকা পাতার ওপরের অংশে ডিম পাড়ে এবং গোলাপী মাজরা পোকা পাতার খোলের ভিতরের দিকে ডিম পাড়ে। হলুদ মাজরা পোকার ডিমের গাদার ওপর হালকা ধূসর রঙের একটা আবরণ থাকে। কালোমাথা মাজরা পোকার ডিমের গাদার ওপর মাছের আঁশের মত একটা সাদা আবরণ থাকে, যা ডিম ফোটার আগে ধীরে ধীরে গাঢ় রং ধারণ করে।


মাজরা পোকার কীড়াগুলো ডিম থেকে ফুটে রেরুবার পর আস্তে আস্তে কান্ডের ভেতরে প্রবেশ করে। কীড়ার প্রথমাবস্থায় এক একটি ধানের গুছির মধ্যে অনেকগুলো করে গোলাপী ও কালোমাথা মাজরার কীড়া জড়ো হতে দেখা যায়। কিন্তু হলুদ মাজরা পোকার কীড়া ও পুত্তলীগুলো কান্ডের মধ্যে যে কোন জায়গায় পাওয়া যেতে পারে।


আলোর চার পাশে যদি প্রচুর মাজরা পোকার মথ দেখতে পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে ক্ষেতের মধ্যে মথগুলো ডিম পাড়া শুরু করেছে। 


আক্রমণের পূর্বে করণীয়: 


১. সঠিক দূরত্বে (লোগো পদ্ধতিতে) চারা রোপন করুন


২. সঠিক বয়সের চারা রোপন করুন। 


৩. চারা লাগানোর পরপরই জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে খুঁটি পুতে দিন যাতে সেখানে পাখি বসে পোকা খেতে পারে। 


৪. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সুষম সার দিন।


আক্রমণ হলে করণীয়: 


জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার বা এলোপাথারি বালাই নাশক ব্যবহার করবেন না। নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেললে মাজরা পোকার সংখ্যা ও ক্ষতি অনেক কমে যায়। থোর আসার পূর্ব পর্যন্ত হাতজাল দিয়ে মথ ধরে ধ্বংস করা যায়।


ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা (পার্চিং করা) পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিলে এরা পূর্ণবয়স্ক মথ খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলে। মাজরা পোকার পূর্ণ বয়স্ক মথের প্রাদুর্ভাব যখন বেড়ে যায় তখন ধান ক্ষেত থেকে ২০০-৩০০ মিটার দূরে আলোক ফাঁদ বসিয়ে মাজরা পোকার মথ সংগ্রহ করে মেরে ফেলা যায়।


ধানের জমিতে ১০০ টির মধ্যে ১০-১৫ টি মরা কুশি অথবা ৫ টি মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।



মৃত গায়ক সাদি মাহাবুবের উদ্দেশ্য কবির হোসেন তাপস ফেইসবুক

 সাদি মহম্মদঃ তবু সে দেখিল  কোন ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?


শোনা গেল লাসকাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে;কাল রাতে— ফাল্গুনের রাতের আঁধারে যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ মরিবার হ’লো তার সাধ;


যেন জীবনানন্দের আট বছর আগের সেই  কবিতা দ্বিতীয়বার  লিখে গেলো সংগীতের পরম গুরু সাদি মহম্মদ।


গত পরশু রাতে যখন সে ভয়ানক সংবাদ শুনলাম, হঠাৎ ঝড়ে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলাম। বন্ধু জ্যেতি (জ্যেতি জয়েন উদ্দীন) টেলিফোনেই হাউমাউ করে কেদেঁ উঠলো।ছুটলাম সাদির বাড়ি। শিবলী, নাসরিন, ইয়াসমিন (ওরা তিনজনই সাদির ছোট) ওদের মুখ দেখে শঙ্কায় ফ্যাকাসে হয়ে গেলাম। মানতে পারছিলাম না সাদি চলে যাবার জন্য সব থেকে কঠিনতম পথটি বেছে নেবে।এমন নরম মনের নিরব এক মানুষ কি করে তা পারে। কি ব্যথা ছিলো, কি অভিমান ছিলো? জীবন কতটা দুসঃহ ভার হয়ে উঠেছিলো যে এমন ভাবে ঘুমিয়ে পড়তে হলো 

“কোনোদিন জাগিবে না আর 

জানিবার গাঢ় বেদনার

অবিরাম— অবিরাম ভার 

সহিবে না আর—’ 


মন ভেঙে যাচ্ছিল তবু ভেবেছি যেহেতু এটি তার নিজের সিদ্ধান্ত  তাকে সম্মান জানানো উচিত। কিন্তু মেনে নিলেই কি তার কাছে আমার দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে? যে সিদ্ধান্ত তার মতো একজন শিল্পী নিতে বাধ্য হলো সে সিদ্ধান্ত নেবার পেছনে কি আমার বা আমাদের দায় নেই? নিশ্চয় আছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে সাদি তার বড় আপাকে (পারভিন আপা,শাওনের মা ) হারায়। তার কিছুদিন পর তার প্রিয়তম মা চলে যান। একাকী হয়ে পড়তে থাকে সাদি।নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়ে ভেতরে বাইরে কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয় নি।সাদি ছিল অসম্ভব নরম মনের এক হৃদয় খোলা মানুষ। চাপা স্বভাবের সে ছিলো না।সেই মানুষ কোন অভিমানে এমন পাথর

হয়ে গেলো। খ্যাতির লোভ তার কোনদিন ছিলো না। অন্যের প্রাপ্তিতে নিজেকে উজার করে আনন্দ করতে দেখেছি ।জীবনের সব প্রাপ্তিই তার ছিলো। খ্যাতি ছিলো, অর্থ ছিল কিন্তু তারপরেও কেন?


‘জীবনের এই স্বাদ– সুপক্ব যবের ঘ্রাণ 

হেমন্তের বিকেলের–তোমার অসহ্য বোধ হ’লো;মর্গে কি হৃদয় জুড়োলো মর্গে— গুমোটে থ্যাঁতা ইঁদুরের মতো রক্তমাখা ঠোঁটে।”


তাকে যতো কাছ থেকে আমি জেনেছি দেখেছি আর কেউ তাকে সে ভাবে দেখেছে বলে আমার মনে হয় না।

সাদি যখন খ্যাতির কৈশরে তখন আমি এবং আমরা

তার ছায়া সঙ্গী ছিলাম।আমরা বলতে বন্ধু জ্যোতি, কামরুল আহসান ( এখন আমেরিকা প্রবাসী) কামরুল হাসান মন্জু , হাসান আরিফ, সুজন এবং হায়দার। সুজন ও হায়দার সাদির গানের ছাত্র ছিলো ।

সাদির গানের ক্যাসেট প্রথম এরাই প্রকাশ করেছিলো।সাদির সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটেছিল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে সাদির প্রথম এবং একক রবীন্দ্র সংগীত অনুষ্ঠানে।ততদিনে সাদি কবি আসাদ চৌধুরীর উপস্থাপনায় , খ, ম হারুন ভাইয়ের প্রযোজিত বিটিভির প্রচ্ছদ অনুষ্ঠানে  পুরানে দিনের গান গেয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে শাকিলা জাফরের সাথে গাওয়া “সুরের এই ঝরঝর ঝর্ণা 

তখন তুমুল জনপ্রিয় । সেই সময় তার রবীন্দ্র সংঙ্গীতের অনুষ্ঠান আমাদেরকে বেশ আগ্রহী করে তোলে।বাংলাদেশে তখন পাপিয়া সারোয়ার আর কাদেরী কিবরিয়া খ্যাতির মধ্য গগনে। বন্যাদিও তখন বেশ ঝড় তুলেছেন।এমন সময় নতুন এক আবেদন নিয়ে এলো সাদি। বিরল শ্রুত গানে মন্ত্র মুগ্ধ করে রাখলো গোটা শ্রোতা দর্শক। সেই অনুষ্ঠানে আমি এক গানের অনুরোধ করেছিলাম। সেই থেকেই সাদির সাথে আমার পরিচয় শুরু । বলেছিল “বাসায় এসো আরো আনকমন গান গেয়ে শোনাব।”

এরপর সাদির বাসায় বহুবার গেছি। সে সময় প্রায়শই

আমার খাবার পয়সা থাকতো না। সাদি গান শুনাতো

খাবার খাওয়াতে। সাদির তখন নিজেরও উপার্জন তেমন ছিলো না তবু আসবার সময় জোর করেই আমার পকেটে টাকা ভরে দিত।আমি থাকতাম জাকির হোসেন রোডে। সাদির বাড়ি তাজমহল রোডে। খুব দূরে নয় তবু সেখান থেকে আমাকে নিয়ে যেয়ে ওদের বাড়ির নীচের তলার বড়ো একটা রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে । পরে সেখানে মন্জু ভাইও উঠে আসেন।সেই থেকে আমার সাথে সাদির বন্ধুত্ব এক পরম বন্ধুর রূপ নেয়। তার মানে এই নয় যে আমার মধ্যে সাদি গানের প্রতিভা দেখেছিলো, একদম তা নয়। সাদি সব সময় একটু শান্ত আশ্রয় খুঁজতো আমরা হয়তো তাকে সেই ছায়াটুকু দিতে সমর্থ  হয়েছিলাম। এমন এক সময় সাদির মাধ্যমেই আমার পরিচয় হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাঈম আলীর সাথে। সাদি ডাকতো মিঠু আপা বলে । আমি ডাকা শুরু করলাম মিঠু আপা ।সাদি ততদিনে গানের সংগঠন রবিরাগের প্রতিষ্ঠা করেছে । মিঠু আপা সেই রবিরাগের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। নিজেও সাদির কাছে রবীন্দ্র সংগীতের তালিম নিতেন।সাদি মিঠু আপাকে বলে আমার জন্য তার বাসায় একটা টিউশনির ব্যবস্থা করে দেয়। মিঠু আপা তার  তিন ছেলে মেয়েকে পড়ানোর বিনিময়ে  আমাকে যে টাকা দিতেন 

তা ছিলো আমার জন্য আলাদীনের  প্রদীপের মতো।এটা আমার একার বলে নয় এরকম কতো মানুষের জন্য সাদির অবদান আছে তা সংখায় নিরুপন করা যাবে না।সাদি শুধু গানের শিল্পী বা সুরকার ছিলো না। সাদি বোধহয় প্রবাদ প্রতিম শিল্পী শ্রদ্ধেয় ওয়াহিদুল হকের পর দ্বিতীয় যে নিজস্ব ঘরানা আর অসংখ্য রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সৃস্টি করেছেন।

সাদি দেশের মধ্যে যেখানে গান গাইতে যেতো আমি আর জ্যোতি তার সফর সঙ্গী হতাম।আমাদের উপর

তার একটায় একান্ত অনুরোধ ছিলো তার অনুষ্ঠানের দিন আমরা যেন গান না গাই।আমরা গাইলে নাকি সাদি গানের আসল সুর হারিয়ে ফেলতো।

দ্রততম  সময়ের মধ্যে সাদি খ্যাতির মধ্য গগণ স্পর্শ

করে। নিজের কলেজের শিক্ষকতা, গান, সংগঠন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।আমরাও ধীরে ধীরে জীবনের ব্যস্ততায় দূরত্ব রচনা করে তুলি।দূর থেকেই বেশী দেখি 

খুব বেশী কাছে যাইনি। কখনো ভুলেও ভাবিনি ভেতরে ভেতরে মানুষটা এতো একা। এতো নিসংগ।

সব থেকেও কোন কোন শিল্পী মানুষের কিছু থাকে না ।

“অর্থ নয়, কীর্তি নয়, সচ্ছলতা নয়—আরো-এক বিপন্ন বিস্ময় আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভিতরে খেলা করে; আমাদের ক্লান্ত করে

ক্লান্ত— ক্লান্ত করে; লাসকাটা ঘরে সেই ক্লান্তি নাই; তাই লাসকাটা ঘরে চিৎ হ’য়ে শুয়ে আছে টেবিলের ’পরে।”


আমরা সেটা বুঝতে বড়ো দেরী করে ফেললাম।


ফরজ নামাজ আদায় করার পর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুন্নত আমলসমূহ নিম্নে উপস্থাপণ করা হলো,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕ ফরজ নামাজ আদায় করার পর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুন্নত আমলসমূহ নিম্নে উপস্থাপণ করা হলো। তাই ফজিলতপূর্ণ এই আমলগুলো আপনারা সকলেই নিয়মিত আমল করার চেষ্টা করবেন ইন শা আল্লাহ 💝✅


🔸 ১ বার “আল্ল-হু আকবার” পাঠ করা। [বুখারী- ৮৪২]


🔹 ৩ বার “আস্তাগফিরুল্ল-হ” পাঠ করা। [মুসলিম- ১৩৬২]


🔸 ১ বার “আল্ল-হুম্মা আংতাস সালাম, ওয়া মিনকাস্ সালাম, তাবারকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইক্বরম”

পাঠ করা। [মুসনাদে আহমাদ- ২২৪৬১]


🔹 ১ বার “আয়াতুল কুরসী” পাঠ করা। [নাসাঈ- ৯৮৪৮]


🔸 “সুবহা-নাল্ল-হ” “আলহামদুলিল্লাহ” “আল্ল-হু আকবার” ৩৩+৩৩+৩৩ বার পাঠ করে, ১ বার “লা ইলাহা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া 'আলা কুল্লি শাইইন ক্বদীর” পাঠ করা। [সহীহ মুসলিম- ১৩৮০]


🔹 ফজর এবং মাগরিবের ফরজ নামাজের পর ৭ বার “আল্ল-হুম্মা আজিরনী মিনান্না-র” পাঠ করা। [সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ- ৯৮৫৯]


🔸 ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর ৩ বার “আঊযুবিল্লাহিস সামি'য়্যিল 'আলীমি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম” পাঠ করে, “সূরা হাশরের” শেষ ৩ আয়াত পাঠ করা। [সুনানে তিরমিযি- ১৩৭২]


🔹 ফজর নামাজ আদায় করার পর ৩ বার পাঠ করা, “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবিহামদিহী 'আদাদা খলক্বিহী, অরিদ্ব- নাফসিহী অযিনাতা 'আরশিহী, অমিদা-দা কালিমা-তিহ্”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২৭২৬]


🔸 ফজর নামাজ আদায় করার পর ৩ বার “আল্ল-হুম্ম ইন্নি আসআলুকা, 'ঈলমান না-ফি'য়ান, ওয়া রিজক্বন ত্বয়্যিবান, ওয়া 'আমালান মুতাক্বব্বালা” পাঠ করা। [ইবনে মাজাহ- ৯২৫]


🔹 প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাধিকবার পাঠ করা “আল্ল-হুম্মা আ'ইন্নি 'আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি 'ইবাদাতিক। [আবু দাউদ- ১৫২২]


🔸 ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পরে ৩ বার “রদ্বীনা- বিল্লা-হি রব্বা-, ওয়াবিল ইসলামি দ্বীনা- ওয়াবি মুহাম্মাদিন রসূলা- [ﷺ]” পাঠ করা। [সুনানে আবু দাউদ- ৫০৭৪]


🔹 ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর ১ বার “সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার” পাঠ করা। [মিশকাত- ২৩৩৫]


🔲 সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার- “আল্ল-হুম্মা আংতা রব্বী, লা- ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুক, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্ব‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিং শার্রিমা ছনা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী, ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা- ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আংত্”।


⭕ জিনের আছর, বদনজর, কু-ফ-রী কালাম, জাদু টোনা এবং বিষধর প্রাণীর ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে রাসূল সল্লল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর নিম্নোক্ত দোয়াগুলো পাঠ করতেন।


🔸 সূরা “ইখলাস”, “ফালাক” এবং “নাস” ১ বার করে পাঠ করা। তবে ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর প্রতিটি সূরা ৩ বার করে পাঠ করা। [আবু দাউদ- ১৫২৩]


🔹 ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর ৩ বার পাঠ করা “আ'উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্তা-ম্মা-তি, মিং- শাররি মা খলাক্ব”। [তিরমিযি- ৩৫৫৯]


🔸 ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর ৩ বার পাঠ করা, “বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা- ইয়াদুররু মা'আসমিহী, শাইউং ফিল আরদ্বী ওয়ালা- ফিসসামা-ই, ওয়াহুওয়াস সামি'উল 'আলীম”। [তিরমিযি- ৩৩৩৫]


🔹 ফজর এবং মাগরিবের নামাজের পর ৭ বার পাঠ করা “হাসবিয়াল্ল-হু লা- ইলা-হা ইল্লাহু, 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রব্বুল 'আরশীল 'আউযীম”। [আবু দাউদ- ৩২১]


⭕ [ ' ] এই চিহ্নটি দ্বারা আরবী হরফ “আইনের” উচ্চারণ উদ্দেশ্য। তাই এই চিহ্নের জায়গাগুলোতে গলার ভিতর থেকে “আইনের” উচ্চারণ করতে হবে। আর [ - ] এই চিহ্নটি দ্বারা ১ আলিফ টান দিয়ে পড়াকে বুঝানো হয়েছে।


🔲 মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে নিয়মিত আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন, আমিন 💞✅



বাইকের ব্যাটারী ভালো রাখার কিছু টিপস,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাইকের ব্যাটারী ভালো রাখার কিছু টিপস


০১ । প্রতি মাসে একবার আপনার মোটরসাইকেল ব্যাটারি কার্যক্ষমতা পরিক্ষা করুন।


০২ । লম্বা রাইড দেওয়ার পর ব্যাটারিটি পরিক্ষা করুন , সকল সংযোগ সঠিক আছে কিনা।


০৩ । ব্যাটারি সাধারণত গরম হয় তবে অপেক্ষাকৃত বেশি গরম হচ্ছে কিনা খেয়াল করুন।


০৪ । ব্যাটারিতে কোন ফুটো বা ক্র্যাক আছে কিনা পরীক্ষা করুন।


০৫ । যতটা সম্ভব ব্যাটারি থেকে বাড়তি লোড হ্রাস করুন।


০৬ । সকালের প্রথম ষ্টার্ট এর সময় কিক ব্যাবহার করুন। (যদি কিক স্টার্টার থাকে)


০৭ । হেডলাইট জ্বালানো অবস্থায় সেল্ফ দেবেন না, এতে ব্যাটারি তে প্রচন্ড চাপ পড়ে ।


০৮ । সস্তা দামের HID হেডলাইট ব্যাবহার না করাই ভালো, কেননা সস্তা HID বালব গুলো সঠিক ওয়াটের হয় না, ফলে ব্যাটারী দ্রুত নষ্ট হয়, HID ব্যাবহার করতে হলে ভালোব্রান্ডের ও আপনার বাইকের হেডলাইটের ওয়াট এর সাথে ওয়াট মিলিয়ে কিনুন। তবে LED এখন সবচেয়ে ভালো সলিউশন।


০৯ । অনেকে শখ করে LED ষ্ট্রিপ দিয়ে বাইককে বিয়ে বাড়ীর মত সাজান, এটাও আপনার বাইকের ব্যাটারি ও ওয়্যারিং এর জন্য ক্ষতিকর।


১০ । রাতে ট্রাফিক জ্যামে বা সিগনালে লম্বা সময় দাড়িয়ে থাকতে হলে হেডলাইট অফ করে রাখুন, ইচ্ছা করলে ইঞ্জিনও বন্ধ রাখতে পারেন এতে তেলেরও অপচয় রোধ হবে।


১১ । প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনার বাইকের সাথে থাকা লিকুইড সেল ব্যাটারিটির ওয়াটার লেভেল চেক করুন, লেভেল লো হয়ে গেলে ডিস্টিলড ওয়াটার দিয়ে লেভেল পুর্ন করে দিন।🙂🙂🙂

 অরিজিনাল পার্টস এর সাথে প্রয়োজন ভালো মানে সার্ভিস, আর এই ভালো মানে সার্ভিস নিতে চলে আসুন ইয়ামাহা সার্ভিস সেন্টার গৌড়া মটরস মাদারীপুর  ( হামিদ আকন্দ রোড চারার ঘড়।

স্পেয়ার পার্টস নাম্বার  ০১৭৯৮৩৬২০৫৪

সার্ভিস নাম্বার ০১৭৯৮৩৬২০৫৪

Reves_Your_Heart




ইস্পাহানী এগ্রো র জেলা প্রতিনিধি,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের সকল পণ্য পেতে এবং আপনার এলাকার ডিলার পয়েন্ট সম্পর্কে জানতে নিচের তালিকা থেকে আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের 

সাথে যোগাযোগ করুন অথবা ছবি থেকে নিজ জেলার ডিলার পয়েন্ট জেনে নিন।  


কক্সবাজার - জাহেদুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৬

কিশোরগঞ্জ - কবির হোসেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৩

কুমিল্লা - নাজমুল হাসান, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৪

কুষ্টিয়া - মিঠুন শীল, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৭

কুড়িগ্রাম - মো: রবিউল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৪৫

খাগড়াছড়ি - কালো মনি চাকমা, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৭

খুলনা - তপন কুমার সেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৫

গাইবান্ধা - মো: নূর হোসাইন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৪৪

গাজীপুর - অপূর্ব কুমার সেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৫

গোপালগঞ্জ - সাধন চন্দ্র সরকার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭২

চাঁদপুর - মনিরুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৪০

চাঁপাইনবাবগঞ্জ - বাবুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৫

চট্টগ্রাম - মো: হাফিজুর রহমান, ফোন - ০১৩১৩৪৭৯২৪১

চুয়াডাঙ্গা - মিঠুন শীল, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৭

জয়পুরহাট - অপূর্ব কুমার বিশ্বাস, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৭

ঝিনাইদহ - হাসিবুল হক, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৮

ঝালকাঠি - রুবেল হোসেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭৩

টাঙ্গাইল - শেখর রঞ্জন বাড়ৈ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৯

টাঙ্গাইল - অপূর্ব কুমার সেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৫

ঠাকুরগাঁও - শরিফুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭৯

ঢাকা - তৌহিদুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫১

দিনাজপুর - রুবেল হোসেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭৭

নওগাঁ - অমিয় বাড়ৈ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৮

নড়াইল - প্রশান্ত কুমার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৪

নারায়ণগঞ্জ - ওসমান গনি, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫২

নাটোর - অমিয় বাড়ৈ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৮

নরসিংদী - মো: আরিফুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৮

নীলফামারী - মো: চাঁন মিয়া, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭৮

নোয়াখালী - মো: লিটন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৮

নেত্রকোনা - চঞ্চল বিশ্বাস, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬০

পিরোজপুর - রুবেল হোসেন, ফোন: ০১৩১৩-৪৭৯০৭৩

পঞ্চগড় - রতন চন্দ্র প্রামানিক, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৮০

পাবনা - মো: মিরাজ শেইখ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৬

পটুয়াখালী - রিপন মিয়া, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭৪

ফরিদপুর- সাধন চন্দ্র সরকার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭২

ফেনী - মো: হাফিজুর রহমান, ফোন : ০১৩১৩৪৭৯২৪১

ফেনী - নাজমুল হাসান, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৪

বরগুনা - রিপন মিয়া, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭৪

বগুড়া - মিন্টু বাড়ৈ, ফোন: ০১৩১৩-৪৭৯০৬৪

বাগেরহাট - মো: সাহিদুল ইসলাম, ফোন : ০১৩১৩-৪৭৯০৩৬

বরিশাল - রুবেল হোসেন, ফোন: ০১৩১৩-৪৭৯০৭৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া - নাজমুল হাসান, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া - মোমেন শেইখ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৫

বান্দরবন - কালো মনি চাকমা, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৭

ভোলা - রুবেল হোসেন, ফোন: ০১৩১৩-৪৭৯০৭৩

ময়মনসিংহ - শেখর রঞ্জন বাড়ৈ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৯

মাগুরা - জি. এম. হুমায়ুন কবির, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৯

মানিকগঞ্জ - রিপন সেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৪

মেহেরপুর - হাসিবুল হক, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৮

মুন্সীগঞ্জ - ওসমান গনি সিকদার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫২

মৌলভীবাজার - মোমেন শেইখ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৫

যশোর - প্রশান্ত কুমার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৪

রংপুর - রেজাউল করিম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৪৭

রাঙামাটি - কালো মনি চাকমা, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৭

রাজবাড়ী - সাধন চন্দ্র সরকার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭২

রাজশাহী - বাবুল ইসলাম, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৫

লক্ষীপুর - মো: লিটন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৮

লালমনিরহাট - অনুপ কুমার সেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৪৬

শরীয়তপুর - সাধন চন্দ্র সরকার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৭২

শেরপুর - উত্তম কুমার, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৫৬

সাতক্ষীরা - তপন কুমার সেন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৩৫

সিরাজগঞ্জ - মো: মিরাজ শেইখ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯০৬৬

সিলেট - মো: শিহাব উদ্দিন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৯

সুনামগঞ্জ - মো: শিহাব উদ্দিন, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৯

হবিগঞ্জ - আব্দুল মোমেন শেইখ, ফোন - ০১৩১৩-৪৭৯২৩৫


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৫-০৩-২০২৪ ।,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৫-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


নতুন পাটজাত পণ্য আবিষ্কার এবং বিদেশে নতুন বাজার খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


সোমালিয়ায় জলদস্যুর কবলে পড়া বাংলাদেশি নাবিকরা সুস্থ রয়েছেন- জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- বাংলাদেশি জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে  সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার- বলেছেন ওবায়দুল কাদের।


দেশে বছরে আম উৎপাদন হয় প্রায় ২৫ লাখ টন- আমের রপ্তানি বাড়াতে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সহায়তা চেয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।


পর্যটকদের যাতায়াত সহজ করতে ঢাকা-মস্কো সরাসরি ফ্লাইট চালু করার আগ্রহ রাশিয়ার।


বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মত আজ দেশে পালিত হচ্ছে ‘‘বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস’’।


ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে খাদ্য ও পানির অভাবে ৬০ অভিবাসন প্রত্যাশী নিহত।


আজ চট্টগ্রামে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয়টিতে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।


নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...